এইমাত্র
  • আমরা দুর্নীতিমুক্ত একটি সমাজ বিনির্মাণ করতে চাই: প্রতিমন্ত্রী টুকু
  • দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির আভাস
  • প্রতিশ্রুতিশীল ভবিষ্যতের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ-ভারত
  • হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সব জাহাজের জায়গা হবে সাগরের তলদেশে
  • এলএনজির প্রথম চালান জাহাজে তুলেছে কাতার, গন্তব্য বাংলাদেশ
  • রাতেই ইরানে অত্যন্ত কঠোর আঘাত হানা হবে: ট্রাম্প
  • ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি হিজবুল্লাহর
  • দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল শুরু
  • পবিত্র ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানাল আরব আমিরাত
  • দেশে এ মুহূর্তে জ্বালানী তেলের কোনো সংকট নেই: কৃষিমন্ত্রী হাজী ইয়াছিন
  • আজ শনিবার, ২৩ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৭ মার্চ, ২০২৬
    আন্তর্জাতিক

    হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সব জাহাজের জায়গা হবে সাগরের তলদেশে

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫১ পিএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫১ পিএম

    হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সব জাহাজের জায়গা হবে সাগরের তলদেশে

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫১ পিএম

    ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলা যুদ্ধের মাঝে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন যেকোনও জাহাজের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। শনিবার ইরানের সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র ওই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বলে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

    ওই কর্মকর্তা বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করা যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনও জাহাজের জায়গা হবে একেবারে সমুদ্রের তলদেশে। শিগগিরই হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজকে মার্কিন নৌবাহিনী পাহারা দেবে বলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেওয়ার পর ইরানের সামরিক বাহিনী ওই হুমকি দিয়েছে।

    একই দিনে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ পারাপারে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পাহারার অপেক্ষায় রয়েছে। আঞ্চলিক যুদ্ধের কারণে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে বর্তমানে জাহাজ চলাচল স্থবির হয়ে পড়েছে।

    এমন অবস্থায় শনিবার আইআরজিসি মার্কিন বাহিনীকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, এই জলপথে মার্কিন বাহিনীকে ধ্বংস করে দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে আইআরজিসি। 

    এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ঘোষণা দেন, যথাযথ সময়েই নৌবাহিনী এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে পাহারা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    মার্কিন মন্ত্রীর এই ঘোষণার পর ইরানের বিপ্লবী গার্ডস বাহিনীর মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নাইনি বলেন, ‘‘আমরা তাদের উপস্থিতির অপেক্ষায় আছি।’’

    তিনি বলেন, ‘‘আমরা পরামর্শ দিচ্ছি, কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মার্কিনিরা যেন ১৯৮৭ সালে তাদের সুপারট্যাঙ্কার ‘ব্রিজেটনে’ লাগা আগুন এবং সম্প্রতি লক্ষ্যবস্তু হওয়া তেলবাহী জাহাজগুলোর কথা মনে রাখে।’'

    এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, কেশম দ্বীপে অবস্থিত প্ল্যান্টে হামলা চালিয়ে আমেরিকা ‌‌‘‘পরিষ্কার এবং বেপরোয়া অপরাধ’’ করেছে। ওই প্ল্যান্টে লবণাক্ত পানিকে পানীয় জলে পরিণত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

    তিনি বলেছেন, পানি পরিশোধনাগারে মার্কিন হামলায় ৩০টি গ্রামের পানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। ইরানের অবকাঠামোতে এই ধরনের হামলা অত্যন্ত বিপজ্জনক পদক্ষেপ; যার পরিণতি মারাত্মক। এই নজির আমেরিকা স্থাপন করেছে, ইরান নয়।


    সূত্র: এএফপি।


    এবি 

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…