এইমাত্র
  • স্পেন যুক্তরাষ্ট্রের ‘দাস’ হবে না: স্প্যানিশ উপ-প্রধানমন্ত্রী
  • এবার আটকে পড়া প্রবাসীদের জন্য ভিসার মেয়াদ বাড়াল কুয়েত
  • ইরান ইস্যুতে রাশিয়া ও চীনকে স্পষ্ট বার্তা দিলেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
  • ইরানের ‘সুইসাইড ড্রোনে’ দিশেহারা মার্কিনিরা, বাড়ছে ক্ষয়ক্ষতি
  • তেল আবিবে ইসরায়েলি ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহর হামলা
  • এবার তুরস্কের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
  • মার্কিন সাবমেরিনের হামলায় ডুবে গেল ইরানি জাহাজ, নিহত ৮৭
  • খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা স্থগিত করল ইরান
  • ঝিনাইদহে আ.লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলনকারীকে ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা
  • মির্জাপুরে দুই ইটভাটা মালিককে জরিমানা
  • আজ বৃহস্পতিবার, ২০ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    মার্কিন সাবমেরিনের হামলায় ডুবে গেল ইরানি জাহাজ, নিহত ৮৭
    মার্কিন সামরিক বাহিনীর সাবমেরিনের হামলায় ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজ ডুবির ঘটনায় অন্তত ৮৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার ভারত মহাসাগরে ইরানি নৌবাহিনীর ওই জাহাজে মার্কিন হামলায় আরও অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন।মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও পেন্টাগনে এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানি জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত মহাসাগরে ইরানি জাহাজে মার্কিন সাবমেরিনের হামলায় অন্তত ৮৭ জন নিহত হয়েছেন বলে শ্রীলঙ্কার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে জানিয়েছেন।তিনি বলেছেন, ডুবে যাওয়া জাহাজের প্রায় ১০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এর আগে, শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেছেন, নথি অনুযায়ী জাহাজে ১৮০ জন আরোহী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।এদিকে শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী বলেছে, ইরানের নৌবাহিনীর আইরিস ডেনা জাহাজ থেকে জরুরি সংকেত পাওয়ার পর তারা ৩২ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে। দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও নৌবাহিনীর মুখপাত্রের দেওয়া এই পরিসংখ্যান যদি সঠিক হয়, তাহলে জাহাজটির আরও প্রায় ৬৮ জন আরোহী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। সূত্র: এএফপিএবি
    আট প্রতিমন্ত্রী ও দুই উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টন
    সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে ৮ জন প্রতিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর ২ রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব ও দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।বুধবার (০৪ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত একাধিক গেজেট প্রকাশ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর ৩বি(আইআই) বিধি অনুযায়ী এই পুনবর্ণ্টন করা হয়।গেজেট অনুযায়ী, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত দায়িত্বগুলোর মধ্যে পরিবর্তন এনে নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, গত ১৭ ফেব্রুয়ারির প্রজ্ঞাপনের অন্যান্য বিষয় অপরিবর্তিত থাকবে এবং এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।দপ্তর পুনবর্ণ্টন করা প্রতিমন্ত্রীরা হলেন-মো. শরিফুল আলম: আগে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকলেও এখন থেকে তিনি কেবল বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।সুলতান সালাউদ্দিন টুকু: কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে তাকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।হাবিবুর রশিদ: রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।মো. রাজিব আহসান: নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং সেতু বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন।মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি: অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা এই প্রতিমন্ত্রীকে এখন থেকে কেবল পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে।ফারজানা শারমীন: আগে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকলেও এখন তিনি কেবল সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।মো. নুরুল হক নুর: শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে তাকে কেবল প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।ববি হাজ্জাজ: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা এই প্রতিমন্ত্রীকে এখন থেকে কেবল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।দুই রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব পুনর্বণ্টন-প্রধানমন্ত্রীর দুই রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্বও পুনর্বণ্টন করেছে সরকার। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মন্ত্রী পদমর্যাদার রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খানকে তার বর্তমান দায়িত্বের পাশাপাশি কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নতুন দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী আহমেদকে তার বর্তমান পদের সঙ্গে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। এর আগে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের মন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা নিযুক্ত করা হয়েছিল। এমআর-২

    জাতীয়

    সব দেখুন
    ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
    দেশের মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বুধবার (০৪ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদেরসঙ্গে এক বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী ই-হেলথ কার্ড চালুর কাজ শুরু করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে যথাযথ নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারের নীতি হচ্ছে চিকিৎসাসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পরিত্যক্ত ভবনসমূহ চিহ্নিত করে সেগুলোকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্র করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, শুধুমাত্র এলজিইডি’র পরিত্যক্ত ভবন রয়েছে ১৭০টি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকারি ও এর অধীনস্থ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যে পরিত্যক্ত ভবনগুলো রয়েছে, সেগুলো ক্লিনিক ও চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ ব্যাপারে তিনি মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।সভায় দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রতি বছর প্রায় ৩৪ লাখ নবজাতক জন্ম নেয়। অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, নবজাতক জন্মের এই পরিসংখ্যানে বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে মন্ত্রণালয়কে আরও তৎপর হতে বলা হয়েছে।বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী (যার মধ্যে ৮০ শতাংশ নারী ও ২০ শতাংশ পুরুষ) নিয়োগ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।এ ছাড়া দুর্গম এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে যেন চিকিৎসকরা নিয়মিত উপস্থিত থাকেন, সেজন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে তাগাদা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এমআর-২
    ক্ষমতা বাড়ল প্রধানমন্ত্রীর ২ উপদেষ্টার
    প্রধানমন্ত্রীর ২ প্রভাবশালী রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্বে বড় পরিবর্তন এনেছে সরকার। বর্তমান রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্বের পাশাপাশি তারা এখন থেকে নির্দিষ্ট দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার ভূমিকাও পালন করবেন।আজ বুধবার (৪ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মন্ত্রী পদমর্যাদার রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খানকে তার বর্তমান দায়িত্বের পাশাপাশি কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নতুন দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।অন্যদিকে, অপর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে তার বর্তমান পদের সঙ্গে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব অর্পণ করেছে সরকার।এর আগে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের মন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সই করা এই নতুন আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।উল্লেখ্য, এদিন সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুনির্দিষ্ট করতে মন্ত্রিসভার আটজন প্রতিমন্ত্রীর দফতরও পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।নতুন এই বিন্যাসে মো. শরিফুল আলমকে বস্ত্র ও পাট, সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, এবং হাবিবুর রশিদকে রেলপথ ও সড়ক পরিবহন বিভাগের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া মো. রাজিব আহসান নৌপরিবহন ও সেতু বিভাগ, মো. জোনায়েদ সাকি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, ফারজানা শারমীন সমাজকল্যাণ, মো. নুরুল হক প্রবাসী কল্যাণ এবং ববি হাজ্জাজকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একক দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।এইচএ
    আট প্রতিমন্ত্রী ও দুই উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টন
    সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে ৮ জন প্রতিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর ২ রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব ও দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।বুধবার (০৪ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত একাধিক গেজেট প্রকাশ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর ৩বি(আইআই) বিধি অনুযায়ী এই পুনবর্ণ্টন করা হয়।গেজেট অনুযায়ী, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত দায়িত্বগুলোর মধ্যে পরিবর্তন এনে নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, গত ১৭ ফেব্রুয়ারির প্রজ্ঞাপনের অন্যান্য বিষয় অপরিবর্তিত থাকবে এবং এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।দপ্তর পুনবর্ণ্টন করা প্রতিমন্ত্রীরা হলেন-মো. শরিফুল আলম: আগে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকলেও এখন থেকে তিনি কেবল বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।সুলতান সালাউদ্দিন টুকু: কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে তাকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।হাবিবুর রশিদ: রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।মো. রাজিব আহসান: নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং সেতু বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন।মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি: অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা এই প্রতিমন্ত্রীকে এখন থেকে কেবল পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে।ফারজানা শারমীন: আগে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকলেও এখন তিনি কেবল সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।মো. নুরুল হক নুর: শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে তাকে কেবল প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।ববি হাজ্জাজ: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা এই প্রতিমন্ত্রীকে এখন থেকে কেবল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।দুই রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব পুনর্বণ্টন-প্রধানমন্ত্রীর দুই রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্বও পুনর্বণ্টন করেছে সরকার। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মন্ত্রী পদমর্যাদার রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খানকে তার বর্তমান দায়িত্বের পাশাপাশি কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নতুন দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী আহমেদকে তার বর্তমান পদের সঙ্গে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। এর আগে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের মন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা নিযুক্ত করা হয়েছিল। এমআর-২
    ‘জ্বালানি সাশ্রয়ে ব্যক্তিগত গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহার করুন’
    মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের জেরে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা থাকায় জ্বালানি সাশ্রয়ে ব্যক্তিগত গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহার করার আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।বুধবার (০৪ মার্চ) দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে শঙ্কায় বাংলাদেশ। জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা শুধু বাংলাদেশ নয়; পুরো বিশ্বের। যাতে কোনো ডিজাস্টার নয় সে ব্যাপারে সরকার সচেষ্ট আছে।ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বড় ধরনের সমস্যায় পড়েছি। জনগণকে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানাই। শপিংমলগুলোতে অহেতুক আলোকসজ্জা করা হয়েছে। এগুলোর দরকার নেই। ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার বাদ দিয়ে গণপরিবহন ব্যবহার করুন।সবাই সাশ্রয়ী হলে এই সংকট মোকাবিলা সম্ভব জানিয়ে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান পরিস্থিতিতেও লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করা হবে।তিনি বলেন, মার্কিন প্রশাসনের আরও ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে কথা বলে পল কাপুর বিষয়টি জানাবেন। তবে জ্বালানি সাশ্রয় করে চললে ঈদের ছুটি পর্যন্ত বা মার্চ মাস পর্যন্ত মজুত জ্বালানি দিয়ে চলা যাবে।দেশে হঠাৎ করে ডিজেলের বিক্রি বেড়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের তেল ভারতে পাচার হচ্ছে। পাচার ঠেকাতে সীমান্তে কঠোর নজরদারি বাড়াতে বিজিবিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।এমআর-২
    বাংলাদেশ-চীন স্মার্ট ক্লাসরুম প্রকল্প: ১৫০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য চেয়েছে সরকার
    দেশের নির্বাচিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ‘স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন’ প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে সরকার।বাংলাদেশ ও চীন সরকারের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্টাডি বা সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে নির্বাচিত ১৫০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছে তথ্য চেয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।মাউশির পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার সহকারী পরিচালক মিনহাজউদ্দীন আহম্মদ স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের এ তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। নির্দেশনাটি গতকাল সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।অফিস আদেশে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের নির্বাচিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহে স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত ১৫০টি বিদ্যালয়ে মোট ৩০০টি স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন করা হবে।এতে বলা হয়, চীনা কারিগরি দলের সরবরাহ করা প্রশ্নমালার আলোকে বিদ্যালয়ের বর্তমান অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা যাচাই করতে গুগল ফর্ম (https://forms.gle/YXvsqCoterELB76LA) সক্রিয় করা হয়েছে।মাউশি জানায়, যেসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনও তথ্য দেয়নি, তাদের আগামী ৫ মার্চের মধ্যে নির্ধারিত লিংকের মাধ্যমে তথ্য পাঠাতে হবে। তবে যেসকল প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে তথ্য জমা দিয়েছে, তাদের পুনরায় তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন নেই।সংশ্লিষ্ট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের তাদের আওতাধীন নির্বাচিত বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্ভুল তথ্য প্রদান নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে মাউশি।সূত্র: বাসসএইচএ 
    কারিগরি শিক্ষাকে যুগোপযোগী ও বাজারমুখী করতে চান শিক্ষামন্ত্রী
    কারিগরি শিক্ষাকে যুগোপযোগী ও বাজারমুখী করতে উদ্যোগ নিতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ বুধবার (৪ মার্চ) কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।শিক্ষা অধিদফতরের সভাকক্ষে হওয়া সভায় সভাপতিত্ব করেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, “দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষাকে আধুনিক, যুগোপযোগী এবং বাজারের চাহিদাভিত্তিক করতে হবে। এ লক্ষ্যে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ জোরদার করা, ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার মধ্যে শক্তিশালী সংযোগ তৈরি করা এবং কারিকুলাম ও সিলেবাস আধুনিকায়ন করতে হবে।”তিনি বলেন, “কারিগরি শিক্ষার বিভিন্ন সূচক ও কেপিআই প্রাথমিকভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। তবে, বিষয়গুলো আরও গভীরভাবে অধ্যয়ন করে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম নেওয়া হবে।” মন্ত্রী উল্লেখ করেন, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ, শিল্পখাত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় এবং বাজারমুখী কারিকুলাম প্রণয়নের ক্ষেত্রে কিছু দুর্বলতা রয়েছে, যা দ্রুত দূর করতে হবে।কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, “প্রত্যেকে নিজ নিজ বিভাগ, প্রকল্প ও প্রতিষ্ঠানে কী কী উন্নয়নমূলক উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন তা নিজে নির্ধারণ করবেন। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার অপেক্ষায় না থেকে সৃজনশীলতা ও উদ্যোগের মাধ্যমে কাজ করবেন।”তিনি বলেন, “শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়, কারণ এখান থেকেই দেশের মানবসম্পদ তৈরি হয়। বাংলাদেশের প্রায় ১৮ কোটি জনগণের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা একটি বড় দায়িত্ব। দেশের বিপুল জনসংখ্যা সঠিকভাবে দক্ষতায় রূপান্তরিত করা গেলে এটি অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে। কারিগরি, ভোকেশনাল এবং পলিটেকনিকসহ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অতিরিক্ত তাত্ত্বিক শিক্ষার পরিবর্তে ব্যবহারিক ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এ জন্য কারিকুলাম ও প্রশিক্ষণব্যবস্থার যথাযথ পর্যালোচনা প্রয়োজন।”আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার সম্পর্কে এহসানুল হক মিলন বলেন, “প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর সুযোগ আরও সম্প্রসারণ করা হবে। উন্নত বিশ্বের অনেক দেশে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে, অন্যদিকে বাংলাদেশ জনসংখ্যার দিক থেকে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। এইৎ জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা গেলে বাংলাদেশ বিশ্বে একটি শক্তিশালী মানবসম্পদসমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে।”এইচএ 
    চাঁদাবাজ-অস্ত্রধারীদের তালিকা করে শিগগিরই সারাদেশে অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
    চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারী দাগি আসামিদের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ বুধবার (৪ মার্চ) বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ঢাকা থেকে শুরু হবে, সারাদেশেই চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারী, দাগি আসামিদের তালিকা করা হচ্ছে। নির্মোহ তালিকা করে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা প্রত্যাশা করি দেশের সব জনগণ সহযোগিতা করবেন। আমরা জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই, দেশের শান্তিশৃঙ্খলা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। আশা করি আমরা খুব শিগগিরই পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে পারি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি আজকে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার পরিদর্শনে এসেছিলাম। ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, এডিশনাল কমিশনার, যুগ্ম কমিশনার, ডিসি, এডিসি এবং ৫০ থানার ওসিদের সবার সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের সমস্যা শুনেছি এবং আমাদের যে ইনস্ট্রাকশন সেগুলো আমরা জানিয়েছি। তিনি বলেন, আমাদের মূল উদ্দেশ্য ও বর্তমান সরকারের প্রধানতম অগ্রাধিকার হচ্ছে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করা এবং জনগণে স্বস্তি প্রদান করা এবং দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। সেজন্য পুলিশের ভূমিকা অগ্রগণ্য। আমরা সবাই জানি। বিগত সরকারের আমলে পুলিশের কালিমা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেহেতু বাংলাদেশ বিগত সময়ে একটা ফ্যাসিস্ট সরকার ব্যবস্থার মধ্যে ছিল। সেই সময় অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠানের মতো পুলিশের এই প্রতিষ্ঠানটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই জায়গা থেকে আমরা ক্রমান্বয়ে আজকের এই পর্যায়ে এসেছি। জনমনে যাতে আস্থাটা আমরা সৃষ্টি করতে পারি। তিনি দাবি করে বলেন, পুলিশের যে ঐতিহাসিক ভূমিকা ছিল সেই ভূমিকায় আমরা আবার অবতীর্ণ হয়েছি এবং মানুষ যাতে মনে করে পুলিশ সত্যিকারভাবে জনগণের বন্ধু এবং সেই হিসেবে আমরা পুলিশ ফোর্সকে পরিচালিত করবো। আমি সবার মধ্যে তাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখতে পেয়েছি তারা সবাই সংকল্পবদ্ধ। দেশ ও জাতির কল্যাণে তারা যে কোনো ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত এবং তাদের প্রতিষ্ঠান হিসেবে তাদের কপালে যে অতীতে কালিমা লেপন করে দেওয়া হয়েছিল সেজন্য তারা নিজেরা দায়ী নয়। একটা ফ্যাসিবাদী রেজিমের কারণে কিছু সংখ্যক লোক সেই কর্মকাণ্ড চালিয়েছে। যার দোষটা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই প্রতিষ্ঠানের উপরে এসে পড়েছে। সেজন্য প্রতিষ্ঠান দায়ী নয়।এইচএ
    সরকারি হাসপাতাল থেকে দালাল নির্মূলের ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
    সরকারি হাসপাতাল থেকে দালাল নির্মূল করার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে নেয়া বা রোগীদের সাথে যারা প্রতারণা করবে তাদের কঠোর হস্তে দমন করার কথা-ও বলেছেন।আজ বুধবার (৪ মার্চ) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এই ঘোষণা দেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালের পরিবেশ উন্নয়ন ও খাবারের মান নিশ্চিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কারও দায়িত্বে অবহেলা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেন।এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের সম্পদ সীমিত, এই সীমিত সম্পদের মধ্যে জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার। ঢাকাসহ সারাদেশে রোগীদের সেবা নিশ্চিতে সরকার বদ্ধপরিকর।এইচএ

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    রাজনীতি

    সব দেখুন
    ওমরাহ পালনে সৌদি গেলেন জামায়াত আমির
    পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে রাতে ঢাকা ছেড়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টায় তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা হন। পবিত্র ওমরা পালন শেষে আগামী ৬ মার্চ সকালে তার ঢাকা ফেরার কথা রয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সিনিয়র প্রচার সহকারী মুজিবুল আলম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন।এইচএ 
    ওমরাহ পালনে সৌদি গেলেন জামায়াত আমির
    পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে রাতে ঢাকা ছেড়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টায় তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা হন। পবিত্র ওমরা পালন শেষে আগামী ৬ মার্চ সকালে তার ঢাকা ফেরার কথা রয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সিনিয়র প্রচার সহকারী মুজিবুল আলম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন।এইচএ 
    ‘জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বিএনপি’
    জাতীয় সংসদের বিরোধী দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকারের পদ নেওয়ার জন্য বিএনপি প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।সোমবার (০২ মার্চ) সচিবালয়ে এ কথা জানান তিনি।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান মেনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেবেন।তিনি বলেন, সংসদে বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকারের পদ নেয়ার জন্য বিএনপি প্রস্তাব দিয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে তারা জাতীয় সংসদে অংশগ্রহণ করতে পারেন না। শুধুমাত্র সংসদ সদস্যরাই জাতীয় সংসদে অংশ নিতে পারেন।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান সংস্কার নিয়ে যেসব আলোচনা হচ্ছে বা রাজনীতির মাঠে নানা কথা হচ্ছে, সেটি রাজনৈতিক অধিকার হিসেবে বলা যেতে পারে। কিন্তু অসাংবিধানিক কিছু জাতীয় সংসদে উত্থাপন করতে পারি না।তিনি আরও বলেন, গণভোটের রায় অনুসারে যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদ করতে হয়, সেটি জাতীয় সংসদে আলোচনার মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং সে অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনী আনতে হবে। সংশোধনী এনে সেটি সংবিধানে ধারণ করার পরেই, কোন প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদ হতে পারে, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ কারা পড়াবেন, কীভাবে হতে পারে সে বিষয় চূড়ান্ত হতে পারে।এমআর-২
    হাসপাতালে ভর্তি অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু
    নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বর্তমানে তিনি রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।অর্থমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা শহিদুজ্জামান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘মন্ত্রী নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে।’ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। নতুন সরকারে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি।এমআর-২
    ইরানে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে জামায়াত আমিরের স্ট্যাটাস
    ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান সংঘাত ও যুদ্ধের পরিস্থিতি নিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এ স্ট্যাটাস দেন।জামায়াত আমির লিখেছেন, ইরানসহ সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের দাবানল—হে আল্লাহ, তোমার অসীম মেহেরবানিতে নিভিয়ে দাও। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে পবিত্র রমজানের সংযম, সহনশীলতা ও মানবতার শিক্ষা ধারণ করার তাওফিক দান করো। তিনি আরও লিখেছেন, নিরীহ নারী-শিশু ও সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষা করো, আহতদের আরোগ্য দাও, বাস্তুচ্যুতদের নিরাপদ আশ্রয় দাও। সমগ্র দুনিয়াবাসীর প্রতি রহম করো—হৃদয়গুলোকে নরম করো, ঘৃণা ও প্রতিহিংসা দূর করো।সবশেষে ডা. শফিকুর রহমান লিখেছেন, হে রব্বুল আলামিন, ন্যায়ের ভিত্তিতে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করো এবং একটি নিরাপদ শান্তির পরিবেশ নিশ্চিত করে দাও।আমিন।এইচএ 
    এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
    ‘দেশ যাবে নতুন পথে, ফিরবে না আর ফ্যাসিবাদে’—এই স্লোগানে আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দিনটি উপলক্ষে রাজধানীর ধানমন্ডির আবাহনী মাঠে কেন্দ্রীয়ভাবে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করবে দলটি।জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ওই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি এনসিপির যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংস্কার ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে সরব ছিল দলটি।সর্বশেষ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যে যুক্ত হয়ে ৩০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল এনসিপি। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ ছয়জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এক বছর ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত দল হিসেবে থেকে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা এনসিপি শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) এক বছরে পা দিতে যাচ্ছে।  এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি তুলে ধরেছেন দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। তিনি জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি এনসিপির এক বছর পূর্তি। এই দিনটি উপলক্ষ্যে গণ–অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্য, ফ্যাসিবাদবিরোধী দল–সংগঠন, সাংবাদিক, শিক্ষক, শ্রমিকসহ সবাইকে নিয়ে আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করতে যাচ্ছি। ২৮ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকার ধানমন্ডিতে আবাহনী মাঠে এনসিপির ইফতার মাহফিল হবে উল্লেখ করে আরিফুল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, পেশাজীবী এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের অসংখ্য সহযোদ্ধা, বন্ধু ও সাংবাদিকদের নিয়ে দলের পক্ষ থেকে সম্মিলিতভাবে ইফতার করা হবে। সেখানে চিত্রপ্রদর্শনীও চলবে। পাশাপাশি দীর্ঘ এক বছরে দলটির রাজনৈতিক পথচলার উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটা ধারাবাহিক প্রোমো থাকবে। নাম হবে স্ট্রিট ওয়াল। সেখানে থাকবে ফটো বুথও। ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেল চারটায় এই আয়োজন শুরু হবে।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আগামী ২ মার্চ চট্টগ্রাম, ৪ মার্চ সিলেট, ৫ মার্চ ময়মনসিংহ, ৭ মার্চ ফরিদপুর, ৮ মার্চ বরিশাল, ৯ মার্চ খুলনা, ১০ মার্চ রাজশাহী ও ১১ মার্চ রংপুরে বিভাগীয় এবং ৩ মার্চ কুমিল্লায় ইফতার মাহফিল করা হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে এনসিপি। এনসিপির নেতা, জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও গুণিজনেরা এসব ইফতারে অংশ নেবেন বলে তারা জানিয়েছে।এমআর-২
    তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে বিএনপির প্রার্থী হলেন বাদশা
    বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসন বগুড়া-৬ থেকে উপনির্বাচনে দলের প্রার্থী করা হয়েছে রেজাউল করিম বাদশাকে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিএনপির পক্ষ থেকে রেজাউল করিম বাদশাকে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়।বগুড়া-৪ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেন এই তথ্য জানান।তিনি ফেসবুক পোস্ট করে লিখেন, আলহামদুলিল্লাহ, বগুড়া (সদর)-৬ আসনের এমপি প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির সম্মানিত সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা ভাইকে বিএনপির গুলশান দলীয় চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হলো।গুঞ্জন ছিল এই আসন থেকে জিয়া পরিবারের কেউ উপনির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন। তবে বেশ কিছুদিন আগে সিদ্ধান্ত হয় জিয়া পরিবারের কেউ এখান থেকে নির্বাচন করছেন না।গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।এমআর-২
    সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় শামীমা আক্তার রুবী
    সংরক্ষিত নারী আসনগুলোতে কারা মনোনয়ন পাবেন-এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংরক্ষিত আসন বণ্টনকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছে বলে দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে।গেজেট অনুযায়ী, ৩৫ সংরক্ষিত নারী আসন বিএনপি জোট এবং ১৩টি জামায়াত জোট পেতে পারে বলে কমিশন সূত্র জানিয়েছে। সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, মার্চের প্রথম সপ্তাহে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসতে পারে। অধিবেশন শুরু হলে সংসদ সচিবালয় সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে ইসিতে পাঠাবে। এরপর তফশিল ঘোষণা করা হবে।ইসি সূত্র জানায়, সংসদ সচিবালয় তালিকা পাঠালেই তফশিল ঘোষণার প্রস্তুতি নেওয়া হবে এবং পরিকল্পনা রয়েছে ঈদের আগেই নির্বাচন সম্পন্ন করার। বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টনকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে দলটি। দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয়, কারাবরণকারী, আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী ও তৃণমূল সংগঠন শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখা নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা আলোচনা হচ্ছে। দলীয় একাধিক সূত্র বলছে, শুধু সুপারিশ নয়, মাঠপর্যায়ের গ্রহণযোগ্যতা ও অতীত রাজনৈতিক ভূমিকার ওপরই মূল সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন একাধিক নারী নেতৃত্ব। তারমধ্যে অন্যতম কেন্দ্রীয় মহিলা দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শামীমা আক্তার রুবী। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শাসন আমলের পুরোটা সময় জুড়ে ছিলেন রাজপথে। দেশের বাইরে যেখানেই ফ্যাস্টিস হাসিনার আগমন সেখানেই ছিলো প্রবাসী নেতাকর্মীদের প্রতিরোধ। আর এই প্রতিরোধের অগ্রভাগে ছিলেন মহিলা দলের কেন্দ্রীয় নেত্রী শামীমা আক্তার রুবী। ফ্যাসিস্ট হাসিনার ১৭ বছরের শাসন আমলে বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম, খুন, ধর্ষণ, বিচারবহির্ভূত হত্যা, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি বন্ধের দাবি, দুর্নীতি দুঃশাসন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাহীনতা, বাংলাদেশের সাবেক তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী  বিএনপির চেয়ারপারসন দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার উপর মিথ্যা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মূলক মামলা ও প্রহসন মুলক রায়ে কারাবন্দির প্রতিবাদ, দলের চেয়ারম্যানে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা রাজনৈতিক হয়রানি মামলারা সাজর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভে  শামীমা আক্তার রুবী  ছুটে গেছেন   ইউরোপ, জাতিসংঘ, ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট, ইউরোপিয়ান কমিশন, ইউরোপিয়ান প্রেসক্লাব থেকে শুরু করে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন জেনেভাতে নানা কর্মসূচি বিক্ষোভ প্রতিবাদ, মিটিং মিছিল, প্রতিবাদ সমাবেশ, এম্বাসির ঘেরাও কর্মসূচি, স্মারকলিপির মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছি তিনি। গ্রেফতার আতঙ্কের মধ্যেও ফ্রান্স থেকে বাংলাদেশে এসে অংশগ্রহণ করেন জুলাই  আন্দোলনে। ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিদায়ি আন্দোলনে রাজপথের অগ্রভাগে ছিলেন তিনি। দীর্ঘ ১৭ বছর বাংলাদেশের রাজপথে যেমন সক্রিয় ছিলেন তেমনিভাবে বহির্বিশ্বে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইউরোপ আমেরিকা সহ ইউরোপীয়ান পার্লামেন্ট, ইউরোপীয়ান কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, আন্তর্জাতিক আদালত, জাতিসংঘসহ যেখানে হাছিনা সেখানেই প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ছিলেন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে তাঁর প্রতিটি মিটিং মিছিলে থেকে রাজনীতি করেছেন। মহিলা দলের পক্ষে থেকে বহুবার বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্টেজে বক্তব্য রেখেছেন। ঢাকা -১৭ এবং কুমিল্লা -৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সহ সমন্বয়ক, ও প্রচার প্রচারণা ও প্রকাশনা উপকমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিকভাবে দক্ষ ও সাংগঠনিকভাবে যথেষ্ট সুপরিচিত। বিগত স্বৈরাচার বিরোধী গণআন্দোলন যেমনি ছিলেন রাজপথে তেমনি ছিলেন দুঃসাহসিক লেখক পত্রিকায় সম্পাদকীয় কলাম লেখালেখি করতেন। বেগম জিয়ার নামে মুক্তি চাই শিরোনামে একটি গান লিখেছেন যা মিডিয়া সেলে প্রচারিত হয়েছে ইথুন বাবুর সুরে মৌসুমি ও পরানের কণ্ঠে তারুণ্যের সমাবেশে প্রচারিত হয়েছে যা সারা বাংলাদেশের জনতার স্রোতে জনতার হৃদয়ে স্থান পেয়েছে।ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সাথে জড়িত শামীমা আক্তার রুবী। ১৯৯০ এরশাদের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিশ্বাসী আদর্শকে লালন করেন তিনি।  ১৯৯৫ সালে ইমন আদি ও হাবীব পরিষদে ছাত্রদলের প্যানেলে ব্যালট ও মাইলা সম্পাদিকা পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।১৯৯৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইন্সটিটিউটে পিজিডিতে অধ্যয়নরত অবস্থার ছাত্র রাজনীতি সক্রিয় থাকেন তিনি। ২০০১ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য ফ্রান্সে গমন করেন।  ফ্রান্স বিএনপির সাথে একত্রে কাজ করেন, এবং বর্তমানে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল ফ্রান্স শাখার সহ সভাপতি পদে আছেন রুবী।২০০৫-২০০৯ সালে জাপানে অবস্থান করেন এবং সেখানে গিয়ে দলের জন্য কাজ করেন। ২৫শে এপ্রিল ২০১৬ তে 'জাতীয়তাবাদী নাগরিক মুক্তি পরিষদ" নামে একটি মানবাধিকার সংগঠন যা ফ্রান্সের সরকার কর্তৃক রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন তিনি এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বাংলাদেশের সাংবাদিক ও বিএনপি নেতাকর্মীদের গুম খুন হত্যা ধর্ষণ সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তির লক্ষ্য কাজ করে জাতীয়তাবাদী নাগরিক মুক্তি পরিষদ। আন্দোলন সংগ্রামের পাশাপাশি শামীমা আক্তার রুবী বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। তার কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পেয়েছেন একাধিক সামাজিক পুরস্কারএক প্রতিক্রিয়ায় শামীমা আক্তার রুবী বলেন, ‌সংরক্ষিত আসনে মহিলা এমপি হলে দেশের জন্য দেশের নারীদের জন্য আমার স্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে-১️. নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন•গ্রামে গ্রামে নারী উদ্যোক্তা তৈরির জন্য প্রশিক্ষণ ও ক্ষুদ্রঋণ সহায়তা।•বেকার তরুণী ও স্বল্পশিক্ষিত নারীদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন (আইটি, হস্তশিল্প, কৃষিভিত্তিক কাজ)।•স্থানীয় বাজারে নারীদের পণ্যের জন্য আলাদা কর্নার/ই-কমার্স সংযোগ।২️ শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন•স্কুলছুট মেয়েদের পুনরায় শিক্ষায় ফেরানো।•ডিজিটাল শিক্ষা ও ফ্রি কোচিং সাপোর্ট।•উচ্চশিক্ষায় মেয়েদের স্কলারশিপের ব্যবস্থা বাড়ানো।৩️ নারী ও শিশুর নিরাপত্তা•বাল্যবিবাহ, যৌতুক ও নির্যাতন প্রতিরোধে কঠোর মনিটরিং।•থানায় ও প্রশাসনে নারী সহায়তা ডেস্ক সক্রিয়করণ।•সচেতনতা ক্যাম্পেইন ও আইনি সহায়তা সেল গঠন।৪️ স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন•মা ও শিশুস্বাস্থ্য সেবা জোরদার।•গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নারী চিকিৎসক নিশ্চিতের উদ্যোগ।•মাসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা ও স্যানিটারি ন্যাপকিন সহজলভ্য করা।৫️ নীতিনির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা•সংসদে নারীর অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে সোচ্চার থাকা।•এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনায় সরাসরি সম্পৃক্ততা।•জনগণের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময় সভা।সংরক্ষিত আসন শুধু একটি পদ নয়—এটি নারীদের কণ্ঠস্বর শক্তিশালী করার একটি দায়িত্ব।আমি চাই, আমার কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করতে যে সংরক্ষিত আসনের নারী এমপিরাও উন্নয়ন ও নীতিনির্ধারণে কার্যকর নেতৃত্ব দিতে পারেন।পিএম

    দেশজুড়ে

    সব দেখুন
    রাজধানীতে প্রাইভেটকারের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৮
    রাজধানীর মোহাম্মদপুরের হুমায়ুন রোডে প্রাইভেটকারের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৮ জন দগ্ধ হয়েছে।সোমবার (০২ মার্চ) বিকেলে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।দগ্ধরা হলেন- মো. তারেক রহমান (২৩), মো. মনা (৪০), মিরাজ (৩৬), রেহান বাদল (২৩), মো. জনি (৩৫), মো. আকাশ (২৫), মো. আজাদ (৫৫) ও ইরফান (১১)।জাতীয় ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, মোহাম্মদপুর থেকে প্রাইভেটকারের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ অবস্থায় আটজনকে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে। এদের মধ্যে ছয়জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দুজনকে ভর্তি দেওয়া হয়েছে।এমআর-২
    বায়তুল মোকাররমের পাশ থেকে কাটা হাত-পা উদ্ধার
    ঢাকার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পাশ থেকে দুটি কাটা হাত এবং স্কাউট ভবনের পাশ থেকে একটি কাটা পা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পুলিশ জানতে পেরেছে, ওবায়দুল্লাহ নামে এক ব্যক্তির দেহের অংশ এগুলো।শুক্রবার রাত ২টার দিকে পা এবং শনিবার সকালে কাঁটা দুই হাত উদ্ধার করে পুলিশ।পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল খান বলেন, বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ও উত্তর গেটের মাঝামাঝি এলাকায় রাস্তায় বিচ্ছিন্ন দুই হাত পাওয়া যায়। এছাড়া স্কাউট ভবনের সামনের রাস্তা থেকে উদ্ধার করা হয় একটি বিচ্ছিন্ন পা।তিনি আরও জানান, পরে হাতের ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করে জানা যায়, ওবায়দুল্লাহ নামে এক ব্যক্তির দেহের অংশ এই হাত ও পা। তার বাড়ি নরসিংদী শিবপুর উপজেলায়। দেহের অংশ বিশেষ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল (ঢামেক) কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। দেহের বাকি অংশ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।এমআর-২
    রাজধানীতে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা
    ঢাকার হাজারীবাগ এলাকায় এক স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ময়নাতদন্তের জন্য ওই ছাত্রীর মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে হাজারীবাগ এলাকার হায়দার হোটেলের গলির ভেতরে ওই ছাত্রীর ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। হত্যাকাণ্ডের শিকার ছাত্রী শাহরিয়ার শারমিন বিন্তি রায়েরবাজার হাইস্কুলের ৮ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছিল। তার বাবার নাম বিল্লাল হোসেন। সে হাজারীবাগের হায়দার হোটেলের পাশে একটি ভবনে পরিবারের সঙ্গে থাকত।পুলিশ জানায়, ওই ছাত্রীকে পিঠের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। একপর্যায়ে স্বজনরা উদ্ধার করে, প্রথমে শিকদার মেডিকেলে নিয়ে যায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে এলে জরুরি বিভাগের কবর্ত্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে কী কারণে এমন ঘটনা, সে বিষয়ে পুলিশ কিছু জানাতে পারেনি।  এফএস
    সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পরিচয় পেয়েও সাংবাদিকদের বেধড়ক পিটুনি
    রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সংবাদকর্মীদের ওপর পুলিশের বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাতে মাদকবিরোধী অভিযানের সংবাদ সরাসরি সম্প্রচার করার সময় বাংলানিউজের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার তোফায়েল আহমেদসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর লাঠিচার্জ করে একদল পুলিশ সদস্য। বারবার নিজেদের পরিচয় দেওয়ার পরও কোনো তোয়াক্কা না করে পুলিশ তাদের বেধড়ক লাঠিপেটা ও শারীরিক নির্যাতন চালায়।সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযানে নামে পুলিশ।জনগুরুত্বপূর্ণ এই অভিযানের দৃশ্য জনসমক্ষে তুলে ধরতে ফেসবুক লাইভ করছিলেন সাংবাদিক তোফায়েল আহমেদসহ অন্যান্য সাংবাদিকরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাইভ চলাকালীন কোনো উসকানি ছাড়াই একদল পুলিশ সদস্য এসে তোফায়েলকে লক্ষ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। তিনি নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে পুলিশ। এ সময় তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং একের পর এক লাঠির আঘাত করা হয়।ঘটনাস্থলে উপস্থিত আজকের পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার কাওসের আহম্মেদ রিপন বলেন, ‘পুলিশ কোনো ধরনের বাছবিচার ছাড়াই সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয়। তোফায়েলকে যখন মারা হচ্ছিল, তখন আমরা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করি। কিন্তু পুলিশ সদস্যরা এতটাই মারমুখী ছিলেন যে, তারা আমাদেরও লাঠিপেটা করে।’পুলিশের পিটুনিতে গুরুতর আহত তোফায়েল আহমেদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে।মাথায় ও পিঠে আঘাতের ফলে তার রক্তক্ষরণ হয়। সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভোঁতা অস্ত্রের (লাঠি) আঘাতে তার শরীরে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের ঝুঁকি রয়েছে।আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন অপেশাদার আচরণে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার বদলে সংবাদকর্মীদের ওপর এমন হামলাকে ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল। এ প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, ‘যেহেতু ভিডিও ফুটেজ আছে, তাই ভিডিও দেখে সাংবাদিক পেটানোর ঘটনায় যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় পুলিশের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিক নেতারা।এদিকে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে রাতেই তীব্র নিন্দার ঝড় ওঠে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের পক্ষ থেকে। সাংবাদিক নেতারা বলেন, রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভের ওপর এমন আক্রমণ গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের শামিল। তারা অবিলম্বে হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের বরখাস্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।অপরাধ দমনের নামে পুলিশের এমন ‘বেপরোয়া’ আচরণ খোদ বাহিনীর ইমেজকে সংকটে ফেলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। জননিরাপত্তার দোহাই দিয়ে রক্ষক যখন ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়, তখন আইনের শাসন নিয়ে বড় প্রশ্ন দেখা দেয়। তাছাড়া অতি উৎসাহী এসব পুলিশ সদস্যদের জন্য সরকারও বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে পারে বলে মত নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের।এবি 
    রাজধানীতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪
    রাজধানীর হাজারীবাগে একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন- শেখ রোমান (৩৫), তার স্ত্রী পিংকি আক্তার (৩২) ও তাদের ছেলে রুহান (৩), ও রোমানের শ্যালক অপু (২৩)। তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করানো হয়েছে।দগ্ধ রুমানের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনায়। তিনি একটি রিয়েল এস্টেট কম্পানিতে চাকরি করেন। পরিবার নিয়ে রায়েরবাজারে ভাড়া বাসায় থাকেন। দগ্ধ রোমানের ভাই মামুন বলেন, পূর্ব রায়েরবাজারের একটি ৬ তলা ভবনের নিচতলায় ভোর ৪টার দিকে রান্না করতে গ্যাসের চুলা জ্বালালে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।এতে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে র্তি করা হয়।বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান বলেন, দগ্ধ ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের মধ্যে শেখ রোমানের শরীরের ৭০ শতাংশ, পিংকি আক্তারের ৭৫ শতাংশ, রুহানের শরীরের ৩৫ ও অপুর শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।এমআর-২
    মেহেরপুরে সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
    মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনের সংসদ সদস্য নাজমুল হুদা এবং জামায়াত নেতা ও কাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলম হুসাইনের ওপর হামলার চেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে গাংনী উপজেলা জামায়াতে ইসলামী।বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে গাংনী উপজেলা জামায়াতের কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি হাসপাতাল বাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাসস্ট্যান্ড চত্বরে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন গাংনী উপজেলা জামায়াতের আমির ডা. রবিউল ইসলাম, সেক্রেটারি মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক সেক্রেটারি শফিউল ইসলাম, জামায়াত নেতা আহসানুল হক, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি ওয়াস কুরুনী ও মাওলানা আব্দুল হালিমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।সমাবেশে বক্তারা বলেন, “সংসদ সদস্যের ওপর হামলার চেষ্টা গণতন্ত্রের ওপর চরম আঘাত। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।” এ সময় ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারিও দেন বক্তারা।উল্লেখ্য, বুধবার দুপুরে গাংনী উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা ও চোরাচালানবিরোধী সভা চলাকালে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ উঠেছে, সভার একপর্যায়ে বিএনপির একটি পক্ষ জামায়াত নেতা ও সংসদ সদস্য নাজমুল হুদা এবং জামায়াত সমর্থিত কাজীপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলম হুসাইনের ওপর হামলার চেষ্টা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করেন। পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক করেন।এনআই
    জীবননগরে হত্যা মামলায় বিএনপি নেতাকে আসামি করারয় সংবাদ সম্মেলন
    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ ইউনিয়নে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষে জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমানের নিহতের ঘটনায় হওয়া মামলায় উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দীন ময়েনকে আসামি করার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে উপজেলা ও পৌর বিএনপি।বুধবার (৪ মার্চ) বেলা ১২টায় জীবননগর প্রেসক্লাবে উপজেলা, পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান খোকন বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলেও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে মঈন উদ্দীন ময়েনকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, সংঘর্ষের সময় ময়েন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পরদিন সুটিয়া স্কুল মাঠে হাসাদাহ গ্রামের জসিমের ছেলে মেহেদী হাসানকে মারধর করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি মীমাংসার লক্ষ্যে হাসাদাহ বাজারে বসার কথা থাকলেও সেখানে কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। পরবর্তীতে জামায়াত নেতা ইসরাইলের নেতৃত্বে মেহেদীর বাড়িতে হামলা করা হয় এবং মেহেদীদের প্রতিরোধে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হন।বিএনপি নেতাদের দাবি, পরিস্থিতি জানার পর মঈন উদ্দীন ময়েনসহ দলীয় নেতারা প্রথমে আহতদের দেখতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। পরে এলাকায় উত্তেজনার খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলের দিকে গেলেও পুলিশি তৎপরতা ও প্রশাসনের আশ্বাসে ফিরে আসেন।এদিকে আহত হাফিজুর রহমান ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলে জীবননগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় মঈন উদ্দীন ময়েনকে প্রধান আসামি করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক চাপে তাঁকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে।উপজেলা বিএনপি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং নিরপরাধ নেতাদের হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছে। অন্যথায় দলীয়ভাবে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি প্রদান করেন তাঁরা।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন—উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আলতাফ পারভেজ, জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান কবীর, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, সারোয়ার হোসেন প্রমুখ।এনআই
    নড়াইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ইটভাটার শ্রমিকের মৃত্যু
    নড়াইলের লোহাগড়ায় পানির মোটর চালু করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ইটভাটা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার চাচই-ধানাইড় গ্রামে অবস্থিত ‘আগুন ব্রিকস্’ নামক ইটভাটায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শ্রমিকের নাম মো. দাউদ গাজী (৫২)। তিনি খুলনার পাইকগাছা থানার গড়ইখালী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পরিবারসহ লোহাগড়া উপজেলার ‘আগুন ব্রিকস্’ ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বেলা ১১টার দিকে ইট তৈরির মাটি ভেজানোর জন্য পানির মোটর চালু করছিলেন দাউদ গাজী। কাজ চলাকালীন সময় হটাৎ করে মোটরটি বন্ধ হয়ে গেলে তিনি ভেজা কাপড়ে মোটরের সুইচ চালু করতে যান। এসময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে অন্য শ্রমিকরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।এসআর
    ঝিনাইদহে আ.লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলনকারীকে ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা
    ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলনকারী এক ছাত্রলীগ নেতাকে ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা করেছেন তার বাবা। বুধবার (৪ মার্চ) বিষয়টি জানাজানি হয়। এর আগে গত সোমবার ছেলে নাহিদ হাসান সবুজকে ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা করে হলফনামা দেন তার বাবা মো. আবু জাফর।জেলা নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে হলফনামার মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন আবু জাফর। ঝিনাইদহ জেলা জজ কোর্টের আইনজীবী মো. সাদাতুর রহমান হাদির মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়।জানা যায়, গত ২১ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন নাহিদ হাসান সবুজ। তিনি ঝিনাইদহ সরকারি কেশবচন্দ্র (কেসি) কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।হলফনামা সূত্রে জানা গেছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার অভিযোগে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোড়াহাটী ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দী গ্রামের ব্যবসায়ী আবু জাফর (৪৮) তার ছেলে নাহিদ হাসান সবুজকে (২৪) ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা করেন।হলফনামায় আবু জাফর উল্লেখ করেন, তার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের অবাধ্য এবং নিজের ইচ্ছামতো জীবনযাপন করে আসছে। বর্তমানে সে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করে না এবং আলাদা থাকে।এছাড়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ ঘোষিত হলেও তার ছেলে ওই সংগঠনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিশেষ করে গত ২১ ফেব্রুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তিনি পিতা হিসেবে বিব্রত হন।হলফনামায় আরও বলা হয়েছে, নাহিদ হাসান সবুজের ভবিষ্যৎ কোনো আয়-রোজগার, দায়-দেনা বা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার পিতা কিংবা পরিবারের অন্য সদস্যদের কোনো সম্পর্ক থাকবে না। তার কোনো অপকর্মের দায়ভার পরিবার বহন করবে না।ইখা
    বেনাপোল বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা রুই মাছ আটক
    বেনাপোল বন্দরে ভারতীয় ট্রাক থেকে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা রুই মাছের একটি চালান আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। সোমবার (২ মার্চ) দিবাগত রাত ১০টার দিকে বন্দরের ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড থেকে মাছের এই চালানটি আটক করা হয়। পরে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে আটক করা মাছ নিলামে বিক্রি করা হয়েছে।মাছের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ঢাকার সাজ্জাত এন্টারপ্রাইজ। বন্দর থেকে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে এই চালানটি খালাসের চেষ্টা করছিল বহুল আলোচিত সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান আলেয়া এন্টারপ্রাইজ। এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা ৫ হাজার ৯৪৩ কেজি ইলিশের একটি অবৈধ চালান আটক করা হয়েছিল, যাতে এই একই চক্রের সংশ্লিষ্টতা ছিল।বন্দর সূত্রে জানা গেছে, এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীর শুল্ক ফাঁকির কারণে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, একটি সিন্ডিকেট কোনো প্রকার এন্ট্রি ছাড়াই কোটি কোটি টাকার মালামাল শুল্ক না দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। চিহ্নিত শুল্ক ফাঁকিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা দিনের পর দিন অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছে। এসব অনিয়মের সঙ্গে কাস্টমস ও বন্দরের এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তার সখ্য রয়েছে বলে সাধারণ ব্যবসায়ীদের অভিযোগ। অপরাধীরা ধরা পড়লেও বিভিন্ন কৌশলে তাদের লাইসেন্স রক্ষা করে আবারও ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়া হয়; যার ফলে সৎ ব্যবসায়ীরা পদে পদে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।বেনাপোল কাস্টমসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাঁরা জানতে পারেন—একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট সামুদ্রিক মাছ ঘোষণা দিয়ে রুই মাছ আমদানি করেছে। পরে মাছবাহী ট্রাকে অভিযান চালিয়ে ১০টি প্যাকেজে ৬০০ কেজি রুই মাছ উদ্ধার করা হয়। শুল্ক ফাঁকিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।এনআই
    রামুতে ভাড়া বাসায় যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, স্ত্রী পলাতক
    কক্সবাজারের রামু উপজেলার একটি ভাড়া বাসা থেকে বেলাল উদ্দিন জিহাদ প্রকাশ বাদল (২৫) নামের এক যুবকের গলাকাটা ও অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে তার স্ত্রী তাহেরা বেগম আঁখি পলাতক রয়েছেন।বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের পূর্ব মেরোংলোয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত বাদল পূর্ব রাজারকুল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হাজীপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি পেশায় ইজিবাইকচালক ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বামী-স্ত্রী দুজনই টিকটকে সক্রিয় ছিলেন।পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েক দিন ধরে ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হতে থাকলে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। সেখানে বিছানার ওপর বাদলের গলাকাটা ও বিকৃত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভুঁইয়া বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।রাজারকুল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য স্বপন বড়ুয়া বলেন, বাদলের স্ত্রী আগে বিবাহিত ছিলেন। এ কারণে পরিবারের পক্ষ থেকে এই বিয়ে মেনে নেওয়া হয়নি। ফলে তারা আলাদা বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। কিছুদিন আগে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ হলে স্থানীয়ভাবে বসে তা মীমাংসা করা হয়েছিল।স্বপন বড়ুয়া বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। ঘটনার পর থেকে আঁখির কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তার মুঠোফোনও বন্ধ রয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক স্ত্রীকে আটক করা গেলে ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।এসআর
    রায়পুরে কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাই, পুলিশ অভিযানে মালামাল উদ্ধার
    লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাইয়ের ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযানে ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২ মার্চ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে ইমাম হোসেন ইয়াকুব (১৯) তার খামারের অসুস্থ মুরগির চিকিৎসা সংক্রান্ত পরামর্শ নিতে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বলাছ এলাকায় যান। ফেরার পথে অভিযুক্তরা তার পথরোধ করে পাশের সরিষা ক্ষেতে নিয়ে যায় এবং মৃত্যুর হুমকি দিয়ে তার কাছে থাকা ইনফিনিক্স হট ১৪আই মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়।এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হলে রায়পুর থানায় জিআর-৪৫/২৬ নম্বর মামলা রুজু করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. জসিম উদ্দিন অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেন।পরে তাদের স্বীকারোক্তি ও ভুক্তভোগীর শনাক্তের ভিত্তিতে উপজেলা রোডে মেঘনা হাসপাতালের বিপরীতে একটি পরিত্যক্ত কাঠমিস্ত্রির দোকান থেকে ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও নগদ ২০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পিএম
    চাঁদপুরে পৃথক ঘটনায় দুই মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ
    চাঁদপুরে পৃথক ঘটনায় দুই মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রাতে মতলব পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ বাইশপুর মতলব ব্রীজ সংলগ্ন মতির মৃধাী ঘর থেকে আর. এফ. এল কোম্পানির বিক্রয়কর্মী অলক কুমার মোহন্ত (২৭) এর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।মতিন মৃধার বাড়ির একটি কক্ষে গত ৩ মাসে যাবত ভাড়া ছিলেন এই অলক কুমার মোহন্ত। ৩ মার্চ সারাদিন সে ঘর থেকে বাহির না হওয়ায় সন্দেহ হয় বাড়ির মালিকের । রাতে অনেক ডাকাডাকির পর ভিতর থেকে সাড়া না পেয়ে  জানালা দিয়ে দেখতে পায় বিছানায় ঘুমিয়ে আছে অলক।পরে মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা কেটে তার মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত অলকের বাড়ি রাজশাহীর নওগাঁও এর নেয়ামতপুর। তার পিতার নাম অমল মোহন্ত।অপরদিকে মঙ্গলবার বিকালে চাঁদপুর সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়ন থেকে ফারজানা আক্তার (১৮) নামের এক গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বামীর সঙ্গে ফোনে কথা কাটাকাটির পর এক গৃহবধু আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিনের নির্যাতন ও যৌতুকের চাপে এ ঘটনা ঘটেছে।পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় আট মাস আগে পারিবারিকভাবে সদরের লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের শাহাজান কবিরাজ বাড়ির মমিন গাজীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। অভিযোগ রয়েছে,  শাশুড়ি ও স্বামী যৌতুকের জন্য চাপ দিতেন। মঙ্গলবার দুপুরে স্বামীর সঙ্গে তার ফোনে বাকবিতণ্ডা হয়। এরপর নিজ ঘরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন ফারজানা।চাঁদপুর মডেল থানার তদন্ত ওসি মিন্টু দত্ত বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।এসআর
    পাহাড়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে: পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী
    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, “পার্বত্য অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার পাহাড়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছে। এই উন্নয়নের বার্তা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যমকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।”বুধবার (৪ মার্চ) সকাল ১০টায় জেলা পরিষদের হলরুমে রাঙামাটির স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বিগত সরকারের আমলে রাঙামাটি জেলায় ক্রীড়া খাতে সংঘটিত বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত করা হবে। তিনি বলেন, “মিনি স্টেডিয়ামের নামে যে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”সভায় স্থানীয় সাংবাদিকরা রাঙামাটিতে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলার বিষয়টি মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। এ বিষয়ে মন্ত্রী অভিযোগগুলো যাচাই করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।সভায় উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার দিপু, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন এবং সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম ভুট্টো। এছাড়া রাঙামাটি প্রেস ক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটি ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকরা পাহাড়ের ভূমি সমস্যা, যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়ন এবং সাংবাদিকদের আবাসন সুবিধাসহ বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।সভা শেষে মন্ত্রী রাঙামাটির উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করতে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।ইখা
    পারিবারিক বিরোধের ‘বলি’ শিশু ইরা মনি!
    প্রতিবেশীর সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের জেরে আট বছরের শিশু ইরা মনিকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন বাবু শেখ (৪৫)। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তাকে ফুঁসলিয়ে সীতাকুণ্ডের পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা এবং পরে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যায় সীতাকুণ্ড থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন এ তথ্য জানান। পুলিশের ভাষ্য, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার বাবু শেখ এসব তথ্য স্বীকার করেছেন।জেলা পুলিশের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিহত শিশুর বাবা মনিরুল ইসলামের সঙ্গে বাবু শেখের দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধ ছিল। বিভিন্ন সময় তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হতো। এরই প্রতিশোধ নিতে মনিরুল ইসলামের মেয়েকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।পুলিশ জানায়, গত রবিবার সকালে ইরা মনিকে চকলেট কিনে দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের করে বাবু শেখ। পরে বাসে করে কুমিরা থেকে সীতাকুণ্ডে নিয়ে যান। সেখান থেকে হেঁটে বোটানিক্যাল গার্ডেন এলাকার দুর্গম পাহাড়ে ওঠেন। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। এ সময় ইরা চিৎকার করে ঘটনাটি জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গলা কেটে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত।রক্তাক্ত অবস্থায় জঙ্গল থেকে হেঁটে বোটানিক্যাল গার্ডেনের নির্মাণাধীন সড়কের কাছে পৌঁছালে শ্রমিকরা তাকে দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যু হয়।শিশুটির বাড়ি ছোট কুমিরা মাস্টারপাড়ায়। তার বাবা মনিরুল ইসলাম পেশায় টমটম চালক। স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল ইরা মনি।মঙ্গলবার সকালে কুমিরার কাজীপাড়া এলাকা থেকে বাবু শেখকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধায় হলেও তিনি কুমিরায় মনিরুল ইসলামের বাড়ির পাশেই ভাড়া থাকতেন।পুলিশ জানিয়েছে, আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা ফরেনসিক প্রতিবেদনের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।ইখা
    অষ্টগ্রামে দুই শিশুর ঝগড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩৫
    কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় দুই শিশুর তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (৪ মার্চ) সকালে উপজেলার খয়েরপুর-আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের কদমচাল এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই শিশুর মধ্যকার ঝগড়াকে কেন্দ্র করে কদমচাল গ্রামের বাসিন্দা আজমান মিয়া ও তাঁর সহোদর ভাই ইব্রাহিম মিয়ার মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার রাতেও এ নিয়ে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। এর জের ধরে বুধবার সকালে আজমান মিয়ার শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁর পক্ষ নিয়ে ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষের লোকজনের সঙ্গে তর্কে জড়ায়।একপর্যায়ে ইব্রাহিম মিয়ার শ্বশুরবাড়ির লোকজনও ঘটনাস্থলে এলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এলাকাটি। সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩৫ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে গুরুতর অবস্থায় অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোয়েব খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশুদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এনআই
    নারায়ণগঞ্জে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে উচ্ছেদ অভিযান
    আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন ও যানজটমুক্ত রাখতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড় এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ।বুধবার (৪ মার্চ) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত পরিচালিত এই অভিযানে মহাসড়কের পাশে গড়ে ওঠা শতাধিক অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।অভিযানকালে বিশেষ করে ব্রিজের ওপর স্থাপিত ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামো অপসারণ করে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পাশাপাশি ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং থ্রি-হুইলার নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ সময় উল্টোপথে যান চলাচল রোধে চালকদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়।হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিমরাইল মোড় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পয়েন্ট। ঈদকে কেন্দ্র করে এখানে যানবাহনের চাপ কয়েক গুণ বৃদ্ধি পায়। ফলে সামান্য বিশৃঙ্খলাও বড় ধরনের যানজটের কারণ হতে পারে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। উচ্ছেদের পাশাপাশি ফিটনেসবিহীন বেশ কয়েকটি পরিবহনের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হয়।অভিযান চলাকালে সিএনজি ও থ্রি-হুইলার চালকসহ সাধারণ মানুষকে মহাসড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, নির্ধারিত স্থানে গাড়ি পার্কিং এবং উল্টোপথে চলাচল থেকে বিরত থাকার বিষয়ে অনুরোধ জানানো হয়।এ বিষয়ে শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (টিআই) জুলহাস উদ্দিন জানান, ঈদকে সামনে রেখে মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ থাকবে। তাই আগেভাগেই ফুটপাত ও ব্রিজের ওপর থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হয়েছে। উল্টোপথে যান চলাচল ও অনিয়ন্ত্রিত থ্রি-হুইলার চলাচল কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে হাইওয়ে পুলিশ সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছে এবং এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।এনআই
    পদ্মায় জাটকা নিধনবিরোধী অভিযান, জালসহ জেলে আটক
    রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে জাটকা ইলিশ রক্ষা ও সংরক্ষণ অভিযানে এক জেলেকে আটক করেছে নৌ পুলিশ। এ সময় তাঁর কাছ থেকে এবং নদী থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় মোট ৫০ হাজার ৩০০ মিটার কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়।বুধবার (৪ মার্চ) বিকেলে দৌলতদিয়ার পদ্মা নদীর কুশাহাটার চর নামক স্থানে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।আটক জেলের নাম মো. রহিম শেখ (৪৫)। তিনি পাবনা জেলার আমিনপুর থানার মাসুন্দিয়া ইউনিয়নের তালিব নগর এলাকার মৃত হোসেন শেখের ছেলে।নৌ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে অভিযান চালিয়ে কুশাহাটার চর এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল উদ্ধার করেন। এ সময় ৩শ মিটার কারেন্ট জালসহ জেলে রহিম শেখকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত অবৈধ কারেন্ট জালগুলো জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা জানান, “পদ্মা নদীতে জাটকা ইলিশ রক্ষা ও সংরক্ষণ অভিযানে আমরা বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল উদ্ধার করেছি। এ সময় আটক জেলের বিরুদ্ধে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।”এনআই
    গাজীপুরে হাট-বাজার ইজারা দরপত্রে অনিয়মের অভিযোগ
    গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌর এলাকায় হাট-বাজার ইজারা প্রদানের দরপত্র প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। দরপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া পে-অর্ডার পরিবর্তন করে ঘুষের বিনিময়ে পছন্দের ব্যক্তিকে ইজারা দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা। এ ঘটনায় বুধবার (৪ মার্চ) লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন সফিপুর বাজারের ব্যবসায়ীরা।অভিযোগে বলা হয়েছে, শিল্পসমৃদ্ধ কালিয়াকৈর পৌর এলাকায় বর্তমানে ৬টি বড় হাট-বাজার, ২টি টার্মিনাল, ৩টি মাছের আড়ৎ ও ৮টি পাবলিক টয়লেট রয়েছে। প্রতি বাংলা সনে এসব হাট-বাজার ইজারা দেওয়া হয়। চলতি বছরের ইজারার জন্য সম্প্রতি পৌর কর্তৃপক্ষ দরপত্র আহ্বান করে এবং গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ছিল দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সফিপুর বাজারের ইজারার জন্য তিনজন দরদাতা অংশ নেন। সফিপুর বাজার ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম ১ কোটি ৫০ লাখ ৫০০ টাকার দরপত্র জমা দেন। অপরদিকে নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ী পৃথক দুই ব্যক্তির নামে ১ কোটি ৫৮ লাখ এবং ১ কোটি ৮০ লাখ টাকার দরপত্র দাখিল করেন। বিকেলে পৌর কার্যালয়ে উপস্থিত সবার সামনে ঘোষণা করা হয়—১ কোটি ৮০ লাখ টাকার দরদাতাই ইজারা পেয়েছেন।তবে অভিযোগ রয়েছে, ঘোষণার পর নাজমুল ইসলাম দরপত্রের কপি ও সংশ্লিষ্ট পে-অর্ডার দেখতে চাইলে পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম তা দেখাতে বাধা দেন। এ সময় পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম ফখরুল ইসলাম উপস্থিত থাকলেও বিষয়টি নিয়ে কোনো আপত্তি জানাননি বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, নিয়ম অনুযায়ী দরপত্রের উল্লেখিত টাকার ৮০ শতাংশ সমপরিমাণ পে-অর্ডার জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু ১ কোটি ৫৮ লাখ ও ১ কোটি ৮০ লাখ টাকার দরপত্রের ক্ষেত্রে সেই অনুপাতে পে-অর্ডার জমা দেওয়া হয়নি। বরং বেশি অংকের দরপত্র বাতিল করে প্রায় ২৯ লাখ টাকা কমের একটি দর গ্রহণ করা হয়েছে, ফলে সরকার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। তাদের দাবি, প্রকৃত ও নিয়ম মেনে জমা দেওয়া দরপত্র উপেক্ষা করে প্রায় ৫ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে ইজারা প্রদান করা হয়েছে।পৌরসভার একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গত ৫ আগস্ট মেয়র পদ শূন্য হওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলেও বাস্তবে অধিকাংশ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ন্ত্রণ করছেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম। হাট-বাজার ইজারা, ট্রেড লাইসেন্স প্রদানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম তার নিয়ন্ত্রণেই পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।এ বিষয়ে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, দরপত্র প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়নি। নিউজ করা লাগবে না। দেখা করেন, আপনার জন্য যা করার লাগে করবো।পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম ফখরুল ইসলাম বলেন, হাট-বাজার দরপত্রে কোনো অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    গাজীপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২ কিশোর নিহত, আহত ১
    গাজীপুর মহানগরের ডুয়েট এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন সাদমান (১৫) নামের আরও এক কিশোর। নিহতরা হলেন- আরাফ খান (১৫) এবং সাজিব (১৫)।বুধবার (৪ মার্চ) বিকাল আনুমানিক সোয়া ৫টার দিকে ২৫নং ওয়ার্ডের ডুয়েট সংলগ্ন সোনারতরী কমিউনিটি সেন্টারের সামনের সড়কে ব্যাটারী চালিত অটোরিকশার সাথে সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।নিহত আরাফ খান মহানগরের ২৪নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাহবুবুর রশিদ শিপু খানের ছোট ভাই মো. দিপু খানের একমাত্র ছেলে। সে বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন (টাকশাল) উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্র ছিলেন। নিহত অপর কিশোর মো. সাজিব একই এলাকার মৌবাগের বাসিন্দা।স্থানীয়রা জানান, ইফতারের দাওয়াতে অংশ গ্রহণের জন্য তিন বন্ধু জয়দেবপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় ২৫ নং ওয়ার্ডের সোনারতরী কমিউনিটি সেন্টারের সামনের সড়কে একটি ব্যাটারী চালিত অটোরিকশার সাথে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই আরাফ খান নিহত হন। গুরুতর আহত সাজিব এবং সাদমানকে  উদ্ধার করে শহীদ তাজ উদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।নিহত আরাফ খানের বড় চাচা শিপু খান বলেন , ‘আমার  তিন ভাইয়ে মধ্যে মেঝো ভাই দিপু খানের সংসারে এক ছেলে এবং এক মেয়ে। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই আমরা ঘটনাস্থলে হাজির হই।  এই দুর্ঘটনার শোক আমার পরিবারের সদস্যরা কিভাবে কাটিয়ে ওঠবে আমার জানা নেই। গাজীপুর মেট্রোপলিটন সদর থানার এস আই ফজলুল হক জানায়, মোটরসাইকেলে তিনজন আরোহী ছিল।  তারা গাজীপুর শিববাড়ি টু শিমুলতলী সড়কের সোনারতরী কমিউনিটি সেন্টারের সামনে পৌঁছালে অটোরিক্সার সাথে সংঘর্ষ হয় এতে ঘটনাস্থলেই ১ জন ও হাসপাতালে নেয়ার পর আরো এক জন মারা যায়। অপর আরোহী চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ বিষয়ে শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. মাহামুদা রানী সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, সড়ক দুর্ঘনার শিকার দুইজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে একজনকে মৃত অবস্থায় পাই এবং অন্য জন মুমুর্ষ অবস্থায় ছিল। পরবর্তীতে আহত রোগীকে ভর্তি দিয়ে ওয়ার্ডে পাঠানো হলে সেও মারা যায়। তারা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মাথায় গুরুত্বর আঘাত প্রাপ্ত ছিল।পিএম
    বরিশালের অর্ধশতাধিক যুবকের ইতালি যাওয়ার স্বপ্ন লিবিয়ায় বন্দি
    বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার অন্তত অর্ধশতাধিক যুবকের ইতালি যাওয়ার স্বপ্ন এখন লিবিয়ায় বন্দি। দালালের খপ্পরে পড়ে জিম্মি অবস্থায় সেখানে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা। গত বছরের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মুক্তিপণ দিয়ে ১৫ যুবক দেশে ফিরলেও বাকিদের ভাগ্য এখনো অনিশ্চিত।ইতালি পাঠানোর নামে পাচার করে শারীরিক-মানসিক নির্যাতন এবং মুক্তিপণসহ প্রত্যেকের কাছ থেকে ২৪ লাখ টাকা করে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মানব পাচার চক্রের বিরুদ্ধে বরিশাল মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে তিনটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। সম্প্রতি দেশে ফিরে আসা মেহেদী হাসান খান, আব্দুল হামিদ ও আব্দুর রহিম সরদার বাদী হয়ে মামলাগুলো দায়ের করেন।আদালতের নির্দেশে গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ মামলাগুলো নথিভুক্ত করেছে। মামলার প্রধান আসামিরা হলেন—গৌরনদী উপজেলার জামাল মোল্লা (৫০), তাঁর দুই ইতালি প্রবাসী ছেলে জাকির মোল্লা (৩৫) ও সাকিব মোল্লা (৩৩) এবং জামালের দুই শ্যালক বাবুল বেপারী (৪৫) ও হাবুল বেপারী (৪২)। বর্তমানে জামাল মোল্লা ও তাঁর দুই শ্যালক কারাগারে রয়েছেন। তবে দুই ছেলে বিদেশে থাকায় তদন্তে কিছুটা ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।বাদীদের ভাষ্যমতে, ‘বৈধ ওয়ার্ক পারমিট’ ও ‘মোটা অঙ্কের বেতনের’ প্রলোভন দেখিয়ে জামাল মোল্লা ও তাঁর সহযোগীরা জনপ্রতি ১৬ লাখ টাকা করে হাতিয়ে নেন। বিশ্বাস জোগাতে প্রায়ই ভিডিও কলে ইতালি প্রবাসী ছেলেদের সাথে কথা বলিয়ে দেওয়া হতো। এরপর গত ২৬ আগস্ট ভুক্তভোগীদের ইতালি পাঠানোর নাম করে সৌদি আরব ও মিশর হয়ে লিবিয়ায় নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখা হয়। সেখানে ঠিকমতো খাবার না দিয়ে চলে অবর্ণনীয় নির্যাতন। পরবর্তীতে লিবিয়ার পুলিশের হাতে ধরিয়ে দিয়ে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান জানান, লিবিয়ার কারাগারে থাকাকালীন দালালেরা তাঁর পরিবারের কাছে ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং টাকা না দিলে হত্যার হুমকি দেয়। জমি বিক্রি ও ধারদেনা করে সেই টাকা দেওয়ার পর গত ৪ জানুয়ারি তিনি দেশে ফিরতে সক্ষম হন।লিবিয়াবন্দি যুবকদের অভিভাবকদের তথ্যমতে, গৌরনদীর জাকির মোল্লা, বগুড়ার সাজু ও কুষ্টিয়ার লিটনের সমন্বয়ে গঠিত একটি বড় চক্র কয়েক জেলার ১০৮ জন যুবককে জনপ্রতি ১৫-১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে ভূমধ্যসাগর হয়ে ইতালি পাঠানোর পথে পা বাড়ায়। গত সেপ্টেম্বর মাসে তিনটি স্পিডবোটে করে লিবিয়া থেকে ইতালির পথে রওয়ানা হলে কোস্টগার্ড তাঁদের আটক করে। বর্তমানে ফিরে আসা ১৫ জন বাদে বাকিরা এখনো দালালের জিম্মায় বা কারাগারে আটকে আছেন।গৌরনদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারিক হাসান রাসেল জানান, দুটি মানব পাচার মামলার তদন্তে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। তিনজন আসামি কারাগারে আছেন এবং বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আগৈলঝাড়া থানার এসআই মো. মনিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। পলাতক ও বিদেশে থাকা আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
    অবৈধ সেচ পাম্পিংয়ের প্রভাবে অকার্যকর দেড় হাজার নলকূপ
    ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় অবৈধ সেচ পাম্পিংয়ের কারণে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অস্বাভাবিকহারে নিচে নেমে গেছে। এতে ওই উপজেলার পাঁচটি এলাকার প্রায় ১ লক্ষ ৮১ হাজার ৯৪ জন মানুষ সুপেয় পানির অভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এসব এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, চাষাবাদের জন্য সাবমারসিবল সেচ পাম্প দিয়ে অবৈধভাবে মাত্রাতিরিক্ত পানি উত্তোলনের ফলে হস্তচালিত প্রায় দেড় হাজার নলকূপ অকার্যকর হয়ে পড়েছে। কৃষকদের ভাষায়, পাশ্ববর্তী খালে পানি থাকায় ভূগর্ভস্থ থেকে সাব মারসিবল সেচ পাম্প দ্বারা উত্তলিত পানি কৃষি জমিতে ব্যবহার করছে।উপজেলা বিএডিসি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জিন্নাগড়, মাদ্রাজ, হাজারীগঞ্জ, জাহানপুর ইউনিয়নসহ পৌরসভায় বেসরকারীভাবে ১০০ সাব মারসিবল সেচ পাম্প রয়েছে। এসব পাম্প থেকে কৃষি কাজে ব্যবহারের জন্য প্রতিদিন আট ঘন্টায় গড়ে ৮ লাখ ৬ হাজার ৪০০ লিটার পানি উত্তোলন করা হয়।সুপেয় পানির সংকটে পড়া এলাকাগুলো ঘুরে দেখা যায়, আগে যেখানে হস্তচালিত টিউবওয়েল থেকে সহজেই সুপেয় পানি পাওয়া যেত, এখন সেখানে কয়েক মিনিট চাপ দিলেও পানি উঠছে না। কৃষিকাজ, মাছের ঘের এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য অনেকেই উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সাব মারসিবল পাম্প ব্যবহার করছেন। এসব পাম্প ঘণ্টার পর ঘণ্টা চালিয়ে বিপুল পরিমাণ পানি উত্তোলন করা হচ্ছে। গত কয়েক মাস থেকে এ সমস্যা প্রকট হয়েছে। অনেক পরিবারকে দূর-দূরান্ত থেকে সুপেয় পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও বাজার এলাকাতেও সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে।এদিকে কৃষকরা তাদের বোরো আবাদের জন্য প্রতিনিয়ত সাব মারসিবল পাম্পের মাধ্যমে পানি উত্তোলন করছে। এছাড়াও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা গভীর নলকূপে শক্তিশালী সাব মারসিবল পাম্প স্থাপন করে অতিরিক্ত হারে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করছেন। ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে। এর প্রভাবে আশপাশের গভীর টিউবওয়েলগুলোতে পানি উঠছে না। বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবারগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কারণ তাদের পক্ষে মোটরচালিত পাম্প ব্যবহার করা সম্ভব নয়।চর মাদ্রাজ এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আগে আমাদের বাড়ির টিউবওয়েলে সারাবছর পানি থাকত। এখন এক ফোঁটাও উঠছে না। পাশের বাড়িতে গভীর নলকূপে সাব মারসিবল পাম্প বসানোর পর থেকেই এই সমস্যা শুরু।'একই অভিযোগ করেছেন জিন্নাগড় এলাকায় বাসবাসকারী গৃহিণী নাসিমা বেগম। তিনি বলেন, 'বিলের মধ্যে অবৈধভাবে সাব মারসিবল পাম্প স্থাপন করে পানি উত্তোলনের ফলে আমাদের নলকূপে পানি ওঠা বন্ধ হয়ে গেছে। প্রতিদিন ভোরে দূরের একটি নলকূপ থেকে পানি আনতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত কষ্টকর। এমনকি অনেক সময় পুকুরের পানি পান করতে হচ্ছে এবং রান্নার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।'সাব মারসিবল পাম্প স্থাপনকারী জিন্নাগড় ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ফারুক কেরানী বলেন, 'খাল শুকিয়ে যাওয়ায় আমরা বিকল্প পদ্ধতিতে ভূগর্ভ থেকে পানি উত্তলন করতে বাধ্য হয়েছি। বোরোর আবাদ বাঁচাতে সাব মারসিবল পাম্প ব্যবহার করছি।'উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কার্যালয়ের তথ্যমতে, একই এলাকায় একাধিক গভীর নলকূপ ও শক্তিশালী সাব মারসিবল পাম্প ব্যবহারের কারণে অগভীর টিউবওয়েলগুলো অচল হয়ে পড়ছে। চরফ্যাশন পৌরসভাসহ ২১টি ইউনিয়নে ১০ হাজার ৭৩টি হস্তচালিত নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯ হাজার ৮৫১টি সচল ও ২২২টি অকেজো রয়েছে। অদ্য পর্যন্ত ২৮টি মেরামত করা হয়েছে। তবে হস্তচালিত নলকূপের সংখ্যা উপজেলা জনস্বাস্থ্য কার্যালয়ের তথ্য মতে ১০ হাজার ৭৩টি হলেও সরেজমিনে এর পরিমাণ প্রায় চারগুণ। এ উপজেলার ৬০ শতাংশ বাসিন্দা নিজস্ব অর্থায়নে গভীর নলকূপ স্থাপন করেছেন। এর মধ্যে ৪০ শতাংশ বাসিন্দার নলকূপ অকেজো রয়েছে।জিন্নাগড় ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি জামাল মোল্লা বলেন, 'অপরিকল্পিতভাবে সাব মারসিবল পাম্প স্থাপনের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেই। অনেক ক্ষেত্রেই কোনো অনুমতি বা পরিবেশগত যাচাই ছাড়াই সাব মারসিবল পাম্প বসানো হচ্ছে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে পানির সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।'উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শোভন বসাক বলেন, 'নিরাপদ পানির অভাবে মানুষ পুকুর, খাল বা দূষিত উৎসের পানি ব্যবহার করতে বাধ্য হলে ডায়রিয়া, আমাশয় ও চর্মরোগসহ নানা পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়বে।'উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. কামাল উদ্দিন বলেন, 'জানুয়ারীর পর যখন সেচকাজের জন্যে পানি উত্তোলন শুরু হয় তখন পানির স্তর দ্রুত হারে নামতে থাকে। অবৈধভাবে স্থাপন করা সাব মারসিবল পাম্পগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করলে সুপেয় পানির সাম্প্রতিক সংকট থেকে সাধারণ মানুষ রেহায় পেত।'উপসহকারী প্রকৌশলী (বিএডিসি) আরিফ হোসেন বলেন, 'সুপেয় পানির সংকটের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। অবৈধভাবে স্থাপিত সাব মারসিবল পাম্পগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'এসআর
    কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইনজীবীর হাতাহাতি
    কলাপাড়ায় সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জমিজমা সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলাকালে দুই আইনজীবীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাব্বি ইসলাম রনি আদালতের কার্যক্রম সাময়িক মূলতবি করে এজলাস ত্যাগ করেন। বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরের দিকে ঘটে যাওয়া এমন কাণ্ডে আদালত প্রাঙ্গণে বিচার প্রার্থী এবং আইনজীবিদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইতে দেখা যায়।আদালত সূত্র ও আইনজীবী এবং বিচারপ্রার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সিআর ১০/২০২৫ নং মামলার শুনানি চলাকালে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন। এ নিয়ে এজলাসে উপস্থিত আইনজীবীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সিনিয়র আইনজীবী হাফিজুর রহমান চুন্নু ও আইনজীবী নাসির উদ্দিন মাহমুদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে ম্যাজিস্ট্রেট সাময়িক সময়ের জন্য আদালত মূলতবি করেন।কলাপাড়া আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, আদালতে আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল ও তর্কাতর্কির ঘটনায় আমরা সমঝোতা করেছি।এসআর
    কুয়াকাটায় গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার
    পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিশেষ অভিযানে ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ জুয়েল (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে কুয়াকাটা কেরানীপাড়া গেস্টহাউসের সামনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন কলাপাড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন সাদেক। এ সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পটুয়াখালী ও মহিপুর থানা পুলিশের একটি যৌথ দল অংশ নেয়।অভিযান চলাকালে সন্দেহভাজন জুয়েলের দেহ তল্লাশি করে তার কাছ থেকে ৩০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে আটক করা হয়।গ্রেফতারকৃত জুয়েলের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।এসআর
    গলাচিপায় বেড়িবাঁধের স্লোপ শক্ত না করেই ব্লক বসানোর অভিযোগ
    পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি লঞ্চঘাট এলাকায় বেড়িবাঁধ নির্মাণের নদী ভাঙনে ব্লক বসানোর কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বেড়িবাঁধের স্লোপ (ঢাল) যথাযথভাবে রোলার বা কম্প্যাক্টর দিয়ে চাপ দিয়ে শক্ত না করেই কংক্রিট ব্লক বসানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা সাময়িকভাবে কাজ বন্ধ করে দেন। পরে স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনুরোধে কাজ পুনরায় শুরু হয় এবং সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নিবে বলে জানিয়েছেন। সূত্র জানায়, গলাচিপা উপজেলার ৫৫/১ ফোল্ডারে ৪১ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। এরমধ্যে পানপট্টি লঞ্চঘাট এলাকায় ৫০০ মিটার বেড়িবাঁধ স্লোপে কনক্রিটের ব্লক দেয়া হবে। ব্লক বসানোর আগে গাইডওয়াল ও স্লোপ কম্প্যাকশন করে তারপর বালি, জিওব্যাগ দিয়ে খোয়ার উপর ব্লক বসানো হবে। কাজের ওয়ার্ক অর্ডার পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আজাদ এন্টারপ্রাইজ। স্থানীয়দের দাবি, ব্লক বসানোর আগে ঢাল সমতল ও শক্ত করে নেওয়া প্রকৌশলগতভাবে বাধ্যতামূলক। কিন্তু বাস্তবে মাটি সঠিকভাবে কম্প্যাকশন ছাড়াই ব্লক বসানো হচ্ছে। ফলে ব্লক দেবে যেতে শুরু করেছে বলেও তারা জানান। এতে করে নির্মিত বাঁধের স্থায়িত্ব নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দা মো. নয়ন মিয়া বলেন, আগুনমুখা নদীর তীব্র স্রোতে প্রতিবছর ভাঙনের কবলে পরে পানপট্টির লঞ্চঘাট এলাকা। বেড়িবাঁধের কাজটি সঠিকভাবে করা না হলে বর্ষা মৌসুমে ব্লক সরে গিয়ে আবার ভাঙন দেখা দিবে। বর্তমানে যে কাজ করছে মাটি ফেলে কোন রকম রোলার চাপা না দিয়ে ব্লক বসানো হচ্ছে। যদিও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মো. বেল্লাল দাবি করেছেন, ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী কাজ হচ্ছে এবং কম্প্যাকশন টেস্ট করে ব্লক বসানো শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ যেখানে সেই অংশে জোয়ারের পানির কারণে রোলার দেওয়া সম্ভব হয়নি।পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, বেড়িবাঁধের স্লোপে কম্প্যাকশন করা হয়েছে। কিন্তু নদীতে জোয়ারের সময় পানি বেড়িবাঁধের উপরে চলে আসে ফলে কিছু অংশের মাটি নদীতে চলে যায়। তারপরও প্রতিনিধি পাঠিয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত সঠিক প্রকৌশল মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্নের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে নদীভাঙন থেকে জনপদ রক্ষা পায় এবং সরকারি অর্থের অপচয় না হয়।এসআর
    হাসপাতাল থেকে কোনো রোগী যেন চিকিৎসা ও ওষুধ ছাড়া না ফেরে: ডা. লিটন
    ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন বলেছেন, “আমার নির্বাচনী এলাকার কোনো রোগী যেন চিকিৎসা এবং ওষুধ ছাড়া হাসপাতাল থেকে ফেরত না যায়। রোগীদের সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে এবং তাদের পরিপূর্ণ সেবা নিশ্চিত করতে হবে।”বুধবার (০৪ মার্চ) ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপনা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।হাসপাতালের সেবার মান নিয়ে ডা. লিটন আরও বলেন, “রোগীরা যেন চিকিৎসা নিয়ে ফেরার পথে বলতে পারে আগের চেয়ে এখনকার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখানে সব ধরনের চিকিৎসা ও রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা যেন সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।”উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এস এম জিয়াউল বারীর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. ফয়সল আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার  আরাফাত সিদ্দিকী, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এনামুল হক ভুঁইয়া, ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি খোরশিদুল আলম মজিব প্রমূখ।এসআর
    ভালুকা জুড়ে আমের মুকুলের ঘ্রাণ, মধুমাসের আগমনী বার্তা
    আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা, ফুল তুলিতে যাই... পল্লীকবি জসীম উদ্দিন-এর ‘মামার বাড়ি’ কবিতার সেই আবহ যেন নেমে এসেছে ভালুকার গ্রামাঞ্চলে। গাছে গাছে ফুটেছে আমের মুকুল, বাতাসে ভাসছে মৌ মৌ ঘ্রাণ। বসন্তের আগমনী সুরে পুরো এলাকা এখন রঙিন আর সুবাসে ভরা।উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ছোট-মাঝারি প্রায় ৭০ শতাংশ আমগাছে এসেছে মুকুল। হলুদ-সবুজের মেলবন্ধনে ডালপালা ভরে উঠেছে। বাগানজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে পাগল করা ঘ্রাণ, যা মনকে টেনে নেয় শৈশবের স্মৃতিতে।চাষিরা বলছেন, মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার মুকুল ভালো এসেছে। বড় গাছের তুলনায় ছোট ও মাঝারি গাছে মুকুলের আধিক্য বেশি চোখে পড়ছে। অনেকেই গাছে মুকুল আসার আগেই পরিচর্যা শুরু করেছিলেন, যাতে গুটি বাঁধার সময় কোনো সমস্যা না হয়।আম চাষি হাবিব জানান, এখনো সব গাছে পুরোপুরি মুকুল আসেনি। তবে সপ্তাহখানেকের মধ্যেই অধিকাংশ গাছেই মুকুল দেখা যাবে। ক্ষতিকর পোকার আক্রমণ কম থাকায় এবার ভালো ফলনের আশা করছেন তারা।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নুসরাত জামান বলেন, ‘ভালুকার মাটি ও আবহাওয়া আম চাষের জন্য উপযোগী। অনুকূল পরিবেশ থাকায় গত বছরের তুলনায় এবার উৎপাদন বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কীটনাশক প্রয়োগের প্রয়োজন খুব বেশি না হলেও ছত্রাকজনিত রোগে মুকুল ও ফুলগুটি আক্রান্ত হতে পারে।’তিনি জানান, প্রয়োজনে ম্যানকোজেট গ্রুপের ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম অথবা ইমিডাক্লোরিড গ্রুপের দানাদার ০.২ গ্রাম, তরল ০.২৫ মিলিলিটার এবং সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলিলিটার হারে মিশিয়ে স্প্রে করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।সব মিলিয়ে, আমের মুকুলে ভরপুর ভালুকা এখন মধুমাসের প্রতীক্ষায়। সুবাসে-রঙে প্রকৃতি জানিয়ে দিচ্ছে-সামনেই রসালো আমের দিন।ইখা
    বকশীগঞ্জে জনপ্রতি বাস ভাড়া বাড়ানো হয়েছে ২৯০ টাকা, সিএনজি ১০০ টাকা
    জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় প্রশাসনিক এক সভার বরাদ দিয়ে পরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধির ঘোষনা দেওয়া হয়েছে। সিএনজি ভাড়া জন প্রতি সর্ব নিম্ন ৩০ টাকা এবং সর্বোচ্চ জনপ্রতি ১০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। বাস ভাড়া বাড়ানো হয়েছে জনপ্রতি ২৩০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা। ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে ভাড়া বাড়ানোর ঘোষনা দেওয়া হয়। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল হাই বলেছেন মিটিং হয়েছে। কিন্তু ভাড়া বাড়ানোর কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। ভাড়া বাড়ানোর বিষয়টি অপপ্রচার হিসেবে সোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল করা হয়েছে।  জানা যায়, জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে জামালপুর, শেরপুর ও রৌমারী উপজেলায় প্রতিদিন ৪ শতাধিক সিএনজি চলাচল করে থাকে। বকশীগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে রৌমারির ভাড়া ১৫০ টাকা। ঈদ উপলক্ষে জনপ্রতি ১০০ টাকা ভাড়া বাড়িয়ে জনপ্রতি করা হয়েছে ২৫০ টাকা। বকশীগঞ্জ সদর থেকে জামালপুর জেলা সদর দুরত্ব ৪০ কিলোমিটার। পূর্বে ভাড়া ছিলো জনপ্রতি ১০০ টাকা। বর্তমানে ৩০ টাকা বাড়িয়ে জনপ্রতি সিএনজি ভাড়া করা হয়েছে ১৩০ টাকা। বকশীগঞ্জ সদর থেকে শেরপুর জেলা সদরের সিএনজি ভাড়া ছিলো জনপ্রতি ৬০ টাকা। জনপ্রতি ভাড়া বাড়িয়ে বর্তমানে করেছেন ১০০ টাকা। বকশীগঞ্জ উপজেলা থেকে প্রতিদিন শতাধিত বাস চলাচল করে থাকে রাজধানী ঢাকায়। পূর্বে জনপ্রতি ঢাকার ভাড়া ছিলো ৪০০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা। বর্তমানে ভাড়া বাড়িয়ে করা হয়েছে জন প্রতি ৬৯০ টাকা। ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে বকশীগঞ্জ টু ঢাকার ভাড়া জনপ্রতি বৃদ্ধি করা হয়েছে ৬৯০ টাকা। বর্তমান হিসেবে বকশীগঞ্জ টু ঢাকার ভাড়া জনপ্রতি বেড়েছে ২৯০ টাকা। ২ মার্চ বকশীগঞ্জ উপজেলা বাস মালিক সমিতি ও পরিবহন মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা সভা করে ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ভাড়া বৃদ্ধির অনুমোদন দেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সোসাল মিডিয়াতেও ভাড়া বৃদ্ধির একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি সোসাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হওয়ায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।  এব্যাপারে বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স জানান, বাংলাদেশের কোথাও ভাড়া বাড়ানোর নজির নেই। সড়ক পরিবহনমন্ত্রী নিজেই ঈদ উপলক্ষে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের ঘোষনা দিয়েছেন। এর পর ভাড়া বৃদ্ধির প্রশ্নই আসেনা। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনসাধারণের কোন প্রকার ভোগান্তি চায়না। কাজেই অযৌক্তিক ভাড়া বুদ্ধির তীব্র প্রতিবাদ করছি। বাস মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল্লাহ সওদাগর বিপ্লব জানান, মিটিংয়ে বিষয়টি আলৈাচিত হয়েছে। আলোচিত নির্ধারিত ভাড়ার বিষয়টি প্রচারিত হয়েছে। সিদ্ধান্তের বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হবেনা। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল হাই জানান, পরিবহন ও বাজার মনিটরিং বিষয়ে সভা হয়েছে। কিন্তু ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। ভাড়া বাড়ানোর বিষয়টি সোসাল মিডিয়া ও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে অপপ্রচার করা হয়েছে। ভাড়া বাড়ানোর বিষয়টি সঠিক না। এ বিষয়ে সরকারিভাবে কোন নির্দেশনা আসেনি। জামালপুর বিআরটিএ এর সহকারী পরিচালক আবু নাইম জানান, পরিবহনের ভাড়া বাড়ানো বা কমানোর বিষয়ে আমাদের কোন নির্দেশনা নেই বা উপরের কোন নির্দেশনা আসেনি। তাই ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে বিআরটিএ অবগত না। এব্যাপারে জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক একেএম আব্দুল্লাহ বিন রশিদ জানান, পরিবহন ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে ঈদ উপলক্ষে যাত্রীরা যাতে হয়রানির শিকার না হয় এবং অতিরিক্ত ভাড়া যাতে আদায় না করে সে বিষয়ে পরিবহন মালিক সমিতির সাথে ২/৩ দিনের মধ্যে একটি সভা হবে।এসআর
    সরিষাবাড়ীতে ৪ শতাধিক পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী প্রদান
    আসন্ন পবিত্র রমজান উপলক্ষে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ৪ শতাধিক দরিদ্র পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে পৌরসভার বাউসী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে এসব খাদ্যসামগ্রী প্রদান করে দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি।এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন, দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি’র হেড অব অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড অ্যাডমিন কহিনুর আলম চৌধুরী, দোস্ত এইডের প্রোজেক্ট ম্যানেজার আবুল কায়েস, দোস্ত এইডের অপারেশন ম্যানেজার জহুরুল ইসলাম, শিক্ষা অফিসার শওকত মিয়া, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক প্রতিনিধি রমজান আলী, সাংবাদিক স্বপন মাহমুদ প্রমুখ।প্রতিটি ফুড প্যাকেটে ছিলো- ১০ কেজি চাল, ২ লিটার ভোজ্যতেল, সাবান, ডাল, চিনি, আলু, পেঁয়াজ, লবণ, বুট, খেজুর, মুড়ি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী। উপকারভোগীরা এসব সামগ্রী পেয়ে দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।ইখা
    দেওয়ানগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলন, দুইজনকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
    জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ব্যক্তিকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। রবিবার (১ মার্চ) বিকেলে উপজেলার চিকাজানী ইউনিয়নের মাটিয়াখোলা হাজারিয়া গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানকালে যমুনা নদী থেকে উত্তোলিত বালু আনলোড করার সময় দুটি বাল্কহেডসহ (বলগেট) দুইজনকে আটক করা হয়। পরে ‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’-এর ১৫(১) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালতে একজনকে ০২ (দুই) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়; অনাদায়ে তাঁকে আরও ২০ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। অপর একজনকে ০১ (এক) মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়; অনাদায়ে তাঁকে আরও ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুরাদ হাসান।ইউএনও মুরাদ হাসান জানান, নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে পরিবেশ ও জনপদের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে। জনস্বার্থে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই নিয়মিত অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।এনআই
    উলিপুরে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার
    কুড়িগ্রামের উলিপুরে চনক্ক চন্দ্র রায় চন্দন (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের ভেলুর খামার এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। চনক্ক চন্দ্র ওই এলাকার মৃত অলন্ত চন্দ্র রায়ের ছেলে।পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উলিপুর থানার এসআই আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দুর্গাপুর ইউনিয়নের ভেলুর খামার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে চনক্ক চন্দ্র রায় চন্দনকে তাঁর নিজ শোবার ঘর থেকে আটক করা হয়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে তাঁর খাটের বালিশের নিচ থেকে ১০০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করে পুলিশ, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২ হাজার টাকা।এ বিষয়ে উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।”এনআই
    সবুজ স্বপ্ন ভেঙে চুরমার: খানসামা উপজেলা ভবনের ছাদ বাগান এখন ধ্বংসস্তূপ
    কয়েক লক্ষ টাকা ব্যয়ে গড়ে তোলা হয়েছিল পরিবেশবান্ধব ও দৃষ্টিনন্দন একটি ছাদ বাগান। লক্ষ্য ছিল প্রশাসনিক ভবনকে সবুজে ঘেরা রাখা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সাধারণ মানুষকে ছাদ বাগানে উদ্বুদ্ধ করা। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সেই উদ্যোগ আজ অবহেলা ও অদূরদর্শিতার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের ছাদে থাকা প্রায় দুই শতাধিক ফলদ গাছ এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।২০২১ সালে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আহমেদ মাহবুব-উল-ইসলাম–এর উদ্যোগে উপজেলা কমপ্লেক্স প্রশাসনিক ভবনের ছাদে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হয় বাগানটি। সেখানে রোপণ করা হয় আম, লিচু, আপেল, পেয়ারা, মিষ্টি জলপাই, সফেদা, শরীফা, মিষ্টি তেঁতুল, লটকন, মিষ্টি কামরাঙা, জাম্বুরা, ড্রাগন ফল, কদবেল, তাইওয়ান কুল, লেবু, কমলা, মাল্টা, করমচা, চেরি ফল, জামরুল, ডালিম, বেল, ক্যাপসিকাম ও আমড়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ গাছ। একসময় পুরো ছাদ জুড়ে ছিল সবুজের সমারোহ; ভবনে আগত মানুষও এমন উদ্যোগ দেখে প্রশংসা করতেন।তবে বর্তমানে সেই চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। সরেজমিনে দেখা গেছে, অধিকাংশ গাছই মরে গেছে বা মরে যাওয়ার পথে। অনেক টব ফেটে গেছে, কোথাও মাটি শক্ত হয়ে জমাট বেঁধে আছে। সেচব্যবস্থা অচল, নিয়মিত পরিচর্যার কোনো দৃশ্যমান প্রমাণ নেই।আগাছা ছড়িয়ে পড়েছে ছাদের বিভিন্ন অংশে। যে বাগান একসময় ছিল পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের উদাহরণ, সেটিই এখন অকার্যকর প্রকল্পে পরিণত হয়েছে।স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন এত বড় ব্যয়ের পরও কেন দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়নি? একটি সরকারি প্রকল্প টেকসই না হলে সেই ব্যয়ের দায়ভার কে নেবে? পরিকল্পনা গ্রহণের সময় নিয়মিত তদারকি ও পরিচর্যার বিষয়টি কি গুরুত্ব পায়নি?এ বিষয়ে বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামরুজ্জামান সরকার বলেন,আমি এখানে যোগদানের পর থেকেই ছাদ বাগান মরুভূমির মতো অবস্থায় পড়ে আছে। গাছগুলো অনেক পুরনো হয়ে গেছে। টবের ভেতরে মাটির চেয়ে শিকড় বেশি হয়ে গেছে। এ কারণেই গাছগুলো নষ্ট হয়েছে। এখন ওই টবগুলোতে নতুন করে গাছ লাগাতে হবে।তার বক্তব্যে গাছ নষ্ট হওয়ার কারিগরি কারণ উঠে এলেও ব্যবস্থাপনার প্রশ্নটি থেকেই যাচ্ছে। গাছ পুরনো হলে নিয়মিত মাটি পরিবর্তন, শিকড় ছাঁটাই ও সার প্রয়োগের মাধ্যমে সেগুলো টিকিয়ে রাখা সম্ভব—এমন মত সংশ্লিষ্টদের। ছাদ বাগানের মতো প্রকল্পে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী ও নির্দিষ্ট রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা না থাকলে দীর্ঘমেয়াদে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়।পরিবেশবিদদের মতে, ছাদ বাগান কেবল সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না; এটি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, বায়ু বিশুদ্ধকরণ এবং ভবনের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ উন্নত করতেও সহায়ক। বিশেষ করে শহর ও উপজেলা পর্যায়ে সবুজায়ন বাড়াতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই পরিকল্পনার পাশাপাশি ধারাবাহিক পরিচর্যা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি।স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, নতুন করে গাছ লাগানোর ঘোষণা ইতিবাচক। তবে আগের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার সুসংগঠিত ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা প্রয়োজন। নিয়মিত সেচ, সার প্রয়োগ, মাটি পরিবর্তন ও পর্যবেক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট দায়িত্ব নির্ধারণ করা না হলে একই পরিস্থিতি পুনরাবৃত্তি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।সরকারি অর্থে গড়ে ওঠা এই ছাদ বাগান আজ অবহেলার কারণে অস্তিত্ব সংকটে। এখন প্রয়োজন সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা, দায়িত্ব নির্ধারণ এবং বাস্তবায়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি। তা না হলে কয়েক লক্ষ টাকার এই সবুজ উদ্যোগ ইতিহাসে আরেকটি ব্যর্থ প্রকল্প হিসেবেই থেকে যাবে।এসআর
    বিরামপুরে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে জরিমানা
    দিনাজপুরের বিরামপুরে উপজেলা প্রশাসন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর-এর যৌথ অভিযানে বিভিন্ন হোটেল ও সেমাই কারখানায় জরিমানা করা হয়েছে।বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে পৌরশহরের ঢাকা মোড়ে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা সুলতানা নীলা এবং দিনাজপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দিন।অভিযানে নিরিবিলি হোটেল ও ক্লাসিক হোটেলের কারখানায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে মোট ৩ হাজার টাকা ও এক ফলের দোকানে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।পরে পৌর শহরের শান্তি মোড়ে কিরণ সেমাই এবং কৃষ্টচাঁদপুর এলাকায় সৌখিন সেমাই কারখানায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে দেখা যায়, সৌখিন সেমাই কারখানায় তেল ও ডালডা ব্যবহার করে সেমাই তৈরি করে তা ঘিয়ে ভাজা বলে বিক্রি করা হচ্ছিল। এ ধরনের প্রতারণার দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অন্যদিকে, কিরণ সেমাই কারখানাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযানকালে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা এবং বিরামপুর থানা-এর উপ-পরিদর্শক (এসআই) রকিবুল ইসলামসহ সঙ্গীয় ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। এনআই
    তারাগঞ্জে আলুর বাম্পার ফলনেও হাসি নেই কৃষকের মুখে
    রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় আলুর বাম্পার ফলন হলেও এবারও কৃষকের মুখে হাসি নেই। বাজারে আলুর দাম উৎপাদন খরচের চেয়ে অনেক কম হওয়ায় মৌসুমের শুরুতেই বড় ধরনের লোকসানের শঙ্কায় পড়েছেন আলুচাষিরা।বর্তমানে স্থানীয় বাজারে এক কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৮ থেকে ৯ টাকায়, অথচ কৃষকদের তথ্যমতে প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ পড়ছে গড়ে ১৬ থেকে ১৭ টাকা। ফলে প্রতি কেজি আলুর বিপরীতে কৃষকদের প্রায় দ্বিগুণ লোকসান গুণতে হচ্ছে।রামপুরা গ্রামের কৃষক জাহিদুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “গত বছর আলুতে প্রায় এক লাখ টাকার বেশি লোকসান হয়েছে। এবারও যদি একই অবস্থা হয়, তাহলে আলু চাষ টিকিয়ে রাখা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে যাবে।”উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত বছর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে ৪ হাজার ৫৩০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছিল এবং উৎপাদন হয়েছিল ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৫ মেট্রিক টন। তবে সে তুলনায় আলু সংরক্ষণের ব্যবস্থা একেবারেই অপ্রতুল। উপজেলায় থাকা তিনটি হিমাগারের মোট ধারণক্ষমতা মাত্র ১৬ হাজার টন। ফলে বিপুল পরিমাণ আলু সংরক্ষণের সুযোগ না থাকায় কৃষকরা বাধ্য হয়ে বাড়িতে বা অস্থায়ী গুদামে আলু রাখেন, যার একটি বড় অংশ নষ্ট হয়ে যায়। এই পচন থেকে বাঁচতে কৃষকরা পানির দরে আলু বিক্রি করে দিচ্ছেন।চলতি মৌসুমে আবাদ কমে ৩ হাজার ৪৬৩ হেক্টরে নামলেও ফলন বেশ ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। তবে আলমপুর ইউনিয়নের পীরপাড়া গ্রামের মিলন মিয়ার মতো অনেক কৃষকই বলছেন, “এভাবে লস খেতে থাকলে আলুর আবাদ ছেড়ে দিতে হবে। এত কষ্ট করে ন্যায্য দাম না পেলে আমরা বাঁচব কীভাবে?”ভুক্তভোগী আলুচাষিদের দাবি—ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নির্ধারণ, সরকার কর্তৃক সরাসরি আলু ক্রয় এবং দ্রুত হিমাগারের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করা। তা না হলে প্রতি বছরই এই সংকটের পুনরাবৃত্তি ঘটবে।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীবা রানী রায় জানান, বাজার পরিস্থিতি ও সংরক্ষণ সমস্যার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তিনি মনে করেন, উৎপাদন ভালো হলেও বাজারদর স্থিতিশীল না হলে কৃষকের কষ্ট লাঘব হবে না।উৎপাদন ও বাজার ব্যবস্থাপনার এই অসামঞ্জস্য দূর না হলে তারাগঞ্জে অর্থকরী ফসল হিসেবে পরিচিত আলু চাষ ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।এনআই
    ফুলবাড়ীতে শিয়ালের কামড়ে বৃদ্ধ আহত
    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে একটি বিশাল আকৃতির শিয়ালের কামড়ে মনছুর আলী (৬০) নামে এক বৃদ্ধ গুরুতর আহত হয়েছেন।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের বেড়াকুটি (চাঁদ দোলাটারী) গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে মনছুর আলী প্রতিবেশী হবিবর রহমানের বাড়ির পাশে একটি কৃষি জমির গর্তে শিয়ালের অবস্থান শনাক্ত করেন। পরে তিনি কোদাল নিয়ে ওই গর্তের মাটি খুঁড়তে শুরু করেন। এ সময় গর্ত থেকে একটি বিশাল আকৃতির শিয়াল হঠাৎ বের হয়ে আকস্মিক আক্রমণ চালায়। শিয়ালের কামড়ে মনছুর আলীর বাম হাতে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়।ঘটনার পরপরই চিৎকার শুনে এলাকাবাসী ও পরিবারের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নরদেব চন্দ্র রায় জানান, শিয়ালের কামড়ে আহত বৃদ্ধকে হাসপাতালে ভর্তি করে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। তাঁর চিকিৎসা চলছে এবং বর্তমানে তিনি পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।এনআই
    নদীর তীরে গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগে নৌকার মাঝি গ্রেফতার
    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে নদীর তীরে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে এশার আলী প্রামানিক (৩৮) নামের এক নৌকার মাঝিকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। ভুক্তভোগী নারী উপজেলার শ্রীফলতলা গ্রামের জনৈক শামীম হোসেনের স্ত্রী ও এক সন্তানের জননী।ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বুধবার (০৪ মার্চ) সকালে শাহজাদপুর উপজেলার হাবিবুল্লাহনগর ইউনিয়নের শ্রীফলতলা গ্রামের বাসিন্দা এক সন্তানের জননী সাথী খাতুন (২৪) পার্শ্ববর্তী করতোয়া নদীতে গরুর জন্য পানি আনতে যান। এসময় ওই ঘাটের ডিঙ্গি নৌকার মাঝি মৃত মমতাজ প্রামাণিকের ছেলে এশার আলী তাকে ভয় দেখিয়ে তাকে জোড় পূর্বক ধর্ষণ করে।পরে ভুক্তভোগী নারী শাহজাদপুর থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত এশার আলী প্রামানিককে গ্রেফতার করে।এই বিষয়ে ধর্ষণের শিকার গৃহবধু সাথী খাতুন বলেন, ভোর ৬টা ২০ মিনিটের দিকে গরুর জন্য পানি আনতে করতোয়া নদীতে যাই, সেখান থেকে ফেরার পথেই অভিযুক্ত হঠাৎ করেই পিছন থেকে আমার গলায় ছুরি ধরে এবং আমাকে ঘাসের জমির মধ্যে ফেলে ধর্ষণ করে।এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, গৃহবধুর অভিযোগের প্রেক্ষিতে দ্রুত অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত মোঃ এশার আলীকে গ্রেফতার করা হয় এবং তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। আগামীকাল তাকে শাহজাদপুর আমলী আদালতে প্রেরণ করা হবে।এসআর
    বাঘায় সেচের পাইপ কাটা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ
    রাজশাহীর বাঘায় সেচের পানির পাইপ (পলিথিন) কাটা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের পীরগাছা গ্রামের মহাজনপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক সপ্তাহ আগে পীরগাছা মহাজনপাড়া এলাকার বাসিন্দা আবু সুফিয়ান তাঁর ফসলি জমিতে সেচের জন্য পলিথিনের পাইপ বিছিয়ে রেখেছিলেন। এ সময় একই গ্রামের নান্টু আলীর পাঁচ বছরের ছেলে সামিউল খেলার ছলে হাতে থাকা হাসুয়া দিয়ে পাইপটি কেটে ফেলে।আবু সুফিয়ান বিষয়টি নান্টু আলীকে জানালে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫০০ টাকা দিতে চান। তবে আবু সুফিয়ান সেই প্রস্তাবে অসম্মতি জানালে বিষয়টি অমীমাংসিত থেকে যায়।মঙ্গলবার সকালে নান্টু আলী ঘাস কেটে ভ্যান নিয়ে আবু সুফিয়ানের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আবু সুফিয়ান তাঁকে বাধা দেন। তিনি দাবি করেন, ক্ষতিপূরণ না দিলে ভ্যানটি রেখে যেতে হবে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে নান্টু আলীর ভাই ঝুন্টু আলী ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে তিনজন আহত হন।স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। বর্তমানে তাঁরা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।বাউসা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান জানান, খবর পেয়ে তিনি হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নিয়েছেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্র করে সংঘর্ষ এড়াতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি।বাঘা থানার ডিউটিরত কর্মকর্তা এসআই হারুন বলেন, "উভয় পক্ষের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"এনআই
    উল্লাপাড়ায় ইয়াবাসহ ২ কনটেন্ট ক্রিয়েটরের কারাদন্ড
    সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ইয়াবাসহ তানভীর আহমেদ মিঠু (২৮) ও আশিক আহমেদ (১৬) নামে দুই কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা উল্লাপাড়া সদর ইউনিয়নের নাগরৌহা গ্রামের বাসিন্দা।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে উল্লাপাড়া পৌরসভার পশ্চিমপাড়া এলাকা থেকে তিন পিস ইয়াবাসহ আশিক আহমেদকে আটক করে পুলিশ। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা মোটরসাইকেল আরোহী তানভীর আহমেদ মিঠুকেও আটক করা হয়।জানা গেছে, তানভীর ও আশিক ফেসবুকে বিনোদনমূলক বা ‘ফানি ভিডিও’ তৈরি করেন। তাঁরা একে অপরের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। তবে আটকের পর তানভীর দাবি করেন, ইয়াবাগুলো কেবল আশিকের কাছেই ছিল। তিনি কেবল তাঁকে মোটরসাইকেলে বহন করেছেন।উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এটিএম আরিফ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে গ্রেপ্তারকৃতদের প্রত্যেককে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও ৩ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।পুলিশ জানায়, দণ্ডপ্রাপ্তদের সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।এনআই
    নওগাঁয় ট্রাক্টরচাপায় শিক্ষক নিহত, ৪ ট্রাক্টর ও ভেকুতে আগুন
    নওগাঁয় ইটভাটার মাটিবাহী ট্রাক্টরের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী রিমন হোসেন (৩০) নামে এক কোচিং শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নওগাঁ-বদলগাছী আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে ইটভাটার ৪টি ট্রাক্টর ও ১টি ভেকু (এক্সকাভেটর) মেশিনে অগ্নিসংযোগ করে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে সদর উপজেলার কীর্ত্তিপুর ইউনিয়নের কাদিমপুর নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রিমন হোসেন কীর্ত্তিপুর গ্রামের শাহীন হোসেনের ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে রিমন হোসেন প্রাইভেট পড়ানোর উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে আড়চা গ্রামে যাচ্ছিলেন। পথে কাদিমপুর নামক স্থানে বিপরীত দিক থেকে আসা 'বিবিসি' ইটভাটার মাটি পরিবহনের একটি ট্রাক্টর তাঁকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এই খবরের পর এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে কীর্ত্তিপুর গ্রামের শশীর মোড়ে অবস্থিত ওই ইটভাটায় গিয়ে অগ্নিসংযোগ করেন এবং সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে ইটভাটাটি সরিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দিলে এলাকাবাসী অবরোধ তুলে নেয়।এ বিষয়ে নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইবনুল আবেদীন বলেন, “ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মুশফিকুর রহমান জানান, ঘাতক ট্রাক্টরটি জব্দ করা হয়েছে, তবে চালক পলাতক রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।এনআই
    ভাঙ্গুড়ায় জমে উঠেছে ইফতার বাজার
    পবিত্র রমজান মাস এলেই মুসলমানদের জীবনে এক অনন্য আমেজ তৈরি হয়। সারাদিন রোজা রেখে সন্ধ্যায় ইফতার করার আনন্দই আলাদা। এ উপলক্ষে রোজার প্রথম দিন থেকেই পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় জমে উঠেছে ইফতার বাজার। ভাঙ্গুড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মোড়ে মোড়ে বসেছে ইফতারসামগ্রী বেচাকেনার স্টল। প্রতিদিনই বিকেল থেকে ইফতারের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। বিক্রেতাদের হাঁক-ডাক আর ক্রেতাদের ক্রয় উৎসবে জমজমাট হয়ে উঠেছে ইফতার বাজারগুলো। ছোলা, পিঁয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ, ডালপুরি, হালিম, মুড়িমাখা, খেজুর, শরবত, মাঠা, জিলাপিসহ নানা ধরনের ইফতারসামগ্রী কিনতে ভিড় করছেন স্থানীয়রা।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে ভাঙ্গুড়া উপজেলার শরৎনগর বাজার, কলেজ পাড়া মোড়, স্টেশন বাজার, ভাঙ্গুড়া বাসস্ট্যান্ড, বকুলতলাসহ ইফতার সামগ্রীর দোকানে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। রকমারি খাবাবের সুগন্ধে ভরে উঠেছে চারপাশ। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকার হোটেল থেকে শুরু করে রাস্তার পাশের অস্থায়ী দোকানে বিক্রি হতে হচ্ছে ইফতার সামগ্রী।ভাঙ্গুড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ইফতার বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রোজার প্রথম দিন থেকেই ফলের প্রতিও মানুষের আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। বিভিন্ন ধরনের খেজুর, তরমুজ, মালটা, কলা, আপেলসহ বিভিন্ন ফলের চাহিদা বেশি। ছোট-বড় বেগুনি ৫ থেকে ১০ টাকা, পেঁয়াজু ৫ থেকে ১০ টাকা, আলুর চপ ৫ টাকা, সবজি চপ ১০ টাকা থেকে শুরু করে ২০ টাকা পর্যন্ত, ডিমের চপ ১৫ টাকা এবং জিলাপি রকম ভেদে ১২০ থেকে শুরু করে ১৪০ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। খেজুর, আপেল, মালটা, তরমুজ ও কলার দাম প্রথম রমজানের তুলনায় বর্তমানে কিছুটা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। ছোট আকৃতির তরমুজ কিনতেও লাগছে দুইশ থেকে আড়াইশ টাকা।ভাঙ্গুড়া পৌরসভার কলেজ পাড়া মোড়ে ইফতার সামগ্রী কিনতে আসা ইঞ্জিনিয়ার মেহেদী হাসান আল-কাদরী বলেন, বাসায় ইফতার বানানো হলেও বাইরে থেকে ইফতার না নিলে, মনে হয় কিছু একটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। আবার এ বছর ইফতারের দামও কিছুটা কম বলে মনে হয়েছে তার কাছে।ভাঙ্গুড়া উপজেলা চির-কুমার সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সেলিম রেজা মাষ্টার বলেন, ইফতারের জন্য এলাকার দোকানের ওপর নির্ভর করতে হয় তাদের মতো ব্যাচেলরদের। আমাদের তো ইফতার বানানোর লোক নাই। তাই প্রত্যেক দিন বাজারে ইফতার কিনতে আসি।ভাঙ্গুড়া উপজেলার ইফতার বিক্রেতা বাবু হোসেন শাহ সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, আমি প্রতিবছরই ইফতার বিক্রি করি। বেগুনি, আলুর চপ ও পেঁয়াজু বেশি বিক্রি হয়। আলুর চপ, পিয়াজু, বেগুনি, ছোলা, বুন্দি, জিলাপি, হালিমসহ বিভিন্ন ইফতার সামগ্রী এখানেই তৈরি করে বিক্রি করছি। রোজার প্রথম দিন থেকেই ব্যাপকভাবে ইফতারি ক্রয়ে ভিড় জমায় ক্রেতারা। গত রোজায় অনেক ইফতার সামগ্রী ক্রেতার অভাবে অবিক্রিত থাকলেও এবার তা থাকছে না।পিএম
    মাধবপুরে রঘুনন্দন ছড়া থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ
    হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার রঘুনন্দন ছড়া থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের হরিতলা ও নোয়াপাড়া ইউনিয়নের শাহপুর এলাকায় দিন-রাত প্রকাশ্যে বালু তোলা হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।অভিযোগ রয়েছে, একটি প্রভাবশালী চক্রের ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে এ কার্যক্রম চললেও প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, রঘুনন্দন ছড়ার বিভিন্ন স্থানে ড্রেজার ও শ্রমিকের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। উত্তোলিত বালু প্রথমে পাশের খোলা জায়গায় স্তূপ করে রাখা হয়, পরে ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থানে নেওয়া হচ্ছে।স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বালু উত্তোলনকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে হুমকি ও হয়রানির আশঙ্কায় অনেকেই প্রকাশ্যে কিছু বলতে সাহস পান না।পরিবেশ সচেতন মহলের মতে, এভাবে নির্বিচারে বালু উত্তোলনের ফলে ছড়ার স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তিত হচ্ছে। এতে বর্ষা মৌসুমে নদীভাঙন ও ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়তে পারে। একই সঙ্গে আশপাশের কৃষিজমি ও বসতভিটাও ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুজিবুল ইসলাম বলেন, “রঘুনন্দন ছড়া থেকে বালু উত্তোলনের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা বিষয়টি যাচাই করছি। খুব শিগগিরই ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।ইখা
    বাহুবলে খরস্রোতা করাঙ্গী নদী এখন মরা খাল, দিশাহারা কৃষক
    হবিগঞ্জ জেলার বাহুবলে বর্ষায় উত্তাল খরস্রোতা সেই করাঙ্গী নদী এখন শুকিয়ে মরা খালে পরিণত হয়েছে। নদীর তলদেশ শুকিয়ে যাওয়ায় নাব্যতা হারিয়েছে করাঙ্গী। এতে কৃষিজমিসহ দৈনন্দিন জীবনের চাহিদা নিবারণে তিন ইউনিয়নের জনসাধারণ পানি সংকটে ভুগছেন। হুমকির মুখে পড়েছে জীববৈচিত্র্য।একসময় নদীর তীরবর্তী এলাকার কৃষকরা বোরো মৌসুমে চাষাবাদের জন্য করাঙ্গী নদীর পানি ব্যবহার করতেন। কিন্তু কয়েক বছর ধরে নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ায় সেচযন্ত্রের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন এলাকার কৃষকরা।পরিবেশবিদদের অভিযোগ, খরস্রোতা এ নদীর যৌবন ফিরিয়ে আনতে নেই সরকারি কোনো উদ্যোগ; বরং কৃত্রিম সংকটের মাধ্যমে এ নদীকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা চলছে।নদীর উজানে চুনারুঘাট অংশে অপরিকল্পিত বাঁধ তৈরি করে ভাটি জনপদে পানির সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে। এতে নদীর দুই তীরের মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পানি ব্যবহার ও গৃহপালিত পশু পালনে বিড়ম্বনায় পড়ছেন।হিমারগাঁও গ্রামের কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, উপজেলার ভাদেশ্বর, বাহুবল সদর ও সাতকাপন ইউনিয়নের কয়েক হাজার কৃষক আবহমানকাল থেকে করাঙ্গী নদীর পানি দিয়ে চাষাবাদ করতেন। তারা হাঁসের খামার ও গরু-ছাগল পালনে এ নদীর পানিতেই নির্ভরশীল ছিলেন।ইউপি সদস্য ফরিদ মিয়া বলেন, নদী শুকিয়ে যাওয়ায় ফসলি জমিগুলোয় পানি সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া করাঙ্গী নদীর দেশীয় প্রজাতির সুস্বাদু মাছও বিলীন হয়ে গেছে।সমাজকর্মী কাজী আলফু মিয়া বলেন, জীববৈচিত্র্য-সমৃদ্ধ করাঙ্গী নদীর অতীত কেবলই স্মৃতি। পানি শুকিয়ে যাওয়ায় মানুষের ভোগান্তির পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়েছে। তিনি নদীর আগের অবস্থা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত খননের দাবি জানান।বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিটন চন্দ্র দে বলেন, সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।ইখা
    মসজিদের টাকার হিসাবকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সুনামগঞ্জে নিহত ১
    মসজিদের টাকার হিসাবকে কেন্দ্র করে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে ফজল মিয়া নামে ১ জন নিহত হয়েছেন।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ছাতকের পুরান নোয়াপুর গ্রামের মসজিদের এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও  স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছাতকের ইসলামপুর ইউনিয়নের পুরান নোয়াপুর গ্রামের মসজিদ কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাসুক মিয়া ও ফজল মিয়ার মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই জেড় ধরে দুপুরে মসজিদের টাকার হিসাবকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটির এক প্রযায়ে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন মসজিদের হিসাবকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ফজল মিয়া নিহত হয়েছেন। বর্তমানে গ্রামের পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।এসআর
    মৌলভীবাজারে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল আরেক বন্ধুর
    মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে তারেক মিয়া (১৯) নামের এক কিশোর নিহত হয়েছে।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজনগর উপজেলার ঘরগাঁও গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত তারেক ওই গ্রামের গাজি মিয়ার ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে গ্রামের কয়েকজন কিশোর ঘরগাঁও মাঠে ক্রিকেট খেলায় অংশ নেয়। খেলার এক পর্যায়ে প্রতিবেশী আতিক মিয়ার সঙ্গে তারেকের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একসময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে আতিক ধারালো অস্ত্র দিয়ে তারেকের বুক, হাত ও উরুতে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে সে গুরুতর আহত হয়।পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাজনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন চন্দ্র সরকার বলেন, "ছুরিকাঘাতের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে এমন প্রাণঘাতী সংঘর্ষ সমাজে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। কিশোরদের মধ্যে সহিংসতা রোধে পরিবার ও সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।এনআই
    টাংগুয়ার হাওরে পর্যটকবাহী হাউজবোটে অগ্নিকাণ্ড
    সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার টাংগুয়ার হাওরে পর্যটকবাহী মাছরাঙা নামের একটি হাউজবোটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে হাউজবোটটির বেশ কিছু অংশ পুড়ে গেছে। এ সময় হাউসবোটে কোনো পর্যটক না থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের আনোয়ারপুর বাজারের পূর্ব পাড়ে রক্তি নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।প্রতক্ষ্যদশী ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রক্তি নদীতে নোঙর করে হাউজবোটটির মেরামতের কাজ করছিল মিস্ত্রি ও কর্মচারীরা। হঠাৎ করেই হাউজবোটটির পেছন দিকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আর মুহূর্তের মধ্যেই আগুন দাউদাউ করে ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।টাঙ্গুয়া হাওরের পর্যটকবাহী নৌ সমিতির সভাপতি রব্বানী জানান, মাছরাঙা হাউজবোটটিতে আগুন লাগার পর আনোয়ারপুর বাজারের ব্যবসায়ী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে হাউজবোটটির ভেতরের অধিকাংশ সরঞ্জাম পুড়ে যায়।বালিজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাবুল মিয়া জানান, হাউজবোড লাগা আগুন সবাই মিলে নিভানো হয়েছে। তাহিরপুর থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পরে বলতে পারবো।ইখা

    অনলাইন ভোট

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আগস্টের পর কিছু সাধারণ ও নিরীহ লোককে আসামি করা হয়েছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?

    আন্তর্জাতিক

    সব দেখুন
    বিশ্বজুড়ে ইসরাইলি দূতাবাসে হামলার হুমকি ইরানের
    দখলদার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারির ওই আগ্রাসনের পর হাতের মুষ্ঠি ছেড়ে দিয়েছে তেহরানও। ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ছে উগ্র ইহুদিবাদী ভূখণ্ড ও উপসাগরীয় দেশগুলোয় মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা লক্ষ্য করে। এবার বিশ্বজুড়ে ইসরাইলি দূতাবাসে হামলার হুমকি দিয়েছে ইরান।ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর এক মুখপাত্র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, লেবাননে তেহরানের মিশনে ইসরাইল হামলা চালালে বিশ্বজুড়ে উগ্র ইহুদিবাদী তেল আবিবের মিশনগুলোতে আঘাত করা হবে।ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র আবুলফজল শেখরচি টেলিভিশনে সরাসরি বক্তব্যে বলেন, ইসরাইল যদি এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়, তবে তা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে থাকা ইসরাইলি দূতাবাসগুলোকে আমাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে আমাদের বাধ্য করবে।এর আগে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর আরবি ভাষার মুখপাত্র আভিচাই আদরাই বলেন, ইসরাইল লেবাননে অবস্থানরত ইরানি প্রতিনিধিদের অবিলম্বে সরে যাওয়ার জন্য সতর্কবার্তা দিচ্ছে। তাদের এলাকা ছাড়ার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে।এনআই
    স্পেন যুক্তরাষ্ট্রের ‘দাস’ হবে না: স্প্যানিশ উপ-প্রধানমন্ত্রী
    স্পেন যুক্তরাষ্ট্রের ‘দাস’ হবে না বলে জানিয়েছেন স্প্যানিশ উপ-প্রধানমন্ত্রী মারিয়া জেসুস মন্টেরো। তিনি বলেছেন, আমরা নিশ্চিতভাবে কারও দাস হবো না। কোনো হুমকি বরদাশত করবো না এবং নিজেদের মূল্যবোধের রক্ষা করবো।স্পেনের সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অভিযান ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়াকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ছে। স্পেনের এই অবস্থানের কারণে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বন্ধ করার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই পরিস্থিতিতেই এসব মন্তব্য কররেন স্প্যানিশ উপ-প্রধানমন্ত্রী।এদিকে, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ আগেই সতর্ক করে বলেন, উত্তেজনা বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে। তিনি বলেন, কেবল কারও প্রতিশোধ এড়ানোর জন্য আমরা এমন কোনো কর্মকাণ্ডে সহযোগী হবো না, যা বিশ্বের জন্য ক্ষতিকর বা আমাদের মূল্যবোধ ও স্বার্থের বিরোধী।সূত্র: আল-জাজিরাএবি 
    ইরান ইস্যুতে রাশিয়া ও চীনকে স্পষ্ট বার্তা দিলেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
    ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে, তখন তাদের মূল কৌশলগত লক্ষ্য ছিল দ্রুত শাসনব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি করে তেহরানে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পথ তৈরি করা। শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল, আকস্মিক ও তীব্র হামলা—যা সামরিক পরিভাষায় ‘শক অ্যান্ড অ’ নামে পরিচিত—ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রকে অস্থিতিশীল করে তুলবে এবং অভ্যন্তরীণ জনরোষ উসকে দেবে।কিন্তু মাঠের বাস্তবতা এখন ভিন্ন চিত্র দেখাচ্ছে। কয়েক দিন পার হয়ে গেলেও ইরানের শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়ার কোনো লক্ষণ নেই। বরং তেহরান দ্রুত পুনর্গঠন করে পাল্টা হামলা শুরু করেছে এবং সংঘাতকে আঞ্চলিক মাত্রায় ছড়িয়ে দিয়েছে। ফলে প্রাথমিক কৌশল যে প্রত্যাশিত ফল দেয়নি, তা ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে।   এদিকে ইসরায়েল ও মার্কিনের যৌথ সামরিক অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি প্রাণ হারিয়েছেন।এছাড়াও দেশটির বিভিন্ন প্রদেশে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনী। তাদের এমন পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে সব পক্ষকে সংযত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দুই শক্তিধর দেশ রাশিয়া ও চীন। এই দুই দেশেরই ইরানের সঙ্গে গভীর বাণিজ্যিক ও সামরিক সম্পর্ক রয়েছে। তবে বুধবার (৪ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেয়ার সময় মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানান, রাশিয়া ও চীনের প্রতি তার দেয়ার মতো কোনো বার্তা নেই। যদিও দেশ দুটির সঙ্গে ইরানের দীর্ঘস্থায়ী কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।তিনি বলেন, ‘তারা (রাশিয়া ও চীন) এখানে প্রকৃতপক্ষে কোনো বিবেচ্য বিষয় নয়। আমাদের বিরোধও তাদের সাথে নয়।’ ইরানের ‘পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা’র অবসান ঘটানোই এখন যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও যোগ করেন, ইরানের ওপর তার দেশ ও ইসরায়েলের হামলা কেবল শুরু হয়েছে। শিগগিরই আরও কয়েক দফায় হামলা চালানো হবে বলে জানান তিনি। হেগসেথ বলেন, এই অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ‘গ্র্যাভিটি বোমা’র অফুরন্ত মজুত ব্যবহার করবে।প্রসঙ্গত, গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। মূলত ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করেই এসব হামলা চালানো হয়। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ, খামেনির নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি শামখানি, সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল রাহিম মুসাভি ও বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডার-ইন-চিফ মোহাম্মদ পাকপুর প্রাণ হারান।মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, হামলায় এখন পর্যন্ত ১০৪৫ জন নিহত হয়েছেন।যৌথ হামলার জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে ইরান। তাদের পাল্টা আঘাতে অন্তত ৬ জন মার্কিন সেনা নিহত ও কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ছাড়া ইসরায়েলেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় বহু স্থাপনা ধ্বংস ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।সূত্র: আল জাজিরাএবি 
    ইরানের ‘সুইসাইড ড্রোনে’ দিশেহারা মার্কিনিরা, বাড়ছে ক্ষয়ক্ষতি
    যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধের চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে এক নতুন রণকৌশল হাতে নিয়েছে ইরান। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্স এবং নেভি উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ‘সুইসাইড ড্রোন’ বা আত্মঘাতী ড্রোন দিয়ে হামলা চালাচ্ছে।গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) যুদ্ধের চতুর্থ দিনে আইআরজিসির পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের অ্যারোস্পেস ফোর্স ইসরায়েলের মূল ভূখণ্ড এবং দূরবর্তী মার্কিন কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রাখবে। আর আইআরজিসি নেভি উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ও স্বল্পপাল্লার হামলা পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে।ইরান এই যুদ্ধে অত্যন্ত সস্তা কিন্তু কার্যকর অস্ত্র হিসেবে আত্মঘাতী ড্রোনকে বেছে নিয়েছে। আইআরজিসি নেভি, যাদের কাছে এই ড্রোনের বিশাল মজুদ রয়েছে, তারা ইতোমধ্যে অভিযানের ১৪তম এবং ১৫তম ঢেউ সফলভাবে পরিচালনা করেছে।দক্ষিণ পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে বাহরাইন, কুয়েত, কাতার ও আমিরাত অবস্থিত মার্কিন নৌ ও বিমান ঘাঁটিগুলো এই ড্রোনের প্রধান লক্ষ্যবস্তু।মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগনও স্বীকার করেছে, ঝাঁকে ঝাঁকে আসা এই ড্রোনগুলো মোকাবিলা করতে গিয়ে এই অঞ্চলের মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘থাড’ এবং ‘প্যাট্রয়েট’ ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে।আইআরজিসি নেভির ড্রোন হামলায় কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমান ঘাঁটি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া ক্যাম্প আরিফজানে ৬ জন মার্কিন সেনার মৃত্যুর রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে ড্রোনের আনাগোনা দেখা গেছে। মানামায় মার্কিন পঞ্চম নৌ-বহরের সদর দপ্তরে ড্রোন হামলায় কমান্ড ও সাপোর্ট সেন্টারগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই কৌশলের পেছনে দুটি প্রধান কারণ রয়েছে। একটি দামী ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের চেয়ে ইরানি ড্রোনের খরচ অনেক কম যা মার্কিন বাহিনীকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। নিচ দিয়ে উড়তে সক্ষম এই ড্রোনগুলো রাডার ফাঁকি দিয়ে নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সিএবি 
    তেল আবিবে ইসরায়েলি ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহর হামলা
    ইসরায়েলের তেল আবিবে একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে একের পর এক ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান-সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। বুধবার এক বিবৃতিতে তেল আবিবে ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটিতে হামলার ওই দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ বলেছে, তাদের যোদ্ধারা তেল আবিবের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত ‘তেল হাশোমার ঘাঁটি’ লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছেন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর জেনারেল স্টাফের সদরদপ্তর হিসেবে ওই ঘাঁটিটি ব্যবহার করা হতো।লেবাননের এই সশস্ত্র গোষ্ঠী বলেছে, স্থানীয় সময় বুধবার দুপুর ২টার দিকে ওই হামলা চালানো হয়েছে। বৈরুতের দক্ষিণে লেবাননের কয়েক ডজন শহর ও জনপদে ‘ইসরায়েলি অপরাধমূলক আগ্রাসনের’ জবাবে ওই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।এর আগে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছিল, লেবানন থেকে ইসরায়েলের দিকে কিছু ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে দেখা গেছে। তবে সেগুলোর ‘বেশিরভাগই’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইসরায়েল।এদিকে, হিজবুল্লাহর হামলা জোরদার হওয়ায় সীমান্ত লাগোয়া লেবাননের অন্তত ছয়টি শহরে কয়েক কিলোমিটার এলাকার ভেতরে ঢুকে পড়েছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। ওই সব এলাকায় হিজবুল্লাহর সামরিক স্থাপনা ও ঘাঁটি লক্ষ্য করে অভিযান পরিচালনা করছে ইসরায়েল।ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলে তেহরান-বিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীর ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাজিনী (আইআরজিসি)। বুধবার এক বিবৃতিতে কুর্দিস্থানে ইরান-বিরোধী গোষ্ঠীর ওপর হামলা চালানোর তথ্য জানিয়েছে আইআরজিসি।বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, স্থানীয় সময় বেলা ১১টার দিকে ইরাকের কুর্দিস্তানে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে কোমালা এবং অন্যান্য প্রতিবিপ্লবী গোষ্ঠীর ঘাঁটি ও সদরদপ্তরে সফলভাবে আঘাত হানা হয়েছে।গত মাসে ইরাকে নির্বাসিত কয়েকটি কুর্দি-বিরোধী গোষ্ঠী একটি রাজনৈতিক জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছিল। তাদের এই জোটের লক্ষ্য ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বর্তমান সরকারকে উৎখাত এবং নিজেদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।এই গোষ্ঠীর হাজার হাজার সদস্য ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলা শুরুর আগেই ইরানে অবৈধ অনুপ্রবেশ করেছে বলে বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ইরান-বিরোধী বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কাছে অস্ত্র সরবরাহ করেছে। এই সদস্যরা ইরানের ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।সূত্র: এএফপিএবি
    এবার তুরস্কের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
    ইরান থেকে তুরস্কের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে আঙ্কারা। তবে ওই ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যে পৌঁছানোর আগে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে।বুধবার তুরস্কের সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তুরস্কের আকাশসীমা লক্ষ্য করে ইরান থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইরাক ও সিরিয়ার আকাশসীমায় ধ্বংস করেছে ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।এক বিবৃতিতে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘‘ইরান থেকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল; যা ইরাক ও সিরিয়ার আকাশসীমা অতিক্রম করে তুরস্কের দিকে আসছিল। পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন করা ন্যাটোর আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সময়মতো সেটিকে শনাক্ত এবং আঘাত হেনে অকেজো করে দেয়।’’যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় বিদায় ও শোক অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে।এতে বলা হয়েছে, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বুধবার রাতে তিন দিনব্যাপী এই শেষ বিদায় ও শোক অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবিতে দেখা যায়, অনুষ্ঠান সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।আয়োজকদের বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি বলছে, প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত প্রস্তুতি পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই অনুষ্ঠান স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।তবে এই শোক অনুষ্ঠান কবে নাগাদ অনুষ্ঠিত হতে পারে, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত নতুন কোনও তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।তাসনিম বলেছে, বুধবার স্থানীয় সময় রাত ১০টায় তেহরানে দেশটির প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির যে স্মরণ অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল, তা স্থগিত করা হয়েছে।দেশটির সরকারি এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘লজিস্টিক’ বা ব্যবস্থাপনাগত জটিলতার কারণে অনুষ্ঠান স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন প্রদেশ থেকে সাধারণ লোকজন ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আকুতি জানিয়েছেন। তাদের জন্য আয়োজনের পরিধি বিবেচনায় নিয়ে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।গত শনিবার তেহরানে নিজ কার্যালয়ে গোপনীয় এক বৈঠক করার সময় মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। তার প্রাণহানির পর ইরানের সরকার দেশজুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে।মার্কিন-ইসরায়েলি এই আগ্রাসনে ইরানের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা এবং শত শত বেসামরিক নাগরিকও নিহত হয়েছেন। ওই হামলার প্রতিবাদ ও পাল্টা জবাব হিসেবে ইরান ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৪’ শুরু করেছে। এই অভিযানের আওতায় মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত ইসরায়েলি স্থাপনা ও মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে তেহরান।সূত্র: এএফপিএবি
    মার্কিন সাবমেরিনের হামলায় ডুবে গেল ইরানি জাহাজ, নিহত ৮৭
    মার্কিন সামরিক বাহিনীর সাবমেরিনের হামলায় ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজ ডুবির ঘটনায় অন্তত ৮৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার ভারত মহাসাগরে ইরানি নৌবাহিনীর ওই জাহাজে মার্কিন হামলায় আরও অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন।মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও পেন্টাগনে এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানি জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত মহাসাগরে ইরানি জাহাজে মার্কিন সাবমেরিনের হামলায় অন্তত ৮৭ জন নিহত হয়েছেন বলে শ্রীলঙ্কার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে জানিয়েছেন।তিনি বলেছেন, ডুবে যাওয়া জাহাজের প্রায় ১০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এর আগে, শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেছেন, নথি অনুযায়ী জাহাজে ১৮০ জন আরোহী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।এদিকে শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী বলেছে, ইরানের নৌবাহিনীর আইরিস ডেনা জাহাজ থেকে জরুরি সংকেত পাওয়ার পর তারা ৩২ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে। দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও নৌবাহিনীর মুখপাত্রের দেওয়া এই পরিসংখ্যান যদি সঠিক হয়, তাহলে জাহাজটির আরও প্রায় ৬৮ জন আরোহী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। সূত্র: এএফপিএবি
    যুদ্ধের মধ্যেই টয়লেট সংকটে মার্কিন রণতরি
    যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সর্বাধুনিক বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড এক অদ্ভুত সমস্যায় পড়েছে। যুদ্ধ প্রস্তুতির চেয়ে এখন জাহাজটির পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থার ত্রুটিই বেশি আলোচনায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যঙ্গ করে অনেকে একে ‘টয়লেট যুদ্ধ’ বলেও উল্লেখ করছেন।সংবাদমাধ্যম এনপিআর ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ৫ হাজার নাবিক ও সেনার এই বিশালাকার রণতরিতে সচল টয়লেটের সংখ্যা এখন নগণ্য। অবস্থা এতটাই বেগতিক, একেকজন নাবিককে শৌচাগার ব্যবহারের জন্য ৪৫ মিনিট পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।জাহাজটির অত্যাধুনিক পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থায় বড় ধরনের ত্রুটি দেখা দেওয়ার খবর গত ১৫ জানুয়ারি এনপিআর দিয়েছিল। তখন এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রণতরিটি মোতায়েন থাকা অবস্থাতেই এর বর্জ্যনিষ্কাশন নালাগুলো বারবার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এর ভ্যাকুয়াম সিস্টেমটি এতটাই জটিল, ডকইয়ার্ডে না ফেরা পর্যন্ত এটি মেরামত করা সম্ভব নয়। ফলে সাগরে থাকা অবস্থায় নাবিকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।মার্কিন নৌবাহিনী অবশ্য দাবি করেছে, টয়লেটের এ সমস্যার কারণে তাদের যুদ্ধ প্রস্তুতি বা সক্ষমতায় কোনো প্রভাব পড়বে না। তবে শৌচাগার ব্যবহারের জন্য মার্কিন নাবিকদের এই হাহাকার ইন্টারনেটে হাসির খোরাক জোগাচ্ছে।যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড কয়েক মাস সাগরে থাকার পর আবারও মধ্যপ্রাচ্যের দিকে রওনা দিয়েছে। কারণ, ইরানের সঙ্গে এখন সরাসরি যুদ্ধে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে দীর্ঘ সময় সাগরে থাকা এবং জাহাজের ত্রুটিপূর্ণ পয়োনিষ্কাশন (প্লাম্বিং) ব্যবস্থার কারণে সেনাদের মনোবল এখন তলানিতে।এ খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নানা আলোচনা ও ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য ছড়িয়ে পড়েছে। জাহাজের অচল টয়লেট এবং সেনাদের ব্যক্তিগত জীবনের ত্যাগের বিষয়টি নিয়ে অনেকে রসিকতা করছেন। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অবস্থান নিয়েও নেটিজেনরা বিভিন্ন প্রশ্ন তুলছেন।এই রণতরি গত জুন মাস থেকে টানা সাগরে অবস্থান করছে। প্রথমে ভূমধ্যসাগরে এবং পরে ক্যারিবীয় অঞ্চলে মোতায়েন থাকার পর এটি এখন আবার পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক অভিযানে সহায়তা করতেই জাহাজটির মিশনের এই বারবার পরিবর্তন ও সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে বলে ধারণা করা যায়।রণতরিটির অধিনায়ক ক্যাপ্টেন ডেভিড স্কারোসি নাবিকদের পরিবারের কাছে লেখা এক চিঠিতে স্বীকার করেছেন, মিশনের মেয়াদ দ্বিতীয়বারের মতো বাড়ানোয় তিনি নিজেও অবাক হয়েছেন। তিনি লিখেছিলেন, তিনি আশা করেছিলেন, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বাড়িতে ফিরে বাসার পেছনের উঠানের বেড়া মেরামত করবেন। কিন্তু এর ভেতরে পরিস্থিতি বদলে গেছে।সাধারণত শান্তিকালীন সময়ে একটি বিমানবাহী রণতরির মিশন ছয় মাস স্থায়ী হয়। অবসরপ্রাপ্ত রিয়ার অ্যাডমিরাল মার্ক মন্টগোমারি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে (ডব্লিউএসজে) জানান, পরিকল্পনাকারীরা জরুরি প্রয়োজনে মিশন কিছুটা দীর্ঘায়িত করার সুযোগ রাখলেও জেরাল্ড আর ফোর্ড এখন স্বাভাবিক প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে সাগরে অবস্থান করছে।বর্তমানে মার্কিন নৌবাহিনীর বহরে ১১টি বিমানবাহী রণতরি রয়েছে, যেগুলো পূর্বপরিকল্পিত সূচি অনুযায়ী বিশ্বজুড়ে দায়িত্ব পালন করে। বর্তমানে জেরাল্ড আর ফোর্ডের পাশাপাশি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকেও মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হয়েছে।তবে দীর্ঘ সময় সাগরে অবস্থানের কারণে ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তা ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে জানিয়েছেন, জাহাজের ৬৫০টি শৌচাগার নিয়ন্ত্রণকারী বর্জ্যনিষ্কাশনব্যবস্থায় নিয়মিত সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এই ত্রুটি সারানোর জন্য গড়ে প্রতিদিন অন্তত একবার প্রকৌশলীদের ডাকতে হচ্ছে।এমআর-২
    ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ২৫ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকা
    ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে হামলা চালিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারির ওই আগ্রাসনের পর হাতের মুষ্ঠি ছেড়ে দিয়েছে তেহরানও। ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ছে উগ্র ইহুদিবাদী ভূখণ্ড ও উপসাগরীয় দেশগুলোয় মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা লক্ষ্য করে। সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে সমগ্র অঞ্চলে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জ্বালানি মার্কেট। ইরান বিশ্বের তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় হাহাকার শুরু হয়েছে ইউরোপ ও আমেরিকায়। সামগ্রিক বিবেচনায় এ যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি হতে পারে ২১ হাজার কোটি ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় দাঁড়ায় ২৫দশমিক ৬৯ ট্রিলিয়ন বা ২৫ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকা। বর্তমান মুদ্রা বাজার অনুযায়ী, প্রতি ডলার ১২২ দশমিক ৩৫২ টাকা ধরলে এ সংখ্যা পাওয়া যায়।পেন হোয়ার্টন বাজেট মডেলের পরিচালক ও রাজস্ব বিশ্লেষক কেন্ট স্মেটার্সের মতে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে মার্কিন অর্থনীতির ২১০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতি হতে পারে। স্মেটার্স সম্প্রতি বলেন, চলমান সংঘাত ইতোমধ্যে বাণিজ্য, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও গ্যাসোলিনের দামে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে, যদিও অর্থনীতির ওপর এই যুদ্ধের প্রভাব কতটা সুনির্দিষ্টভাবে পড়বে তা অনুমান করা কঠিন। তার বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ ১১৫ বিলিয়ন ডলার, তবে সংঘাতের ধরণ ও স্থায়িত্বের ওপর ভিত্তি করে এই অংক ৫০ বিলিয়ন থেকে ২১০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যুদ্ধব্যয় গণনার ক্ষেত্রে আমার একটি সমস্যা হলো—তারা বিকল্প পরিস্থিতি বা ‘কাউন্টারফ্যাকচুয়াল’ বিষয়টিকে পুরোপুরি উপেক্ষা করে। ইরান যদি সত্যিই পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেত, তবে পরে আমাদের সামরিক খাতে এবং এমনকি শহরগুলো পুনর্গঠনে আরও অনেক বেশি অর্থ ব্যয় করতে হতো।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে যুদ্ধের অর্থনৈতিক হুমকির কথা স্বীকার করেছেন এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো দিয়ে চলাচলকারী জ্বালানি ট্যাঙ্কারগুলোর জন্য সরকারি বীমা ও প্রয়োজনে নৌ-এসকর্ট দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, প্রয়োজন হলে মার্কিন নৌবাহিনী যত দ্রুত সম্ভব হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী ট্যাঙ্কারগুলোকে পাহারা দিতে শুরু করবে। পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে জ্বালানির অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করবে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ।ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প স্বীকার করেন, যুদ্ধের কারণে তেলের দাম ‘কিছু সময়ের জন্য’ বেশি থাকতে পারে, তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে সংঘাত শেষ হলে ‘এই দাম আগের চেয়েও নিচে নেমে আসবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’মঙ্গলবার (৩ মার্চ) লেনদেন শেষে বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের দাম ৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে এবং আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, জাতীয় পর্যায়ে প্রতি গ্যালন গ্যাসোলিনের গড় দাম ১০ সেন্টের বেশি বেড়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব কতটা হবে তা মূলত সংঘাত কতদিন স্থায়ী হয় তার ওপর নির্ভর করবে। গ্রাউন্ডওয়ার্ক কোলাবোরেটিভ-এর নীতি ও অ্যাডভোকেসি প্রধান এবং বাইডেনের সাবেক অর্থনৈতিক উপদেষ্টা অ্যালেক্স জ্যাকুয়েজ বলেন, বাজার বর্তমানে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের ঝুঁকিকে বেশ অবমূল্যায়ন করছে—এমন একটি সংঘাত যা দ্রুত শেষ হবে না, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল স্বাভাবিক হবে না এবং সবকিছু সময়মতো স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরবে না।অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি, এই বিশাল সামরিক অভিযানে আরও ৬৫ বিলিয়ন ডলারের বাজেট ব্যয় হতে পারে, যার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলের বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে বিমান ও নৌবাহিনী মোতায়েন করেছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিযান, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’, কতদিন চলবে তা ‘এই মুহূর্তে জানা সম্ভব নয়’ বলে কংগ্রেসকে লেখা এক চিঠিতে ট্রাম্প জানিয়েছেন। তিনি গত ২ মার্চ লিখেছেন, যদিও যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত এবং টেকসই শান্তি চায়, তবে প্রয়োজনীয় সামরিক অভিযানের পূর্ণ পরিধি ও স্থায়িত্ব এই মুহূর্তে জানা সম্ভব নয়।তিনি এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে এই বোমাবর্ষণ ‘চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ’ স্থায়ী হতে পারে।এমআর-২
    সৌদির বৃহত্তম তেল শোধনাগারে ফের হামলা
    সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকোর একটি স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। সৌদি আরামকোর বৃহত্তম পরিশোধনাগার ওই স্থাপনায় রয়েছে।বুধবার (০৪ মার্চ) সকালের দিকে সেখানে আবারও ড্রোন হামলা হয়েছে বলে দেশটির সরকারি এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরবের দেশীয় চাহিদা পূরণ করা সৌদি আরামকোর বৃহত্তম তেল শোধনাগার রাস তানুরায় একটি ড্রোন আঘাত হেনেছে।রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি সৌদি আরামকো ওই পরিশোধনাগারটি পরিচালনা করে। সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, বুধবারের এই হামলা একটি ড্রোনের মাধ্যমে চালানো হয়েছে। তবে এতে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।এর আগে, গত সোমবারও সৌদি আরামকোর রাস তানুরার তেল শোধনাগার লক্ষ্য করে ইরানের ছোড়া আরও দু’টি ড্রোন ভূপাতিত করে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।পরে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে শোধনাগারটিতে আগুন ধরে যায়। সেই ঘটনার পর কর্তৃপক্ষ প্ল্যান্টটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় আরামকো। ওই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে আবারও সেখানে হামলা চালিয়েছে ইরান।ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের (আইএআই) সদরদপ্তর লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে লেবাননের সশস্ত্রগোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। একই সঙ্গে ইসরায়েলের ড্রোন নিয়ন্ত্রণকারী একটি সামরিক ঘাঁটিতেও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, মনুষ্যবিহীন ড্রোনসহ যুদ্ধের অস্ত্র, স্যাটেলাইট ও মহাকাশ কার্যক্রমের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রতিরক্ষা এবং বেসামরিক পণ্য তৈরি করে ইসরায়েলের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ।ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার রাতে ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে ইসরায়েলি সামরিক সরঞ্জামপ্রস্তুতকারক কোম্পানি আইএআইর সদরদপ্তরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ।ইরানপন্থী লেবাননের সশস্ত্র এই গোষ্ঠী জানায়, লেবাননের কয়েক ডজন শহর ও জনপদে ইসরায়েলি অপরাধমূলক আগ্রাসনের জবাবে বুধবার রাত ২টার দিকে ড্রোন দিয়ে অধিকৃত ফিলিস্তিনের কেন্দ্রে অবস্থিত ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের (আইএআই) সদরদপ্তরে হামলা চালানো হয়েছে।এমআর-২

    বিনোদন

    সব দেখুন
    ঈদে মুশফিক ফারহান ও সাফা কবিরের নতুন চমক
    ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নির্মিত হয়েছে ঈদের নাটক ‘বেসড অন ট্রু স্টোরি’।নাটকে দেখা যাবে, সোনিয়া ও পলাশ বিয়ে করে স্টুডেন্ট ভিসায় পাড়ি জমায় অস্ট্রেলিয়ায়। দুজনের মনেই স্বপ্ন ছিল– বিদেশ গিয়ে নিজেদের মতো করে জীবন গড়া। পলাশ রেস্টুরেন্টে কাজ করে সংসার চালায়, আর সোনিয়া পড়াশোনা করে। পলাশের অল্প আয়ে টানাপোড়েন শুরু হলে সোনিয়া চাকরি নিতে চায়। শুরুতে পলাশ রাজি না হলেও শেষ পর্যন্ত মেনে নেয়। তখন থেকেই দূরত্বের শুরু। সোনিয়ার দেরিতে ফেরা, ফোনে চ্যাট– সবকিছু পলাশের মনে তখন সন্দেহ তৈরি করে। ঠিক তখনই দুর্ঘটনায় পা ভেঙে অনেকদিন ঘরে পড়ে থাকেন পলাশ। সম্পর্ক এমন জায়গায় পৌঁছে যায় যে, সোনিয়া পলাশের সাথে সংসার করতে অমত জানায়। এক পর্যায়ে তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। বিচ্ছেদের পরও পলাশ তাঁকে ভুলতে পারে না। ঠিক তখনই এক গল্পে আনে নতুন মোড়।নাটক প্রসঙ্গে মুশফিক ফারহান ও সাফা কবির বলেন, ‘নাটকের গল্পটি অসাধারণ। নাটকের প্রতিটি চরিত্র চ্যালেঞ্জিং ছিল। আশা করছি নাটকটি দর্শকের ভালো লাগবে।এইচএ
    খামেনির প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ ভারতীয় অভিনেত্রীর
    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতীয় অভিনেত্রী ফারহানা ভাট। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী খামেনির বাসভবনে যৌথ বিমান হামলা চালায়। ১ মার্চ ভোরে ৮৬ বছর বয়সী সর্বোচ্চ এই নেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয় ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে।ফারহানা ভাট জানান, খামেনির মৃত্যুর খবর শোনার পর থেকে তিনি এতটাই বিপর্যস্ত যে সাহরির পর আর ঘুমাননি।ফারহানার মতে, সব কাশ্মীরি এই ঘটনায় শোকাহত। তিনি বিশ্বাস করেন, খামেনি মানুষের হৃদয়ে ও মনে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। ফারহানা জানান, অনেকের কাছেই খামেনি ছিলেন একজন পথপ্রদর্শক।আন্তর্জাতিক মহলে খামেনিকে নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত থাকলেও, কাশ্মীরের একটি বড় অংশের মানুষের সাথে তার গভীর মানসিক ও আধ্যাত্মিক যোগসূত্র ছিল, যা ফারহানার বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।এইচএ
    ইকরা ২ বছর আগেই জানতে পারেন আলভী মজেছেন অন্য নারীতে
    স্ত্রী ইকরার মৃত্যুর পরপরই একজন অভিনয়শিল্পী সহকর্মীর সঙ্গে জাহের আলভীর প্রেমের সম্পর্কের কথা সামনে এসেছে। এই সম্পর্কের জেরে ইকরা ‘আত্মহত্যা’র পথ বেছে নিয়েছেন, এমনটাই অভিযোগ ইকরার মা ও তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যদের, এমনকি বন্ধুদেরও।ইকরার মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর স্বামী জাহের আলভী ও তাঁর মায়ের নামে মামলা করা হয়েছে। রোববার (১লা মার্চ ) ঢাকার পল্লবী থানায় এই মামলা করা হয়। মামলায় ১ নম্বর আসামি হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে জাহের আলভীকে এবং ২ নম্বর আসামি তাঁর মা নাসরিন সুলতানাকে।মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা প্রায়ই ইকরাকে অপমান করতেন এবং তাঁদের জীবন থেকে সরে যাওয়ার জন্য চাপ দিতেন। এমনকি জাহের আলভী ইকরাকে উদ্দেশ্য করে প্রায়ই উসকানিমূলক কথা বলতেন—যা তাঁর মানসিক অবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর ডিওএইচএসের বাসায় নিজের কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ইকরা। পরে তাঁকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে পল্লবী থানার পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করে এবং ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা নেয়।২৭ ফেব্রুয়ারি জাহের আলভী এক নারীর সঙ্গে ছবি পোস্ট করেন, যা ইকরার মানসিক কষ্ট আরও বাড়িয়ে দেয়। পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিনের মানসিক নির্যাতন, অপমান ও উসকানির কারণে ইকরা আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হন।এইচএ
    স্ত্রীর জানাজায় অংশ না নেওয়ার বিষয়ে ‘বিস্ফোরক’ তথ্য জানালেন আলভী
    অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত খান ইকরার ‘আত্মহত্যা’ ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে তার একটি ভিডিও বার্তা।দাম্পত্য কলহের জেরে ইকরার মৃত্যুর পর তার পরিবার রাজধানীর পল্লবী থানায় আলভীর বিরুদ্ধে মামলা করে। জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হলেও শেষবারের মতো স্ত্রীর মুখ দেখতে উপস্থিত হননি আলভী—এ নিয়েই জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়।সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা এক ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তিনি।জাহের আলভী বলেন, ‘আমাকে নিয়ে অনেকের মনে অনেক প্রশ্ন। এই ভিডিওতে আমি সব কিছু ক্লিয়ার করব। শেষ প্রশ্ন থেকেই আসি। দেখলাম অনেকেই বলছেন, যে মানুষটা তার ভালোবাসার প্রমাণ দিতে গিয়ে আত্মহত্যা করল, একটাবারও শেষ দেখা দেখতে এলাম না কেন?’তিনি ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘আপনারা কি আমার দেশে ফেরার অবস্থা রেখেছেন? আমি দেশে আসা মাত্রই মব সৃষ্টি করা হবে, আমাকে টেনে ছিঁড়ে ফেলা হবে।আমার ফোনে এত এত থ্রেটস, আপনাদের বলে বোঝাতে পারব না। আমার কাছে ইনফরমেশন আছে, এয়ারপোর্টে লোক ফিট করা আছে, আমি এয়ারপোর্টে যাওয়া মাত্রই তারা আমাকে হিট করবে, তারা আমাকে মেরে ফেলবে।’স্ত্রীর শেষ দেখা না পাওয়ার প্রসঙ্গে আলভীর বক্তব্য, ‘আমার ইকরার মুখটা আপনারা আমাকে দেখতে দেননি, ইকরার পরিবার আমাকে দেখতে দেয়নি।’নেপাল থেকে দেশে ফেরার বিষয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অনেকেই অনেক প্রশ্ন করতেছেন যে নেপাল থেকে আসতে কতক্ষণ লাগে? নেপাল কি মঙ্গলগ্রহে নাকি? আমি নেপালে এসেছি ১৮ বার, আমি জানি কতক্ষণ লাগে।যেদিনের ঘটনা সেদিন এমন কোনো চেষ্টা বাদ রাখিনি দেশে আসার। ডিরেক্ট ফ্লাইট ছিল না, একটা ট্রানজিট ফ্লাইট ছিল, কিন্তু ওইটাতে এলে পরের দিন আসতে হতো। অনেকভাবে চেষ্টা করেছি কোনোভাবে বাংলাদেশে ঢোকার, কিন্তু কোনোভাবেই ওই দিন আমি টিকিট ম্যানেজ করতে পারিনি। তার পরদিন আমি ইমিগ্রেশন ক্রস করি, এরপর জানতে পারি এয়ারপোর্টে ঢোকা মাত্রই আমার ওপর অ্যাটাক হবে, আমাকে হিট করা হবে। ওই অবস্থায় তো আমি ঢুকব না। এটাই ছিল কারণ।’ইকরার সঙ্গে তার সম্পর্কটা শুরু থেকেই টক্সিক ছিল বলে উল্লেখ করেন আলভী। তিনি বলেন, ‘ইকরা আমাদের সম্পর্কের শুরু থেকেই অনেক সন্দেহপ্রবণ ছিল, যার কারণে আমাদের সম্পর্কটা শুরু থেকেই টক্সিক ছিল। অনেক আগে থেকেই তিথির সঙ্গে পরিচয় হওয়ারও আগে থেকে। ইকরা অনেক আগে থেকেই আমার কাছে ডিভোর্স চাইত, কিন্তু আমি এটা চাইনি।’এরপর আলভী আরো বলেন, ‘ইকরার কিছু বদ-অভ্যাস ছিল। ইকরা ট্রিগারড হয়েছে তবে আমার কারণে না। আমার কিছু ভাই ব্রাদারের কারণে যারা ওর আর আমার দুজনেরই কমন সার্কেল। ওরা দিনের পর দিন ট্রিগার করে ইকরাকে এই জায়গায় নিয়ে আসছে। আমি ইকরাকে আত্মহত্যা করতে ট্রিগার করিনি, সে ট্রিগারড হয়েছে।’উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর ডিওএইচএসে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন ইকরা। ময়নাতদন্ত শেষে রবিবার ময়মনসিংহের ভালুকায় গ্রামের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে বাদ আসর তার লাশ দাফন করা হয়।এফএস

    অর্থ-বাণিজ্য

    সব দেখুন
    দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমেছে ৯২১৪ টাকা
    টানা ৬ দফা বাড়ানোর পর অবশেষে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। আজ বুধবার (৪ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ
    ১৫ মার্চের মধ্যে বাজেট প্রস্তাবনা চেয়েছে এনবিআর
    আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের যুগোপযোগী ও অংশীদারত্বমূলক বাজেট প্রণয়নে  ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর কাছ থেকে প্রস্তাবনা চেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে বিভিন্ন চেম্বার এবং অ্যাসোসিয়েশনকে তাদের স্ব স্ব বাজেট প্রস্তাব দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) কাছে লিখিতভাবে সুপারিশ ও প্রস্তাব পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রস্তাবের আরেকটি সফটকপি ই-মেইলে: nbrbudget2026@gmail.com এনবিআরে প্রেরণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ এসব তথ্য জানিয়েছেন।এনবিআর জানায়, ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। একটি অংশগ্রহণমূলক, গণমুখী  ও ন্যায় সম্মত বাজেট প্রণয়নে বরাবরই সব পর্যায়ের সম্মানিত করদাতা, বিভিন্ন শিল্প ও বণিক সমিতি, ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন, পেশাজীবী সংগঠন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও দেশের বুদ্ধিজীবী মহলের কাছ থেকে এনবিআর বাজেট প্রস্তাব আহ্বান করেছে। রাজস্ব আহরণ কার্যক্রমকে অধিকতর অর্থবহ, বিশ্লেষণধর্মী ও প্রতিনিধিত্বশীল করার জন্য যারা আগ্রহী তারা এতে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।এইচএ
    দেশে কতদিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে, জানালেন বিপিসি চেয়ারম্যান
    দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান।আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কারওয়ান বাজার বিপিসি ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি নজরে রেখে তেলের বিকল্প বাজার খোঁজার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। তবে বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ মজুত রয়েছে, তাতে দাম বাড়ার শঙ্কা নেই।নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে গতকাল পর্যন্ত ৭টি জাহাজের এলসি সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ডিজেল ১৪ দিন, অকটেন ২৮ দিন, পেট্রোল ১৫ দিন, ফার্নেস ৯৩ দিন ও জেড ফুয়েল ৫৫ দিনের মজুত রয়েছে।জ্বালানি তেলের বর্তমান মজুত তালিকা: এইচএ
    আরেক দফায় স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়লো ৩৩২৪ টাকা
    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বেড়ে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকায়।স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠক করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি নেয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা ১ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।এর আগে, গতকাল সোমবার (২ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয় ৫ হাজার ৪২৪ টাকা। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এখন আবার দাম বাড়ানো হলো।এখন ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের ৩ হাজার ৯১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৭৭৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ২ হাজার ৬৮৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম দুই লাখ ২৬ হাজার ৯৮১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৪৯ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।সোমবার সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ধরা হয় ২ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ টাকা।এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের ১ ভরি স্বর্ণ ৪ হাজার ৪৯১ টাকা বাড়িয়ে দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ২৯৯ টাকা ঠিক করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা বাড়িয়ে দাম ধরা হয় ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৩৩ টাকা। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামেই স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে। এখন স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের ১ ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে সাত হাজার ১৭৩ টাকা। এছাড়া প্রতি ভরি ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৬ হাজার ৮৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৫ হাজার ৮৯০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ
    এক দিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম ভরিতে বেড়েছে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা
    দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দামে বড় ধরনের বৃদ্ধি ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকা এবং এবং ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ৬১ হাজার ৬৮১ টাকা।আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় সংগঠনটি। জানানো হয়, নতুন নির্ধারিত দাম একই দিন সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে কার্যকর হয়েছে।বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে বেড়ে যাওয়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বর্ণের নতুন দর ঠিক করা হয়েছে। এর ফলে ক্রেতাদের আগের তুলনায় বেশি দামে স্বর্ণ কিনতে হবে।এর আগে, রবিবার (১ মার্চ) ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয় এবং ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরির দাম ছিল ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৩ টাকা। এইচএ
    লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম
    ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার ফলে এক লাফে ১০ শতাংশ দাম বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধাবস্থার প্রেক্ষাপটে বিশ্ববাজারে তেলের দাম হঠাৎ বেড়েছে। রবিবার (১ মার্চ) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড রোববার ওভার-দ্য-কাউন্টার লেনদেনে প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে।বর্তমানে এ দাম ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারে পৌঁছেছে। শুক্রবার এটি ৭৩ ডলারে উঠে জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ অবস্থানে ছিল। সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ফিউচারস লেনদেন বন্ধ রয়েছে।বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যায়, তবে দাম আরো দ্রুত বাড়তে পারে।জ্বালানি বিশ্লেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিআইএসের জ্বালানি ও রিফাইনিং বিভাগের পরিচালক অজয় পারমার বলেন, সামরিক হামলা তেলের দামের পক্ষে সহায়ক হলেও মূল বিষয় হলো হরমুজ প্রণালীর সম্ভাব্য বন্ধ হয়ে যাওয়া।রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের ২০ শতাংশেরও বেশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে হয়। বাণিজ্যিক সূত্র জানিয়েছে, তেহরানের সতর্কবার্তার পর বেশিরভাগ ট্যাংকার মালিক, তেল কম্পানি ও ট্রেডিং হাউস ওই পথ দিয়ে অপরিশোধিত তেল, জ্বালানি ও এলএনজি পরিবহন স্থগিত করেছে।পারমার জানান, প্রণালী দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ থাকলে দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার বা তারও বেশি হতে পারে।অন্যদিকে তেল উৎপাদক জোট ওপেক প্লাস এপ্রিল থেকে প্রতিদিন ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ পরিমাণ বৈশ্বিক চাহিদার তুলনায় খুবই সামান্য (০ দশমিক ২ শতাংশেরও কম)।নরওয়ে-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রেস্টার্ড এনার্জির বিশ্লেষক জর্জে লিওনের মতে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলে বিকল্প পাইপলাইন ব্যবহারের পরও দৈনিক ৮ থেকে ১০ মিলিয়ন ব্যারেল সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে, বাজার চালু হলে দাম প্রায় ৯২ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।এফএস
    দেশের বাজারে কমেছে রুপার দাম
    টানা ৪ দফা বাড়ানোর পর অবশেষে দেশের বাজারে কমানো হয়েছে রুপার দাম। এবার ভরিতে ৬৪১ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৫৩২ টাকা।আজ বুধবার (৪ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে রুপার মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ
    দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমেছে ৯২১৪ টাকা
    টানা ৬ দফা বাড়ানোর পর অবশেষে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। আজ বুধবার (৪ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ
    ১৫ মার্চের মধ্যে বাজেট প্রস্তাবনা চেয়েছে এনবিআর
    আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের যুগোপযোগী ও অংশীদারত্বমূলক বাজেট প্রণয়নে  ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর কাছ থেকে প্রস্তাবনা চেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে বিভিন্ন চেম্বার এবং অ্যাসোসিয়েশনকে তাদের স্ব স্ব বাজেট প্রস্তাব দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) কাছে লিখিতভাবে সুপারিশ ও প্রস্তাব পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রস্তাবের আরেকটি সফটকপি ই-মেইলে: nbrbudget2026@gmail.com এনবিআরে প্রেরণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ এসব তথ্য জানিয়েছেন।এনবিআর জানায়, ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। একটি অংশগ্রহণমূলক, গণমুখী  ও ন্যায় সম্মত বাজেট প্রণয়নে বরাবরই সব পর্যায়ের সম্মানিত করদাতা, বিভিন্ন শিল্প ও বণিক সমিতি, ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন, পেশাজীবী সংগঠন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও দেশের বুদ্ধিজীবী মহলের কাছ থেকে এনবিআর বাজেট প্রস্তাব আহ্বান করেছে। রাজস্ব আহরণ কার্যক্রমকে অধিকতর অর্থবহ, বিশ্লেষণধর্মী ও প্রতিনিধিত্বশীল করার জন্য যারা আগ্রহী তারা এতে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।এইচএ
    দেশে কতদিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে, জানালেন বিপিসি চেয়ারম্যান
    দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান।আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কারওয়ান বাজার বিপিসি ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি নজরে রেখে তেলের বিকল্প বাজার খোঁজার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। তবে বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ মজুত রয়েছে, তাতে দাম বাড়ার শঙ্কা নেই।নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে গতকাল পর্যন্ত ৭টি জাহাজের এলসি সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ডিজেল ১৪ দিন, অকটেন ২৮ দিন, পেট্রোল ১৫ দিন, ফার্নেস ৯৩ দিন ও জেড ফুয়েল ৫৫ দিনের মজুত রয়েছে।জ্বালানি তেলের বর্তমান মজুত তালিকা: এইচএ
    আরেক দফায় স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়লো ৩৩২৪ টাকা
    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বেড়ে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকায়।স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠক করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি নেয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা ১ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।এর আগে, গতকাল সোমবার (২ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয় ৫ হাজার ৪২৪ টাকা। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এখন আবার দাম বাড়ানো হলো।এখন ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের ৩ হাজার ৯১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৭৭৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ২ হাজার ৬৮৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম দুই লাখ ২৬ হাজার ৯৮১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৪৯ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।সোমবার সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ধরা হয় ২ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ টাকা।এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের ১ ভরি স্বর্ণ ৪ হাজার ৪৯১ টাকা বাড়িয়ে দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ২৯৯ টাকা ঠিক করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা বাড়িয়ে দাম ধরা হয় ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৩৩ টাকা। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামেই স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে। এখন স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের ১ ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে সাত হাজার ১৭৩ টাকা। এছাড়া প্রতি ভরি ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৬ হাজার ৮৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৫ হাজার ৮৯০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ
    এক দিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম ভরিতে বেড়েছে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা
    দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দামে বড় ধরনের বৃদ্ধি ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকা এবং এবং ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ৬১ হাজার ৬৮১ টাকা।আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় সংগঠনটি। জানানো হয়, নতুন নির্ধারিত দাম একই দিন সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে কার্যকর হয়েছে।বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে বেড়ে যাওয়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বর্ণের নতুন দর ঠিক করা হয়েছে। এর ফলে ক্রেতাদের আগের তুলনায় বেশি দামে স্বর্ণ কিনতে হবে।এর আগে, রবিবার (১ মার্চ) ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয় এবং ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরির দাম ছিল ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৩ টাকা। এইচএ

    শিক্ষাঙ্গন

    সব দেখুন
    গোপনে নারীদের অপ্রস্তুত ছবি-ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে ববি ক্যাম্পাসে উত্তেজনা
    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) রসায়ন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের এক ছাত্রের বিরুদ্ধে বিনা অনুমতিতে ও গোপনে নারী শিক্ষার্থীদের অপ্রস্তুত ব্যক্তিগত ও আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। অভিযুক্ত তূর্য বাড়ৈর ল্যাপটপ ও ফোনে প্রায় এক হাজারের বেশি ব্যক্তিগত ছবি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে সম্পাদিত ভিডিও পাওয়া গেছে।জানা গেছে, ৩ মার্চ (মঙ্গলবার) রাতে গোপনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের এক ছাত্রীর ছবি তোলার সময় তূর্য বাড়ৈ হাতেনাতে ধরা পড়েন। পরে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা তার ডিভাইস তল্লাশি করলে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত চার বছর ধরে ল্যাবে প্রাকটিক্যাল ক্লাসসহ বিভিন্ন সময়ে নারীদের পোশাকের অসতর্ক মুহূর্তের ছবি নেওয়া হতো এবং এসব ছবি পেনড্রাইভ ও ইমেইলে ফোল্ডার আকারে সংরক্ষিত ছিল।ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, অভিযুক্তের কর্মকাণ্ড শুধুমাত্র ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘন নয়; এটি একটি সংগঠিত চক্রের সঙ্গে সম্পর্কিত অপরাধও হতে পারে। তারা দাবি করেছেন, ছবিগুলো কোনো পর্নোগ্রাফি সাইটে ব্যবহার হয়েছে কি না বা ব্ল্যাকমেইলের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হোক।এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং অভিযুক্তের আজীবন বহিষ্কারসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বুধবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন আয়োজন করেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে নিরাপদ আশ্রয় হওয়া উচিত, সেখানে সহপাঠীর এমন বিকৃত মানসিকতা আমাদের আতঙ্কিত করেছে।”বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, প্রক্টরিয়াল বডি তদন্ত চালাচ্ছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। তিনি আরও বলেন, “সাইবার ইনস্ট্রুমেন্টের সীমাবদ্ধতার কারণে বিষয়টি অভিজ্ঞ আইনি সংস্থার কাছে হস্তান্তরের বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে।”প্রক্টর রাহাত হোসাইন ফয়সাল জানান, যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেল তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেবে। এছাড়া যাচাই করা হবে অভিযুক্ত ছবিগুলো বাইরে ছড়িয়ে দিয়েছে কি না, বা অন্য কোনো চ্যানেলের সঙ্গে যুক্ত কি না। পুলিশে মামলা দায়ের ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, অভিযুক্ত তূর্য বাড়ৈ বর্তমানে প্রক্টর অফিসে আছেন এবং তার বিরুদ্ধে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। এই ঘটনায় ক্যাম্পাসজুড়ে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং শিক্ষার্থীরা দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছেন।এসআর
    ২৪ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
    পবিত্র মাহে রমজান, শব-ই-কদর, ঈদ-উল-ফিতর এবং মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ২৪ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে (ববি)। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার খান সানজিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।নোটিশ অনুযায়ী, আগামী ৮ মার্চ (রবিবার) থেকে ৩১ মার্চ (মঙ্গলবার) পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস কার্যক্রম বন্ধ থাকবে, যা মোট ২৪ দিন। অন্যদিকে, অফিস কার্যক্রম বন্ধ থাকবে ১৫ মার্চ (রবিবার) থেকে ৩১ মার্চ (মঙ্গলবার) পর্যন্ত, মোট ১৭ দিন।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, ছুটিকালীন সিকিউরিটিসহ অন্যান্য জরুরি সেবা কার্যক্রম চালু থাকবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।ইখা
    ইবিতে ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্নার’ উদ্বোধন
    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্নার’ উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে গ্রন্থাগারের দ্বিতীয় তলায় ফিতা কেটে কর্নারটির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।উদ্বোধন শেষে কর্নারে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপাচার্য এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন।গ্রন্থাগারিক (ভারপ্রাপ্ত) খোন্দকার আব্দুল মজিদ স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি ও শিক্ষক-কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের উপ-রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।গ্রন্থাগারিক জানান, কর্নারে মোট ১ হাজার ৭২৭টি বই স্থান পেয়েছে। ডেকোরেশনসহ মোট ১৬ লাখ টাকা অর্থায়ন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। তিনি বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রথম এ ধরনের কর্নার উদ্বোধন করা হলো।উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের সঙ্গে আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বই সরবরাহ ও কর্নার প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তিনি জানান, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্নার স্থাপন ও মোবাইল লাইব্রেরি চালুর প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে, যা বাস্তবায়নের পথে রয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মনে করছে, এ কর্নার শিক্ষার্থীদের জন্য ইসলামি সাহিত্য ও গবেষণাধর্মী বইপাঠের সুযোগ সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।ইখা
    ভারতে ট্রেনে অচেতন বাকৃবি শিক্ষার্থী জীম, আইসিইউতে সংকটাপন্ন ​
    ​ভারতের একটি ট্রেনের টয়লেট থেকে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক তানিউল করিম জীমকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কলকাতার মনিপাল হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গত ১ মার্চ ভারতের ব্যাঙ্গালুরু থেকে কলকাতা ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে।​তানিউল করিম জীম বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সিনিয়র সদস্য। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের স্নাতকোত্তর থিসিসের শিক্ষার্থী।​ঘটনার বিবরণ দিয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ২১ ফেব্রুয়ারি মেডিকেল ভিসা নিয়ে তাঁর চাচার সাথে ভারতে যান জীম। ০১ মার্চ সকালে ভারতের ব্যাঙ্গালুরু থেকে তাঁর চাচার সাথে ট্রেনে করে কলকাতা আসার পথে ট্রেনের ভেতরেই নিখোঁজ হন জীম। দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর ট্রেনের টয়লেট থেকে তাঁকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।এরপর ট্রেনটি কলকাতায় পৌঁছালে তাঁকে প্রথমে হাওড়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিটি স্ক্যান রিপোর্টে তাঁর মাথার পেছনে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ধরা পড়ে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে পরে কলকাতার মনিপাল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ​বর্তমানে জীম হাসপাতালের আইসিইউতে রয়েছেন।পরিবারের সদস্য হিসেবে একমাত্র তার চাচাই তার সাথে আছে। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে তার চাচা জানান, '৪৮ ঘন্টা পার হলেও জীমের এখন পর্যন্ত তাঁর জ্ঞান ফেরেনি। জ্ঞান ফেরার পর শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করে অস্ত্রোপচারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।​এ ঘটনায় গভীর উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন তাঁর পরিবার, সহকর্মী ও বাকৃবিয়ানরা। পরিবারের কারও ভিসা না থাকায় এই কঠিন মুহূর্তে পরিবার তার পাশে থাকতে পারছে না। ভারতের অবস্থানরত বাংলাদেশিদের কাছে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।​এদিকে, ছেলের চিকিৎসায় পাশে থাকতে দ্রুত ভিসার জন্য ভারতের হাই কমিশন ও বাংলাদেশ সরকারের সহায়তা চেয়েছেন জীমের ছোট ভাই তানিউল করিম মিম। তিনি বলেন, “আমরা ভারতীয় হাই কমিশন ও আমাদের সরকারের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি। আমাদের পরিবারের কোনো সদস্য বর্তমানে তাঁর পাশে নেই। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভিসার ব্যবস্থা করে দিলে আমরা ভাইয়ের পাশে থাকতে পারতাম। অনুরোধ করছি, মানবিক দিক বিবেচনা করে আগামী দু-একদিনের মধ্যে আমাদের ভিসা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।”​দেশবাসীর কাছে জীমের দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন তাঁর পরিবার ও সহকর্মীরা। তাঁরা আশা প্রকাশ করছেন, উন্নত চিকিৎসা পেলে জীম দ্রুত সুস্থ হয়ে সবার মাঝে ফিরে আসবেন।এসআর

    তথ্য-প্রযুক্তি

    সব দেখুন
    বছরের প্রথম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ আজ, কখন-কীভাবে দেখবেন
    আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক দুর্লভ মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। পূর্ণিমার রুপালি চাঁদ আজ ঢাকা পড়বে পৃথিবীর ছায়ায়, আর মুহূর্তেই ধারণ করবে টকটকে লাল কিংবা তামাটে আভা।২০২৬ সালের প্রথম এই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণটি জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় ‘ব্লাড ওয়ার্ম মুন’ নামে পরিচিত। আজকের পর ২০২৮ সালের আগে বিশ্ববাসী আর কোনো পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের দেখা পাবে না।আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আকাশ পরিষ্কার থাকলে বাংলাদেশে চন্দ্রোদয়ের ঠিক পর থেকেই গ্রহণের শেষ অংশ দেখার সুযোগ মিলবে।গ্রহণের সময়সূচি ও স্থায়িত্ব: আইএসপিআরের তথ্যমতে, আজ দুপুর ২টা ৪২ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে চাঁদ উপচ্ছায়ায় প্রবেশের মাধ্যমে গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। পূর্ণগ্রহণ শুরু হবে বিকেল ৫টা ৩ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে এবং কেন্দ্রীয় গ্রহণ হবে বিকেল ৫টা ৩৩ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে। এই গ্রহণের সর্বোচ্চ মাত্রা হবে ১.১১৫। নাসা জানিয়েছে, পুরো মহাজাগতিক প্রক্রিয়াটি ৫ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলবে, যার মধ্যে প্রায় ১ ঘণ্টা চাঁদকে টকটকে লাল দেখা যাবে। বাংলাদেশে কখন দেখা যাবে: ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ থেকে পূর্ণগ্রাস অংশটি সরাসরি দেখা না গেলেও চন্দ্রোদয়ের পর থেকে রাত ৮টা ২৪ মিনিট ৪২ সেকেন্ড পর্যন্ত গ্রহণের শেষ অংশ দেখা যাবে।বিভাগীয় শহরগুলোতে গ্রহণ দেখার সময়: নিচে প্রধান শহরগুলোতে চন্দ্রোদয়ের পর গ্রহণ শুরু ও শেষ হওয়ার সময় দেয়া হলো–শহর শুরু (সন্ধ্যা)                          গ্রহণ শেষ (রাত)ঢাকা =  ৬টা ০১ মি. ১২ সে.           ৮টা ২৪ মি. ৪২ সে.চট্টগ্রাম= ৫টা ৫৬ মি. ২৪ সে.           ৮টা ১৯ মি. ৫৪ সে.সিলেট=   ৫টা ৫৪ মি. ৩০ সে.           ৮টা ১৮ মি. ০০ সে.রাজশাহী= ৬টা ০৭ মি. ৩৬ সে.           ৮টা ৩১ মি. ০৬ সে.খুলনা=       ৬টা ০৫ মি. ১২ সে.           ৮টা ২৮ মি. ৪২ সে.বরিশাল= ৬টা ০১ মি. ৫৪ সে.           ৮টা ২৫ মি. ১২ সে.রংপুর= ৬টা ০৪ মি. ৩৬ সে.           ৮টা ২৮ মি. ০৬ সে.ময়মনসিংহ= ৬টা ০০ মি. ২৪ সে.         ৮টা ২৩ মি. ৪৮ সে.‘ব্লাড মুন’ কেন হয়: যখন সূর্য ও চাঁদের ঠিক মাঝখানে পৃথিবী অবস্থান করে, তখন পৃথিবীর ছায়ায় চাঁদ পুরোপুরি ঢাকা পড়ে যায়। সূর্যের আলো সরাসরি চাঁদে পৌঁছাতে না পারায় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল চিরে আসা লাল আলোর প্রতিফলন চাঁদের গায়ে পড়ে। ফলে চাঁদকে গাঢ় লাল বা তামাটে দেখায়, যাকে ‘ব্লাড মুন’ বলা হয়।অনলাইনে দেখার সুযোগ: আকাশ মেঘলা থাকলে বা সরাসরি দেখার সুযোগ না মিললে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে এটি লাইভ দেখা যাবে। লস অ্যাঞ্জেলেসের গ্রিফিথ অবজারভেটরি, টাইমএন্ডডেট ডটকম এবং ভার্চুয়াল টেলিস্কোপ প্রকল্প তাদের ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেলে এই মহাজাগতিক দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচার করবে।জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, আজকের এই বিরল সুযোগটি হাতছাড়া করা উচিত নয়। কারণ, পরবর্তী পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের জন্য আমাদের ২০২৮ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।এইচএ   
    উঁকি দিয়েও দেখতে পারবে না চ্যাট, স্যামসাং ফোনে নতুন ফিচার
    প্রতিবছরই নতুন কিছু চমক নিয়ে হাজির হয় স্যামসাং ইলেকট্রনিকস। কখনো ক্যামেরার মেগাপিক্সেল যুদ্ধ, কখনো বা এআই ফিচারের বিস্তার। তবে ২০২৬ সালে এসে তারা নজর কাড়ল এক ভিন্নধর্মী উদ্ভাবনে। স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ আলট্রা-তে যুক্ত হয়েছে ইন-বিল্ট ‘প্রাইভেসি ডিসপ্লে’, যা স্মার্টফোন নিরাপত্তাকে একধাপ এগিয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে গোপনীয়তা রক্ষার অভিনব প্রযুক্তি এই ডিভাইসটিকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। ব্যক্তিগত চ্যাট, ব্যাংকিং তথ্য বা সংবেদনশীল নোটিফিকেশন এবার সেগুলোতে পাশের কেউ উঁকি দিতে পারবে না। ফলে আপনি সামনে থেকে পরিষ্কারভাবে সব দেখতে পেলেও পাশের ব্যক্তি শুধুই অন্ধকার বা ঝাপসা স্ক্রিন দেখবেন।ফোনের সেটিংসে একটি নির্দিষ্ট টগল চালু করলেই সক্রিয় হবে প্রাইভেসি মোড। সবচেয়ে বড় কথা, এতে ডিসপ্লের কালার, ব্রাইটনেস বা শার্পনেসে কোনো আপস করতে হয় না। ব্যবহারকারী চাইলে এমন কাস্টম সেটিংও বেছে নিতে পারবেন, যেখানে পুরো স্ক্রিন দৃশ্যমান থাকলেও নির্দিষ্ট মেসেজ বা নোটিফিকেশন শুধু মালিকের চোখেই ভেসে উঠবে। ডিজাইনে বড় পরিবর্তন না আনলেও ফোনটি আগের তুলনায় আরও পাতলা ও হালকা করা হয়েছে। হাতে নিলে প্রিমিয়াম ও শক্তপোক্ত অনুভূতি দেয়। লেটেস্ট স্ন্যাপড্রাগন চিপসেটের কারণে গেমিং, মাল্টিটাস্কিং কিংবা হাই-রেজুলেশন ফটো এডিটিং সবই হবে সাবলীল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংযোজন দৈনন্দিন ব্যবহারে এনে দিয়েছে বাড়তি স্মার্টনেস।গ্যালাক্সি এস২৬ আলট্রা কেবল আরেকটি ফ্ল্যাগশিপ ফোন নয়; এটি যেন ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার এক ডিজিটাল দুর্গ। যারা পাবলিক প্লেসে বসে চ্যাট বা ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করতে দ্বিধায় থাকেন, তাদের জন্য এই প্রাইভেসি ডিসপ্লে হতে পারে সত্যিকারের গেম-চেঞ্জার।এইচএ
    ছবি-ভিডিও এআই দিয়ে তৈরি কি না, জানবেন যেভাবে
    কনটেন্টের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন একটি সুবিধা চালু করেছে গুগল। কারণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে এখন আসল ছবি বা ভিডিও আর এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট আলাদা করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। গুগলের জেমিনি অ্যাপ ব্যবহার করে এখন সহজেই জানা যাবে কোনো ছবি বা ভিডিও গুগলের এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত কি না। এই সুবিধাটি সম্ভব হয়েছে গুগলের বিশেষ ওয়াটারমার্কিং প্রযুক্তি সিনথআইডির মাধ্যমে, যা এআই-তৈরি কনটেন্টের ভেতরে অদৃশ্য ডিজিটাল চিহ্ন সংযুক্ত করে।কীভাবে যাচাই করবেন এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট, ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াটি তুলে ধরা হলো— জেমিনি অ্যাপে প্রবেশ: প্রথমে জেমিনি অ্যাপটি চালু করুন। এই যাচাই সুবিধা বর্তমানে সমর্থিত সব ভাষা ও দেশে চালু রয়েছে। সঠিক ফল পেতে অ্যাপটির সর্বশেষ সংস্করণ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে গুগল। কনটেন্ট আপলোড: যে ছবি বা ভিডিও যাচাই করতে চান, সেটি সরাসরি জেমিনি অ্যাপে আপলোড করুন। ভিডিওর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ এমবি সাইজ এবং ৯০ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ফাইল আপলোড করা যাবে। ফাইল যুক্ত করার প্রক্রিয়াটি সাধারণ মেসেজিং অ্যাপের মতোই সহজ।ফাইল আপলোডের পর জেমিনিকে সরাসরি প্রশ্ন করুন—‘এটি কি গুগল যাচাই দিয়ে তৈরি?’ অথবা ‘এই কনটেন্টটি কি যাচাই -জেনারেটেড?’ স্বাভাবিক ও কথোপকথনের ভঙ্গিতেই প্রশ্ন করা যাবে, কারণ জেমিনি বিভিন্নভাবে করা প্রশ্ন বুঝতে সক্ষম।এরপর জেমিনি আপলোড করা কনটেন্টে সিনথআইডি ওয়াটারমার্ক আছে কি না তা স্ক্যান করে জানাবে। ভিডিওর ক্ষেত্রে অডিও ও ভিজ্যুয়াল উভয় অংশেই এই শনাক্তকরণ করা হয়। প্রয়োজনে জেমিনি নির্দিষ্ট করে জানাবে ভিডিওর কোন অংশে এআই-তৈরি উপাদান রয়েছে।কীভাবে কাজ করে সিনথআইডি:সিনথআইডি প্রযুক্তি এআই দিয়ে কনটেন্ট তৈরির সময়ই তাতে অদৃশ্য ডিজিটাল ওয়াটারমার্ক যুক্ত করে। এটি মানুষের চোখে ধরা পড়ে না, তবে বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করা যায়। এই ওয়াটারমার্ক এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে ক্রপ করা, ফিল্টার দেওয়া, কমপ্রেশন বা ফ্রেমরেট পরিবর্তনের পরও তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়।কনটেন্টের স্বচ্ছতা বাড়ানোর উদ্যোগ: ২০২৩ সালে চালুর পর থেকে গুগল ইতোমধ্যে ২০ বিলিয়নের বেশি এআই-তৈরি কনটেন্টে সিনথআইডি ওয়াটারমার্ক যুক্ত করেছে।এইচএ
    বিশ্বজুড়ে বিভ্রাট ইউটিউব এখন স্বাভাবিক, জানা গেল কারণ
    হঠাৎ করেই বিশ্বব্যাপী ব্যাপক বিভ্রাটের কবলে পড়েছিল জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। মঙ্গলবার গভীর রাতে কয়েক লাখ ব্যবহারকারী সাইটটিতে প্রবেশ করতে বা ভিডিও দেখতে গিয়ে চরম বিড়ম্বনায় পড়েন। তবে ভোর রাতে আবারও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে বলে জানা গেছে। ইউটিউব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্যাটি এখন সম্পূর্ণ সমাধান করা হয়েছে এবং সব পরিষেবা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।ইন্টারনেট বিভ্রাট পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ডাউনডিটেক্টর-এর তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) রাত ১টার দিকে সমস্যার পরিমাণ চরমে পৌঁছায়। সে সময় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৩ লাখেরও বেশি ব্যবহারকারী ইউটিউবে ঢুকতে না পারার অভিযোগ জানান। বিভ্রাট চলাকালীন অনেক ব্যবহারকারী সাইটটির হোমপেজে গেলে তাদের ‘পরে আবার ফিরে আসার’ বার্তা দেখানো হচ্ছিল।ইউটিউব জানিয়েছে, মূলত তাদের ‘সুপারিশ ব্যবস্থা’ বা রিকমেন্ডেশন সিস্টেমে ত্রুটির কারণেই এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। এর ফলে ইউটিউব অ্যাপ, ইউটিউব মিউজিক, কিডস এবং টিভি—সবগুলো প্ল্যাটফর্মেই ভিডিও প্রদর্শনে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছিল।বিভ্রাট কাটিয়ে ওঠার পর এক বিবৃতিতে ইউটিউব জানায়, ‘আমাদের সুপারিশ ব্যবস্থার সমস্যাটি সমাধান করা হয়েছে। ইউটিউব ডটকমসহ আমাদের সব প্ল্যাটফর্ম ও অ্যাপ এখন স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।’ বার্তা সংস্থা এএফপির সাংবাদিকেরা জিএমটি ভোর ৪টার দিকে সাইটটি ব্যবহার করে দেখেছেন যে এটি পুনরায় সক্রিয় হয়েছে।গুগলের মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। প্রতি মাসে প্রায় ২৫০ কোটিরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী ইউটিউব ব্যবহার করেন। এত বিশাল সংখ্যক ব্যবহারকারীর জীবনে ইউটিউব একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার ফলে কয়েক ঘণ্টার এই বিভ্রাট বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করে।এইচএ
    নিজের ফোনেই পাবেন ভোটের ফলাফল
    বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ বা স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ভোটের ফলাফল দ্রুত এবং সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ইলেকশন কমিশন (ইসি) সম্প্রতি স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি নামের একটি অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপটি ব্যবহার করে ভোটাররা রিয়েল টাইমে ফলাফল দেখতে পারবেন এবং নির্বাচনি তথ্য সহজে জানতে পারবেন।জেনে নিন কীভাবে ঘরে বসেই এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটের ফলাফল জানতে পারবেন-অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন: অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মে উভয়েই পাওয়া যাবে। গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে ‘Smart Election Management BD’ লিখে সার্চ করে ডাউনলোড করা যাবে। ডাউনলোডের পর ফোনে ইনস্টল করে অ্যাপটি ওপেন করতে হবে।অ্যাকাউন্ট বা লগইন প্রক্রিয়া: সাধারণত ভোটের ফলাফল দেখার জন্য লগইন করতে হয় না। তবে ব্যক্তিগত ভোটার তথ্য বা ইভিএম সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পেতে অ্যাপটি আপনাকে ভোটার আইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে লগইন করতে বলবে। লগইন করলে ভোটের নথি, ভোটার স্ট্যাটাস এবং নির্বাচনী কেন্দ্র সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাবে।ভোটের ফলাফল দেখার ধাপক. নির্বাচন ও কেন্দ্র নির্বাচন: অ্যাপের হোম স্ক্রিনে ‘ইলেকশন রেজাল্টস’ বা ‘ভোটিং রেজাল্টস’ অপশনটি থাকবে। এখানে নির্বাচনের ধরন নির্বাচন করতে হবে (জাতীয় সংসদ, উপজেলা, পৌরসভা, বা ইউনিয়ন নির্বাচন)। এরপর জেলা ও উপজেলা/ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে।খ. কেস্টিং এবং ফলাফল: নির্বাচনি কেন্দ্র অনুযায়ী ভোটের লাইভ আপডেট দেখার সুযোগ থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট গণনার পর ফলাফল সরাসরি অ্যাপে আপলোড হবে। ভোটের ভোটের সংখ্যা, প্রার্থী বা দল অনুযায়ী ভাগফল এবং ভোটের শতাংশ দেখা যাবে।গ. গ্রাফ এবং চার্টের মাধ্যমে উপস্থাপনা: অ্যাপটি ফলাফলকে গ্রাফ বা চার্টে দেখায়, যাতে কোন প্রার্থী বা দলের অবস্থান সহজে বোঝা যায়। লাইভ আপডেটের ফলে ভোটের ধাপ ধাপে অগ্রগতি দেখা যাবে।এইচএ
    ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের নিবন্ধন বাতিল করবেন যেভাবে
    নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন করতে হলে কিংবা অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দিতে হলে অথবা বিক্রির আগে অবশ্যই মোবাইল ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি)।মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনআইআর)’ সিস্টেমটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হয়েছে। এর আওতায় নেটওয়ার্কে সচল সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়েছে।ফলে এখন থেকে নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন, অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া কিংবা বিক্রির আগে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সঙ্গে যুক্ত হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিল বা অবমুক্ত করতে হবে।এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সিম কেনার সময় ব্যবহৃত এনআইডি বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে। নিবন্ধিত ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এখন থেকে অনুসরণ করতে হবে। নিবন্ধিত মুঠোফোন ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করার উপায়সিটিজেন পোর্টাল (neir.btrc.gov.bd)এনইআইআর পোর্টালে লগ ইন করে ড্যাশবোর্ডে যেতে হবে। তালিকা থেকে ডিভাইস নির্বাচন করতে হবে। ‘ডি-রেজিস্টার’ এ ক্লিক করুন এবং প্রয়োজনীয় বিবরণ দিয়ে ডি-রেজিস্টার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে।ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#)মোবাইলের কল অপশনে যেয়ে ডায়াল করুন *১৬১৬১#। এরপর ডি রেজিষ্ট্রেশন অপশনে ক্লিক করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।তবে ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে গ্রাহক তার ফোনে যে সিমটি ব্যবহার করছেন তা অবশ্যই নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর যুক্ত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হবে।ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে বিটিআরসি’র ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিটিআরসি’র কল সেন্টার (১০০) অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও সহায়তা নেওয়া যাবে।এমআর-২

    আইন-আদালত

    সব দেখুন
    শেখ হাসিনাকে ফেরাতে নতুন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: চিফ প্রসিকিউটর
    জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরাতে সরকার নতুন করে ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।আজ বুধবার (৪ মার্চ) তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।তিনি বলেন, ভারতে পলাতক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনাকে ফেরাতে নতুন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।গত বছরের ১৭ নভেম্বর ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করে। রায় ঘোষণার পর ৫৭ দিনের মাথায় ৪৫৩ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি অনলাইনে প্রকাশ করা হয়। রায়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি তাদের সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের আদেশও দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। পরে ৮ আগস্ট দায়িত্ব নেয় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। সবশেষ গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি জোট। এইচএ 

    প্রবাস

    সব দেখুন
    মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত
    মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মো. বেলায়েত কাজী (৩৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোরে দেশটির পেরাক অঙ্গরাজ্যের ইপোহ শহরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত বেলায়েত ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিঘাটা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত ইউসুফ কাজীর ছেলে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তিনি।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে ইপোহ শহরে সড়ক সংস্কার কাজ করছিলেন বেলায়েত। এ সময় পেছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী গাড়ি তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পরপরই ঘাতক গাড়িটি দ্রুত স্থান ত্যাগ করে বলে জানা গেছে।স্বজনরা জানান, প্রায় দুই বছর আগে ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় দালালের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান বেলায়েত। তবে শুরুতেই নানা প্রতারণার শিকার হন তিনি। নির্ধারিত কর্মস্থলে কাজ না পেয়ে অবৈধভাবে বিভিন্ন নির্মাণ ও সড়ক মেরামতের কাজে যুক্ত হন। সম্প্রতি ইপোহ এলাকায় সড়ক সংস্কার প্রকল্পে কাজ করছিলেন তিনি।বেলায়েতের আকস্মিক মৃত্যুতে তার পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। দেশে থাকা স্ত্রী-সন্তান ও স্বজনরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহায়তা কামনা করেছেন।ঘারুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুনসুর আহমদ মুন্সী জানান, সকালে দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। মরদেহ দেশে পাঠাতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানান।স্থানীয়দের দাবি, অবৈধভাবে বিদেশে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত থাকার কারণে প্রবাসীদের মধ্যে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে। তারা দালালচক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।এইচএ

    লাইফস্টাইল

    সব দেখুন
    ইফতারে বানিয়ে ফেলুন ঝটপট পটেটো চিজ বল
    প্রতিদিন ইফতারে একই খাবার খেতে কারই বা ভলো লাগে। তাই ইফতারে স্বাদের পরিবর্তন আনতে চট জলদি বানিয়ে ফেলুন মজাদার পটেটো চিজ বল। অল্প সময়ে খুব সহজ উপকরণে এই চিজ বল ঘরেই বানিয়ে ফেলুন। চলুন জেনে নেয়া যাক পুরো রেসিপিউপকরণ:১. সেদ্ধ আলু ২ কাপ২. কর্ণফ্লাওয়ার ৩ টেবিল চামচ৩. মোজারেলা চিজ কিউব প্রয়োজন অনুযায়ী৪. গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ৫. চিলি ফ্লেক্স অথবা কাঁচামরিচ কুচি ১ চা চামচ৬. ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ৭. লবণ স্বাদমতো৮. ডিম ১টি৯. ব্রেডক্রাম্ব বা বিস্কুটের গুঁড়া ১ কাপ১০.তেল প্রয়োজনমতোপ্রস্তুত প্রণালি: প্রথমে সেদ্ধ আলু ভালো করে ম্যাশ করে নিন। এরপর এতে লবণ, গোলমরিচ, চিলি ফ্লেক্স, কুচি করা ধনেপাতা ও কর্ণফ্লাওয়ার যোগ করে ভালোভাবে মেখে নিন।এরপর হাতের তালুতে সামান্য তেল মেখে আলুর মিশ্রণ থেকে অল্প পরিমাণ নিয়ে চ্যাপ্টা করুন। মাঝখানে এক টুকরো চিজ রেখে চারপাশ থেকে আলু তুলে ভালোভাবে মুড়িয়ে গোল বল বানিয়ে নিন।বলগুলো প্রথমে ফেটানো ডিমে ডুবিয়ে নিন,এরপর ব্রেডক্রাম্বে বলগুলো কোট করে নিন। বলগুলো তৈরি হয়ে গেলে ৩০ মিনিটের জন্য ফ্রিজে রেখে দিন। এতে ভাজার সময় বল ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা কমে যাবে।এরপর মাঝারি আঁচে পরিমান মতো দিয়ে তেল গরম করে বলগুলো সোনালি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। ভাজা হয়ে গেলে গরম গরম পরিবেশন করুন।এইচএ

    Loading…