পবিত্র রমজান মাস মুসলমানদের জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এই মাসে প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে অন্যের উপকার করা—যেমন দরিদ্রকে সাহায্য, অসহায়কে সহায়তা বা জীবন রক্ষার কাজ—এতে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন হয়।
ইসলামি শিক্ষাবিদরা বলেন, রমজানে একটি ছোট ভালো কাজও হতে পারে কারো জীবন বাঁচানোর কারণ। আল্লাহ তায়ালা কোরআনে বলেন— “যে ব্যক্তি একজন মানুষের প্রাণ রক্ষা করে, যেন সে সমগ্র মানবজাতিকে রক্ষা করেছে।” (সূরা মায়েদা: ৩২)। এই আয়াত থেকে স্পষ্ট হয় যে, মানুষের উপকার করা ও জীবন বাঁচানো আল্লাহর নিকট বিশেষ মর্যাদা রাখে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) হাদিসে বর্ণনা করেছেন— “সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ হলো যে মানুষ অন্যের উপকার করে।” (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)।
উলামায়ে কেরাম বলেন, রমজানে দান-সদকা বা যাকাত দিয়ে যদি কারো জীবন বাঁচে, তবে এটি শুধু ফরজ ইবাদত নয়, বরং অসাধারণ নেক আমল হিসেবে গণ্য হবে। এমন কাজ জীবনের ক্ষণকালকে মূল্যবান করে তোলে এবং মৃত্যুর ভয়কে হ্রাস করে।
রমজানে ভালো কাজের উদাহরণ:
১। দরিদ্রদের খাদ্য বা চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া
২। অসহায় শিশু বা রোগীর চিকিৎসা খরচ দেওয়া
৩। অগ্নিকাণ্ড বা দুর্ঘটনায় আহতদের ত্রাণ দেওয়া
৪। যেকোনোভাবে কারো জীবন রক্ষার চেষ্টা করা
এই সব কাজে ছোট প্রয়াসও আল্লাহর নিকট মহৎ ফজিলত পায়।
এফএস