এইমাত্র
  • ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত, মরদেহ উদ্ধারের দাবি
  • বিশ্ব তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ পথ ‘হরমুজ প্রণালী’ বন্ধ করে দিল ইরান
  • ইরানে হামলা ‘অবৈধ’: মার্কিন সিনেটর
  • যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের সংঘাতের নিন্দা জার্মানি, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের
  • দুবাইয়ে দফায় দফায় বিস্ফোরণ, আগুন
  • জর্ডানেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আম্মানে ভবন ক্ষতিগ্রস্ত
  • আবুধাবি, দোহা ও মানামায় দফায় দফায় বিস্ফোরণ
  • যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ইরানে হামলা বন্ধ করতে বলল রাশিয়া
  • ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও বিপ্লবী গার্ড প্রধান নিহত
  • হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রাসাদ পুরোপুরি ধ্বংস
  • আজ রবিবার, ১৬ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১ মার্চ, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    ঈশ্বরদীতে আলোচিত দাদী-নাতনী হত্যার ঘটনায় যা জানা গেল

    মাহাবুবুর রহমান মিঠুন, ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩০ পিএম
    মাহাবুবুর রহমান মিঠুন, ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩০ পিএম

    ঈশ্বরদীতে আলোচিত দাদী-নাতনী হত্যার ঘটনায় যা জানা গেল

    মাহাবুবুর রহমান মিঠুন, ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩০ পিএম

    পাবনার ঈশ্বরদীতে ঘরে ঢুকে দাদী ও নাতনিকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর গ্রামে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে।


    শনিবার(২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থানীয়দের খবরে পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাৎক্ষণিক দুজনকে আটক করা হয়েছে।


    নিহতরা হলেন—ভবানিপুর উত্তরপাড়ার জয়নাল খাঁর মা সুফিয়া খাতুন (৬৫) এবং তাঁর মেয়ে জামিলা আক্তার (১৫)। নাতনি জামিলা কালিকাপুর ক্বারিমিয়া দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।


    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে তারাবির নামাজ শেষে দাদী ও নাতনি নিজ শয়নকক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ১২টার দিকে প্রতিবেশীরা কান্নার শব্দ শুনলেও কিছুক্ষণ পর তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কেউ আর খোঁজ নেননি। সকালে প্রতিবেশী শিশু ফাহিম পানি নিতে এসে গেটের সামনে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার দেয়। পরে স্থানীয়রা শয়নকক্ষের মেঝে ও বিছানায় রক্তের দাগ দেখে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পাশের একটি গমক্ষেতে নাতনি জামিলার বিবস্ত্র ও ক্ষতবিক্ষত মরদেহ পাওয়া যায়।


    স্থানীয়দের ধারণা, জামিলাকে ধর্ষণের পর দাদীসহ তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর দাবি, জামিলার বাবা জয়নাল হোসেন মাদকাসক্ত হওয়ায় বাড়িতে বহিরাগতদের আনাগোনা ছিল। বর্তমানে জয়নাল কর্মসূত্রে ঢাকায় অবস্থান করছেন। এদিকে, প্রতিবেশী নুরুল মন্ডলের ছেলে রাব্বি জামিলাকে মাঝেমধ্যে উত্ত্যক্ত করত বলে অভিযোগ করেছেন জামিলার মা শিরিনা বেগম। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই রাব্বিসহ দুজনকে আটক করেছে।


    নিহত সুফিয়া খাতুনের বোন খসরু বেগম এবং প্রতিবেশী রেজাউল ইসলাম এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।


    ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে পাবনা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার জাহিদ বলেন, "আমরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করেছি। ধারণা করা হচ্ছে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে বড় কোনো কারণ রয়েছে এবং একাধিক ব্যক্তি এতে জড়িত। তদন্তের স্বার্থে সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করা হয়েছে। দ্রুতই রহস্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হবে।"


    মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।


    এনআই

    ট্যাগ :

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…