এইমাত্র
  • ঈদের আগে বগুড়া-দিনাজপুরে মিলবে ফ্যামিলি কার্ড
  • ২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত
  • ইউরোপীয় নৌ ও বিমান বাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা করল ইরান
  • সাকিব ফিরলে বিশ্বকাপ পর্যন্ত সার্ভিস দিতে পারবে, দাবি আশরাফুলের
  • পাকিস্তানে পাল্টা হামলার হুমকি আফগানিস্তানের
  • সেই মঞ্জুরুলকে নিষিদ্ধ করল বিসিবি
  • শোলাকিয়ায় ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাতের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
  • ময়মনসিংহে শিক্ষার্থী শাওন হত্যার দ্রুত বিচার দাবিতে বিক্ষোভ
  • চুয়াডাঙ্গায় দুটি প্রতিষ্ঠানকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা
  • আজ সোমবার, ৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    রাজনীতি

    বিদ্যুৎ মন্ত্রীর বক্তব্য গণআকাঙ্ক্ষাকে অস্বীকারের শামিল: জামায়াত

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:২৪ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:২৪ পিএম

    বিদ্যুৎ মন্ত্রীর বক্তব্য গণআকাঙ্ক্ষাকে অস্বীকারের শামিল: জামায়াত

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:২৪ পিএম
    ছবি: সংগৃহীত

    ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান নিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর দেওয়া বক্তব্য ইতিহাস, ভাষাতত্ত্ব ও গণআকাঙ্ক্ষার বাস্তবতাকে অস্বীকার করার শামিল উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

    আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানান।

    বিবৃতিতে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা সভায় ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান সম্পর্কে মন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা অসঙ্গত। তিনি উল্লেখ করেন, ‘ইনকিলাব’ শব্দটি আরবি উৎসভিত্তিক হলেও উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন, স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রাম এবং গণঅধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে বহু দশক ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ভাষা কোনো সংকীর্ণ গণ্ডিতে আবদ্ধ নয়; বরং জনগণের ব্যবহারে তা সমৃদ্ধ ও বিকশিত হয়।

    তিনি আরও বলেন, বাংলা ভাষা নিজেই তদ্ভব, তৎসম, আরবি, ফারসি, পর্তুগিজ ও ইংরেজিসহ অসংখ্য ভাষা থেকে শব্দ গ্রহণ করে আজকের এই পরিণত রূপ লাভ করেছে। কোনো শব্দের উৎপত্তিকে কেন্দ্র করে তাকে ‘বাংলাবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া ভাষাবিজ্ঞানের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। ভাষার প্রশ্নে বিভাজন সৃষ্টি করে জাতিকে দ্বিধাবিভক্ত করার অপচেষ্টা কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছে কাম্য নয়।

    জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর একচেটিয়া স্লোগান নয়; এটি শোষণ, অন্যায় ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক। দেশের ছাত্র-জনতা যখন অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়, তখন তাদের কণ্ঠরোধ করার ভাষাগত যুক্তি দাঁড় করানো গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থী।

    মন্ত্রী টুকুর মন্তব্যের সূত্র ধরে বিবৃতিতে বলা হয়, মন্ত্রী বলেছেন এই স্লোগান উচ্চারিত হলে তার ‘রক্তক্ষরণ’ হয়। এর বিপরীতে জুবায়ের প্রশ্ন তোলেন, জনগণের অধিকার হরণ, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, টেন্ডারবাজি, ঘুষ-দুর্নীতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের অনিয়ম ও বৈষম্য কেন মন্ত্রীর হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটায় না? প্রকৃতপক্ষে এগুলোই জাতির হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটানোর জন্য যথেষ্ট, কিন্তু মন্ত্রীর মতো লোকদের হৃদয়ে তা পৌঁছায় না।

    দেশবাসীর প্রত্যাশা তুলে ধরে বিবৃতিতে বলা হয়, জনগণের ন্যায্য প্রতিবাদের ভাষাকে দোষারোপ না করে বরং জনদুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়াই সরকারের দায়িত্ব। জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে, বাংলা ভাষা আমাদের গৌরব ও আত্মপরিচয়ের ভিত্তি। এই ভাষার ভেতরে বহুমাত্রিক শব্দভাণ্ডার ও ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার সমন্বয় রয়েছে।

    কোনো শব্দ বা স্লোগানকে কেন্দ্র করে জাতিকে বিভক্ত করার চেষ্টা পরিহার করার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত অবিলম্বে মন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। অন্যথায় জনগণই এর যথাযথ জবাব দেবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

    এইচএ 

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…