এইমাত্র
  • ইরানের দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি কাতারের
  • ঈদযাত্রায় মঙ্গলবার থেকে রেল ও বাসের অগ্রিম টিকেট
  • এবার মাইক্রোসফটের কার্যালয়ে হামলা করল ইরান
  • ঈদের আগেই ৪৯০৮ মসজিদে ভাতা দেবে সরকার
  • এবার ইরানকে সমর্থন জানাল চীন
  • কাতারের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ রাশিয়ার
  • খামেনি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ পাকিস্তান, নিহত ২৪
  • তিনদিনের সফরে ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • কুয়েতে ‌‘ভুল গুলিতে’ তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত
  • যুদ্ধের মধ্যে কাতারের নতুন সিদ্ধান্ত, বিপর্যয়ের মুখে ইউরোপের শক্তিধর দেশগুলো
  • আজ মঙ্গলবার, ১৮ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৩ মার্চ, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    ভাঙ্গুড়ায় রোজার ১২ দিনেও জমেনি ঈদের কেনাকাটা, হতাশ বিক্রেতারা

    সাখাওয়াত হোসেন, ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৩ পিএম
    সাখাওয়াত হোসেন, ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৩ পিএম

    ভাঙ্গুড়ায় রোজার ১২ দিনেও জমেনি ঈদের কেনাকাটা, হতাশ বিক্রেতারা

    সাখাওয়াত হোসেন, ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৩ পিএম

    পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে দোকানগুলোতে বাহারি পোশাক মার্কেটের দোকানগুলোতে। নেই ক্রেতাদের আনাগোনা। পবিত্র ঈদুল ফিতর ঘনিয়ে এলেও অধিকাংশ পোশাকের দোকান ক্রেতাশূন্য। ফলে অনেকটা অলস সময় পার করতে দেখা গেছে শপিংমল ও মার্কেটগুলোর বিক্রেতাদের। তবে আগামী দিনগুলোতে ভালো বিক্রি হবে-এমন প্রত্যাশা ব্যবসায়ীদের।


    সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, ভাঙ্গুড়া উপজেলার নিউ সুপার মার্কেট, রহিমা জাফর শপিং প্লাজা, সাহেব সুপার মার্কেট, মন্ডল প্লাজার মতো মার্কেটগুলোতে ঈদুল ফিতরের আগে পোশাক বিক্রির ধুম ছিল, সেখানে এখন গুটি কয়েক ক্রেতার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। নিম্ন আয়ের মানুষজন পরিবারের ভরসা ফুটপাত থাকলেও উপার্জন না থাকায় অনেকটা ঝিমিয়ে গেছেন তাঁরা।


    ভাঙ্গুড়া পৌরসভার চৌবাড়ীয়া মাষ্টার পাড়া এলাকার বাসিন্দা মাসুদ করিম মাসুম বলেন, ‘আমি বাচ্চাদের নিয়ে এসেছি পাঞ্জাবি কেনার জন্য। দোকানগুলোয় দেখতেছি। বেশিরভাগ দোকানেই ক্রেতা অনেক কম। যেহেতু সময় আছে তাই মানুষের পোশাক কেনার আগ্রহ এখন কম।’


    ভাঙ্গুড়া উপজেলার বিভিন্ন মার্কেটের বেশ কয়েকজন বস্ত্র ব্যবসায়ী বলেন, এবার রোজার শুরু থেকেই বেচাকেনা কম। ঈদ উপলক্ষ্যে এনজিও ও ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে নতুনভাবে ব্যবসা শুরু করেছেন অনেকে। ঈদকে ঘিরে এখনো তারা প্রত্যাশিত ক্রেতা পাচ্ছেন না। আগামী ১৫ থেকে ২০ রোজার মধ্যে হয়তো ভালো বেচাকেনা শুরু হবে-এমনটাই আশা তাদের।


    এসআর

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…