এইমাত্র
  • বিশ্ববাজারে ফের দাম কমলো স্বর্ণ ও রুপার
  • জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ব্রিটিশদের বাংলাদেশ ভ্রমণ না করার পরামর্শ
  • টেকনাফে ধানের শীষের প্রচারণা গাড়িতে গুলি, শিশুসহ আহত ৫
  • রিজার্ভ শক্তিশালী করতে ১৯.৬৫ কোটি ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
  • নির্বাচনের আগে সুসংবাদ পেলেন মাদ্রাসা শিক্ষকরা
  • যমুনার সামনে দাবি আদায়ে ‘অনড়’ ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যরা
  • অবশেষে নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত জানাল ইসি
  • প্রতিরক্ষা খাতে সৌদি-তুরস্কের সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর
  • ফের গাজার উদ্দেশে যাত্রা করবে ‘গ্লোবাল সুমুদ’ ফ্লোটিলা
  • নাসার রকেটে প্রযুক্তিগত ত্রুটি, চাঁদের অভিযান স্থগিত
  • আজ শুক্রবার, ২৩ মাঘ, ১৪৩২ | ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    বিধবা ভাতাভোগী মালেকাকে মৃত দেখিয়ে নাম কর্তন, অন্যজনের নাম অন্তর্ভুক্ত

    আমিনুল হক বুলবুল, নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:১৪ পিএম
    আমিনুল হক বুলবুল, নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:১৪ পিএম

    বিধবা ভাতাভোগী মালেকাকে মৃত দেখিয়ে নাম কর্তন, অন্যজনের নাম অন্তর্ভুক্ত

    আমিনুল হক বুলবুল, নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:১৪ পিএম

    নান্দাইলে বিধবা ভাতাভোগী এক বৃদ্ধাকে জীবিত থাকা সত্ত্বেও সরকারি নথিতে মৃত দেখিয়ে তার নাম কর্তন করে অন্য একজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ভুক্তভোগী ওই নারী।

    ভুক্তভোগীর নাম মোছা. মালেকা বেগম (৭০)। তিনি নান্দাইল উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের রায়পাশা গ্রামের মৃত চান মিয়ার স্ত্রী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিয়মিত বিধবা ভাতা পেয়ে আসছিলেন। তবে গত দুই কিস্তি অর্থাৎ ছয় মাস ধরে তার মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে ভাতার টাকা জমা হচ্ছিল না।

    ভাতা বন্ধের কারণ জানতে মালেকা বেগম উপজেলা সদরের সমাজসেবা কার্যালয়ে গেলে তিনি জানতে পারেন, সরকারি নথিতে তাকে মৃত দেখানো হয়েছে এবং তার স্থলে অন্য একজনকে ভাতাভোগী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ তথ্য শুনে হতবাক হয়ে পড়েন তিনি। সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মীদের উদ্দেশে তার প্রশ্ন ছিল, ‘আমি আবার মরলাম কবে?’

    মালেকা বেগম বলেন, ‘তিন মাস পরপর মোবাইলে ভাতার টাকা পেতাম। সেই টাকা তুলে কোনোমতে দিন চলত। এখন ভাতা বন্ধ থাকায় খুব কষ্টে আছি। আমি জীবিত থাকা সত্ত্বেও কে বা কারা আমাকে মৃত দেখাল এটাই জানতে চাই।’

    সমাজসেবা কার্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, কোনো ভাতাভোগী মারা গেলে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যের প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতে অপেক্ষমান তালিকা থেকে নতুন করে অন্য ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মালেকা বেগমের ক্ষেত্রেও এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

    সূত্র আরও জানায়, স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রুহুল আমীন মালেকা বেগমের মৃত্যু সনদসহ একটি প্রত্যয়নপত্র জমা দেন। তার প্রস্তাবের ভিত্তিতে একই গ্রামের মো. আবদুল হাই (৭০) নামে একজনকে ভাতাভোগী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে এ প্রক্রিয়ায় যথাযথ তদন্ত করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

    এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মো. রুহুল আমীন বলেন, ‘ঘটনাটি ভুলবশত হয়েছে। বিষয়টি সংশোধনের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

    নান্দাইল উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মিজানুল ইসলাম আকন্দ বলেন, ‘মালেকা বেগম যাতে দ্রুত পুনরায় ভাতার অর্থ পেতে পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

    এসআর

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…