এইমাত্র
  • দাঁড়িপাল্লা বাতিল মার্কা, এখন আর কেউ ব্যবহার করতে চায় না: টুকু
  • এবার বিএনপির কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে আপিল বিভাগে নাহিদ
  • স্থানীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা অবহেলার শিকার, ইসির উদাসীনতায় হতাশ ইওএস
  • ক্ষমতায় গেলে দ্রুত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে: তারেক রহমান
  • দিনাজপুরের লিচু, আম ও কাঠারিভোগ চাল বিশ্ববাজারে নেওয়ার অঙ্গীকার তারেক রহমানের
  • বরিশালের অধিকাংশ মানুষ জানেন না গণভোটের হ্যাঁ-না ভোট কী
  • দাঁড়িপাল্লার এক পাল্লায় গোপনে আমেরিকা, অপর পাল্লায় গোপনে ভারত: চরমোনাই পীর
  • মুন্সিগঞ্জে স্বতন্ত্র ও বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১০
  • মাগুরায় মোটরসাইকেল-ট্রাক সংঘর্ষে পুলিশ সদস্য নিহত
  • কুষ্টিয়ায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু
  • আজ শনিবার, ২৪ মাঘ, ১৪৩২ | ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    জাতীয়

    স্থানীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা অবহেলার শিকার, ইসির উদাসীনতায় হতাশ ইওএস

    অভিষেক মল্লিক, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট প্রকাশ: ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম
    অভিষেক মল্লিক, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট প্রকাশ: ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম

    স্থানীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা অবহেলার শিকার, ইসির উদাসীনতায় হতাশ ইওএস

    অভিষেক মল্লিক, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট প্রকাশ: ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম

    বিদেশি পর্যবেক্ষকদের জন্য পাঁচ তারকা হোটেল, গাড়ি ও আনুষঙ্গিক সব সুবিধা নিশ্চিত করা হলেও, নিজ দেশের ৫৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবী পর্যবেক্ষকের ন্যূনতম থাকা–খাওয়ার ব্যয় দিতেও অনাগ্রহ দেখাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির এমন উদাসীনতায় হতাশা প্রকাশ করে অভিযোগ তুলেছে ইলেকশন অবজার্ভার সোসাইটি (ইওএস)।

    শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬: দেশব্যাপী সার্বিক অবস্থা ও স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের অবস্থান’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সংগঠনটির নেতারা।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ইওএস সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন হীরা। তিনি বলেন, “নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের থাকা–খাওয়ার জন্য কমিশন পাঁচ তারকা হোটেলের ব্যবস্থা করলেও স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের বিষয়ে কমিশনের কোনো আগ্রহ নেই। বিষয়টি অত্যন্ত হতাশাজনক।”

    তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী অধিকাংশ স্থানীয় পর্যবেক্ষক প্রথমবারের মতো মাঠে কাজ করবেন এবং তারা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবী ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার করেছেন।

    ইওএস সভাপতি বলেন, “আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে থাকা–খাওয়া কিংবা আর্থিক সহায়তা নিচ্ছি না। অতীতে দলীয় অর্থায়নে পর্যবেক্ষণ করে অনেকেই পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন দিয়েছেন, আমরা সেই পথ এড়াতে চাই।”

    তিনি আরও বলেন, ইসির কাছে নির্বাচনকালীন মাত্র তিন দিনের থাকা–খাওয়ার খরচ চাওয়াটাও তাদের জন্য লজ্জার, তবে নিরপেক্ষতা রক্ষার স্বার্থে রাজনৈতিক দলের সহায়তা নেওয়া সম্ভব নয়।

    ইওএস সভাপতি অভিযোগ করে বলেন, সংগঠনের পক্ষে বিপুলসংখ্যক পর্যবেক্ষকের ন্যূনতম ব্যয় বহন করা সম্ভব নয় জানালেও কমিশন থেকে বলা হয়েছে,

    “আপনাদের পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকার প্রয়োজন নেই।”

    সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশব্যাপী প্রায় ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬ হাজার ৯৯৫টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা জেলাতেই ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের সংখ্যা ১০৩টি। এসব তথ্য মাঠপর্যায়ের পর্যবেক্ষকদের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

    ইওএস জানায়, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলো বিপুল ব্যয় করলেও ৫৫ হাজার পর্যবেক্ষকের মাত্র তিন দিনের খাবার ও যাতায়াত খরচের বিষয়ে বারবার আহ্বান জানানো সত্ত্বেও কমিশন কোনো সাড়া দেয়নি।

    সংগঠনটি আরও জানায়, দাবির পক্ষে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হলেও কমিশনের পক্ষ থেকে আলোচনার জন্য কোনো প্রতিনিধি পাঠানো হয়নি, এমনকি স্মারকলিপিও গ্রহণ করা হয়নি।

    তবে এই পরিস্থিতিতে পর্যবেক্ষক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, দেশব্যাপী সাধারণ মানুষের নির্বাচনী প্রত্যাশা ও জাতীয় স্থিতিশীলতার স্বার্থে আপাতত সে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়নি বলে জানানো হয়।

    নির্বাচনী পরিচয়পত্র ইস্যু নিয়েও পর্যবেক্ষকদের ভোগান্তির কথা তুলে ধরে ইওএস জানায়, কখনো অনলাইন, কখনো অফলাইন পদ্ধতিতে সিদ্ধান্ত বদলের কারণে অনেক জেলা এখনো পরিচয়পত্র পেতে বিলম্ব ও জটিলতার মুখে পড়ছে।

    সংবাদ সম্মেলনে ইওএস গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলে, ৫৫ হাজার পর্যবেক্ষকের থাকা–খাওয়ার অর্থায়ন কীভাবে হবে এবং এর দায় কমিশনের কি না—সে প্রশ্নটি গণমাধ্যমে জোরালোভাবে তুলে ধরা জরুরি।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইওএসের প্রধান সমন্বয়কারী শহীদুল ইসলাম আপ্পি, সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আমীন, সিনিয়র সহ-সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ, সহ-সভাপতি বশির আহমেদসহ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা।

    ইখা

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…