এইমাত্র
  • দাঁড়িপাল্লা বাতিল মার্কা, এখন আর কেউ ব্যবহার করতে চায় না: টুকু
  • এবার বিএনপির কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে আপিল বিভাগে নাহিদ
  • স্থানীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা অবহেলার শিকার, ইসির উদাসীনতায় হতাশ ইওএস
  • ক্ষমতায় গেলে দ্রুত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে: তারেক রহমান
  • দিনাজপুরের লিচু, আম ও কাঠারিভোগ চাল বিশ্ববাজারে নেওয়ার অঙ্গীকার তারেক রহমানের
  • বরিশালের অধিকাংশ মানুষ জানেন না গণভোটের হ্যাঁ-না ভোট কী
  • দাঁড়িপাল্লার এক পাল্লায় গোপনে আমেরিকা, অপর পাল্লায় গোপনে ভারত: চরমোনাই পীর
  • মুন্সিগঞ্জে স্বতন্ত্র ও বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১০
  • মাগুরায় মোটরসাইকেল-ট্রাক সংঘর্ষে পুলিশ সদস্য নিহত
  • কুষ্টিয়ায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু
  • আজ শনিবার, ২৪ মাঘ, ১৪৩২ | ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    আন্তর্জাতিক

    ইরানের প্রথম ‘টার্গেট’ হবে ইসরাইল, আইআরজিসির হুঁশিয়ারি

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:০৯ পিএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:০৯ পিএম

    ইরানের প্রথম ‘টার্গেট’ হবে ইসরাইল, আইআরজিসির হুঁশিয়ারি

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:০৯ পিএম
    সংগৃহীত ছবি

    ইরানে যদি যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালায়, তাহলে ইসরাইল প্রতিশোধের প্রথম টার্গেট বা লক্ষ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর একজন কমান্ডার।

    সম্প্রতি লেবাননের আল মায়াদিন টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আইআরজিসি কমান্ডার হোসেন দাঘিঘি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণ করলে (ইরানে) ইসরাইলই হবে তেহরানের প্রথম লক্ষ্য।’

    দাঘিগি বলেন, ইরানের সামরিক কৌশল মূলত প্রতিরোধ ও আত্মরক্ষাভিত্তিক। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, যেকোনো যুদ্ধ শুরু হলে তার প্রতিক্রিয়া হবে অনিশ্চিত ও ব্যাপক। খবর ইরান ইন্টারন্যাশনালের।

    আইআরজিসি’র এই কমান্ডারের ভাষ্য, ‘আমাদের কৌশল প্রতিরোধমূলক ও আত্মরক্ষামূলক, যা শত্রুর ওপর বড় ধরনের ক্ষতি চাপিয়ে দিতে সক্ষম। কিন্তু যদি যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে আমাদের প্রতিক্রিয়ার তীব্রতা এমন হবে যে শত্রুপক্ষ তা হিসাব করতে পারবে না এবং সংঘাতের পরিসর হবে আরও বিস্তৃত হবে।’

    এদিকে, চলমান উত্তেজনার মধ্যেই অবস্থান পরিবর্তন করে মার্কিন নৌবাহিনীর আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপকে দক্ষিণ ইয়েমেনের জলসীমায় নেয়া হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

    সংশ্লিষ্ট একটি সামরিক গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে ইরানভিত্তিক সংবাদ সংস্থা ডব্লিউএএনএ। 

    সূত্রের মতে, একাধিক ডেস্ট্রয়ার ও একটি সহায়ক সাবমেরিনসহ যুক্তরাষ্ট্রের এই বহরটি বর্তমানে ইয়েমেনের সোকোত্রা দ্বীপের পূর্বে এডেন উপসাগরের কাছে মোতায়েন রয়েছে। সেই হিসাবে বহরটি ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বন্দর চাবাহার থেকে আনুমানিক ১ হাজার ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে, যা আগের তুলনায় ইরানের উপকূলীয় জলসীমা থেকে আরও বেশি দূরত্ব নির্দেশ করে।

    ইরানি কর্মকর্তারা যখন ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি নিয়ে সতর্কবার্তা দিচ্ছেন, তখনই যুদ্ধজাহাজের অবস্থান পরিবর্তনের খবর এলো।

    তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু জানা যায়নি। মার্কিন কর্তৃপক্ষও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য দেয়নি।

    যদিও যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় নৌবহর ইরানের দিকে যাচ্ছে বলে স্থানীয় সময় সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ফের দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। 

    এমআর-২

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…