যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করায় ভাঙন শুরু হয়েছে সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে। এরিমধ্যে আতঙ্কে রয়েছে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ বাড়িঘর ও ফসলি জমি। হুমকির মুখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ইউনিয়ন পরিষদ ভবন। তাই ভাঙন বিধ্বস্ত উপজেলার বাকি অংশটুকু রক্ষার জোর দাবি জানিয়েছে সেখানের এলাকাবাসী।
সিরাজগঞ্জ জেলার মানচিত্রে চৌহালীর স্থান থাকলেও দুর্গম যাতায়াত ব্যবস্থা আর দফায় দফায় নদী ভাঙনের জন্য জেলা সদর থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন। সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু হওয়ায় চৌহালী উপজেলা দেখা দিয়েছে তীব্র নদী ভাঙন। এতে বিলীন হচ্ছে বসতভিটে থেকে শুরু করে ফসলে ক্ষেতও।তবে বর্তমান ভাঙ্গনের মূল কারণ যমুনা নদী দিয়ে রাতদিন বাল্বহেড দিয়ে বালি সরবরাহ করা।
প্রতি বছরের মত চলতি বছর বন্যায় বিগত বছরে উপজেলার দক্ষিণ অঞ্চলের খাসপুখুরিয়া থেকে বাঘুটিয়া ইউনিয়নের তিন কিলোমিটার অঞ্চলে প্রায় ৩০টি বসতবাড়ি ও একটি কমিউনিটি ক্লিনিক নদীতে হারিয়ে গেছে। এছাড়া তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে রেহাই পুখুরিয়া পশ্চিমপাড়া, মিটুয়ানী, চর বিনানই ও চর সলিমাবাদ এলাকায়। হুমকির মুখে ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাঘুটিয়া এলাকা।
ভাঙন রোধে সেখানে মানববন্ধনসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে জানানো হয়েছে স্থানীয়রা প্রতিকার পেতে বিভিন্ন দপ্তরের দৌড়ঝাঁপ শুরু করছে। তাই স্থানীয়দের জোর দাবি ভাঙন রোধে চাই স্থায়ী বাঁধ। এছাড়াও এলাকাবাসী ভাঙ্গন রোদে এবং বাল্বহেড যমুনা নদীতে চলাচল বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে। ভাঙ্গন কবলিত স্থানীয় বাসিন্দা আবুল বাশার গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, বেশকিছু দিন যাবত যমুনার তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গনের মূল কারণ বালু মহলের শতশত বাল্বহেড বালু নিয়ে চলাচলের কারণ। এবিষয়ে সহকারী কমিশনার ভূমি মো: হাসিবুর রহমান ও চৌহালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মতিউর রহমান জানান, যমুনায় বাল্বহেড দিয়ে বালু সরবরাহ কেন্দ্র করে এলাকাবাসীদের প্রতিবাদ ও মানববন্ধনের কারণে সব ধরনের বাল্বহেড আপাতত বন্ধ করা হয়েছে।
এসআর