মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জীবনের সঙ্গে লড়ছেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুরনগর খয়েরমিল গ্রামের সন্তান ফারুক আহমেদ (৩০)। একসময় পরিবারের স্বপ্নের অবলম্বন ছিলেন তিনি, আর আজ শয্যাশায়ী অবস্থায় বাঁচার আকুতি জানাচ্ছেন সবার কাছে।
বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগের রক্তরোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. এম মোর্শেদ জামান মিয়ার অধীনে চিকিৎসাধীন আছেন। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে গেলেও দীর্ঘমেয়াদি ও ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পরিবারের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
ফারুক আহমেদ মরহুম ফরজ আলী ও রিনা বেগম দম্পতির ছেলে। বছর খানেক আগে বাবাকে হারিয়েছেন তিনি। বাবার রেখে যাওয়া সামান্য জমিজমা বিক্রি করে এতদিন চিকিৎসা চালানো হয়েছে। কিন্তু এখন আর কোনো সম্বল নেই। নিরুপায় পরিবার এখন সমাজের সহৃদয় মানুষের দিকে চেয়ে আছে।
৭ বছর আগে মরিয়ম খাতুনকে বিয়ে করেন ফারুক। তাদের সংসারে রয়েছে দুইটি ফুটফুটে সন্তান ৬ বছর বয়সী আরিয়ান আহমেদ এবং মাত্র ১৮ মাস বয়সী আনাবিয়া আক্তার। বাবার অসুস্থতা তারা পুরোপুরি বুঝতে না পারলেও প্রতিদিন বাবার পাশে বসে থাকে। সেই দৃশ্য পরিবারের হৃদয় ভেঙে দেয় প্রতিনিয়ত।
বিধবা মা রিনা বেগম বলেন, “আমার ছেলেটাকে বাঁচাতে যা ছিল সব বিক্রি করেছি। এখন আর কিছুই নেই। আল্লাহর কাছে আর মানুষের কাছে হাত পেতেছি, কেউ যদি আমার ছেলেটাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসে।”
প্রতিবেশী আবদুল হাই জানান, ফারুক খুব ভদ্র ও পরিশ্রমী ছেলে। হঠাৎ করে এমন মরণব্যাধি ধরা পড়ায় আমরা সবাই হতবাক। তার পরিবারের আর কোনো সামর্থ্য নেই। সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের কাছে অনুরোধ দয়া করে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।
ফারুক আহমেদ বাঁচতে চান। তিনি তার সন্তানদের বড় হতে দেখতে চান, মায়ের মুখে হাসি ফিরিয়ে দিতে চান। কিন্তু অর্থের অভাবে তার চিকিৎসা থমকে যেতে বসেছে। একটু সহায়তা, সামান্য সহযোগিতাই হতে পারে একটি পরিবারের বাঁচার আশার আলো।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা:
নাম: ফরুক আহমেদ
ব্যাংক: সোনালী ব্যাংক, আড়ানী শাখা
হিসাব নম্বর:৪৬০৫২০১০১০৬৪৭
বিকাশ: ০১৬৮৩-০৬৫৮৮৬
নগদ: ০১৭৩৫-৯৩৩০৫৭
মানবতার হাত বাড়িয়ে দিন। আপনার সামান্য সহায়তাই ফিরিয়ে দিতে পারে এক যুবকের জীবন, বাঁচাতে পারে একটি পরিবার।
এসআর