মঙ্গলবার থেকে ঈদযাত্রার টিকেট পেতে যুদ্ধ শুরু হচ্ছে । এদিন ভোর থেকে টিকেট বিক্রি শুরু করবে গাবতলী ও কল্যাণপুরকেন্দ্রিক বাস কোম্পানিগুলো। একই দিন থেকে রেলের অগ্রিম টিকেট পাওয়া যাবে। তবে রেলের টিকেট শতভাগ বিক্রি হবে অনলাইনে। মঙ্গলবার সকাল থেকে পাওয়া যাবে ১৩ মার্চের অগ্রিম টিকেট।
বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সভা করে মঙ্গলবার থেকে ঈদের অগ্রিম টিকেট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শুভঙ্কর ঘোষ বলছেন, মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল থেকে বাস কাউন্টার ও অনলাইন অ্যাপ-দুই মাধ্যমেই ঈদের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু হবে।
বাস কোম্পানিগুলো ১২ মার্চ থেকে ‘ঈদের ভাড়া’ কার্যকর করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন।
শুভঙ্কর ঘোষ বলছেন, প্রতিটি বাস কাউন্টারে বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট টাঙানো থাকবে। এর অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার সুযোগ নেই। অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও একই ভাড়া কার্যকর থাকবে।
মূলত নন এসি বাসগুলোর জন্য দেশের সড়ক পরিবহন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএ ভাড়া নির্ধারণ করে দিলেও এসি বাসের ভাড়া নির্ধারণ করে না। প্রতি ঈদেই এসি ও স্লিপার বা সুইট ক্লাস বাসের ভাড়া দ্বিগুণ থেকে আড়াইগুণ পর্যন্ত হয়ে যায়।
রেলের টিকেট:
মঙ্গলবার থেকে বিক্রি শুরু হবে রেলের অগ্রিম টিকেট। মঙ্গলবার সকাল থেকে পাওয়া যাবে ১৩ মার্চের টিকেট।
এরপর ৪ মার্চ পাওয়া যাবে ১৪ মার্চের টিকেট; ৫ মার্চ পাওয়া যাবে ১৫ মার্চের; ৬ মার্চ মিলবে ১৬ মার্চের; ৭ মার্চ মিলবে ১৭ মার্চের; ৮ মার্চ মিলবে ১৮ মার্চের এবং ৯ মার্চ পাওয়া যাবে ১৯ মার্চের টিকেট।
গতবারের মতই এবারও ঈদযাত্রার রেলটিকেট শতভাগ অনলাইনে বিক্রি হবে। গতবার অতিরিক্ত হিটের চাপে অ্যাপে গড়বড় হওয়ায় এবারে পশ্চিমাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকেট সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলে টিকেট দুপুর ২টা থেকে বিক্রি শুরু করবে রেলওয়ে।
ঈদযাত্রা নিয়ে সোমবার গণি রোডের রেলভবনে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সভা করেছেন রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
সভায় ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে নানা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে এক বার্তায় জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী।
চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ২০ অথবা ২১ মার্চ হতে পারে ঈদ। অফিসগুলো ছুটি হবে ১৯ মার্চ থেকে। সে হিসেবে ১৮ মার্চ বিকালের টিকিটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকবে।
এফএস