এইমাত্র
  • সকালে কমে রাতেই বাড়ল স্বর্ণের দাম
  • জ্বালানি তেলের দাম কমাল সরকার
  • সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে আমরা শঙ্কিত: শিবির সভাপতি
  • এবারের নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে
  • পাকিস্তানে দফায় দফায় হামলা, ১০ নিরাপত্তাকর্মীসহ নিহত ৯৮
  • গাজায় ইসরায়েলের ব্যাপক হামলা, ৬ শিশুসহ নিহত ২৮ ফিলিস্তিনি
  • ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে সৌদিকে ৭৩০ ‘প্রতিরোধ ক্ষেপণাস্ত্র’ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
  • সৌদি ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিচ্ছে না তুরস্ক
  • নির্বাচিত হলে তাহেরকে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের
  • ট্রাম্প হামলা না করলে ইরান আরও শক্তিশালী হবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
  • আজ রবিবার, ১৭ মাঘ, ১৪৩২ | ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    আন্তর্জাতিক

    ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে সৌদিকে ৭৩০ ‘প্রতিরোধ ক্ষেপণাস্ত্র’ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম

    ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে সৌদিকে ৭৩০ ‘প্রতিরোধ ক্ষেপণাস্ত্র’ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম

    মধ্যপ্রাচ্যে যখন ইরান ও তার মিত্রদের সঙ্গে উত্তেজনার পারদ ক্রমে বাড়ছে, ঠিক তখনই সৌদি আরবের জন্য বিশাল সামরিক প্যাকেজ অনুমোদন করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে দেয়া হচ্ছে ৯০০ কোটি ডলার মূল্যের ৭৩০টি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা।

    শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এ সমরাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেয়। বার্তা সংস্থা এএফপির বরাতে ডন জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে চরম উত্তেজনার মধ্যে ইসরায়েল ও সৌদি আরবের কাছে ১৫ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র ও অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

    প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইসরায়েলের কাছে ৩৮০ কোটি ডলার মূল্যের ৩০টি অ্যাপাচি অ্যাটাক হেলিকপ্টার বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে সৌদি আরবের জন্য ৯০০ কোটি ডলার মূল্যের ৭৩০টি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে দেশটি। এসব ক্ষেপণাস্ত্র মূলত আকাশপথে যেকোনো ধরনের হামলা প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।

    সাম্প্রতিক সময়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ইস্যুতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা তুঙ্গে। মূলত সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কড়াকড়ি ও হাজারো মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় ইরানকে চাপে রেখেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এ অবস্থায় তেহরানে একের পর এক হামলার হুমকি দিচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প। ইতোমধ্যে ইরানের নিকটবর্তী জলসীমায় বিশাল সামরিক বহর মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানও পাল্টা প্রতিশোধ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার হুমকি দিয়েছে।

    ইরানের মিত্র না হলেও দেশটির ওপর সম্ভাব্য আক্রমণের বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে সৌদি আরব। এ পরিস্থিতির মধ্যে সৌদির কাছে শতকোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

    ইসরায়েলের কাছে অস্ত্র বিক্রি প্রসঙ্গে এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইসরায়েলকে শক্তিশালী এবং সদাপ্রস্তুত আত্মরক্ষা সক্ষমতা তৈরি ও বজায় রাখতে সহায়তা করা মার্কিন জাতীয় স্বার্থের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রস্তাবিত অস্ত্র বিক্রি এই উদ্দেশ্যগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।’

    নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমল শুরু হওয়ার পর ইরানের ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতি যেন ভিন্ন রূপে বিদ্যমান। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে শক্তিশালী করছে, অন্যদিকে সৌদিকে এই বিপুল সামরিক সরঞ্জাম দেওয়ার অর্থ হলো— অঞ্চলটিতে ইরানের আধিপত্য ঠেকানো।

    ওয়াশিংটন সরাসরি যুদ্ধে না জড়িয়ে মিত্রদের হাতে অত্যাধুনিক অস্ত্র তুলে দিয়ে ইরানকে একটি শক্তিশালী বার্তা দিতে চাইছে।

    গত কয়েক বছরে সৌদি আরবের তেল স্থাপনা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা রিয়াদের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মূলত সৌদি আরবের আকাশসীমাকে একটি ‘নিশ্ছিদ্র ঢাল’ প্রদান করবে।

    অপরদিকে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনের কারণে রিয়াদের সঙ্গে তেল আবিবের ঐতিহাসিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের প্রক্রিয়াটিও বর্তমানে অনেকটা থমকে আছে। ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গাজা যুদ্ধবিরতি এখন দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে। এ ধাপে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। 

    অপরদিকে গত বছর (২০২৫) ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনায় বড় ধরনের বোমা হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল। এর আগে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলায় ১ হাজার ২২১ জন নিহত হন, যাদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক। এরপর গাজায় ইসরায়েলের প্রতিশোধমূলক নির্বিচার হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৭১ হাজার ৬৬৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

    এবি 

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…