এইমাত্র
  • তিন শ্রেণির নাগরিক আগে পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
  • পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য : প্রধানমন্ত্রী
  • মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না: গয়েশ্বর
  • প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্র উদ্ধার
  • ফের আগরতলা-ঢাকা- কলকাতা বাস সার্ভিস চালু
  • রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব পদে আবারও সরওয়ার আলম
  • সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার প্রতিশ্রুতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
  • ফেব্রুয়ারির প্রথম ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার
  • নোয়াখালীতে ইয়াবাসহ ২ কারবারি গ্রেপ্তার
  • শুষ্ক মৌসুমে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি: অদৃশ্য বিপদ ঘরে বাইরে
  • আজ বুধবার, ১১ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    শিক্ষাঙ্গন

    ঢাবির প্রশ্নে হাদির উক্তি ‘জান দেব, তবু জুলাই দেব না’

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪৭ এএম
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪৭ এএম

    ঢাবির প্রশ্নে হাদির উক্তি ‘জান দেব, তবু জুলাই দেব না’

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪৭ এএম
    ছবি: সংগৃহীত

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি)  রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স শ্রেণির এক পরীক্ষায় শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদিকে নিয়ে প্রশ্ন এসেছে। ওসমান হাদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ বিভাগেরই শিক্ষার্থী ছিলেন। 

    গতকাল সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত মাস্টার্স দ্বিতীয় সেমিস্টারের ‘পলিটিক্স অ্যান্ড ল: গ্লোবাল অ্যান্ড ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশনস, ইন্সট্রুমেন্টস অ্যান্ড ইস্যুজ’ শীর্ষক কোর্সের চূড়ান্ত পরীক্ষায় এ প্রশ্ন করা হয়।

    প্রশ্নপত্রের একটি অংশে ওসমান হাদির দুটি উক্তি - ‘জান দেবো, তবু জুলাই দেবো না’ এবং ‘আমি আমার শত্রুর সাথেও ইনসাফ করতে চাই’ এর ভিত্তিতে মানবাধিকারের পক্ষে তার সংগ্রাম ব্যাখ্যা করতে বলা হয়।

    একই পরীক্ষায় ‘আয়নাঘর’ প্রসঙ্গেও প্রশ্ন রাখা হয়। সেখানে জানতে চাওয়া হয়, একটি ‘সিস্টেমেটিক টুল’ হিসেবে ‘আয়নাঘর’ কীভাবে স্বৈরতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রেখেছিল।

    কোর্সটি পড়ান রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম। তিনি বলেন, দেশে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের পাঠদানে সমসাময়িক বিষয়গুলো উপেক্ষিত থাকার প্রবণতা রয়েছে। জুলাই বিপ্লব, আয়নাঘর, শহীদ ওসমান হাদির আগ্রাসনবিরোধী প্রতিরোধ সংগ্রাম এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য ইনসাফের ধারণা, এসব বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে গবেষণা শুরু হয়েছে। অথচ দেশে এ নিয়ে একাডেমিক আলোচনা তুলনামূলকভাবে কম।

    অধ্যাপক শরীফুল ইসলাম বলেন, এসব বিষয়কে একাডেমিক ডিসকোর্সের আওতায় এনে শিক্ষার্থীদের উচ্চতর গবেষণায় উৎসাহিত করাই তার উদ্দেশ্য।

    তিনি আরও জানান, চলতি বছর ও গত বছর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া অনেক শিক্ষার্থীই জুলাই বিপ্লবের অগ্রসৈনিক ছিলেন। তাদের অনেক সহযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন, অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, কারও দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। এসব শিক্ষার্থীর নিজেদের তৈরি ইতিহাস নিয়ে একাডেমিক চর্চা করার অধিকার রয়েছে। 

    গত বছরও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের একই কোর্সের পরীক্ষায় জুলাই বিপ্লব নিয়ে প্রশ্ন এসেছিল। সে সময়ও বিষয়টি আলোচনার জন্ম দেয়। ওসমান হাদি ঢাবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগেরই ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ছিলেন।

    এইচএ


     

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…