ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করার পর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইইউভুক্ত সব দেশের নৌ ও বিমান বাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা করেছে ইরান।
শনিবার এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সিদ্ধান্ত ‘অবৈধ ও অযৌক্তিক’। তাদের দাবি, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর অন্যতম স্তম্ভ, এবং এটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যা দেয়া জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি। খবর প্রেস টিভির।
বিবৃতিতে বলা হয়, পারস্পরিক পদক্ষেপের নীতির ভিত্তিতে এবং ২০১৯ সালে ইরানি পার্লামেন্টে পাস হওয়া আইনের ধারা অনুযায়ী সরকার সমানুপাতিক আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য। ওই আইনে উল্লেখ রয়েছে, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের আইআরজিসি-কে সন্ত্রাসী ঘোষণার সিদ্ধান্ত অনুসরণ বা সমর্থন করবে, তাদের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেয়া হবে।
গত বৃহস্পতিবার ইইউ পররাষ্ট্র বিষয়ক পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী তালিকায় যুক্ত করে। এর ফলে ইইউভুক্ত দেশগুলোতে আইআরজিসির সম্ভাব্য সম্পদ জব্দ এবং অর্থনৈতিক লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।
এদিকে আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইউরোপের এ সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের ‘হস্তক্ষেপমূলক নীতির’ সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে এ ধরনের পদক্ষেপ তাদের সংকল্প দুর্বল করবে না; বরং জাতীয় ঐক্য ও দেশের নিরাপত্তা রক্ষার দৃঢ়তা আরও বাড়াবে।
এবি