আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে টানা ৪ দিনের সরকারি ছুটি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে বুধ ও বৃহস্পতিবার (১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। এরপর ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি (শুক্র ও শনিবার) ২ দিন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাপ্তাহিক ছুটি। সেই হিসাবে ১১-১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা চারদিন ছুটি কাটাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হবে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) শিল্পাঞ্চলে বিশেষ ছুটি ছিল। তবে মঙ্গলবারের শিল্পাঞ্চলের বিশেষ ছুটি পরবর্তী সময়ে সুবিধাজনক যে কোনো একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সমন্বয় করা যাবে। অর্থাৎ, একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিনকে মালিকরা ‘কর্মদিবস’ হিসেবে ঘোষণা করতে পারবেন বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
এর আগে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদনের পর গত ২৫ জানুয়ারি ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, ‘অ্যালোকেশন অব বিজনেস অ্যামাং দ্য ডিফারেন্ট মিনিস্ট্রিজ অ্যান্ড ডিভিশনস’ এ দেওয়া ক্ষমতাবলে উপদেষ্টা পরিষদ-বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধ ও বৃহস্পতিবার) সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান, সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সরকারি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে সারাদেশে নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক, কর্মচারীদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হলো।
ভোট দিতে গ্রামের বাড়িতে যেতে মঙ্গলবার রাজধানীর বাস, লঞ্চ ও রেল স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল। অনেকে বলেছেন ঈদের সময়েও এতটা ভিড় দেখা যায় না। বুধবার সকাল থেকেও অনেকে রাজধানী ছাড়ছেন।
৪ দিনের ছুটি শেষে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) খুলবে সরকারি অফিস।
এইচএ