ভোলার চরফ্যাশনে ক্রয়কৃত সম্পত্তি সঠিকভাবে বণ্টন না করার অভিযোগ উঠেছে আঃ রহিম গংদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মোহাম্মদ আলী ও তার সন্তানরা।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় চরফ্যাশনে মোহাম্মদ আলীর নিজস্ব ব্যবসায়িক কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ আলী অভিযোগ করেন, ১৯৯২ সালে তিনি তার ভাই আঃ রহিমের কাছ থেকে জিন্নাগড় মৌজায় এস.এ ৪৫৫ নং খতিয়ান থেকে ২২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে দিয়ারা জরিপের সময় তিনি নিজ নামে রেকর্ড করিয়ে নেন। জমিটি পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে বণ্টন করার কথা থাকলেও আঃ রহিম গং তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করেনি।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, "আমাদের ন্যায্য অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। আঃ রহিম তার সুবিধা মতো জমি অন্যত্র বিক্রয় করেছেন। একাধিকবার আলোচনার চেষ্টা করেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে চরফ্যাশন আদালত, নৌবাহিনী ও চরফ্যাশন থানায় একাধিক অভিযোগ এবং মামলা দায়ের করেছি।"
মোহাম্মদ আলীর সন্তানরা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে তারা স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ সহযোগিতা না করায় তারা গণমাধ্যমের শরণাপন্ন হয়েছেন। তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এ বিষয়ে আঃ রহিম গংদের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, "মোহাম্মদ আলীর ছেলে নুরনবী বাদী হয়ে আঃ রহিমসহ তিনজনকে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এনআই