রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার পলাশী গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রামবাসীর হামলায় সন্দেহভাজন ডাকাত দলের একজন নিহত ও সাতজনকে গণধোলাই দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় তাদের সঙ্গে থাকা পিকআপ ভ্যানটি পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা।
সোমবার (০২ মার্চ) সকালে খবর পেয়ে পুঠিয়া থানা পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে।
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান, সোমবার ভোর রাতে একটি ট্রাকে আটজন লোক ঘরের তালা কাটার যন্ত্র এবং দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রামটিতে প্রবেশ করে। এসময় গ্রামবাসীর সন্দেহ হলে তাদের আটক করে। বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের মারপিট করার সময় একজন গুরুতর আহত হয়ে পড়ে।
পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সন্দেহভাজন ডাকাত দলের একজনকে মৃত ঘোষণা করে চিকিৎসক। অন্য সাতজনকে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ও জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, আটজনের মধ্যে একজনকে তারা মৃত অবস্থায় পেয়েছেন। অন্য সাতজনের মধ্যে ছয়জন ৪ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। একজন ভর্তি আছেন ৮ নম্বর ওয়ার্ডে। তাদের সবার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।
নিহত ব্যক্তির নাম মো. শাহীন (৫৫)। রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার মাড়িয়া গ্রামে তার বাড়ি। বাকি সাতজনের বাড়ি দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং এরা সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আহতরা হলেন আলী হোসেন (৩৫), রুপচান আলী (৩৫), সেলিম হোসেন (৩০), সামিম হোসেন (৩০), শাজাহান আলী (৩০), রফিকুল ইসলাম ((৩৫) ও মামুন হোসেন (৩০)। মরদেহ থানা থেকে ময়না তদন্তের জন্য রাজশাহীতে পাঠানো হয়েছে।
ওসি ফরিদুল ইসলাম জানান, রামেক হাসপাতালের মর্গে নিহত ব্যক্তির ময়নাতদন্ত হবে। এরপর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এসআর