ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারের সময় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের মুলাইপত্তন গ্রামের চৌকিদার বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে টবগী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন–দৌলতখান) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা ফজলুল করিমের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো হচ্ছিল। এ সময় তাঁরা ভোট চাইতে মুলাইপত্তন গ্রামের চৌকিদার বাড়িতে গেলে সেখানে উপস্থিত ইউনিয়ন শ্রমিক দলের নেতা মো. ইউসুফ ও তাঁর ভাই বিএনপি নেতা আইয়ুবের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে এই বাকবিতণ্ডা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ থেকে ১২ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
টবগী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল হালিম অভিযোগ করে বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চাইতে গেলে শ্রমিক দল নেতা ইউসুফের নেতৃত্বে একদল লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের ৬–৭ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।”
অন্যদিকে শ্রমিক দল নেতা মো. ইউসুফ পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, “জামায়াতের কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে আমাদের বাড়িতে ঢুকে হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের ছয়জন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে একজন হাসপাতালে ভর্তি।”
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ইখা