এইমাত্র
  • ৫০ লাখ টাকাসহ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির আটক
  • এককভাবে সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান
  • অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ কমিশন: সিইসি
  • কক্সবাজারে ৫৯৮ কেন্দ্রের মধ্যে ৩২৯ ঝুঁকিপূর্ণ, ভোটের আগে উদ্বেগ বাড়ছে
  • আজ থেকে টানা ৪ দিনের সরকারি ছুটি শুরু
  • রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এসেছে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট
  • বিএনপি-জামায়াতের সরাসরি লড়াই, ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যালঘু ভোট
  • ভোটকেন্দ্রে বাদাম-বিস্কুট-কলা খাওয়াসহ যেসব কাজ করতে পারবে না পুলিশ
  • নির্বাচনী হাওয়ায় বদলে গেছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত
  • ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রশ্নে আমরা 'হ্যা' এর পক্ষে: আহমাদুল্লাহ
  • আজ বুধবার, ২৮ মাঘ, ১৪৩২ | ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    জাতীয়

    ঢাকার দূষণ রোধে ৪ হাজার ৫২৮ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম

    ঢাকার দূষণ রোধে ৪ হাজার ৫২৮ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
    সংগৃহীত ছবি

    ঢাকার স্যানিটেশন ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিষেবা উন্নত করতে, পানি দূষণ কমাতে এবং নদী ও খাল পুনরুদ্ধারের জন্য ৩৭ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। যা প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩৯ পয়সা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় দাঁড়ায় প্রায় ৪ হাজার ৫২৮ কোটি টাকা। 


    সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় এ ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সংস্থাটির ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।


    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেট্রো ঢাকায় পানি নিরাপত্তা ও টেকসই কর্মসূচির মাধ্যমে বৃহত্তর ঢাকায় পানি দূষণ কমাতে স্থানীয় ও জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলির সক্ষমতা জোরদার করা হবে। কর্মসূচিটি সিটি করপোরেশন এবং ওয়াসাকে গ্রাউন্ড ওয়াটার উত্তোলনে শক্তিশালী করা হবে।যাতে করে ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে নিরাপদ পানি ও ৫ লাখ মানুষকে উন্নত স্যানিটেশন সুবিধার আওতায় আনা যায়।এতে  মানুষকে উন্নত কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিষেবা দেবে, দূষণ এবং পরিষেবার ঘাটতির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়গুলোকে অগ্রাধিকার দেবে।


    বাংলাদেশ ও ভুটান নিযুক্ত বিশ্বব্যাংক বিভাগীয় পরিচালক জ্যাঁ পেম বলেন, বৃহত্তর ঢাকার লাখ মানুষের জন্য পানি হলো জীবনরেখা। কিন্তু দ্রুত, অপরিকল্পিত নগরায়ন এবং শিল্প প্রবৃদ্ধি বজ্যের কারণে পানি দূষণ বাড়ছে। কিন্তু দূষণ শহরের ছাড়িয়ে গেছে, যা জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এই কর্মসূচি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার নদী ও খালের দূষণ কমাতে এবং স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরিতে সহায়তা করবে।


    বিশ্বব্যাংক বলছে, ঢাকায় বর্জ্য এবং পানি দূষণের তীব্র চ্যালেঞ্জ রয়েছে। মাত্র ২০ শতাংশ বাসিন্দার পাইপযুক্ত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার সংযোগ রয়েছে এবং আরও ২ শতাংশ কার্যকরী মল-মূত্র ব্যবস্থাপনা ব্যবহার করেন। ৮০ শতাংশেরও বেশি অপরিশোধিত বর্জ্য পানি এবং পয়ঃনিষ্কাশন ঢাকার আন্তঃসংযুক্ত জলপথে ফেলা হয়। ঢাকার অর্ধেকেরও বেশি খাল অদৃশ্য হয়ে গেছে অথবা আটকে গেছে, যা দূষণকে আরও খারাপ করে তুলেছে। এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার জন্য, এই অভিযানটি সরকারি ও বেসরকারি খাতের পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনগুলোকে জড়িত করে একটি সামগ্রিক পদ্ধতি গ্রহণ করে। এটি পরিষেবা সরবরাহ উন্নত করতে, নিয়ন্ত্রক কাঠামো শক্তিশালী করতে এবং দূষণ হ্রাস করে এবং প্রবাহ ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করে ঢাকার চারপাশের নদী এবং খালগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে সহায়তা করবে।


    প্রায় ৮০ শতাংশ রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা ঢাকায় অবস্থিত। ৭ হাজারের বেশি কারখানা প্রতিদিন আনুমানিক ২ হাজার ৪০০ মিলিয়ন লিটার অপরিশোধিত বর্জ্য পানিপথে ছেড়ে দেয় যা ত্বক, ডায়রিয়া এবং স্নায়বিক রোগের সৃষ্টি করে। এই কর্মসূচিটি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে, বিশেষ করে ঢাকার আশেপাশের শিল্প বর্জ্য পরিশোধন এবং পানি পুনঃব্যবহার বৃদ্ধির জন্য তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা হবে।


    বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন বিশেষজ্ঞ এবং প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার হার্ষা গোয়েল বলেন, এই কর্মসূচি বাংলাদেশের বৃহত্তর পানি সুরক্ষা এবং টেকসই কর্মসূচিকে সমর্থন করে। এই পর্যায়ে ঢাকার জলাশয়ে দূষণের নির্গমন হ্রাস করা, ঢাকার নদীগুলির জন্য একটি বিস্তৃত পানির মান সূচকসহ প্রাতিষ্ঠানিক এবং নিয়ন্ত্রক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, ডিজিটাল রিয়েল-টাইম দূষণ পর্যবেক্ষণ স্থাপন করা এবং ঢাকার চারটি নদীর জন্য সমন্বিত নদী পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা তৈরি করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।


    এই কর্মসূচি প্রথম পর্যায়ে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জের নির্বাচিত এলাকাগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করবে। এটি প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহের কভারেজ উন্নত করতে সাহায্য করবে - প্রধান খাল এবং নদীর কাছাকাছি সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়গুলোকে অগ্রাধিকার দেবে এবং পুনর্ব্যবহার ব্যবস্থা উন্নত করবে। এটি কঠিন বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে, ড্রেনেজ নেটওয়ার্কে সরাসরি পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং শিল্প বর্জ্য নদী ও খালে ফেলা বন্ধ করতে হবে।


    এমআর-২

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…