এইমাত্র
  • ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান ইইউর ৪০৪ সাবেক কর্মকর্তার
  • ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প
  • এবার এক পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল চীন
  • শবে বরাতে দেশ ও জাতির কল্যাণে প্রার্থনার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
  • উত্তেজনার মধ্যেই তুরস্কে বৈঠকে বসছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
  • ভোরে ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ
  • আজ পবিত্র শবে বরাত
  • পরিবারতন্ত্র ভাঙতে হলে শাপলাকলিকে ভোট দিতে হবে: আসিফ মাহমুদ
  • বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে ফেরালে বিশ্বকাপে ভারত–পাকিস্তান মহারণ
  • মুসলিম বিশ্বের শান্তি, স্থিতি ও সমৃদ্ধি কামনা তারেক রহমানের
  • আজ মঙ্গলবার, ২০ মাঘ, ১৪৩২ | ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    আন্তর্জাতিক

    এবার এক পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল চীন

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৩ এএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৩ এএম

    এবার এক পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল চীন

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৩ এএম

    মিয়ানমারের কুখ্যাত স্ক্যাম সেন্টার পরিচালনাকারী কুখ্যাত মাফিয়া ‘বাই’ পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে চীন। গুয়াংডং প্রদেশের একটি আদালত জালিয়াতি, হত্যা, শারীরিক জখম এবং অন্যান্য অপরাধে এই পরিবারের ২১ সদস্য ও সহযোগীকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল; তাদের মধ্যেই ছিলেন এই চারজন। খবর বিবিসির।

    এর আগে গত সপ্তাহে মিয়ানমারের ‘মিং’ মাফিয়া পরিবারের ১১ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে চীন। এসব চক্রের অসাধু তৎপরতায় বহু চীনা নাগরিক প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

    বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েক বছর ধরে বাই, মিং এবং আরও কয়েকটি মাফিয়া পরিবার মিয়ানমারের সীমান্ত শহর লাউকাইং-এ আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। সেখানে তারা ক্যাসিনো, নিষিদ্ধ পল্লী এবং সাইবার প্রতারণা কেন্দ্র পরিচালনা করে।

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাই পরিবার তাদের নিজস্ব মিলিশিয়া বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করত। সাইবার অপরাধ ও ক্যাসিনো পরিচালনার জন্য ৪১টি কম্পাউন্ড বা আস্তানা স্থাপন করেছিল তারা। ওই আস্তানাগুলোর ভেতরে মারধর ও নির্যাতন ছিল নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়।

    আদালত জানিয়েছে, বাই পরিবারের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ফলে ছয়জন চীনা নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে, একজন আত্মহত্যা করেছেন এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন।

    সম্প্রতি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার মাধ্যমে চীন সম্ভাব্য প্রতারকদের কাছে একটি কঠোর সতর্কবার্তা দিতে চাইছে বলে ধারণা করছে বিশ্লেষকরা। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, মিয়ানমার এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য স্থানে অনলাইন প্রতারণা কেন্দ্র পরিচালনার জন্য কয়েক লাখ মানুষকে পাচার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে হাজার হাজার চীনা নাগরিক রয়েছেন।

    এবি 

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…