শুরু হয়েছে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস পবিত্র মাহে রমজান। বছরের অন্যান্য মাসের চেয়ে রমজান মাস সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কাছে অনেক তাৎপর্যপূর্ণ।
তাইতো পবিত্র রমজানের প্রথম জুমায় পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার মসজিদে-মসজিদে ঢল নামে মুসল্লিদের। বয়ান ও খুতবায় সিয়াম সাধনার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও বিশ্বের মুসলিমদের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। নামাজ শেষে মসজিদের ভেতরে অনেকেই কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-দরুদ পাঠ করতে দেখা যায়। এ ছাড়া অনেকেই নিজের পরিবার ও মৃত আত্মীয়স্বজনের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দান-খয়রাত করেছেন।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজে মুসল্লিদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় উপজেলার মসজিদগুলো। কোথাও-কোথাও মসজিদের ভেতরে মুসল্লিদের নামাজের জায়গার সংকুলান না হওয়ায় বাইরে নামাজ পড়তে দেখা গেছে। নামাজের আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় রমজান ও রোজার মাহাত্ম্য তুলে ধরে পার্থিব জীবনে সংযমের শিক্ষা ধারণের কথা বলেন ইমামরা।
ভাঙ্গুড়া উপজেলার সরকারি হাজী জামাল উদ্দিন ডিগ্রী কলেজ জামে মসজিদ, ভাঙ্গুড়া উপজেলা মডেল মসজিদ, কলকতি মাষ্টার পাড়া জামে মসজিদ, ভাঙ্গুড়া বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদসহ বেশ কয়েকটি মসজিদ ঘুরে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। জুমার নামাজের শুরুতে বিভিন্ন মসজিদের ইমামগণ খুতবায় রমজানের আমলের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। নামাজের পাশাপাশি যাকাত আদায়ের গুরুত্ব ও কারা যাকাতের প্রথম হকদার তা তুলে ধরেন।
নামাজ শেষে মসজিদে আগত মুসল্লিরা জানান, নামাজে আল্লাহর দরবারে নিজেদের সঁপে দেন তারা। রমজানের প্রথম জুমার জামাতে অংশ নিতে পেরে নিজেদের ভাগ্যবান মনে করছেন তারা। পাশাপাশি এবারের রমজানের বাকি জুমার নামাজ পড়ার আশা করেন মুসল্লিরা।
ভাঙ্গুড়া উপজেলার সরকারি হাজী জামাল উদ্দিন ডিগ্রী কলেজ জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা আশরাফ আলী সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, রমজানের প্রথম জুমায় প্রতিবছরই মুসল্লিদের উপচেপড়া ভিড় থাকে। তারাবির নামাজের জন্য দুজন স্বনামধন্য হাফেজ দিয়ে খতম তারাবিহ পড়ানো হচ্ছে।
এসআর