এইমাত্র
  • তিন শ্রেণির নাগরিক আগে পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
  • পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য : প্রধানমন্ত্রী
  • মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না: গয়েশ্বর
  • প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্র উদ্ধার
  • ফের আগরতলা-ঢাকা- কলকাতা বাস সার্ভিস চালু
  • রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব পদে আবারও সরওয়ার আলম
  • সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার প্রতিশ্রুতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
  • ফেব্রুয়ারির প্রথম ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার
  • নোয়াখালীতে ইয়াবাসহ ২ কারবারি গ্রেপ্তার
  • শুষ্ক মৌসুমে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি: অদৃশ্য বিপদ ঘরে বাইরে
  • আজ বুধবার, ১১ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    শিক্ষাঙ্গন

    উপাচার্য-ট্রেজারার বদল হলে জবির অধ্যাপকদের মধ্য থেকেই নিয়োগ দিতে হবে: শিক্ষক সমিতি

    ফাহিম হাসনাত, জবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:১৩ পিএম
    ফাহিম হাসনাত, জবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:১৩ পিএম

    উপাচার্য-ট্রেজারার বদল হলে জবির অধ্যাপকদের মধ্য থেকেই নিয়োগ দিতে হবে: শিক্ষক সমিতি

    ফাহিম হাসনাত, জবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:১৩ পিএম

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রশাসনের উচ্চপদে কোনো রদবদল হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব অধ্যাপকদের মধ্য থেকেই উপাচার্য ও ট্রেজারার নিয়োগ দিতে হবে বলে দাবি জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। জবির বাইরের কাউকে এ পদে দায়িত্ব দেওয়া হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সমিতির নেতারা। একই সঙ্গে উপ-উপাচার্যের পদ সৃষ্টির দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।


    মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় শিক্ষক সমিতির লাউঞ্জে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. ইমরানুল হক।


    লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০০৫ সালে ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন’ পাসের মাধ্যমে জগন্নাথ কলেজকে পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হয়। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন জাতীয় আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টি শুধু উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, গণতান্ত্রিক চেতনার ধারক।


    তিনি দাবি করেন, ২০০৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব অধ্যাপকদের মধ্য থেকে উপাচার্য নিয়োগ না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের স্বকীয়তা ও অভ্যন্তরীণ বাস্তবতা যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান, যা স্বায়ত্তশাসনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন বলে উল্লেখ করেন তিনি।


    সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক সমিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে। এর মধ্যে রয়েছে—আবাসন সংকটের স্থায়ী সমাধান, আবাসন বৃত্তি চালু, কেরাণীগঞ্জে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন, গুচ্ছ পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে নিজস্ব ভর্তি পরীক্ষা চালু, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচন ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) বাস্তবায়ন, গবেষণা বাজেট বৃদ্ধি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন।


    শিক্ষক সমিতি জানায়, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদলের সম্ভাবনা রয়েছে। এ অবস্থায় পূর্বের ন্যায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের মধ্য থেকেই উপাচার্য ও ট্রেজারার নিয়োগ দিতে হবে। তাঁদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বাস্তবতা সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা নেতৃত্বই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দাবি আদায় ও উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সক্ষম হবে।


    এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৩৮টি বিভাগ ও ২টি ইনস্টিটিউট থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে উপ-উপাচার্যের পদ সৃষ্টির দাবি জানান সমিতির নেতারা।


    শিক্ষক সমিতি আরও জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে বহু সিনিয়র ও যোগ্য অধ্যাপক রয়েছেন। তাঁদের দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে যথাযথ পদে নিয়োগের ব্যবস্থা করা উচিত। রাজধানীতে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এখনো কাঙ্ক্ষিত মর্যাদা পায়নি বলেও মন্তব্য করা হয়।


    সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক সমিতি ঘোষণা দেয়, প্রশাসনের উচ্চপদে পরিবর্তন এলে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের বাইরের কোনো ব্যক্তিকে উপাচার্য বা ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন সমিতির নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    ইখা

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…