এইমাত্র
  • আমেনা হত্যা: ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই প্রধান আসামি নূরা গ্রেপ্তার
  • শাহজালালে প্রায় ৪ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রাসহ আটক ২
  • ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • অনুমতি ছাড়া শিক্ষকরা অন্য পেশায় যুক্ত থাকলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
  • নিজ নাগরিকদের দ্রুত ইসরাইল ছাড়তে যুক্তরাষ্ট্রের নির্দেশ
  • জনগণের কল্যাণে কাজ করছে বিএনপি সরকার, আস্থা রাখুন: প্রতিমন্ত্রী টুকু
  • অনুমতি ছাড়া অন্য পেশায় যুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
  • স্বভাব-চরিত্র না বদলালে স্থানীয় নির্বাচনেও মানুষ জবাব দেবে: নুরুল হক নূর
  • নরসিংদীর ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
  • কক্সবাজারে ১২ লাখ টাকায় ‘প্রক্সি’ দিয়ে প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ
  • আজ শনিবার, ১৪ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    কুয়াকাটায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৮ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই

    জুয়েল ফরাজী, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
    জুয়েল ফরাজী, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০৯ পিএম

    কুয়াকাটায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৮ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই

    জুয়েল ফরাজী, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০৯ পিএম

    পটুয়াখালীর পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৮টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এছাড়া আরও ৩টি দোকান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।


    শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে বেরিবাঁধের বাইরের সৈকত এলাকায় সীকুইন হোটেল ও রাধাকৃষ্ণ মন্দির সংলগ্ন স্থানে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দুটি খাবার হোটেল, দুটি কাপড়ের দোকান, একটি মুদি-মনোহরী দোকান, একটি ঝিনুকের দোকান, একটি জেনারেটরের দোকান ও একটি চায়ের দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়।


    খবর পেয়ে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।


    ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হলেন— সালমা বেগম (হোটেল তিন কন্যা), নাসির হাওলাদার (বিসমিল্লাহ হোটেল), শহীদ সিকদার (ঝিনুকের দোকান), বেল্লাল হোসেন (কাপড়ের দোকান), মিলন (মুদি-মনোহরী দোকান), মিলন (জেনারেটরের দোকান) এবং একটি চায়ের দোকানের মালিক।


    ব্যবসায়ীদের একাংশ দাবি করেন, মন্দিরের একটি কক্ষ থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। সেখানে লেপ-তোষক ও বালিশ রাখা ছিল এবং শিক্ষার্থীরা কয়েল জ্বালিয়ে রেখেছিল বলে জানা যায়। আবার কেউ কেউ ধারণা করছেন, কোনো খাবার হোটেল থেকেই আগুনের উৎপত্তি হয়েছে। তবে সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত নয়।


    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে অধিকাংশ দোকানই তালাবদ্ধ ছিল। একটি কক্ষে অবস্থানরত ব্যক্তিরা নিরাপদে বের হতে সক্ষম হন। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ এবং মালামাল সরিয়ে নিতে সহায়তা করেন।


    ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, খবর দেওয়ার এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। স্থানীয়দের দাবি, পর্যটন নগর কুয়াকাটায় এখনো ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় কলাপাড়া থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে ইউনিট আসতে সময় লেগেছে। ফলে আগুনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তারা দ্রুত কুয়াকাটায় একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের দাবি জানান।


    কলাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ আবুল হোসেন জানান, খবর পাওয়ার পর সকাল আটটার দিকে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ তদন্তের পর জানানো হবে।

    ইখা

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    Loading…