নদীর একুল ভাঙ্গে ওকুল গড়ে এইতো নদীর ভেলকি খেলা. জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চিকাজানী ইউনিয়নে অসময়ে সর্বনাশা যমুনা নদীর ভাঙ্গন দিনদিন বেড়েই চলেছে, ছোট হয়ে আসছে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার মানচিত্র।
দেওয়ানগঞ্জ টু খোলাবাড়ির প্রধান সড়ক নদীর পেটে এতে চরম বিপাকে এলাকাবাসী সহ পথযাত্রীরা, দেওয়ানগঞ্জ টু খোলাবাড়ি সড়কে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ শতশত যানবাহন চলাচল করে থাকেন, কিন্তু যমুনা নদীর ভাঙানে বর্তমান যোগাযোগ বিছিন্ন এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে পথযাত্রীদের, এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন ১০ গ্রামের গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়ন, চর বাহাদুরাবাদ, খোলাবাড়ি, চর মাঘরিহাট, সরকার বাজার, হড়িচন্ডী, আন্ডারচর, পাগলারচর, সন্নাসীর চরের মানুষ যাতায়াত করে। দীর্ঘদিন ধরে যমুনা নদীর ভাঙনে হাজার হাজার বিঘা জমি শতশত ঘরবাড়ি নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, এতে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে মানববন্ধন করে আসছে কিন্তু কোন কাজ হচ্ছে না নদী ভাঙনের রোধে।
খোলাবাড়ির স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অসময়ে যমুনা নদীর ভাঙনে আমাদের প্রধান রাস্তা নদীর গর্ভে বিলীন হয়েগেছে, এতে চরম বিপাকে আমরা এলাকাবাসী।
হুদারমোড় স্থানীয় বাসিন্দা রুমন মিয়া জানান, প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে হাজার হাজার মানুষ শতশত যানবাহন চলাচল করে কিন্তু দুঃখের বিষয় অসময়ে যমুনা নদীর ভাঙনে আমরা অসহায়, আমাদের শতশত ঘরবাড়ি হাজার হাজার বিঘা জমি নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, সরকারের কাছে জোর দাবি জানাই দ্রত নদী ভাঙনের রোধ করে দিতে।
চিকাজানী ইউনিয়ন খোলাবাড়ির বাসিন্দা নাজিম সরকার জানান, আমরা এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন দেওয়ানগঞ্জে যাতায়াত করি এবং কৃষকের ফসল উপজেলা শহরে বিক্রি করে থাকি. দীর্ঘদিন ধরে যমুনা নদীর ভাঙনে এলাকাবাসী দাবি জানিয়ে আসছে নদী ভাঙনের রোধে, কিন্তু কোন কাজ হচ্ছে না, তাই নবনির্বাচিত সরকারের কাছে জোর দাবি জানাই দ্রত নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করতে।
জামালপুর পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী নাকিবুজ্জামান খান জানান,এলাকাটা অনেক বড় অল্প বরাদ্দ দিয়ে লাভ হবে না তাই বড় প্রকল্প তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিকটে প্রেরণ করেছি, বরাদ্দ পেলেই নদী ভাঙনের রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসআর