এইমাত্র
  • হাসপাতাল থেকে দালাল চক্র নির্মূল করা হবে: স্বাস্থ্যসচিব
  • চার সপ্তাহ সময় বেঁধে দেয়া ট্রাম্পই এখন বলছেন ‘যুদ্ধ’ দীর্ঘস্থায়ী হবে
  • উত্তরায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, শিশুসহ ১০ জন দগ্ধ
  • সেনাবাহিনীর নার্সিং সার্ভিসে নিয়োগ, বিবাহিতরাও পাচ্ছেন সুযোগ
  • হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল-গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল নিয়ে ইরান-চীন আলোচনা
  • ইরানের পর কিউবা এখন ‘সময়ের ব্যাপার মাত্র’: ট্রাম্প
  • বাহরাইনে হোটেলে ড্রোন হামলা, মার্কিন সেনারা সেখানে ছিলেন ধারণা করা হচ্ছে
  • সৌদি আরবকে ধন্যবাদ দিলেন ইরানের রাষ্ট্রদূত
  • জামালপুরে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা করল আইনজীবি স্বামী
  • আইভী ও বদির জামিন স্থগিত
  • আজ শনিবার, ২৩ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৭ মার্চ, ২০২৬
    হাজারো প্রাণের বিনিময়ে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের ধারায় ফিরেছে: রাষ্ট্রপতি
    রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, হাজারো মানুষের প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্রের ধারায় ফিরেছে বাংলাদেশ। সকল শহীদের আকাঙ্ক্ষায় বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করতে হলে, আমাদের জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে আরও সমৃদ্ধ হতে হবে। অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জন করতে হবে। গড়ে তুলতে হবে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ। শুক্রবার (০৬ মার্চ) সকালে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় পাট দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।চাষীদের পাট চাষের আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, আপনারা উন্নত প্রযুক্তির উচ্চ ফলনশীল চাষ পদ্ধতি অনুসরণ করুন। উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে সাহাবুদ্দিন বলেন, বাজারের চাহিদা অনুযায়ী নিত্য নতুন আধুনিক মানসম্মত ও ব্যবহার উপযোগী স্বাস্থ্য পণ্য উদ্ভাবনে এগিয়ে আসুন। অল্পমূল্যে পাটের ব্যাগ তৈরি ও বিপণন করুন। সৃজনশীল তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান থাকবে, স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে মেড ইন বাংলাদেশ ব্যান্ডিং ও বৈশ্বিক ইকমার্স প্লাটফর্মে যুক্ত হয়ে নতুন উন্মোচন করুন।  এমআর-২
    ‘বিদেশি চুক্তি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেনি’
    অন্তর্বর্তী সরকারের সময় করা বিদেশি চুক্তিগুলো করার সময় জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, বড় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে চুক্তির বিষয়ে। শুক্রবার (০৬ মার্চ) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।জামায়াত আমির বলেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সরকার কয়েকটি চুক্তি সম্পাদন করেছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এ ধরনের কোনো চুক্তি নিয়ে সরকার আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি।   তিনি বলেন, আমরা বহুবার দাবি জানিয়েছিলাম যে সংসদ না থাকার কারণে সরকার বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে যেভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করেছে, ঠিক সেভাবেই আন্তর্জাতিক চুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতেও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তৎকালীন সরকার আমাদের সেই দাবিগুলোকে আমলে নেয়নি। এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট এবং এখানে কোনো ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি করার সুযোগ নেই।সম্প্রতি নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সাবেক সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেছেন, ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ আমাদের প্রধান দুটি দলের প্রধানের সঙ্গে নির্বাচনের আগেই কথা বলেছে।তারা এতে সম্মতি দিয়েছিলেন। এমন না যে এ চুক্তি আমরা অন্ধকারে রেখেছি।এমআর-২

    জাতীয়

    সব দেখুন
    প্রতিমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে প্রতারণামূলক ফোনকল, সতর্কবার্তা
    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে ও তার আত্মীয় পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তার কাছে ফোনকল সম্পর্কে সতর্ক করেছে প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর।শুক্রবার (৬ মার্চ) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সম্পর্কে সতর্কীকরণ করা হয়।বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করে এ বিষয়ে এরই মধ্যে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ করা যাচ্ছে যে, ০১৮২৬০৯৫৩১৮ নম্বর থেকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে কিংবা তার আত্মীয় পরিচয় প্রদান করে বিভিন্ন ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তার কাছে ফোনকল করা হচ্ছে।ওই ফোনকলের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে ব্যক্তিগত বা প্রশাসনিক সুবিধা প্রদান করা হবে মর্মে আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবগত করা যাচ্ছে যে, প্রতিমন্ত্রী কিংবা তার দপ্তরের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো ফোনকল বা ব্যক্তিগত সুবিধা প্রদানের প্রতিশ্রুতি প্রদান করা হয় না। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণরূপে প্রতারণামূলক এবং আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।এ ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।এনআই
    হাসপাতাল থেকে দালাল চক্র নির্মূল করা হবে: স্বাস্থ্যসচিব
    হাসপাতাল থেকে দালাল চক্র নির্মূল করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ কামারুজ্জামান চৌধুরী। এছাড়াও তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে চিকিৎসা সেবা পায় সেটা নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলো মানুষের শেষ ভরসার জায়গা। সেখানে কোনোভাবেই দালালদের দৌরাত্ম্য সহ্য করা হবে না। ইতোমধ্যে হাসপাতাল এলাকায় দালালদের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অনেক সময় দেখা যায় রোগীরা হাসপাতালে প্রবেশ করার আগেই কিছু অসাধু দালাল তাদের ঘিরে ধরে। তারা রোগীদের ভুল তথ্য দিয়ে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যায়। এতে রোগীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সঠিক চিকিৎসা থেকেও বঞ্চিত হন। এই ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।তিনি আরও বলেন, হাসপাতালের ভেতরে কিংবা আশপাশে যারা দালাল হিসেবে কাজ করছে তাদের চিহ্নিত করতে প্রশাসন, পুলিশ এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি হাসপাতালে পরীক্ষামূলকভাবে বিশেষ নজরদারি টিম গঠন করা হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে হাসপাতালের প্রবেশপথে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, রোগীদের জন্য তথ্যকেন্দ্র চালু করা এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত সব ধরনের তথ্য সহজভাবে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা। সচিব বলেন, রোগীরা যাতে কোনো দালালের কাছে না গিয়ে সরাসরি হাসপাতালের নির্ধারিত কাউন্টার থেকে সেবা নিতে পারেন সে বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি। এজন্য হাসপাতাল এলাকায় সচেতনতামূলক ব্যানার, মাইকিং ও নির্দেশনামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করা হবে। কোনো হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী যদি দালাল চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বিভাগীয় মামলা করে চাকরি থেকে বরখাস্তও করা হতে পারে বলে তিনি হুশিয়ারি দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বরাত দিয়ে সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশনার আলোকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে দুর্নীতি জিরো টলারেন্সে নামিয়ে আনা হবে। যেখানেই অনিয়ম পাওয়া যাবে সেখানেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর চিকিৎসকদের অনিয়ম ও গাফিলতি থাকলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি এ মন্তব্য করেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা: মরিয়ম সিমি, বেগমগঞ্জ উপজেলা ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা: হাসান খায়ের চৌধুরী, আরএমও ডা: সালেহ আহমদ সোহেলসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।পিএম
    দুবাই থেকে দ্বিতীয় বিশেষ ফ্লাইটে ফিরল ৪০৫ যাত্রী
    ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটকে পড়া ৪০৫ যাত্রী নিয়ে ঢাকায় এসেছে দ্বিতীয় বিশেষ ফ্লাইট। শুক্রবার (৬ মার্চ) সকাল ৬টা ৭ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের এই ফ্লাইট।ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের দেশে ফেরাতে ঢাকা-দুবাই-ঢাকা রুটে দুটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করেছে দেশের বৃহত্তম বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।এরে আগে গত বুধবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে যায় প্রথম ফ্লাইটটি। পরে দুবাই থেকে স্থানীয় সময় রাতে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ৩৭৮ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকায় ফিরে আসে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ২৭ জন ক্রুও ছিলেন।দ্বিতীয় বিশেষ ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে দুবাইয়ের উদ্দেশে রওনা হয়।ফ্লাইটটি আটকে পড়া বাংলাদেশিদের নিয়ে দুবাই থেকে স্থানীয় সময় রাত ১০টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়।জানা গেছে, ৪৩৬ আসনের এয়ারবাস এ৩৩০-৩০০ উড়োজাহাজের মাধ্যমে ইউএস-বাংলার বিশেষ দুটি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে।দুবাই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস, এমিরেটস, এয়ার ইন্ডিয়াসহ কয়েকটি এয়ারলাইনসকে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে। এ যাত্রায় যেসব বাংলাদেশি যাত্রীর ভিসার মেয়াদ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে অথবা শিগগিরই শেষ হতে যাচ্ছে, তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভ্রমণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।এমআর-২
    কুয়েতে বিস্ফোরণে বাংলাদেশি যুবক নিহত
    কুয়েতে বিস্ফোরণের ঘটনায় এক প্রবাসী বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছে। নিহত ওই যুবকের নাম জাহেদ হোসেন (৩০)। তিনি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কামাল উদ্দিনের ছেলে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহত জাহেদ হোসেনের সহকর্মী লুৎফুর রহমান। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে কুয়েতের সালমি এলাকার মরু অঞ্চলে একটি বিস্ফোরণের ঘটনায় তার মৃত্যু হয়।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বাংলাদেশের কিছু গণমাধ্যমে ইরানি মিসাইল বিস্ফোরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হলেও স্থানীয় প্রবাসীদের দাবি, ইরাক-কুয়েত যুদ্ধের সময় মরুভূমিতে পোঁতা একটি ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে জাহেদের মৃত্যু ঘটে।এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কুয়েতি কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও ঘোষণা বা তথ্য প্রকাশ করেনি। স্বজনরা জানান, প্রায় দুই বছর আগে উট চরানোর ভিসায় কুয়েত আসেন জাহেদ হোসেন। কিছুদিন পর ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার কথা ছিল।ব্যক্তিগত জীবনে জাহেদ হোসেনের স্ত্রী ও চার বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। তার মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজন ও প্রবাসীদের মাঝে নেমে এসেছে শোকে ছায়া।এমআর-২
    এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান
    আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনকে সামনে রেখে দলীয় সংসদ সদস্য, বিশেষ করে প্রথমবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং প্রথমবারের মতো হওয়া মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের জন্য ২ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে বিএনপি।শুক্রবার (০৬ মার্চ) সকালে বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে আয়োজিত এ কর্মশালা উদ্বোধন ঘোষণা করেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত আছেন- সাবেক আমলা, অ্যাকাডেমিশিয়ান ও সাবেক সংসদ সদস্যরা। এতে সংসদীয় কার্যক্রম, বিল-বাজেট, স্থায়ী কমিটির কাজসহ বিভিন্ন বিষয়ে ধারণা দেওয়া হচ্ছে।দুদিনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এমপিদের দায়িত্ব, মন্ত্রিসভার সদস্যদের সংসদীয় রেওয়াজ ও মন্ত্রণালয় পরিচালনায় দক্ষ করে তুলতে কৌশলগত ভূমিকা কেমন হবে, তা তুলে ধরা হবে।রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেছেন। এই অধিবেশনকে কেন্দ্র করেই মূলত নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীদের জন্য এই নিবিড় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে ২০৯ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে সংসদ সদস্যদের স্থানীয় উন্নয়ন, নীতিমালার কার্যকর প্রয়োগ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তদারকিতে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে এ কর্মশালায়।এমআর-২
    আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের ফোনালাপ
    ইরানের সঙ্গে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ওপর সামরিক উত্তেজনার প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) বিকালে দুই নেতার মধ্যে এই একান্ত ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসসকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  সালেহ শিবলী বলেন, আলাপকালে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) দেশগুলোর প্রতি গভীর সংহতি প্রকাশ করেন। জবাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করার জন্য এবং তার আন্তরিক উদ্বেগের জন্য ধন্যবাদ জানান।প্রেস সচিব বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিশেষ যত্ন নেওয়ায় দেশটির প্রেসিডেন্ট ও সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।সালেহ শিবলী জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রিম আল হাশিমি এবং ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া বিভিন্ন সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তারেক রহমান। প্রেস সচিব বলেন, ফোনালাপ চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। ইউএই প্রেসিডেন্ট এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশে আসার বিষয়ে সম্মতি প্রকাশ করেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট এই ফোনালাপের জন্য এবং তার দেশের পাশে দাঁড়ানোয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বলেন, আঞ্চলিক সংঘাত যেন আরও ছড়িয়ে না পড়ে এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার ওপর এর মারাত্মক প্রভাব মোকাবিলায় অবিলম্বে সামরিক উত্তেজনা প্রশমনের ওপর উভয় পক্ষই গুরুত্বারোপ করেছেন।শিবলী আরও জানান, বিদ্যমান সমস্যাগুলো নিরসন এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খুঁজতে সংলাপ ও কূটনৈতিক পন্থার গুরুত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন দুই নেতা।এমআর-২
    প্রধানমন্ত্রীর পূর্বঘোষিত দুই ইফতার মাহফিল বাতিল
    দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রাজনীতিবিদ এবং গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সম্মানে আয়োজিত পূর্বঘোষিত দুটি ইফতার মাহফিল বাতিল করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দেশের বর্তমান অবস্থা এবং জনগণের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী জাঁকজমকপূর্ণ ইফতার আয়োজন থেকে বিরত থাকার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।অতিরিক্ত প্রেস সচিবের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৮ মার্চ দেশের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদদের সম্মানে এবং ১০ মার্চ গণমাধ্যম কর্মীদের সম্মানে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর ইফতার মাহফিলের সময়সূচি নির্ধারিত ছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, এই মুহূর্তে আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের চেয়ে জনগণের সেবায় মনোযোগ দেওয়া বেশি জরুরি। অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন আরও জানান, আগামী ৬ মার্চ কূটনীতিকদের জন্য এবং ৭ মার্চ এতিম, আলেম ও ওলামাদের সম্মানে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় দুটি ইফতার মাহফিলের আয়োজন রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এই দুটি অনুষ্ঠানে নিজে উপস্থিত থেকে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে সময় কাটাবেন এবং কুশল বিনিময় করবেন।বিগত বছরগুলোতে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মানে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ এবং বড় পরিসরে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হতো। এফএস
    মাইলস্টোনের সেই শিক্ষিকা পাচ্ছেন মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার
    সমাজসেবা বা জনসেবা সার্বিক অবদানের জন্য (মরণোত্তর) স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ঢাকার উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত সেই শিক্ষিকা মাহরিন চৌধুরী।এবার জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এ বছর ২০ জন স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন।বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) হুমায়ুন কবিরের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নিম্নবর্ণিত ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে স্ব স্ব নামের পার্শ্বে উল্লিখিত ক্ষেত্রে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন যারা-১. বেগম খালেদা জিয়া (মরণোত্তর) স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদান২. ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, মুক্তিযুদ্ধ৩. মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধ8. অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি৫. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চিকিৎসাবিদ্যা৬.ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সাহিত্য৭. এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত), সংস্কৃতি৮. বশির আহমেদ (মরণোত্তর), সংস্কৃতি৯. জোবেরা রহমান (লিনু), ক্রীড়া১০. পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), পল্লী উন্নয়ন১১. ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী (মরণোত্তর), সমাজসেবা/ জনসেবা১২. এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, সমাজসেবা/ জনসেবা১৩. মো. সাইদুল হক, সমাজসেবা/ জনসেবা১৪. গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, সমাজসেবা/ জনসেবা১৫. মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), সমাজসেবা/ জনসেবা১৬. কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), জনপ্রশাসন১৭. মোহাম্মদ আবদুল বাকী, পি এইচ ডি, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ১৮. অধ্যাপক ড. এম এ রহিম, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ১৯. অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ২০. আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু), পরিবেশ সংরক্ষণএমআর-২

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    রাজনীতি

    সব দেখুন
    ‘বিদেশি চুক্তি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেনি’
    অন্তর্বর্তী সরকারের সময় করা বিদেশি চুক্তিগুলো করার সময় জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, বড় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে চুক্তির বিষয়ে। শুক্রবার (০৬ মার্চ) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।জামায়াত আমির বলেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সরকার কয়েকটি চুক্তি সম্পাদন করেছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এ ধরনের কোনো চুক্তি নিয়ে সরকার আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি।   তিনি বলেন, আমরা বহুবার দাবি জানিয়েছিলাম যে সংসদ না থাকার কারণে সরকার বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে যেভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করেছে, ঠিক সেভাবেই আন্তর্জাতিক চুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতেও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তৎকালীন সরকার আমাদের সেই দাবিগুলোকে আমলে নেয়নি। এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট এবং এখানে কোনো ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি করার সুযোগ নেই।সম্প্রতি নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সাবেক সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেছেন, ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ আমাদের প্রধান দুটি দলের প্রধানের সঙ্গে নির্বাচনের আগেই কথা বলেছে।তারা এতে সম্মতি দিয়েছিলেন। এমন না যে এ চুক্তি আমরা অন্ধকারে রেখেছি।এমআর-২
    ‘বিদেশি চুক্তি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেনি’
    অন্তর্বর্তী সরকারের সময় করা বিদেশি চুক্তিগুলো করার সময় জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, বড় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে চুক্তির বিষয়ে। শুক্রবার (০৬ মার্চ) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।জামায়াত আমির বলেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সরকার কয়েকটি চুক্তি সম্পাদন করেছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এ ধরনের কোনো চুক্তি নিয়ে সরকার আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি।   তিনি বলেন, আমরা বহুবার দাবি জানিয়েছিলাম যে সংসদ না থাকার কারণে সরকার বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে যেভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করেছে, ঠিক সেভাবেই আন্তর্জাতিক চুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতেও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তৎকালীন সরকার আমাদের সেই দাবিগুলোকে আমলে নেয়নি। এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট এবং এখানে কোনো ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি করার সুযোগ নেই।সম্প্রতি নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সাবেক সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেছেন, ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ আমাদের প্রধান দুটি দলের প্রধানের সঙ্গে নির্বাচনের আগেই কথা বলেছে।তারা এতে সম্মতি দিয়েছিলেন। এমন না যে এ চুক্তি আমরা অন্ধকারে রেখেছি।এমআর-২
    ওমরাহ পালনে সৌদি গেলেন জামায়াত আমির
    পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে রাতে ঢাকা ছেড়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টায় তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা হন। পবিত্র ওমরা পালন শেষে আগামী ৬ মার্চ সকালে তার ঢাকা ফেরার কথা রয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সিনিয়র প্রচার সহকারী মুজিবুল আলম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন।এইচএ 
    ‘জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বিএনপি’
    জাতীয় সংসদের বিরোধী দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকারের পদ নেওয়ার জন্য বিএনপি প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।সোমবার (০২ মার্চ) সচিবালয়ে এ কথা জানান তিনি।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান মেনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেবেন।তিনি বলেন, সংসদে বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকারের পদ নেয়ার জন্য বিএনপি প্রস্তাব দিয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে তারা জাতীয় সংসদে অংশগ্রহণ করতে পারেন না। শুধুমাত্র সংসদ সদস্যরাই জাতীয় সংসদে অংশ নিতে পারেন।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান সংস্কার নিয়ে যেসব আলোচনা হচ্ছে বা রাজনীতির মাঠে নানা কথা হচ্ছে, সেটি রাজনৈতিক অধিকার হিসেবে বলা যেতে পারে। কিন্তু অসাংবিধানিক কিছু জাতীয় সংসদে উত্থাপন করতে পারি না।তিনি আরও বলেন, গণভোটের রায় অনুসারে যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদ করতে হয়, সেটি জাতীয় সংসদে আলোচনার মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং সে অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনী আনতে হবে। সংশোধনী এনে সেটি সংবিধানে ধারণ করার পরেই, কোন প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদ হতে পারে, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ কারা পড়াবেন, কীভাবে হতে পারে সে বিষয় চূড়ান্ত হতে পারে।এমআর-২
    হাসপাতালে ভর্তি অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু
    নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বর্তমানে তিনি রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।অর্থমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা শহিদুজ্জামান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘মন্ত্রী নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে।’ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। নতুন সরকারে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি।এমআর-২
    ইরানে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে জামায়াত আমিরের স্ট্যাটাস
    ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান সংঘাত ও যুদ্ধের পরিস্থিতি নিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এ স্ট্যাটাস দেন।জামায়াত আমির লিখেছেন, ইরানসহ সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের দাবানল—হে আল্লাহ, তোমার অসীম মেহেরবানিতে নিভিয়ে দাও। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে পবিত্র রমজানের সংযম, সহনশীলতা ও মানবতার শিক্ষা ধারণ করার তাওফিক দান করো। তিনি আরও লিখেছেন, নিরীহ নারী-শিশু ও সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষা করো, আহতদের আরোগ্য দাও, বাস্তুচ্যুতদের নিরাপদ আশ্রয় দাও। সমগ্র দুনিয়াবাসীর প্রতি রহম করো—হৃদয়গুলোকে নরম করো, ঘৃণা ও প্রতিহিংসা দূর করো।সবশেষে ডা. শফিকুর রহমান লিখেছেন, হে রব্বুল আলামিন, ন্যায়ের ভিত্তিতে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করো এবং একটি নিরাপদ শান্তির পরিবেশ নিশ্চিত করে দাও।আমিন।এইচএ 
    এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
    ‘দেশ যাবে নতুন পথে, ফিরবে না আর ফ্যাসিবাদে’—এই স্লোগানে আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দিনটি উপলক্ষে রাজধানীর ধানমন্ডির আবাহনী মাঠে কেন্দ্রীয়ভাবে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করবে দলটি।জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ওই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি এনসিপির যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংস্কার ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে সরব ছিল দলটি।সর্বশেষ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যে যুক্ত হয়ে ৩০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল এনসিপি। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ ছয়জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এক বছর ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত দল হিসেবে থেকে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা এনসিপি শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) এক বছরে পা দিতে যাচ্ছে।  এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি তুলে ধরেছেন দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। তিনি জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি এনসিপির এক বছর পূর্তি। এই দিনটি উপলক্ষ্যে গণ–অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্য, ফ্যাসিবাদবিরোধী দল–সংগঠন, সাংবাদিক, শিক্ষক, শ্রমিকসহ সবাইকে নিয়ে আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করতে যাচ্ছি। ২৮ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকার ধানমন্ডিতে আবাহনী মাঠে এনসিপির ইফতার মাহফিল হবে উল্লেখ করে আরিফুল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, পেশাজীবী এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের অসংখ্য সহযোদ্ধা, বন্ধু ও সাংবাদিকদের নিয়ে দলের পক্ষ থেকে সম্মিলিতভাবে ইফতার করা হবে। সেখানে চিত্রপ্রদর্শনীও চলবে। পাশাপাশি দীর্ঘ এক বছরে দলটির রাজনৈতিক পথচলার উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটা ধারাবাহিক প্রোমো থাকবে। নাম হবে স্ট্রিট ওয়াল। সেখানে থাকবে ফটো বুথও। ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেল চারটায় এই আয়োজন শুরু হবে।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আগামী ২ মার্চ চট্টগ্রাম, ৪ মার্চ সিলেট, ৫ মার্চ ময়মনসিংহ, ৭ মার্চ ফরিদপুর, ৮ মার্চ বরিশাল, ৯ মার্চ খুলনা, ১০ মার্চ রাজশাহী ও ১১ মার্চ রংপুরে বিভাগীয় এবং ৩ মার্চ কুমিল্লায় ইফতার মাহফিল করা হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে এনসিপি। এনসিপির নেতা, জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও গুণিজনেরা এসব ইফতারে অংশ নেবেন বলে তারা জানিয়েছে।এমআর-২
    তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে বিএনপির প্রার্থী হলেন বাদশা
    বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসন বগুড়া-৬ থেকে উপনির্বাচনে দলের প্রার্থী করা হয়েছে রেজাউল করিম বাদশাকে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিএনপির পক্ষ থেকে রেজাউল করিম বাদশাকে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়।বগুড়া-৪ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেন এই তথ্য জানান।তিনি ফেসবুক পোস্ট করে লিখেন, আলহামদুলিল্লাহ, বগুড়া (সদর)-৬ আসনের এমপি প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির সম্মানিত সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা ভাইকে বিএনপির গুলশান দলীয় চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হলো।গুঞ্জন ছিল এই আসন থেকে জিয়া পরিবারের কেউ উপনির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন। তবে বেশ কিছুদিন আগে সিদ্ধান্ত হয় জিয়া পরিবারের কেউ এখান থেকে নির্বাচন করছেন না।গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।এমআর-২

    দেশজুড়ে

    সব দেখুন
    ঢাকা থেকে ৪ দিনে ১৩১টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল
    ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ফ্লাইট সূচিতে চরম বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) পর্যন্ত চার দিনে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যের মোট ১৩১টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) ও বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেল থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। নিরাপত্তার স্বার্থে দেশগুলো এই সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী এবং সেখান থেকে আসা ফ্লাইটগুলো স্থগিত করতে বাধ্য হয় এয়ারলাইনসগুলো।গত চার দিনের বাতিলের চিত্র:২৮ ফেব্রুয়ারি: ২৩টি ফ্লাইট১ মার্চ: ৪০টি ফ্লাইট২ মার্চ: ৪৬টি ফ্লাইট৩ মার্চ: ২২টি ফ্লাইট (এ পর্যন্ত)আজ মঙ্গলবার বাতিল হওয়া ২২টি ফ্লাইটের মধ্যে নামি-দামি বেশ কয়েকটি এয়ারলাইনস রয়েছে। উল্লেখযোগ্য হলো: কাতার এয়ারলাইনস: ৪টি ফ্লাইট, এমিরেটস এয়ারলাইনস: ৪টি ফ্লাইট, গালফ এয়ার: ৪টি ফ্লাইট, ফ্লাই দুবাই: ৪টি ফ্লাইট, জাজিরা এয়ারলাইনস: ৪টি ফ্লাইট, কুয়েত এয়ার: ২টি ফ্লাইট।আশার কথা হলো, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা আংশিকভাবে খুলে দেওয়ায় বর্তমানে কিছু গন্তব্যে সীমিত আকারে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে। তবে পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, আবুধাবি, শারজা ও দুবাই রুটগুলো বাদে অন্যান্য গন্তব্যে ধীরে ধীরে ফ্লাইট চলাচল শুরু হচ্ছে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে খুব দ্রুতই সব ফ্লাইট আগের সূচিতে ফিরবে।বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, হুট করে ফ্লাইট বাতিলের কারণে হাজার হাজার প্রবাসী যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।ইখা
    রাজধানীতে প্রাইভেটকারের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৮
    রাজধানীর মোহাম্মদপুরের হুমায়ুন রোডে প্রাইভেটকারের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৮ জন দগ্ধ হয়েছে।সোমবার (০২ মার্চ) বিকেলে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।দগ্ধরা হলেন- মো. তারেক রহমান (২৩), মো. মনা (৪০), মিরাজ (৩৬), রেহান বাদল (২৩), মো. জনি (৩৫), মো. আকাশ (২৫), মো. আজাদ (৫৫) ও ইরফান (১১)।জাতীয় ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, মোহাম্মদপুর থেকে প্রাইভেটকারের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ অবস্থায় আটজনকে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে। এদের মধ্যে ছয়জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দুজনকে ভর্তি দেওয়া হয়েছে।এমআর-২
    বায়তুল মোকাররমের পাশ থেকে কাটা হাত-পা উদ্ধার
    ঢাকার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পাশ থেকে দুটি কাটা হাত এবং স্কাউট ভবনের পাশ থেকে একটি কাটা পা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পুলিশ জানতে পেরেছে, ওবায়দুল্লাহ নামে এক ব্যক্তির দেহের অংশ এগুলো।শুক্রবার রাত ২টার দিকে পা এবং শনিবার সকালে কাঁটা দুই হাত উদ্ধার করে পুলিশ।পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল খান বলেন, বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ও উত্তর গেটের মাঝামাঝি এলাকায় রাস্তায় বিচ্ছিন্ন দুই হাত পাওয়া যায়। এছাড়া স্কাউট ভবনের সামনের রাস্তা থেকে উদ্ধার করা হয় একটি বিচ্ছিন্ন পা।তিনি আরও জানান, পরে হাতের ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করে জানা যায়, ওবায়দুল্লাহ নামে এক ব্যক্তির দেহের অংশ এই হাত ও পা। তার বাড়ি নরসিংদী শিবপুর উপজেলায়। দেহের অংশ বিশেষ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল (ঢামেক) কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। দেহের বাকি অংশ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।এমআর-২
    রাজধানীতে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা
    ঢাকার হাজারীবাগ এলাকায় এক স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ময়নাতদন্তের জন্য ওই ছাত্রীর মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে হাজারীবাগ এলাকার হায়দার হোটেলের গলির ভেতরে ওই ছাত্রীর ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। হত্যাকাণ্ডের শিকার ছাত্রী শাহরিয়ার শারমিন বিন্তি রায়েরবাজার হাইস্কুলের ৮ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছিল। তার বাবার নাম বিল্লাল হোসেন। সে হাজারীবাগের হায়দার হোটেলের পাশে একটি ভবনে পরিবারের সঙ্গে থাকত।পুলিশ জানায়, ওই ছাত্রীকে পিঠের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। একপর্যায়ে স্বজনরা উদ্ধার করে, প্রথমে শিকদার মেডিকেলে নিয়ে যায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে এলে জরুরি বিভাগের কবর্ত্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে কী কারণে এমন ঘটনা, সে বিষয়ে পুলিশ কিছু জানাতে পারেনি।  এফএস
    সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পরিচয় পেয়েও সাংবাদিকদের বেধড়ক পিটুনি
    রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সংবাদকর্মীদের ওপর পুলিশের বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাতে মাদকবিরোধী অভিযানের সংবাদ সরাসরি সম্প্রচার করার সময় বাংলানিউজের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার তোফায়েল আহমেদসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর লাঠিচার্জ করে একদল পুলিশ সদস্য। বারবার নিজেদের পরিচয় দেওয়ার পরও কোনো তোয়াক্কা না করে পুলিশ তাদের বেধড়ক লাঠিপেটা ও শারীরিক নির্যাতন চালায়।সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযানে নামে পুলিশ।জনগুরুত্বপূর্ণ এই অভিযানের দৃশ্য জনসমক্ষে তুলে ধরতে ফেসবুক লাইভ করছিলেন সাংবাদিক তোফায়েল আহমেদসহ অন্যান্য সাংবাদিকরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাইভ চলাকালীন কোনো উসকানি ছাড়াই একদল পুলিশ সদস্য এসে তোফায়েলকে লক্ষ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। তিনি নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে পুলিশ। এ সময় তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং একের পর এক লাঠির আঘাত করা হয়।ঘটনাস্থলে উপস্থিত আজকের পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার কাওসের আহম্মেদ রিপন বলেন, ‘পুলিশ কোনো ধরনের বাছবিচার ছাড়াই সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয়। তোফায়েলকে যখন মারা হচ্ছিল, তখন আমরা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করি। কিন্তু পুলিশ সদস্যরা এতটাই মারমুখী ছিলেন যে, তারা আমাদেরও লাঠিপেটা করে।’পুলিশের পিটুনিতে গুরুতর আহত তোফায়েল আহমেদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে।মাথায় ও পিঠে আঘাতের ফলে তার রক্তক্ষরণ হয়। সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভোঁতা অস্ত্রের (লাঠি) আঘাতে তার শরীরে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের ঝুঁকি রয়েছে।আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন অপেশাদার আচরণে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার বদলে সংবাদকর্মীদের ওপর এমন হামলাকে ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল। এ প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, ‘যেহেতু ভিডিও ফুটেজ আছে, তাই ভিডিও দেখে সাংবাদিক পেটানোর ঘটনায় যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় পুলিশের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিক নেতারা।এদিকে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে রাতেই তীব্র নিন্দার ঝড় ওঠে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের পক্ষ থেকে। সাংবাদিক নেতারা বলেন, রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভের ওপর এমন আক্রমণ গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের শামিল। তারা অবিলম্বে হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের বরখাস্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।অপরাধ দমনের নামে পুলিশের এমন ‘বেপরোয়া’ আচরণ খোদ বাহিনীর ইমেজকে সংকটে ফেলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। জননিরাপত্তার দোহাই দিয়ে রক্ষক যখন ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়, তখন আইনের শাসন নিয়ে বড় প্রশ্ন দেখা দেয়। তাছাড়া অতি উৎসাহী এসব পুলিশ সদস্যদের জন্য সরকারও বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে পারে বলে মত নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের।এবি 
    রান্নাঘরের সানসেট থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু
    যশোরের মণিরামপুরে নানা বাড়ি বেড়াতে গিয়ে রান্নাঘরের সানসেট থেকে পড়ে রিদম হোসেন (১২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে  উপজেলার রোহিতা ইউনিয়নের বাসুদেবপুরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রিদম শার্শা উপজেলার  ডিহি ইউনিয়নের কাশিপুর বটতলার কামাল হোসেনের ছেলে।নিহতের চাচা হাবিবুর রহমান হাবিব জানান, আমার ভাইপো রিদম ১০/১২ দিন আগে বাসুদেবপুর গ্রামে নানা ইসমাইল হোসেনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল। শুক্রবার বিকেলে রান্নাঘরের সানসেটে ওঠে খেলা করছিল। এসময় অসাবধানবশত রিদম নিচে থাকা ইটের ওপর পড়ে মাথায় আঘাত পায়। বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে আনলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রিদমকে মৃত ঘোষণা করেন।  হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. বিচিত্র মল্লিক জানান, হাসপাতালে শিশু রিদমকে মৃত অবস্থায় আনা হয়। তার মাথায় প্রচন্ড আঘাত লাগার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।পিএম
    মাগুরায় আ.লীগের জেলা কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন, আটক ৩
    মাগুরা শহরের জামরুলতলায় অস্থায়ী কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মাগুরা জেলা শাখা। বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) বিকালে জেলা আ. লীগের সহ-সভাপতি হীরক দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে এই কার্যালয় উদ্বোধন করেন। এসময় উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ সোনিয়া সহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচন পরবর্তী স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবেই এই কার্যালয় চালু করা হয়েছে। তবে দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকা কার্যালয় পুনরায় চালু করা হয়েছে বলে জানায় আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরাএদিকে অফিস উদ্বোধনের কয়েক ঘন্টার মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং বিক্ষুব্ধ একটি পক্ষ কার্যালয়ের সামনে থাকা দলীয় পতাকা পুড়িয়ে ফেলে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ বিষয়ে মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলাম বলেন, শহরের জামরুতলায় আওয়ামীলীগের অফিসে দলীয় পতাকা উত্তোলন ও কার্যক্রমের ঘটনায় উত্তেজনা সৃষ্টির খবর পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এনামুল হক হীরক (৫২), মো. উসমান (৩০) এবং সোনিয়া সুলতানা নামে ৩ ব্যাক্তিকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে জানান তিনি।এসআর
    নড়াইলে নসিমন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যুবক নিহত
    নড়াইল সদর উপজেলায় নড়াইল-মাগুরা সড়কে নসিমন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুর দুইটার দিকে সদর উপজেলার হবখালী ইউনিয়নের কাগজিপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম রিয়াদ শেখ (২০)। সে সদরের ফুলস্বর গ্রামের তরিকুল শেখের ছেলে। তিনি নড়াইলের তৃষ্ণা ওয়াটার ড্রিংকিং এর ডেলিভারিমান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।নিহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,প্রতিদিনের ন্যায় বৃহস্পতিবার সকালে নসিমনে বিশুদ্ধ পানি ডেলিভারি দেওয়ার জন্য নলদি ও মিঠাপুর এলাকায় গিয়েছিলেন রিয়াদ। ডেলিভারি দিয়ে ফেরার পথে সদর উপজেলার নড়াইল-মাগুরা সড়কের হবখালী ইউনিয়নের কাগজীপাড়া এলাকায় পৌঁছালে নসিমন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে। এসময় রিয়াদ গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসা শুরুর কিছু সময় পর জরুরী বিভাগে দ্বায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।এসআর
    শার্শায় ভেজাল দই ও ঘি বিক্রির দায়ে ডেয়ারি মালিককে জরিমানা
    যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারন বাজারে ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যদ্রব্য বিক্রির অভিযোগে একটি ডেয়ারি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে নাভারন বাজারের ‘নাভারন ডেয়ারি’ নামক প্রতিষ্ঠানে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. আতিউর রহমানের দোকানে রক্ষিত দই ও ঘি পরীক্ষা করে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর উপাদান এবং দইয়ে কৃত্রিম রং মেশানোর প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়া বিএসটিআই-এর অনুমোদন ছাড়াই ঘি বিক্রি করায় তা ভোক্তা অধিকার আইনের পরিপন্থী বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।অভিযানে যশোর থেকে আসা বিশেষ টাস্কফোর্স টিম, পুলিশ সদস্য এবং কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নগদ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ভেজাল পণ্য বিক্রি না করার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করে দেন।জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর যশোরের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান জরিমানার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে নাভারন বাজারের সকল ব্যবসায়ীকে নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্যপণ্য বিক্রির কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।এনআই
    নড়াইলে অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা
    নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নবগঙ্গা নদীর বড়কালিয়া এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে এক ইজারাদারকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) দুপুরে অভিযান পরিচালনা করে এ জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কালিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রাবণী বিশ্বাস। মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানার কাজিরপাগলা এলাকার আজিজুল হককে (৫৪) এ জরিমানা করা হয়। তিনি সংশ্লিষ্ট ইজারাদারের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছিলেন।নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শ্রাবণী বিশ্বাস বলেন, “সংশ্লিষ্ট ইজারাদার কালিয়া উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়নের বৃ-হাচলা মৌজায় ইজারা নিয়ে অবৈধভাবে বড়কালিয়া এলাকায় বালু উত্তোলন ও পরিবহনের চেষ্টা করছিল। খবর পেয়ে বালুকাটা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ সময় সংশ্লিষ্ট ইজারাদারকে দুই লাখ টাকা জরিমানাসহ অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু জব্দ করা হয়। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।এসআর
    রামুতে জাল টাকা তৈরির কারখানার সন্ধান, সরঞ্জামসহ যুবক গ্রেপ্তার
    আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বাজারে জাল নোট ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাকালে কক্সবাজারের রামুতে এক জালিয়াতি চক্রের সন্ধান পেয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের মধ্যম মেরংলোয়া এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জাল নোট ও নোট তৈরির সরঞ্জামসহ মো. ইমরান (২৩) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।গ্রেপ্তারকৃত ইমরান যশোর সদর উপজেলার খোলাডাঙ্গা এলাকার লুৎফর রহমানের ছেলে।ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি বিশেষ দল শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আমতলিয়া পাড়ার বাবুল বড়ুয়ার বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় ঘরের ভেতর থেকে ১০০০ ও ৫০০ টাকা মূল্যমানের প্রায় ৫ লাখ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়। এছাড়া জাল টাকা তৈরিতে ব্যবহৃত কম্পিউটার, কালার প্রিন্টার, বিশেষ কাগজ, জলছাপ তৈরির কালি ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কিছু দিন আগে ওই বাড়িতে নতুন ভাড়াটিয়া হিসেবে কয়েকজন যুবক ওঠেন। তাঁদের চলাফেরা ছিল রহস্যজনক। দিনের বেশির ভাগ সময় ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ থাকত এবং বাইরের মানুষের যাতায়াত ছিল সীমিত। মূলত জনচক্ষুর আড়ালে থাকতেই তাঁরা এই নির্জন এলাকা বেছে নিয়েছিলেন।জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মসিউর রহমান বলেন, “প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত যুবক স্বীকার করেছেন যে, ঈদকে লক্ষ্য করে এসব জাল টাকা বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁদের। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ইমরানের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের পর তাঁকে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।এনআই
    হাসপাতাল থেকে দালাল চক্র নির্মূল করা হবে: স্বাস্থ্যসচিব
    হাসপাতাল থেকে দালাল চক্র নির্মূল করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ কামারুজ্জামান চৌধুরী। এছাড়াও তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে চিকিৎসা সেবা পায় সেটা নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলো মানুষের শেষ ভরসার জায়গা। সেখানে কোনোভাবেই দালালদের দৌরাত্ম্য সহ্য করা হবে না। ইতোমধ্যে হাসপাতাল এলাকায় দালালদের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অনেক সময় দেখা যায় রোগীরা হাসপাতালে প্রবেশ করার আগেই কিছু অসাধু দালাল তাদের ঘিরে ধরে। তারা রোগীদের ভুল তথ্য দিয়ে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যায়। এতে রোগীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সঠিক চিকিৎসা থেকেও বঞ্চিত হন। এই ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।তিনি আরও বলেন, হাসপাতালের ভেতরে কিংবা আশপাশে যারা দালাল হিসেবে কাজ করছে তাদের চিহ্নিত করতে প্রশাসন, পুলিশ এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি হাসপাতালে পরীক্ষামূলকভাবে বিশেষ নজরদারি টিম গঠন করা হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে হাসপাতালের প্রবেশপথে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, রোগীদের জন্য তথ্যকেন্দ্র চালু করা এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত সব ধরনের তথ্য সহজভাবে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা। সচিব বলেন, রোগীরা যাতে কোনো দালালের কাছে না গিয়ে সরাসরি হাসপাতালের নির্ধারিত কাউন্টার থেকে সেবা নিতে পারেন সে বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি। এজন্য হাসপাতাল এলাকায় সচেতনতামূলক ব্যানার, মাইকিং ও নির্দেশনামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করা হবে। কোনো হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী যদি দালাল চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বিভাগীয় মামলা করে চাকরি থেকে বরখাস্তও করা হতে পারে বলে তিনি হুশিয়ারি দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বরাত দিয়ে সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশনার আলোকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে দুর্নীতি জিরো টলারেন্সে নামিয়ে আনা হবে। যেখানেই অনিয়ম পাওয়া যাবে সেখানেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর চিকিৎসকদের অনিয়ম ও গাফিলতি থাকলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি এ মন্তব্য করেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা: মরিয়ম সিমি, বেগমগঞ্জ উপজেলা ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা: হাসান খায়ের চৌধুরী, আরএমও ডা: সালেহ আহমদ সোহেলসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।পিএম
    রামগড়ে মাদকসেবীদের উৎপাতে অতিষ্ঠ জনজীবন, সাঁড়াশি অভিযানের দাবি
    খাগড়াছড়ির সীমান্তবর্তী রামগড় উপজেলায় দীর্ঘ দিন বড় ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান না থাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে মাদকসেবীরা। দিন-রাত সমানতালে বিভিন্ন স্পটে মাদক সেবন ও বিক্রির খবর পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে চোলাই মদ, গাঁজা, ইয়াবা ও ফেনসিডিলের বিস্তার রোধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।স্থানীয়দের অভিযোগ, রামগড় পৌর এলাকার জগন্নাথপাড়া, বল্টুরামটিলা, শ্মশানটিলা, গর্জনতলি, মাস্টারপাড়া, চৌধুরীপাড়া, আনন্দপাড়া, দারোগাপাড়া, মহামুনি, ফেনীরকুল, সদুকার্বারী পাড়া, বলিপাড়া, খাগড়াবিল, লামকুপাড়া, কালাডেবা, সোনাইআগা ও তৈইচালা পাড়াসহ বেশ কিছু এলাকায় মাদকের বিস্তার ঘটেছে। বিশেষ করে কিছু পরিবার দেশি মদ তৈরি ও অবাধে বিক্রি করায় মাদকাসক্তের সংখ্যা বাড়ছে। এছাড়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে ভারতীয় মাদক প্রবেশ করায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও হিমশিম খেতে হচ্ছে।মাদকের প্রভাবে পরিবার ও সমাজে অশান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। নেশার টাকার জন্য মা-বাবা ও স্বজনদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটছে অগণিত। সাংবাদিক নেতা মো. নিজাম উদ্দিন লাবলু বলেন, “মাদকের কারণে বহু পরিবার আজ নিঃস্ব ও অনিরাপদ। রামগড়কে মাদকমুক্ত করতে প্রশাসনকে আরও কঠোর হতে হবে।”রামগড় পৌর বিএনপির সভাপতি মো. বাহার উদ্দিন বলেন, “দলের পক্ষ থেকে মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। নবনির্বাচিত এমপি ওয়াদুদ ভূঁইয়ার স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে—মাদক কারবারি কে কার লোক তা দেখার সুযোগ নেই। কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাজির আলম বলেন, “মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। চিহ্নিত হটস্পটগুলোতে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। দ্রুতই বড় ধরনের অভিযান চালানো হবে। মাদক নির্মূলে আমরা সাধারণ জনগণের সহযোগিতা কামনা করছি।”এনআই
    হিন্দু হয়েও এক যুগ ধরে নিজ বাড়িতে রোজাদারদের ইফতার করান সুভাশীষ রায়
    দীর্ঘ ১ যুগ ধরে প্রতি বছর নিজ বাড়ির ছাদে রোজাদারদের জন্য ইফতারের  আয়োজন করেন চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের স্থানীয় চিকিৎসক সুভাশীষ রায়। তিনি প্রতি বছর নিজ বাড়িতে শতাধিক রোজদারদের জন্য এই ইফতারের আয়োজন করেন। এ সময় হিন্দু-মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে সৃষ্টি হয়ে সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশ। প্রতিবছরের মত বৃহস্পতিবারেও দেখা গেল সেই চিত্র। প্রায় শতাদিক রোজাদারদের জন্য আয়োজন করলেন ইফতারের। নিজ হাতে তুলে দিচ্ছেন ইতফার। জোদাররাও সেই ইফতার গ্রহণ করছেন খুশি মনে।ইফতার করতে আসা নুর মিনহাজ জানান,দাদা আমাদের সম্মান করে ইফতারের দাওয়াত দেন,আমরাও আসি। তিনি নিজেও আমাদের সাথে বসে ইফতারির খাবার গ্রহণ করে, খুব ভালো লাগে।চিকিৎসক সুভাশীষ রায় বলেন, প্রতি বছর রমজান মাসের এ দিনটির জন্য আমি অপেক্ষা করে থাকি। আজকে ৫ মার্চ আমি রোজাদারদের দাওয়াত করেছি। বিভিন্ন পেশা ও শ্রেণির মানুষ এ ইফতারে সামিল হয়। আমি মনে করি বাংলাদেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান প্রত্যেক ধর্মের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি থাকলে তবেই এদেশ এগিয়ে যাবে।অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফার্মাসিউটিক্যালস এরিয়া ম্যানেজার ফোরামের দক্ষিণ জেলার সভাপতি নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, প্রতি বছর দাদার আমন্ত্রণে তার বাড়িতে ইফতার করতে আসি। এটা অসাধারণ এক অনুভূতি। ইফতার শেষে দাদার বাড়ির ছাদে নামাজ শেষ করে বাড়ি ফিরে যাই।অনুষ্ঠানে উপস্থিত লোহাগাড়া পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রিটন দাশ বলেন, শুভাশীষ দাদার সম্প্রীতির ইফতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন যথাক্রমে মিলন কান্তি দে, নাজমুল হাসান, কামাল উদ্দিন, নূরে এ মিনহাজ প্রমুখ।এসআর
    দেশে জ্বালানি তেল ও গ্যাসে রেশনিং, বন্ধ সিইউএফএল-কাফকোর উৎপাদন
    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রত্যক্ষ অভিঘাত পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে। বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় হঠাৎ সৃষ্ট অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেশে জ্বালানি তেল ও গ্যাস ব্যবহারে সতর্কতামূলক রেশনিং শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এলএনজি আমদানিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় গ্যাস সাশ্রয়ের লক্ষ্যে চট্টগ্রামের দুটি প্রধান সার কারখানা, Chittagong Urea Fertilizer Limited (সিইউএফএল) এবং বহুজাতিক Karnaphuli Fertilizer Company Limited (কাফকো)-এর সার উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রেও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ শুরু হয়েছে, বিশেষ করে ডিজেলের ক্ষেত্রে ডিলারদের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে না।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিকে ঘিরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। যুদ্ধ কৌশলের অংশ হিসেবে ইরান গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্বব্যাপী তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহন কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালী দিয়ে চলাচল করে থাকে। ফলে এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।নৌপরিবহন সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালীর দুই প্রান্তে প্রায় এক হাজারের মতো তেল ও এলএনজি বহনকারী জাহাজ আটকা পড়ে আছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন বন্দরে তেল ও গ্যাস বোঝাই করে অপেক্ষমাণ ট্যাংকারের সংখ্যাও কয়েকশ’। একইসঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্যবাহী জাহাজও উপসাগরীয় দেশগুলোর বন্দরে প্রবেশ করতে পারছে না। ফলে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল ও গ্যাস সরবরাহ কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে এবং বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ চেইনে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।এই বৈশ্বিক পরিস্থিতির বড় ধাক্কা লেগেছে আমদানি নির্ভর বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে। বিশেষ করে গ্যাস খাতে পরিস্থিতি দ্রুত উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আংশিকভাবে স্থানীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে সরবরাহ থাকলেও চট্টগ্রাম অঞ্চলের গ্যাস ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণভাবে আমদানি করা এলএনজির ওপর নির্ভরশীল। ফলে এলএনজি জাহাজ সময়মতো পৌঁছাতে না পারলে এই অঞ্চলে গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।সূত্র জানায়, আগামী ১১ মার্চ প্রায় তিন হাজার মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি নিয়ে একটি জাহাজ মহেশখালীতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এর পরপরই আরও পাঁচটি এলএনজি কার্গো জাহাজ বাংলাদেশে আসার সময়সূচি ছিল। তবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এসব জাহাজের আগমন নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ওই পাঁচটি জাহাজে প্রায় ১৫ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস রয়েছে। কিন্তু নৌপথে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এগুলো বাংলাদেশে পৌঁছাবে কি না, কিংবা পৌঁছাতে কত সময় লাগবে, তা নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।এই পরিস্থিতিতে গ্যাস সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে সরকার জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে চট্টগ্রামের সিইউএফএল ও কাফকো কারখানার সার উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। এই দুই কারখানায় গ্যাস শুধু জ্বালানি হিসেবেই নয়, উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। গ্যাস থেকেই মূলত ইউরিয়া সার উৎপাদন করা হয়। প্রতিদিন এই দুই কারখানা মিলিয়ে প্রায় ৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ব্যবহার করা হয়। উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়ার ফলে প্রতিদিন সমপরিমাণ গ্যাস সাশ্রয় হচ্ছে, যা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতে সরবরাহ করা হচ্ছে।চট্টগ্রামে গতকাল প্রায় ২৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে, যা শিল্প, বাণিজ্যিক এবং আবাসিক খাতে বিতরণ করা হচ্ছে। কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড-এর একজন পদস্থ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সময়ের কন্ঠস্বর-কে জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্যাস ব্যবহারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। তিনি বলেন, সার কারখানা বন্ধ রাখার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্যাস সাশ্রয় করা সম্ভব হচ্ছে এবং আপাতত বিদ্যুৎ উৎপাদন, গৃহস্থালি ব্যবহার ও গুরুত্বপূর্ণ শিল্পখাতে সরবরাহ অব্যাহত রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে ১১ মার্চের পর নির্ধারিত এলএনজি জাহাজটি সময়মতো না পৌঁছালে পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে উঠতে পারে এবং তখন গ্যাসনির্ভর অনেক খাতই বড় সংকটে পড়বে।অন্যদিকে জ্বালানি তেল সরবরাহেও অনিশ্চয়তার ছায়া দেখা দিয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানিয়েছে, এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল বহনকারী এমটি নর্ডিক পলাঙ নামের একটি জাহাজ বর্তমানে সৌদি আরবে আটকা পড়ে রয়েছে। এছাড়া আরেকটি তেলবাহী জাহাজের আগামী ২২ মার্চ আবুধাবী থেকে বাংলাদেশে যাত্রা করার কথা ছিল। কিন্তু হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদে চলাচল নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এসব জাহাজের বাংলাদেশে পৌঁছানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতি বিবেচনায় বিপিসি ইতোমধ্যে ডিজেল সরবরাহে রেশনিং শুরু করেছে। বিপিসির নিয়ন্ত্রণাধীন তিনটি তেল বিপণন কোম্পানি ডিলারদের চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল সরবরাহ না দিয়ে সীমিত বরাদ্দ দিচ্ছে। কেউ যদি দুই ভাউজার ডিজেল চায়, তাকে দেওয়া হচ্ছে একটি; আবার পাঁচ ভাউজারের চাহিদা থাকলে দেওয়া হচ্ছে দুই ভাউজার। তবে আপাতত পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহ তুলনামূলক স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। যদিও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে এই স্বাভাবিকতা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি বড় অংশ গ্যাসনির্ভর হওয়ায় এলএনজি আমদানিতে বিঘ্ন ঘটলে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও বড় ধরনের চাপ তৈরি হবে। এতে শিল্প উৎপাদন, কৃষি সেচ এবং নগরজীবনে ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে গ্রীষ্ম মৌসুমের শুরুতে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বাড়তে থাকে, ফলে সেই সময়ের মধ্যে যদি জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয়, তাহলে বিদ্যুৎ ঘাটতি তীব্র আকার ধারণ করতে পারে।এদিকে সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে কৃষি খাতেও সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। চট্টগ্রামের সিইউএফএল ও কাফকো কারখানা দুটি প্রতিদিন প্রায় তিন হাজার টন ইউরিয়া সার উৎপাদন করতে সক্ষম। এই দুই কারখানার উৎপাদন দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে দেশে সার সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হতে পারে এবং আসন্ন কৃষি মৌসুমে কৃষকদের জন্য নতুন সংকট দেখা দিতে পারে।এসআর
    নারায়ণগঞ্জের গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দুইজন আহত
    নারায়ণগঞ্জ শহরের পশ্চিম দেওভোগ এলাকায় একটি বাড়িতে তিতাস গ্যাসের লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ঝুট ব্যবসায়ী ও তাঁর কর্মচারীসহ দুজন দগ্ধ এবং একজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যায় আরমান মিয়ার মালিকানাধীন একটি তিনতলা ভবনের নিচতলায় এই বিস্ফোরণ ঘটে।দগ্ধ দুইজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভবনটির নিচতলায় একটি ঝুটের গুদামে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং সাময়িকভাবে আগুন ধরে যায়। বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শক্তিতে নিচতলার দেয়ালের একাংশ, দরজা ও জানালা ধসে পড়ে। এতে দগ্ধ হন ঝুট ব্যবসায়ী শিপন ও তাঁর কর্মচারী লিটন। এ সময় আহত হন ভবনের ভাড়াটিয়া ছগির।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণের শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। আশপাশের আরও অন্তত চারটি ভবনের জানালার কাঁচ ভেঙে পড়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং দগ্ধদের উদ্ধার করে প্রথমে সদর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁদের ঢাকায় পাঠানো হয়।ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে মন্ডলপাড়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শাহজাহান জানান, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিতাস গ্যাসের পাইপলাইনের লিকেজ থেকে গুদামে গ্যাস জমে ছিল। সেখান থেকেই এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।”হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দগ্ধ শিপনের শরীরের ১৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। বর্তমানে তিনিসহ অন্য দগ্ধ ব্যক্তি জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।এনআই
    গাজীপুরে গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় মাদ্রাসাছাত্রকে শ্বাসরোধ করে হত্যা
    গাজীপুর সদর উপজেলার ভবানীপুর এলাকায় মাদক সেবনের দৃশ্য দেখে ফেলায় মাহবুব ইসলাম রনি (১৩) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মরদেহে আগুন দেওয়ার চাঞ্চল্যকর রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাব্বির আহম্মেদ (১৯) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।গ্রেপ্তারকৃত সাব্বির ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার তুলন্দর দেওয়ানগঞ্জ বাজার এলাকার আব্দুল বারেকের ছেলে। সে বর্তমানে গাজীপুরের ভবানীপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করত। শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে গাজীপুর আদালতে এ হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে সাব্বির।গাজীপুর জেলা পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, নিহত মাহবুব ইসলাম রনি ভবানীপুর এলাকার খুরশীদিয়া মারকাযুল উলুম কওমি মাদ্রাসার নাজেরানা বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে সে নিখোঁজ হয়। পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ভবানীপুর পূর্বপাড়া এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার আগুনে পোড়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়।এ ঘটনায় রনির দাদা তারা মিয়া বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করলে পিবিআই ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ৫ মার্চ রাতে ভবানীপুর এলাকা থেকে সন্দেহভাজন সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদে সাব্বির জানায়, ঘটনার রাতে সে জঙ্গলের ভেতরে গাঁজা সেবন করছিল। রনি তা দেখে ফেলে এবং বিষয়টি অন্যদের জানিয়ে দেওয়ার কথা বলে। এতে আতঙ্কিত হয়ে সাব্বির তাকে বাধা দেয়। রনি কথা না শুনলে ক্ষিপ্ত হয়ে সাব্বির তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় এবং গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে আলামত নষ্ট করতে মরদেহে আগুন দিয়ে সে পালিয়ে যায়।নিহত রনির বাবা সোহাগ বলেন, “আমার সন্তানকে অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা খুনি সাব্বিরের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই, যাতে আর কোনো বাবা-মায়ের বুক এভাবে খালি না হয়।”গাজীপুর জেলা পিবিআই প্রধান (অতিরিক্ত আইজিপি) মোস্তফা কামাল জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।এনআই
    পাকুন্দিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, গণপিটুনি দিয়ে যুবককে পুলিশে সোপর্দ
    কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পাঁচ বছরের এক শিশুকে ‘মজা’ (খাবার) কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কাউসার আহমেদ রবিন (১৭) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে পাকুন্দিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।আটক কাউসার আহমেদ রবিন হোসেন্দী ইউনিয়নের পূর্বপাড়া গ্রামের কবির মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে বাড়ির পাশে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা করছিল ওই শিশুটি। এ সময় রবিন তাকে খাবার কিনে দেওয়ার কথা বলে কৌশলে পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালালে শিশুটি চিৎকার শুরু করে। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে শিশুকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত রবিনকে হাতেনাতে ধরে গণপিটুনি দেয়।স্থানীয় বাসিন্দা রাকিব মিয়া জানান, “শিশুর চিৎকার শুনে আমরা এগিয়ে যাই এবং অভিযুক্তকে আটক করি। পরে পাকুন্দিয়া থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে তাকে নিয়ে যায়। আমরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শিশুটিকে ধর্ষণচেষ্টার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। উত্তেজিত জনতার হাত থেকে অভিযুক্ত যুবককে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।এনআই
    গণঅভ্যুত্থানে আহত হোসেন আলীর চিকিৎসায় তারেক রহমানের সহায়তা
    চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পুলিশের গুলিতে আহত মো. হোসেন আলীর চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে সহায়তা পাঠিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুরের সুরিচালা এলাকায় আহত হোসেন আলীর বাসভবনে গিয়ে এই সহায়তা পৌঁছে দেয় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর একটি প্রতিনিধি দল।সংগঠনটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি আহত হোসেন আলীর স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন এবং তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন।এ সময় তারেক রহমানের পক্ষ থেকে তাঁর চিকিৎসার জন্য নগদ আর্থিক সহায়তা এবং স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে একটি চায়ের দোকান চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ ও সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।প্রতিনিধি দলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা আবুল কাশেম। তাঁরা হোসেন আলীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং তাঁর ত্যাগের প্রতি সম্মান জানান।সহায়তা প্রদানকালে মোকছেদুল মোমিন মিথুন বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সারাদেশে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াচ্ছে। হোসেন আলীকে চিকিৎসা সহায়তার পাশাপাশি তিনি যাতে নিজে কাজ করে চলতে পারেন, সেজন্য ব্যবসায়িক সহায়তাও প্রদান করা হয়েছে। আমাদের এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সহায়তা পেয়ে আহত হোসেন আলী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর জেলা বিএনপির সদস্য মমতাজ উদ্দিন রেনু, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য মাসুদ রানা লিটন ও মুস্তাকিম বিল্লাহ, বুয়েট ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিফ, এমট্যাবের সহ-সভাপতি শহীদুল আমিন, ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল মিসবাহসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।উল্লেখ্য, গত ১৮ জানুয়ারি রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় আহত হোসেন আলী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে তাঁর চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন।এনআই
    সিদ্ধিরগঞ্জে রাতভর পুলিশের বিশেষ অভিযান, মাদকসহ গ্রেপ্তার ৩৪
    নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৮১ পুরিয়া হেরোইন ও ২৩ পিস ইয়াবাসহ বিভিন্ন মামলার ৩৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহম্মদ আব্দুল বারিক।বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাত ১১টা থেকে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত থানার বিভিন্ন এলাকায় এই সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হয়।পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসির নেতৃত্বে একটি চৌকস আভিযানিক দল এই অভিযান চালায়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন—মাঝিপাড়া এলাকার সজিব (২৭), শুভ মিয়া (২০), শাহজালাল (২৫), নতুন হাজিগঞ্জ এলাকার হৃদয় (৩৫), এসিআই পানিরকল এলাকার নূর ইসলাম বাবু (৩৫), মাঝিপাড়া এলাকার পারভীন আক্তার (৩৫) ও সুমি (২৬), সুমিলপাড়া বিহারী কলোনির মিঠুন (৩২), ইব্রাহিম (৪৫), নাছির (২৮), নাদিম হোসেন (২৮), শাহানাজ (৪৫), ইসরাত জাহান (৫০), লিমা (৩০), স্বপন (৪০), আশিক (২৩), জাহিদ (২২), আকাশ (২২), আরমান (৪৫), ইয়াসিন (২৩) এবং বিভিন্ন মামলায় আরও ১৩ জন।সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহম্মদ আব্দুল বারিক জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩টি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। এছাড়া আসামিদের মধ্যে ২ জন সাজাপ্রাপ্ত, ৭ জন গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত (জিআর ও অন্যান্য) এবং ৬ জন নিয়মিত মামলার আসামি।তিনি আরও বলেন, “মাদক বিক্রেতা, সেবনকারী, চোর ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তারকৃত সকল আসামিকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।”এনআই
    কাউখালীতে সরিষার বাম্পার ফলন, লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে কৃষকের মুখে হাসি
    পিরোজপুরের কাউখালীতে চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলনে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণ ও অল্প খরচে অধিক মুনাফার আশায় দিন দিন উপজেলায় সরিষার আবাদ বাড়ছে। অনুকূল আবহাওয়া, উন্নত জাতের বীজ এবং কৃষি বিভাগের সঠিক পরামর্শে এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ভালো ফলন হয়েছে বলে জানা গেছে।উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠ এখন দিগন্ত জোড়া হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে। বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ যেন হলুদের চাদরে ঢাকা পড়েছে। সরিষার এই চোখ জুড়ানো দৃশ্য যেমন প্রকৃতিপ্রেমীদের মুগ্ধ করছে, তেমনি ভালো ফলনের আশায় বুক বাঁধছেন স্থানীয় কৃষকরা।উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে প্রায় ৬৮ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সরকারি কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘বিনা সরিষা-৯’ ও ‘বিনা সরিষা-১১’ জাতের আবাদ সবচেয়ে বেশি হয়েছে।উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেউন্দ্রিয়া গ্রামের কৃষক মো. মামুন জানান, বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বেশি হওয়ায় নিজেদের চাহিদা মেটানো ও লাভের উদ্দেশ্যে তিনি ৩৩ শতাংশ জমিতে সরিষা চাষ করেছেন। ফলন ভালো হওয়ায় তিনি আশাতীত মুনাফার আশা করছেন। হোগলা গ্রামের কৃষক লাকি হাওলাদার বলেন, “গত বছরের তুলনায় এ বছর আবহওয়া অনেক ভালো ছিল, যার ফলে সরিষার দানা পুষ্ট হয়েছে। আশা করছি গতবারের চেয়ে বেশি ফলন পাব।”কাউখালী উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস জানান, এ বছর উপজেলায় মোট ৬৬ হেক্টর জমিতে আধুনিক জাতের সরিষার আবাদ হয়েছে। তিনি বলেন, “সরিষার মোট উৎপাদন প্রায় ১২০ মেট্রিক টন হবে বলে আমরা আশা করছি, যা থেকে প্রায় ৫০ মেট্রিক টন তেল উৎপাদন সম্ভব। ভোজ্যতেলের আমদানী নির্ভরতা কমাতে আমরা কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি।”এনআই
    ভোলায় পাচারকালে সরকারি সার জব্দ, ট্রাকচালক আটক
    ভোলায় পাচারকালে ৪টি ট্রাক ভর্তি প্রায় ১ হাজার ৪২০ বস্তা সরকারি টিএসপি সার জব্দ করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাতে ভোলার ইলিশা ফেরিঘাটে কুসুম কলি ও সুফিয়া কামাল নামের দুটি ফেরি থেকে এই সার জব্দ করা হয়। এ সময় একটি ট্রাকের চালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. বশির আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে ভোলা থেকে চারটি ট্রাকে করে মোট ৭১ টন সরকারি টিএসপি সার ইলিশাঘাট দিয়ে ফেরিযোগে লক্ষ্মীপুরে পাচার করা হচ্ছে। পরে পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৪২০ বস্তা সারসহ ৪টি ট্রাক জব্দ করে তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে আসে। অভিযানের সময় মো. আরমান নামে এক ট্রাকচালককে আটক করা হলেও বাকিরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।আটক ট্রাকচালক আরমান জানান, জনৈক এক ব্যক্তি ভোলার খেয়াঘাট সড়কে অবস্থিত বাফার গুদাম থেকে সার বোঝাই করার জন্য ৪টি ট্রাক ভাড়া করেন। সারগুলো লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরী ঘাটে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল এবং সেখানে পৌঁছানোর পর পরবর্তী গন্তব্য জানানোর কথা ছিল। তবে কে ট্রাকগুলো ভাড়া করেছেন, সে বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যান চালক আরমান।এ বিষয়ে ভোলার বিএডিসি’র (BADC) ডেপুটি চিফ ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ পারভেজ জানান, নিয়ম অনুযায়ী সারগুলো বরগুনায় যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেগুলো কেন লক্ষ্মীপুরের দিকে রওনা হয়েছে, সে বিষয়ে তাঁর জানা নেই। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।পুলিশ জানায়, সরকারি সম্পদ পাচারের এই চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এনআই
    বরিশালের বাজারে হঠাৎ লিবিয়ান মিষ্টি কুমড়ার রাজত্ব!
    প্রায় এক থেকে দেড়মন ওজনের এক একটি মিষ্টি কুমড়া। আবার কোনটি ২মনের কাছাকাছি। কুমড়া নয়, বিক্রি হচ্ছে কুমড়ার বিচি। এক হালী কুমড়ার বিচি ২০টাকা। তবে বেশ কয়েকদিন বরিশাল নগরীর বিভিন্ন স্থানে বসা কুমড়ার দোকানে ক্রেতাদের ভীড় লক্ষ করা গেছে কিনতে। এমনই একটি কুমড়া বিক্রির ভ্যান গাড়ী নগরীর ১০ নং ওয়ার্ডের ভাটারখাল এলাকায় প্রতিবেদকের চোখে পড়েন।  কুমড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বিক্রেতা বলেন, পাথরঘাটার চাষি মোস্তাফিজুর রহমান লিবিয়া থেকে বীজ এনে ফলিয়েছেন এই কুমড়া। যার ওজন এক একটি প্রায় এক থেকে দেড় মনের বেশি ওজনের।তবে কুমড়ার চেয়েও এখন মানুষের বেশি আগ্রহ এর বীজ কেনায়। ৪টি বীজ মিলছে মাত্র ২০ টাকায়। কৃষিবিদদের মতে, এই জাতের কুমড়া হেক্টর প্রতি ২০০ টন পর্যন্ত ফলন দিতে পারে। নগরীর ভাটারখাল এলাকা ছাড়াও এই কুমড়া এখন বরিশালের বাজারে ভ্যান গাড়ীতে ফেরি করে বিক্রী হচ্ছে ৪০-৬০ কেজি ওজনের লিবিয়ার মিষ্টি কুমড়া ও এর বীজ।পাথরঘাটার গৌরিচন্নার বাসিন্দা মোস্তাফিজুর রহমান লিবিয়া প্রবাসী এক নিকটাত্মীয়ের কাছ থেকে  মিষ্টি কুমড়ার বীজ নিয়ে এসেছিলেন দেশে। সে বীজ থেকে উৎপন্ন চারা রোপন করে অত্যন্ত যত্মকরে কৃষি বিজ্ঞানীদের সব পরামর্শ অনুসরণ করেই আবাদ করেন। সেই চারা থেকেই তার বাগানে উৎপন্ন  হয়েছে বিশাল আকৃতির মিষ্টি কুমড়া। যা তিনি গত কয়েকদিন ধরে সুদুর বরিশালে নিয়ে এসে বিক্রি করছেন।তবে সাধারন মানুষের মাঝে এ মিষ্টি কুমড়ার চেয়ে তার বীজ কিনতেই আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে বেশি। সুযোগ বুঝে মুস্তাফিজও প্রতি ৪টি মিষ্টি কুমড়ার বীজ ২০ টাকা এবং ১২টি বীজ ৫০ টাকা করে বিক্রি  করছেন বরিশাল মহানগরীর বিভিন্ন  রাস্তায় রাস্তায়  ঘুরে। আর সাধারণ মানুষ যেমনি বিশালাকৃতি এসব মিষ্টি কুমড়া দেখতে ভীড় করছেন, তেমনি এর বীজ সংগ্রহেও অনেক আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মত।কৃষি বিজ্ঞানীদে মতে, কৃষিতে কুমড়া জাতীয় সবজি সবচেয়ে বড় পরিবার। এ পরিবারে ১৬ ধরনের সবজি রয়েছে। আমাদের কৃষি বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ইতোমধ্যে উচ্চ ফলনশীল ও হাইব্রীড ৩টি মিষ্টি কুমড়ার উন্নতজাত উদ্ভাবন করেছে। যার  মিষ্টতা বা টিএসএস ১০-১১.১০%। আর এসব কুমড়ার গড় ওজন ৫০ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। হেক্টর প্রতি ফলনও ৩০-৪৯টন পর্যন্ত।তবে সুদুর লিবিয়া থেকে আনা বীজে যে মিষ্টি কুমড়া উৎপাদন হয়েছে কৃষি বিজ্ঞানীদের তত্ত্বাবধানে তার আবাদ হেক্টর প্রতি দেড়শ থেকে ২শ টনের ওপরে হতে পারে বলে মনে করছেন মাঠ পর্যায়ের কৃষিবীদরা।পিএম
    ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বাস-মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে নিহত ২
    ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদীতে বাস-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে। এঘটনায় আরো তিনজন আহত হয়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) সকাল পৌনে দশটার দিকে গৌরনদী উপজেলার কসবা নামক এলাকায় এই দূর্ঘটনা ঘটে।গৌরনদী ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন অফিসার মো. মিজানুর রহমান জানিয়েছেন-খুলনাগামী টেকেরহাট এক্সপ্রেসের সঙ্গে বরিশালগামী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে মাইক্রোবাসের চালকসহ পাঁচজন গুরুত্বর আহত হয়। খবরপেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাইক্রোবাসের চালকসহ দুইজন নিহত হয়। তিনি আরো জানান, নিহত মাইক্রোবাসের চালকের নাম মো. রিপন। সে বরিশাল নগরীর বাসিন্দা। অপরজনের নাম পরিচয় এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মো. শামীম শেখ জানিয়েছেন-দূর্ঘটনা কবলিত যান দুটি জব্দ করা হয়েছে। এঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের প্রক্রিয়া চলছে।এসআর
    বাউফলে হত্যা মামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
    পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় আলোচিত মামুন গাজী হত্যা মামলার পলাতক আসামি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা সিফাত মল্লিককে (২৭) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৫মার্চ) সকালে উপজেলার কাছিপাড়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।সিফাত মল্লিক নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কাছিপাড়া ৯নং ওয়ার্ড কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ও একই ইউনিয়নের কারখানা গ্রামের বশির উদ্দিন মল্লিকের ছেলে। তিনি দীর্ঘ ৮ বছর আত্মগোপনে থাকার পর গ্রেফতার হয়েছেন। অপর দিকে নিহত মামুন গাজী ছিলেন, উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্মসাধারন সম্পাদক ও জয়ঘোড়া গ্রামের শাহাজাহান গাজির ছেলে। পুলিশ জানায়, বাউফল থানার ২০১৮ সালের জিআর ৩৫০/১৮ নম্বর হত্যা মামলার আসামি সিফাত। পুলিশ মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করলে আদালত কয়েক দফায় আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। পরে ২০২৪ সালে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন বিজ্ঞ আদালত। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় বৃহস্পতিবার গোপন সুত্রে খবর পেয়ে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে দলীয় কর্মসূচিতে যোগদান করতে যাওয়ায় পথে পূর্ব বিরোধের জেরে নিজ দলের প্রতিপক্ষরা মামুন গাজীকে প্রকাশ্যে রাস্তায় পিটিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনায় মামুন গাজী পরিবার বাউফল থানায় মামলা দায়ের করেছিলেন। বাউফল থানার ওসি (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারের পরে আসামিকে  আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।এসআর
    গৌরীপুরে ১৮ লাখ টাকার ইয়াবা উদ্ধার, নারী গ্রেপ্তার
    ময়মনসিংহের গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল হাসানের সরাসরি নেতৃত্বে এক বিশেষ অভিযানে ৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ মোছা. নাছিমা আক্তার কণা (৩৬) নামের এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৮ লাখ টাকা।বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) রাত সোয়া ৮টার দিকে গৌরীপুর রেল স্টেশন রোডের সুজিত স্টোরের দক্ষিণ পাশে পাকা রাস্তার ওপর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত নাছিমা আক্তার ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানার আকুয়া বাইপাস এলাকার জুলহাস মিয়ার স্ত্রী।পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ওসি কামরুল হাসানের নেতৃত্বে এসআই (নি.) মো. মহসিন হাসানসহ পুলিশের একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্টেশন রোড এলাকায় অবস্থান নেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নাছিমা আক্তার রিকশা থেকে লাফ দিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এসময় তার হাতে থাকা একটি হলুদ রঙের শপিং ব্যাগ তল্লাশি করে ৩০টি জিপার প্যাকেটে ভরা মোট ৬ হাজার পিস ইয়াবা (ওজন ৬০০ গ্রাম) উদ্ধার করা হয়।অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানান, নাছিমা আক্তার দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত। রিকশা থেকে লাফ দেওয়ায় তিনি সামান্য আহত হলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে থানায় নেওয়া হয়।গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল হাসান জানান, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে।এসআর
    জামালপুরে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা করল আইনজীবি স্বামী
    জামালপুর শহরের দড়িপাড়া এলাকায় স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা করেছেন এক আইনজীবি স্বামী। শুক্রবার ( ৬মার্চ) রাত ১ টার দিকে দড়িপাড়া মন্ডলপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে । খবর পেয়ে জামালপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াহিয়া আল মামুনসহ পুলিশ অভিযান চালিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী (মাদকাসক্ত) হোসাইন মো. তাইফুর (৪০) কে গ্রেফতার করে এবং নিহত তাহমিনা আক্তার তানিয়া(৩৬) লাশ উদ্ধার করে।স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ১৭ বছর পূর্বে মুকুন্দবাড়ী এলাকার আবু তাহেরের মেয়ে তাহমিনা আক্তার তানিয়ার সাথে দড়িপাড়া এলাকার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হোসাইন মো. তাইফুরের বিয়ে হয়।  তাদের ঘরে বড় ছেলে তাসফিক এবং ছোট মেয়ে তাহার জন্ম হয়। ওই আইনজীবি দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন করায় সংসারে প্রতিনিয়ত অশান্তি লেগেই থাকত।   নিহতের মামা মনোয়ার ইসলাম কর্নেল জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটায় বাবার বাড়ী থেকে স্বামীর বাড়ী আসে তাহমিনা আক্তার তানিয়া। হঠাৎ রাত দেড়টার দিকে তানিয়ার ভাই তুহিন আমাকে জানায় তার বোনকে হত্যা করা হয়েছে।স্থানীয় শাকিল লস্কর জানান, হঠাৎ রাত দেড়টার দিকে ওই দেখি বাসা থেকে ধোয়া বের হচ্ছে। দ্রুত গিয়ে বাইরের কাচের জানালা ভাঙ্গলে তাহমিনা আক্তার তানিয়ার দেহ পুড়া অবস্থায় খাটের ওপর দেখতে পাই। পরবর্তীতে পুলিশে সংবাদ জানালে পুলিশ এসে আসামী গ্রেফতার ও লাশ উদ্ধার করেন।জামালপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াহিয়া আল মামুন জানান, স্থানীয় লোকজন এবং সংবাদ কর্মীদের মাধ্যমে খবর পেয়েই আমরা ফায়ার সার্ভিসকে সাথে নিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে বাসার ভিতরে প্রবেশ করে লাশ উদ্ধার করি। পাশাপাশি তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে ঘটনাকারী হোসাইন মো. তাইফুরকে গ্রেফতার করি। এই ঘটনার প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে । তবে আমরা এখন পর্যন্ত এটা পারিবারিক কলহ বলে জানতে পেরেছি।পিএম
    নান্দাইলে ২ বছর ধরে মাতৃত্বকালীন ভাতা থেকে বঞ্চিত ভাতাভোগী
    ময়মনসিংহের নান্দাইলে মাতৃত্বকালীন ভাতা কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।গত দুই বছর ধরে সরকারি ভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন প্রকৃত ভাতাভোগীরা।এর মধ্যে তালিকায় মোছা.সালমা আক্তারের নাম থাকলেও তার নামে খোলা ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা হয়নি; বরং অন্য এক নারীর হিসাবে টাকা জমা ও উত্তোলনের তথ্য মিলেছে। ফলে গত দুই বছর ধরে সরকারি ভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন প্রকৃত ভাতাভোগী সালমা আক্তার।উপজেলার ৪ নম্বর চণ্ডীপাশা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) উদ্যোক্তা মো. শরীফের কারসাজিতে এ অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। অভিযোগ ওঠার পর শরীফকে ইউপি থেকে সরিয়ে দেওয়া হলেও তিনি এখনও নিজেকে উদ্যোক্তা পরিচয় দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন বলে জানা গেছে।নান্দাইল উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের ধুরুয়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের স্ত্রী সালমা আক্তার ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে মাতৃত্বকালীন ভাতাভোগী হিসেবে অনুমোদন পান। ভাতার অর্থ উত্তোলনের জন্য তার নামে ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডের এজেন্ট ব্যাংকিং শাখায় একটি হিসাব (১০৮৩৪৬১০৪৪২৪৮) খোলা হয়।তবে সালমার স্বামী শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, হিসাব খোলার পরও গত দুই বছরে তার স্ত্রী কোনো ভাতা পাননি। বিষয়টি জানতে তিনি একাধিকবার ইউপি উদ্যোক্তা শরীফের কাছে গেলে ‘সার্ভার সমস্যাসহ’ নানা অজুহাতে মাসের পর মাস ঘোরানো হয়। পরে তিনি বিষয়টি সাংবাদিকদের অবহিত করেন।উদ্যোক্তা শরীফের কাছে সালমা আক্তারের ভাতা না পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, ব্যাংক হিসাব নম্বরটি ভুল হয়েছে। তিনি এটি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের লোকজনকে ধরে সংশোধন করার চেষ্টা করছেন বলেও জানান।ভুক্তভোগী সালমার ব্যাংক হিসাব নম্বরটি  সংগ্রহ করে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রাশেদা রহমানের কাছে দেওয়া হলে নথি যাচাই করে তিনি জানান, হিসাবটি সালমা আক্তারের নামে নয়, বরং নান্দাইল উপজেলার ঘোষপালা গ্রামের আশরাফুল ইসলামের স্ত্রী শিরীনা আক্তারের নামে খোলা হয়েছে। অথচ শিরীনা আক্তার মাতৃত্বকালীন ভাতার অনুমোদিত ভাতাভোগী নন।সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, চণ্ডীপাশা ইউনিয়নে মোট ১০১ জন মাতৃত্বকালীন ভাতাভোগীর নাম রয়েছে। তালিকায় ঘোষপালা ও বাঁশহাটি গ্রামের দুই শিরীনা আক্তারের নাম থাকলেও অনুমোদিত ভাতাভোগী হচ্ছেন বাঁশহাটি গ্রামের শিরীনা। তবে তিনিও ভাতা পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন। অন্যদিকে ঘোষপালা গ্রামের শিরীনা ভাতাভোগী নন, কিন্তু তাঁর নামে খোলা ব্যাংক হিসাবে নিয়মিত ভাতার অর্থ জমা হয়েছে এবং উত্তোলনের তথ্যও পাওয়া গেছে।ঘোষপালা গ্রামে গিয়ে শিরীনাকে পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তার স্বামী আশরাফুল ইসলাম বলেন, তার স্ত্রী ভাতার জন্য আবেদন করেছিলেন, তবে তালিকাভুক্ত হননি।উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাস বাদে শিরীনার হিসাব নম্বরে প্রতি মাসে ৮০০ টাকা করে জমা হয়েছে। গত দুই বছরে হিসাবটি থেকে নিয়মিত অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। তবে কারা ওই অর্থ তুলেছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।এ বিষয়ে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রাশেদা রহমান বলেন, ‘সালমা আক্তার আমাদের তালিকাভুক্ত অনুমোদিত ভাতাভোগী। ব্যাংক হিসাব খোলা ও লেনদেনের বিষয়টি ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এখানে আমাদের সরাসরি ভূমিকা নেই। সালমা যদি ভাতা না পেয়ে থাকেন, তাহলে তিনি লিখিত অভিযোগ দিতে পারেন।’ এ ছাড়া ইউপি উদ্যোক্তা শরীফের বিরুদ্ধে ওঠা কারসাজির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্নে তিনি জানান, বিষয়টি এর আগেও ইউপি চেয়ারম্যানকে অবহিত করা হয়েছিল।এসআর
    এএমআর ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাকৃবিতে ‘ক্লাইমেট-স্মার্ট’ গবেষণা প্রকল্প
    বিশ্বজুড়ে জনস্বাস্থ্যের জন্য অন্যতম বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) বা জীবাণুর ওষুধ প্রতিরোধ ক্ষমতা। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব, যা পশুপালন ও খাদ্য নিরাপত্তাকে ফেলছে চরম ঝুঁকির মুখে। এই জটিল ও আন্তঃসম্পর্কিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ‘ক্লাইমেট-স্মার্ট’ বা জলবায়ু সহনশীল কৌশল উদ্ভাবনে নতুন একটি গবেষণা প্রকল্প শুরু করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)।বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে এক ইনসেপশন কর্মশালার মাধ্যমে গবেষণা প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ‘ওয়ান হেলথ কাঠামোর মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ পরিবেশ ব্যবস্থায় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলা ও খাদ্য নিরাপত্তা সুরক্ষায় ক্লাইমেট-স্মার্ট কৌশল’ শীর্ষক এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগ।বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ‘হিট’ প্রকল্পের অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণাটি ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত চলবে। প্রকল্পের লক্ষ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে প্রাণিসম্পদের মাধ্যমে মানুষের খাদ্যশৃঙ্খলে এএমআর ও ভারী ধাতব দূষণ কীভাবে ছড়িয়ে পড়ছে তা বৈজ্ঞানিকভাবে অনুসন্ধান করা।কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্পের প্রধান ব্যবস্থাপক ও ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহমূদুল হাসান শিকদার। তিনি বলেন, “তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও চরম আবহাওয়ার কারণে খামার ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আসছে, যা রোগজীবাণুর ধরন বদলে দিচ্ছে। ফলে খামারিরা অনেক ক্ষেত্রে অনিয়ন্ত্রিতভাবে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ব্যবহার করছেন। এতে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি মানবদেহে ওষুধ-প্রতিরোধী জীবাণুর ঝুঁকি বাড়ছে।”তিনি আরও জানান, এই গবেষণার মাধ্যমে সমস্যার কারণ শনাক্ত করার পাশাপাশি টেকসই সমাধানও খোঁজা হবে। প্রকল্পের আওতায় ‘ক্লাইমেট-স্মার্ট’ প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন কৌশল উদ্ভাবন করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে উন্নত বায়োসিকিউরিটি ব্যবস্থা, অ্যান্টিবায়োটিকের বিকল্প হিসেবে প্রোবায়োটিক ও উদ্ভিদজাত ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষা এবং প্রাণিজ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নত মডেল তৈরি।ইনসেপশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে গবেষণার বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পর্যায় থেকেই গবেষণামুখী করে তুলতে হবে, যাতে তারা ভবিষ্যতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশের স্বাস্থ্য একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত; একটির সংকট অন্য দুটিকেও ঝুঁকির মুখে ফেলে।ফার্মাকোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. জান্নাতুল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ভেটেরিনারি সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান এবং বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের পরিচালক অধ্যাপক ড. এম. হাম্মাদুর রহমান।গবেষকরা আশা করছেন, ২০২৮ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের ফলাফল দেশের প্রাণিসম্পদ নীতিমালায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে সহায়তা করবে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা করে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার পথ সুগম করবে।ইখা
    বাউফলের আগাম জাতের তরমুজ যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়
    পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চল এলাকার উর্বর জমি আর অনুকুল আবহাওয়ার কারণে আগাম জাতের তরমুজ ভালো ফলন হয়েছে। রমজান উপলক্ষে বাজার দর ভালো থাকায় চলতি মৌসুমে উপজেলায় চাষ হওয়া আগাম জাতের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়।উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে বাউফলে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২০০ হেক্টর আগাম জাতের। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রমজান উপলক্ষে তরমুজের ব্যাপক চাহিদা থাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আড়তদাররা ভীর করছেন উপজেলার তরমুজ চাষিদের কাছে। ফেব্রুয়ারীর মাঝামাঝি সময় থেকেই বাজারে উঠতে শুরু করেছে এ তরমুজ, যা ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, খুলনা, কুষ্টিয়া ও সিলেট অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে।উপজেলার তেতুঁলিয়া নদীর তীরবর্তী চরবেষ্ঠিত চন্দ্রদ্বীপ, কালাইয়া, কেশবপুর, নাজিরপুর, ধুলিয়া এলাকায় ব্যাপক ভাবে চাষ হয়েছে তরমুজ। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় চলতি মৌসুমে ফলনও ভালো হয়েছে।চন্দ্রদ্বীপের কৃষক মো. সিদ্দিককুর রহমান বলেন, ৩ একর জমিতে আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। প্রতি একরে তার সর্বসাকুল্যে খরচ হয়েছে ১লাখ ৩৫ হাজার টাকা। প্রতি একরে গড়ে ১৪০০ থেকে ১৫০০ পিচ তরমুজ পাওয়া যায়। রমজানে তরমুজের চাহিদা বেশি থাকায় আড়তদাররা প্রতি একর তরমুজ খেত সারে ৩ থেকে ৪লাখ টাকায় কিনে নিচ্ছেন। এতে উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে বিগত বছরের চেয়ে ভালো লাভে আশা করছেন তিনি।চরকালাইয়া এলাকায় আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন মো. হান্নান প্যাদা। তিনি বলেন, চলতি মৌসুমে ৪ একর জমিতে আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। রমজান উপলক্ষে ঢাকার এক আড়ৎদারের কাছে চার একর খেতের সব তরমুজ ঠিকা বিক্রি করে দিয়েছে। তাতে তার বিগত বছরের চেয়ে বেশি লাভ হয়েছে।খুলনা থেকে তরমুজ কিনতে এসেছেন আড়তদার সাহেব আলী প্যাদা বলেন, বাউফলের তরমুজের স্বাদ ও মিষ্টতা ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা সরাসরি খেতে এসে কিনছেন।ঢাকার কাওরান বাজার থেকে বেপাড়ি আব্দুল গনি সিকদার বলেন, বাউফলের চরাঞ্চলের এলাকার তরমুজ সুমিষ্ট কয়েকবছর ধরে এই এলাকায় আসি তরমুজ কেনার জন্য। বিশেষ করে আগাম জাতের তরমুজ।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন বলেন, বাউফলের মাটি ও আবহাওয়া তরমুজ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কৃষকদের প্রশিক্ষণ, উন্নত বীজ সরবরাহ ও নিয়মিত মাঠপর্যায়ে পরামর্শ দেওয়ার ফলে আগাম উৎপাদন সম্ভব হয়েছে। এসআর
    খানসামায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট, বিপাকে চালক ও সাধারণ মানুষ
    দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় হঠাৎ করেই জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। উপজেলার চারটি ফিলিং স্টেশনের কোনোটিতেই বর্তমানে পেট্রোল ও অকটেনের মজুত নেই। তেলের অভাবে যানবাহন চলাচল সীমিত হয়ে পড়ায় যাতায়াত ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়েছে, যার ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও চালকরা।শুক্রবার (৬ মার্চ) উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, পাম্পগুলোর সামনে বড় বিলবোর্ডে ‘তেল শেষ’, ‘পেট্রোল ও অকটেন নেই’ লেখা ঝুলছে। তেল পাওয়ার আশায় দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন অনেক চালক।স্থানীয় মোটরসাইকেল চালক মারুফ হাসান মুন্না বলেন, “কয়েকদিন ধরেই সংকট চলছে। জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াত করাও অসম্ভব হয়ে পড়েছে। দূরের উপজেলাগুলোতে গিয়েও তেল মিলছে না।”প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ঋষিকেশ ও স্থানীয় চিকিৎসক আব্দুস সালাম অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার সম্ভাবনায় অনেক ফিলিং স্টেশন মালিক কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন। ডিপোতে তেল থাকলেও বেশি মুনাফার আশায় সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে তাঁদের দাবি। জাহিদ হাসান নামে এক যুবক বলেন, “তেল আছে ঠিকই, কিন্তু সুযোগ বুঝে দাম বাড়ানোর জন্য সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলা হচ্ছে।”এদিকে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) আজ শুক্রবার (৬ মার্চ) এক প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে, এখন থেকে প্রতিটি মোটরসাইকেল সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং প্রাইভেটকার সর্বোচ্চ ১০ লিটার পেট্রোল বা অকটেন কিনতে পারবে। মূলত সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং কালোবাজারি রুখতে এই রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।জ্বালানি সংকটের বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামরুজ্জামান সরকার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অয়ন ফারহান শামস ও জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁরা রিসিভ করেননি।স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দ্রুত এই সংকট সমাধান না হলে পরিবহন খাতের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও জরুরি সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ ও কঠোর তদারকির মাধ্যমেই এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা সম্ভব বলে তাঁরা মনে করেন।এনআই
    উলিপুরে গাঁজা সেবনের দায়ে যুবকের কারাদণ্ড ও জরিমানা
    কুড়িগ্রামের উলিপুরে গাঁজা সেবনের অপরাধে আলমগীর হোসেন (২৩) নামে এক যুবককে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের বড়ুয়া তবকপুর এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করার পর এই দণ্ড প্রদান করা হয়। আলমগীর হোসেন ওই এলাকার সহিদ মিয়ার ছেলে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে বড়ুয়া তবকপুর এলাকায় এএসআই হিরো কামালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় নিজ বাড়িতে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় গাঁজার পুড়িয়া ও সরঞ্জামসহ আলমগীর হোসেনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মেহেদী হাসান দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় আসামিকে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মেহেদী হাসান বলেন, “আইনশৃঙ্খলা সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক পুরো উপজেলায় মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।”এনআই
    ফুলবাড়ী সীমান্তে ৭২ প্যাকেট ভারতীয় জিরা জব্দ
    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এক চোরাচালান বিরোধী অভিযান চালিয়ে ভারতীয় ৭২ প্যাকেট জিরা জব্দ করেছে। ভারতীয় এ সব জিরার আনুমানিক সিজার মুল্য ১ লাখ ২ হাজার ৪০০ নির্ধারণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবি জানায়, শুক্রবার (৬ মার্চ) সকাল ৭ টার দিকে লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীন গংগারহাট ক্যাম্পের সীমান্তে টহলরত সদস্যরা উপজেলার সদর ইউনিয়নেন সীমান্তঘেষা উত্তর কুটিচন্দ্রখানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চলাকালীন সময়ে কিছু কতিপয় সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আসতে দেখেন। এরপর তাদের গতিবিধি লক্ষ্য করে বিজিবির টহলরত সদস্যরা চোরাকারবারিদের ধাওয়া করলে চোরাকারবারীরা তাদের সাথে থাকা ভারতীয় মালামাল ফেলে দৌড়ে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে চলে যায়। পরে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে ভারতীয় জিরা ৭২ কেজি জব্দ করে ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়।এ ব্যাপারে লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার “লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম, পিএসসি” ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,“দেশের যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানের স্পর্শকাতর এলাকাগুলো চিহ্নিত করে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।এসআর
    কারাগারে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পর আ.লীগ নেতার মৃত্যু
    পঞ্চগড় জেলা কারাগারে বন্দী অবস্থায় অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য ও দেবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশিদের মৃত্যু হয়েছে।কারাগার সূত্রে জানা যায়, একটি মামলায় তিনি পঞ্চগড় জেলা কারাগারে বন্দী ছিলেন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। কারাগারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা শুরু করেন। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকাল ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয় বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।হারুন অর রশিদ দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে তিনি দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি একসময় দেবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন তিনি।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার তার নিজ এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে জানাযা নামাজ শেষে দাফন সম্পন্ন করা হবে।এসআর
    রঙের উৎসবে ভাসলো ফুলবাড়ী, ঐতিহাসিক দোলযাত্রায় জনসমুদ্র
    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বর্ণিল আয়োজনে ও দর্শনার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সম্পন্ন হয়েছে ৩০০ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক দোল উৎসব ও মেলা। বুধবার (৪ মার্চ) রাতে উপজেলার নাওডাঙ্গা জমিদারবাড়ি প্রাঙ্গণে হাজারো ভক্তের উপস্থিতিতে মেলা প্রাঙ্গণ জনসমুদ্রে পরিণত হয়।স্থানীয়রা জানান, প্রায় তিন শতাব্দী ধরে নাওডাঙ্গা জমিদারবাড়ি প্রাঙ্গণে এই ‘দোল মেলা’ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বুধবার সন্ধ্যায় বিভিন্ন গ্রাম থেকে ৪৬টি শ্রীকৃষ্ণের দোল মূর্তি (সিংহাসন) মেলা প্রাঙ্গণে আনা হয়। ঢাক-ঢোলের বাজনায় পৌরাণিক নৃত্যের তালে তালে ভক্তরা কাঁধে করে এই সিংহাসন নিয়ে মেলা প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করেন। গভীর রাত পর্যন্ত ভক্তরা পরম ভক্তিভরে এই উৎসব উপভোগ করেন।মেলা উদযাপন কমিটি জানায়, ১৩০৪ বঙ্গাব্দে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পর জমিদারের বংশধররা ভারতের কোচবিহারে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করলেও স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন এই ঐতিহ্যবাহী উৎসবটি টিকিয়ে রেখেছেন।উৎসবের ব্যাপ্তি: পূজারি বীরেন্দ্র নাথ বর্মণ জানান, গত সোমবার (২ মার্চ) রাতে ‘ন্যাড়া পোড়ানো’র মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এই উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। মঙ্গলবার পূজা, হোম যজ্ঞ ও প্রসাদ বিতরণের পর বুধবার মূল দোল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে ‘বাসি মেলা’র মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। নাওডাঙ্গা ছাড়াও ফুলবাড়ী সদর এবং ভাঙামোড় ইউনিয়নের রাবাইটারী এলাকায় ছোট ও মাঝারি পরিসরে দোল উৎসব পালিত হয়েছে।ঐতিহ্যবাহী এই মেলায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দর্শনার্থীরা ছুটে আসেন। চট্টগ্রাম থেকে আসা শিক্ষিকা বৃষ্টি চৌধুরী বলেন, “অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল উত্তরের সীমান্তঘেঁষা এই ঐতিহাসিক মেলা দেখার। ২০২৬ সালে এসে সেই ইচ্ছা পূরণ হলো। এখানকার জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন দেখে আমি অভিভূত।” রাজারহাট থেকে আসা অভিজিৎ চন্দ্র জানান, শৈশব থেকেই তিনি এই মেলায় আসেন এবং এখানকার পরিবেশ তাঁকে মানসিক প্রশান্তি দেয়।মেলা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুশীল কুমার রায় ও সাধারণ সম্পাদক রতন চন্দ্র রায় জানান, প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে মেলা সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ফুলবাড়ী শাখার সভাপতি কার্তিক চন্দ্র সরকার জানান, উৎসবমুখর পরিবেশে নাওডাঙ্গা জমিদারবাড়িসহ উপজেলার চারটি স্থানে দোল উৎসব পালিত হয়েছে।ফুলবাড়ী থানার এএসআই আব্দুল মালেক জানান, পুলিশের পাশাপাশি গ্রাম পুলিশ ও মেলা কমিটির স্বেচ্ছাসেবীরা সক্রিয় থাকায় হাজারো দর্শনার্থী কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই উৎসব উপভোগ করতে পেরেছেন।এনআই
    পুঠিয়ায় ঈদগাহ কমিটি নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ
    রাজশাহীর পুঠিয়ায় ঈদগাহ মাঠের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।শুক্রবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বেলপুকুর থানার বাঁশপুকুরিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।আহতদের প্রথমে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেলপুকুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আব্দুল ওয়াহিদ এবং বেলপুকুর ইউনিয়ন বিএনপির ১ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মমিনের মধ্যে বাঁশপুকুরিয়া দক্ষিণপাড়া ঈদগাহ মাঠের কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাঁশপুকুরিয়া বাজারে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়, যা একপর্যায়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।অভিযোগ রয়েছে, মমিনের ভাতিজা খোরশেদ ও জয় বাজারে এলে আব্দুল ওয়াহিদ মেম্বার, তাঁর বড় ভাই আবু সাঈদ, ছেলে জয় এবং সোহানসহ কয়েকজন তাঁদের ওপর হামলা চালান। এতে খোরশেদ ও জয়ের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।সংঘর্ষের খবর ছড়িয়ে পড়লে মমিন সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হয়ে বাজারে চড়াও হয়। তাঁরা আব্দুল ওয়াহিদ মেম্বারকে না পেয়ে তাঁর ভাতিজা আনিসুর রহমানের কীটনাশকের দোকানে ভাঙচুর চালায়। এ সময় ওয়াহিদ মেম্বারের দলীয় কার্যালয়ে থাকা একটি ক্যারাম বোর্ড রাস্তায় এনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।বেলপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরজুন বলেন, “ঈদগাহ মাঠের কমিটি নিয়ে বিরোধ থেকেই এই সংঘর্ষের সূত্রপাত। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।এনআই
    ধামইরহাটে ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণ, আটক ১
    নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মতিবুল ইসলাম (৩০) নামে এক যুবককে আটক করেছে থানা পুলিশ। শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকালে উপজেলার ধামইরহাট ইউনিয়নের মইশড় গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। সন্ধ্যায় তাকে আটক করেন থানা পুলিশ। আটক আসামি মইশড় এলাকার মোকলেছুর রহমানের ছেলে।স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার বিকালে মইশড় এলাকার স্বজন মতিবুল ইসলাম খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে একই এলাকার ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে নিজ ঘরে ডেকে এনে ধর্ষণ করেন। ঘটনার পরে শিশুটি নিজ বাড়িতে পৌঁছে ফুপুকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে শিশুর রক্তপাত দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নওগাঁ জেলা হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষক মতিবুল ইসলামকে আটক করতে সক্ষম হয়।ধামইরহাট থানার ওসি মোখলেছুর রহমান বলেন, চিকিৎসকেরা প্রাথমিকভাবে শিশুটির পোষাকে ধর্ষণের আলামত পেয়েছেন। আসামিকে আটক করে থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।পিএম
    নওগাঁয় স্ত্রী-সন্তানকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা
    নওগাঁর আত্রাইয়ে নিজ বাড়িতে স্ত্রী-সন্তানকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর স্বামী নিজেও আত্মহত্যা করেছেন।বৃৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার বলরামচক চৌধুরীপাড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে এই ঘটনা ঘটেছে।নিহতরা হলেন, উপজেলার বলরামচক চৌধুরীপাড়া গ্রামে গৌতম সকারের ছেলে জয় সরকার (২৭), তাঁর স্ত্রী বৃষ্টি সরকার (২২) ও ২৭ মাসেন কণ্যা সন্তান জিনি সরকার।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম।স্থানীয়রা বাসিন্দারা জানান, নিহত জয় সরকার মাদকাসক্ত ছিলেন। স্বামী মাদকাসক্ত ও বেপরোয়া হওয়ার কারণে স্ত্রী বৃষ্টি সরকার অনেকবার সংসার ছেলে চলে যায় এবং ফিরেন আসেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে খাবার শেষে পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে পড়লে রাতে জয় তার স্ত্রী ও সন্তানকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। পরে নিজেও ছুরি দিয়ে নিজের শরীরেও আঘাত করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। এতে ঘটনাস্থলেই স্ত্রী বৃষ্টি সরকার মারা যায়। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে গুরুত্বর আহত অবস্থায় জয় সরকার ও তার সন্তানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অবস্থা আশংঙ্কাজনক হওযায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে তারা দুজনই মারা যায়।আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) আব্দুল করিম বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল থেকে স্ত্রী বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আর গুরুতর অবস্থায় স্বামী ও সন্তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে  সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে তারা দুজন মারা যায়।তিনি আরও বলেন, নিহত জয় সরকার মাদকাসক্ত ছিলেন। তিনি পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশিদের সাথে বেপরোয়া আচরন করতেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহ ও মাদকাসক্তির কারণে স্ত্রী-সন্তানকে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টার পর নিজেও ছুরিকাঘাতে আত্মহত্যা করে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।এসআর
    সিংড়ায় স্থানীয়দের হামলায় আহত তিন পুলিশ
    নাটোরের সিংড়ায় স্থানীয়দের সঙ্গে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) দিবাগত রাত ১১টার দিকে উপজেলার রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়নের থেলকুড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, কনস্টেবল মো. আশরাফুল ইসলাম (কালিগঞ্জ ফাঁড়ি), এসআই বিপ্লব কুমার রায় (কালিগঞ্জ ফাঁড়ি) এবং এসআই মো. নেজাম ইসলাম (সিংড়া থানা)। আহতদের মধ্যে কনস্টেবল আশরাফুল ইসলামকে নন্দীগ্রাম উপজেলার একটি হাসপাতালে ও দুইজন পুলিশকে সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে থেলকুড় গ্রামের সিয়াম আলী (১৯) সরিষা মারাই করার একটি গাড়ি নিয়ে রাস্তা থেকে মাঠে নামার সময় দুর্ঘটনার শিকার হন। এ সময় গাড়িটি উল্টে গেলে তিনি গাড়ির নিচে চাপা পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নন্দীগ্রামের একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।এরপর মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসা হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ জানায়, হাসপাতাল থেকে সরবরাহ করা মৃত্যুর কাগজপত্র থানায় জমা দিয়ে দাফন সম্পন্ন করার বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়। এ সময় স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে পুলিশের কথা কাটাকাটি শুরু হয় এবং এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা হামলার শিকার হন।পরে সিংড়া থানার ওসি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ ইফতে খায়ের আলম ও আ.ব.ম আব্দুন নূর, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), সিংড়া থানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গতকাল রাতে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ থেলকুড় গ্রামে যায়। সেখানে প্রয়োজনীয় পুলিশি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে তথ্য সংগ্রহের সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি পুলিশের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। একপর্যায়ে তারা পুলিশের ওপর হামলা চালায় এবং পুলিশের গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করে। তারা আরও বলেন, এ ঘটনার মূল উস্কানিদাতাকে শনাক্তের কাজ চলমান এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।এসআর
    বাঘার ঐতিহাসিক ৫০০ বছরের মেলা দুই সপ্তাহব্যাপী চলবে
    রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় প্রায় ৫০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী ঈদ মেলার ইজারা সম্পন্ন হয়েছে। ধর্মীয় চেতনায় আঘাত হানতে পারে এমন কোনো কার্যক্রম না করার শর্তে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুর ২টায় এ মেলার ইজারা দেওয়া হয়।উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মী আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইজারা প্রক্রিয়ায় দুই সপ্তাহের জন্য ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকায় মেলাটি ইজারা পান বাঘা উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব ও রাজশাহী জেলা যুবদলের সদস্য শফিকুল ইসলাম (শফি)মেলা কমিটি সূত্রে জানা যায়, এ বছর ঈদের দিন থেকে শুরু হয়ে দুই সপ্তাহব্যাপী চলবে উন্মুক্ত এই মেলা। ইজারা ডাকে ১০ লাখ টাকা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে মোট ৭৬ জন ঠিকাদার অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে বাঘার সমাজসেবক প্রয়াত আরজ আলীর সন্তান শফিকুল ইসলামকে মেলার ইজারা প্রদান করা হয়।মেলা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মী আক্তার জানান, বাঘার ঐতিহাসিক হযরত শাহদৌলার মাজার (ওয়াকফ এস্টেট), সুলতানি আমলে নির্মিত শাহী মসজিদ, দিঘি ও জাদুঘর ঘিরে প্রায় পাঁচ শতাব্দী ধরে রমজান শেষে এখানে বিশাল ঈদের জামাত, ঐতিহ্যবাহী ঈদ মেলা এবং মাজারকেন্দ্রিক ওরশ মোবারক অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।স্থানীয়দের মতে, ঈদ মানেই আনন্দ। সেই আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয় বাঘার ঐতিহ্যবাহী ঈদ মেলা। ঈদের দিন থেকে শুরু হওয়া এই মেলা প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলে। এতে শুধু বাঘা উপজেলার মানুষই নয়, আশপাশের বিভিন্ন উপজেলার মানুষও অংশ নিয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন।ইজারা কার্যক্রমের সময় উপস্থিত ছিলেন বাঘা মাজার কমিটির রইশ খন্দকার আনারুল ইসলাম দিলীন , বাঘা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি সাবিহা সুলতানা ডলি, উপজেলা কৃষি অফিসার শফিউল্লাহ সুলতান ,বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) সেরাজুল হক, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ফকরুল হাসান বাবলু, সদস্য সচিব আশরাফ আলী মলিন, বাঘা পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক তফিকুল ইসলাম তফি, সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক জাহাঙ্হীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মুকলেছুর রহমান মুকুল, সুরুজ জামান, জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক এস এম সালাউদ্দিন আহম্মেদ শামীম সরকার ও উপজেলা যুবদল নেতা সালে আহাম্মেদ সালাম-সহ অত্র এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ।ঐতিহ্যবাহী এই ঈদ মেলাকে ঘিরে ইতোমধ্যে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।এসআর
    মাধবপুরে রঘুনন্দন ছড়া থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ
    হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার রঘুনন্দন ছড়া থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের হরিতলা ও নোয়াপাড়া ইউনিয়নের শাহপুর এলাকায় দিন-রাত প্রকাশ্যে বালু তোলা হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।অভিযোগ রয়েছে, একটি প্রভাবশালী চক্রের ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে এ কার্যক্রম চললেও প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, রঘুনন্দন ছড়ার বিভিন্ন স্থানে ড্রেজার ও শ্রমিকের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। উত্তোলিত বালু প্রথমে পাশের খোলা জায়গায় স্তূপ করে রাখা হয়, পরে ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থানে নেওয়া হচ্ছে।স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বালু উত্তোলনকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে হুমকি ও হয়রানির আশঙ্কায় অনেকেই প্রকাশ্যে কিছু বলতে সাহস পান না।পরিবেশ সচেতন মহলের মতে, এভাবে নির্বিচারে বালু উত্তোলনের ফলে ছড়ার স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তিত হচ্ছে। এতে বর্ষা মৌসুমে নদীভাঙন ও ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়তে পারে। একই সঙ্গে আশপাশের কৃষিজমি ও বসতভিটাও ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুজিবুল ইসলাম বলেন, “রঘুনন্দন ছড়া থেকে বালু উত্তোলনের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা বিষয়টি যাচাই করছি। খুব শিগগিরই ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।ইখা
    বাহুবলে খরস্রোতা করাঙ্গী নদী এখন মরা খাল, দিশাহারা কৃষক
    হবিগঞ্জ জেলার বাহুবলে বর্ষায় উত্তাল খরস্রোতা সেই করাঙ্গী নদী এখন শুকিয়ে মরা খালে পরিণত হয়েছে। নদীর তলদেশ শুকিয়ে যাওয়ায় নাব্যতা হারিয়েছে করাঙ্গী। এতে কৃষিজমিসহ দৈনন্দিন জীবনের চাহিদা নিবারণে তিন ইউনিয়নের জনসাধারণ পানি সংকটে ভুগছেন। হুমকির মুখে পড়েছে জীববৈচিত্র্য।একসময় নদীর তীরবর্তী এলাকার কৃষকরা বোরো মৌসুমে চাষাবাদের জন্য করাঙ্গী নদীর পানি ব্যবহার করতেন। কিন্তু কয়েক বছর ধরে নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ায় সেচযন্ত্রের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন এলাকার কৃষকরা।পরিবেশবিদদের অভিযোগ, খরস্রোতা এ নদীর যৌবন ফিরিয়ে আনতে নেই সরকারি কোনো উদ্যোগ; বরং কৃত্রিম সংকটের মাধ্যমে এ নদীকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা চলছে।নদীর উজানে চুনারুঘাট অংশে অপরিকল্পিত বাঁধ তৈরি করে ভাটি জনপদে পানির সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে। এতে নদীর দুই তীরের মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পানি ব্যবহার ও গৃহপালিত পশু পালনে বিড়ম্বনায় পড়ছেন।হিমারগাঁও গ্রামের কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, উপজেলার ভাদেশ্বর, বাহুবল সদর ও সাতকাপন ইউনিয়নের কয়েক হাজার কৃষক আবহমানকাল থেকে করাঙ্গী নদীর পানি দিয়ে চাষাবাদ করতেন। তারা হাঁসের খামার ও গরু-ছাগল পালনে এ নদীর পানিতেই নির্ভরশীল ছিলেন।ইউপি সদস্য ফরিদ মিয়া বলেন, নদী শুকিয়ে যাওয়ায় ফসলি জমিগুলোয় পানি সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া করাঙ্গী নদীর দেশীয় প্রজাতির সুস্বাদু মাছও বিলীন হয়ে গেছে।সমাজকর্মী কাজী আলফু মিয়া বলেন, জীববৈচিত্র্য-সমৃদ্ধ করাঙ্গী নদীর অতীত কেবলই স্মৃতি। পানি শুকিয়ে যাওয়ায় মানুষের ভোগান্তির পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়েছে। তিনি নদীর আগের অবস্থা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত খননের দাবি জানান।বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিটন চন্দ্র দে বলেন, সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।ইখা
    মসজিদের টাকার হিসাবকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সুনামগঞ্জে নিহত ১
    মসজিদের টাকার হিসাবকে কেন্দ্র করে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে ফজল মিয়া নামে ১ জন নিহত হয়েছেন।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ছাতকের পুরান নোয়াপুর গ্রামের মসজিদের এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও  স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছাতকের ইসলামপুর ইউনিয়নের পুরান নোয়াপুর গ্রামের মসজিদ কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাসুক মিয়া ও ফজল মিয়ার মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই জেড় ধরে দুপুরে মসজিদের টাকার হিসাবকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটির এক প্রযায়ে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন মসজিদের হিসাবকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ফজল মিয়া নিহত হয়েছেন। বর্তমানে গ্রামের পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।এসআর
    মৌলভীবাজারে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল আরেক বন্ধুর
    মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে তারেক মিয়া (১৯) নামের এক কিশোর নিহত হয়েছে।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজনগর উপজেলার ঘরগাঁও গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত তারেক ওই গ্রামের গাজি মিয়ার ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে গ্রামের কয়েকজন কিশোর ঘরগাঁও মাঠে ক্রিকেট খেলায় অংশ নেয়। খেলার এক পর্যায়ে প্রতিবেশী আতিক মিয়ার সঙ্গে তারেকের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একসময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে আতিক ধারালো অস্ত্র দিয়ে তারেকের বুক, হাত ও উরুতে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে সে গুরুতর আহত হয়।পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাজনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন চন্দ্র সরকার বলেন, "ছুরিকাঘাতের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে এমন প্রাণঘাতী সংঘর্ষ সমাজে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। কিশোরদের মধ্যে সহিংসতা রোধে পরিবার ও সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।এনআই
    টাংগুয়ার হাওরে পর্যটকবাহী হাউজবোটে অগ্নিকাণ্ড
    সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার টাংগুয়ার হাওরে পর্যটকবাহী মাছরাঙা নামের একটি হাউজবোটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে হাউজবোটটির বেশ কিছু অংশ পুড়ে গেছে। এ সময় হাউসবোটে কোনো পর্যটক না থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের আনোয়ারপুর বাজারের পূর্ব পাড়ে রক্তি নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।প্রতক্ষ্যদশী ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রক্তি নদীতে নোঙর করে হাউজবোটটির মেরামতের কাজ করছিল মিস্ত্রি ও কর্মচারীরা। হঠাৎ করেই হাউজবোটটির পেছন দিকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আর মুহূর্তের মধ্যেই আগুন দাউদাউ করে ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।টাঙ্গুয়া হাওরের পর্যটকবাহী নৌ সমিতির সভাপতি রব্বানী জানান, মাছরাঙা হাউজবোটটিতে আগুন লাগার পর আনোয়ারপুর বাজারের ব্যবসায়ী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে হাউজবোটটির ভেতরের অধিকাংশ সরঞ্জাম পুড়ে যায়।বালিজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাবুল মিয়া জানান, হাউজবোড লাগা আগুন সবাই মিলে নিভানো হয়েছে। তাহিরপুর থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পরে বলতে পারবো।ইখা

    অনলাইন ভোট

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আগস্টের পর কিছু সাধারণ ও নিরীহ লোককে আসামি করা হয়েছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?

    আন্তর্জাতিক

    সব দেখুন
    কিউবা সরকার পতনের মুখে, চুক্তি করতে চায় তারা: ট্রাম্প
    কিউবার বর্তমান সরকার খুব শিগগিরই পতনের মুখে পড়তে পারে এবং দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা করতে অত্যন্ত আগ্রহী বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (৬ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “কিউবা দ্রুত পতনের দিকে যাচ্ছে। তাঁরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে খুবই আগ্রহী।” তিনি আরও জানান, কিউবা পরিস্থিতি তদারকি এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার বিশেষ দায়িত্ব মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে দেওয়া হয়েছে।ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তাঁর প্রশাসনের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা ও সংঘাত মোকাবিলা করা। তিনি বলেন, “আমরা বর্তমানে ইরান ইস্যুতেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছি। এই সমস্যার সমাধানের পর কিউবার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হবে। প্রায় ৫০ বছর পর তাঁরা (কিউবা) সমঝোতার জন্য প্রস্তুত হয়েছে।”এর আগে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত কিউবান নাগরিকদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের এই আক্রমণাত্মক ও সরাসরি মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র-কিউবা সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন মোড়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা দীর্ঘ কয়েক দশকের কূটনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে প্রভাব ফেলতে পারে।এনআই
    ৩৫ হাজারের ইরানি ড্রোন ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ৪০ লাখ ডলার
    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার জবাবে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে ইরান। চলমান এই সংঘাত আধুনিক যুদ্ধের এক নতুন বাস্তবতা ফুটিয়ে তুলেছে—সস্তা ড্রোন বনাম অত্যন্ত ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের অসম লড়াই। তেহরানের একেকটি সাধারণ ড্রোন ঠেকাতে পশ্চিমাদের যে বিপুল অর্থ ও উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যয় হচ্ছে, তাতে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে তাদের প্রতিরক্ষা মজুত ফুরিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের একটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে পশ্চিমাদের একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় করতে হচ্ছে ৫০ লাখ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এই বিশাল ব্যয়ের বৈষম্যই এখন ইরানকে কৌশলগত সুবিধা দিচ্ছে, যা পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের জন্য প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।বর্তমানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে পরিচিত এই সংঘাতে ইরান ইসরায়েল, উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং কয়েকটি আরব দেশ লক্ষ্য করে একযোগে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। একই সময়ে একাধিক ফ্রন্টে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রাখতে গিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর আর্থিক ও কৌশলগত চাপ কয়েকগুণ বেড়েছে।বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইরানের কাছে বর্তমানে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ পর্যন্ত ড্রোনের মজুত রয়েছে। তাদের মাসিক উৎপাদন সক্ষমতাও বেশ উন্নত, ফলে তারা দীর্ঘ সময় ধরে হামলা অব্যাহত রাখতে সক্ষম। বিপরীতে, যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘থাড’ (THAAD)-এর একেকটি ইন্টারসেপ্টরের দাম প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং এগুলো পুনরায় উৎপাদন করতে কয়েক বছর সময় লাগে।বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যয় কমাতে কম খরচের বিকল্প খুঁজছে পশ্চিমারা। এর মধ্যে রয়েছে স্বল্পমূল্যের গাইডেড রকেট এবং ইসরায়েলের ‘আইরন বিম’ (Iron Beam) লেজার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা প্রতি শটে অত্যন্ত কম খরচে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে পারে। তবে এই প্রযুক্তিগুলো এখনও যুদ্ধক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে ব্যবহৃত হচ্ছে।যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই সামরিক অভিযান আরও কয়েক সপ্তাহ চলতে পারে। অন্যদিকে, ইরান স্পষ্ট করেছে যে তাদের পাল্টা হামলা অব্যাহত থাকবে।প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক যুদ্ধে শুধু প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব নয়, বরং ব্যয়ের হিসাবও বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠছে। ৩৫ হাজার ডলারের ড্রোন ঠেকাতে ৪০ লাখ ডলার ব্যয়ের বাস্তবতা দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে বড় ধরনের কৌশলগত সংকট তৈরি করছে।এনআই
    ইরানের কাছে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ দাবি ট্রাম্পের
    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের কাছে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ দাবি জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না-শুধু নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ।’পোস্টে তিনি আরও বলেন, ইরানে এমন নতুন নেতৃত্ব প্রয়োজন যাকে তিনি ‘গ্রহণযোগ্য’ মনে করেন। তার মতে, বর্তমান নেতৃত্ব সরে গেলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা দেশটির পুনর্গঠনে সহায়তা করতে পারে।ট্রাম্প একই সঙ্গে ইরানের সামরিক বাহিনী, পুলিশ ও বিশেষ বাহিনী আইআরজিসি সদস্যদের অস্ত্র ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, তারা আত্মসমর্পণ করলে ‘পূর্ণ নিরাপত্তা বা দায়মুক্তি’ দেওয়া হতে পারে; অন্যথায় তাদের জন্য ‘নিশ্চিত মৃত্যু’ অপেক্ষা করছে।মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের এই মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। এনআই
    চার সপ্তাহ সময় বেঁধে দেয়া ট্রাম্পই এখন বলছেন ‘যুদ্ধ’ দীর্ঘস্থায়ী হবে
    শুরুতে ইরানে সামরিক অভিযানের মেয়াদ নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, তা থেকে সরে এসেছেন তিনি। শুরুতে এক সপ্তাহের মধ্যেই এ যুদ্ধ শেষ হবে বলে যে ইঙ্গিত দিলেও এখন বলছেন সময় লাগবে।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল। তার পরের দিন ১ মার্চ সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছিলেন, আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে ইরানে সামরিক অভিযান শেষ হবে বলে আশা করছেন তিনি।তিনি এই বক্তব্য দেওয়ার পরের দিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগেসেথ বলেন, যুদ্ধ ৮ সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে।গতকাল বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সাময়িকী টাইম-কে টেলিফোনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমার কোনো নির্ধারিত সময়সীমা নেই। ইরানে আমি শুধু আমাদের লক্ষ্য পূরণ করতে চাই। আমাদের প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় লক্ষ্য হলো— ইরান কোনোভাবেই পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না। চতুর্থ লক্ষ্য হলো— তাদের কোনো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও থাকতে পারবে না।”ইরানে সামরিক অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে কোনো হামলা হতে পারে কি-না এবং এ ব্যাপারে সাধারণ মার্কিনীদের উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত কি না— এমন প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, “আমার মনে হয় (উদ্বিগ্ন হওয়া) উচিত। তবে আমি এও মনে করি যে মার্কিনিরা সবসময়েই এই উদ্বেগের মধ্যে থাকে।”এ যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৬ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, “এটা খুবই দুঃখজনক; কিন্তু যুদ্ধে কিছু মানুষ নিহত হবে। আপনি যখন যুদ্ধে যাবেন, কিছু মানুষ নিহত হবেই।”পিএম
    ইরানের দেড় শতাধিক শিশু হত্যা করে কাঠগড়ায় মার্কিন সেনারা
    গণহত্যাকারী ইসরাইল ও তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই আগ্রাসন শুরুই করে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ১৮০শিশুকে হত্যা করার মধ্য দিয়ে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে মার্কিন সেনারা। অবশেষে এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে ওয়াশিংটন।দুই আমেরিকান কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স সংবাদ সংস্থা জানায়, মার্কিন সামরিক তদন্তকারীরা ধারণা করছেন যে, ইরানের মিনাবের শাজরা তাইয়িবা বালিকা বিদ্যালয়ে বিমান হামলার জন্য মার্কিন বাহিনী দায়ী ছিল।যদিও তারা এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি বা তাদের তদন্ত শেষ করেননি বলে জানিয়েছে।ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর মিনাবের স্কুলটিতে হামলায় সবচেয়ে বেশি সমালোচনা তৈরি হয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে জানায়, এতে ১৮০ জন নিহত হয়েছে, প্রায় সবাই শিশু।যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল কেউই এর দায় স্বীকার করেনি। ইসরাইল বলেছে, তারা ওই এলাকায় কোনো অভিযানের কথা জানে না। আর যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ঘটনাটি এখনো তদন্ত করা হচ্ছে এবং তারা কখনো বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা করে না।তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই দুই কর্মকর্তা রয়টার্সকে আমেরিকার দিকেই ইঙ্গিত দিয়েছেন। অবশ্য তারা নতুন প্রমাণ পাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি, যা যুক্তরাষ্ট্রকে দায়মুক্ত করে এবং এই ঘটনার জন্য অন্য কোনো পক্ষের দিকে ইঙ্গিত দিতে পারে।ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মিনাবের স্কুলটির পাশে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর বা আইআরজিসির ঘাঁটি ছিল। সেই জায়গাজুড়ে কাছাকাছি সময়ে একাধিক হামলা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বিবিসি ভেরিফাই।যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ারের ইন্সটাগ্রামের একটি পোস্ট থেকে দেখা যায়, আমেরিকা-ইসরাইলের যুদ্ধের প্রথম ১০০ ঘণ্টার মানচিত্রে ইরানের দক্ষিণে হামলার স্থান ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চিহ্নিত করা হয়েছে যার মধ্যে মিনাবও ছিল।এনআই
    নেপালে সরকার গঠন করতে চলেছে গণঅভ্যুত্থানকারী জেন-জিরা
    নেপালে সাধারণ নির্বাচনের পর ভোট গণনা চলছে। প্রাথমিক গণনায় ব্যাপকভাবে এগিয়ে রয়েছে তরুণ প্রজন্মের (জেন-জি) পছন্দের ও চলতি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি)। বলতে গেলে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে চলেছে দলটি।আরএসপির হেভিওয়েট প্রার্থী হলেন কাঠমান্ডুর সাবেক মেয়র ও জনপ্রিয় র‌্যাপার বালেন্দ্র শাহ। জেন-জি আন্দোলনের সময় প্রশাসনের অংশ হয়েও শিক্ষার্থীদের অভ্যুত্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন ‘বালেন’ নামে পরিচিত কাঠমান্ডুর সাবেক মেয়র।গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের অঘোষিত নেতা ছিলেন এই র‌্যাপার। তাকেই ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান বলে জানিয়েছিলেন নেপালের তরুণ প্রজন্মের সিংগভাগ। বালেন্দ্রের দলের চেয়ারম্যান হলেন সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী রবি লামিছানে। লামিছানে একজন সাবেক টেলিভিশন সাংবাদিক, যিনি তার লাইভ শোতে দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি কথা বলার জন্য ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন।জানা গেছে, বালেন্দ্র ঝাপা-৫ আসনে এগিয়ে রয়েছেন, যেখানে তার মূল প্রতিদ্বন্দ্বী অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী তথা কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপালের (ইউএমএল) প্রধান কেপি শর্মা ওলি।প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, ওলির দল নির্বাচনে বিশেষ ছাপ ফেলতে পারেনি। হিমালয়ের কোলঘেঁষা এই দেশে যে ১৬৫টি আসনে প্রত্যক্ষ নির্বাচন হচ্ছে, তার ৮টিতে এগিয়ে রয়েছে ওলির দল। আর বালেন্দ্রের আরএসপি এগিয়ে রয়েছে ৯০টি আসনে। অন্যদিকে, নেপালের সবচেয়ে পুরনো দল গগন থাপার নেপালি কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৯টি আসনে।নেপালের আর এক সাবেক প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহাল ওরফে প্রচণ্ডের দল এগিয়ে রয়েছে সাতটি আসনে। প্রচণ্ড নিজে রুকুম পূর্ব-১ কেন্দ্র থেকে এগিয়ে রয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন নেপালি কংগ্রেসের প্রার্থী। আর অন্য দলগুলো এখন পর্যন্ত পেয়েছে দুটি আসন।গত সেপ্টেম্বর মাসে জেন-জি অভ্যুত্থানের জেরে নেপালে পতন হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী ওলির সরকারের। তিন দিন পরে দেশটির সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। বিভিন্ন স্তরে আলাপ-আলোচনা শেষে নির্বাচন কমিশন ৫ মার্চ পার্লামেন্ট নির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছিল। সেইমতো বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) নেপালে সাধারণ নির্বাচন হয়। লড়াইয়ে ছিল ৬৫টি রাজনৈতিক দল।সেপ্টেম্বরে নেপালের জেন-জি অভ্যুত্থানেরে মুখে ওলি সরকারের পতনের পর অনেকেই এর মধ্যে বাংলাদেশের প্রভাব খুঁজে পেয়েছিলেন। যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও পরে গণ-অভ্যুত্থানের জেরে ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়েছিল। ওই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণরা পরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নামে নতুন দল গঠন করেন।গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনের পর দেখা যায়, সে দেশের মানুষ আস্থা রেখেছেন পুরোনো দল বিএনপিতেই। খুব একটা আশাপ্রদ ফল করতে পারেনি এনসিপি। কিন্তু নেপালের অবস্থা পুরো বিপরীত। প্রাথমিক গণনার পর দেখা যাচ্ছে, পুরনো কিংবা পরিচিত দলগুলোর উপরে নয়, বরং দেশটি আস্থা রাখছে তুলনামূলক নতুন দল ও নতুন নেতার উপরেই।এমআর-২
    ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের হামলা
    ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটি জানায়, ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে আঘাত হেনেছে।শুক্রবার (০৬ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবদেনে এ তথ্য জানানো হয়।ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জানায়, হামলার পর এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে তেল আবিবেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।ইসরায়েলি বিভিন্ন গণমাধ্যমের দাবি, এখন পর্যন্ত অন্তত পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে।এদিকে ইরানে সামরিক অভিযানের মেয়াদ নিয়ে শুরুর দিকে যে বক্তব্য দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, তা থেকে সরে এসে তিনি বলেছেন, যত সময় লাগুক ইরানে নিজের লক্ষ্য পূরণ করতে চান।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল। তার পরের দিন ১ মার্চ সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছিলেন, আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে ইরানে সামরিক অভিযান শেষ হবে বলে আশা করছেন তিনি।ট্রাম্পের এই বক্তব্য দেওয়ার পরের দিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগেসেথ বলেন, যুদ্ধ ৮ সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে।তবে গতকাল বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সাময়িকী টাইম-কে টেলিফোনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন,আমার কোনো নির্ধারিত সময়সীমা নেই। ইরানে আমি শুধু আমাদের লক্ষ্য পূরণ করতে চাই। আমাদের প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় লক্ষ্য হলো; ইরান কোনোভাবেই পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না। চতুর্থ লক্ষ্য হলো, তাদের কোনো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও থাকতে পারবে না।এমআর-২
    ইরানে অ্যাম্বুলেন্স স্টেশন ও খেলার মাঠে হামলা, নিহত ২০
    ইরানে একটি অ্যাম্বুলেন্স স্টেশন এবং সংলগ্ন একটি খেলার মাঠে ভয়াবহ বিমান হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) রাতের এই হামলায় আরও ৩০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি সংবাদ প্রকাশ করেছে।ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, হামলাটি সরাসরি একটি অ্যাম্বুলেন্স স্টেশনে আঘাত হানে, যেখানে কর্তব্যরত অবস্থায় ২ জন স্বাস্থ্যকর্মী (অ্যাম্বুলেন্স পার্সোনেল) প্রাণ হারিয়েছেন।অ্যাম্বুলেন্স স্টেশনের পাশেই একটি খেলার মাঠ থাকায় হতাহতদের মধ্যে শিশু ও সাধারণ পথচারীর সংখ্যা অনেক বেশি বলে জানা গেছে।আহত ৩০ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে ইরান এখন এক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। অভিযানের শুরুতেই রাজধানী তেহরানে বি-২ বোম্বারের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। ইসরায়েল সম্প্রতি এই হত্যাকাণ্ডকে আন্তর্জাতিক আইনসম্মত বলে দাবি করেছে।রেড ক্রিসেন্টের হিসাব মতে, দেশজুড়ে নিহতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৭৮০ ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে মিনাবের স্কুলে ১৬৫ ছাত্রী এবং এখন শিরাজে ২০ জনের মৃত্যু আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এর জবাবে ইসরায়েল এবং বাহরাইন, কাতার ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ও মিসাইল হামলা অব্যাহত রেখেছে।এমআর-২
    দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, আসছে নতুন অস্ত্র: ইরান
    ইরান দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত এবং শিগগিরই নতুন প্রজন্মের কৌশলগত অস্ত্র ব্যবহার করা হতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির অভিজাত সামরিক বাহিনী আইআরজিসি।আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহাম্মাদ নায়েইনি জানান, আগ্রাসনের জবাব দিতে ইরান দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।তিনি বলেন, ট্রু প্রোমিজ ৪-এর অভিযানের অধীনে এখন পর্যন্ত যে ধারাবাহিক হামলা চালানো হয়েছে, তা ইরানের প্রকৃত সামরিক সক্ষমতার কেবল একটি ছোট অংশ।নায়েইনি আরও জানান, ইরানের নতুন উদ্যোগ ও নতুন অস্ত্র আসছে। এসব প্রযুক্তি এখনো বড় পরিসরে ব্যবহার করা হয়নি। শত্রুপক্ষকে আগামী প্রতিটি সামরিক অভিযানে কঠোর আঘাতের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।এই ঘোষণার সময়ই ইরান ইসরায়েলের তেল আবিব শহরে খাইবার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কথা জানায়, যা উচ্চ মাত্রার নিখুঁত লক্ষ্যভেদের সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।এমআর-২
    যুদ্ধের মধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন ট্রাম্প
    ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধের মধ্যে বরখাস্ত হয়েছেন মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টি নোয়েম। যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের ধরপাকড় বিতর্কে কংগ্রেসের চাপের মুখে তাকে সরিয়ে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, নতুন দায়িত্ব পাচ্ছেন ওকলাহোমার সিনেটর মার্কওয়েন মুলিন।ইরানে মার্কিন ও ইসরাইলি যৌথ বাহিনীর হামলা যখন চলছে, তখন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির মঞ্চে ক্ষমতার করিডোরে নতুন নাটক। গেল বছর জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদের সরকার গঠনের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসন প্রত্যাশীদের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান শুরু করে।আর এই অভিযানের নেতৃত্বে দিয়ে মাত্র এক বছরে যিনি ছয় লাখেরও বেশি মানুষকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে দিয়েছেন, সেই মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি প্রধান ক্রিস্টি নোয়েম নিজেই এখন আউট।বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেন, নতুন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী হচ্ছেন মার্কওয়েন মুলিন। আগামী ৩১ মার্চ দায়িত্ব নিবেন তিনি।তবে ট্রাম্প বলেন, সাবেক মন্ত্রী ক্রিস্টি নোয়েমকে পশ্চিম গোলার্ধের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ দূত নিয়োগ করা হচ্ছে। এজন্য ‘দ্য শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’ নামে নতুন এক পদ সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প ক্রিস্টি নোয়েমের কাজেরও প্রশংসা করেন।গেল মঙ্গলবার অভিবাসন বিরোধী অভিযানে নানা বিতর্কের কারণে, বিশেষ করে ফেডারেল এজেন্টদের হাতে মার্কিন নাগরিক নিহত হওয়া, নিজের প্রধান উপদেষ্টার সাথে প্রেমের সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক অনিয়ম-সহ বেশ কিছু ঘটনায় সিনেটে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হন ক্রিস্টি নোয়েম।শুনানিতে নিজ দলের রিপাবলিকান সদস্যদের কড়া প্রশ্নবানের মুখে পড়েন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী। শুনানিতে ক্রিস্টি বিভিন্ন বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে জড়িয়ে বক্তব্য দেন। বিশ্লেষকদের ধারণা, এ কারণেই পদ হারাতে হয়েছে তাকে।হোমল্যান্ড সিকিউরিটি প্রধান হিসেবে মনোনয়ন পাওয়া মার্কওয়েন মুলিন ওকলাহোমা অঙ্গরাজ্যের রিপাবলিকান সিনেটর। টেলিভিশনে মুলিনকে দেখে পছন্দ করেন ট্রাম্প।প্রেসিডেন্টের ক্যাবিনেটের অনেকেই বলেছেন, মুলিনের টিভি পারফরম্যান্সই তাকে নিয়োগের ব্যাপারে ভুমিকা রেখেছে। যেখানে বিরোধীদলকে ভালোভাবে মোকাবিলা করেন তিনি। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব মুলিনের নিয়োগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।এমআর-২

    বিনোদন

    সব দেখুন
    বলিউড বাদশাহকে চিনতে না পারায় ট্রোলের শিকার অস্ট্রেলিয়ান প্রতিযোগী
    বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানকে চিনতে না পেরে সামাজিক মাধ্যমে চরম সমালোচনার মুখে পড়েছেন এক কুইজ প্রতিযোগী। অস্ট্রেলিয়ার একটি টেলিভিশন কুইজ শোতে শাহরুখ খানের পেশা নিয়ে করা প্রশ্নের ভুল উত্তর দিয়ে নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েন তিনি। অভিনেতা হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত শাহরুখকে ওই ব্যক্তি ‘সফটওয়্যার ডেভেলপার’ হিসেবে চিহ্নিত করায় অবাক হয়েছেন খোদ কিং খান ভক্তরা। অস্ট্রেলিয়ান ওই প্রতিযোগীর সামনে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল— ‘শাহরুখ খান কোন ক্ষেত্রে তার প্রতিভার জন্য বিখ্যাত?’ উত্তরের জন্য চারটি বিকল্প ছিল- সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ফিল্ম অ্যাক্টিং, মোটর রেসিং এবং প্রফেশনাল পোকার। ওই প্রতিযোগী ‘সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট’ অপশনটি বেছে নেন। এই উত্তরের স্ক্রিনশটটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই নেটদুনিয়ায় হাসাহাসি ও সমালোচনার ঝড় ওঠে।তবে ওই প্রতিযোগী পরবর্তীতে জানিয়েছেন যে, তিনি তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে ভুল বোতামে চাপ দিয়েছেন। তিনি শাহরুখ খানের পরিচয় সম্পর্কে জানতেন বলেও দাবি করেন। বর্তমানে ওই প্রতিযোগীকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা রসিকতা ও ট্রোল অব্যাহত রয়েছে।আরএ/এমআর-২
    টানা ব্যস্ততার পর এবার ‘হারিয়ে’ যাবেন রাশমিকা-বিজয়
    দক্ষিণ ভারতের দুই জনপ্রিয় তারকা বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা তাঁদের বিয়ের সপ্তাহজুড়ে চলা উৎসবের সমাপ্তি ঘটালেন জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। গতকাল ভারতের হায়দরাবাদ শহরের বিলাসবহুল হোটেল তাজ কৃষ্ণতে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনায় চলচ্চিত্রজগতের বহু পরিচিত মুখ উপস্থিত ছিলেন। সেখানেই বিজয় জানান, টানা ব্যস্ততার পর এবার তাঁরা আবার ‘হারিয়ে’ যাবেন।সপ্তাহজুড়ে এসব আয়োজন শেষ করে বুধবার সন্ধ্যায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো এ উদ্‌যাপন।অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়িয়ে রসিকতা করে বিজয় দেবরাকোন্ডা বলেন, ‘আজ সব উদ্‌যাপন শেষ করে আমরা একটু আড়ালে যেতে চাই। আবার হারিয়ে যেতে চাই।’ তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে থাকা রাশমিকা মান্দানা হাসতে হাসতেই এ মন্তব্যে সায় দেন। তাঁদের এ মন্তব্যে উপস্থিত সবাই হাসিতে ফেটে পড়েন। ভক্তরা দীর্ঘদিন ধরেই এই জুটিকে একসঙ্গে দেখতে চেয়েছিলেন। যদিও দুজনেই দীর্ঘ সময় ধরে তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে খুব কমই কথা বলেছেন।তবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁদের একসঙ্গে উপস্থিতি এবং পারস্পরিক সমর্থন ভক্তদের কাছে তাঁদের সম্পর্ককে আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরেছিল। অবশেষে সেই সম্পর্কের আনুষ্ঠানিক রূপ পেল গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বিয়ের মাধ্যমে। এমআর-২
    ক্যারিয়ার নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের কথা জানালেন শ্রেয়া ঘোষাল
    এবার নিজের ক্যারিয়ার ও প্লেব্যাক নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের কথা জানালেন ভারতের সংগীতশিল্পী শ্রেয়া ঘোষাল। গত বছর এক সাক্ষাৎকারে শ্রেয়া ঘোষাল বলেছিলেন, অনেক গানেই নারীদের কেবল ‘ভোগ্যপণ্য’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। যেসব গান ছোটরা না বুঝেই গায় এতে তিনি অস্বস্তি বোধ করেন। তবে অনেকেই শ্রেয়ার এই মন্তব্যের বিরোধিতা করে তাকে ‘দ্বিচারী’ বলে কটাক্ষ করেন। সম্প্রতি এক পডকাস্টে এসব সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন শ্রেয়া ঘোষাল। তিনি জানান, গান বাছাইয়ের ক্ষেত্রে এখন তিনি অনেক বেশি সচেতন। ‘চিকনি চামেলি’র মতো গান আর ভুলেও রেকর্ড করব না। এখন ভাবলে লজ্জা হয় যে আমি এমন গান গেয়েছি।’ এমনটাই বলেন তিনি।‘চিকনি চামেলি’র জনপ্রিয়তার পর তার কাছে আরও অনেক আপত্তিকর গানের প্রস্তাব এসেছিল। কিন্তু নিজের নীতিতে অটল থেকে সেসব প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন তিনি।ইখা
    ঈদে মুশফিক ফারহান ও সাফা কবিরের নতুন চমক
    ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নির্মিত হয়েছে ঈদের নাটক ‘বেসড অন ট্রু স্টোরি’।নাটকে দেখা যাবে, সোনিয়া ও পলাশ বিয়ে করে স্টুডেন্ট ভিসায় পাড়ি জমায় অস্ট্রেলিয়ায়। দুজনের মনেই স্বপ্ন ছিল– বিদেশ গিয়ে নিজেদের মতো করে জীবন গড়া। পলাশ রেস্টুরেন্টে কাজ করে সংসার চালায়, আর সোনিয়া পড়াশোনা করে। পলাশের অল্প আয়ে টানাপোড়েন শুরু হলে সোনিয়া চাকরি নিতে চায়। শুরুতে পলাশ রাজি না হলেও শেষ পর্যন্ত মেনে নেয়। তখন থেকেই দূরত্বের শুরু। সোনিয়ার দেরিতে ফেরা, ফোনে চ্যাট– সবকিছু পলাশের মনে তখন সন্দেহ তৈরি করে। ঠিক তখনই দুর্ঘটনায় পা ভেঙে অনেকদিন ঘরে পড়ে থাকেন পলাশ। সম্পর্ক এমন জায়গায় পৌঁছে যায় যে, সোনিয়া পলাশের সাথে সংসার করতে অমত জানায়। এক পর্যায়ে তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। বিচ্ছেদের পরও পলাশ তাঁকে ভুলতে পারে না। ঠিক তখনই এক গল্পে আনে নতুন মোড়।নাটক প্রসঙ্গে মুশফিক ফারহান ও সাফা কবির বলেন, ‘নাটকের গল্পটি অসাধারণ। নাটকের প্রতিটি চরিত্র চ্যালেঞ্জিং ছিল। আশা করছি নাটকটি দর্শকের ভালো লাগবে।এইচএ

    অর্থ-বাণিজ্য

    সব দেখুন
    দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমেছে ৯২১৪ টাকা
    টানা ৬ দফা বাড়ানোর পর অবশেষে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। আজ বুধবার (৪ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ
    ১৫ মার্চের মধ্যে বাজেট প্রস্তাবনা চেয়েছে এনবিআর
    আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের যুগোপযোগী ও অংশীদারত্বমূলক বাজেট প্রণয়নে  ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর কাছ থেকে প্রস্তাবনা চেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে বিভিন্ন চেম্বার এবং অ্যাসোসিয়েশনকে তাদের স্ব স্ব বাজেট প্রস্তাব দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) কাছে লিখিতভাবে সুপারিশ ও প্রস্তাব পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রস্তাবের আরেকটি সফটকপি ই-মেইলে: nbrbudget2026@gmail.com এনবিআরে প্রেরণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ এসব তথ্য জানিয়েছেন।এনবিআর জানায়, ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। একটি অংশগ্রহণমূলক, গণমুখী  ও ন্যায় সম্মত বাজেট প্রণয়নে বরাবরই সব পর্যায়ের সম্মানিত করদাতা, বিভিন্ন শিল্প ও বণিক সমিতি, ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন, পেশাজীবী সংগঠন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও দেশের বুদ্ধিজীবী মহলের কাছ থেকে এনবিআর বাজেট প্রস্তাব আহ্বান করেছে। রাজস্ব আহরণ কার্যক্রমকে অধিকতর অর্থবহ, বিশ্লেষণধর্মী ও প্রতিনিধিত্বশীল করার জন্য যারা আগ্রহী তারা এতে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।এইচএ
    দেশে কতদিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে, জানালেন বিপিসি চেয়ারম্যান
    দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান।আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কারওয়ান বাজার বিপিসি ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি নজরে রেখে তেলের বিকল্প বাজার খোঁজার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। তবে বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ মজুত রয়েছে, তাতে দাম বাড়ার শঙ্কা নেই।নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে গতকাল পর্যন্ত ৭টি জাহাজের এলসি সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ডিজেল ১৪ দিন, অকটেন ২৮ দিন, পেট্রোল ১৫ দিন, ফার্নেস ৯৩ দিন ও জেড ফুয়েল ৫৫ দিনের মজুত রয়েছে।জ্বালানি তেলের বর্তমান মজুত তালিকা: এইচএ
    আরেক দফায় স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়লো ৩৩২৪ টাকা
    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বেড়ে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকায়।স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠক করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি নেয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা ১ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।এর আগে, গতকাল সোমবার (২ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয় ৫ হাজার ৪২৪ টাকা। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এখন আবার দাম বাড়ানো হলো।এখন ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের ৩ হাজার ৯১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৭৭৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ২ হাজার ৬৮৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম দুই লাখ ২৬ হাজার ৯৮১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৪৯ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।সোমবার সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ধরা হয় ২ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ টাকা।এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের ১ ভরি স্বর্ণ ৪ হাজার ৪৯১ টাকা বাড়িয়ে দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ২৯৯ টাকা ঠিক করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা বাড়িয়ে দাম ধরা হয় ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৩৩ টাকা। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামেই স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে। এখন স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের ১ ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে সাত হাজার ১৭৩ টাকা। এছাড়া প্রতি ভরি ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৬ হাজার ৮৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৫ হাজার ৮৯০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ
    এক দিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম ভরিতে বেড়েছে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা
    দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দামে বড় ধরনের বৃদ্ধি ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকা এবং এবং ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ৬১ হাজার ৬৮১ টাকা।আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় সংগঠনটি। জানানো হয়, নতুন নির্ধারিত দাম একই দিন সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে কার্যকর হয়েছে।বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে বেড়ে যাওয়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বর্ণের নতুন দর ঠিক করা হয়েছে। এর ফলে ক্রেতাদের আগের তুলনায় বেশি দামে স্বর্ণ কিনতে হবে।এর আগে, রবিবার (১ মার্চ) ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয় এবং ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরির দাম ছিল ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৩ টাকা। এইচএ
    লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম
    ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার ফলে এক লাফে ১০ শতাংশ দাম বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধাবস্থার প্রেক্ষাপটে বিশ্ববাজারে তেলের দাম হঠাৎ বেড়েছে। রবিবার (১ মার্চ) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড রোববার ওভার-দ্য-কাউন্টার লেনদেনে প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে।বর্তমানে এ দাম ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারে পৌঁছেছে। শুক্রবার এটি ৭৩ ডলারে উঠে জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ অবস্থানে ছিল। সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ফিউচারস লেনদেন বন্ধ রয়েছে।বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যায়, তবে দাম আরো দ্রুত বাড়তে পারে।জ্বালানি বিশ্লেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিআইএসের জ্বালানি ও রিফাইনিং বিভাগের পরিচালক অজয় পারমার বলেন, সামরিক হামলা তেলের দামের পক্ষে সহায়ক হলেও মূল বিষয় হলো হরমুজ প্রণালীর সম্ভাব্য বন্ধ হয়ে যাওয়া।রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের ২০ শতাংশেরও বেশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে হয়। বাণিজ্যিক সূত্র জানিয়েছে, তেহরানের সতর্কবার্তার পর বেশিরভাগ ট্যাংকার মালিক, তেল কম্পানি ও ট্রেডিং হাউস ওই পথ দিয়ে অপরিশোধিত তেল, জ্বালানি ও এলএনজি পরিবহন স্থগিত করেছে।পারমার জানান, প্রণালী দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ থাকলে দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার বা তারও বেশি হতে পারে।অন্যদিকে তেল উৎপাদক জোট ওপেক প্লাস এপ্রিল থেকে প্রতিদিন ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ পরিমাণ বৈশ্বিক চাহিদার তুলনায় খুবই সামান্য (০ দশমিক ২ শতাংশেরও কম)।নরওয়ে-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রেস্টার্ড এনার্জির বিশ্লেষক জর্জে লিওনের মতে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলে বিকল্প পাইপলাইন ব্যবহারের পরও দৈনিক ৮ থেকে ১০ মিলিয়ন ব্যারেল সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে, বাজার চালু হলে দাম প্রায় ৯২ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।এফএস
    দেশের বাজারে কমেছে রুপার দাম
    টানা ৪ দফা বাড়ানোর পর অবশেষে দেশের বাজারে কমানো হয়েছে রুপার দাম। এবার ভরিতে ৬৪১ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৫৩২ টাকা।আজ বুধবার (৪ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে রুপার মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ
    দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমেছে ৯২১৪ টাকা
    টানা ৬ দফা বাড়ানোর পর অবশেষে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। আজ বুধবার (৪ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ
    ১৫ মার্চের মধ্যে বাজেট প্রস্তাবনা চেয়েছে এনবিআর
    আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের যুগোপযোগী ও অংশীদারত্বমূলক বাজেট প্রণয়নে  ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর কাছ থেকে প্রস্তাবনা চেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে বিভিন্ন চেম্বার এবং অ্যাসোসিয়েশনকে তাদের স্ব স্ব বাজেট প্রস্তাব দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) কাছে লিখিতভাবে সুপারিশ ও প্রস্তাব পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রস্তাবের আরেকটি সফটকপি ই-মেইলে: nbrbudget2026@gmail.com এনবিআরে প্রেরণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ এসব তথ্য জানিয়েছেন।এনবিআর জানায়, ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। একটি অংশগ্রহণমূলক, গণমুখী  ও ন্যায় সম্মত বাজেট প্রণয়নে বরাবরই সব পর্যায়ের সম্মানিত করদাতা, বিভিন্ন শিল্প ও বণিক সমিতি, ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন, পেশাজীবী সংগঠন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও দেশের বুদ্ধিজীবী মহলের কাছ থেকে এনবিআর বাজেট প্রস্তাব আহ্বান করেছে। রাজস্ব আহরণ কার্যক্রমকে অধিকতর অর্থবহ, বিশ্লেষণধর্মী ও প্রতিনিধিত্বশীল করার জন্য যারা আগ্রহী তারা এতে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।এইচএ
    দেশে কতদিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে, জানালেন বিপিসি চেয়ারম্যান
    দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান।আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কারওয়ান বাজার বিপিসি ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি নজরে রেখে তেলের বিকল্প বাজার খোঁজার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। তবে বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ মজুত রয়েছে, তাতে দাম বাড়ার শঙ্কা নেই।নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে গতকাল পর্যন্ত ৭টি জাহাজের এলসি সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ডিজেল ১৪ দিন, অকটেন ২৮ দিন, পেট্রোল ১৫ দিন, ফার্নেস ৯৩ দিন ও জেড ফুয়েল ৫৫ দিনের মজুত রয়েছে।জ্বালানি তেলের বর্তমান মজুত তালিকা: এইচএ
    আরেক দফায় স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়লো ৩৩২৪ টাকা
    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বেড়ে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকায়।স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠক করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি নেয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা ১ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।এর আগে, গতকাল সোমবার (২ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয় ৫ হাজার ৪২৪ টাকা। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এখন আবার দাম বাড়ানো হলো।এখন ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের ৩ হাজার ৯১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৭৭৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ২ হাজার ৬৮৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম দুই লাখ ২৬ হাজার ৯৮১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৪৯ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।সোমবার সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ধরা হয় ২ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ টাকা।এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের ১ ভরি স্বর্ণ ৪ হাজার ৪৯১ টাকা বাড়িয়ে দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ২৯৯ টাকা ঠিক করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা বাড়িয়ে দাম ধরা হয় ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৩৩ টাকা। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামেই স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে। এখন স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের ১ ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে সাত হাজার ১৭৩ টাকা। এছাড়া প্রতি ভরি ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৬ হাজার ৮৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৫ হাজার ৮৯০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ
    এক দিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম ভরিতে বেড়েছে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা
    দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দামে বড় ধরনের বৃদ্ধি ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকা এবং এবং ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ৬১ হাজার ৬৮১ টাকা।আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় সংগঠনটি। জানানো হয়, নতুন নির্ধারিত দাম একই দিন সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে কার্যকর হয়েছে।বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে বেড়ে যাওয়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বর্ণের নতুন দর ঠিক করা হয়েছে। এর ফলে ক্রেতাদের আগের তুলনায় বেশি দামে স্বর্ণ কিনতে হবে।এর আগে, রবিবার (১ মার্চ) ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয় এবং ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরির দাম ছিল ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৩ টাকা। এইচএ

    শিক্ষাঙ্গন

    সব দেখুন
    ইবি শিক্ষিকা হত্যা মামলা, প্রধান আসামি ফজলুর গ্রেপ্তার
    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইবি থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন।তদন্ত কর্মকর্তা জানান, মামলার ১ নম্বর আসামি ফজলুর রহমান বর্তমানে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহত থাকায় তাঁকে পুলিশের নজরদারিতে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।অন্যান্য আসামিদের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, “বাকিদের বিষয়েও কাজ চলছে। তবে এই ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে দুজন শিক্ষক থাকায় বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে ইবি থানায় ফজলুর রহমানসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এজাহার দায়ের করেন নিহত আসমার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান। পরবর্তীতে বিকেলে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ১০৯ ধারায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। মামলায় অন্য আসামিরা হলেন— সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার ও উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস এবং একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমান।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফজলুর রহমানের শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে পুলিশ তাঁর কাছ থেকে দুই পাতার একটি লিখিত জবানবন্দি নেয়। ওই লিখিত বিবৃতিতে ফজলুর রহমান হত্যাকাণ্ড ঘটানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। মামলা হওয়ার পর তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।উল্লেখ্য, গত বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনে আসমা সাদিয়া রুনার নিজ অফিস কক্ষে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। চিৎকার শুনে উদ্ধার করতে যাওয়া আনসার সদস্য ও শিক্ষার্থীরা জানান, তাঁরা ওই কক্ষে শিক্ষিকাকে রক্তাক্ত অবস্থায় এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকে আত্মহননের চেষ্টায় লিপ্ত অবস্থায় দেখেন। খবর পেয়ে প্রক্টোরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষিকাকে মৃত ঘোষণা করেন। গতকাল ওই শিক্ষিকার জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।এনআই
    স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বাকৃবির অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অধ্যাপক ড. এম এ রহিম
    জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এবছর জাতীয় স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক অধ্যাপক ড. এম এ রহিম। গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ক্যাটাগরিতে তাকে এ পুরস্কার প্রদান করা হবে। বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) বিকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) হুমায়ুন কবির সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।অধ্যাপক ড. এম এ রহিম বাকৃবির কৃষি অনুষদের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। তিনি ১৯৮২ সালে ওই বিভাগে প্রভাষক পদে যোগদানের মাধ্যমে শিক্ষকতা শুরু করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাউ-জার্মপ্লাজম সেন্টারের প্রধান নির্বাহী ও প্রধান গবেষক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০৩, ২০০৮, ২০০৯, ২০১০, ২০১২, ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৬ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উইন্সকন্সিন (University of Wisconsin, USA) ও ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ে (USA) ভিজিটিং অধ্যাপক ও বিজ্ঞানি হিসেবে কাজ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভারসিটি অব উইসকানসিন এর Adjunct Faculty হিসাবে গবেষণা করে যাচ্ছেনঅধ্যাপক ড. এম এ রহিমের নেতৃত্বে গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবিত হয় উচ্চফলনশীল ও অর্থকরী কুলের জাত ‘বাউকুল’, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আপেল কুল নামেও পরিচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্মপ্লাজম সেন্টারের গবেষণায় প্রায় ১৭ বছরের প্রচেষ্টায় এ জাতটি উদ্ভাবিত হয়।কৃষি খাতে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ‘হুজ হু বাংলাদেশে ২০১৭’ পদক লাভ করেন। বৃক্ষরোপণে অবদানের জন্য ২০০৪, ২০১২ ও ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া তিনি নোবেল বিজয়ী ড. নরম্যান ই. বোরলগ আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্মাননা-২০০৮, বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক-২০১৪, খান বাহাদুর আহসান উল্লাহ স্বর্ণপদক-২০১৬, বাংলাদেশ একাডেমি অব এগ্রিকালচার স্বর্ণপদক-২০১৬ এবং বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্স স্বর্ণপদক-২০১২সহ দেশি-বিদেশি নানা সম্মাননা অর্জন করেছেন।গবেষণায়ও রয়েছে তার উল্লেখযোগ্য অবদান। ফল উৎপাদন, কৃষি বনায়ন, ফল সংগ্রহ ও সংগ্রহোত্তর পরিচর্যা এবং সংরক্ষণ বিষয়ে তার প্রায় ২২৫টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।এসআর
    সেই নিহত ইবি শিক্ষিকার শরীরে অন্তত ২০টি আঘাতের চিহ্ন: ময়নাতদন্ত রিপোর্ট
    কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো কিছু দিয়ে ১৮ থেকে ২০টি আঘাতের চিহ্ন সনাক্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্টে এমন তথ্য উঠে এসেছে বলে নিশ্চিত করেন কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হোসেন ইমাম।বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত করা হয়। এরপর পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করে পুলিশ। ময়নাতদন্ত করেন আরএমও হোসেন ইমাম।তিনি সাংবাদিকদের জানান, নিহত শিক্ষিকার গলা, বুক, পেট, হাত-পাসহ বিভিন্ন স্থানে ১৮ থেকে ২০টি আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। তাতে মনে হয়েছে, ঘটনার সময় ধস্তাধস্তি হয়েছে। এতে ভিন্ন ভিন্ন স্পটে আঘাত পান।আরএমও হোসেন ইমাম বলেন, নিহত শিক্ষকার গলার নিচে সজোরে আঘাত করা হয়েছে। এতে গভীর ক্ষত হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এতেই তার মৃত্যু হয়েছে। বাকি আঘাত গুরুতর ছিল না।বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগে নিজ কক্ষে অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেন বিভাগের সাবেক কর্মচারী ফজলুর রহমান। পরে তিনি নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।এ ঘটনায় আজ সকালে নিহত শিক্ষিকা অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান বাদি হয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় অভিযোগ করেন। অভিযুক্তরা হলেন, কর্মচারী ফজলুর রহমান, সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও সহকারী অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমান।এদিকে আজ জোহরের পর কুষ্টিয়া শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে আসমা সাদিয়া রুনার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তার মরদেহ কুষ্টিয়া পৌর গোরস্তানে দাফন করা হয়।নিহত সাদিয়া রুনার বাবা জানাজায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সে আমার বড় মেয়ে তার ভুল ত্রুটি হলে তাকে সবাই মাফ করে দেবেন আর দোয়া করবেন আল্লাহ যেন আমার মেয়েকে জান্নাত দান করেন। আসল খুনিদের গ্রেফতার ও সুষ্ঠু বিচার হয় সেই প্রত্যাশা করছি।’জানাজায় উপস্থিত হয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ নিহত পরিবারের পাশে সার্বক্ষণিক অভিভাবক রূপে থাকবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এছাড়াও ঘটনাটি সিআইডি পুলিশ সংস্থাও তদন্তে মাঠে কাজ করছেন।এসআর
    নিজ অফিস কক্ষে ইবি শিক্ষিকাকে হত্যার পর নিজের গলায় ছুরি চালান কর্মচারী
    কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে নিজ অফিস কক্ষে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ফজলুর রহমান নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। ওই শিক্ষিকার ‘বাঁচাও বাঁচাও’ চিৎকার শুনে কক্ষের দরজা ভেঙে তাদের উদ্ধার করেন আনসার সদস্য ও শিক্ষার্থীরা। বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগে এ ঘটনা ঘটে।নিহত আসমা সাদিয়া রুনা কুষ্টিয়া শহরস্থ কোর্টপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন। তার স্বামী কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক মোহাম্মদ ইমতিয়াজ সুলতান। তিনি সংসার জীবনে তিন মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানের জননী ছিলেন। ঘটনার পর প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে নিয়ে যান। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফজলুর রহমানের অবস্থাও সঙ্কটাপন্ন বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা। জানা গেছে, সম্প্রতি আসমা সাদিয়া রুনা সমাজকল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হওয়ার পর ফজলুর রহমানকে এক মাস আগে ওই বিভাগ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করেন। চাকরি জীবনের শুরু থেকে সমাজকল্যাণ বিভাগে থোক বরাদ্দে অস্থায়ীভাবে কর্মরত ছিলেন ফজলুর। এর জেরে কর্মচারী ফজলুর রহমান শিক্ষিকা রুনাকে ছুরিকাঘাত করতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন বিভাগের শিক্ষকরা।সমাজকল্যাণ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. হাবিব জানান, প্রায় ৮ বছর ফজলুর এই ডিপার্টমেন্টে থোক বরাদ্দের অস্থায়ী ভিত্তিতে যোগদান করেন। তারপর থেকে বিভিন্ন কারণবশত কর্মচারী ফজলুর রহমান সবার সাথেই মাঝে মধ্যে খারাপ আচরণ করতো। যার কারণে আমরা সবাই তাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করি। তবে ফজলু আমাদের কাছে এসে দীর্ঘদিনের কর্মজীবনের কথা বলে সমাজকল্যাণ বিভাগেই থাকতে চাইতো। সে আমাদের সবার কাছে এসে বিভাগের রাখার জন্য আবদার করত। তিনি বলেন, আমরা সবাই মিলে তাকে বলি তোমাকে এত সুযোগ দেওয়ার পরেও তুমি যেহেতু এখনো পর্যন্ত তোমার আচার-আচরণ কথাবার্তা সংযত করতে পারোনি। সেহেতু তুমি ওই ডিপার্টমেন্টে থাকো। পরে বিচার বিবেচনা করে দেখা যাবে। বিভাগীয় সূত্রে জানা যায়, ফজলুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে সমাজকল্যাণ বিভাগে কর্মরত ছিলেন। প্রায় এক মাস আগে বেতন বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিভাগের সভাপতির সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। পরবর্তীতে তাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করা হয়। শিক্ষার্থীদের ধারণা- ওই ক্ষোভ থেকেই এ ঘটনাটি ঘটতে পারে।শিক্ষার্থীরা জানান, আজ বিভাগটির ইফতার মাহফিল ছিল। সে কারণে বিকেল ৩টায় অফিস সময় শেষ হলেও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিভাগে অবস্থান করছিলেন। বিকেল ৪টার দিকে বিভাগের সভাপতির নিজ কক্ষ থেকে চিৎকার-চেঁচামেচির শব্দ শুনে ভবনের নিচে দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা দরজায় ধাক্কাধাক্কি করেন। একপর্যায়ে তিনজন শিক্ষার্থী, দুইজন আনসার সদস্য ও আরও দুজন মিলে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা আসমা সাদিয়ার রক্তাক্ত দেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন এবং ফজলুর রহমানকে নিজের গলায় অস্ত্র দিয়ে কাটার চেষ্টা করতে দেখেন। পরে শিক্ষার্থী ও কর্তব্যরত আনসার সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও পার্শ্ববর্তী ইবি থানাকে খবর দেন। তারা ঘটনাস্থলে এসে দুজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠান।কর্তব্যরত আনসার সদস্য আসমত আলী বলেন, আমরা ভবনের নিচে দুইজন মিলে গল্প করছিলাম। হঠাৎ করে আমরা বাঁচাও বাঁচাও শব্দ শুনি। তারপর একসঙ্গে ভবনের ওপরে উঠে চেয়ারম্যানের রুমের বাইরে দাঁড়িয়ে ডাকাডাকি করি। পরে দরজা না খুললে ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করি। তারপর দেখি যে ম্যাডাম উপুড় হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় শুয়ে আছেন। আর কর্মচারী নিজে নিজেই গলায় ছুরি চালাচ্ছেন। পরে আমরা প্রশাসনের কাছে ফোন দেই।ইবি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদ রানা বলেন, আমরা ঘটনা জানতে পেরে তাদেরকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠাই। সেখানের কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষিকাকে মৃত ঘোষণা করেন। অপরজন অপারেশন থিয়েটারে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তদন্ত করে পরে ঘটনা জানা যাবে।এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। সেখানে রক্তাক্ত অবস্থায় দুইজনকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠাই। এমন সময় শিক্ষিকা রুনাকে নিথর অবস্থায় পাওয়া যায়।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. নকিব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, আসলে এটা একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। আমরা তার রুম পর্যবেক্ষণ করেছি। পুলিশ ও পিবিআই পর্যবেক্ষণ করেছে। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও আমরা তদন্ত কমিটির গঠন করছি। পুলিশ থেকেও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা জোরদার করেছি।কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যানকে হত্যার ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। যারা উদ্ধার করেছে আমরা সকলের সাথে কথা বলেছি।  তিনি বলেন, ওই ডিপার্টমেন্টে নিযুক্ত আনসার সদস্যদের কাছ থেকে জেনেছি ঘটনাটি ৪টার দিকের। ঘটনার সময় রুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। রুমের ভেতর থেকে চিৎকারের শব্দ শুনে আনসার সদস্যরা কয়েকজন শিক্ষার্থীদের ডেকে নিয়ে দরজাটি ভেঙে শিক্ষকসহ দুইজনকেই রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে ।  পুলিশ সুপার বলেন, আমরা সব কিছু বিবেচনা করে ঘটনাটি অধিকতর তদন্ত করছি।এবি 

    তথ্য-প্রযুক্তি

    সব দেখুন
    বছরের প্রথম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ আজ, কখন-কীভাবে দেখবেন
    আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক দুর্লভ মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। পূর্ণিমার রুপালি চাঁদ আজ ঢাকা পড়বে পৃথিবীর ছায়ায়, আর মুহূর্তেই ধারণ করবে টকটকে লাল কিংবা তামাটে আভা।২০২৬ সালের প্রথম এই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণটি জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় ‘ব্লাড ওয়ার্ম মুন’ নামে পরিচিত। আজকের পর ২০২৮ সালের আগে বিশ্ববাসী আর কোনো পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের দেখা পাবে না।আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আকাশ পরিষ্কার থাকলে বাংলাদেশে চন্দ্রোদয়ের ঠিক পর থেকেই গ্রহণের শেষ অংশ দেখার সুযোগ মিলবে।গ্রহণের সময়সূচি ও স্থায়িত্ব: আইএসপিআরের তথ্যমতে, আজ দুপুর ২টা ৪২ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে চাঁদ উপচ্ছায়ায় প্রবেশের মাধ্যমে গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। পূর্ণগ্রহণ শুরু হবে বিকেল ৫টা ৩ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে এবং কেন্দ্রীয় গ্রহণ হবে বিকেল ৫টা ৩৩ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে। এই গ্রহণের সর্বোচ্চ মাত্রা হবে ১.১১৫। নাসা জানিয়েছে, পুরো মহাজাগতিক প্রক্রিয়াটি ৫ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলবে, যার মধ্যে প্রায় ১ ঘণ্টা চাঁদকে টকটকে লাল দেখা যাবে। বাংলাদেশে কখন দেখা যাবে: ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ থেকে পূর্ণগ্রাস অংশটি সরাসরি দেখা না গেলেও চন্দ্রোদয়ের পর থেকে রাত ৮টা ২৪ মিনিট ৪২ সেকেন্ড পর্যন্ত গ্রহণের শেষ অংশ দেখা যাবে।বিভাগীয় শহরগুলোতে গ্রহণ দেখার সময়: নিচে প্রধান শহরগুলোতে চন্দ্রোদয়ের পর গ্রহণ শুরু ও শেষ হওয়ার সময় দেয়া হলো–শহর শুরু (সন্ধ্যা)                          গ্রহণ শেষ (রাত)ঢাকা =  ৬টা ০১ মি. ১২ সে.           ৮টা ২৪ মি. ৪২ সে.চট্টগ্রাম= ৫টা ৫৬ মি. ২৪ সে.           ৮টা ১৯ মি. ৫৪ সে.সিলেট=   ৫টা ৫৪ মি. ৩০ সে.           ৮টা ১৮ মি. ০০ সে.রাজশাহী= ৬টা ০৭ মি. ৩৬ সে.           ৮টা ৩১ মি. ০৬ সে.খুলনা=       ৬টা ০৫ মি. ১২ সে.           ৮টা ২৮ মি. ৪২ সে.বরিশাল= ৬টা ০১ মি. ৫৪ সে.           ৮টা ২৫ মি. ১২ সে.রংপুর= ৬টা ০৪ মি. ৩৬ সে.           ৮টা ২৮ মি. ০৬ সে.ময়মনসিংহ= ৬টা ০০ মি. ২৪ সে.         ৮টা ২৩ মি. ৪৮ সে.‘ব্লাড মুন’ কেন হয়: যখন সূর্য ও চাঁদের ঠিক মাঝখানে পৃথিবী অবস্থান করে, তখন পৃথিবীর ছায়ায় চাঁদ পুরোপুরি ঢাকা পড়ে যায়। সূর্যের আলো সরাসরি চাঁদে পৌঁছাতে না পারায় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল চিরে আসা লাল আলোর প্রতিফলন চাঁদের গায়ে পড়ে। ফলে চাঁদকে গাঢ় লাল বা তামাটে দেখায়, যাকে ‘ব্লাড মুন’ বলা হয়।অনলাইনে দেখার সুযোগ: আকাশ মেঘলা থাকলে বা সরাসরি দেখার সুযোগ না মিললে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে এটি লাইভ দেখা যাবে। লস অ্যাঞ্জেলেসের গ্রিফিথ অবজারভেটরি, টাইমএন্ডডেট ডটকম এবং ভার্চুয়াল টেলিস্কোপ প্রকল্প তাদের ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেলে এই মহাজাগতিক দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচার করবে।জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, আজকের এই বিরল সুযোগটি হাতছাড়া করা উচিত নয়। কারণ, পরবর্তী পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের জন্য আমাদের ২০২৮ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।এইচএ   
    উঁকি দিয়েও দেখতে পারবে না চ্যাট, স্যামসাং ফোনে নতুন ফিচার
    প্রতিবছরই নতুন কিছু চমক নিয়ে হাজির হয় স্যামসাং ইলেকট্রনিকস। কখনো ক্যামেরার মেগাপিক্সেল যুদ্ধ, কখনো বা এআই ফিচারের বিস্তার। তবে ২০২৬ সালে এসে তারা নজর কাড়ল এক ভিন্নধর্মী উদ্ভাবনে। স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ আলট্রা-তে যুক্ত হয়েছে ইন-বিল্ট ‘প্রাইভেসি ডিসপ্লে’, যা স্মার্টফোন নিরাপত্তাকে একধাপ এগিয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে গোপনীয়তা রক্ষার অভিনব প্রযুক্তি এই ডিভাইসটিকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। ব্যক্তিগত চ্যাট, ব্যাংকিং তথ্য বা সংবেদনশীল নোটিফিকেশন এবার সেগুলোতে পাশের কেউ উঁকি দিতে পারবে না। ফলে আপনি সামনে থেকে পরিষ্কারভাবে সব দেখতে পেলেও পাশের ব্যক্তি শুধুই অন্ধকার বা ঝাপসা স্ক্রিন দেখবেন।ফোনের সেটিংসে একটি নির্দিষ্ট টগল চালু করলেই সক্রিয় হবে প্রাইভেসি মোড। সবচেয়ে বড় কথা, এতে ডিসপ্লের কালার, ব্রাইটনেস বা শার্পনেসে কোনো আপস করতে হয় না। ব্যবহারকারী চাইলে এমন কাস্টম সেটিংও বেছে নিতে পারবেন, যেখানে পুরো স্ক্রিন দৃশ্যমান থাকলেও নির্দিষ্ট মেসেজ বা নোটিফিকেশন শুধু মালিকের চোখেই ভেসে উঠবে। ডিজাইনে বড় পরিবর্তন না আনলেও ফোনটি আগের তুলনায় আরও পাতলা ও হালকা করা হয়েছে। হাতে নিলে প্রিমিয়াম ও শক্তপোক্ত অনুভূতি দেয়। লেটেস্ট স্ন্যাপড্রাগন চিপসেটের কারণে গেমিং, মাল্টিটাস্কিং কিংবা হাই-রেজুলেশন ফটো এডিটিং সবই হবে সাবলীল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংযোজন দৈনন্দিন ব্যবহারে এনে দিয়েছে বাড়তি স্মার্টনেস।গ্যালাক্সি এস২৬ আলট্রা কেবল আরেকটি ফ্ল্যাগশিপ ফোন নয়; এটি যেন ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার এক ডিজিটাল দুর্গ। যারা পাবলিক প্লেসে বসে চ্যাট বা ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করতে দ্বিধায় থাকেন, তাদের জন্য এই প্রাইভেসি ডিসপ্লে হতে পারে সত্যিকারের গেম-চেঞ্জার।এইচএ
    ছবি-ভিডিও এআই দিয়ে তৈরি কি না, জানবেন যেভাবে
    কনটেন্টের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন একটি সুবিধা চালু করেছে গুগল। কারণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে এখন আসল ছবি বা ভিডিও আর এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট আলাদা করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। গুগলের জেমিনি অ্যাপ ব্যবহার করে এখন সহজেই জানা যাবে কোনো ছবি বা ভিডিও গুগলের এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত কি না। এই সুবিধাটি সম্ভব হয়েছে গুগলের বিশেষ ওয়াটারমার্কিং প্রযুক্তি সিনথআইডির মাধ্যমে, যা এআই-তৈরি কনটেন্টের ভেতরে অদৃশ্য ডিজিটাল চিহ্ন সংযুক্ত করে।কীভাবে যাচাই করবেন এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট, ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াটি তুলে ধরা হলো— জেমিনি অ্যাপে প্রবেশ: প্রথমে জেমিনি অ্যাপটি চালু করুন। এই যাচাই সুবিধা বর্তমানে সমর্থিত সব ভাষা ও দেশে চালু রয়েছে। সঠিক ফল পেতে অ্যাপটির সর্বশেষ সংস্করণ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে গুগল। কনটেন্ট আপলোড: যে ছবি বা ভিডিও যাচাই করতে চান, সেটি সরাসরি জেমিনি অ্যাপে আপলোড করুন। ভিডিওর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ এমবি সাইজ এবং ৯০ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ফাইল আপলোড করা যাবে। ফাইল যুক্ত করার প্রক্রিয়াটি সাধারণ মেসেজিং অ্যাপের মতোই সহজ।ফাইল আপলোডের পর জেমিনিকে সরাসরি প্রশ্ন করুন—‘এটি কি গুগল যাচাই দিয়ে তৈরি?’ অথবা ‘এই কনটেন্টটি কি যাচাই -জেনারেটেড?’ স্বাভাবিক ও কথোপকথনের ভঙ্গিতেই প্রশ্ন করা যাবে, কারণ জেমিনি বিভিন্নভাবে করা প্রশ্ন বুঝতে সক্ষম।এরপর জেমিনি আপলোড করা কনটেন্টে সিনথআইডি ওয়াটারমার্ক আছে কি না তা স্ক্যান করে জানাবে। ভিডিওর ক্ষেত্রে অডিও ও ভিজ্যুয়াল উভয় অংশেই এই শনাক্তকরণ করা হয়। প্রয়োজনে জেমিনি নির্দিষ্ট করে জানাবে ভিডিওর কোন অংশে এআই-তৈরি উপাদান রয়েছে।কীভাবে কাজ করে সিনথআইডি:সিনথআইডি প্রযুক্তি এআই দিয়ে কনটেন্ট তৈরির সময়ই তাতে অদৃশ্য ডিজিটাল ওয়াটারমার্ক যুক্ত করে। এটি মানুষের চোখে ধরা পড়ে না, তবে বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করা যায়। এই ওয়াটারমার্ক এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে ক্রপ করা, ফিল্টার দেওয়া, কমপ্রেশন বা ফ্রেমরেট পরিবর্তনের পরও তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়।কনটেন্টের স্বচ্ছতা বাড়ানোর উদ্যোগ: ২০২৩ সালে চালুর পর থেকে গুগল ইতোমধ্যে ২০ বিলিয়নের বেশি এআই-তৈরি কনটেন্টে সিনথআইডি ওয়াটারমার্ক যুক্ত করেছে।এইচএ
    বিশ্বজুড়ে বিভ্রাট ইউটিউব এখন স্বাভাবিক, জানা গেল কারণ
    হঠাৎ করেই বিশ্বব্যাপী ব্যাপক বিভ্রাটের কবলে পড়েছিল জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। মঙ্গলবার গভীর রাতে কয়েক লাখ ব্যবহারকারী সাইটটিতে প্রবেশ করতে বা ভিডিও দেখতে গিয়ে চরম বিড়ম্বনায় পড়েন। তবে ভোর রাতে আবারও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে বলে জানা গেছে। ইউটিউব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্যাটি এখন সম্পূর্ণ সমাধান করা হয়েছে এবং সব পরিষেবা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।ইন্টারনেট বিভ্রাট পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ডাউনডিটেক্টর-এর তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) রাত ১টার দিকে সমস্যার পরিমাণ চরমে পৌঁছায়। সে সময় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৩ লাখেরও বেশি ব্যবহারকারী ইউটিউবে ঢুকতে না পারার অভিযোগ জানান। বিভ্রাট চলাকালীন অনেক ব্যবহারকারী সাইটটির হোমপেজে গেলে তাদের ‘পরে আবার ফিরে আসার’ বার্তা দেখানো হচ্ছিল।ইউটিউব জানিয়েছে, মূলত তাদের ‘সুপারিশ ব্যবস্থা’ বা রিকমেন্ডেশন সিস্টেমে ত্রুটির কারণেই এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। এর ফলে ইউটিউব অ্যাপ, ইউটিউব মিউজিক, কিডস এবং টিভি—সবগুলো প্ল্যাটফর্মেই ভিডিও প্রদর্শনে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছিল।বিভ্রাট কাটিয়ে ওঠার পর এক বিবৃতিতে ইউটিউব জানায়, ‘আমাদের সুপারিশ ব্যবস্থার সমস্যাটি সমাধান করা হয়েছে। ইউটিউব ডটকমসহ আমাদের সব প্ল্যাটফর্ম ও অ্যাপ এখন স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।’ বার্তা সংস্থা এএফপির সাংবাদিকেরা জিএমটি ভোর ৪টার দিকে সাইটটি ব্যবহার করে দেখেছেন যে এটি পুনরায় সক্রিয় হয়েছে।গুগলের মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। প্রতি মাসে প্রায় ২৫০ কোটিরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী ইউটিউব ব্যবহার করেন। এত বিশাল সংখ্যক ব্যবহারকারীর জীবনে ইউটিউব একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার ফলে কয়েক ঘণ্টার এই বিভ্রাট বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করে।এইচএ
    নিজের ফোনেই পাবেন ভোটের ফলাফল
    বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ বা স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ভোটের ফলাফল দ্রুত এবং সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ইলেকশন কমিশন (ইসি) সম্প্রতি স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি নামের একটি অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপটি ব্যবহার করে ভোটাররা রিয়েল টাইমে ফলাফল দেখতে পারবেন এবং নির্বাচনি তথ্য সহজে জানতে পারবেন।জেনে নিন কীভাবে ঘরে বসেই এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটের ফলাফল জানতে পারবেন-অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন: অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মে উভয়েই পাওয়া যাবে। গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে ‘Smart Election Management BD’ লিখে সার্চ করে ডাউনলোড করা যাবে। ডাউনলোডের পর ফোনে ইনস্টল করে অ্যাপটি ওপেন করতে হবে।অ্যাকাউন্ট বা লগইন প্রক্রিয়া: সাধারণত ভোটের ফলাফল দেখার জন্য লগইন করতে হয় না। তবে ব্যক্তিগত ভোটার তথ্য বা ইভিএম সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পেতে অ্যাপটি আপনাকে ভোটার আইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে লগইন করতে বলবে। লগইন করলে ভোটের নথি, ভোটার স্ট্যাটাস এবং নির্বাচনী কেন্দ্র সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাবে।ভোটের ফলাফল দেখার ধাপক. নির্বাচন ও কেন্দ্র নির্বাচন: অ্যাপের হোম স্ক্রিনে ‘ইলেকশন রেজাল্টস’ বা ‘ভোটিং রেজাল্টস’ অপশনটি থাকবে। এখানে নির্বাচনের ধরন নির্বাচন করতে হবে (জাতীয় সংসদ, উপজেলা, পৌরসভা, বা ইউনিয়ন নির্বাচন)। এরপর জেলা ও উপজেলা/ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে।খ. কেস্টিং এবং ফলাফল: নির্বাচনি কেন্দ্র অনুযায়ী ভোটের লাইভ আপডেট দেখার সুযোগ থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট গণনার পর ফলাফল সরাসরি অ্যাপে আপলোড হবে। ভোটের ভোটের সংখ্যা, প্রার্থী বা দল অনুযায়ী ভাগফল এবং ভোটের শতাংশ দেখা যাবে।গ. গ্রাফ এবং চার্টের মাধ্যমে উপস্থাপনা: অ্যাপটি ফলাফলকে গ্রাফ বা চার্টে দেখায়, যাতে কোন প্রার্থী বা দলের অবস্থান সহজে বোঝা যায়। লাইভ আপডেটের ফলে ভোটের ধাপ ধাপে অগ্রগতি দেখা যাবে।এইচএ
    ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের নিবন্ধন বাতিল করবেন যেভাবে
    নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন করতে হলে কিংবা অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দিতে হলে অথবা বিক্রির আগে অবশ্যই মোবাইল ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি)।মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনআইআর)’ সিস্টেমটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হয়েছে। এর আওতায় নেটওয়ার্কে সচল সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়েছে।ফলে এখন থেকে নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন, অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া কিংবা বিক্রির আগে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সঙ্গে যুক্ত হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিল বা অবমুক্ত করতে হবে।এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সিম কেনার সময় ব্যবহৃত এনআইডি বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে। নিবন্ধিত ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এখন থেকে অনুসরণ করতে হবে। নিবন্ধিত মুঠোফোন ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করার উপায়সিটিজেন পোর্টাল (neir.btrc.gov.bd)এনইআইআর পোর্টালে লগ ইন করে ড্যাশবোর্ডে যেতে হবে। তালিকা থেকে ডিভাইস নির্বাচন করতে হবে। ‘ডি-রেজিস্টার’ এ ক্লিক করুন এবং প্রয়োজনীয় বিবরণ দিয়ে ডি-রেজিস্টার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে।ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#)মোবাইলের কল অপশনে যেয়ে ডায়াল করুন *১৬১৬১#। এরপর ডি রেজিষ্ট্রেশন অপশনে ক্লিক করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।তবে ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে গ্রাহক তার ফোনে যে সিমটি ব্যবহার করছেন তা অবশ্যই নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর যুক্ত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হবে।ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে বিটিআরসি’র ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিটিআরসি’র কল সেন্টার (১০০) অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও সহায়তা নেওয়া যাবে।এমআর-২

    আইন-আদালত

    সব দেখুন
    আইভী ও বদির জামিন স্থগিত
    নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেত্রী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে পাঁচ মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেছে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত।এদিকে কক্সবাজারের আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদিকে এক মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিনও চেম্বার জজ আদালতে স্থগিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাষ্ট্রপক্ষের পৃথক আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক  এ আদেশ দেন। আইভীর জামিনের বিষয়ে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য ৯ মার্চ এবং বদির বিষয়ে শুনানির জন্য ২০ এপ্রিল দিন ঠিক করে দিয়েছেন চেম্বার বিচারপতি।এর আগে, বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ ২৬ ফেব্রুয়ারি আইভীকে জামিন দেয়। পাঁচ মামলার মধ্যে চারটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে আইভীকে। সেগুলো হলো ফতুল্লা থানায় করা বাসচালক আবুল হোসেন মিজি হত্যা, আব্দুর রহমান হত্যা, মো. ইয়াছিন হত্যা এবং পারভেজ হত্যা মামলা। হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার দেওয়ার অভিযোগে অপর মামলাটি হয়েছে সদর মডেল থানায়।গত বছরের ৯ মে ভোর রাত ৩টার দিকে শহরের দেওভোগ এলাকায় অবস্থিত চুনকা কুটির থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর জুলাই অভ্যুত্থানের সময়ের বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।আর বিচারপতি আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ২৬ ফেব্রুয়ারি বদিকে জামিন দিয়েছিল। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০ আগস্ট চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ এলাকা থেকে আবদুর রহমান বদিকে গ্রেপ্তার করা হয়। কক্সবাজারের টেকনাফে একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে র‌্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়।এফএস

    প্রবাস

    সব দেখুন
    মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত
    মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মো. বেলায়েত কাজী (৩৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোরে দেশটির পেরাক অঙ্গরাজ্যের ইপোহ শহরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত বেলায়েত ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিঘাটা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত ইউসুফ কাজীর ছেলে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তিনি।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে ইপোহ শহরে সড়ক সংস্কার কাজ করছিলেন বেলায়েত। এ সময় পেছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী গাড়ি তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পরপরই ঘাতক গাড়িটি দ্রুত স্থান ত্যাগ করে বলে জানা গেছে।স্বজনরা জানান, প্রায় দুই বছর আগে ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় দালালের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান বেলায়েত। তবে শুরুতেই নানা প্রতারণার শিকার হন তিনি। নির্ধারিত কর্মস্থলে কাজ না পেয়ে অবৈধভাবে বিভিন্ন নির্মাণ ও সড়ক মেরামতের কাজে যুক্ত হন। সম্প্রতি ইপোহ এলাকায় সড়ক সংস্কার প্রকল্পে কাজ করছিলেন তিনি।বেলায়েতের আকস্মিক মৃত্যুতে তার পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। দেশে থাকা স্ত্রী-সন্তান ও স্বজনরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহায়তা কামনা করেছেন।ঘারুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুনসুর আহমদ মুন্সী জানান, সকালে দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। মরদেহ দেশে পাঠাতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানান।স্থানীয়দের দাবি, অবৈধভাবে বিদেশে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত থাকার কারণে প্রবাসীদের মধ্যে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে। তারা দালালচক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।এইচএ

    লাইফস্টাইল

    সব দেখুন
    ইফতারিতে রাখুন দুধ তরমুজের ঠান্ডা শরবত
    ইফতারিতে রাখুন দুধ তরমুজের ঠান্ডা শরবতউপকরণতরল দুধ ৩ কাপগুঁড়া দুধ আধা কাপ কনডেনসড মিল্ক সিকি কাপকর্নফ্লাওয়ার১ টেবিল চামচতরমুজ পরিমাণমতোরুহ আফজা ২ টেবিল চামচপ্রস্তুত প্রণালিতরল দুধ, গুঁড়া দুধ, কনডেনসড মিল্ক, কর্নফ্লাওয়ার একসঙ্গে জ্বাল দিয়ে পরে ঠান্ডা করে নিন। ফ্রিজে রেখে আরও ঠান্ডা করুন। তরমুজ কিউব করে কেটে ঠান্ডা করে নিতে হবে। দুধের সঙ্গে রুহ আফজা আর কাটা তরমুজ মিশিয়ে নিন। ঠান্ডা ঠান্ডাই পরিবেশন করুন।এসআর

    Loading…