এইমাত্র
  • তিন শ্রেণির নাগরিক আগে পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
  • পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য : প্রধানমন্ত্রী
  • মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না: গয়েশ্বর
  • প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্র উদ্ধার
  • ফের আগরতলা-ঢাকা- কলকাতা বাস সার্ভিস চালু
  • রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব পদে আবারও সরওয়ার আলম
  • সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার প্রতিশ্রুতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
  • ফেব্রুয়ারির প্রথম ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার
  • নোয়াখালীতে ইয়াবাসহ ২ কারবারি গ্রেপ্তার
  • শুষ্ক মৌসুমে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি: অদৃশ্য বিপদ ঘরে বাইরে
  • আজ বুধবার, ১১ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    আইন-আদালত

    পিলখানা হত্যা মামলায় আসামি হচ্ছেন শেখ হাসিনা

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৫২ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৫২ পিএম

    পিলখানা হত্যা মামলায় আসামি হচ্ছেন শেখ হাসিনা

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৫২ পিএম
    সংগৃহীত ছবি

    ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির পিলখানা হামলার ঘটনায় মামলা এখনো বিচারিক প্রক্রিয়ায় জটিলতার মধ্যে রয়েছে। দীর্ঘদিনের বিচার ও আপিলের মধ্য দিয়ে আসামি ও নিহত সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারদের ধৈর্য পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে।

    প্রসিকিউশন জানায়, বিস্ফোরক এই মামলার সাক্ষীদের জবানবন্দিতে, বিডিআর হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে শেখ হাসিনা, শেখ তাপস, মির্জা আজম, জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ তৎকালীন বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতার নাম উঠে এসেছে। 

    এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন বিস্ফোরক মামলার চিফ প্রসিকিউটর বোরহান উদ্দিন। বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় আসামি প্রায় সাড়ে ৮০০ জন। 

    মামলায় ১২০০ সাক্ষীর মধ্যে, সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে ৩০০ জনের। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের জবানবন্দিতে শেখ হাসিনাসহ বেশ কয়েকজনের জড়িত থাকার বিষয়ে তথ্য এসেছে। 

    বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিস্ফোরক এই মামলাটি এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে । ৫ আগস্টের পর এই মামলার কয়েকশ আসামি জামিন পেয়েছেন।

    প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রক্তাক্ত হয়েছিল পিলখানা। কেউ কখনও ভাবিতেই পারেনি পিলখানার মতো সুরক্ষিত স্থানে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে জীবন দিতে হবে।

    বিচারিক আদালত, ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর, এ মামলার রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। হাইকোর্ট ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। এছাড়া ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। খালাস পান ২৮৩ জন। 

    এমআর-২

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…