সমাজে সব শ্রেণী-পেশার মানুষ বসবাস করে। কারও পক্ষে একাকী বসবাস করা অসম্ভব। প্রয়োজন হয় পরস্পরের সহযোগিতার। মনুষ্যত্বের দাবিও হচ্ছে অসহায়ের বিপদে সীসাঢালা প্রাচীরের মতো পাশে দাঁড়ানো। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এর ফজিলতও বর্ণিত হয়েছে।
মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেছেন, ‘মুমিনরা পরস্পর ভাই ভাই।’ (সুরা হুজরাত: ১০) আরেক আয়াতে বলেন, ‘ইমানদার পুরুষ ও ইমানদার নারী একে অপরের সহায়ক।’ (সুরা তওবা: ৭১)
ইসলামি শরিয়তে সব সময় অসহায় ও নিপীড়িত মানুষের সাহায্য-সহযোগিতাকে ইবাদত হিসেবে সাব্যস্ত করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা ক্ষুধার্তকে খাওয়াও, অসুস্থ ব্যক্তির শুশ্রূষা করো এবং বন্দিকে মুক্ত করো।’ (বুখারি: ৫৬৪৯)।
রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি দুনিয়ায় অন্যের একটি প্রয়োজন মিটিয়ে দেবে, পরকালে আল্লাহ তার ১০০ প্রয়োজন পূরণ করে দেবেন এবং বান্দার দুঃখ-দুর্দশায় কেউ সহযোগিতার হাত বাড়ালে আল্লাহ তার প্রতি করুণার দৃষ্টি দেন।’ (মুসলিম: ২৫৬৬)।
আরেক হাদিসে রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘মহান আল্লাহ বান্দার সাহায্যে ততক্ষণ থাকেন, যতক্ষণ সে অন্য ভাইয়ের সাহায্যে থাকে।’ (মুসলিম: ২৩১৪)।
এফএস