এইমাত্র
  • জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল দুপুরে, শিক্ষার্থীরা যেভাবে পাবে
  • আরো ৮৭ মিলিয়ন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
  • টেকনাফে এক জালেই ধরা পড়লো ১৩০ মণ লাল কোরাল
  • সেন্টমার্টিন ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ২ বছরের কারাদণ্ড
  • ঢাকা তুরাগে ১১ কোটি টাকা ডাকাতি মামলার আসামী তাহিরপুর থেকে আটক
  • জাতীয় শহীদ সেনা দিবস আজ
  • ইউক্রেনকে পরমাণু অস্ত্র দিলেই পাল্টা পারমাণবিক হামলা, হুঁশিয়ারি রাশিয়ার
  • দক্ষিণ-পূর্ব ব্রাজিলে ভারী বৃষ্টিতে বন্যা, নিহত ২৩
  • তিন শ্রেণির নাগরিক আগে পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
  • পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য : প্রধানমন্ত্রী
  • আজ বুধবার, ১২ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    আন্তর্জাতিক

    ইউক্রেনকে পরমাণু অস্ত্র দিলেই পাল্টা পারমাণবিক হামলা, হুঁশিয়ারি রাশিয়ার

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:১৯ এএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:১৯ এএম

    ইউক্রেনকে পরমাণু অস্ত্র দিলেই পাল্টা পারমাণবিক হামলা, হুঁশিয়ারি রাশিয়ার

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:১৯ এএম


    ইউক্রেনকে পরমাণু অস্ত্র সরবরাহ করা হলে রাশিয়া পাল্টা পারমাণবিক হামলা চালাতে পারে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে মস্কো। রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও দেশটির নিরাপত্তা পরিষদের উপ-প্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স কিয়েভকে পারমাণবিক ওয়ারহেড দিলে তা সরাসরি যুদ্ধরত একটি দেশের হাতে পরমাণু অস্ত্র তুলে দেয়ার শামিল হবে, যার জবাবে রাশিয়া ‘নন-স্ট্র্যাটেজিক’ পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের পথেও যেতে পারে।


    বার্তাসংস্থা আনাদোলু বলছে, ইউক্রেনকে পারমাণবিক অস্ত্র দেয়ার সম্ভাবনা ঘিরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। দিমিত্রি মেদভেদেভ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, লন্ডন ও প্যারিস এমন পদক্ষেপ নিলে মস্কোও কৌশলগত নয় এমন পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে। ক্রেমলিন বলছে, এতে আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ ব্যবস্থাই হুমকির মুখে পড়বে।


    মঙ্গলবার মস্কোর নিরাপত্তা পরিষদের উপপ্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেন, ব্রিটেন ও ফ্রান্স যদি ইউক্রেনকে পারমাণবিক ওয়ারহেড দেয়, তাহলে রাশিয়া নন-স্ট্র্যাটেজিক পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে বাধ্য হবে।


    ম্যাক্স মেসেঞ্জার অ্যাপে দেয়া এক পোস্টে মেদভেদেভ জানান, রাশিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা এসবিআরের দেয়া তথ্য চলমান পরিস্থিতিকে আমূল বদলে দিচ্ছে। ওই তথ্যে ইউক্রেনকে পারমাণবিক অস্ত্র দেয়ার গোপন পরিকল্পনায় যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স জড়িত বলে বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আনা হয়েছে।


    ২০০৮ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মেদভেদেভ আরও বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপের মানে হবে যুদ্ধরত একটি দেশের হাতে সরাসরি পারমাণবিক অস্ত্র তুলে দেয়া।


    তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়ার জন্য ইউক্রেনের ভেতরে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে হওয়া লক্ষ্যবস্তুতে যেকোনও ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা ছাড়া বিকল্প থাকবে না। এতে নন-স্ট্র্যাটেজিক পারমাণবিক অস্ত্রও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। প্রয়োজনে রাশিয়ার সঙ্গে পারমাণবিক সংঘাতে জড়িত সরবরাহকারী দেশগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে। এটিকে রুশ ফেডারেশনের ‘সমমাপের প্রতিক্রিয়া’ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


    আলাদা এক বিবৃতিতে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, এ ধরনের পরিকল্পনা বৈশ্বিক পারমাণবিক বিস্তাররোধ ব্যবস্থার জন্য বড় হুমকি। বিশেষ করে ইউরোপ মহাদেশে চলমান উত্তপ্ত সংঘাতের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।


    তিনি বলেন, এটি আন্তর্জাতিক আইন ও সংশ্লিষ্ট সব নীতি ও নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন।


    এর আগে মঙ্গলবারই রাশিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা এসবিআর অভিযোগ করে, ব্রিটেন ও ফ্রান্স ইউক্রেনকে পারমাণবিক অস্ত্র দিতে চায়। তাদের দাবি, এমন পদক্ষেপ শান্তি আলোচনায় কিয়েভের অবস্থান শক্তিশালী করতে পারে মনে করেই এই পথে হাঁটার কথা ভাবছে ব্রিটেন ও ফ্রান্স।


    উল্লেখ্য, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দীর্ঘ দিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী বলা হয়ে থাকে দিমিত্রি মেদভেদেভকে। ২০১২ সাল থেকে ২০২০ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত মেদভেদেভ রাশিয়ার দশম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপালন করেন। এছাড়া ২০০৮ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন তিনি।


    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করে রাশিয়া। দীর্ঘ চার বছর ধরে চলা এই আগ্রাসন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে সবচেয়ে ভয়াবহ এক সংঘাত এবং ১৯৬২ সালের কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের পর মস্কো ও পশ্চিমের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংঘর্ষের সূত্রপাত করেছে। আর ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ব্রিটেন ও ফ্রান্স বরাবরই সোচ্চার ভূমিকা রেখেছে।


    এবি 

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    Loading…