এইমাত্র
  • ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত, মরদেহ উদ্ধারের দাবি
  • বিশ্ব তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ পথ ‘হরমুজ প্রণালী’ বন্ধ করে দিল ইরান
  • ইরানে হামলা ‘অবৈধ’: মার্কিন সিনেটর
  • যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের সংঘাতের নিন্দা জার্মানি, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের
  • দুবাইয়ে দফায় দফায় বিস্ফোরণ, আগুন
  • জর্ডানেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আম্মানে ভবন ক্ষতিগ্রস্ত
  • আবুধাবি, দোহা ও মানামায় দফায় দফায় বিস্ফোরণ
  • যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ইরানে হামলা বন্ধ করতে বলল রাশিয়া
  • ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও বিপ্লবী গার্ড প্রধান নিহত
  • হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রাসাদ পুরোপুরি ধ্বংস
  • আজ রবিবার, ১৬ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১ মার্চ, ২০২৬
    কিছুক্ষণের মধ্যে ভাষণ দেবেন খামেনি
    ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি কিছুক্ষণের মধ্যে ভাষণ দেবেন বলে জানিয়েছে ইরানি টিভি আল-আলম। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত ৯টার দিকে এ তথ্য জানায় তারা।এমন সময় তিনি ভাষণ দিতে যাচ্ছেন যখন ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১২ জানিয়েছে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন।এরআগে দিনের শুরুতে ইরানে আকস্মিক হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। ওই সময় খামেনির প্রাসাদকে টার্গেট করা হয়। তবে তখন তিনি প্রাসাদে ছিলেন কি না সেটি নিশ্চিত নয়। তবে তার প্রাসাদটি হামলায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে, খামেনির প্রাসাদটি ধসে পড়েছে। এটির চারপাশ কালো হয়ে গেছে। এতে বোঝা যাচ্ছে সেখানে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।সূত্র: রয়টার্সএবি 
    ইরানের ২০টি প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা
    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল  ইরানের ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২০টিরও বেশি প্রদেশে হামলা চালিয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার এই তথ্য জানিয়েছে।  ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মুখপাত্র মোজতবা খালেদি বলেছেন, ‌‌‘‘এখন পর্যন্ত ২০টিরও বেশি প্রদেশ হামলার শিকার হয়েছে।’’ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ইরানে ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলার সঙ্গে জড়িত সব স্থাপনা এখন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনীর ‘‘বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে’’ পরিণত হবে। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেছেন, ‌‌ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সেই সব স্থানকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করছে, যেখান থেকে মার্কিন ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের প্রতিরক্ষা কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত সব স্থাপনাও আমাদের লক্ষ্যবস্তুর অন্তর্ভুক্ত।এদিকে, দক্ষিণ ইরানে একটি স্কুলে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৫১ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন খবর দিয়েছে। দেশটির মিনাব কাউন্টির গভর্নর বলেছেন, আজ সকালে একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। এতে এখন পর্যন্ত ৫১ জন শিক্ষার্থী নিহত ও আরও ৬০ জন আহত হয়েছে।গত কয়েক মাস ধরে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলা ছায়াযুদ্ধ সরাসরি সংঘাতে রূপ নিয়েছে। শনিবারের এই বড় ধরনের হামলার পর ইরান বলেছে, তারা হামলার কঠোর জবাব দেবে।দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে এবং তারা কেবল ইসরায়েল নয়, বরং হামলায় সহায়তাকারী মার্কিন ঘাঁটিগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করছে।পিএম

    জাতীয়

    সব দেখুন
    ঈদে ভাড়া বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: সড়কমন্ত্রী
    পরিবহন সেক্টরকে বলে দিয়েছি ঈদে ভাড়া বাড়বে না। যারা ভাড়া বাড়ানোর চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও নৌমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ টার্মিনাল ও নির্মাণাধীন খানপুর আইসিটি অ্যান্ড বাল্ক টার্মিনাল, ড্রেজার বেইড এবং বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নারায়ণগঞ্জের নদীবন্দরের মাছঘাট এলাকায় নির্মিতব্য টার্মিনাল ভবন পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।তিনি বলেন, আমরা আশা করছি ঈদযাত্রা স্বস্তির ও নিরাপদ হবে।যেসব জায়গায় ব্যত্যয় ঘটতে পারে, যেখানে যানজট তৈরি হয়, সড়কে শৃঙ্খলা থাকে না-সেখানেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মন্ত্রী বলেন, আমি নিশ্চিত করতে চাই এবার সবকিছু সুন্দরভাবে হবে। ট্রাফিক পুলিশ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সব সংস্থা এবার তৎপর থাকবে।শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণের বিষয়ে তিনি বলেন, নদী দূষণের ব্যাপারে আমরা পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে অবগত করব। আমাদের জায়গা থেকেও কিছু করণীয় আছে। সেগুলো চিহ্নিত করে আমাদের পক্ষ থেকে যে পদক্ষেপগুলো নেওয়া দরকার, সেগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে নেব।এমআর-২
    জামায়াতে ইসলামীর ইফতারে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ইফতার মাহফিলে আজ অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জামায়াতের এই ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।জামায়াতের আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান দেশের রাজনৈতিক নেতারা, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, কবি, সাহিত্যিক, ওলামা-মাশায়েখ, ব্যবসায়ী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন।গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সপরিবার নিজেদের দলীয় ইফতার মাহফিলে আমন্ত্রণ জানায় জামায়াতে ইসলামী। ওইদিন সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম।এমআর-২
    পাকিস্তান-আফগানিস্তান যুদ্ধ কারো জন্যই মঙ্গলজনক নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
    পাকিস্তান-আফগানিস্তান যুদ্ধ একটি দুঃখজনক ঘটনা। আমরা তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছি যে, এটি কারো জন্যই মঙ্গলজনক নয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।ওআইসিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক থেকে ফিরে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ওআইসি বৈঠকের সাইডলাইনে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতির পদে বাংলাদেশের প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন চাওয়া হয়েছে। ওআইসি সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, তারা শুধু বাংলাদেশকে সমর্থনই দেবেন না, বরং বাংলাদেশের পক্ষে প্রচারণাও চালাবেন। তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশ সাইপ্রাসের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।’তিনি আরও বলেন, ‘ওআইসি বৈঠকে আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে ভূমি ক্রয়-সংক্রান্ত সাম্প্রতিক ইসরায়েলি আইনের নিন্দা জানিয়েছি। আমরা বলেছি, ভূমি নিয়ে ইসরায়েলের এ পদক্ষেপ স্পষ্টতই আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।’এমআর-২
    ডিএমপি কমিশনারের দায়িত্বে সরওয়ার
    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে নতুন কেউ যোগদান না করা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত আইজি) মো. সরওয়ার।বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) অ্যাডিশনাল ডিআইজি (পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১) শামিমা ইয়াছমিন খন্দকার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এর আগে ‘ব্যক্তিগত ও পারিবারিক’ কারণ দেখিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। যদিও তার চুক্তির মেয়াদ আগামী নভেম্বর পর্যন্ত ছিল।বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ১৯৮৪ ব্যাচের কর্মকর্তা শেখ মো. সাজ্জাত আলী বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি থাকা অবস্থায় ২০১৬ সালের নভেম্বরে চাকরিচ্যুত হন।আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ভূতাপেক্ষভাবে তাকে চাকরিতে পুনর্বহাল করে। পরে ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর ডিএমপির ৩৮তম পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পান সাজ্জাত আলী।এবি 
    ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনি প্রচারণায় দেওয়া প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন শুক্রবার এ কথা জানান। তিনি বলেন, সরকার ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলট পর্ব চালু করতে যাচ্ছে। এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য পর্যায়ক্রমে দুই কোটি পরিবারকে মাসিক নগদ সহায়তার আওতায় আনা।তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১০ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে চার মাসের পাইলট প্রকল্প উদ্বোধন করবেন ১৪টি উপজেলায়। সেখানে অন্তত পাঁচ সদস্যের এই পরিবারগুলো প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা সরাসরি মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাবেন।পাইলট প্রকল্প চলাকালে ৬,৫০০ পরিবার এ কর্মসূচির আওতায় আসবে, যা ধাপে ধাপে সারা দেশে সম্প্রসারিত হবে।তিনি আরো বলেন, যদি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা যায়, তবে এ কর্মসূচির মাসিক ব্যয় হবে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা এবং বার্ষিক ব্যয় হবে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা।এফএস
    অনুমতি ছাড়া শিক্ষকরা অন্য পেশায় যুক্ত থাকলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
    অনুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষক অন্য পেশায় যুক্ত থাকলে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চাঁদপুর-১ আসনের কচুয়া উপজেলায় নিজ নির্বাচনি এলাকায় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিক্ষা মন্ত্রী এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রীর দ্বায়িত্ব পেয়েছেন। এহছানুল হক বলেন, শিক্ষকতা একটি মহান ও দায়িত্বশীল পেশা। শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষকদের পুরো সময় ও মনোযোগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে দিতে হবে।সরকারি বিধিমালা লঙ্ঘন করে কেউ যদি অন্য পেশায় সম্পৃক্ত হন, তবে তা শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বে অবহেলা, অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে গণমাধ্যম তা প্রকাশ করতে পারে।এফএস
    জনগণের কল্যাণে কাজ করছে বিএনপি সরকার, আস্থা রাখুন: প্রতিমন্ত্রী টুকু
    সরকারের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে দেশ পরিচালনায় আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। বিএনপি সরকারের প্রতি আপনারা আস্থা রাখুন। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব-এর ভিআইপি মিলনায়তনে নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের পরিচিতি সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত উদার ভূমিকা পালন করছে এবং এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ নেই। সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে তাদের কাজ করতে পারবেন। তিনি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, দেশের উন্নয়ন ও সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষায় গণমাধ্যমের গঠনমূলক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, গতকাল যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে প্রান্তিক কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করেছে বিএনপি সরকার, যা তাদের অর্থনৈতিক স্বস্তি দেবে।সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে টুকু জানান, জনগণের কল্যাণের জন্য প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেই অনুযায়ী কাজ চলছে। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রান্তিক কৃষকদের সার, কীটনাশক, ওষুধ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ সহজলভ্য করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চাঁদাবাজমুক্ত, কিশোর গ্যাংমুক্ত ও মাদকমুক্ত টাঙ্গাইল গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রশাসন কার্যক্রম শুরু করেছে। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, আপনাদের লেখনীর মাধ্যমে সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে আমরা সহায়তা চাই। এমন কোনো সংবাদ পরিবেশন না করার আহ্বান জানাই, যাতে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়।আতাউর রহমান আজাদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার এবং টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন।বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি খান মোহাম্মদ খালেদ, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা। নব নির্বাচিত কমিটির কর্মকর্তাদের পরিচয় করিয়ে দেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি জাফর আহমেদ। এ সময় সাংবাদিকসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।এফএস
    গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে : তথ্যমন্ত্রী
    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সাংবাদিকসহ সব অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে জবাবদিহিতার পরিধি নির্ধারণ করা হবে। আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল সার্কিট হাউসে বিআরটিএ-এর ট্রাস্টি বোর্ড কতৃক বরিশাল ও পিরোজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সামগ্রিকভাবে গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক রূপ দিতে চাই। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বৈশ্বিক ইকোসিস্টেমে নতুন ধরনের গণমাধ্যমের সঙ্গে আমরা এখনও পুরোপুরি যুক্ত হতে পারিনি। তথ্য মন্ত্রণালয় যখন প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন প্রযুক্তিনির্ভর গণমাধ্যমের এই বিস্তার ছিল না। এখন যে ডিজিটাল মাধ্যমের প্রসার তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে খাপ খাওয়ানো প্রয়োজন। যা এতোদিনে পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা করে ধীরে ধীরে জনগণের কাছে অবাধ তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করবো।এর আগে, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিআরটিএ-এর ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করেন মন্ত্রী। এ সময় ৬১ জন ক্ষতিগ্রস্তকে মোট ২ কোটি ১৭ লাখ টাকার চেক প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ।এইচএ 

    রাজনীতি

    সব দেখুন
    এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
    ‘দেশ যাবে নতুন পথে, ফিরবে না আর ফ্যাসিবাদে’—এই স্লোগানে আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দিনটি উপলক্ষে রাজধানীর ধানমন্ডির আবাহনী মাঠে কেন্দ্রীয়ভাবে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করবে দলটি।জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ওই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি এনসিপির যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংস্কার ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে সরব ছিল দলটি।সর্বশেষ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যে যুক্ত হয়ে ৩০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল এনসিপি। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ ছয়জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এক বছর ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত দল হিসেবে থেকে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা এনসিপি শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) এক বছরে পা দিতে যাচ্ছে।  এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি তুলে ধরেছেন দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। তিনি জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি এনসিপির এক বছর পূর্তি। এই দিনটি উপলক্ষ্যে গণ–অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্য, ফ্যাসিবাদবিরোধী দল–সংগঠন, সাংবাদিক, শিক্ষক, শ্রমিকসহ সবাইকে নিয়ে আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করতে যাচ্ছি। ২৮ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকার ধানমন্ডিতে আবাহনী মাঠে এনসিপির ইফতার মাহফিল হবে উল্লেখ করে আরিফুল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, পেশাজীবী এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের অসংখ্য সহযোদ্ধা, বন্ধু ও সাংবাদিকদের নিয়ে দলের পক্ষ থেকে সম্মিলিতভাবে ইফতার করা হবে। সেখানে চিত্রপ্রদর্শনীও চলবে। পাশাপাশি দীর্ঘ এক বছরে দলটির রাজনৈতিক পথচলার উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটা ধারাবাহিক প্রোমো থাকবে। নাম হবে স্ট্রিট ওয়াল। সেখানে থাকবে ফটো বুথও। ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেল চারটায় এই আয়োজন শুরু হবে।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আগামী ২ মার্চ চট্টগ্রাম, ৪ মার্চ সিলেট, ৫ মার্চ ময়মনসিংহ, ৭ মার্চ ফরিদপুর, ৮ মার্চ বরিশাল, ৯ মার্চ খুলনা, ১০ মার্চ রাজশাহী ও ১১ মার্চ রংপুরে বিভাগীয় এবং ৩ মার্চ কুমিল্লায় ইফতার মাহফিল করা হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে এনসিপি। এনসিপির নেতা, জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও গুণিজনেরা এসব ইফতারে অংশ নেবেন বলে তারা জানিয়েছে।এমআর-২
    এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
    ‘দেশ যাবে নতুন পথে, ফিরবে না আর ফ্যাসিবাদে’—এই স্লোগানে আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দিনটি উপলক্ষে রাজধানীর ধানমন্ডির আবাহনী মাঠে কেন্দ্রীয়ভাবে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করবে দলটি।জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ওই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি এনসিপির যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংস্কার ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে সরব ছিল দলটি।সর্বশেষ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যে যুক্ত হয়ে ৩০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল এনসিপি। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ ছয়জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এক বছর ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত দল হিসেবে থেকে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা এনসিপি শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) এক বছরে পা দিতে যাচ্ছে।  এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি তুলে ধরেছেন দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। তিনি জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি এনসিপির এক বছর পূর্তি। এই দিনটি উপলক্ষ্যে গণ–অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্য, ফ্যাসিবাদবিরোধী দল–সংগঠন, সাংবাদিক, শিক্ষক, শ্রমিকসহ সবাইকে নিয়ে আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করতে যাচ্ছি। ২৮ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকার ধানমন্ডিতে আবাহনী মাঠে এনসিপির ইফতার মাহফিল হবে উল্লেখ করে আরিফুল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, পেশাজীবী এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের অসংখ্য সহযোদ্ধা, বন্ধু ও সাংবাদিকদের নিয়ে দলের পক্ষ থেকে সম্মিলিতভাবে ইফতার করা হবে। সেখানে চিত্রপ্রদর্শনীও চলবে। পাশাপাশি দীর্ঘ এক বছরে দলটির রাজনৈতিক পথচলার উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটা ধারাবাহিক প্রোমো থাকবে। নাম হবে স্ট্রিট ওয়াল। সেখানে থাকবে ফটো বুথও। ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেল চারটায় এই আয়োজন শুরু হবে।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আগামী ২ মার্চ চট্টগ্রাম, ৪ মার্চ সিলেট, ৫ মার্চ ময়মনসিংহ, ৭ মার্চ ফরিদপুর, ৮ মার্চ বরিশাল, ৯ মার্চ খুলনা, ১০ মার্চ রাজশাহী ও ১১ মার্চ রংপুরে বিভাগীয় এবং ৩ মার্চ কুমিল্লায় ইফতার মাহফিল করা হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে এনসিপি। এনসিপির নেতা, জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও গুণিজনেরা এসব ইফতারে অংশ নেবেন বলে তারা জানিয়েছে।এমআর-২
    তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে বিএনপির প্রার্থী হলেন বাদশা
    বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসন বগুড়া-৬ থেকে উপনির্বাচনে দলের প্রার্থী করা হয়েছে রেজাউল করিম বাদশাকে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিএনপির পক্ষ থেকে রেজাউল করিম বাদশাকে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়।বগুড়া-৪ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেন এই তথ্য জানান।তিনি ফেসবুক পোস্ট করে লিখেন, আলহামদুলিল্লাহ, বগুড়া (সদর)-৬ আসনের এমপি প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির সম্মানিত সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা ভাইকে বিএনপির গুলশান দলীয় চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হলো।গুঞ্জন ছিল এই আসন থেকে জিয়া পরিবারের কেউ উপনির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন। তবে বেশ কিছুদিন আগে সিদ্ধান্ত হয় জিয়া পরিবারের কেউ এখান থেকে নির্বাচন করছেন না।গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।এমআর-২
    সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় শামীমা আক্তার রুবী
    সংরক্ষিত নারী আসনগুলোতে কারা মনোনয়ন পাবেন-এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংরক্ষিত আসন বণ্টনকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছে বলে দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে।গেজেট অনুযায়ী, ৩৫ সংরক্ষিত নারী আসন বিএনপি জোট এবং ১৩টি জামায়াত জোট পেতে পারে বলে কমিশন সূত্র জানিয়েছে। সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, মার্চের প্রথম সপ্তাহে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসতে পারে। অধিবেশন শুরু হলে সংসদ সচিবালয় সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে ইসিতে পাঠাবে। এরপর তফশিল ঘোষণা করা হবে।ইসি সূত্র জানায়, সংসদ সচিবালয় তালিকা পাঠালেই তফশিল ঘোষণার প্রস্তুতি নেওয়া হবে এবং পরিকল্পনা রয়েছে ঈদের আগেই নির্বাচন সম্পন্ন করার। বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টনকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে দলটি। দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয়, কারাবরণকারী, আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী ও তৃণমূল সংগঠন শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখা নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা আলোচনা হচ্ছে। দলীয় একাধিক সূত্র বলছে, শুধু সুপারিশ নয়, মাঠপর্যায়ের গ্রহণযোগ্যতা ও অতীত রাজনৈতিক ভূমিকার ওপরই মূল সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন একাধিক নারী নেতৃত্ব। তারমধ্যে অন্যতম কেন্দ্রীয় মহিলা দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শামীমা আক্তার রুবী। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শাসন আমলের পুরোটা সময় জুড়ে ছিলেন রাজপথে। দেশের বাইরে যেখানেই ফ্যাস্টিস হাসিনার আগমন সেখানেই ছিলো প্রবাসী নেতাকর্মীদের প্রতিরোধ। আর এই প্রতিরোধের অগ্রভাগে ছিলেন মহিলা দলের কেন্দ্রীয় নেত্রী শামীমা আক্তার রুবী। ফ্যাসিস্ট হাসিনার ১৭ বছরের শাসন আমলে বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম, খুন, ধর্ষণ, বিচারবহির্ভূত হত্যা, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি বন্ধের দাবি, দুর্নীতি দুঃশাসন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাহীনতা, বাংলাদেশের সাবেক তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী  বিএনপির চেয়ারপারসন দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার উপর মিথ্যা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মূলক মামলা ও প্রহসন মুলক রায়ে কারাবন্দির প্রতিবাদ, দলের চেয়ারম্যানে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা রাজনৈতিক হয়রানি মামলারা সাজর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভে  শামীমা আক্তার রুবী  ছুটে গেছেন   ইউরোপ, জাতিসংঘ, ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট, ইউরোপিয়ান কমিশন, ইউরোপিয়ান প্রেসক্লাব থেকে শুরু করে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন জেনেভাতে নানা কর্মসূচি বিক্ষোভ প্রতিবাদ, মিটিং মিছিল, প্রতিবাদ সমাবেশ, এম্বাসির ঘেরাও কর্মসূচি, স্মারকলিপির মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছি তিনি। গ্রেফতার আতঙ্কের মধ্যেও ফ্রান্স থেকে বাংলাদেশে এসে অংশগ্রহণ করেন জুলাই  আন্দোলনে। ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিদায়ি আন্দোলনে রাজপথের অগ্রভাগে ছিলেন তিনি। দীর্ঘ ১৭ বছর বাংলাদেশের রাজপথে যেমন সক্রিয় ছিলেন তেমনিভাবে বহির্বিশ্বে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইউরোপ আমেরিকা সহ ইউরোপীয়ান পার্লামেন্ট, ইউরোপীয়ান কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, আন্তর্জাতিক আদালত, জাতিসংঘসহ যেখানে হাছিনা সেখানেই প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ছিলেন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে তাঁর প্রতিটি মিটিং মিছিলে থেকে রাজনীতি করেছেন। মহিলা দলের পক্ষে থেকে বহুবার বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্টেজে বক্তব্য রেখেছেন। ঢাকা -১৭ এবং কুমিল্লা -৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সহ সমন্বয়ক, ও প্রচার প্রচারণা ও প্রকাশনা উপকমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিকভাবে দক্ষ ও সাংগঠনিকভাবে যথেষ্ট সুপরিচিত। বিগত স্বৈরাচার বিরোধী গণআন্দোলন যেমনি ছিলেন রাজপথে তেমনি ছিলেন দুঃসাহসিক লেখক পত্রিকায় সম্পাদকীয় কলাম লেখালেখি করতেন। বেগম জিয়ার নামে মুক্তি চাই শিরোনামে একটি গান লিখেছেন যা মিডিয়া সেলে প্রচারিত হয়েছে ইথুন বাবুর সুরে মৌসুমি ও পরানের কণ্ঠে তারুণ্যের সমাবেশে প্রচারিত হয়েছে যা সারা বাংলাদেশের জনতার স্রোতে জনতার হৃদয়ে স্থান পেয়েছে।ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সাথে জড়িত শামীমা আক্তার রুবী। ১৯৯০ এরশাদের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিশ্বাসী আদর্শকে লালন করেন তিনি।  ১৯৯৫ সালে ইমন আদি ও হাবীব পরিষদে ছাত্রদলের প্যানেলে ব্যালট ও মাইলা সম্পাদিকা পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।১৯৯৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইন্সটিটিউটে পিজিডিতে অধ্যয়নরত অবস্থার ছাত্র রাজনীতি সক্রিয় থাকেন তিনি। ২০০১ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য ফ্রান্সে গমন করেন।  ফ্রান্স বিএনপির সাথে একত্রে কাজ করেন, এবং বর্তমানে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল ফ্রান্স শাখার সহ সভাপতি পদে আছেন রুবী।২০০৫-২০০৯ সালে জাপানে অবস্থান করেন এবং সেখানে গিয়ে দলের জন্য কাজ করেন। ২৫শে এপ্রিল ২০১৬ তে 'জাতীয়তাবাদী নাগরিক মুক্তি পরিষদ" নামে একটি মানবাধিকার সংগঠন যা ফ্রান্সের সরকার কর্তৃক রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন তিনি এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বাংলাদেশের সাংবাদিক ও বিএনপি নেতাকর্মীদের গুম খুন হত্যা ধর্ষণ সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তির লক্ষ্য কাজ করে জাতীয়তাবাদী নাগরিক মুক্তি পরিষদ। আন্দোলন সংগ্রামের পাশাপাশি শামীমা আক্তার রুবী বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। তার কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পেয়েছেন একাধিক সামাজিক পুরস্কারএক প্রতিক্রিয়ায় শামীমা আক্তার রুবী বলেন, ‌সংরক্ষিত আসনে মহিলা এমপি হলে দেশের জন্য দেশের নারীদের জন্য আমার স্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে-১️. নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন•গ্রামে গ্রামে নারী উদ্যোক্তা তৈরির জন্য প্রশিক্ষণ ও ক্ষুদ্রঋণ সহায়তা।•বেকার তরুণী ও স্বল্পশিক্ষিত নারীদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন (আইটি, হস্তশিল্প, কৃষিভিত্তিক কাজ)।•স্থানীয় বাজারে নারীদের পণ্যের জন্য আলাদা কর্নার/ই-কমার্স সংযোগ।২️ শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন•স্কুলছুট মেয়েদের পুনরায় শিক্ষায় ফেরানো।•ডিজিটাল শিক্ষা ও ফ্রি কোচিং সাপোর্ট।•উচ্চশিক্ষায় মেয়েদের স্কলারশিপের ব্যবস্থা বাড়ানো।৩️ নারী ও শিশুর নিরাপত্তা•বাল্যবিবাহ, যৌতুক ও নির্যাতন প্রতিরোধে কঠোর মনিটরিং।•থানায় ও প্রশাসনে নারী সহায়তা ডেস্ক সক্রিয়করণ।•সচেতনতা ক্যাম্পেইন ও আইনি সহায়তা সেল গঠন।৪️ স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন•মা ও শিশুস্বাস্থ্য সেবা জোরদার।•গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নারী চিকিৎসক নিশ্চিতের উদ্যোগ।•মাসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা ও স্যানিটারি ন্যাপকিন সহজলভ্য করা।৫️ নীতিনির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা•সংসদে নারীর অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে সোচ্চার থাকা।•এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনায় সরাসরি সম্পৃক্ততা।•জনগণের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময় সভা।সংরক্ষিত আসন শুধু একটি পদ নয়—এটি নারীদের কণ্ঠস্বর শক্তিশালী করার একটি দায়িত্ব।আমি চাই, আমার কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করতে যে সংরক্ষিত আসনের নারী এমপিরাও উন্নয়ন ও নীতিনির্ধারণে কার্যকর নেতৃত্ব দিতে পারেন।পিএম
    গোপন বিষয় প্রকাশ করে শপথ ভেঙেছেন রাষ্ট্রপতি: জামায়াত
    সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিভিন্ন বিষয় জনসমক্ষে প্রকাশ করায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি’ পদটি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ। এ পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তির প্রতিটি বক্তব্য ও পদক্ষেপ জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তা রাষ্ট্রীয় শপথ ও গোপনীয়তা রক্ষার নীতিমালার সঙ্গে সম্পৃক্ত। রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও গোপনীয় বিষয় জনসমক্ষে প্রকাশ করে শপথ ভঙ্গ করেছেন এবং রাষ্ট্রের গোপন বিষয়ের মতো আমানত রক্ষায় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। এতে দেশবাসীর মনে নানা প্রশ্ন, বিতর্ক ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। আমি তার এই সাক্ষাৎকারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।তিনি বলেন, একজন রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার বক্তব্য জাতির সামনে নতুন বিতর্ক ও অনিশ্চয়তার জন্ম দিয়েছে। সংবিধান, রাষ্ট্রীয় শপথ এবং সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার প্রশ্নে তিনি জাতিকে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে দিয়েছেন। ‘রাষ্ট্রপতি’ পদে থেকে এমন বক্তব্য প্রদান করে তিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন, যা রাষ্ট্রের মর্যাদা ও ভাবমর্যাদার সঙ্গে একেবারেই অসামঞ্জস্যপূর্ণ।তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সাংবিধানিক শালীনতা বজায় রাখা প্রত্যেক দায়িত্বশীল ব্যক্তির কর্তব্য। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সংযত ও পরিমিত বক্তব্য দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতি জনগণের আস্থা অটুট রাখতে রাষ্ট্রপতিকে সংবিধান ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে বক্তব্য প্রদান করতে হবে এবং রাষ্ট্রের মর্যাদা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় আরও সতর্ক থাকতে হবে।এমআর-২
    প্রধানমন্ত্রীকে স্বপরিবারে ইফতারের দাওয়াত জামায়াতে ইসলামীর
    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সপরিবারে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইফতার অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী। আন্তরিকতার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী দাওয়াত গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে দাওয়াতপত্র নিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশ করে জামায়াতের প্রতিনিধি দল।সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জামায়াত নেতাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সৌজন্য এ সাক্ষাতে পরস্পর শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী মুঠোফোনে বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াত আমিরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনীতির সব বিতর্কের জায়গা যেন সংসদ হয়। এর সমর্থন জানিয়ে জামায়াত নেতারা বলেন, রাজপথে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন হতেই পারে। তবে অতীতের মতো রাজনীতিতে খারাপ চর্চা যেন না হয়। সরকারকে মূল্যায়নের সময় এখন হয়নি। জাতি অপেক্ষা করছে ভালো কিছুর জন্য।  বিরোধী দল ও সরকারি দলের মধ্যে সুন্দর সমন্বয় ও সহংহিতর মধ্য দিয়ে দেশটিকে এগিয়ে নেয়ার আশা প্রকাশ করেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি।এমআর-২
    অনুদানের অর্থ ফেরত দেওয়ার ঘোষণা তাসনিম জারার
    নির্বাচনী তহবিলে অনুদানের অর্থ ফেরত দেওয়া ঘোষণা দিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা।গতকাল মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন তাসনিম জারা।ফেসবুকে তাসনিম জারা লিছেন, ‘আমাদের নির্বাচনী তহবিলে যে আপনারা অনুদান দিয়েছিলেন, তার জন্য আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পরিপ্রেক্ষিতে যারা প্রদত্ত অনুদান ফেরত পেতে চান, তারা দয়া করে নিঃসংকোচে এই ফর্মটি পূরণ করে অর্থ ফেরত নিন।আপনি ব্যাংকে অনুদান দিয়ে থাকলে, এই ফর্মটি পূরণ করুন: https://forms.gle/9a3H74yrLFFeJoFw8’তাসনিম জারা আরো লেখেন, ‘যারা সরাসরি ব্যাংকে ক্যাশ জমা দিয়েছিলেন, তারা ডিপোজিট স্লিপ হারিয়ে গেলে বা না থাকলেও আবেদন করুন। সেক্ষেত্রে কিছু অতিরিক্ত যাচাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আপনার অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। বিকাশে অনুদান দিয়ে থাকলে, এই ফর্মটি পূরণ করুন : https://forms.gle/NKTkkNVZvUvyrsGYA’ফেসবুকে তাসনিম জারা লেখেন, ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ তারিখ : ১০ মার্চ, ২০২৬। আপনাদের আস্থা ও ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞতা।এইচএ  
    হঠাৎ অসুস্থ জামায়াত আমির
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী শেওড়াপাড়া এলাকায় কাফরুল পশ্চিম থানার উদ্যোগে আলোচনাসভা ও ইফতার মাহফিলে যাওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মুসা জানান, আজকের ইফতার মাহফিলে জামায়াত আমিরের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তিনি যাত্রাও করেছিলেন। হঠাৎ যাত্রাপথে তিনি বমি করেন এবং শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে যান। যার কারণে তিনি প্রোগ্রামস্থলে আসতে পারেননি। সবাই তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন।ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির সেলিম উদ্দিন জানান, আমরা জামায়াত আমিরের জন্য দোয়া করি—আল্লাহ যেন ওনাকে দ্রুত সুস্থ করে দেন। জাতি আশা করেছিল তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন। যে কোনো কারণে তিনি হেরে গিয়ে প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা হয়েছেন। ইনশাআল্লাহ তিনি প্রমাণ করবেন বিরোধীদলীয় নেতার আদর্শ কেমন হওয়া উচিত।এমআর-২

    দেশজুড়ে

    সব দেখুন
    রাজধানীতে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা
    ঢাকার হাজারীবাগ এলাকায় এক স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ময়নাতদন্তের জন্য ওই ছাত্রীর মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে হাজারীবাগ এলাকার হায়দার হোটেলের গলির ভেতরে ওই ছাত্রীর ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। হত্যাকাণ্ডের শিকার ছাত্রী শাহরিয়ার শারমিন বিন্তি রায়েরবাজার হাইস্কুলের ৮ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছিল। তার বাবার নাম বিল্লাল হোসেন। সে হাজারীবাগের হায়দার হোটেলের পাশে একটি ভবনে পরিবারের সঙ্গে থাকত।পুলিশ জানায়, ওই ছাত্রীকে পিঠের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। একপর্যায়ে স্বজনরা উদ্ধার করে, প্রথমে শিকদার মেডিকেলে নিয়ে যায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে এলে জরুরি বিভাগের কবর্ত্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে কী কারণে এমন ঘটনা, সে বিষয়ে পুলিশ কিছু জানাতে পারেনি।  এফএস
    সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পরিচয় পেয়েও সাংবাদিকদের বেধড়ক পিটুনি
    রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সংবাদকর্মীদের ওপর পুলিশের বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাতে মাদকবিরোধী অভিযানের সংবাদ সরাসরি সম্প্রচার করার সময় বাংলানিউজের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার তোফায়েল আহমেদসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর লাঠিচার্জ করে একদল পুলিশ সদস্য। বারবার নিজেদের পরিচয় দেওয়ার পরও কোনো তোয়াক্কা না করে পুলিশ তাদের বেধড়ক লাঠিপেটা ও শারীরিক নির্যাতন চালায়।সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযানে নামে পুলিশ।জনগুরুত্বপূর্ণ এই অভিযানের দৃশ্য জনসমক্ষে তুলে ধরতে ফেসবুক লাইভ করছিলেন সাংবাদিক তোফায়েল আহমেদসহ অন্যান্য সাংবাদিকরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাইভ চলাকালীন কোনো উসকানি ছাড়াই একদল পুলিশ সদস্য এসে তোফায়েলকে লক্ষ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। তিনি নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে পুলিশ। এ সময় তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং একের পর এক লাঠির আঘাত করা হয়।ঘটনাস্থলে উপস্থিত আজকের পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার কাওসের আহম্মেদ রিপন বলেন, ‘পুলিশ কোনো ধরনের বাছবিচার ছাড়াই সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয়। তোফায়েলকে যখন মারা হচ্ছিল, তখন আমরা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করি। কিন্তু পুলিশ সদস্যরা এতটাই মারমুখী ছিলেন যে, তারা আমাদেরও লাঠিপেটা করে।’পুলিশের পিটুনিতে গুরুতর আহত তোফায়েল আহমেদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে।মাথায় ও পিঠে আঘাতের ফলে তার রক্তক্ষরণ হয়। সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভোঁতা অস্ত্রের (লাঠি) আঘাতে তার শরীরে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের ঝুঁকি রয়েছে।আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন অপেশাদার আচরণে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার বদলে সংবাদকর্মীদের ওপর এমন হামলাকে ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল। এ প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, ‘যেহেতু ভিডিও ফুটেজ আছে, তাই ভিডিও দেখে সাংবাদিক পেটানোর ঘটনায় যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় পুলিশের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিক নেতারা।এদিকে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে রাতেই তীব্র নিন্দার ঝড় ওঠে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের পক্ষ থেকে। সাংবাদিক নেতারা বলেন, রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভের ওপর এমন আক্রমণ গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের শামিল। তারা অবিলম্বে হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের বরখাস্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।অপরাধ দমনের নামে পুলিশের এমন ‘বেপরোয়া’ আচরণ খোদ বাহিনীর ইমেজকে সংকটে ফেলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। জননিরাপত্তার দোহাই দিয়ে রক্ষক যখন ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়, তখন আইনের শাসন নিয়ে বড় প্রশ্ন দেখা দেয়। তাছাড়া অতি উৎসাহী এসব পুলিশ সদস্যদের জন্য সরকারও বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে পারে বলে মত নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের।এবি 
    রাজধানীতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪
    রাজধানীর হাজারীবাগে একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন- শেখ রোমান (৩৫), তার স্ত্রী পিংকি আক্তার (৩২) ও তাদের ছেলে রুহান (৩), ও রোমানের শ্যালক অপু (২৩)। তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করানো হয়েছে।দগ্ধ রুমানের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনায়। তিনি একটি রিয়েল এস্টেট কম্পানিতে চাকরি করেন। পরিবার নিয়ে রায়েরবাজারে ভাড়া বাসায় থাকেন। দগ্ধ রোমানের ভাই মামুন বলেন, পূর্ব রায়েরবাজারের একটি ৬ তলা ভবনের নিচতলায় ভোর ৪টার দিকে রান্না করতে গ্যাসের চুলা জ্বালালে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।এতে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে র্তি করা হয়।বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান বলেন, দগ্ধ ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের মধ্যে শেখ রোমানের শরীরের ৭০ শতাংশ, পিংকি আক্তারের ৭৫ শতাংশ, রুহানের শরীরের ৩৫ ও অপুর শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।এমআর-২
    মার্কেট বন্ধ করা সেই চাঁদাবাজ গ্রেপ্তার করে মাইকিং করল পুলিশ
    রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মার্কেট বন্ধ করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে এক চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।ব্যবসায়ীদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তারের পর তাকে নিয়েই এলাকায় মাইকিং করা হয়। পুলিশ জানায়, কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বরদাশত করা হবে না।এফএস
    রাজধানীতে বাস-লেগুনা সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ জনের
    রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় বাস-লেগুনা সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মীর হাজারীবাগের গুন্ডিগড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহতদের একজন আজিজুল ইসলাম (৪৫)। অপর নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো জানা যায়নি। তার বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে।ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, যাত্রাবাড়ী এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাজু জানান, মীর হাজারীবাগ গুন্ডিগড় এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার একটি সংবাদ পেয়েছি। একটি লেগুন যাত্রী নামাচ্ছিল। এ সময় বাহাদুরশাহ পরিবহনের একটি বাস সামনে থেকে লেগুনাটিকে সজরে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় বাহাদুরশাহ পরিবহন জব্দ ও চালককে আটক করা হয়েছে।এমআর-২
    নড়াইলে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সূর্যমুখী চাষ, হলুদের সমারোহে কৃষকের হাসি
    নড়াইলে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সূর্যমুখী ফুলের চাষ। কম খরচে অধিক ফলন ও লাভ বেশি হওয়ায় সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকছেন এ জেলার কৃষকেরা। ভোজ্যতেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিকল্প পদ্ধতি ও অধিক লাভের আশায় এর চাষ বাড়ছে বলে মনে করছে জেলা কৃষি বিভাগ।সরেজমিনে নড়াইল সদর উপজেলার তুলারামপুর ইউনিয়নের চাঁচড়া মাঠে গিয়ে দেখা যায়, যেদিকে চোখ যায় শুধু হলুদ গালিচার মতো সূর্যমুখী ফুলের খেত। চারিদিকে যেন হলুদের সমারোহ। ক্ষেতজুড়ে সূর্যমুখী বাগানের এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন ভিড় করছেন শত শত সৌন্দর্যপিপাসু মানুষ। প্রতিদিন বিকেলে মাঠে ঘুরতে ও সেলফি নিতে ভিড় করছেন তরুণ-তরুণীরা। কোথাও কোথাও সূর্যমুখী বাগানকে ঘিরে গড়ে উঠেছে ছোটখাটো বিনোদন কেন্দ্র।চাঁচড়া গাবতলা গ্রামের কৃষক আব্দুল্লাহ মোল্যা বলেন, "আমি ৩০ শতক জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেছি। গাছে ফুলের অবস্থা দেখে ভালো ফলনের আশা করছি। সূর্যমুখীর তেল খেতে খুবই সুস্বাদু। অন্য কৃষকদের বলব, বীজ লাগানোর সময় দড়ি দিয়ে সারি করে লাগালে ফলন ভালো হয়।"একই গ্রামের কৃষক শহীদুল্লাহ জানান, নড়াইল কৃষি অফিস থেকে বীজ ও সার পেয়ে তিনি প্রথমবারের মতো ১২ শতক জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেছেন। তিনি বলেন, "ফলন খুব ভালো হয়েছে। সরিষার তুলনায় সূর্যমুখীতে দ্বিগুণ লাভ করা যায়। স্থানীয় বাজারে তেল ভাঙানোর মেশিন থাকায় নিজেদের চাহিদা পূরণ করে বাড়তি তেল বাজারে বিক্রি করতে পারছি।"উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রাজীব বিশ্বাস জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর তুলারামপুর ইউনিয়নে সূর্যমুখীর আবাদ দ্বিগুণ হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত পরামর্শ ও মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে। এ বছর ‘বারি সূর্যমুখী-৩’ এবং হাইব্রিড জাত ‘হাইসান-৩৬’ বেশি চাষ হয়েছে। বারি সূর্যমুখী-৩ জাতের জীবনকাল কম, ফলন বেশি এবং গাছ তুলনামূলক খাটো। এছাড়া সূর্যমুখী কাটার পর একই জমিতে পাট চাষ করা যায়।তিনি আরও জানান, সূর্যমুখী তেল হৃদরোগের ঝুঁকি ও কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক। স্বাস্থ্যগুণ ও রান্নার স্বাদ বাড়াতে এর ভূমিকা থাকায় মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।স্থানীয় বাসিন্দা বাচ্চু মোল্লা জানান, চাষিদের সাফল্য দেখে আগামী বছর তিনি নিজের ৪০ শতক জমিতে সূর্যমুখী চাষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।নড়াইল সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. রোকনুজ্জামান বলেন, "নড়াইল সদরে সূর্যমুখীর আবাদ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রণোদনার মাধ্যমে কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। গত বছর সদর উপজেলায় ৫৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছিল, এ বছর তা বেড়ে ৭৮ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। মাঠের অবস্থা দেখে এ বছর বাম্পার ফলনের আশা করছি।"এনআই
    কয়লা আমদানির নামে ১০ কোটি টাকার প্রতারণা 
    ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা আমদানির জন্য এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খুলে দেওয়ার নাম করে ১০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ফারজানা ইয়াসমিন নিলা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন যশোরের কয়েকজন ব্যবসায়ী। তাদের অভিযোগ, সাবেক এক ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রী এই নিলা নিজেকে প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহলের ঘনিষ্ঠ দাবি করে বিপুল পরিমাণ এ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। বর্তমানে তিনি যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক রয়েছেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে অর্থ ফেরত ও বিচার দাবি করেছেন।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় প্রেসক্লাব যশোরে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মেসার্স এ টু জেড ট্রেডিং-এর স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ আনিসুর রহমান খান।সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে ব্যবসায়িক অচলাবস্থার সুযোগ নিয়ে নিলা তাকে ব্রড কান্ট্রি এলসি ওপেন করে দেওয়ার টোপ দেন। এরপর যশোরের ৯জন ব্যবসায়ী একজোট হয়ে এলসি করার সিদ্ধান্ত নেন। ৩০ শতাংশ মার্জিনের শর্তে আনিসুর রহমান ৯ ব্যবসায়ীর পক্ষে নিলার অ্যাকাউন্টে ১০ কোটি ৯ লক্ষ ১২ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান করেন। কিন্তু টাকা নেওয়ার পর নিলা দিনের পর দিন সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।আনিসুর রহমান জানান, ইন্দোনেশিয়ায় জাহাজ রেডি করার পর এলসির জন্য চাপ দিলে নিলা তাকে একটি ভুয়া এলসি কপি ধরিয়ে দেন। পরবর্তীতে টাকা ফেরত চাইলে তিনি ৫০ লক্ষ টাকার একটি জাল বিএফটিএন (BFTN) কপি এবং একটি ভুয়া এফডিআর (FDR) কপি প্রদান করে প্রতারণা চালিয়ে যান।তিনি আরো জানান, প্রতারিত হওয়ার পর তারা খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন ফারজানা ইয়াসমিন নিলা নিজেকে বিগত স্বৈরাচারী সরকারের প্রভাবশালী নেতা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বাহাউদ্দিন নাছিম এবং সালমান এফ রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচয় দিতেন। এমনকি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম ভাঙিয়েও তিনি প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। তার বিরুদ্ধে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা, মানব পাচার এবং নথি জালিয়াতির একাধিক সিন্ডিকেট চালানোর অভিযোগ রয়েছে।এরপর টাকা ফেরত পেতে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান প্রথমে গুলশান থানায় মামলা করলে নিলা গ্রেপ্তার হন। কিন্তু রহস্যজনকভাবে আদালত থেকে জামিন পেয়ে যান। জামিনের শর্ত অনুযায়ী টাকা ফেরত না দিয়ে তিনি হাইকোর্ট থেকে ‘স্টে অর্ডার’ নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে যশোরের পুলিশ সুপারের সহায়তায় নতুন মামলা দায়ের হলে পুলিশ তাকে ঢাকা থেকে পুনরায় গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। আনিসুর রহমান জানান, এর আগেও নিলার নামে ৪-৫টি প্রতারণার মামলা ছিল এবং তিনি সাজাপ্রাপ্ত আসামি হওয়া সত্ত্বেও অদৃশ্য ইশারায় এতদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন।সংবাদ সম্মেলনে যশোর ও অভয়নগরের ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা জানান, ব্যাংক লোন নিয়ে এলসির টাকা দিয়ে এখন তারা পথে বসার উপক্রম হয়েছেন। অনেক পরিবার এখন এই প্রতারক চক্রের কারণে দেউলিয়া।এজন্য প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানিয়ে তারা এই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে নিলাকে জামিন না দেওয়ির দাবি জানান। পাশাপাশি পাওনা টাকা উদ্ধারে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে জোর দাবি জানান। যাতে আর যেন কোনো ব্যবসায়ী এভাবে সর্বস্বান্ত না হয়।সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী নুর আলম বাবু, মাহমুদ হাসান লিপু, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, জিয়া বিশ্বাস ও মোহাম্মদ নুরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।এ ব্যাপারে ফারজানা ইয়াসমিন নিলার মেয়ে নন্দিতা মেহজাবিন কথা সাংবাদিকদের জানান, ওই ব্যবসায়ীরা অনৈতিক পন্থায় আমাদের বিরুদ্ধে প্রচার চালাচ্ছেন। অর্থ লেনদেনের বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন। ফলে তিনি এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে চান না।এসআর
    সুন্দরবনে অপহৃত ২০ জেলের খোঁজ নেই, মানবেতর জীবন পরিবারগুলোর
    সুন্দরবনে অপহরণের প্রায় ১২ দিন পার হলেও এখনো খোঁজ মেলেনি ২০ জেলের। এতে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন অন্তত ১০ সহস্রাধিক জেলে। রুটি-রুজি নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তারা।মহাজনেরা জানান, দস্যুরা জেলেপ্রতি সাড়ে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে। সেই টাকা না দিলে জেলেদের ভাগ্যে করুণ পরিণতি ঘটবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে।এদিকে সুন্দরবনে বনদস্যুদের একের পর এক অপহরণ আতঙ্কে মাছ ধরা বন্ধ করে দিয়েছেন জেলেরা। এতে উপার্জন বন্ধ হয়ে হাজারো জেলে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দ্রুত বনদস্যু মুক্ত না হলে বন বিভাগ হারাবে রাজস্ব ও বেকার হয়ে পড়বে উপকূলীয় জেলে ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়।ঘটনাটি ঘটে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে বঙ্গোপসাগরের নারিকেলবাড়িয়া ও আমবাড়িয়া এলাকায় মৎস্য আহরণকালে।ওই সময় ২০টি ট্রলার থেকে জেলে অপহৃত হন। অস্ত্রসজ্জিত জলদস্যু সুমন ও জাহাঙ্গীর বাহিনীর হাতে। অপহৃত জেলেরা পূর্ব সুন্দরবনের দুবলার চরের শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্রের আলোরকোল ও নারিকেলবাড়িয়া শুঁটকিপল্লির বাসিন্দা।জেলেরা হলেন হরিদাস বিশ্বাস, গোপাল বিশ্বাস, রমেশ বিশ্বাস, প্রশান্ত বিশ্বাস, শংকর বিশ্বাস, তুষার বিশ্বাস, মনিরুল ইসলাম, উজ্জ্বল বিশ্বাস, কালীদাস বিশ্বাস, কাশেম মোড়ল, সাধন বিশ্বাস, শিবপদ বিশ্বাস, রশিদ সরদার, প্রকাশ বিশ্বাস, ইয়াসিন মোড়ল, শিমুল, রূপকুমার বিশ্বাস, গণেশ বিশ্বাস, উত্তম বিশ্বাস ও বাটু বিশ্বাস। এঁদের বাড়ি খুলনার পাইকগাছা, কয়রা ও আশাশুনি এলাকায়।জানা যায়, গত দেড় বছরে সুন্দরবনে অন্তত ২০টি দস্যু বাহিনীর উত্থান ঘটে। সম্প্রতি সুন্দরবনে জলদস্যুর দৌরাত্ম্য বেড়ে যাওয়ায় জেলে ও ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীন অবস্থায় পড়েছেন। উদ্বেগ দেখা দেয় বন বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে।সুন্দরবন দস্যুমুক্ত করতে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে শুরু হয়েছে যৌথ অভিযান। এতে অংশ নিচ্ছে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে নৌবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশ। অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, সুন্দরবন দস্যুমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অপারেশন চলবে।অপর দিকে দস্যুদের কারণে জেলেরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শুধু দিনের বেলায় মাছ ধরছেন। দুবলার চরের শুঁটকিপল্লি মহাজন মোতাসিম ফরাজী, জাকির শেখ, আব্দুর রউফ মেম্বর ও পঙ্কজ বিশ্বাস বলেন, অপহরণের কারণে স্থানীয় মাছ ধরা কার্যক্রম বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে।জানতে চাইলে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সুন্দরবন রক্ষায় আমরা সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী মো. নূর আলম শেখ বলেন, সুন্দরবনে দস্যুদের আধিপত্য বেড়ে যাওয়ায় বনজীবী ও ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে রয়েছেন। মহড়া দিয়ে অভিযান নয়, গোপন ছদ্মবেশে অভিযান চালিয়ে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো প্রয়োজন।দুবলার ফিশারম্যান গ্রুপের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, সুন্দরবন এখন দস্যুদের অভয়াশ্রমে পরিণত হয়েছে। সুন্দরবন ও সাগরে নিরাপত্তা না থাকায় বনদস্যুদের হাতে অপহরণ আতঙ্কে দুবলার চরের হাজারো জেলে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে সাগর ও সুন্দরবনের নদীতে মাছ ধরা বন্ধ করে দিয়েছে। জেলেরা এখন চরে অলস সময় কাটাচ্ছেন এবং মৌসুমের শেষে এসে তারা কী নিয়ে বাড়ি যাবেন সে চিন্তায় দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। এ অবস্থায় মাছের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তিনি মনে করিয়ে দেন, যৌথ বাহিনীর অভিযান কেবল মহড়ার মতো নয়, বাস্তবায়নে গোয়েন্দা তৎপরতা প্রয়োজন।তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনে জাহাঙ্গীর, সুমন, শরীফ ও করিম বাহিনী নামে বনদস্যুদের চারটি গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। দস্যুরা বেপরোয়া হয়ে সুন্দরবন ও সাগর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। জেলেদের ধরে নিয়ে আটকে মুক্তিপণ আদায় করে ছেড়ে দিচ্ছে। যারা টাকা দিতে পারছে না তাদের বেধড়ক মারধর করছে দস্যুরা।সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের দুবলা টহল ফাঁড়ির ফরেস্ট রেঞ্জার মিলটন রায় জানান, জেলেরা মাছ ধরা বন্ধ রাখায় রাজস্ব ঘাটতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই বিভাগের শরণখোলা ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা ফরেস্ট রেঞ্জার মো. খলিলুর রহমান বলেন, বনদস্যু আতঙ্কে কোনো জেলে নতুন করে মাছ ধরার পাস নিচ্ছেন না। ফলে মাসিক রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বড় প্রভাব পড়ছে।পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, যেকোনো মূল্যে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করা হবে। জেলে ও বনজীবীদের জীবন ও জীবিকা রক্ষা করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।এসআর
    ঝিনাইদহে প্রতিদিন ২১ বিবাহ, ১১ বিচ্ছেদ
    ঝিনাইদহে উদ্বেগজনক হারে বিবাহবিচ্ছেদ বেড়েছে। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত গত তিন বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। স্থানীয় আদালত ও জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালে জেলায় বিবাহ হয় আট হাজার ২৬টি আর বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে তিন হাজার ৯৮৪টি। গড়ে প্রতিদিন বিবাহ হয় ২১টি আর বিচ্ছেদ ঘটে ১১টি।স্থানীয় একাধিক সূত্র মতে, সামাজিক ও অর্থনৈতিক টানাপোড়েন, পারিবারিক কলহ, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, মাদকাসক্তিসহ নানা কারণে ভাঙছে সংসার।জেলা রেজিস্ট্রার অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালে আট হাজার ২৬ জন নারী-পুরুষ বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। একই বছর বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে তিন হাজার ৯৮৪টি। এর মধ্যে পুরুষ এক হাজার ৩৪৬ জন ও নারী দুই হাজার ২৩৪ জন বিবাহবিচ্ছেদ করেছেন।সবচেয়ে বেশি বিবাহবিচ্ছেদ ঘটেছে সদর উপজেলায়। এই উপজেলায় এক হাজার ১৬২ জন নারী-পুরুষ বিবাহবিচ্ছেদ করেছেন। এ ছাড়া শৈলকুপায় ৭৯৪ জন, মহেশপুরে ৯৭৮ জন, কালীগঞ্জে ৪৭৭ জন, হরিণাকুণ্ডুতে ৩৬২ জন ও কোটচাঁদপুরে ২১১ জন নারী-পুরুষ বিবাহবিচ্ছেদ করেন। এর মধ্যে পুরুষরা তালাক দিয়েছেন এক হাজার ৩৪৬টি আর নারীরা দিয়েছেন দুই হাজার ২৩৪টি।পরিসংখ্যান অনুযায়ী পুরুষের চেয়ে নারীর তালাকের হার অনেক বেশি।জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালে জেলায় মোট তিন হাজার ১৭৭টি বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে, যা গড়ে প্রতিদিন প্রায় আটটি। একই সময়ে বিবাহ নিবন্ধিত হয়েছে সাত হাজার ৩২৭টি। প্রতিদিন গড়ে ২০টি।তালাকের ধরন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, স্ত্রী কর্তৃক তালাকের সংখ্যা এক হাজার ১৬৬টি, স্বামীর পক্ষ থেকে ২৫৯টি এবং উভয়ের সম্মতিতে এক হাজার ৭৫২টি।সরাসরি স্বামী বা স্ত্রীর উদ্যোগে হওয়া তালাকের ক্ষেত্রে নারীর সংখ্যা পুরুষের তুলনায় সাড়ে চার গুণ বেশি, যা পারিবারিক কাঠামোর পরিবর্তিত বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।এর আগের বছরও একই প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। ২০২৩ সালে ৯ হাজার ৪৬টি বিবাহের বিপরীতে তালাক হয় তিন হাজার ৯৮৪টি। ২৪টি করে বিয়ে, বিচ্ছেদ ১০টি। ওই বছর স্ত্রী কর্তৃক তালাকের আবেদন ছিল এক হাজার ৭৪৬টি এবং পুরুষের পক্ষ থেকে ৩৮৪টি। ২০১৯ থেকে ২০২৪ এই ছয় বছরে জেলায় প্রায় ১৮ হাজার তালাকের ঘটনা ঘটেছে, যা দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক পরিবর্তনের ধারাবাহিকতাকেই সামনে নিয়ে আসে।তালাক নোটিশ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বিবাহবিচ্ছেদে ঘুরেফিরে একই কারণ দেখিয়েছেন আবেদনকারীরা। আবেদনগুলোতে তালাকের কারণ হিসেবে বেশির ভাগই ছিল স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হওয়া। স্ত্রীর করা আবেদনে কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে ভরণ-পোষণ না দেওয়া, স্বামীর প্রতি সন্দেহের মনোভাব, ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধকরণ, কাবিন না হওয়া, মাদকাসক্তি, পুরুষত্বহীনতা, স্ত্রীর ওপর নির্যাতন, যৌতুক, মানসিক পীড়ন, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, আর্থিক সমস্যা ও ব্যক্তিত্বের সংঘাত।অন্যদিকে স্বামীরাও তাঁদের নোটিশে উল্লেখ করেছেন বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, আর্থিক সক্ষমতা কমে যাওয়া, বেপরোয়া জীবনযাপন, বদমেজাজ, সংসারের প্রতি উদাসীনতা, সন্তান না হওয়া, অবাধ্য হওয়া, টিকটকসহ সামাজিক মাধ্যমে অবাধ বিচরণ করা, ইসলামী শরিয়া অনুযায়ী না চলা ইত্যাদি।ঝিনাইদহ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাজি খলিলুর রহমান বলেন, ‘আগে মাসে ৮ থেকে ১০টি বিবাহবিচ্ছেদ ঘটত। তবে এখন অনেক সময় দিনে ১০ থেকে ১২টি তালাক নিবন্ধন করতে হয়। বেশির ভাগ দম্পতি ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যেই বিচ্ছেদের পথে যাচ্ছেন।’জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জাকারিয়া মিলন বলেন, ‘এখনকার তরুণ দম্পতিদের মধ্যে ধৈর্য ও সহনশীলতা কম। পারিবারিক ও সামাজিকভাবে সমস্যা সমাধানের চর্চা কমে গেছে। ফলে অনেক সময় ছোটখাটো বিরোধ থেকেও বিবাহবিচ্ছেদ ঘটছে।জেলা সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি মানবাধিকারকর্মী আনোয়ারুজ্জামান আজাদ বলেন, ‘বিবাহবিচ্ছেদের উচ্চহার শুধু ব্যক্তিগত নয়, সামাজিক সমস্যার ইঙ্গিত। এ ঘটনা কমাতে পারিবারিক শিক্ষা, পারস্পরিক সম্মানবোধ, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক সহায়তাকে শক্তিশালী করতে হবে। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে কাউন্সেলিং সেবা চালু ও সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দিতে হবে।সদর উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আব্দুল হাই বলেন, ‘বিবাহবিচ্ছেদের পর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় শিশুসন্তান। অনেক সময় তাদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়, মানসিক আঘাত তৈরি হয়। তাই বিবাহের আগে নারী-পুরুষ উভয়ের চিকিৎসকের পরামর্শ ও কাউন্সেলিং প্রয়োজন।জেলা মহিলা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মুন্সী ফিরোজা বলেন, ‘অনেকগুলো কারণে বর্তমানে বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনা ঘটছে। এর মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সমন্বয়হীনতা, অল্প বয়সে বিবাহ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার। আবার বহুবিবাহের কারণেও এমন ঘটনা ঘটছে। এ নিয়ে আমরা কাজ করছি।’তিনি বলেন, ‘বিবাহবিচ্ছেদ রোধে আমাদের মাঠকর্মীরা নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। এ ছাড়াও সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে। আশা করছি শিগগিরই এই সমস্যার সমাধান ঘটবে।’এসআর
    শিক্ষিকাকে হত্যা চেষ্টার পর মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ!
    যশোরে সদর উপজেলার চুড়ামনকাটিতে শিক্ষিকা রুবিনা আলমকে হত্যা চেষ্টা মামলা ভিন্নখাতে নিতে আসামি পক্ষ পাল্টা মামলা দায়ের করেছেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আব্দুস সামাদের স্ত্রী নুরজাহান বেগম মামলায় চরম মিথ্যাচার করেছেন। গোলযোগের সময় ঘটনাস্থলে না থাকা ব্যক্তিকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে। এতে শিক্ষিকার পরিবারের সদস্যরা হতাশ হয়েছেন।জানা গেছে, চুড়ামনকাটির মাদরাসা পাড়ার শাহ আলম তরফদার ওরফে রাকার মেয়ে রুবিনা আলম ঢাকার মোহাম্মদপুরে একটি সুনামধন্য কলেজের প্রাণী বিজ্ঞান বিষয়ের প্রভাষক। চাকরির সুবাদে সেখানে বসবাস করেন। ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে গত ১০ ফেব্রুয়ারি তিনি বাবার বাড়িতে আসেন। জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে ১১ ফেব্রুয়ারি আব্দুস সামাদ, তার জামাই সোহান, স্ত্রী নুরজাহান, ছেলে গোলাম রসুল ও মেয়ে নীলা মিলে রুবিনা আলমের ওপর হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। এসময় সোহান ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা করে। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় রুবিনা আলম বাদী হয়ে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি আব্দুস সামাদ, নুরজাহান, সোহান, গোলাম রসুল ও নীলার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে আসামিরা জামিনে রয়েছেন।স্থানীয়রা জানান, আব্দুস সামাদ জামাই সোহানের সহায়তায় ২৫/২৬ পরিবারের চলাচলের রাস্তা দখল করে দুই পাশে গেট নির্মাণের মাধ্যমে জমি জবরদখল করে। অথচ দলিলে জমির ওই অংশটি রাস্তা হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। মূলত এই নিয়ে রাকা তরফদার ও জবরদখলকারী আব্দুস সামাদ গংয়ের মধ্যে শত্রুতা তৈরি হয়। এরই জের ধরে রুবিনা আলমকে হত্যা চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় ১৪ ফেব্রুয়ারি জনগণ জোটবদ্ধ হয়ে আব্দুস সামাদের অবৈধভাবে নির্মাণ করা গেট ভেঙে দেয়।ভুক্তভোগী শিক্ষিকা রুবিনা আলম জানান, আমাকে হত্যা চেষ্টা করে উল্টো আমাদের পরিবারকে শায়েস্তা করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে সামাদ গং। গত ১১ ফেব্রুয়ারি আমার ওপর হামলার পর সামাদের স্ত্রী নুরজাহান মারধরের শিকার হয়েছেন বলে কৌশলে যশোর জেনারেল হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। এরপর আমার দায়ের করা মামলা নিষ্ক্রিয় করতে সামাদের স্ত্রী নুরজাহান বাদী হয়ে ২৪ ফেব্রুয়ারি ৭ জনকে আসামি করে পাল্টা মামলা করেন। এফআইআর নম্বর ৫৭। তিনি (রুবিনা আলম) ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন তার পিতা শাহ আলম রাকা, মা, চাঁদ সুলতানা, ভাই লিমন তরফদার, বোন লিনতা, ভগ্নিপতি ফোরকান আহমেদ জুয়েল ও চাচা বাবলু।রুবিনা আলম জানান, মামলার এজাহারে নুরজাহান গালভরা মিথ্যাচার করেছেন। সেদিন ঘটনাস্থলে আমার ভাই লিমন তরফদার উপস্থিত না থাকলেও তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। ১৪ ফেব্রুয়ারি জনগণ জোটবদ্ধ হয়ে আব্দুস সামাদের অবৈধভাবে নির্মাণ করা গেট ভেঙে দিলেও আমাদের ওপর দোষ চাপিয়ে সেটি ১১ ফেব্রুয়ারি ঘটনা হিসেবে মামলায় চালিয়ে দেয়া হয়েছে। আমাদের দুই বোনকে (রুবিনা আলম ও লিন্তা)) হত্যা চেষ্টার পর আবার উল্টো মামলার আসামি করা হলো। হামলাকারী সামাদ গং যখন গেট আটকে আমাকে মারধর  করছিলো তখন ফোরকান প্রাচীর টপকে গিয়ে আমার জীবন রক্ষা করে। মামলায় ফোরকানকে আসামি করা হয়েছে। আমার অসুস্থ বাবা-মাকেও ছাড় দেয়া হয়নি। তিনি ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি করেছেন।এদিকে, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল ফারজানা শাকিলের দেয়া প্রত্যয়নপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে- সজীব আলম (লিমন তরফদার) অত্র প্রতিষ্ঠানে ২০১৭ সাল হতে অত্যন্ত সুনামের সহিত ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড অনুযায়ী গত ১০ ফেব্রুয়ারি তিনি অফিসিয়াল দায়িত্ব পালন করেন। ১১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টা ৫২ মিনিটে তাকে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক লুৎফর রহমান খাতা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন। এদিন সকাল ১০.৪০ মিনিটে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে খাতা সংগ্রহ করেন সজীব আলম। যার ভিডিও ফুটেজ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সংরক্ষিত আছে। গত ২২ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত যশোরে একটি অসত্য মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, ওই দিন সকাল ১১টায় নাকি লিমন তরফদার (সজীব আলম) যশোরে থেকে মামলার বাদীকে পিটিয়ে আহত করেছেন।শিক্ষিকা রুবিনা আলমের বোন জান্নাতুল ফেরদৌস লিন্তা জানান, সামাদের পরিবারের লোকজন হামলা চালিয়ে উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। তাদের আক্রমণের শিকার হয়ে আমার বোন রুবিনা ঢাকায় চিকিৎসাধীন আছেন। তাকেও মামলায় জড়ানো হয়েছে। এটা রীতিমতো পরিতাপের বিষয়।এই বিষয়ে আব্দুস সামাদ পক্ষ জানিয়েছেন, তাদের দায়ের করা মামলা সত্য না মিথ্যা পুলিশ সঠিকভাবে ঘটনার তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।চুড়ামনকাটির সাজিয়ালী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই আব্দুর রউফ জানান, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে দুই পক্ষকে শান্ত থাকার জন্য বলা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছেন।এসআর
    চন্দনাইশে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত
    চট্টগ্রামের চন্দনাইশে যাত্রীবাহী বাসের সাথে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মো. জাবেদ (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বাগিচাহাট সংলগ্ন এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জাবেদ সাতবাড়িয়া এলাকার মো. রফিকের ছেলে।স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, জাবেদ মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়ি থেকে বাগিচাহাটের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে চট্টগ্রাম অভিমুখী ‘হানিফ এন্টারপ্রাইজ’-এর একটি যাত্রীবাহী বাসের সাথে তাঁর মোটরসাইকেলটির প্রচণ্ড সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে দোহাজারী ৩১ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দীন চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বাগিচাহাট এলাকার একটি বাঁকে যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে বাইকআরোহী ব্যবসায়ী জাবেদ নিহত হয়েছেন। ঘাতক বাসটি জব্দ করা সম্ভব হলেও চালক ও সহযোগী কৌশলে পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।এনআই
    চকরিয়ায় বনবিভাগের অভিযানে মাদক কারবারিদের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
    কক্সবাজারের চকরিয়ায় সংরক্ষিত বনভূমিতে গড়ে ওঠা মাদক ও চোরাকারবারিদের বেশ কিছু অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে বনবিভাগ। চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের চুনতি রেঞ্জের আওতাধীন বানিয়ারছড়া বনবিট ও হারবাং পুলিশ ফাঁড়ি যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বরইতলি ইউনিয়নের বানিয়ারছড়া পাহাড়তলী এলাকায় এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।সরেজমিনে দেখা যায়, বানিয়ারছড়া বনবিটের সংরক্ষিত বনভূমির একটি অংশে মাদক ও চোরাকারবারিরা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলেছিল। গোপন খবরের ভিত্তিতে বানিয়ারছড়া বনবিট কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন এবং হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মোফাজ্জলের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে এসব স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়।অভিযান প্রসঙ্গে বানিয়ারছড়া বনবিট কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, "সংরক্ষিত বনভূমির ভেতরে কোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা কাম্য নয়। বনবিভাগ এ বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর। বর্তমানে পুরো এলাকাটি দখলমুক্ত করা হয়েছে। যারা বনভূমি দখল ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।"এদিকে, বনবিভাগের জায়গা উদ্ধার এবং মাদক কারবারিদের আস্তানা উচ্ছেদ করায় স্থানীয় বাসিন্দারা বনবিভাগ ও পুলিশের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। বনবিভাগ জানিয়েছে, বনভূমি রক্ষায় এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।এনআই
    বালির গর্তে জন্মের প্রতীক্ষা, হ্যাচারিতে সুরক্ষিত নতুন সূচনা
    কক্সবাজারের দরিয়ানগর সমুদ্রসৈকতে ভোরের নীরবতা ভেঙে হঠাৎ এক অস্বস্তিকর দৃশ্য চোখে পড়ে স্থানীয় পরিবেশকর্মী মোহাম্মদ ইউনুসের। বালুচরে একদল বেওয়ারিশ কুকুর জটলা করে কিছু খুঁড়ছে। কাছে গিয়ে তিনি বুঝতে পারেন, বালির নিচে লুকিয়ে রাখা সামুদ্রিক মা কচ্ছপের ডিম একে একে টেনে বের করছে কুকুরগুলো। দ্রুত স্থানীয় তরুণদের সহায়তায় ১২০টি ডিম অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সেহরি ও ফজরের নামাজ শেষে হাঁটতে বের হয়েছিলেন ইউনুস। ভোর আনুমানিক সাড়ে ছয়টার দিকে দরিয়ানগর সৈকতের একটি নির্জন অংশে ঘটনাটি তাঁর নজরে আসে। তিনি বলেন, "দেখলাম কুকুরগুলো বালির নিচে কী যেন টেনে বের করছে। কাছে গিয়ে বুঝি, মা কচ্ছপ রাতে ডিম পেড়ে গেছে। কুকুরগুলো সেগুলো নষ্ট করে ফেলছিল।"স্থানীয় কয়েকজন তরুণকে নিয়ে তিনি দ্রুত কুকুরগুলোকে তাড়ান। বালু সরিয়ে অক্ষত ডিমগুলো সাবধানে সংগ্রহ করা হয়। পরে কক্সবাজার জেলা বন বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করলে একজন বনকর্মী ঘটনাস্থলে এসে ডিমগুলো গ্রহণ করেন।উপকূলীয় বন বিভাগের কলাতলী বিট কর্মকর্তা কেচু মারমা বলেন, "উদ্ধার করা ডিমগুলো বন বিভাগের হ্যাচারিতে স্থানান্তর করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় পর ডিম ফুটে বাচ্চা বের হলে সেগুলো নিরাপদে সাগরে ছেড়ে দেওয়া হবে।"বিশেষজ্ঞদের মতে, সামুদ্রিক কচ্ছপ সাধারণত গভীর রাতে নিরিবিলি ও তুলনামূলক নিরাপদ স্থান খুঁজে ডিম পাড়তে আসে। বালিতে গর্ত করে ডিম পেড়ে আবার বালি চাপা দিয়ে সাগরে ফিরে যায়। ডিম ফুটে বাচ্চা বের হতে সাধারণত ৪৫ থেকে ৬০ দিন সময় লাগে। এরপর নবজাতক কচ্ছপগুলো নিজেরাই সাগরের দিকে ছুটে যায়।পরিবেশবাদীদের মতে, সৈকতে কুকুর নিয়ন্ত্রণের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকলে ডিম নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়। একই সঙ্গে প্রজনন মৌসুমে নির্দিষ্ট এলাকাকে ‘নো-ডিস্টার্ব জোন’ ঘোষণা ও নজরদারি বাড়ানো জরুরি।পরিবেশকর্মী এইচ এম নজরুল ইসলাম বলেন, "ডিম পাড়ার মৌসুমে সৈকতের কিছু অংশে রাতের আলোকসজ্জা সীমিত রাখা দরকার। শব্দদূষণ কমাতে হবে এবং সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হবে—বালিতে অস্বাভাবিক গর্ত দেখলে তা নষ্ট না করে যেন বন বিভাগকে জানানো হয়।"সামুদ্রিক কচ্ছপ সাগরের খাদ্যশৃঙ্খল ও বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ। তারা জেলিফিশসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণী খেয়ে খাদ্যশৃঙ্খল নিয়ন্ত্রণে রাখে। দরিয়ানগরের ভোরের সেই দৃশ্য মনে করিয়ে দেয়—সৈকতের বালিতে চাপা পড়ে থাকা জীবনকে রক্ষা করতে কখনও কখনও একজন সচেতন মানুষের চোখই যথেষ্ট।এনআই
    কুমিল্লায় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ১২ সদস্য আটক, মালামাল উদ্ধার
    কুমিল্লায় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলা ডিবি ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে তিতাস ও দাউদকান্দির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় নগদ অর্থ, মোবাইল, স্বর্ণালংকার, ২টি সিএনজি, দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ মূল্যবান জিনিসপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: শামসুল আলম শাহ।ডিবি সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৩টায় জেলার তিতাস উপজেলা উজিরাকান্দি গ্রামের এমদাদুল হকের কন্যা মোসাঃ নাছরিন আক্তার (৩৫)-এর বসত ঘরের গেটের তালা ভেঙে প্রবেশ করে হাত-পা বেঁধে আঘাত করে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে নগদ টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র ডাকাতি করে নিয়ে যায়। একই রাতে তিতাস উপজেলার কাকিয়াখালী গ্রামের মৃত মোমতাজ মিয়ার কন্যা মঞ্জুরা বেগমের বসত ঘরের দরজা ভেঙে প্রবেশ করে বাদীর মুখ চেপে ধরে পরিবারের অন্যান্য সদস্যকে জিম্মি করে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্রসহ মালামাল ডাকাতি করে নিয়ে যায়।উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে পুলিশ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তিতাস ও দাউদকান্দি থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১২ জন ডাকাতকে গ্রেফতার করে।গ্রেফতারকৃতরা হলেন বাঙ্গরা বাজার থানার হাটাস গ্রামের মৃত সাহেব আলীর পুত্র মোঃ জীবন মিয়া (৪৫), দাউদকান্দি উপজেলা পশ্চিম মলয় গ্রামের চারু মিয়ার পুত্র মোঃ দেলোয়ার হোসেন (৪৫), একই উপজেলার আমিরাবাদ এলাকার মৃত সিরাজ ভূঁইয়ার পুত্র মোঃ আনোয়ার হোসেন (৪৫), হরিপুর গ্রামের মৃত আবুল কাসেমের পুত্র মো: নাসির (৩৬), দক্ষিণ মোহাম্মদপুর গ্রামের মৃত জাহের আলীর পুত্র আবু তাহের (২২), কালা সোনা গ্রামের মৃত মুনতাজ মিয়ার পুত্র মোঃ জামাল হক কুদ্দুস (৪০), তিতাস উপজেলার মোহনপুর গ্রামের আব্দুল হামিদের পুত্র মোঃ ওবাইদুল (৩৫), চান্দিনা উপজেলার মোস্তফার পুত্র মো: হানিফ (২৯), চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার গাবদার গ্রামের আমির হোসেনের পুত্র মোঃ সৌরভ হোসেন (২২), কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার পূর্ব পুনকারা গ্রামের মো: লতিফ মিয়ার পুত্র মোঃ জহির (৪৮), দাউদকান্দি উপজেলার বেখিনাঘর গ্রামের মৃত আলী হোসেনের পুত্র মো: মকবুল হোসেন (৩৭), একই উপজেলার দক্ষিণ নগর গ্রামের মৃত আব্দুল রশিদের পুত্র মোঃ কামাল (৩২)।উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে ১টি স্বর্ণের চেইন, ৩টি স্বর্ণের কানের দুল, ১ জোড়া রুপার নূপুর, ১টি রুপার ব্রেসলেট, ১টি রুপার চেইন, ১টি সিলভার রঙের ডিজিটাল ক্যামেরা, ২টি কষ্টি পাথর, ১টি টর্চ লাইট, ১টি ব্লেন্ডার মেশিন, ২টি কাঠের বাটযুক্ত ছুরি, ২টি হলুদ রঙের কাটার (২৪ ইঞ্চি), একটি লোহার শাবল (৩২ ইঞ্চি), একটি লোহার রড (২৬ ইঞ্চি), ৫টি সিটিগোল্ডের চুড়ি, ১টি সিটিগোল্ডের ব্রেসলেট, ১২টি বিভিন্ন রঙের হাফ প্যান্ট ও মুখোশ, একটি ট্রাভেলস ব্যাগ, ২টি এভারফ্রেশ ব্র্যান্ডের প্যাকেট (১/২ কেজি করে), ১টি ফার্মলেফ ব্র্যান্ডের দুধের প্যাকেট, ১৩টি মোবাইল, ২টি সিএনজি এবং নগদ ৩৭ হাজার ২৪৭ টাকা সহ বিভিন্ন মালামাল।এ বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: শামসুল আলম শাহ জানান, দুইটি বাড়িতে পৃথক ডাকাতির ঘটনায় ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, মূল্যবান জিনিসপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।পিএম
    লক্ষ্মীপুরে তুলার গুদামে আগুন, ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
    লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের ইসলাম মার্কেট সংলগ্ন একটি তুলার গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রনজিত কুমার সাহা।ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের ১১নং ওয়ার্ডে অবস্থিত ওই তুলার গুদামে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও গুদামে থাকা অধিকাংশ তুলা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।স্টেশন অফিসার রনজিত কুমার সাহা বলেন, "গুদামটির তিন পাশেই আবাসিক ভবন। জনবহুল আবাসিক এলাকায় এ ধরনের দাহ্য পদার্থের গুডাউন থাকা মোটেও নিরাপদ নয়। আমরা যথাসময়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। তবে আগুনের প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি।"স্থানীয়রা জানান, মঞ্জুরুল হক মোরশেদ নামের এক ব্যক্তির একতলা ভবনের খালি অংশে রিয়াজ উদ্দিন মানিক তুলার গুদামটি দিয়েছিলেন। ভবনের অন্য পাশে মোরশেদ তাঁর মাকে নিয়ে থাকতেন। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁরা নিরাপদে ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। এলাকাবাসীর দাবি, ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় যাতে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ গুদাম আর না থাকে।লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, "খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় বড় বিপদ এড়ানো গেছে। আবাসিক এলাকায় এমন গুডাউন স্থাপনের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।"এনআই
    কালিয়াকৈরে মধ্যরাতে কলোনি ও গোডাউনে আগুন, দেড় ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে
    গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় পুরাতন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মাকিষবাথান (টিএনটি) এলাকায় মধ্যরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি আবাসিক কলোনি ও তুলার গুদাম ভস্মীভূত হয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ২০ মিনিটের দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে হঠাৎ একটি আবাসিক কলোনিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন পাশের একটি তুলার গুদামে ছড়িয়ে পড়ে। তুলা দাহ্য পদার্থ হওয়ায় আগুন দ্রুত তীব্র আকার ধারণ করে এবং পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন দেখতে পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে কালিয়াকৈর ফায়ার স্টেশন থেকে চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় দেড় ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন চেষ্টায় রাত ৩টার দিকে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন রায়হান চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আগুনের খবর পেয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থলে গিয়ে তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তবে আগুনের প্রকৃত সূত্রপাত এবং ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ বিস্তারিত তদন্ত শেষে জানানো সম্ভব হবে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।এনআই
    মুন্সীগঞ্জে অধিক মূল্যে সয়াবিন তেল বিক্রি, ব্যবসায়ীকে জরিমানা
    মুন্সীগঞ্জে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে সয়াবিন তেল বিক্রির দায়ে এক মুদি ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত জেলা শহরের বড় বাজার এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ।অভিযান সূত্রে জানা যায়, বড় বাজার এলাকার ‘লিমন স্টোর’-এ বোতলজাত সয়াবিন তেল নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের (এমআরপি) চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছিল। এই অপরাধে দোকানমালিক মো. রফিকুল ইসলামকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।জরিমানার পাশাপাশি বাজারের বিভিন্ন মুদি, সবজি, মাংস ও ফলের দোকানেও নিবিড় মনিটরিং করা হয়। এ সময় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মূল্য তালিকা ও ক্রয় রসিদ যাচাই করা হয়। অভিযানের সময় ব্যবসায়ীদের দোকানের দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন এবং বাধ্যতামূলকভাবে ক্রয় রসিদ সংরক্ষণের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।অভিযানে জেলা স্যানিটারি পরিদর্শক মো. জামাল উদ্দিন মোল্লা এবং মুন্সীগঞ্জ ব্যাটালিয়ন আনসারের একটি দল সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে। জনস্বার্থে এ ধরনের বাজার তদারকি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।এনআই
    গাজীপুরে তারাবি পড়তে বেরিয়ে নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্র, পরদিন মিলল দগ্ধ মরদেহ
    গাজীপুর সদর উপজেলায় তারাবির নামাজ পড়তে বাসা থেকে বেরিয়ে নিখোঁজের এক দিন পর মাহবুব (১৪) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রের আগুনে পোড়ানো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে সদর উপজেলার ভবানীপুর এলাকার খুরশীদিয়া মারকাযুল উলুম ক্বওমী মাদরাসার পাশে একটি লিচুবাগান সংলগ্ন ঝোপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।নিহত মাহবুব ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর থানার দৌলতপুর গ্রামের সোহাগের ছেলে। সে পরিবারের সঙ্গে ভবানীপুর এলাকায় মোশারফ হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকত এবং স্থানীয় খুরশীদিয়া মারকাযুল উলুম ক্বওমী মাদরাসার নাজেরানা বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল।নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে তারাবির নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয় মাহবুব। রাত ৯টা বেজে গেলেও সে বাসায় না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সারারাত সন্ধান না মেলায় উৎকণ্ঠায় কাটে পরিবারের। শনিবার সকালে স্থানীয়রা লিচুবাগানের পাশে একটি পোড়া মরদেহ দেখে পরিবারকে খবর দিলে তাঁরা এসে মাহবুবকে শনাক্ত করেন। পরে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।নিহতের বাবা সোহাগ কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, "তারাবির নামাজে যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হয়েছিল। রাত ৯টার দিকেও না ফেরায় খোঁজাখুঁজি শুরু করি। সারারাত কোথাও ওর কোনো সন্ধান পাইনি। সকালে মানুষের কাছে খবর পেয়ে গিয়ে দেখি ঝোপের ভেতর আমার ছেলের পোড়া লাশ পড়ে আছে।"জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। তিনি বলেন, "প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে অন্য কোথাও হত্যা করে আলামত নষ্ট করতে এখানে এনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারা এবং কী কারণে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া প্রক্রিয়াধীন।"এনআই
    আশুলিয়ায় আন্তঃজেলা মিনি ট্রাক বৈধ কমিটির কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগ বিলুপ্ত কমিটির বিরুদ্ধে
    আশুলিয়ায় বাংলাদেশ আন্তঃ জেলা মিনি ট্রাক চালক শ্রমিক ইউনিয়নের বৈধ কমিটি থাকা সত্ত্বেও বিলুপ্ত কমিটির সদস্যরা অবৈধ ক্ষমতা খাঁটিয়ে কার্যক্রমে বাধা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।জানা গেছে, ইউনিয়নের বাইপাইল শাখার বর্তমান অনুমোদিত কমিটির কার্যক্রমে বিভিন্নভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে বিলুপ্ত কমিটির সদস্যরা।বাইপাইল শাখার সাধারণ সম্পাদক সোহাগ আহমেদ (প্রিন্স) বলেন, আমাদের কমিটি বৈধভাবে দায়িত্ব পালন করছে। তারপরও বিলুপ্ত কমিটির লোকজন আমাদের কার্যক্রমে বাধা দিচ্ছে। তারা আমাদের কাছে চাঁদা দাবি করছে এবং নিয়মিত ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে।শাখা সভাপতি সোহেল আহমেদ লিটন অভিযোগ করে বলেন, বিলুপ্ত কমিটির কিছু সদস্য অতীতে একাধিক হত্যা মামলার আসামিদের দিয়ে আমাদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। আমরা বৈধ কমিটি হিসেবে শ্রমিকদের স্বার্থে কাজ করতে চাই এবং সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করতে চাই।ইউনিয়ন সূত্রে জানা যায়, শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর বিলুপ্ত কমিটিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদনক্রমে নতুন কমিটি গঠন করে কার্যক্রম শুরু করা হয়। কিন্তু নতুন কমিটির কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।এ বিষয়ে ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বাইপাইল (পূর্বপাড়া) শাখার সভাপতি মো. সোহেল আহমেদ লিটন ও সাধারণ সম্পাদক মো. সোহাগ আহমেদ (প্রিন্স)-এর নেতৃত্বাধীন কমিটিকেই বৈধ বলে নিশ্চিত করেন।এসকে/আরআই
    মির্জাপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বসতঘরে ড্রামট্রাক, বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু
    টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মাটিবোঝাই একটি দ্রুতগামী ড্রামট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বসতঘরে ঢুকে পড়লে নাজিম উদ্দিন (৭৫) নামে এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মতিয়ারা বেগমও গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার(২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে আনুমানিক ৩ টার দিকে উপজেলার বানাইল ইউনিয়নের পাঁচচামারী এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত নাজিম উদ্দিন ওই গ্রামের মৃত মোকাদ্দেস আলীর ছেলে।পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার খেয়ে নাজিম উদ্দিন ও তাঁর স্ত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। উপজেলার চুকুরিয়া নদী তীরের মাটি কেটে ড্রামট্রাক দিয়ে পরিবহনের সময় কুড়ালিয়া পাড়া আঞ্চলিক সড়ক সংলগ্ন নাজিম উদ্দিনের ঘরে ট্রাকটি তুলে দেন চালক। বিকট শব্দে স্ত্রী মতিয়ারা বেগমের ঘুম ভাঙলে তিনি দেখেন তাঁর স্বামী ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে আছেন। পরিবারের সদস্যরা প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টার পর ট্রাকের নিচ থেকে নাজিম উদ্দিনের মরদেহ এবং আহত অবস্থায় মতিয়ারা বেগমকে উদ্ধার করেন।অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য স্থানীয় মাটি ব্যবসায়ী মোকাদ্দেস আলী, তুষার ও পিন্টুসহ সংশ্লিষ্টরা নিহতের পরিবারকে দেড় লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেন। নিহতের মেয়ের জামাই সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ড্রামট্রাকের মালিক মোকাদ্দেস স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন সিদ্দিকীকে নিয়ে সকালে আপস-মীমাংসার চেষ্টা করেন। মীমাংসা না হওয়ায় তিনি হুমকি দিয়ে চলে যান।নিহতের মেয়ে মহারাণী বলেন, "আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। এভাবে যেন আর কাউকে বাবা হারা হতে না হয়।" এলাকাবাসীর দাবি, অপ্রাপ্তবয়স্ক ও মাদকাসক্ত চালক দিয়ে গাড়ি চালানোর কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাঁরা অবিলম্বে এই এলাকায় মাটির ট্রাক চলাচল বন্ধের দাবি জানান।মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাহাদুজ্জামান আকন্দ জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাতক ড্রামট্রাকটি জব্দ করা হলেও চালক পালিয়ে গেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।এনআই
    জলদস্যুদের ১০ লখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে পাথরঘাটায় ফিরেছে তিন জেলে
    সুন্দরবনে জলদস্যুদের জিম্মিদশা থেকে মুক্তিপণের টাকা দিয়েও ছাড়া পাননি তিন জেলে। অবশেষে দস্যুদের দুই গ্রুপের গোলাগুলির সুযোগে জঙ্গল দিয়ে পালিয়ে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে পাথরঘাটায় ফিরেছেন তাঁরা।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাঁরা গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন।ফিরে আসা জেলেরা হলেন—পাথরঘাটা উপজেলার রুহিতা গ্রামের রাজু মিয়া (২৬), মো. মাহবুব (৩০) ও মো. রাজু মোল্লা (২৭)। জানা যায়, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবনের কটকা এলাকার হৌলি খাল থেকে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের রুহিতা গ্রামের মাসুম মাঝির ট্রলারসহ পাঁচ জেলেকে অপহরণ করে ‘বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী’র সদস্যরা। একদিন পর আল আমিন ও আবদুর রহিম নামে দুই জেলেকে মুক্তিপণের ১০ লাখ টাকা নিয়ে আসার শর্তে ছেড়ে দেওয়া হয়।পরে ট্রলার মালিকের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে দস্যুদের কাছে পাঠানো হলেও শর্ত অনুযায়ী বাকি তিন জেলেকে মুক্তি দেয়নি দস্যুরা। জিম্মি থাকা জেলেরা জানান, দস্যুরা তাঁদের ট্রলারের ব্রিজের মধ্যে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখত এবং মাঝেমধ্যে শারীরিক নির্যাতন করত।পলায়নরত জেলেরা আরও বলেন, "দস্যুদের দুই গ্রুপের মধ্যে হঠাৎ গোলাগুলি শুরু হলে আমরা কৌশলে শিকলমুক্ত হয়ে বনের ভেতরে দিগ্বিদিক দৌড়াতে থাকি। পরে সুন্দরবনের খাল সাঁতরিয়ে কিছুদূর যাওয়ার পর একটি তেলবাহী জাহাজের নাবিক আমাদের উদ্ধার করে মোংলা বন্দর ঘাটে পৌঁছে দেন। সেখান থেকে আমরা পাথরঘাটায় ফিরে আসি।"ট্রলার মালিক মো. মাসুম মিয়া বলেন, "টাকা পাঠানোর পরও দস্যুরা আমার জেলেদের ছাড়েনি। ফিরে আসা জেলেরা শারীরিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।"বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, "গত কয়েকদিন ধরে দস্যুদের তৎপরতা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলেদের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা না নিলে জেলেরা সাগরে যাওয়া বন্ধ করে দেবে।"এনআই
    ভোলায় ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দিয়ে আ.লীগ কার্যালয়ে ব্যানার ও পতাকা উত্তোলন
    ভোলার তজুমদ্দিনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে গভীর রাতে ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ব্যানার ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছে নেতাকর্মীরা।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় পযন্ত  তজুমদ্দিন উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে ব্যানার ও পতাকা উড়তে দেখা গেছে। এর আগে, শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের দলীয় একদল নেতাকর্মীরা ওই কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত হয়ে 'জয় বাংলা' স্লোগান দিয়ে দলীয় একটি ব্যানার ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে পালিয়ে যায়। পরে শনিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে এলাকাবাসী এসব ব্যানার ও পতাকা দেখতে পান। খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।সাবেক এমপি নুরনবী চৌধুরী শাওন ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত ব্যানারে লেখা রয়েছে 'শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে'। তবে 'জয় বাংলা' স্লোগান দেওয়া ওই নেতাকর্মীদের নাম পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।এবিষয়ে তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালামের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহ্নত মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি তারা রিসিভ করেননি।তবে তজুমদ্দিন থানার ওসি তদন্ত সুশান্ত জানান, বিষয়টি তারা জানা নেই। এসআর
    ভোলার মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে মাছ শিকারে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা 
    ঝাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া  নদীতে সকল প্রকার মাছ শিকারে আগামী দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত থেকে শুরু হয়ে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৬১ দিন ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সব প্রকার জাল ফেলা ও মাছ শিকার বন্ধ থাকবে।নিষেধাজ্ঞাকে ঘিরে ভোলার জেলে পল্লী গুলোতে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে মৎস্য বিভাগ। মৎস্য বিভাগ বলছে, এই সময়ে নদীর অভয়াশ্রমগুলোতে আগত ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ডিম ছাড়ে। ফলে প্রাকৃতিকভাবে মাছের উৎপাদন বাড়াতে প্রতিবছরই এই সময়টিতে মাছ শিকারের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। তাই মাছ শিকার থেকে বিরত থাকতে জেলেদের মধ্যে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছ মৎস্য বিভাগ।তবে দীর্ঘ দুই মাসের নিষেধাজ্ঞার কবলে পরে ভোলার জেলেদের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাজ। কারণ নিষেধাজ্ঞার সময়ে তারা বেকার হয়ে পড়েন। ফলে পরিবার পরিজন নিয়ে পড়তে হয় বিপাকে। বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা না থাকায় জীবিকা নির্বাহে হিমশিম খেতে হয় তাদের। জেলেদের দাবী, নিষেধাজ্ঞার সময়ে এনজিওর কিস্তি বন্ধসহ জেলেদের যথাযথ খাদ্য সহায়তার ব্যবস্থা করার।শনিবার সকাল থেকে ভোলার তুলাতুলি, কাঠিরমাথা, নাছিরমাঝি, হেতনার খাল, ভোলার খাল, মাঝিরহাট মাছঘাট গুলো দেখা যায়, জেলেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। তাদের জাল নৌকাসহ অন্যন্য সরঞ্জাম উপরে তুলে নিচ্ছেন। সরকারি আইন অমান্য করে নদীতে নামবেন না তারা।জেলেদের অভিযোগ, প্রতিবছর নিষেধাজ্ঞার সময়ে সাধারণ জেলেরা নদীতে না নামলেও কিছু অসাধু জেলেরা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নদীতে অহরহ মাছ শিকার করে। ফলে অভিযান ব্যর্থ হয়ে ইলিশ উৎপাদন কমে যায়। অসাধু জেলেদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানিয়েছেন তারা।ইব্রাহিম মাঝি, রহিম মাঝি, রাব্বী মাঝিসহ কয়েক জেলে জানান, আজ থেকে আর নদীতে নামবেন না। তাই জাল নৌকা উপরে তুলে নিচ্ছেন। নিষেধাজ্ঞার সময়ে ঠিক কি করবেন সে চিন্তাই এখন তাদের চোখের সামনে। চলতি মৌসুমেও ইলিশ সংকট ছিল, আয়-রোজগার ভালো হয়নি। এখন আবার নিষেধাজ্ঞা কিভাবে সংসার চলবে বুঝতে পারছেন না। জেলে আব্দুল্লাহ মাঝি জানান, এনজিও থেকে ধারদেনা করে জাল নৌকা করেছি। এখন মাছ ধরতে না পারলে কিস্তি কোথায় থেকে দিবেন। তাই নিষেধাজ্ঞার সময়ে এনজিওর কিস্তি নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছেন তিনি।এদিকে, নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়েছে মৎস্যঘাট ও আড়ৎগুলোতেও। তাদের আড়ৎগুলো গুছাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আড়ৎদার হাসান সাজি জানান, শুধু জেলে নয়, ব্যাপারী, পাইকার ও আড়ৎদাররাও এই নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছেন। তাই দুই মাস তারাও বেকার হয়ে পরবেন।নিষেধাজ্ঞার সময়ে জেলেদের আর্থিক সংকট নিরসনে প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে ভিজিএফ চাউল দেওয়া হবে জেলেদের। তবে সঠিক সময়ে চাল বিতরণের দাবী জানিয়েছেন জেলেরা।জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন বলেন, আগামী মার্চ এপ্রিল দুই মাস ভোলার মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ নদীতে নামলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়াও নিষেধাজ্ঞার সময়ে জেলেদের খাদ্য সহায়তার চাল দ্রুত বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে।উল্লেখ্য, ভোলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৬৭ হাজার। এছাড়াও বিপুল সংখ্যাক অনিবন্ধিত জেলে রয়েছেন। ফলে এই নিষেধাজ্ঞার সময়ে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত প্রায় বিপুলসংখ্যক জেলের জীবিকা ও অর্থনীতির ওপর প্রভাব পড়বে।এসআর
    ভোলায় ৬ পা-বিশিষ্ট বাছুরের জন্ম, এলাকায় চাঞ্চল্য
    ভোলার লালমোহনে ছয় পা বিশিষ্ট একটি বাছুর গরুর জন্ম হয়েছে। এতে ওই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বচর উমেদ গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী মো: মনির মিয়ার বাড়িতে ওই বাছুরটির জন্ম হয়।জন্মের পর দেখা যায়, বাছুরটির স্বাভাবিক চারটি পা থাকলেও ঘাড়ের কাছে অতিরিক্ত দু’টি পা রয়েছে। পরে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা বাছুরটি একনজর দেখতে ভীড় করেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বাছুরটির ছয়টি পা হলেও সমস্যা নেই। সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে উঠতে পারবে।গরুর মালিক মো: শাহাবুদ্দিন মিয়া বলেন, শুক্রবার সকালে তার গাভীটি একটি ছয় পা বিশিষ্ট বাছুরের জন্ম দেয়। স্বাভাবিক চারটি পা থাকলেও ঘাড়ের কাছে আরও দু'টি পা দেখা যায়। এমন বিরল প্রকৃতির বাছুর জন্ম দেয়ায় প্রথমে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পরেন। পরে চিকিৎসক জানান, ছয় পা হওয়াতে বাছুরের বেড়ে উঠতে কোনো সমস্যা হবে না। বাছুরটি সুস্থ স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছে।লালমোহন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভেটেরিনারি সার্জন) ডা: মো: গোলাম মোস্তফা জানান, এমন ঘটনা খুবই বিরল। এটা সচরাচর ঘটে না। তবে আশা করা যাচ্ছে, ছয় পা হলেও বাছুরটির কোনো সমস্যা হবে না। বাছুরটি কিছুটা বড় হলে অতিরিক্ত দু’টি পা অপারেশনের মাধ্যমে অপসারণ করা যেতে পারে।এফএস
    ঝালকাঠিতে ডান্ডাবেড়ি পায়ে বাবার জানাজায় ছাত্রলীগ নেতা
    ঝালকাঠির নলছিটিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কারাবন্দী এক নেতা প্যারোলে মুক্তি পেয়ে তার বাবার জানাজায় অংশ নিয়েছেন। এ সময় তিনি পায়ে ডান্ডাবেড়ি পরানো অবস্থায় ছিলেন। ছাত্রলীগের ওই নেতার নাম রাকিবুল ইসলাম জোমাদ্দর (২৫)। তিনি উপজেলা সুবিদপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের কামদেবপুর গ্রামে রাকিবুল ইসলামের বাবা মোশাররফ জোমাদ্দরের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক গোরস্তানে তাকে দাফন করা হয়। জানাজায় অংশ নিতে স্বল্প সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি পান রাকিবুল। জানাজায় পায়ে ডান্ডাবেড়ি পরানো অবস্থায় অংশ নেন ছাত্রলীগ নেতা রাকিব। পরে নির্ধারিত সময় শেষে রাতে পুলিশি পাহারায় তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়।পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা জানান, একটি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় এক মাস ধরে কারাগারে আছেন রাকিবুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার সকালে তার বাবার মৃত্যু হলে পরিবারের পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে প্যারোলের আবেদন করা হয়।প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে স্বল্প সময়ের জন্য মুক্তির অনুমোদন মেলে ছাত্রলীগ নেতার। পরে পুলিশি নিরাপত্তায় তাকে জানাজায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। রাকিবুল বাবার জানাজায় অংশ নিতে বাড়ি এলে স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের বরাতে জানা যায়, জানাজার সময় রাকিবুলের পায়ে ডান্ডাবেড়ি পরানো অবস্থায় ছিল। তবে হাতে হ্যান্ডকাফ ছিল না। জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী তাকে আবার কারা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।এ বিষয়ে নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম জানান, পরিবারের আবেদনের পর প্রশাসনিক অনুমোদন সাপেক্ষে রাকিবুলকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। পুরো সময় তিনি পুলিশি পাহারায় ছিলেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।জানাজার সময়ও আসামিকে ডান্ডাবেড়ি পরানো অবস্থায় রাখা প্রসঙ্গে ওসি জানান, ১২ ঘণ্টার বেশি প্যারোলে মুক্তি দিয়ে আসামিকে বাইরে রাখার সুযোগ নেই। পুলিশ যে অবস্থায় কারাগার থেকে আসামিকে বুঝে পাবে, আবার সেই অবস্থায় কারা কর্তৃপক্ষের কাছে আসামিকে বুঝিয়ে দেবে। তাই ডান্ডাবেড়ি খোলার সুযোগ নেই।নলছিটি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অনীক রহমান সরদার বলেন, ‘একজন সন্তানের জন্য পিতৃবিয়োগ অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এমন পরিস্থিতিতে প্যারোলে এসে জানাজায় অংশ নেওয়াটা নিঃসন্দেহে আবেগঘন মুহূর্ত। আমরা রাকিবুলের নিঃশর্ত মুক্তি চাই।’ইখা
    নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার আসামী গৌরীপুরে গ্রেফতার
    দেশজুড়ে আলোচিত নরসিংদীর মাধবদীতে কিশোরীকে ধর্ষণ ও বাবার নিকট থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যার অভিযোগে হযরত আলী নামের এক আসামীকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে।গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সালাহ উদ্দিন করিম।তিনি জানান, অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আসামীর লোকেশান নিশ্চিত হয়ে গৌরীপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় নরসিংদী ডিবি পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে এ আসামীকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, হযরত আলী নরসিংদীর মাধবদীতে ভ্যানচালাতো। ওই এলাকায় গৌরীপুর উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের হাফিজ উদ্দিনের দু’পুত্র গার্মেন্টে চাকুরি করে। চাকুরীর সুবাধে এ হয়রত আলীর সাথে পরিচয় হয়। এ পরিচয়ের সূত্র ধরেই আত্মগোপন করতে এ এলাকায় হযরত আলী আশ্রয় নেয়। গৌরীপুর থানার থানার সাবইন্সপেক্টর মো. জামাল উদ্দিন জানায়, চতুর হযরত আলী আত্মগোপন করতে প্রায় ২০কিলোমিটার দূর সোহাগী এলাকায় ওর ব্যবহৃত সীম ফেলে রেখে আসে। এ ইউনিয়নের ছিলিমপুরের সোহাগবাজার মোড়ে বসে চা’খাওয়ার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। গত বৃহস্পতিবার মাধবদী উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বিলপাড় ও দড়িকান্দির মাঝামাঝি একটি সরিষা খেত থেকে ওই কিশোরীর লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত কিশোরী মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বিলপাড় এলাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকত। তার বাবা টেক্সটাইল কারখানার শ্রমিক।পুলিশ, নিহত কিশোরীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয়ভাবে বখাটে হিসাবে পরিচিত নূরা নামের এক তরুণের সঙ্গে ওই কিশোরীর কথাবার্তা হতো। ১৫ দিন আগে বাসায় ফেরার পথে ওই কিশোরীর মুখ চেপে ধরে নূরার নেতৃত্বে পাঁচ-ছয়জন তরুণ তুলে নিয়ে যায়। তখন তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনার বিচারের জন্য মহিষাশুড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আহমদুল্লাহর শরণাপন্ন হয় কিশোরীর পরিবার। তবে তারা বিচার পাননি। তাদের এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়েছিল।অন্যদিকে সাবেক ইউপি সদস্যের কাছে অভিযোগ করায় ক্ষুব্ধ হয় নূরাসহ অন্য তরুণরা। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার রাতে মেয়েকে খালার বাড়িতে রেখে আসতে যাচ্ছিলেন বাবা। পথে বিলপাড় এলাকায় পৌঁছালে নূরার নেতৃত্বে ছয় তরুণ ওই কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়। রাতভর বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি পরিবারের সদস্যরা। পরে বৃহস্পতিবার সকালে বিলপাড় ও দড়িকান্দি এলাকার মাঝামাঝি একটি সরিষা খেতে ওই কিশোরীর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে মাধবদী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।নিহত কিশোরীর বাবা জানান, নূরার নেতৃত্বে ৫/৬ জন লোক আমার কাছ থেকে মেয়েকে তুলে নিয়ে যায়। পরে আমরা তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও রাতে আর পাইনি। সকালে আমরা জানতে পারি মেয়ের লাশ পড়ে আছে। আমার সন্তানকে যারা হত্যা করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।কিশোরীর বড় ভাই বলেন, ‘মেম্বার সাহেব বলছিল, মীমাংসা কইরা দিব। এছাড়া মীমাংসার পর এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলছিল। আমরা তারে বলছিলাম, ১ তারিখে এলাকা ছেড়ে চলে যাব। বুধবার রাত ৮টার দিকে আব্বা তারে নিয়া খালার বাড়ি যাচ্ছিল। পথে বিলপাড় এলাকা পার হওয়ার সময় তাদের দেখতে পেয়ে এগিয়ে আসে নূরাসহ ছয়জন। পরে তারা আমার বোনকে তুলে নিয়ে যায়। সারাটা রাত তারে খুঁজছি। আজ সকালে সরিষা খেতে তার লাশ পাইলাম।’ঘটনার পর অভিযুক্ত নূরাসহ তরুণরা গা ঢাকা দিয়েছে। কিশোরীর লাশ উদ্ধারের পর সাবেক ইউপি সদস্য আহমদুল্লাহকে এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে না। ফোন বন্ধ রাখায় অভিযোগের ব্যাপারে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি মেয়েটির সঙ্গে নূরার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এটি মেয়েটির পরিবার মেনে নেয়নি। বুধবার তাকে বাবার কাছ থেকে নূরা তুলে নিয়ে গিয়েছিল বলে জেনেছি। পরে সকালে লাশ পাওয়া যায়।এসআর
    ফুলপুরে ফিশারির পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষকের স্বপ্ন
    ময়মনসিংহের ফুলপুরে ফিশারির পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষক আল আমিনের স্বপ্ন। বৃহস্পতিবার(২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে ফুলপুর উপজেলার ভাইটকান্দি ইউনিয়নের বড়শুনই গ্রামে এক মাছ চাষির খামারের পানি পাশের জমিতে ছেড়ে দেওয়ার ফলে এই ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে।জানা যায়, স্থানীয় মাছ চাষি সারোয়ার গত বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর ফিশারির পানি পাশের ধানক্ষেতে ছেড়ে দেন। এতে পার্শ্ববর্তী জমির কৃষক আল আমিনের ৩৮ শতাংশ জমিতে চাষ করা শসা ও টমেটো ক্ষেত সম্পূর্ণ পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে জমির ফসলগুলো পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে এবং চরম বিপাকে পড়েছেন ওই কৃষক।ভুক্তভোগী আল আমিন জানান, ধারদেনা করে আবাদ করা শসা ও টমেটো ক্ষেতগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় তাঁর প্রায় ৩ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখন পরিবার নিয়ে কীভাবে চলবেন, তা নিয়ে তিনি দিশেহারা।এ বিষয়ে প্রতিকার ও ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ পেতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), মৎস্য কর্মকর্তা ও কৃষি কর্মকর্তার জরুরি হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।এনআই
    বিমানের ভাড়া কমাতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত
    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া ও টিকিটের মূল্য কমাতে সরকার কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, একসময় রাষ্ট্রীয় সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স একটি ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল। পরবর্তীতে এর আর্থিক ক্ষতির কারণগুলো বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে লাভজনক করার পাশাপাশি বিমান ভাড়া কমানো সম্ভব বলে সরকার মনে করছে।তিনি আরও বলেন, সবার আন্তরিকতা থাকলে বিমানের টিকিট সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনা সম্ভব। সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে।প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের কয়েকটি বিমানবন্দর বর্তমানে বন্ধ রয়েছে, যেগুলো অতীতে বিভিন্ন কারণে কার্যক্রমহীন হয়ে পড়ে। ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী ও বগুড়ার বিমানবন্দর পুনরায় চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে নতুন কোনো বিভাগে বিমানবন্দর স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হলে ময়মনসিংহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।এ সময় সাংবাদিক নাদিম হত্যা মামলার অগ্রগতি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মামলাটির বিচার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সরকার আন্তরিক এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।মতবিনিময় সভায় জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জেলা প্রশাসক মো. ইউসুফ আলী, পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেকসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।ইখা
    ভাষাসৈনিক মোস্তফা এম.এ মতিনের ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
    ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার সাতেঙ্গা গ্রামে ১৯৩৪ সালের ১ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন ভাষাসৈনিক মোস্তফা এম.এ মতিন। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়ে যুক্ত হন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর রাজনীতির সঙ্গে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল তার রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। পরবর্তী সময়ে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধেও তিনি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে প্রবাসী সরকারের অধীনে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে অর্থনৈতিক সহায়তা নিশ্চিত করায় তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।শিক্ষাজীবনে তিনি গফরগাঁও ইসলামিয়া সরকারি হাই স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, ঢাকা কলেজ থেকে আইএ, জগন্নাথ কলেজ থেকে বিএ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬৩ সালে ঢাকা জেলা বারে আইন পেশায় যুক্ত হন। স্বাধীনতার পর ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতিতে যোগ দিয়ে আমৃত্যু আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। এর আগে মতিঝিল টি অ্যান্ড টি হাই স্কুলে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।রাজনৈতিক জীবনে তিনি ১৯৭০ সালে প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য এবং ১৯৭৩ সালে বিলুপ্ত ময়মনসিংহ-১৮ (বর্তমান ময়মনসিংহ-১১) আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তার সংসদীয় মেয়াদ ছিল ৭ এপ্রিল ১৯৭৩ থেকে ৬ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত। ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-১১ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জয়ী হতে পারেননি।ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি হিসেবে ২০০১ ও ২০০২ সালে টানা দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ভাষা আন্দোলনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২০০০ সালে তাকে ভাষাসৈনিক হিসেবে সংবর্ধনা ও স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি হিসেবে ২০২২ সালে তাকে মরণোত্তর একুশে পদক প্রদান করা হয়।২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি তিনি নিজ জন্মভূমি ভালুকায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুর পরও তার কর্ম ও আদর্শ আজও প্রেরণা জোগায়। নতুন প্রজন্মের মাঝে ভাষা আন্দোলনের চেতনা ছড়িয়ে দিতে এবং তার স্মৃতিকে অম্লান রাখতে পৌর পাঠাগারটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।ইখা
    দেওয়ানগঞ্জে অবৈধ ড্রেজার মেশিন ধ্বংস করলো প্রশাসন
    জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পাররামরামপুর ইউনিয়নর রহিমপুর এলাকায় অবৈধ ভাবে মাটি উত্তোলনের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট অভিযান করেন  উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে ঘটনাস্থলে কাউকে আটক করা সম্ভব না হলেও ড্রেজারসহ ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ  উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল ইসলাম।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, রহিমপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধ ভাবে কৃষি-জমি ও বিভিন্ন স্থান থেকে মাটি উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া যায়, এতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ায় , আবাদি জমি ক্ষতিগ্রস্ত  এবং স্থানীয় বসতবাড়ি ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিলে প্রশাসনের নজরে আসে। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করলে ঘটনা স্থলে মাটি উত্তোলনের কাজে জড়িত কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে সেখানে ব্যবহৃত ড্রেজার মেশিন,পাইপলাইন ও অন্যান্য সরঞ্জাম দেখতে পেয়ে সেগুলো সম্পূর্ণরূপে অকেজো করে দেওয়া হয়, যাতে পুনরায় এসব ব্যবহার করে অবৈধ কার্যক্রম চালানো না যায়। দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল ইসলাম বলেন, অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন পরিবেশ ও কৃষির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া এ ধরনের কার্যক্রম সম্পূর্ণ বেআইনি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং জড়িতদের শনাক্ত করা গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এনআই
    গাইবান্ধায় স্কুলশিক্ষিকার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের নিজ বাড়ি থেকে শামসুন্নাহার রুমা (৪৫) নামের এক স্কুলশিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলের দিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পশ্চিম পাশের গোবিন্দপুর (পুরাতন বন্দর) এলাকায় তাঁর মরদেহটি পাওয়া যায়।নিহত শামসুন্নাহার রুমা উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের চণ্ডিপুর তালতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ছিলেন। তিনি ফুলবাড়ী ইউনিয়নের ফুলবাড়ী (উত্তর) গ্রামের ছোলাইমান মাস্টারের মেয়ে।স্বজনরা জানান, আজ সকাল গড়িয়ে দুপুর হলেও রুমার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তাঁর শয়নকক্ষের দরজা খোলা হয়। এসময় মেঝেতে ওড়না প্যাঁচানো এবং হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাঁর লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। একই সঙ্গে ঘরের ভেতরের আসবাবপত্র তছনছ অবস্থায় ছিল। রুমার শরীরের বিভিন্ন অংশে জখমের চিহ্ন রয়েছে। স্বজনদের ধারণা, কে বা কারা তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে। এর আগেও রুমার ঘরে একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁরা দাবি করেন।গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, "খবর পেয়ে শামসুন্নাহার রুমা নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনার কারণ উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশের তদন্ত শুরু হয়েছে।"মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।এনআই
    তারাগঞ্জে খুন হওয়া ইলেকট্রিশিয়ান মঞ্জুরুল ইসলামের মোটরসাইকেল উদ্ধার
    রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় মাটিতে পুতে রাখা সেই উদ্ধার হওয়া লাশ মঞ্জুরুল ইসলামের (৪৮) ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করেছে তারাগঞ্জ থানা পুলিশ।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯ টার সময় উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের  তারাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের ৫০০ গজ দূরে একটি বাগান থেকে ওই মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯ টার সময় ওই এলাকার এক ধান চাষী নিজের ধানখেত দেখার জন্য যান। নিজ ধানখেত দেখার সময় তিনি ধানখেতের পাশে একটি বাগানে ওই মোটরসাইকেলটি পরে থাকতে দেখেন। পরে থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাড়ি থেকে কাজের সন্ধানে বের হয়ে আর বাড়িতে ফিরেননি ওই ইলেকট্রিশিয়ান মনজুরুল ইসলাম। অনেক খোঁজাখুঁজির পরে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের রামপুরা মাজারের কাছে আলু খেত থেকে মাটি দিয়ে ঢেঁকে রাখা লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। মনজুরুল পেশায় একজন ইলেকট্রিশিয়ান ছিলেন। তার বাড়ি উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামে। সে ওই গ্রামের ফরিজ উদ্দিনের ছেলে। তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, ওই এলাকার লোকজন আমাদের খবর দিলে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। মনজুরুলের পরিবারের লোকজন নিশ্চিত করেছে মোটরসাইকেলটি মনজুরুলের ব্যবহৃত।এসআর
    নবাবগঞ্জে ৭ বছরের শিশুকে কুপিয়ে হত্যা, ভুট্টাখেতে মিলল নিথর দেহ
    দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় সাত বছরের এক শিশুকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ) সন্ধ্যায় উপজেলার ৯ নম্বর কুশদহ ইউনিয়নের আমরুল বাড়ী ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর নাম সিরাজুল আলম সামস (৭)। সে ওই এলাকার বাসিন্দা মমিনুল ইসলামের ছেলে এবং আফতাবগঞ্জ চাইল্ড কেয়ার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র।পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় ইফতারের পর সামস বাড়ির সামনে খেলছিল। এ সময় তার এক চাচাতো ভাই তাকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবার প্রথমে আশপাশের বাড়ি ও প্রতিবেশীদের কাছে খোঁজ নিতে থাকে। সময় গড়াতে থাকলে উদ্বেগ বাড়তে থাকে স্বজনদের। রাত সাড়ে আটটার দিকে বাড়ির অদূরে আমরুল বাড়ী ডাঙ্গাপাড়া মাদ্রাসা সংলগ্ন একটি ভুট্টাখেতে শিশুটির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পরিবার সেখানে ছুটে যায়।স্বজনদের ভাষ্য, শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। পায়ের রগ কাটা, ডান পায়ের ঊরুতে ও ঘাড়ের ডান পাশে গভীর ক্ষত, ডান হাতের বাহুসহ শরীরের একাধিক স্থানে জখমের চিহ্ন দেখা যায়। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দিনাজপুরে পাঠানো হয়। ঘটনাটি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া। প্রতিবেশীরা জানান, সামস ছিল চঞ্চল ও সবার আদরের শিশু। এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডে তারা আতঙ্কিত ও ক্ষুব্ধ। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তদন্ত চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।এনআই
    ফুলবাড়ী সীমান্তে আটক দুই ভারতীয় যুবক পতাকা বৈঠকে ফেরত
    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে ভারতীয় দুই যুবককে আটকের ৭ ঘন্টার পর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতীয় বিএসএফে কাছে হস্তান্তর করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১ টা ৫৫ মিনিটে উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কুরুষাফেরুষা সীমান্তের আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ৯৩৬ এর পাশে বিজিবি ও বিএসএফের ১৫ মিনিটের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আটকের ৭ ঘন্টা পর বিজিবি সদস্যরা দুই ভারতীয় যুবককে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।পতাকা বৈঠকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৬ সদস্যের পক্ষে নেতৃত্ব দেন লালমনিরহাট -১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ণের অধীন শিমুলবাড়ী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আব্দুর রহীম ও বালারহাট ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার লিটন মিয়া এবং ভারতীয় ০৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অধীন ৬ সদস্যের পক্ষে নেতৃত্ব দেন করলা ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার (ইন্সপেক্টর) সুনীল কুমার। এর আগে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫ টার দিকে উপজেলার বালারহাট সীমান্তে আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ৯৩৫ এর সাব পিলার ৩ এস থেকে ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যান্তরে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে দুই ভারতীয় যুবককে হাতেনাতে আটক করে লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীন বালারহাট ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার লিটন মিয়াসহ বিজিবির টহলদল। দুই ভারতীয় যুবককে আটকের পর বিজিবির নায়েক সুবেদার লিটন মিয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করেন। পরে লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম এর নির্দেশে আটকের ৭ ঘন্টার পর কোম্পানি পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতীয় দুই যুবককে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ভারতীয় দুই যুবক হলেন, ভারতের কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানার নট্টবাড়ী এলাকার সাঈদ খন্দকারের ছেলে আখিরুল খন্দকার (২২) এবং একই জেলার সাহেবগঞ্জ থানার কিশামত করলা এলাকার জমির আলীর ছেলে ফারুক মিয়া (২২)।এ প্রসঙ্গে লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম জানান, দুই ভারতীয় নাগরিককে আটকের ৭ ঘন্টা পর বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে দুই ভারতীয় নাগরিককে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।এসআর
    ময়নামতি চরে তীর সংরক্ষণ ও পর্যটন উন্নয়নে সরকারের ভাবনা
    পঞ্চগড়ের করতোয়া নদীতে ভাঙনরোধে ৩১ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীর সংরক্ষণে ব্লক স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দেবীগঞ্জ পৌর শহরের করতোয়া নদীর ডিসি পার্ক থেকে ময়নামতি চর সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি এ তথ্য জানান।প্রতিমন্ত্রী বলেন, জেলার বিভিন্ন স্থানে নদীভাঙনে বসতবাড়ি ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ক্ষয়রোধে টেকসই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তীরে কংক্রিট ব্লক বসানো হবে। একই সঙ্গে প্রায় ২৫ কিলোমিটার নদী খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ভাঙন কমবে এবং কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি এর খাল খনন উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় নদী ও খাল ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার, যাতে খাদ্য উৎপাদন ও খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার করা যায়।ময়নামতি চরকে সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। নদীভাঙন থেকে চরাঞ্চল রক্ষা এবং পর্যটকদের জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। আগামী জুনের মধ্যে প্রকল্পের প্রথম ধাপের কাজ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান।পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ড উত্তরাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী ড. মোহা. সরফরাজ বান্দা, পঞ্চগড় জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী আশুতোষ বর্মন, ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কৃষ্ণ কমল চন্দ্র সরকার, দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন মো. তোবারক হ্যাপীসহ দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।এসআর
    নওগাঁয় গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা,স্বামী আটক
    নওগাঁর পত্নীতলায় প্রতিমা রাণী (২৪) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার নজিপুর ইউনিয়নের উজিরপুর চৌধুরীপাড়া এলাকায় ওই গৃহবধূর নিজ বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামী প্রদীপ চৌধুরী (৩৭) তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই দম্পতির মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। গত শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে তর্কের একপর্যায়ে রুটি বানানোর বেলুন দিয়ে প্রতিমা রাণীর কপালে আঘাত করেন প্রদীপ। এতে তিনি অচেতন হয়ে বিছানায় পড়ে যান। ওই অবস্থায় স্ত্রীকে নিয়ে রাত কাটানোর পর সকালে প্রদীপ লক্ষ্য করেন যে প্রতিমা মারা গেছেন। ঘটনার পর তিনি বাড়ি থেকে পালিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি শ্মশানঘাটে চলে যান। পরে প্রতিমার মৃত্যুর বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।খবর পেয়ে পত্নীতলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে এবং শ্মশানঘাট এলাকা থেকে প্রদীপ চৌধুরীকে আটক করে।পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, "সংবাদ পাওয়ার পরপরই পুলিশের একটি টিম পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।"তিনি আরও জানান, নিহতের বাবা নরেশ চৌধুরী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় প্রদীপ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।এনআই
    ইসলামী জলসার অতিথি নিয়ে বিরোধে বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যা
    রাজশাহী চারঘাট উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়নে জালসা ও মিলাদ মাহফিলের প্রধান অতিথি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের বিরোধের জেরে এক নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে।শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইউসুফপুর ইউনিয়নের সিপাইপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত ব্যক্তির নাম এরশাদ আলী (৬৫)। তিনি সিপাইপাড়া এলাকার মৃত সৈয়দ আলীর ছেলে এবং ইউসুফপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য। তিনি স্থানীয় এমপি আবু সাইদ চাঁদের অনুসারী বলে জানা গেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজের পর স্থানীয়রা একটি জালসা ও মাহফিল আয়োজনের বিষয়ে মসজিদে আলোচনায় বসেন। সেখানে প্রধান অতিথি নির্বাচন নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এক পক্ষ জেলা বিএনপির নেতা আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলকে প্রধান অতিথি করার প্রস্তাব দেন। অন্য পক্ষ নিহত এরশাদ আলীসহ কয়েকজন স্থানীয় সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদকে প্রধান অতিথি করার পক্ষে মত দেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের তর্কাতর্কির একপর্যায়ে বৈঠক ভেঙে যায়।পরে রাত নয়টার দিকে তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে এরশাদ আলীর পথরোধ করা হয়। এ সময় প্রতিপক্ষের কয়েকজন তাঁকে পেয়ারা গাছের ডাল ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।এর আগে প্রায় আড়াই মাস আগে একই বিষয়কে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে মাহফিল স্থগিত হয়েছিল। সে সময় সংঘর্ষে চারজন আহত হন এবং একটি মামলাও দায়ের করা হয়।চারঘাট থানার কর্মরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) সিরাজুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তরা ঘটনার পরই পালিয়েছেন। তাদের আটকের চেষ্টা চলছে। আর নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) এর মর্গে পাঠানো হবে। এ ব্যাপারে থানায় হত্যা মামলাও হবে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ বলেন, এটি অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। এসআর
    ইভটিজিংয়ে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, উল্লাপাড়ায় নিহত ১
    সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের কাশিনাথপুর ও রশিদপুর গ্রামের দুই পক্ষের সংঘর্ষে শাহ আলম (৩৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি রশিদপুর গ্রামের চাঁদ আলীর ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে মারামারির ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি মারা যান।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাশিনাথপুর গ্রামের কয়েকজন যুবক দীর্ঘদিন ধরে রশিদপুর উত্তরপাড়া এলাকায় গিয়ে নিয়মিত আড্ডা দিতেন এবং সেখানে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করতেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে রশিদপুর গ্রামের লোকজন তাদের একাধিকবার নিষেধ করেন। এরই জেরে বৃহস্পতিবার রাতে রশিদপুর গ্রামের লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় কাশিনাথপুরের বখাটে যুবকরা। হামলার পর দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে রশিদপুর উত্তরপাড়া গ্রামের কয়েকজন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হলে শাহ আলমের অবস্থার অবনতি হয়। পরে শনিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এ বিষয়ে রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম বলেন, বাড়ির সামনে দাড়িয়ে থাকা কে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের ঘটনায় হাসপাতালে একজন মারা গেছে, এখনো কোনো পক্ষ মামলা করেনি। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এলাকাবাসী দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন।এসআর
    পাবনায় দাদিকে হত্যার পর নাতনিকে ধর্ষণ, বিবস্ত্র লাশ মিলল ক্ষেতে
    পাবনার ঈশ্বরদীতে মধ্যরাতে দাদিকে হত্যা করে বাড়ি থেকে নাতনিকে অপহরণের পর ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পরে নাতনির বিবস্ত্র লাশ উদ্ধার করা হয়।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯ টার দিকে উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর গ্রামের নিজ বাড়ির উঠান থেকে দাদি এবং বাির পেছনের সরিষাক্ষেত থেকে নাতনীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী থানার ওসি মোঃ মমিনুজ্জামান।নিহতরা হলেন- উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়ার বাসিন্দা জয়নাল খা’র মা সুফিয়া খাতুন (৬৫) ও মেয়ে জামিলা আক্তার (১৫)। শুধু তারা দুজনই বাড়িতে থাকতেন।স্থানীয়রা জানান, মেয়ে জামিলা আক্তারের বাবা জয়নাল খাঁ চাকরি সুত্রে ঢাকাতে থাকতেন। নিজ বাড়িতে দাদি সুফিয়া খাতুন ও নাতী জামিলা একসঙ্গে থাকতেন। গতরাতে হটাৎ করে ওই বাড়ি থেকে কান্নার আওয়াজ শোনা গেলে এলাকাবাসী আসেন। পরে কান্নাকাটি থেমে যাওয়াই এলাকার লোকজন ফিরে যায়। সকালে বাড়ির উঠান থেকে দাদি সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ দেখে পুলিশকে জানায় স্থানীয়রা। পুলিশ এসে দাদির মরদেহ উদ্ধার করে অনেক খোঁজাখুঁজির পর পাশের একটি সরিষ ক্ষেত থেকে নাতনী জামিলা আক্তারের বিবস্ত্র ও রক্তাক্ত মরদহ উদ্ধার করে পুলিশ।ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশের ধারনা, মধ্যরাতে হয়তো নাতনীকে তুলে নিয়ে ধর্ষনচেষ্টার কারনে এমন ঘটনা ঘটতে পারে। বাঁধা দেওয়ার কারনে দাদিকে ও ধর্ষনের পর নাতনীতে সরিষাক্ষেতে ফেলে যেতে পারে।ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রনব কুমার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসআর
    ঈশ্বরদীতে এলজিইডির সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রীর অভিযোগ
    পাবনার ঈশ্বরদীতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন একটি সড়ক নির্মানে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। এতে স্থানীয়রা ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করে সড়কের নির্মাণ কাজ বন্ধ ও বিষয়টি খতিয়ে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন। শুধু তাই নয় নিম্নসামগ্রী ব্যবহারের বিষয়টি এলাকাবাসী মুঠোফোনে এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরও তাদের কোন হস্তক্ষেপ পাওয়া যায়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রমতে, উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের সিলিমপুর মোড় থেকে লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নের কদিমপাড়া হাট পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার সড়কটিতে অনুনোমোদিত বালুবাহি ও ইটবহনকারি বড় বড় ড্রাম ট্রাক চলাচলে প্রায় দুই বছর ধরে বেহাল দশায় পরিনত হয়েছিল সড়কটি। গত ৩ ফেব্রুয়ারি সড়কটি পাকাকরনের মাধ্যমে নির্মান কাজের দরপত্র আহ্বান করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। প্রায় ২ কোটি ৬৪ লাখ ৬১ হাজার টাকা ব্যয়ে তিন মাস সময়ের মধ্যে সড়কটির নির্মান কাজের দায়িত্ব পেয়েছেন পাবনার ওহি কন্সট্রাকশন নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নির্মাণ কাজ শুরু করার পর আগের কার্পেটিং তুলে সেগুলো ভঙ্গুর করে পূনরায় বিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তার উপর একেবারেই নিম্নমানের রাবিশ মিশ্রিত খোয়া ও মাটি মিশ্রিত বালি ব্যবহার করতেও দেখা গেছে। সড়কটির শুরুর দিকে মূল কার্পেটিং করার পূর্বের প্রস্তুতি হিসেবে কিছু পিকেট জাতীয় খোয়া দিয়ে তড়িঘড়ি করে রোলারের কাজ সম্পন্ন করছেন শ্রমিকরা।  সড়কটির দুই পাশে ব্যবহৃত ইটগুলোও বেশ নিম্নমানেরই দেখা গেছে। শুধু তাই নয় কাজগুলো তদারকির দায়িত্বেও উপজেলা প্রকৌশল বিভাগের কাউকেই সেখানে পাওয়া যায়নি। এসব দেখে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে কাজের মান নিয়েও তুলেছেন নানা প্রশ্ন। এদিকে সড়কের নির্মান কাজের দরপত্র চেয়ে ঈশ্বরদী উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরে দুদিন ঘুরেও তা পাওয়া যায়নি। কখন মিলেছে এলজিইডি কর্মকর্তার বদলিজনিত অজুহাত আবার কখনো পাবনা কার্যালয়ে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।এ সময় স্থানীয় মোঃ আলামিন নামে এলাকাবাসীর একজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন ভোগান্তি পোহানোর পর সড়কের কাজ শুরু হয়েছে। তবে সেখানে ব্যবহৃত সামগ্রীর মান খুবই খারাপ। সঠিকভাবে সড়কটি নির্মানের দাবি জানাচ্ছি। মোঃ সজিব, মামুন ও মানিকসহ কয়েকজন স্থানীয় সড়কটির চলমান কাজ বন্ধের দাবি জানিয়ে বলেন, যদি খোয়ার পরিবর্তে এমন রাবিশ মিশিয়ে নিম্নমানের খোয়া দিয়ে কাজ করে তবে কাজ বন্ধ থাক। এভাবে কাজ করলে তিন মাসও সড়কটি টিকবে কি না সন্দেহ আছে।তবে এসব ব্যাপারে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওহি কন্সট্রাকশনের সাব ঠিকাদার মোঃ সৈকতের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর পাবনা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মনিরুল ইসলামের সঙ্গেও মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি তবে সদ্য বদলি হয়ে যাওয়া ঈশ্বরদী উপজেলার সাবেক প্রকৌশলী মোঃ খলিলুর রহমান বলেন, সড়কের কাজ চলমান রয়েছে। নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের বিষয়টি জানা নেই। তবে মূল কার্পেটিং এর আগে যে খোয়া ব্যবহার হচ্ছে তার গুনগত মান যাচাই করে দেখা উচিত।এসআর
    মৌলভীবাজারে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল আরেক বন্ধুর
    মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে তারেক মিয়া (১৯) নামের এক কিশোর নিহত হয়েছে।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজনগর উপজেলার ঘরগাঁও গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত তারেক ওই গ্রামের গাজি মিয়ার ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে গ্রামের কয়েকজন কিশোর ঘরগাঁও মাঠে ক্রিকেট খেলায় অংশ নেয়। খেলার এক পর্যায়ে প্রতিবেশী আতিক মিয়ার সঙ্গে তারেকের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একসময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে আতিক ধারালো অস্ত্র দিয়ে তারেকের বুক, হাত ও উরুতে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে সে গুরুতর আহত হয়।পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাজনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন চন্দ্র সরকার বলেন, "ছুরিকাঘাতের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে এমন প্রাণঘাতী সংঘর্ষ সমাজে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। কিশোরদের মধ্যে সহিংসতা রোধে পরিবার ও সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।এনআই
    টাংগুয়ার হাওরে পর্যটকবাহী হাউজবোটে অগ্নিকাণ্ড
    সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার টাংগুয়ার হাওরে পর্যটকবাহী মাছরাঙা নামের একটি হাউজবোটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে হাউজবোটটির বেশ কিছু অংশ পুড়ে গেছে। এ সময় হাউসবোটে কোনো পর্যটক না থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের আনোয়ারপুর বাজারের পূর্ব পাড়ে রক্তি নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।প্রতক্ষ্যদশী ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রক্তি নদীতে নোঙর করে হাউজবোটটির মেরামতের কাজ করছিল মিস্ত্রি ও কর্মচারীরা। হঠাৎ করেই হাউজবোটটির পেছন দিকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আর মুহূর্তের মধ্যেই আগুন দাউদাউ করে ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।টাঙ্গুয়া হাওরের পর্যটকবাহী নৌ সমিতির সভাপতি রব্বানী জানান, মাছরাঙা হাউজবোটটিতে আগুন লাগার পর আনোয়ারপুর বাজারের ব্যবসায়ী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে হাউজবোটটির ভেতরের অধিকাংশ সরঞ্জাম পুড়ে যায়।বালিজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাবুল মিয়া জানান, হাউজবোড লাগা আগুন সবাই মিলে নিভানো হয়েছে। তাহিরপুর থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পরে বলতে পারবো।ইখা
    ঢাকা তুরাগে ১১ কোটি টাকা ডাকাতি মামলার আসামী তাহিরপুর থেকে আটক
    বহুল আলোচিত ঢাকা তুরাগে সংগঠিত  ১১ কোটি টাকা ডাকাতি মামলার মোঃ জনি মিয়া নামে এক আসামীকে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা থেকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার(২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০ টায় উপজেলা উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়ন ট্যাকেরঘাট এলাকা থেকে আটক করা হয়।আটক জনি মিয়া(৩৫) উপজেলা উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের বড়ছড়া গ্রামের মোঃ গনি মিয়ার ছেলে।পুলিশ জানায়, তুরাগ থানার মামলা নং ১০(৩) ২৩, ধারা ৩৯৫/৩৯৭/৪১২/৩৫ পেনাল কোড, এর পলাতক আসামী জনি মিয়া(৩৫) কে অদ্য রাতে টেকেরঘাট অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মোঃ রিপন উদ্দিন সংর্গীয় ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে বড়চড়া এলাকা থেকে ওয়ারেন্ট মূলে গ্রেফতার করে।টেকেরঘাট অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মোঃ রিপন উদ্দিন জানিয়েছেন,আটক জনি মিয়াকে তাহিরপুর থানা সোপর্দ করা হয়েছে।তাহিরপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আমিনুল ইসলাম এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।এবি 
    ট্যাকেরঘাট খনি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাময়িক বরখাস্ত
    সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ট্যাকেরঘাট চুনাপাথর খনি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. খায়রুল আলমকে ৬০ দিনের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সিনিয়র শিক্ষক মো. মর্তুজ আলীকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ, আর্থিক হিসাব-নিকাশ সঠিকভাবে উপস্থাপন না করা, কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অনীহা এবং প্রশাসনিক নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগ উঠেছে। অ্যাডহক কমিটির সভাপতি আবু সুফিয়ান টিপু স্বাক্ষরিত একাধিক স্মারক ও নোটিশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। অ্যাডহক কমিটির অভিভাবক সদস্য বাসির আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।অভিভাবক সদস্য বাসির আহমেদ জানান, ২০২২ সালে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ সরকার ‘অটোপাস’ ঘোষণা করলে ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অটোপাসের পর সেই টাকা আর ফেরত দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া এসএসসি টেস্ট পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জরিমানা বাবদ নেওয়া টাকা উত্তীর্ণ হলে ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও, কৃতকার্য ও অকৃতকার্য কোনো শিক্ষার্থীই সেই টাকা ফেরত পায়নি। ওই অর্থ স্কুল ফান্ডে জমা থাকলেও দীর্ঘ সময়েও তা শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং অফিস সময় সংক্রান্ত নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করার অভিযোগও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।কমিটি দাবি করেছে, প্রতিষ্ঠানের গত পাঁচ বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব চাওয়া হলেও তা সন্তোষজনকভাবে দাখিল করা হয়নি। এ বিষয়ে একাধিকবার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেওয়া জবাব সন্তোষজনক ছিল না।সর্বশেষ গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত অ্যাডহক কমিটির সভায় বিষয়টি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২১ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তের মেয়াদ শেষে উপযুক্ত প্রমাণাদিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে; অন্যথায় বিধি অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।এদিকে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সিনিয়র শিক্ষক মো. মর্তুজ আলীকে অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিদ্যালয় কোড ২৭০৫ এবং কলেজ কোড ২৭০২। এ বিষয়ে অধ্যক্ষ খায়রুল আলমের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এনআই
    সুনামগঞ্জে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের বাজার মনিটরিং, ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
    সুনামগঞ্জে পবিত্র রমজান উপলক্ষে বাজার মনিটরিং করেছেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া ও পুলিশ সুপার আ. ব. ম. জাকির হোসেন, পিপিএম।অভিযান চলাকালে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে শহরের ৪টি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে ২৪ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেন জেলার শীর্ষ কর্মকর্তারা।অভিযান চলাকালে একটি দোকানে লেবুর দাম যাচাই করলে দোকানদার ১২০ টাকার পরিবর্তে ৪০ টাকা বলেন। এ সময় উপস্থিত ক্রেতারা কম দামে লেবু কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন।পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা ও পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখার লক্ষ্যে নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়। এদিন সুনামগঞ্জ পৌর শহরের আলফাত উদ্দিন স্কয়ার (ট্রাফিক পয়েন্ট), জগন্নাথবাড়ি এলাকা, কাঁচাবাজার, ডিএস রোড, ফলবাজার, মধ্যবাজার ও পাইকারি বাজারসহ বিভিন্ন মার্কেট ও বিপণিবিতানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন এবং সহনীয় পর্যায়ে দাম রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ ছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য বিক্রি না করার জন্য সতর্ক করা হয়।অভিযানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুনজিত কুমার চন্দ, সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ, ম্যাজিস্ট্রেট সোয়াদ সাত্তার চৌধুরীসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।পুলিশ সুপার আ. ব. ম. জাকির হোসেন বলেন, “রমজান রহমতের মাস। এই মাসে ব্যবসায়ীরা কোনো প্রকার সিন্ডিকেট করে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা করতে পারবেন না। কোনোভাবেই নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানো যাবে না।”ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, “কোনোভাবেই যেন রমজান মাসে পণ্যের দাম বৃদ্ধি না হয়। যদি কেউ পণ্যের দাম বেশি রাখেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।এনআই

    অনলাইন ভোট

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আগস্টের পর কিছু সাধারণ ও নিরীহ লোককে আসামি করা হয়েছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?

    আন্তর্জাতিক

    সব দেখুন
    ইসরায়েলি সূত্রের দাবি খামেনি নিহত, ইরানি সংবাদমাধ্যম বলছে জীবিত
    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করছে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তাসংস্থা রয়টার্স এবং ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘চ্যানেল-১২’ খামেনির মৃত্যুর খবর প্রচার করেছে। তবে এই দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত ও আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যমগুলো।ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘চ্যানেল-১২’ তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে খামেনির মরদেহের ছবি দেখানো হয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, তেহরানে নিজ প্রাসাদ কম্পাউন্ডে হামলার শিকার হয়ে তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং পরবর্তীতে ইরানি উদ্ধারকারীরা তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে।এদিকে, প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘নিউইয়র্ক টাইমস’ স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত একটি ছবি প্রকাশ করেছে। ছবিতে দেখা গেছে, খামেনির প্রাসাদটি ভয়াবহ হামলায় পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। শনিবার সকালে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ওই প্রাসাদ লক্ষ্য করে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল।তবে ইরানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘তাসনিম নিউজ’ এবং ‘মেহের নিউজ’ এই মৃত্যুর খবর সরাসরি অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ খামেনি এখনো জীবিত এবং সুস্থ আছেন। তিনি বর্তমানে একটি নিরাপদ স্থান থেকে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।সংবাদমাধ্যম ‘আল জাজিরা’ জানিয়েছে, ইসরায়েলি ও পশ্চিমা গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের সঙ্গে ইরানি সংবাদমাধ্যমের দেওয়া তথ্যের মধ্যে চরম বৈপরীত্য দেখা দিয়েছে। খামেনির প্রকৃত অবস্থা নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক সংস্থা বা স্বাধীন সূত্র থেকে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। পুরো বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে বিশ্বজুড়ে চরম ধোঁয়াশা ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।এনআই
    ট্রাম্পের দাবি: ইরানের নেতৃত্বের ‘অনেকেই আর নেই’
    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবিসি নিউজকে বলেছেন, মার্কিন হামলায় “ইতিমধ্যেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে” এবং ইরানের নেতৃত্বের “অনেকেই আর নেই”।ফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “সবাই সম্পর্কে আমরা জানি না, তবে অনেকেই আর নেই।” প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, ইরানের পরবর্তী নেতৃত্বে কারা আসতে পারেন সে সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের “খুব ভালো ধারণা” রয়েছে।ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি-এর উত্তরসূরি কে হতে পারেন—এ প্রশ্নে ট্রাম্প এনবিসিকে বলেন, “আমি জানি না, তবে এক সময় তারা আমাকে ফোন করে জিজ্ঞেস করবে, আমি কাকে চাই।”তিনি যোগ করেন, “আমি যখন এটা বলছি, তখন অল্প একটু রসিকতাও করছি।”এনআই
    কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় এক বাংলাদেশিসহ আহত কয়েকজন
    কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক ভয়াবহ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে বিমানবন্দরের ১ নম্বর টার্মিনাল (টার্মিনাল-১) সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। আহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন বলে জানা গেছে।কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী একজন বাংলাদেশি কর্মী এই হামলায় আহত হয়েছেন। তিনি স্থানীয় ‘ওয়ায়েল আল নসিব’ কোম্পানিতে এয়ারপোর্ট ক্লিনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দূতাবাস থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।কুয়েত সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র আব্দুল্লাহ আল-রাজি এক বিবৃতিতে জানান, ড্রোনটি বিমানবন্দর লক্ষ্য করে আঘাত হানার পরপরই দ্রুত জরুরি প্রটোকল কার্যকর করা হয় এবং পুরো এলাকাটি নিরাপদ ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে বিমানবন্দরের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং পুনরায় স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করার কাজ চলছে।সবশেষ খবর অনুযায়ী, পরিস্থিতি এখন প্রশাসনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যাত্রী ও কর্মচারীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। কুয়েত সরকার জানিয়েছে, এই হামলা সংক্রান্ত যেকোনো নতুন তথ্য নিয়মিতভাবে সরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যে কুয়েত বিমানবন্দরে এই ড্রোন হামলা নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।এনআই
    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত, মরদেহ উদ্ধারের দাবি
    রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি মারা গেছেন। এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তার বরাতে জানানো হয়, ১৯৮৯ সাল থেকে ইরান শাসনকারী খামেনি নিহত হয়েছেন এবং তার মরদেহ পাওয়া গেছে।এর আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইঙ্গিত দেন যে ক্রমশ এমন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, খামেনি “আর আমাদের মাঝে নেই”।তবে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। যদিও ইসরায়েলি সূত্রগুলো তার নিহত হওয়ার বিষয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী বলে মনে হচ্ছে।সূত্র- দ্যা গার্ডিয়ানএনআই
    খামেনিকে ঘিরে বাড়ছে হামলার শঙ্কা, তার অবস্থান কোথায়
    ইরানের ওপর পুনরায় বড় ধরনের সামরিক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই হামলার ফলে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চলমান আন্তর্জাতিক আলোচনা যেমন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে, তেমনি দেশটির নিরাপত্তা ও শীর্ষ নেতৃত্ব কাঠামোকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি বিশ্বরাজনীতিতে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে রাজধানী তেহরানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভয়াবহ হামলার খবর পাওয়া গেছে। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ‘তাসনিম নিউজ এজেন্সি’ জানিয়েছে, তেহরানের উত্তরের শেমিরান এলাকায় প্রেসিডেন্টের প্রাসাদের সন্নিকটে এবং সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কার্যালয়ের আশপাশে অন্তত সাতটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।বার্তা সংস্থা ‘অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস’ (এপি) খামেনির কার্যালয় সংলগ্ন এলাকায় সরাসরি হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে এই হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা কেউ হতাহত হয়েছে কিনা, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট করা হয়নি।খামেনির অবস্থান নিয়ে রহস্যহামলার পর ৮৬ বছর বয়সী সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বর্তমান অবস্থান নিয়ে বিশ্বজুড়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কিছু না জানালেও বার্তা সংস্থা ‘রয়টার্স’ জানিয়েছে, হামলার সময় খামেনি তেহরানে ছিলেন না। নিরাপত্তার স্বার্থে আগেভাগেই তাঁকে একটি গোপন ও নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।কে এই আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি?সংবাদমাধ্যম ‘আল জাজিরা’র তথ্য অনুযায়ী, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ইরানের ইসলামি বিপ্লবের স্থপতি আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির উত্তরসূরি।উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নেতৃত্বে ইরানে ঐতিহাসিক ইসলামি বিপ্লব সংঘটিত হয়। এর মাধ্যমে তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত শাসক মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভির রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং ইরানে ইসলামি শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।এনআই
    কাতারে সব সরকারি কর্মচারীর জন্য দূরবর্তী কাজ চালু
    কাতারের সিভিল সার্ভিস ও সরকারী উন্নয়ন ব্যুরো একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, সকল সরকারি মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কর্মচারী, পাশাপাশি পাবলিক সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলো আগামীকাল দূরবর্তীভাবে কাজ করবে।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের কারণ হলো “বর্তমান অঞ্চলের পরিস্থিতি”।যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরান কাতারে আল উদেইদ বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, যার ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়েছে।এনআই
    ফের ইরান-ইসরাইলের পাল্টাপাল্টি হামলা
    ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান চরম উত্তেজনার পারদ আরও চড়েছে। শনিবার দিবাগত রাতে পাল্টাপাল্টি হামলার তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু টার্গেট করে ইরান নতুন করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।এর আগে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করে, তারা ইরানের অভ্যন্তরে অবস্থিত ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণস্থলগুলো লক্ষ্য করে নতুন দফায় শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে। মূলত ইরানের পাল্টা সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দিতেই এই আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।উল্লেখ্য, শনিবার সকালে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন কৌশলগত স্থানে ভয়াবহ যৌথ আক্রমণ চালায়। এর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর ওপর আক্রমণ শুরু করে। একই সঙ্গে ইসরায়েলি ভূখণ্ড লক্ষ্য করেও ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় তেহরান।দিনভর দফায় দফায় হামলার পর রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংঘর্ষের ভয়াবহতা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে কৌশলগত এলাকাগুলোতে বিস্ফোরণের শব্দ ও আগুনের শিখা দেখা যাওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে এক চরম অস্থিরতা ও যুদ্ধকালীন অচলাবস্থা বিরাজ করছে।এনআই
    যুক্তরাষ্ট্রের বড় সামরিক অভিযান দাবি, ইরানে নিহত ২০১
    ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইসরায়েল হামলা শুরুর কথা জানানোর পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানে “বড় ধরনের সামরিক অভিযান” শুরু করেছে।ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম, রেড ক্রিসেন্টের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, দেশটির ২৪টি প্রদেশে এখন পর্যন্ত অন্তত ২০১ জন নিহত হয়েছেন।ইরান পাল্টা হামলা চালিয়েছে, লক্ষ্যবস্তু করেছে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন স্থাপনাগুলো। এর মধ্যে রয়েছে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন, জর্ডান, সৌদি আরব ও ইরাক।ইরানের রাজধানী তেহরানে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এছাড়া দেশের আরও কয়েকটি এলাকাতেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ ইরানের একটি স্কুলে হামলায় ৮০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।এদিকে হামলা-পাল্টা হামলার প্রেক্ষাপটে অঞ্চলটির কয়েকটি দেশ তাদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে।সূত্র: আলজাজিরাএনআই/
    ইরানের তেহরানে আবারো বিস্ফোরণের শব্দ
    ইরানের রাজধানী তেহরানসহ গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে পশ্চিম তেহরান এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বুশেহরে এই হামলা ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে।বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, তেহরানে তাদের সংবাদকর্মীরা পুনরায় বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পেয়েছেন। একজন প্রত্যক্ষদর্শী বিবিসি ফার্সিকে জানিয়েছেন, শনিবার সন্ধ্যায় পশ্চিম তেহরানে নতুন করে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ-ও তেহরানে নতুন করে বিস্ফোরণের খবর দিয়েছে। তবে এসব বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট উৎস সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।এদিকে, ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বুশেহরের দুটি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে। উল্লেখ্য যে, বুশেহরে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অবস্থিত, যা এই হামলার পর উচ্চঝুঁকিতে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।এর আগে শনিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে বড় ধরনের যৌথ হামলা চালায়। এর জবাবে তেহরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে পাল্টা হামলা শুরু করে। দুই পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি হামলায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন এক ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতির মুখে দাঁড়িয়েছে।এনআই
    বিশ্ব তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ পথ ‘হরমুজ প্রণালী’ বন্ধ করে দিল ইরান
    বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন রুট ‘হরমুজ প্রণালী’ বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেভাল মিশন ‘এসপাইডেস’-এর একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, বর্তমানে হরমুজ দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচল করতে দেওয়া হবে না।বিশ্বের মোট তেল রপ্তানির একটি বিশাল অংশ এই সরু সামুদ্রিক পথ দিয়ে সম্পন্ন হয়। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশ—সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত এই রুট ব্যবহার করেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল সরবরাহ করে। ওমান উপসাগর এবং আরব সাগরকে যুক্ত করা এই কৌশলগত পথটি বন্ধ হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা চরম ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ইইউ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরান এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধের বিষয়ে কোনো লিখিত আন্তর্জাতিক নোটিশ বা ডিক্রি জারি করেনি। কেবল মাঠপর্যায়ে জাহাজ চলাচলে বাধা প্রদান ও মৌখিক বার্তার মাধ্যমে এই অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে।উল্লেখ্য, ইরান দীর্ঘ সময় ধরে হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছিল যে, তাদের ওপর কোনো ধরনের বিদেশি সামরিক হামলা বা বড় ধরনের উসকানি আসলে তারা পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেবে। আজ সকালে ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরের পরপরই তেহরান এই কঠোর পদক্ষেপ নিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।এনআই

    বিনোদন

    সব দেখুন
    অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর আত্মহত্যা
    ছোট পর্দার অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন। একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে অভিনেতার শ্বশুরবাড়ি পরিবার।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।অভিনেতা বর্তমানে নেপালে আছেন। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘কথা বলার মতো অবস্থায় তিনি এখন নেই।’জানা যায়, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকার কারনে গণমাধ্যমে মুখ খুলেননি তিনি। ২০১০ সালে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন ইকরা ও আলভী। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে।এমআর-২
    মিমের পাতায়া কাপানো কিছু দূর্দান্ত ছবি
    ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম কয়েক দিন ধরেই সামাজিক মাধ্যমে থাইল্যান্ড সফরের নানা ঝলক শেয়ার করছেন। তার ইনস্টাগ্রামে ভেসে উঠেছে পাতায়ার সমুদ্র, রোদ আর নির্ভার হাসির একগুচ্ছ ছবি।ক্যাপশনে মিম লিখেছেন, ‘এমন মুহূর্তই জীবনকে সুন্দর করে তোলে।’ সংক্ষিপ্ত এই বাক্যেই যেন ধরা পড়েছে তার ছুটির মেজাজ। থাইল্যান্ডের পর্যটনকেন্দ্র পাতায়ার নীল আকাশ আর সমুদ্রের পটভূমিতে মিমকে দেখা গেছে একেবারে ভিন্ন এক আবহে। ব্যস্ত শুটিং শিডিউল, আলো-ক্যামেরার ঝলকানি থেকে দূরে এই সময়টা যে তার জন্য বিশেষ, তা বোঝা যায় প্রতিটি ফ্রেমে।স্থানীয় নানা পদ উপভোগ করতে দেখা গেছে তাকে। ভ্রমণের আনন্দ যে কেবল ঘোরাঘুরি নয়, স্বাদের মধ্যেও লুকিয়ে থাকে সেই ইঙ্গিত মিলেছে ছবিগুলোতে।সফরে মিম একা নন ছবিতে তার পাশে রয়েছেন স্বামী সনি পোদ্দার। কাজের ব্যস্ততার মাঝেও ব্যক্তিগত সময়কে গুরুত্ব দেওয়ার এই দিকটি ভক্তদের নজর কেড়েছে।ছবি পোস্টের পরপরই অনেকে শুভকামনা জানিয়েছেন, কেউ লিখেছেন ভালোবাসার বার্তা, কেউবা প্রশংসা করেছেন তার স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতির।বড় পর্দার পাশাপাশি প্রথমবারের মতো ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির একটি অরিজিনাল ফিল্মেও চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন মিম। গ্ল্যামারের প্রচলিত ছক ভেঙে ভিন্নধর্মী চরিত্রে তাকে দেখা যাবে বলে জানা গেছে। একদিকে ব্যক্তিগত জীবনের ছোট ছোট আনন্দ, অন্যদিকে অভিনয়ের বড় পরিসর এই ভারসাম্যই হয়তো তার যাত্রাকে আলাদা করে তোলে।ছবিগুলো তাই কেবল ভ্রমণের অ্যালবাম নয়; বরং এক ব্যস্ত তারকার স্বস্তির নিঃশ্বাস।এইচএ
    পর্দার আড়ালে আছেন যেসব তারকারা
    বিনোদন অঙ্গনের তারকারা শুধু অভিনয়, গান বা উপস্থাপনায় নয়, মানবিক কাজ এবং সামাজিক উদ্যোগেও রাখছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। দুর্যোগ, চিকিৎসা সহায়তা, শিক্ষা, শিশু ও নারী উন্নয়ন-বিভিন্ন খাতে অনেক তারকা নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের বিনোদন অঙ্গনের তারকাদের মধ্যে প্রকাশ্যে সবচেয়ে বেশি সামাজিক কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন প্রখ্যাত অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সড়ক নিরাপত্তা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত আছেন।স্ত্রীর সড়ক দুর্ঘটনার মৃত্যুর পর তিনি গড়ে তোলেন ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলন। সড়ক দুর্ঘটনা  সচেতনতা রোধে তৈরি, আইন প্রয়োগের দাবির মাধ্যমে তিনি এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। মানবিক সহযোগিতার অন্যতম এক তারকা দম্পতি হচ্ছেন অনন্ত জলিল ও বর্ষা। এ তারকা দম্পতি সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কাজের জন্য সুপরিচিত। এ ছাড়া এ দম্পতি অসহায় দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সাহায্য করেন। সংগীতশিল্পী তাহসান অনেকদিন ধরে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমে যুক্ত আছেন। শিক্ষা ও শিশু অধিকার নিয়ে তিনি কাজ করেছেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে। একইভাবে জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম প্রায়ই মানবিক উদ্যোগে সম্পৃক্ত হন। তিনি সরাসরি প্রচারের চেয়ে নীরবে সাহায্য করতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম ইউনিসেফ বাংলাদেশের জাতীয় দূত হিসাবে শিশু অধিকার ও নারী সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ মানবিক কাজ করছেন। জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কাজের জন্য পরিচিত। তিনি সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো কাজের মাধ্যমে সামাজিক সচেতনতা তৈরি করেন। চিত্রনায়িকা মৌসুমী অভিনয়ের পাশাপাশি দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কাজে সক্রিয় আছেন। তিনি তার নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ‘মৌসুমী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে অসহায়, এতিম ও দুস্থদের জন্য কাজ করেন। অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা একজন  উন্নয়নকর্মী ও শিশু উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ। তিনি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা, প্লে-ল্যাব মডেল ও শিশু অধিকার নিয়ে গত ১৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছেন। এ ছাড়া তাকে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে অংশ নিতে দেখা গেছে।এইচএ
    বিজয়-রাশমিকাকে শুভেচ্ছাবার্তায় কী লিখলেন নরেন্দ্র মোদি
    চলচ্চিত্র জগতের জনপ্রিয় জুটি বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মন্দানা আজ ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজকীয় এক  অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছেন। দীর্ঘদিনের অবসান ঘটিয়ে এই তারকা দম্পতি  নতুন জীবনের শুরু করতে যাচ্ছেন। তাদের এই বিশেষ মুহূর্তকে আরও স্মরণীয় করে তুলেছে  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি শুভেচ্ছাবার্তা। নরেন্দ্র মোদীর শুভেচ্ছাবার্তায় দেবেরাকোন্ডা ও মন্দানা, দুই পরিবারকেই তাদের সন্তানদের বিয়ের শুভক্ষণে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। মোদি লিখেছেন, বিজয় ও রাশমিকার বিয়ের আমন্ত্রণ পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও সম্মানিত। দেবেরাকোন্ডা এবং মন্দানা পরিবারকে এই অত্যন্ত আনন্দময় ও শুভ অনুষ্ঠানের জন্য আমার আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। মোদি আরও লিখেন, এটি বিজয় এবং রাশমিকার জীবনের একটি নতুন, সুন্দর অধ্যায়ের সূচনা করে। বিজয় বা রাশমিকা কেউই তাদের চলচ্চিত্রের জগতে নতুন নয়। অবশ্যই রূপালী পর্দায় তাদের তৈরি জাদুকে ছাড়িয়ে যাবে।শেষে চিঠিতে লেখা ছিল, আগামী দিন, মাস এবং বছরগুলো ভাগাভাগি করা স্বপ্ন পরিপূর্ণতায় ভরে উঠুক। চিন্তাশীলতা এবং ভালোবাসার সঙ্গে, তারা দায়িত্ব ভাগ করে নেবে, একে অপরের অপূর্ণতাগুলিকে আলিঙ্গন করবে, এবং একে অপরের শক্তি থেকে শিখবে এবং সত্যিকারের অংশীদার হিসেবে জীবনের মধ্য দিয়ে যাত্রা করবে। এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে দম্পতি এবং পরিবারের প্রতি আমার আশীর্বাদ এবং শুভকামনা রইল।জনপ্রিয় এই জুটি  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্টের মাধ্যমে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। ভক্তদেরকে সম্মান জানিয়ে তারা লিখেছিলেন, কোনো পরিকল্পনা করার আগেই ভক্তদের ভালোবাসায় তারা এক হয়ে গেছেন।এইচএ

    অর্থ-বাণিজ্য

    সব দেখুন
    ফেব্রুয়ারির ২৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২.৭৯ বিলিয়ন ডলার
    দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স প্রবাহে সুবাতাস বইছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৫ দিনেই রেকর্ড পরিমাণ ২৭৯ কোটি ২০ লাখ (২.৭৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, মাসজুড়ে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ১৭ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের এই  তথ্য নিশ্চিত করেছেন।বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মূলত হুন্ডির পরিবর্তে বৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারের নানা সুযোগ-সুবিধা এবং ব্যাংকগুলোর আকর্ষণীয় অফার প্রবাসীদের উৎসাহিত করছে।পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের জুলাই থেকে চলতি ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ২২২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। বছর ব্যবধানে এই প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ২১ দশমিক ৮০ শতাংশ।এর আগে গত জানুয়ারি মাসেও রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে এক বড় মাইলফলক স্পর্শ করেছিল বাংলাদেশ। জানুয়ারি মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো এক একক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড। এফএস
    বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদান করলেন নতুন গভর্নর
    বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদান করলেন নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। এ সময় এসময় নতুন গভর্নরকে অভ্যর্থনা জানাতে ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার ও হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গভর্নর ভবনের মূল ফটকে আসেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানের আগে গভর্নর অর্থ মন্ত্রনালয়ে যান, সেখানে কার্যক্রম শেষ করে তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আসেন। প্রজ্ঞাপনের পরদিনই প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রবেশ করেন তিনি।এর আগে, গতকাল বিকেলে আগের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সাথে চুক্তি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার৷ একই সাথে নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানকে চার বছরের চুক্তি করে প্রজ্ঞাপন দেয় সরকার।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১০৭২ (প্রেসিডেন্স অর্ডার নম্বর ১২৭ অব ১৯৭২) এর ১০ (৫) অনুযায়ী মো. মোস্তাকুর রহমান এফসিএমএকে অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে তার যোগদানের তারিখ থেকে চার বছরের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো। নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান হেরা সোয়েটার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন। তবে কর্পোরেট অর্থায়ন, শিল্প ব্যবস্থাপনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন বিষয়ে তার বিশেষ দক্ষতা রয়েছে বলে জানা গেছে।তিনি বিজিএমইএ-র বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ছিলেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের বোর্ড সদস্য ছিলেন। এছাড়া তিনি ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই), রিহ্যাব, এবং আটাব-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পেশাজীবী ও ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্য।মোস্তাকুর রহমান ইনস্টিটিউট অফ কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)-এর একজন ফেলো মেম্বার।এইচএ
    দেশের বাজারে আরও এক দফা বেড়েছে স্বর্ণের দাম
    দেশের বাজারে আরও এক দফা বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এবার ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। সে হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে গুনতে হবে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা।গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে দুই লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ এক লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা।বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই নতুন দাম দেশের সব জুয়েলারি দোকানে কার্যকর থাকবে। তবে বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত পাঁচ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) ও বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ছয় শতাংশ মজুরি যোগ হবে।গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির পরিমাণে পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।এইচএ
    ১৬৫ কোটির অস্বাভাবিক লেনদেন, ৩ কর্মকর্তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা
    সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের (এসবিএসি) তিন কর্মকর্তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বেনামে ২৩৪টি এফডিআর হিসাব খুলে ১৬৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।অভিযুক্তরা হলেন বিজয়নগর শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মো. ইসলামুল হক (বর্তমানে মিরপুর শাখা), সাবেক এফভিপি খন্দকার নূরে ইমাম ও সাবেক ট্রেইনি সহকারী অফিসার জান্নাতুল মাওয়া সুইটি।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।দুদকের আবেদনে বলা হয়, তিনজনের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন।তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা যাতে দেশত্যাগ করতে না পারেন, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ইমিগ্রেশন বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।এবি 
    দেশের রিজার্ভে বড় সুখবর, ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
    দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে এখন ৩৫ হাজার ৩১ দশমিক ৪৫ মিলিয়ন বা ৩৫ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ২৮৯ দশমিক ৪২ মিলিয়ন বা ৩০ দশমিক ২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৪ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিত রিজার্ভ ছিল ৩০ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার। নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুর গত ১৯ জানুয়ারি বলেছিলেন, ‘চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। এমনকি এই লক্ষ্যমাত্রা আমরা অতিক্রম করে যাব। আর এটি সম্ভব হবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে নেয়া ঋণের কিস্তির অর্থ ছাড়াই।’জানা গেছে, দেশের ইতিহাসে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে ২০২১ সালের আগস্টে। তখন আন্তব্যাংক কেনাবেচায় প্রতি মার্কিন ডলারের দর ছিল ৮৪ টাকা ২০ পয়সা। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় রিজার্ভ কমে হয় ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলার। আইএমএফের হিসাবপদ্ধতি অনুযায়ী তখন রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। এরপর প্রতি ডলার ৩৬ টাকা বেড়ে ১২০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। আমদানিতে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব দিয়ে ডলারের দাম বাজারের ওপর ছেড়ে দেয়ার পাশাপাশি প্রবাসী আয় বাড়ানোর পদক্ষেপ নেয়। এ ছাড়া ধীরে ধীরে আমদানি বিধিনিষেধ উঠিয়ে দেয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য উদারীকরণের নীতি নেয়। ফলে বাড়তে থাকে প্রবাসী আয়। এর ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিনিয়ত ডলার কিনতে থাকে। এতে রিজার্ভ বেড়েছে।চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৩ দিনে দেশে ২৫৬ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে, যা গত বছরের একই বছরের সময়ের তুলনায় ২৩ শতাংশ বেশি। জাতীয় নির্বাচন ও রোজা উপলক্ষে দুই মাস ধরে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স আসা বেড়েছে। জানুয়ারি মাসে প্রবাসী আয় এসেছে ৩১৭ কোটি ডলার। তার আগের মাস ডিসেম্বরে এসেছিল ৩২২ কোটি ডলার। এদিকে প্রবাসী আয় বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কিনে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।জানা যায় চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যাংকগুলো থেকে কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর চলতি মাসে এখন পর্যন্ত কিনেছে ১৫৩ কোটি ডলার। এর ফলে রিজার্ভ নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।এফএস
    এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ৪ পরিচালককে বদলি
    বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা ব্যবস্থায় হঠাৎ বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। গভর্নর পরিবর্তনের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির চারজন পরিচালক এবং একজন অতিরিক্ত পরিচালককে নতুন দায়িত্বে বদলি করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জারি করা ব্যাংকের এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন এ অফিস আদেশ অনুযায়ী, পরিচালক মো. জয়নুল ইসলাম হিউম্যান রিসোর্সেস ডিপার্টমেন্ট-১ থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বিভাগে বদলি হয়ে নতুন দায়িত্ব পালন করবেন। তার বদলে পরিচালক মো. শহিদ রেজা আর্থিক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বিভাগ থেকে বদলি হয়ে হিউম্যান রিসোর্সেস ডিপার্টমেন্ট-১-এ যোগ দেবেন। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে উভয় বিভাগের অভিজ্ঞতা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা সমন্বিতভাবে ব্যবহার করা হবে বলে জানা গেছে।তৃতীয় বদলি হিসেবে পরিচালক মো. বায়েজিদ সরকার ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে বদলি হয়ে মতিঝিল অফিসে ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক (কারেন্সি হিসেবে) দায়িত্ব পালন করবেন। এ পদে তিনি ব্যাংকের অর্থ এবং নীতি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ড তদারকি করবেন।এছাড়াও, পরিচালক গাজী মো. মাহবুবুল ইসলাম মতিঝিল অফিস থেকে বদলি হয়ে ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১-এ যোগ দেবেন, যেখানে তিনি নীতি নির্ধারণ এবং নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে সহায়তা করবেন।অতিরিক্ত পরিচালক হিসেবে মো. কামরুল ইসলাম গভর্নর অফিস থেকে বদলি হয়ে সদরঘাট অফিসে দায়িত্ব পালন করবেন। তার বদলির মাধ্যমে সদরঘাট অফিসের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত ও দক্ষভাবে পরিচালনা করা হবে।এই বদলিগুলি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে অফিস আদেশে। এফএস
    দেশে সোনার দাম আরও বাড়ল, ভরি ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা
    দেশের বাজারে সোনার দাম আরও বেড়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা।    শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।আজ বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয় ২ হাজার ২১৬ টাকা। তার আগে ২১ ফেব্রুয়ারি বাড়ানো হয় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা। এতে তিন দফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বাড়ানো হলো ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা।এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৩ হাজার ৫৫৭ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ২ লাখ ১৭ হাজার ১২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৯১৫ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৭৭ হাজার ৭০১ টাকা।এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৪১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনান দাম এক হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় এক লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা। আজ সকাল ১০টা ২৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।এবার সোনার দাম বাড়ানোর পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৮৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা বাড়িয়ে ৬ হাজার ৫৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এমআর-২
    ফেব্রুয়ারির ২৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২.৭৯ বিলিয়ন ডলার
    দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স প্রবাহে সুবাতাস বইছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৫ দিনেই রেকর্ড পরিমাণ ২৭৯ কোটি ২০ লাখ (২.৭৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, মাসজুড়ে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ১৭ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের এই  তথ্য নিশ্চিত করেছেন।বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মূলত হুন্ডির পরিবর্তে বৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারের নানা সুযোগ-সুবিধা এবং ব্যাংকগুলোর আকর্ষণীয় অফার প্রবাসীদের উৎসাহিত করছে।পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের জুলাই থেকে চলতি ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ২২২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। বছর ব্যবধানে এই প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ২১ দশমিক ৮০ শতাংশ।এর আগে গত জানুয়ারি মাসেও রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে এক বড় মাইলফলক স্পর্শ করেছিল বাংলাদেশ। জানুয়ারি মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো এক একক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড। এফএস
    বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদান করলেন নতুন গভর্নর
    বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদান করলেন নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। এ সময় এসময় নতুন গভর্নরকে অভ্যর্থনা জানাতে ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার ও হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গভর্নর ভবনের মূল ফটকে আসেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানের আগে গভর্নর অর্থ মন্ত্রনালয়ে যান, সেখানে কার্যক্রম শেষ করে তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আসেন। প্রজ্ঞাপনের পরদিনই প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রবেশ করেন তিনি।এর আগে, গতকাল বিকেলে আগের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সাথে চুক্তি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার৷ একই সাথে নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানকে চার বছরের চুক্তি করে প্রজ্ঞাপন দেয় সরকার।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১০৭২ (প্রেসিডেন্স অর্ডার নম্বর ১২৭ অব ১৯৭২) এর ১০ (৫) অনুযায়ী মো. মোস্তাকুর রহমান এফসিএমএকে অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে তার যোগদানের তারিখ থেকে চার বছরের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো। নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান হেরা সোয়েটার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন। তবে কর্পোরেট অর্থায়ন, শিল্প ব্যবস্থাপনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন বিষয়ে তার বিশেষ দক্ষতা রয়েছে বলে জানা গেছে।তিনি বিজিএমইএ-র বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ছিলেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের বোর্ড সদস্য ছিলেন। এছাড়া তিনি ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই), রিহ্যাব, এবং আটাব-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পেশাজীবী ও ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্য।মোস্তাকুর রহমান ইনস্টিটিউট অফ কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)-এর একজন ফেলো মেম্বার।এইচএ
    দেশের বাজারে আরও এক দফা বেড়েছে স্বর্ণের দাম
    দেশের বাজারে আরও এক দফা বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এবার ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। সে হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে গুনতে হবে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা।গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে দুই লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ এক লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা।বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই নতুন দাম দেশের সব জুয়েলারি দোকানে কার্যকর থাকবে। তবে বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত পাঁচ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) ও বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ছয় শতাংশ মজুরি যোগ হবে।গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির পরিমাণে পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।এইচএ
    ১৬৫ কোটির অস্বাভাবিক লেনদেন, ৩ কর্মকর্তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা
    সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের (এসবিএসি) তিন কর্মকর্তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বেনামে ২৩৪টি এফডিআর হিসাব খুলে ১৬৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।অভিযুক্তরা হলেন বিজয়নগর শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মো. ইসলামুল হক (বর্তমানে মিরপুর শাখা), সাবেক এফভিপি খন্দকার নূরে ইমাম ও সাবেক ট্রেইনি সহকারী অফিসার জান্নাতুল মাওয়া সুইটি।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।দুদকের আবেদনে বলা হয়, তিনজনের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন।তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা যাতে দেশত্যাগ করতে না পারেন, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ইমিগ্রেশন বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।এবি 
    দেশের রিজার্ভে বড় সুখবর, ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
    দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে এখন ৩৫ হাজার ৩১ দশমিক ৪৫ মিলিয়ন বা ৩৫ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ২৮৯ দশমিক ৪২ মিলিয়ন বা ৩০ দশমিক ২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৪ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিত রিজার্ভ ছিল ৩০ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার। নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুর গত ১৯ জানুয়ারি বলেছিলেন, ‘চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। এমনকি এই লক্ষ্যমাত্রা আমরা অতিক্রম করে যাব। আর এটি সম্ভব হবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে নেয়া ঋণের কিস্তির অর্থ ছাড়াই।’জানা গেছে, দেশের ইতিহাসে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে ২০২১ সালের আগস্টে। তখন আন্তব্যাংক কেনাবেচায় প্রতি মার্কিন ডলারের দর ছিল ৮৪ টাকা ২০ পয়সা। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় রিজার্ভ কমে হয় ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলার। আইএমএফের হিসাবপদ্ধতি অনুযায়ী তখন রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। এরপর প্রতি ডলার ৩৬ টাকা বেড়ে ১২০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। আমদানিতে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব দিয়ে ডলারের দাম বাজারের ওপর ছেড়ে দেয়ার পাশাপাশি প্রবাসী আয় বাড়ানোর পদক্ষেপ নেয়। এ ছাড়া ধীরে ধীরে আমদানি বিধিনিষেধ উঠিয়ে দেয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য উদারীকরণের নীতি নেয়। ফলে বাড়তে থাকে প্রবাসী আয়। এর ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিনিয়ত ডলার কিনতে থাকে। এতে রিজার্ভ বেড়েছে।চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৩ দিনে দেশে ২৫৬ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে, যা গত বছরের একই বছরের সময়ের তুলনায় ২৩ শতাংশ বেশি। জাতীয় নির্বাচন ও রোজা উপলক্ষে দুই মাস ধরে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স আসা বেড়েছে। জানুয়ারি মাসে প্রবাসী আয় এসেছে ৩১৭ কোটি ডলার। তার আগের মাস ডিসেম্বরে এসেছিল ৩২২ কোটি ডলার। এদিকে প্রবাসী আয় বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কিনে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।জানা যায় চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যাংকগুলো থেকে কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর চলতি মাসে এখন পর্যন্ত কিনেছে ১৫৩ কোটি ডলার। এর ফলে রিজার্ভ নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।এফএস

    শিক্ষাঙ্গন

    সব দেখুন
    নরসিংদী ও ঈশ্বরদীতে কিশোরী হত্যার প্রতিবাদে বাকৃবিতে ছাত্র ফ্রন্টের বিক্ষোভ
    নরসিংদী ও পাবনার ঈশ্বরদীতে পৃথক ঘটনায় দুই কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শাখা। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল জব্বার মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে দেবদারু সড়ক ও ছাত্রী হল সংলগ্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে। মিছিলটি কে আর মার্কেটে গিয়ে শেষ হয় এবং সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট বাকৃবি শাখার সভাপতি সঞ্জয় রায়ের সভাপতিত্বে এবং সহ-সম্পাদক জাবের ইসলামের সঞ্চালনায় সমাবেশে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।সমাবেশে বক্তারা বলেন, "নরসিংদীতে এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর তার বাবার সামনে থেকে অপহরণ করে পুনরায় ধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনার বিচার চাইতে গেলে স্থানীয় প্রভাবশালীরা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করছেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে এলাকা ছাড়ার চাপ দিচ্ছেন। ক্ষমতা ও রাজনৈতিক প্রভাব অনেক ক্ষেত্রে অপরাধীদের রক্ষাকবচ হয়ে দাঁড়িয়েছে।"বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, ঈশ্বরদীতে আরেক কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার পাশাপাশি তার বৃদ্ধ দাদিকেও নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই দুই ঘটনা প্রমাণ করে যে, দেশে ধর্ষণ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি দীর্ঘদিনের বিচারহীনতার সংস্কৃতির ফল। আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং প্রভাবশালীদের আশ্রয়ে অপরাধীদের পার পেয়ে যাওয়ার প্রবণতাই এমন বর্বরতার পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে।সভাপতির বক্তব্যে সঞ্জয় রায় বলেন, "সরকার পরিবর্তন হলেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মৌলিক কোনো উন্নতি হয়নি। মূল্যবোধের অবক্ষয়, সামাজিক নিরাপত্তার ঘাটতি এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিষ্ক্রিয়তা নারীদের চরম অনিরাপত্তার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণপরিবহন কিংবা গ্রাম-শহর কোথাও নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়।"তিনি আরও বলেন, "ধর্ষণ বিচারহীনতা ও সামাজিক অবক্ষয়ের এক নির্মম বহিঃপ্রকাশ। আমরা অবিলম্বে এসব হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানাচ্ছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে আরও কঠোর আন্দোলনের গড়ে তোলা হবে।"এনআই
    অফিস টাইমের বাইরে ফোন করায় শিক্ষার্থীকে সিট বাতিলের হুমকি
    “অফিস টাইম ছাড়া আমাকে ফোন করা যাবে না।” অসুস্থ শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেওয়ার পর হল প্রভোস্টের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি এ কথা বলেন, বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। ঘটনাটি ঘটেছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় এর দোলনচাঁপা হলে।বিশ্ববিদ্যালয়ের দোলনচাঁপা হলের ৪০৬ নম্বর কক্ষে সিনিয়র রুমমেটের বিরুদ্ধে জুনিয়র শিক্ষার্থীকে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগ এবং আইন ও বিচার বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে এক হাজার টাকা চুরির অভিযোগ তোলেন ওই সিনিয়র রুমমেট। বিষয়টি নিয়ে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে কক্ষে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় সিএসই বিভাগের এক শিক্ষার্থী শ্বাসকষ্টে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে সহপাঠীরা তাঁকে দ্রুত ত্রিশাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা অক্সিজেন দেওয়ার পর তাঁর জ্ঞান ফেরে।শিক্ষার্থীরা বলেন, ঘটনার সময় হল প্রভোস্ট উম্মে ফারহানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ‘অফিস টাইমের বাইরে ও শুক্র-শনিবার’ ফোন না দিতে বলেন। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তাঁদের দাবি, আবাসিক হলে জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক সহায়তা পাওয়া উচিত ছিল।পরে এ বিষয়ে জানতে চাইলে হল প্রভোস্ট, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক উম্মে ফারহানা সাংবাদিকের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমি অনেক কিছু জানি, যা আপনাদের বলব না। আপনাদের সাংবাদিকগিরি একধরনের ফাতরামি করা ছাড়া কিছুই না। যে শিক্ষার্থী সাংবাদিকের কাছে অভিযোগ করেছে, তাকে আমি খুঁজে বের করব এবং প্রয়োজন হলে তার সিট বাতিল করব।”তিনি আরও বলেন, “হলের হাউস টিউটরদের মাধ্যমে বিষয়গুলো জানানো উচিত ছিল। হাউস টিউটররা আমাকে না জানালে আমি কোনো উড়ো ফোন কলের ভিত্তিতে ত্রিশালে যেতে পারি না। শুক্রবার আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকি না। সরাসরি আমাকে ফোন না করে আগে হাউস টিউটরদের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত ছিল।”উল্লেখ্য নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০৬ অনুযায়ী শিক্ষক-কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে গণ্য। ফলে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া প্রশাসনের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।ঘটনাটি নিয়ে ক্যাম্পাসে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, আবাসিক হলে পারস্পরিক সহাবস্থান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন।এসআর
    নরসিংদীর ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
    নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত ধর্ষণ ও নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনার প্রতিবাদ এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা।শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রধান ফটকে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।বিক্ষোভ চলাকালে ধর্ষণের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা। পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাহাত আব্দুল্লাহ বলেন, ধর্ষণের ঘটনার বিচার নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীদের বারবার রাজপথে নামতে হচ্ছে, যা জাতির জন্য লজ্জাজনক। অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।আরেক শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা বাঁধন স্পর্শ নরসিংদীর ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, ধর্ষণ ও নারী হত্যার মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি অব্যাহত থাকলে শিক্ষার্থীরা কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকারিয়া হোসাইন বলেন, ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধের বিচার নিশ্চিতে রাষ্ট্রকে আরও কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। অপরাধীদের রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় বিবেচনা না করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।সমাবেশে বক্তারা গণমাধ্যমের প্রতিও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান এবং নারী নির্যাতনের ঘটনাগুলো গুরুত্বসহকারে তুলে ধরার দাবি করেন।ইখা
    শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ করতে জবিতে বাস ট্র্যাকার অ্যাপ ‘জবি এক্সপ্রেস’ চালু
    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিবহন ভোগান্তি কমাতে ও যাতায়াত সহজ করতে বাস ট্র্যাকার অ্যাপ ‘জবি এক্সপ্রেস’ চালু করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)।বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাশ ভবনের দ্বিতীয় তলায় জকসু কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাপটির উদ্বোধন করা হয়।জকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) রিয়াজুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অ্যাপটির উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে বাসের অবস্থান ও সময়সূচি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিলেন। বিশেষ করে ছাত্রীদের ভোরে বাসের জন্য রাস্তায় দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হতো, যা নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি ও ছিনতাইয়ের মতো ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াত। এসব সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সহযোগিতায় জকসুর উদ্যোগে ‘জবি এক্সপ্রেস’ অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে।”উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গুগল ম্যাপের অনুমোদন প্রক্রিয়ার কারণে অ্যাপটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করতে কিছুটা সময় লেগেছে। প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়ার পর এটি এখন প্লে-স্টোরে প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এখন থেকেই এটি ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন। এ ছাড়া ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে ‘জবি এক্সপ্রেস’ নামে একটি ওয়েবসাইটও চালু করা হয়েছে, যেখান থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করা যাবে।অ্যাপটির কার্যকারিতা সম্পর্কে রিয়াজুল ইসলাম জানান, বাস চলাচলের সময় চালক বা সহকারী অ্যাপটি চালু করে লোকেশন অন রাখবেন। এতে শিক্ষার্থীরা রিয়েল-টাইমে বাসের অবস্থান দেখতে পাবেন। বাস পার্কিংয়ে থাকলে বা সার্ভিসে না থাকলে লোকেশন বন্ধ থাকবে। ইতোমধ্যে বাসচালক ও সহকারীদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।অ্যাপটির উদ্বোধনকালে জকসুর এজিএস মাসুদ রানা, সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাঈম ও কার্যনির্বাহী সদস্য মেহেদী হাসানসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।এনআই

    তথ্য-প্রযুক্তি

    সব দেখুন
    ছবি-ভিডিও এআই দিয়ে তৈরি কি না, জানবেন যেভাবে
    কনটেন্টের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন একটি সুবিধা চালু করেছে গুগল। কারণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে এখন আসল ছবি বা ভিডিও আর এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট আলাদা করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। গুগলের জেমিনি অ্যাপ ব্যবহার করে এখন সহজেই জানা যাবে কোনো ছবি বা ভিডিও গুগলের এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত কি না। এই সুবিধাটি সম্ভব হয়েছে গুগলের বিশেষ ওয়াটারমার্কিং প্রযুক্তি সিনথআইডির মাধ্যমে, যা এআই-তৈরি কনটেন্টের ভেতরে অদৃশ্য ডিজিটাল চিহ্ন সংযুক্ত করে।কীভাবে যাচাই করবেন এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট, ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াটি তুলে ধরা হলো— জেমিনি অ্যাপে প্রবেশ: প্রথমে জেমিনি অ্যাপটি চালু করুন। এই যাচাই সুবিধা বর্তমানে সমর্থিত সব ভাষা ও দেশে চালু রয়েছে। সঠিক ফল পেতে অ্যাপটির সর্বশেষ সংস্করণ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে গুগল। কনটেন্ট আপলোড: যে ছবি বা ভিডিও যাচাই করতে চান, সেটি সরাসরি জেমিনি অ্যাপে আপলোড করুন। ভিডিওর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ এমবি সাইজ এবং ৯০ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ফাইল আপলোড করা যাবে। ফাইল যুক্ত করার প্রক্রিয়াটি সাধারণ মেসেজিং অ্যাপের মতোই সহজ।ফাইল আপলোডের পর জেমিনিকে সরাসরি প্রশ্ন করুন—‘এটি কি গুগল যাচাই দিয়ে তৈরি?’ অথবা ‘এই কনটেন্টটি কি যাচাই -জেনারেটেড?’ স্বাভাবিক ও কথোপকথনের ভঙ্গিতেই প্রশ্ন করা যাবে, কারণ জেমিনি বিভিন্নভাবে করা প্রশ্ন বুঝতে সক্ষম।এরপর জেমিনি আপলোড করা কনটেন্টে সিনথআইডি ওয়াটারমার্ক আছে কি না তা স্ক্যান করে জানাবে। ভিডিওর ক্ষেত্রে অডিও ও ভিজ্যুয়াল উভয় অংশেই এই শনাক্তকরণ করা হয়। প্রয়োজনে জেমিনি নির্দিষ্ট করে জানাবে ভিডিওর কোন অংশে এআই-তৈরি উপাদান রয়েছে।কীভাবে কাজ করে সিনথআইডি:সিনথআইডি প্রযুক্তি এআই দিয়ে কনটেন্ট তৈরির সময়ই তাতে অদৃশ্য ডিজিটাল ওয়াটারমার্ক যুক্ত করে। এটি মানুষের চোখে ধরা পড়ে না, তবে বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করা যায়। এই ওয়াটারমার্ক এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে ক্রপ করা, ফিল্টার দেওয়া, কমপ্রেশন বা ফ্রেমরেট পরিবর্তনের পরও তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়।কনটেন্টের স্বচ্ছতা বাড়ানোর উদ্যোগ: ২০২৩ সালে চালুর পর থেকে গুগল ইতোমধ্যে ২০ বিলিয়নের বেশি এআই-তৈরি কনটেন্টে সিনথআইডি ওয়াটারমার্ক যুক্ত করেছে।এইচএ
    বিশ্বজুড়ে বিভ্রাট ইউটিউব এখন স্বাভাবিক, জানা গেল কারণ
    হঠাৎ করেই বিশ্বব্যাপী ব্যাপক বিভ্রাটের কবলে পড়েছিল জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। মঙ্গলবার গভীর রাতে কয়েক লাখ ব্যবহারকারী সাইটটিতে প্রবেশ করতে বা ভিডিও দেখতে গিয়ে চরম বিড়ম্বনায় পড়েন। তবে ভোর রাতে আবারও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে বলে জানা গেছে। ইউটিউব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্যাটি এখন সম্পূর্ণ সমাধান করা হয়েছে এবং সব পরিষেবা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।ইন্টারনেট বিভ্রাট পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ডাউনডিটেক্টর-এর তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) রাত ১টার দিকে সমস্যার পরিমাণ চরমে পৌঁছায়। সে সময় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৩ লাখেরও বেশি ব্যবহারকারী ইউটিউবে ঢুকতে না পারার অভিযোগ জানান। বিভ্রাট চলাকালীন অনেক ব্যবহারকারী সাইটটির হোমপেজে গেলে তাদের ‘পরে আবার ফিরে আসার’ বার্তা দেখানো হচ্ছিল।ইউটিউব জানিয়েছে, মূলত তাদের ‘সুপারিশ ব্যবস্থা’ বা রিকমেন্ডেশন সিস্টেমে ত্রুটির কারণেই এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। এর ফলে ইউটিউব অ্যাপ, ইউটিউব মিউজিক, কিডস এবং টিভি—সবগুলো প্ল্যাটফর্মেই ভিডিও প্রদর্শনে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছিল।বিভ্রাট কাটিয়ে ওঠার পর এক বিবৃতিতে ইউটিউব জানায়, ‘আমাদের সুপারিশ ব্যবস্থার সমস্যাটি সমাধান করা হয়েছে। ইউটিউব ডটকমসহ আমাদের সব প্ল্যাটফর্ম ও অ্যাপ এখন স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।’ বার্তা সংস্থা এএফপির সাংবাদিকেরা জিএমটি ভোর ৪টার দিকে সাইটটি ব্যবহার করে দেখেছেন যে এটি পুনরায় সক্রিয় হয়েছে।গুগলের মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। প্রতি মাসে প্রায় ২৫০ কোটিরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী ইউটিউব ব্যবহার করেন। এত বিশাল সংখ্যক ব্যবহারকারীর জীবনে ইউটিউব একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার ফলে কয়েক ঘণ্টার এই বিভ্রাট বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করে।এইচএ
    নিজের ফোনেই পাবেন ভোটের ফলাফল
    বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ বা স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ভোটের ফলাফল দ্রুত এবং সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ইলেকশন কমিশন (ইসি) সম্প্রতি স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি নামের একটি অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপটি ব্যবহার করে ভোটাররা রিয়েল টাইমে ফলাফল দেখতে পারবেন এবং নির্বাচনি তথ্য সহজে জানতে পারবেন।জেনে নিন কীভাবে ঘরে বসেই এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটের ফলাফল জানতে পারবেন-অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন: অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মে উভয়েই পাওয়া যাবে। গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে ‘Smart Election Management BD’ লিখে সার্চ করে ডাউনলোড করা যাবে। ডাউনলোডের পর ফোনে ইনস্টল করে অ্যাপটি ওপেন করতে হবে।অ্যাকাউন্ট বা লগইন প্রক্রিয়া: সাধারণত ভোটের ফলাফল দেখার জন্য লগইন করতে হয় না। তবে ব্যক্তিগত ভোটার তথ্য বা ইভিএম সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পেতে অ্যাপটি আপনাকে ভোটার আইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে লগইন করতে বলবে। লগইন করলে ভোটের নথি, ভোটার স্ট্যাটাস এবং নির্বাচনী কেন্দ্র সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাবে।ভোটের ফলাফল দেখার ধাপক. নির্বাচন ও কেন্দ্র নির্বাচন: অ্যাপের হোম স্ক্রিনে ‘ইলেকশন রেজাল্টস’ বা ‘ভোটিং রেজাল্টস’ অপশনটি থাকবে। এখানে নির্বাচনের ধরন নির্বাচন করতে হবে (জাতীয় সংসদ, উপজেলা, পৌরসভা, বা ইউনিয়ন নির্বাচন)। এরপর জেলা ও উপজেলা/ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে।খ. কেস্টিং এবং ফলাফল: নির্বাচনি কেন্দ্র অনুযায়ী ভোটের লাইভ আপডেট দেখার সুযোগ থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট গণনার পর ফলাফল সরাসরি অ্যাপে আপলোড হবে। ভোটের ভোটের সংখ্যা, প্রার্থী বা দল অনুযায়ী ভাগফল এবং ভোটের শতাংশ দেখা যাবে।গ. গ্রাফ এবং চার্টের মাধ্যমে উপস্থাপনা: অ্যাপটি ফলাফলকে গ্রাফ বা চার্টে দেখায়, যাতে কোন প্রার্থী বা দলের অবস্থান সহজে বোঝা যায়। লাইভ আপডেটের ফলে ভোটের ধাপ ধাপে অগ্রগতি দেখা যাবে।এইচএ
    ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের নিবন্ধন বাতিল করবেন যেভাবে
    নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন করতে হলে কিংবা অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দিতে হলে অথবা বিক্রির আগে অবশ্যই মোবাইল ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি)।মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনআইআর)’ সিস্টেমটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হয়েছে। এর আওতায় নেটওয়ার্কে সচল সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়েছে।ফলে এখন থেকে নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন, অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া কিংবা বিক্রির আগে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সঙ্গে যুক্ত হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিল বা অবমুক্ত করতে হবে।এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সিম কেনার সময় ব্যবহৃত এনআইডি বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে। নিবন্ধিত ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এখন থেকে অনুসরণ করতে হবে। নিবন্ধিত মুঠোফোন ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করার উপায়সিটিজেন পোর্টাল (neir.btrc.gov.bd)এনইআইআর পোর্টালে লগ ইন করে ড্যাশবোর্ডে যেতে হবে। তালিকা থেকে ডিভাইস নির্বাচন করতে হবে। ‘ডি-রেজিস্টার’ এ ক্লিক করুন এবং প্রয়োজনীয় বিবরণ দিয়ে ডি-রেজিস্টার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে।ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#)মোবাইলের কল অপশনে যেয়ে ডায়াল করুন *১৬১৬১#। এরপর ডি রেজিষ্ট্রেশন অপশনে ক্লিক করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।তবে ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে গ্রাহক তার ফোনে যে সিমটি ব্যবহার করছেন তা অবশ্যই নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর যুক্ত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হবে।ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে বিটিআরসি’র ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিটিআরসি’র কল সেন্টার (১০০) অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও সহায়তা নেওয়া যাবে।এমআর-২
    আইফোন বিক্রিতে নতুন রেকর্ড অ্যাপলের
    আইফোন বিক্রিতে নতুন ইতিহাস গড়েছে অ্যাপল। সর্বশেষ প্রান্তিকে আইফোন থেকে আয় হয়েছে ৮৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এটাই আইফোনের ইতিহাসে এক প্রান্তিকে সর্বোচ্চ আয়।২০২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের আয় প্রতিবেদন প্রকাশ করে এ তথ্য জানায় অ্যাপল। সব মিলিয়ে এ সময়ে কোম্পানির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১৪৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১৬ শতাংশ বেশি।অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বলেন, আইফোনের চাহিদা ছিল “অবিশ্বাস্যরকম বেশি”। তার ভাষায়, “এটাই আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী আইফোন লাইনআপ।” তিনি আরও বলেন, জনপ্রিয়তার দিক থেকেও এটি আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।তবে সাফল্যের পেছনে বড় বাধাও ছিল। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নতুন সিরি সংস্করণ চালু হতে দেরি হয়েছে। তারপরও বিক্রি কমেনি।আইফোন ১৭ সিরিজ এতে বড় ভূমিকা রেখেছে। বেস মডেলেই দেওয়া হয়েছে আগে শুধু ‘প্রো’ সংস্করণে থাকা কিছু ফিচার। যেমন- অলওয়েজ-অন ডিসপ্লে। এ ছাড়া রয়েছে বেশি রিফ্রেশ রেটের স্ক্রিন।‘আইফোন এয়ার’ মডেলের বিক্রি প্রত্যাশার চেয়ে কম হয়েছে- এমন গুঞ্জনও ছিল। তবে সেটির প্রভাব মোট বিক্রিতে তেমন পড়েনি বলে ইঙ্গিত মিলেছে।তবে বাড়তি চাহিদার কারণে সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। টিম কুক জানান, আইফোন ১৭–এর উচ্চ চাহিদার কারণে সরবরাহ কিছুটা সীমিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত উন্নত প্রযুক্তির সরবরাহে চাপ রয়েছে।অন্যদিকে অ্যাপলের সেবাভিত্তিক আয়ও বেড়েছে। অ্যাপল মিউজিক, আইক্লাউড, অ্যাপল টিভি প্লাসসহ বিভিন্ন সাবস্ক্রিপশন সেবা থেকে আয় বেড়েছে ১৪ শতাংশ। তবে ম্যাক কম্পিউটার ও ওয়্যারেবল পণ্যের আয় কিছুটা কমেছে।এখন অ্যাপলের বড় লক্ষ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আগামী মাসগুলোতে সিরিতে আনা হবে নতুন এআই সুবিধা। এ কাজে গুগলের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করছে অ্যাপল। গুগলের জেমিনি এআই মডেলের বিশেষ সংস্করণ ব্যবহার করা হবে সিরির উন্নত সংস্করণে।এ ছাড়া একটি এআই স্টার্টআপও কিনছে অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটির নাম কিউ.এআই। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারে এ অধিগ্রহণ হতে যাচ্ছে।এই স্টার্টআপের প্রযুক্তি ভবিষ্যতের ডিভাইসে ব্যবহার হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের পেটেন্টে এমন প্রযুক্তির ইঙ্গিত আছে যা হেডফোন বা চশমায় ব্যবহার করা যাবে। মুখের ত্বকের সূক্ষ্ম নড়াচড়ার মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া সম্ভব হবে—এমন ধারণাও আছে।শুধু তা-ই নয়, ভবিষ্যতে সিরিকে পুরোপুরি এআই চ্যাটবটে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। আইফোন ও ম্যাক ডিভাইসের ভেতরেই থাকবে এই স্মার্ট সহকারী। শোনা যাচ্ছে, সিরির জন্য আলাদা এআইভিত্তিক ওয়েব সার্চ টুলও তৈরি করছে অ্যাপল।এইচএ
    কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
    কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে দক্ষ করতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। চালু করা হয়েছে একাধিক অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স। এর মধ্যে অনেক কোর্সে বিনামূল্যে অংশ নেওয়া যাচ্ছে। প্রযুক্তি খাতের বড় প্রতিষ্ঠানগুলো কোর্স তৈরিতে যুক্ত রয়েছে। অ্যামাজন, গুগল ও মাইক্রোসফট এ উদ্যোগে সহায়তা করেছে। মোট ১৪টি কোর্স শেষ করলে পাওয়া যাবে ভার্চুয়াল ব্যাজ।কোর্সগুলোতে শেখানো হবে এআই টুল ব্যবহারের মৌলিক কৌশল। যেমন- চ্যাটবটকে কীভাবে কার্যকরভাবে প্রশ্ন করতে হয়? প্রশাসনিক কাজের সহকারী হিসেবে এআই ব্যবহার, দ্রুত নোট লেখা, ইমেইল খসড়া তৈরি ও তথ্য গোছানো।সরকারের লক্ষ্য বড় হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এক কোটি কর্মীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা। এ উদ্যোগকে ১৯৭১ সালে ওপেন ইউনিভার্সিটি চালুর পর সবচেয়ে বড় দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি বলা হচ্ছে।যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তিমন্ত্রী লিজ কেন্ডাল বলেছেন, তাদের লক্ষ্য মানুষ যেন কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে আত্মবিশ্বাসী হয়। পরিবর্তন থামানো যাবে না। তবে পরিবর্তনের ফল কী হবে, তা নীতিনির্ধারণেই ঠিক হয়। ঝুঁকি থেকে মানুষকে সুরক্ষা দিয়ে এআইয়ের সুফল সবার কাছে পৌঁছে দিতে চায় সরকার।তবে সমালোচনাও আছে। ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসি রিসার্চ (আইপিপিআর) বলছে, শুধু চ্যাটবট ব্যবহার শেখালেই হবে না। কর্মীদের দরকার বিশ্লেষণী চিন্তা। সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ও নেতৃত্বগুণ। থাকতে হবে এআই নিরাপদভাবে ব্যবহারের আত্মবিশ্বাস।সংস্থাটির গবেষক রোয়া পাওয়েল বলেন, এআই যুগের দক্ষতা ছোট টেকনিক্যাল কোর্সে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষকে বিস্তৃত দক্ষতায় প্রস্তুত করতে হবে।ব্রিটিশ কম্পিউটার সোসাইটি (বিসিএস)–ও উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে তারা বলছে, দায়িত্ব শুধু কর্মীদের নয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ পর্যায়েও প্রযুক্তি বোঝার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বোর্ড পর্যায়ের সিদ্ধান্ত নির্ধারকদেরও এআই সম্পর্কে জ্ঞান থাকা জরুরি।কোর্সগুলোর সময়সীমা ভিন্ন। কিছু কোর্স ২০ মিনিটের। কিছু আবার কয়েক ঘণ্টার। যুক্তরাজ্যের যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক এতে অংশ নিতে পারবেন।এ উদ্যোগে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে বেশ কয়েকটি বড় সংস্থা। এর মধ্যে আছে এনএইচএস, ব্রিটিশ চেম্বার্স অব কমার্স এবং লোকাল গভর্নমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। তারা তাদের কর্মী ও সদস্যদের অংশ নিতে উৎসাহ দেবে।এইচএ

    আইন-আদালত

    সব দেখুন
    সেনাবাহিনীর আরও ৬ উচ্চ পদে রদবদল
    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উচ্চপর্যায়ে আরও ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সেনা সদর থেকে এ–সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে।  প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। এর আগে রোববার সেনাবাহিনীর উচ্চপর্যায়ে আরও ৮টি পদে রদবদল আনা হয়েছিল।ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের (এনডিসি) কমান্ড্যান্ট লে. জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হককে কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) করা হয়েছে। কিউএমজির দায়িত্ব পালন করা আসা লে. জেনারেল ফয়জুর রহমানের স্থলাভিষিক্ত হবেন লে. জেনারেল শাহীন। লে. জেনারেল ফয়জুরকে এনডিসিতে বদলি করা হয়।  এছাড়া সামরিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের (এমআইএসটি) মেজর জেনারেল মো. নাসিম পারভেজের চাকরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। মেজর জেনারেল মোহাম্মদ হোসেন আল মোরশেদকে ১৯ পদাতিক ডিভিশন থেকে সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল (এজি) করা হয়েছে। এছাড়া অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা মেজর জেনারেল মোহাম্মদ হাকিমুজ্জামানকে এমআইএসটির কমান্ড্যান্ট করা হয়। ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কামরুল হাসানকে লজিস্টিক এরিয়ার জিওসি হিসবে বদলি করা হয়।এফএস

    প্রবাস

    সব দেখুন
    বাহরাইনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত
    বাংলাদেশ দূতাবাসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রথমবারের মতো বাহরাইনস্থ জাতিসংঘের কার্যালয় ও আরব ওপেন ইউনিভার্সিটির সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হয়েছে। মঙ্গলবার বাহরাইনের আরব ওপেন ইউনিভার্সিটির অডিটোরিয়ামে এ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, বাহরাইন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, বাংলাদেশ স্কুল ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন King Hamad Global Center for Peaceful Coexistence-এর নির্বাহী পরিচালক মুনীরা নাওফল আল-দোসেরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, আরব ওপেন ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট ড. নাজমা ত্বাকী এবং বাহরাইনে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি খালিদ আল-মিকওয়াদ। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন Bahrain Authority for Culture and Antiquities-এর ডাইরেক্টর জেনারেল মিস ফারাহ মোহাম্মদ মাততারসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও কূটনৈতিক ব্যক্তিত্ব।অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত এবং UNESCO কর্তৃক প্রেরিত ভিডিও বার্তা ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।স্বাগত বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার ভাষা শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে বলেন, মাতৃভাষার অধিকার আদায়ে বাঙালির আত্মত্যাগ বিশ্ব ইতিহাসে অনন্য দৃষ্টান্ত। তিনি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের বৈশ্বিক স্বীকৃতির প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সকল ভাষার সংরক্ষণ ও চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে মাতৃভাষার প্রতি সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের নিজ নিজ মাতৃভাষায় কবিতা আবৃত্তি। চীন, মিশর, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, লেবানন, মালয়েশিয়া, নেপাল, কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতরা তাদের ভাষায় কবিতা আবৃত্তি করে বহুভাষিক সংস্কৃতির এক অনন্য আবহ তৈরি করেন।আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় জুনিয়র ও সিনিয়র গ্রুপের বিজয়ীদের মধ্যে ক্রেস্ট ও সনদ বিতরণ করা হয়। রাষ্ট্রদূত অনুষ্ঠানে আগত কয়েকজন বিদেশি অতিথিকেও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন।শেষ পর্বে রাষ্ট্রদূত অতিথিদের নিয়ে চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। প্রদর্শনীতে বাহরাইনের প্রায় ১১টি স্কুলের ৭২টি চিত্রকর্ম স্থান পায়।ইখা

    লাইফস্টাইল

    সব দেখুন
    ইফতারিতে বানান মজাদার চিকেন ব্রেড টোস্ট
    প্রতিদিন ইফতারে একই খাবার খেলে একঘেয়েমি লাগে। খাবারে স্বাদ আনতে ইফতারে বানিয়ে নিন মজাদার চিকেন ব্রেড টোস্ট। উপকরণ: ব্রেড স্লাইস ৮টি, সেদ্ধ ও কুচি করা মুরগির মাংস ১ কাপ, কাঁচা মরিচ কুচি ২/৩ টি, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, ধনে পাতা ১ চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১/৪ চা চামচ, ব্রেড ক্রাম প্রয়োজন অনুযায়ী, লবণ স্বাদমতো, মেয়নেজ অথবা টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, ডিম ১টি, ভাজার জন্য তেল প্রস্তুত প্রণালি: প্রথমে একটি বাটিতে সেদ্ধ ও কুচি করা মুরগির মাংস, পেঁয়াজ, গোলমরিচ, কাঁচা মরিচ, ধনে পাতা, লবণ, মেয়নেজ অথবা সস একসাথে মিশিয়ে নিন। ব্রেডের এক পাশে সমানভাবে মুরগির মিশ্রণ নিয়ে। ব্রেডের আরেক পাশের স্লাইস দিয়ে ঢেকে হালকা চেপে নিন। অন্য একটি পাত্রে ডিম ফেটে নিন। স্যান্ডউইচটি ডিমে চুবিয়ে ব্রেড ক্রাম দিয়ে কোট করে মাঝারি আঁচে ভাজুন। সোনালি হয়ে এলে গরম গরম পরিবেশন করুন।এইচএ

    Loading…