কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর শালমারা গ্রামের ছোট্ট নাজমুল। বয়স মাত্র ১০ বছর। অথচ এই বয়সে জীবন-মৃত্যুর লড়াই করছে সে। মানুষের সাহায্য ছাড়া চলতে পারছে না। শিশুটি দুরারোগ্য মোটর নিউরন ডিজিজে আক্রান্ত। ধীরে ধীরে নিভে যাচ্ছে তার শরীর—কোমর থেকে পা পর্যন্ত অবশ হয়ে যাচ্ছে। ডাক্তারের ভাষ্যমতে, যত দেরি হবে তত সুস্থ হবার সম্ভাবনা একেবারেই শেষ হয়ে যাবে অবুঝ শিশুটির।
একসময় যে শিশুটি মাঠে দৌড়াত, আজ সে বিছানায় শুয়ে শুধু তাকিয়ে থাকে। তার পাশে বসে মা নাজমা বেগম—অসহায়, চোখের পানি লুকাতে না পেরে বারবার বলেন, “আমার ছেলেটাকে বাঁচান… ও বাঁচলে আমিও বাঁচবো। আমার ছেলে না বাঁচলে হয়তো আমিও বাঁচবো না।” বুকের ধন মরে গেলে আমার বেঁচে থেকে কি লাভ?
নাজমুল সারাদিন তার ছোটবেলার একটি ছবি নিয়ে সে ছবি দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকায় এবং কাঁদে। প্রতিদিন আকাশের দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে বলে, “হে আল্লাহ, আপনি আমাকে সুস্থ করে দিন। আমি বাঁচতে চাই। আমি সুস্থ হলে কোরআনে হাফেজ হতে চাই।”
নাজমুল আকাশের দিকে তাকিয়ে আরও বলে, “হে আল্লাহ, রমজান মাসে আপনি আমার চিকিৎসার জন্য উসিলা হিসেবে কাউকে পাঠান।”
বাংলাদেশের চিকিৎসকদের মতে, বাংলাদেশে এই রোগের কার্যকর কোনো চিকিৎসা নেই। উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ভারতে নিতে হবে নাজমুলকে। প্রয়োজন প্রায় ৮ লাখ টাকা।
প্রকাশ থাকে যে, নাজমুল ও তার বাবা-মায়ের পাসপোর্ট হয়েছে, টাকা যোগাড় হলেই চিকিৎসার জন্য ভারতে যাবেন তারা।
উল্লেখ্য, গত ৩১ জানুয়ারি ‘সময়ের কণ্ঠস্বরে’ সংবাদ প্রকাশের পর মানুষের সহায়তায় জমা পড়েছে মাত্র ৩১,৯২০ টাকা, পরে আরও ১৬ হাজার টাকা। প্রয়োজনের তুলনায় এটি খুবই সামান্য। এখনো দরকার সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি।
রমজান মাসে একটি শিশুর জীবন বাঁচাতে আসুন সবাই এগিয়ে আসি। পরিবারটি যাকাত পাওয়ার যোগ্য।
নাজমুলের চিকিৎসার জন্য সহায়তা পাঠানো যাবে তার মা নাজমা বেগমের বিকাশ অথবা নগদ (পার্সোনাল) নম্বরে— 01759262343
অথবা নাজমুলের মায়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে:অ্যাকাউন্ট নম্বর: 20507770231597486 অ্যাকাউন্টের নাম: নাজমা বেগম, ব্যাংকের নাম: ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড শাখার নাম: কুড়িগ্রাম।
ভিডিও কলে নাজমুলকে দেখতে চাইলে, হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর— 01713200091
এফএস