মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বামন্দী ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে প্যানেল চেয়ারম্যান শাহ আলমের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদে সেবা প্রত্যাশী সাধারণ মানুষ ও সদস্যদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগও রয়েছে।
জানা গেছে, সরকারি এলজিএসপি, এডিবি, টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পে অনিয়মের পাশাপাশি বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। কাগজপত্রের হিসাবের সঙ্গে বাস্তব কাজের মিল নেই বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
সারাদেশে ইউনিয়ন পরিষদগুলোকে শক্তিশালী করা, জনসেবা কার্যকর করা এবং স্থানীয় উন্নয়নমূলক কাজ তদারকিতে সহায়তার জন্য লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি) আওতায় বামন্দী ইউনিয়ন পরিষদে কত টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং কোন খাতে ব্যয় হয়েছে—সে বিষয়ে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ রয়েছে, আবেদন করেও ইউনিয়ন পরিষদের মাতৃত্বকালীন কার্ডপ্রাপ্তদের তালিকা, ১ শতাংশ অর্থ কোন খাতে ব্যয় হয়েছে তার বিবরণ, ট্যাক্স হোল্ডারদের কাছ থেকে আদায়কৃত অর্থের জমা ও ব্যয়ের হিসাবও সরবরাহ করা হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ইউপি সদস্য জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর শাহ আলম প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি সদস্যদের সঙ্গে পরামর্শ না করে নিজের ইচ্ছেমতো কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। কেউ কিছু জানতে চাইলে তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।
ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ দাবি করেছেন, সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ প্রশাসনের মাধ্যমে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও প্যানেল চেয়ারম্যান শাহ আলমকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনোয়ার হোসেন বলেন, “কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ইখা