জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কেনাবেচা বা কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা করলে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, ভোট কেনাবেচা ও জাল ভোট দেওয়া আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং এতে জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সতর্কবার্তা জানান।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কেন্দ্রগুলোতে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নয়, নজরদারি করবে আধুনিক প্রযুক্তিও। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের পোশাকে থাকবে বডি ওর্ন ক্যামেরা (গোপন ক্যামেরা)।
এ ছাড়া, কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা এবং আকাশপথে ড্রোনের সাহায্যে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে। অর্থ দিয়ে ভোট কেনা বা ভোটারদের বাধা দেওয়ার মতো কোনো তৎপরতা রেকর্ড হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভোটকেন্দ্রে যাতায়াতে বাধা দিলে বা ভয়ভীতি দেখালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোট কেনাবেচা বা আর্থিক প্রলোভন দেখানো গুরুতর অপরাধ। জাল ভোট প্রদানের চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার ও শাস্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইসি বলছে, নির্বাচনী স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সব ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এই কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে।
এবি