এইমাত্র
  • পৌরবাসীর উন্নয়নকে পাশ কাটিয়ে পৌর প্রশাসকের বাগান বিলাস!
  • সরকারি ঘোষণার পরও সকাল ৯টায় সেবা শুরু হয়নি গৌরনদী উপজেলা কার্যালয়ে
  • প্রাথমিকভাবে ৯টি উপজেলায় চালু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’
  • সরকারি চাকরিজীবীরা টানা ১২ দিন ছুটি পেতে পারেন যেভাবে
  • ক্যারিয়ার নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের কথা জানালেন শ্রেয়া ঘোষাল
  • ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডারকেও হত্যা করা হবে, ট্রাম্পের হুঙ্কার
  • ইরানে নিহতের সংখ্যা হাজার ছাড়াল
  • পাল্টা আঘাত ছাড়া কোনো পথ খোলা ছিল না: ইরানের প্রেসিডেন্ট
  • এবার ইকুয়েডরে যৌথ সামরিক অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের
  • কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচন সম্পন্ন
  • আজ বৃহস্পতিবার, ২১ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    পৌরবাসীর উন্নয়নকে পাশ কাটিয়ে পৌর প্রশাসকের বাগান বিলাস!

    নাজমুস সাকিব মুন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি প্রকাশ: ৫ মার্চ ২০২৬, ০৯:১৮ এএম
    নাজমুস সাকিব মুন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি প্রকাশ: ৫ মার্চ ২০২৬, ০৯:১৮ এএম

    পৌরবাসীর উন্নয়নকে পাশ কাটিয়ে পৌর প্রশাসকের বাগান বিলাস!

    নাজমুস সাকিব মুন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি প্রকাশ: ৫ মার্চ ২০২৬, ০৯:১৮ এএম

    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ পৌরসভায় এডিবি অর্থায়নে বাস্তবায়িত একটি প্রকল্পকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে সমালোচনা দেখা দিয়েছে। ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরে ৫ লাখ ৫ হাজার ৫০৬ টাকা ব্যয়ে ‘উপজেলা বাগানে ওয়াকওয়ে’ নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের আওতায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সরকারি বাসভবন সংলগ্ন বাগানে প্রায় ৫০০ মিটার এলাকায় ব্লক বসিয়ে একটি ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে।

    পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, কাজটি গত বছরের সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে সম্পন্ন করে বুঝে নেওয়া হয়। বর্তমানে পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে রয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান। প্রকল্পটি তার অনুমোদনেই গৃহীত হয়।

    তবে প্রকল্পটির অবস্থান ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেক পৌরবাসী। তাদের অভিযোগ, ওয়াকওয়েটি নির্মাণ করা হয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবন সংলগ্ন বাগান এলাকায়, যা সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত নয়।

    স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বরাদ্দের পরিমাণ কম হলেও পৌর এলাকার সড়ক সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন বা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত কোনো স্থানে উন্নয়নমূলক কাজে এই অর্থ ব্যয় করা যেত। কিন্তু প্রশাসনিক আবাসনের পাশে বাগানে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করায় জনস্বার্থ কতটা নিশ্চিত হয়েছে, তা নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছেন।

    পৌরবাসীর দাবি, উন্নয়ন প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত সর্বসাধারণের উপকার নিশ্চিত করা। যেখানে নাগরিকদের দৈনন্দিন চলাচল বা প্রয়োজনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক নেই, সেখানে উন্নয়ন ব্যয় প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলতে রাজি হননি।

    উল্লেখ্য, এর আগেও সরকারি অফিসে টিআর প্রকল্পের বরাদ্দ দেওয়ার নিয়ম না থাকলেও বিশেষ বিবেচনায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ের জন্য কম্পিউটার ও প্রিন্টার কেনার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর প্রকল্পটি বাতিল করে নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।

    ইখা

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…