পবিত্র রমজান মাস মুসলমানদের জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এই মাসে আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের জন্য বিশেষ রহমতের দরজা খুলে দেন এবং নেক আমলের সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি করে দেন। বিশেষ করে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইসলামে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে বিবেচিত।
ইসলামি শিক্ষায় বলা হয়েছে, একজন মানুষের জীবন রক্ষা করা পুরো মানবজাতির জীবন রক্ষার সমান। রমজানে দান-সদকা, যাকাত ও ফিতরা প্রদান করলে সাধারণ সময়ের তুলনায় অনেক বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করায়, সে ওই রোজাদারের সমপরিমাণ সওয়াব লাভ করে।”
রমজান মাসে গরিব, এতিম, অসহায় ও রোগাক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়ালে আল্লাহ বান্দার গুনাহ ক্ষমা করেন এবং দুনিয়া ও আখিরাতে বরকত দান করেন। ধর্মীয় আলেমরা বলেন, দান করলে সম্পদ কমে না; বরং আল্লাহ তাতে বরকত বৃদ্ধি করে দেন এবং বিপদ-আপদ দূর করেন।
সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আলেমরা বলেন, রমজান মাসে যাকাত ও সদকা প্রদান করে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানো প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব। এতে সমাজে সাম্য, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত হয়।
রমজানের পবিত্রতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাইকে মানবতার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই মাসে সহানুভূতির হাত বাড়ালে তা শুধু দুনিয়াতেই নয়, আখিরাতেও মুক্তির কারণ হতে পারে।
এফএস