এইমাত্র
  • আগের পোশাকে ফিরতে চায় পুলিশ
  • বান্দরবানে সেনাবাহিনী-জেএসএস গোলাগুলি, নিহত ১
  • ‘ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করার ঘোষণা’
  • উপজেলা ও থানা পর্যায়ের ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তাকে বদলি
  • স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনায় এনসিপির কমিটি গঠন
  • ৯ সচিবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল
  • বাংলাদেশিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলো শিলিগুড়ির হোটেল মালিকরা
  • নেপালে বাস দুর্ঘটনায় ব্রিটিশ নাগরিকসহ নিহত ১৯
  • হাইকোর্টের ২ বিচারপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ
  • ৩ সচিবকে প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন
  • আজ মঙ্গলবার, ১০ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    বাবা-মা ও দুই বোনের মৃত্যু, একমাত্র বেঁচে থাকা ফাইজা দেশে ফিরল

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:১৮ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:১৮ পিএম

    বাবা-মা ও দুই বোনের মৃত্যু, একমাত্র বেঁচে থাকা ফাইজা দেশে ফিরল

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:১৮ পিএম

    সৌদি আরবে ওমরাহ হজ শেষে বাসায় ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের শিশু শিক্ষার্থী ফাইজা আক্তার (১০) বাড়িতে ফিরেছে। তবে সে জানে না তার মা-বাবা ও দুই বোন আর বেঁচে নেই। সে জানে তারা সবাই বাড়িতে ফিরবে, একসঙ্গে ঈদ করবে।

    সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সংবাদকর্মীদের ফাইজা এসব কথা বলে। তবে মানসিকভাবে সবাই ভেঙে পড়ায় কাউকে ভিডিও করতে দেয়নি পরিবারের লোকজন।

    ফাইজা বলে, নতুন জামা পরে তার বাবার সঙ্গে ঈদে মেলায় যাবে। সঙ্গে তার দুই বোনও থাকবে। তারা অনেক আনন্দ করবে।

    জানা গেছে, রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টার দিকে ফাইজাকে নিয়ে তার মামা তানভীর হোসেন দেশের উদ্দেশে রওয়ানা দেন। সোমবার ভোরে তারা রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের নলচরা গ্রামের বাড়িতে আসেন। ফাইজা ওই গ্রামের ওশিম উদ্দিন বেপারী বাড়ির প্রয়াত সৌদি প্রবাসী মিজানুর রহমানের মেজো মেয়ে। আসার পথে ফাইজার কিছু ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও ছড়িয়ে পড়ে।

    ফাইজা রামগঞ্জ ভাটরা ইউনিয়নের টিউরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। ১৫ ফেব্রুয়ারি সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে পাঁচদিন জেদ্দা শহরের কিংস ফয়সাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল সে। চিকিৎসা শেষে মামা তানভীর হোসেনের সঙ্গে সে বাড়িতে ফিরেছে।

    তানভীর হোসেন জানান, ফাইজা এখনো জানে না তার বাবা-মা ও দুই বোন মারা গেছে। সে জানে তার বাবা ও মা হাসপাতালে তার মতো চিকিৎসাধীন। তারা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে। সবার সঙ্গে সে ঈদ করবে। নিহতদের লাশ এখনো জেদ্দা হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। লাশ আনার প্রক্রিয়া চলছে।

    প্রসঙ্গত, ফাইজা আক্তারের বাবা মিজানুর রহমান মিজান (৪০) সৌদি প্রবাসী ছিলেন। তিনি ৩ ফেব্রুয়ারি তার স্ত্রী ও তিন মেয়েকে নিয়ে বাড়ি থেকে সৌদি আরবে ওমরাহ হজে যান। ওমরাহ শেষে ১৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সময় রাত ৩টার দিকে জেদ্দা থেকে সৌদির বাসায় ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ জনসহ পাঁচজন নিহত হয়। ওই দুর্ঘটনায় ফাইজা আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।

    এফএস

    ট্যাগ :

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…