এইমাত্র
  • যে ২ ধরনের মানুষকে শরিকে নিলে কারো কোরবানিই হবে না
  • ‘রাফসান দ্য ছোট ভাই’-এর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
  • হঠাৎ বৃষ্টিতে ভোগান্তি চরমে, ভাড়া নেওয়া হচ্ছে দিগুণ
  • খাগড়াছড়িতে কৃষি গবেষণা কেন্দ্র থেকে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার
  • রংপুরে মেট্রোপলিটন পুলিশ ও র‍্যাবের সাব কন্ট্রোল রুম উদ্বোধন
  • বাংলাসহ ৫০ ভাষায় অনুবাদ হবে হজের খুতবা
  • ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নেই যানজট, নির্বিঘ্নে আসছে কোরবানির পশু
  • কুয়াকাটা ৬৫ দিনের অবরোধে জেলেদের মধ্যে সচেতনতা মূলক ক্যাম্পেইন
  • ১৫২ কোটি টাকার মামলা: কমিশনার ওয়াহিদাকে বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা
  • শনিবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ নাকি খোলা, সিদ্ধান্ত ঈদের পর
  • আজ বৃহস্পতিবার, ৩০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ | ১৩ জুন, ২০২৪
    দেশজুড়ে

    জীবিত থেকেই নিজের কবর পাকা করলেন বৃদ্ধ হানিফ

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৪, ০৪:২৬ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৪, ০৪:২৬ পিএম

    জীবিত থেকেই নিজের কবর পাকা করলেন বৃদ্ধ হানিফ

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৪, ০৪:২৬ পিএম

    জীবিত অবস্থায়ই ইট দিয়ে পাকা করে নিজের কবর নির্মাণ করলেন নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মো. হানিফ নামের ৮০ বছরের এক বৃদ্ধ। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

    কবর নির্মাণ করা ওই ব্যাক্তি বুড়িরচর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের জোড়খালী গ্রামের মৃত মোজাফ্ফর আহমদের ছেলে। ব্যক্তি জীবনে ৪ ছেলে ও ৫ মেয়ের সন্তানের জনক তিনি।

    জানা যায়, হানিফ চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর চরণদ্বীপে মাইজভান্ডার দরবার শরীফে তিনি ৫৫ বছরেরও অধিক সময় মাও. খাইরুল বাশার ফারুকীর তরিকার সঙ্গে জড়িত। পীরের নির্দেশে তিনি এমন কাজ করছেন।

    সরেজমিনে দেখা যায়, বাড়ির মধ্যে ঘরের ডান পাশে খনন করে মাটির তলদেশ থেকে ইটের গাঁথনি দিয়ে কবর তৈরি করছে রাজমিস্ত্রিরা। পাশে চেয়ারে বসে নিজের কবরের কাজ দেখভাল করছেন বৃদ্ধ হানিফ।

    নিজের কবর নিজেই তৈরি করার বিষয়ে মো. হানিফ বলেন, এই জায়গায় হয়তো আমার ছেলেরা কবর নাও দিতে পারে। তাই আমার ক্রয়কৃত নিজস্ব জায়গায় আমি আমার কবর তৈরি করছি। আমি এখানে থাকব। মৃত্যুর পরে এ কবরকে কেন্দ্র করে আমার ভক্তরা মাজার তৈরি করে তা জিয়ারত করবে।

    হানিফের বড় ছেলে শাহাবুদ্দিন বলেন, আমার বাবা দীর্ঘদিন মাইজভান্ডার তরিকায় হাজার হাজার আশেকান সৃষ্টি করেছেন। আমাদের এ বাড়িতে প্রতিবছর তিনি আশেকানদের নিয়ে ওরস মাহফিল করে আসছেন। যার খরচ সম্পূর্ণ আমাদের পারিবারিক সদস্যরা বহন করেন। যেহেতু তিনি রোগশয্যায় যেকোনো সময় মৃত্যুবরণ করতে পারেন। উনার মনের ইচ্ছাতেই উনি নিজের কবরটা যেন দেখে যেতে পারেন। সেই লক্ষ্যেই আমরা ছেলেরা বাবার সামনে কবরটা তৈরি করছি।

    স্থানীয় ইউপি মেম্বার লিটন চৌধুরী বলেন, এ ব্যক্তি ভিন্ন তরীকার লোক, যে কারণে তিনি তার মত করে এ কবর করেছেন। ইসলামী শরিয়তে কি বলে তা আমার জানা নেই। তবে তার জীবনের শেষ ইচ্ছে মোতাবেক কবরটি করা হয়েছে।

    স্থানীয় হাজী এমরাত আলী জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মাহমুদুল হাসান বলেন, মৃত্যুর আগে কবরের জন্য স্থান নির্ধারণ করা এবং মাটি ভরাট করা যেতে পারে। কিন্তু মৃত্যুর আগে বা পরে কবর বাঁধাই করা ইসলাম সমর্থন করে না।

    এ বিষয়ে বুড়িরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তির ছেলেদেরকে জিজ্ঞাসা করলাম যে এটা কেন করেছ। ছেলেদের উত্তর ছিল আমার বাবার একান্ত ইচ্ছা যেন উনি উনার কবরটা দেখে যেতে পারে। আমি তাদেরকে বলেছি ইসলামের বিধি বিধানের বাইরে এ সব কাজ করা যাবে না। এ সব গর্হিত কাজ এখনই বন্ধ করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি।

    আরইউ

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…