মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ইমদাদুল হক ইমনের বিরুদ্ধে সরকারি অফিস সময়ে প্রাইভেট হাসপাতালে রোগী দেখার অভিযোগ উঠেছে ।
জানা গেছে, মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের জয়রা রোড়ে অবস্থিত আল-বারাকাহ জেনারেল হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরেই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অফিস সময়ে রোগী দেখে আসছেন তিনি।
সরেজমিনে, ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আল বারাকাহ হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত তার চেম্বারে গিয়ে দেখা যায়, ডা. ইমদাদুল হক ইমন রোগী দেখছেন । সেই সাথে জটিল এক রোগীকে সঙ্গে নিয়ে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করাতে হাসপাতালের নিচতলায় নামতেও দেখা যায় তাকে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকগন অফিসের ছুটি থাকলেও অফিস টাইমে প্রাইভেট চেম্বার নিষেধ। অথচ এই নিয়ম- নীতির কোন তোয়াক্কাই করছে না এই চিকিৎসক ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা.এমদাদুল হক ইমন বলেন, তিনি সপ্তাহে শুধুমাত্র বুধবার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডিউটি করেন। এত সুবিধা কীভাবে সম্ভব—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সরকার আমাকে এই সুবিধা দিয়েছে।”
তবে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “অফিস টাইমে কোনো চিকিৎসকের প্রাইভেটে রোগী দেখার সুযোগ নেই। বিষয়টি আমি দেখব।”
উল্লেখ্য, এই চিকিৎসক সদ্য যোগদান করেন মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাজার্রী বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে। এখানে এসেই শুরু করেছে তার অনিয়ম আর দুনীতি। সদ্য বিদায় নেওয়া দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও একই কাজ করতেন বলে জানা যায়। এছাড়াও এর আগ ডা. ইমদাদুল হক ইমনের বিরুদ্ধে একাধিক রোগী মৃত্যুর অভিযোগ উঠে। এসব অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
সচেতন মানুষের দাবি, আর কত অন্যায় করা হলে থামবে এই ডাক্তার এবং আর চোখ খুলবে প্রশাসনের।
এফএস