ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৯ ইসরায়েলি নিহত
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের বেইত শেমেশ শহরে অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত অনন্ত ২৭ জন।এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।ইসরায়েলি জরুরি সেবা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আলজাজিরা জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ৯ জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।এদিকে, ইরানের হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে অন্তত ৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি। এছাড়াও আহত হয়েছেন আরও ৫৮ জন।ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে অংশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর ৩ জন সদস্য নিহত এবং আরও ৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইরানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ দেশটির বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা নিহত হন।জবাবে ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা করে ইরান।এফএস
ইরানের নতুন নেতৃত্ব আমার সঙ্গে আলোচনা করতে চায় : ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ইরানের নতুন নেতৃত্ব তার প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করতে চায় এবং তিনি তা করতে পরিকল্পনা করেছেন।দ্য আটলান্টিক ম্যাগাজিনের উদ্ধৃতি অনুযায়ী তিনি বলেন, ‘তারা কথা বলতে চায় এবং আমি কথা বলতে সম্মত হয়েছি, তাই আমি তাদের সঙ্গে কথা বলব।’ট্রাম্প আরো বলেন, ‘তাদের আরো আগেই এটি করা উচিত ছিল। যা করা খুবই বাস্তবসম্মত ও সহজ ছিল, তা তাদের আরো আগেই দেওয়া উচিত ছিল। তারা অনেক দেরি করেছে।’আলোচনা কবে অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেননি।এফএস
জাতীয়
সব দেখুন
দাম বাড়ল ওয়াসার এটিএম বুথের পানির
রাজধানীতে ঢাকা ওয়াসার এটিএম বুথের মাধ্যমে সরবরাহ করা পানির দাম বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে ওয়াসার এটিএম বুথ থেকে সরবরাহ করা প্রতি লিটার পানির দাম পড়বে ১ টাকা (ভ্যাট ও ট্যাক্সসহ)।রোববার (১ মার্চ) ঢাকা ওয়াসার সচিব এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের সই করা এক অফিস আদেশে দাম বাড়ানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে।এতে বলা হয়, গত ২৮ জানুয়ারি ঢাকা ওয়াসার কর্মসম্পাদন সহায়তা কমিটির ১৪তম সভায় বুথগুলোর অপারেশন ও মেইনটেনেন্স (পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ) খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় ওয়াটার এটিএম বুথের প্রতি লিটার পানির মূল্য ৮০ পয়সা (ভ্যাট+ট্যাক্সসহ) থেকে ১ টাকা (ভ্যাট+ট্যাক্সসহ) বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যা ১ মার্চ, ২০২৬ তারিখ থেকে কার্যকর হবে।এর আগে সবশেষ ২০২৩ সালে ঢাকা ওয়াসার এটিএম বুথের পানির দাম বাড়ানো হয়েছিল। ওই বছরের ১ আগস্ট প্রতি লিটার পানির দাম ৪০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।এফএস
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিএনপি সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র ১৩ দিনেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।রবিবার (১ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোন অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। সম্প্রতি নরসিংদীতে ঘটে যাওয়া নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া ঢাকার ঘটনায় সব অপরাধীকেই আইনের আওতায় আনা হয়েছে।তিনি বলেন, চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীর বাসায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মার সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে।টুরিস্ট ভিসার বিষয়ক অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে তারা এই ভিসা চালু করবে।তিনি বলেন, লাইসেন্সকৃত যেসব অস্ত্র এখনও জমা হয়নি সে ব্যাপারে একটি আইনি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় কোন লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল কিনা তা নিশ্চিতে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।এমআর-২
দেশের ৫ জেলার ডিসি প্রত্যাহার
দেশে একযোগে ৫ জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) প্রত্যাহার করা হয়েছে।রবিবার (০১ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাগণকে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদ থেকে প্রত্যাহারপূর্বক পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হলো।তারা হলেন- গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলম হোসেন, পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান, কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. ইকবাল হোসেন, নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদ।তাদের পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে জানিয়ে জনস্বার্থে জারীকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।এমআর-২
ঢাকা-রিয়াদগামী ফ্লাইট চালু কাল
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ঢাকা-রিয়াদগামী ফ্লাইট আগামীকাল ফের চালু হচ্ছে। যুদ্ধের কারণে গত শনিবার রাতে স্থগিত করা হয়। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।ফ্লাইটটি আগামীকাল সোমবার (২ মার্চ) দুপুর ১টায় ঢাকা থেকে রিয়াদের উদ্দেশে যাত্রা করবে। গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টা ১৫ মিনিটে ফ্লাইটটি যাত্রা করার কথা থাকলেও প্রযুক্তিগত ও অপারেশনাল জটিলতার কারণে তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল।বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, স্থগিত ফ্লাইটের যাত্রীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আগামীকালের ফ্লাইটে স্থান দেওয়া হয়েছে।সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের যাত্রা শুরুর কমপক্ষে চার ঘণ্টা আগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।এমআর-২
জাতীয় চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে রূপান্তর করতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু
রাজধানীর মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি।রোববার (০১ মার্চ) দুপুর একটার দিকে তিনি রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা আকস্মিক পরিদর্শন করেন। প্রায় দুই ঘণ্টার বেশি সময় অবস্থানকালে তিনি বিভিন্ন প্রাণীর খাঁচা, প্রাণী চিকিৎসা কেন্দ্র ও ওষুধ সংরক্ষণাগার ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রাণীদের খাবার, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক পরিচর্যা বিষয়ে খোঁজখবর নেন।পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি চিড়িয়াখানা পরিদর্শনে এসেছেন। জাতীয় চিড়িয়াখানাকে কীভাবে আন্তর্জাতিক মানের করা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ঢাকা শহরে বিনোদনের তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। মানুষ ছুটি পেলেই কক্সবাজারসহ দেশ-বিদেশে চলে যান। তাই চিড়িয়াখানায় কোনো ত্রুটি বা অব্যবস্থাপনা রয়েছে কি না, তা দেখতেই আমরা আকস্মিক পরিদর্শনে এসেছি।পরিদর্শনকালে বেদখল হওয়া চিড়িয়াখানার ৭ একর জায়গা দ্রুত পুনরুদ্ধারে উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও নথিপত্র দ্রুত মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।পরবর্তীতে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে চিড়িয়াখানার পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমানের সভাপতিত্বে জু রিসার্চ, এডুকেশন অ্যান্ড সার্ভে শাখায় এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় চিড়িয়াখানার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরেন পরিচালক ড. মোহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার। এসময় চিড়িয়াখানাটি আন্তর্জাতিক মানে রূপান্তরের সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি উপস্থাপন করা হয়।প্রতিমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে উপস্থাপনা শোনেন এবং আগামী সাত দিনের মধ্যে একটি সুসংগঠিত প্রকল্প প্রোফাইল ও কর্মপরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, আমরা চাই এই চিড়িয়াখানাকে আরও সংগঠিতভাবে পরিচালনা করতে। এটি একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্প। সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে পারলে এটি লাভজনক ও দর্শনার্থীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।তিনি আরও বলেন, আমরা রাষ্ট্রের ক্ষমতাবান ব্যক্তি হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চাই না; রাষ্ট্রের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে চাই। মানুষ আমাদের যে প্রত্যাশা নিয়ে নির্বাচিত করেছে, সেই আস্থা রক্ষা করাই আমাদের লক্ষ্য। শুধু আনুষ্ঠানিকতা পালন করে চলে যাওয়ার জন্য আমরা এখানে আসিনি। এ সময় চিড়িয়াখানায় লেকে নৌকা চালু করা এবং নতুন রাইড সংযোজনের পরামর্শও দেন প্রতিমন্ত্রী, যাতে দর্শনার্থীরা পরিবার নিয়ে নির্বিঘ্নে ও সুন্দর পরিবেশে সময় কাটাতে পারেন।পরিদর্শনকালে কিউরেটর ডা. মো. আতিকুর রহমান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. কামরুজ্জামান, ফখরুদ্দিন আহামেদ, মুহাম্মদ শাহাদাত খন্দকার, ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. ওয়ালিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।এমআর-২
৯৭৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বড় ধরনের অনিয়ম, তালিকা দিল অধিদপ্তর
সারা দেশের ৯৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র উঠে এসেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) এসব প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ পরিদর্শন ও নিরীক্ষা প্রতিবেদনের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেছে।আজ রবিবার (১ মার্চ) অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর এম এম সহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।প্রকাশিত ওই তালিকায় ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিদর্শন ও নিরীক্ষা করা প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য স্থান পেয়েছে। প্রতিবেদনে জাল বা ভুয়া সনদ, অগ্রহণযোগ্য সনদ, অবৈধ নিয়োগ, অর্থ আত্মসাৎ এবং ভ্যাট-আইটিসহ বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে।এসব অনিয়মের কারণে প্রায় ৯০ কোটি (৮৯ কোটি ৮২ লাখ ২৫ হাজার ৬০৭) টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরতের সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি বেহাত হওয়া ১৭৬ দশমিক ৫২৩ একর জমি উদ্ধারেরও তাগিদ দেওয়া হয়েছে।৯৭৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বড় ধরনের অনিয়ম, তালিকা দিল অধিদপ্তরমধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি / বাংলাদেশিদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানডিআইএ জানিয়েছে, ৯৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এই তদন্ত প্রতিবেদনের পূর্ণাঙ্গ তালিকা অধিদপ্তরের নিজস্ব ওয়েবসাইটের (www.dia.gov.bd) নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হয়েছে।তালিকাটি দেখতে এখানে ক্লিক করুনএইচএ
খামেনি হত্যাসহ ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরাইলি হামলার নিন্দা-প্রতিবাদ বাংলাদেশ লেবার পার্টির
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল কর্তৃক ইরানের উপর পরিচালিত সামরিক আগ্রাসন এবং দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ লেবার পার্টি।রবিবার (১ মার্চ ) এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইরান ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে টার্গেট করে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করা নিছক সামরিক অভিযান নয়-এটি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস এবং বৈশ্বিক নৈরাজ্যের সুস্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ।’তারা বলেন, ‘শক্তির দম্ভে পরিচালিত এই আগ্রাসন প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক আইন আজ ক্ষমতাধরদের ইচ্ছার কাছে জিম্মি। একটি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বকে হত্যা করে অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করা সভ্য বিশ্বের জন্য চরম লজ্জার। এটি শুধু ইরানের বিরুদ্ধে হামলা নয় -বরং গোটা মুসলিম বিশ্ব ও স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের মর্যাদার ওপর সরাসরি আঘাত।’নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে পরিকল্পিত অস্থিরতা সৃষ্টি, প্রতিরোধশক্তিকে দুর্বল করা এবং ভূ-রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যেই এ ধরনের টার্গেট কিলিং ও সামরিক হামলা চালানো হচ্ছে। বিশ্বকে নতুন এক ভয়াবহ সংঘাতের দিকে ঠেলে দেওয়ার দায় আগ্রাসী শক্তিকেই বহন করতে হবে।’বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নীরব দর্শকের ভূমিকায় থাকতে পারে না। জাতিসংঘ, ওআইসিসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর অবিলম্বে জরুরি অধিবেশন আহ্বান করে এই আগ্রাসনের নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক তদন্ত ও দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা উচিত। অন্যথায় আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’তারা বলেন, ‘বাংলাদেশ লেবার পার্টি নীতিগতভাবে সব ধরনের আধিপত্যবাদ, আগ্রাসন ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আপসহীন। আমরা বিশ্বাস করি, ইনসাফভিত্তিক বৈশ্বিক শৃঙ্খলা, পারস্পরিক সম্মান ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাই টেকসই শান্তির একমাত্র ভিত্তি।’ নেতৃদ্বয় ইরানের জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং শহীদদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।ইখা
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি: বাংলাদেশিদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।আজ রবিবার (১ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ইরানের সাম্প্রতিক ঘটনাবলির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।এছাড়া বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক বেশ কিছু ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় সৃষ্ট পরিস্থিতিও গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ আটকে পড়া যাত্রীদের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন বলে জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিমান মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে। বিমান প্রতিমন্ত্রী সকাল থেকেই বিমানবন্দরে অবস্থান করছেন। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়কেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনা ও সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।এইচএ
সর্বশেষ প্রকাশিত
রাজনীতি
সব দেখুন
হাসপাতালে ভর্তি অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু
নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বর্তমানে তিনি রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।অর্থমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা শহিদুজ্জামান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘মন্ত্রী নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে।’ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। নতুন সরকারে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি।এমআর-২
হাসপাতালে ভর্তি অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু
নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বর্তমানে তিনি রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।অর্থমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা শহিদুজ্জামান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘মন্ত্রী নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে।’ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। নতুন সরকারে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি।এমআর-২
ইরানে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে জামায়াত আমিরের স্ট্যাটাস
ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান সংঘাত ও যুদ্ধের পরিস্থিতি নিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এ স্ট্যাটাস দেন।জামায়াত আমির লিখেছেন, ইরানসহ সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের দাবানল—হে আল্লাহ, তোমার অসীম মেহেরবানিতে নিভিয়ে দাও। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে পবিত্র রমজানের সংযম, সহনশীলতা ও মানবতার শিক্ষা ধারণ করার তাওফিক দান করো। তিনি আরও লিখেছেন, নিরীহ নারী-শিশু ও সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষা করো, আহতদের আরোগ্য দাও, বাস্তুচ্যুতদের নিরাপদ আশ্রয় দাও। সমগ্র দুনিয়াবাসীর প্রতি রহম করো—হৃদয়গুলোকে নরম করো, ঘৃণা ও প্রতিহিংসা দূর করো।সবশেষে ডা. শফিকুর রহমান লিখেছেন, হে রব্বুল আলামিন, ন্যায়ের ভিত্তিতে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করো এবং একটি নিরাপদ শান্তির পরিবেশ নিশ্চিত করে দাও।আমিন।এইচএ
এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
‘দেশ যাবে নতুন পথে, ফিরবে না আর ফ্যাসিবাদে’—এই স্লোগানে আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দিনটি উপলক্ষে রাজধানীর ধানমন্ডির আবাহনী মাঠে কেন্দ্রীয়ভাবে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করবে দলটি।জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ওই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি এনসিপির যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংস্কার ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে সরব ছিল দলটি।সর্বশেষ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যে যুক্ত হয়ে ৩০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল এনসিপি। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ ছয়জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এক বছর ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত দল হিসেবে থেকে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা এনসিপি শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) এক বছরে পা দিতে যাচ্ছে। এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি তুলে ধরেছেন দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। তিনি জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি এনসিপির এক বছর পূর্তি। এই দিনটি উপলক্ষ্যে গণ–অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্য, ফ্যাসিবাদবিরোধী দল–সংগঠন, সাংবাদিক, শিক্ষক, শ্রমিকসহ সবাইকে নিয়ে আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করতে যাচ্ছি। ২৮ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকার ধানমন্ডিতে আবাহনী মাঠে এনসিপির ইফতার মাহফিল হবে উল্লেখ করে আরিফুল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, পেশাজীবী এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের অসংখ্য সহযোদ্ধা, বন্ধু ও সাংবাদিকদের নিয়ে দলের পক্ষ থেকে সম্মিলিতভাবে ইফতার করা হবে। সেখানে চিত্রপ্রদর্শনীও চলবে। পাশাপাশি দীর্ঘ এক বছরে দলটির রাজনৈতিক পথচলার উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটা ধারাবাহিক প্রোমো থাকবে। নাম হবে স্ট্রিট ওয়াল। সেখানে থাকবে ফটো বুথও। ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেল চারটায় এই আয়োজন শুরু হবে।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আগামী ২ মার্চ চট্টগ্রাম, ৪ মার্চ সিলেট, ৫ মার্চ ময়মনসিংহ, ৭ মার্চ ফরিদপুর, ৮ মার্চ বরিশাল, ৯ মার্চ খুলনা, ১০ মার্চ রাজশাহী ও ১১ মার্চ রংপুরে বিভাগীয় এবং ৩ মার্চ কুমিল্লায় ইফতার মাহফিল করা হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে এনসিপি। এনসিপির নেতা, জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও গুণিজনেরা এসব ইফতারে অংশ নেবেন বলে তারা জানিয়েছে।এমআর-২
তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে বিএনপির প্রার্থী হলেন বাদশা
বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসন বগুড়া-৬ থেকে উপনির্বাচনে দলের প্রার্থী করা হয়েছে রেজাউল করিম বাদশাকে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিএনপির পক্ষ থেকে রেজাউল করিম বাদশাকে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়।বগুড়া-৪ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেন এই তথ্য জানান।তিনি ফেসবুক পোস্ট করে লিখেন, আলহামদুলিল্লাহ, বগুড়া (সদর)-৬ আসনের এমপি প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির সম্মানিত সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা ভাইকে বিএনপির গুলশান দলীয় চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হলো।গুঞ্জন ছিল এই আসন থেকে জিয়া পরিবারের কেউ উপনির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন। তবে বেশ কিছুদিন আগে সিদ্ধান্ত হয় জিয়া পরিবারের কেউ এখান থেকে নির্বাচন করছেন না।গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।এমআর-২
সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় শামীমা আক্তার রুবী
সংরক্ষিত নারী আসনগুলোতে কারা মনোনয়ন পাবেন-এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংরক্ষিত আসন বণ্টনকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছে বলে দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে।গেজেট অনুযায়ী, ৩৫ সংরক্ষিত নারী আসন বিএনপি জোট এবং ১৩টি জামায়াত জোট পেতে পারে বলে কমিশন সূত্র জানিয়েছে। সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, মার্চের প্রথম সপ্তাহে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসতে পারে। অধিবেশন শুরু হলে সংসদ সচিবালয় সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে ইসিতে পাঠাবে। এরপর তফশিল ঘোষণা করা হবে।ইসি সূত্র জানায়, সংসদ সচিবালয় তালিকা পাঠালেই তফশিল ঘোষণার প্রস্তুতি নেওয়া হবে এবং পরিকল্পনা রয়েছে ঈদের আগেই নির্বাচন সম্পন্ন করার। বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টনকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে দলটি। দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয়, কারাবরণকারী, আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী ও তৃণমূল সংগঠন শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখা নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা আলোচনা হচ্ছে। দলীয় একাধিক সূত্র বলছে, শুধু সুপারিশ নয়, মাঠপর্যায়ের গ্রহণযোগ্যতা ও অতীত রাজনৈতিক ভূমিকার ওপরই মূল সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন একাধিক নারী নেতৃত্ব। তারমধ্যে অন্যতম কেন্দ্রীয় মহিলা দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শামীমা আক্তার রুবী। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শাসন আমলের পুরোটা সময় জুড়ে ছিলেন রাজপথে। দেশের বাইরে যেখানেই ফ্যাস্টিস হাসিনার আগমন সেখানেই ছিলো প্রবাসী নেতাকর্মীদের প্রতিরোধ। আর এই প্রতিরোধের অগ্রভাগে ছিলেন মহিলা দলের কেন্দ্রীয় নেত্রী শামীমা আক্তার রুবী। ফ্যাসিস্ট হাসিনার ১৭ বছরের শাসন আমলে বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম, খুন, ধর্ষণ, বিচারবহির্ভূত হত্যা, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি বন্ধের দাবি, দুর্নীতি দুঃশাসন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাহীনতা, বাংলাদেশের সাবেক তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপারসন দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার উপর মিথ্যা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মূলক মামলা ও প্রহসন মুলক রায়ে কারাবন্দির প্রতিবাদ, দলের চেয়ারম্যানে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা রাজনৈতিক হয়রানি মামলারা সাজর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভে শামীমা আক্তার রুবী ছুটে গেছেন ইউরোপ, জাতিসংঘ, ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট, ইউরোপিয়ান কমিশন, ইউরোপিয়ান প্রেসক্লাব থেকে শুরু করে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন জেনেভাতে নানা কর্মসূচি বিক্ষোভ প্রতিবাদ, মিটিং মিছিল, প্রতিবাদ সমাবেশ, এম্বাসির ঘেরাও কর্মসূচি, স্মারকলিপির মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছি তিনি। গ্রেফতার আতঙ্কের মধ্যেও ফ্রান্স থেকে বাংলাদেশে এসে অংশগ্রহণ করেন জুলাই আন্দোলনে। ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিদায়ি আন্দোলনে রাজপথের অগ্রভাগে ছিলেন তিনি। দীর্ঘ ১৭ বছর বাংলাদেশের রাজপথে যেমন সক্রিয় ছিলেন তেমনিভাবে বহির্বিশ্বে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইউরোপ আমেরিকা সহ ইউরোপীয়ান পার্লামেন্ট, ইউরোপীয়ান কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, আন্তর্জাতিক আদালত, জাতিসংঘসহ যেখানে হাছিনা সেখানেই প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ছিলেন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে তাঁর প্রতিটি মিটিং মিছিলে থেকে রাজনীতি করেছেন। মহিলা দলের পক্ষে থেকে বহুবার বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্টেজে বক্তব্য রেখেছেন। ঢাকা -১৭ এবং কুমিল্লা -৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সহ সমন্বয়ক, ও প্রচার প্রচারণা ও প্রকাশনা উপকমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিকভাবে দক্ষ ও সাংগঠনিকভাবে যথেষ্ট সুপরিচিত। বিগত স্বৈরাচার বিরোধী গণআন্দোলন যেমনি ছিলেন রাজপথে তেমনি ছিলেন দুঃসাহসিক লেখক পত্রিকায় সম্পাদকীয় কলাম লেখালেখি করতেন। বেগম জিয়ার নামে মুক্তি চাই শিরোনামে একটি গান লিখেছেন যা মিডিয়া সেলে প্রচারিত হয়েছে ইথুন বাবুর সুরে মৌসুমি ও পরানের কণ্ঠে তারুণ্যের সমাবেশে প্রচারিত হয়েছে যা সারা বাংলাদেশের জনতার স্রোতে জনতার হৃদয়ে স্থান পেয়েছে।ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সাথে জড়িত শামীমা আক্তার রুবী। ১৯৯০ এরশাদের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিশ্বাসী আদর্শকে লালন করেন তিনি। ১৯৯৫ সালে ইমন আদি ও হাবীব পরিষদে ছাত্রদলের প্যানেলে ব্যালট ও মাইলা সম্পাদিকা পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।১৯৯৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইন্সটিটিউটে পিজিডিতে অধ্যয়নরত অবস্থার ছাত্র রাজনীতি সক্রিয় থাকেন তিনি। ২০০১ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য ফ্রান্সে গমন করেন। ফ্রান্স বিএনপির সাথে একত্রে কাজ করেন, এবং বর্তমানে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল ফ্রান্স শাখার সহ সভাপতি পদে আছেন রুবী।২০০৫-২০০৯ সালে জাপানে অবস্থান করেন এবং সেখানে গিয়ে দলের জন্য কাজ করেন। ২৫শে এপ্রিল ২০১৬ তে 'জাতীয়তাবাদী নাগরিক মুক্তি পরিষদ" নামে একটি মানবাধিকার সংগঠন যা ফ্রান্সের সরকার কর্তৃক রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন তিনি এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বাংলাদেশের সাংবাদিক ও বিএনপি নেতাকর্মীদের গুম খুন হত্যা ধর্ষণ সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তির লক্ষ্য কাজ করে জাতীয়তাবাদী নাগরিক মুক্তি পরিষদ। আন্দোলন সংগ্রামের পাশাপাশি শামীমা আক্তার রুবী বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। তার কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পেয়েছেন একাধিক সামাজিক পুরস্কারএক প্রতিক্রিয়ায় শামীমা আক্তার রুবী বলেন, সংরক্ষিত আসনে মহিলা এমপি হলে দেশের জন্য দেশের নারীদের জন্য আমার স্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে-১️. নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন•গ্রামে গ্রামে নারী উদ্যোক্তা তৈরির জন্য প্রশিক্ষণ ও ক্ষুদ্রঋণ সহায়তা।•বেকার তরুণী ও স্বল্পশিক্ষিত নারীদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন (আইটি, হস্তশিল্প, কৃষিভিত্তিক কাজ)।•স্থানীয় বাজারে নারীদের পণ্যের জন্য আলাদা কর্নার/ই-কমার্স সংযোগ।২️ শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন•স্কুলছুট মেয়েদের পুনরায় শিক্ষায় ফেরানো।•ডিজিটাল শিক্ষা ও ফ্রি কোচিং সাপোর্ট।•উচ্চশিক্ষায় মেয়েদের স্কলারশিপের ব্যবস্থা বাড়ানো।৩️ নারী ও শিশুর নিরাপত্তা•বাল্যবিবাহ, যৌতুক ও নির্যাতন প্রতিরোধে কঠোর মনিটরিং।•থানায় ও প্রশাসনে নারী সহায়তা ডেস্ক সক্রিয়করণ।•সচেতনতা ক্যাম্পেইন ও আইনি সহায়তা সেল গঠন।৪️ স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন•মা ও শিশুস্বাস্থ্য সেবা জোরদার।•গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নারী চিকিৎসক নিশ্চিতের উদ্যোগ।•মাসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা ও স্যানিটারি ন্যাপকিন সহজলভ্য করা।৫️ নীতিনির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা•সংসদে নারীর অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে সোচ্চার থাকা।•এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনায় সরাসরি সম্পৃক্ততা।•জনগণের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময় সভা।সংরক্ষিত আসন শুধু একটি পদ নয়—এটি নারীদের কণ্ঠস্বর শক্তিশালী করার একটি দায়িত্ব।আমি চাই, আমার কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করতে যে সংরক্ষিত আসনের নারী এমপিরাও উন্নয়ন ও নীতিনির্ধারণে কার্যকর নেতৃত্ব দিতে পারেন।পিএম
গোপন বিষয় প্রকাশ করে শপথ ভেঙেছেন রাষ্ট্রপতি: জামায়াত
সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিভিন্ন বিষয় জনসমক্ষে প্রকাশ করায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি’ পদটি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ। এ পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তির প্রতিটি বক্তব্য ও পদক্ষেপ জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তা রাষ্ট্রীয় শপথ ও গোপনীয়তা রক্ষার নীতিমালার সঙ্গে সম্পৃক্ত। রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও গোপনীয় বিষয় জনসমক্ষে প্রকাশ করে শপথ ভঙ্গ করেছেন এবং রাষ্ট্রের গোপন বিষয়ের মতো আমানত রক্ষায় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। এতে দেশবাসীর মনে নানা প্রশ্ন, বিতর্ক ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। আমি তার এই সাক্ষাৎকারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।তিনি বলেন, একজন রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার বক্তব্য জাতির সামনে নতুন বিতর্ক ও অনিশ্চয়তার জন্ম দিয়েছে। সংবিধান, রাষ্ট্রীয় শপথ এবং সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার প্রশ্নে তিনি জাতিকে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে দিয়েছেন। ‘রাষ্ট্রপতি’ পদে থেকে এমন বক্তব্য প্রদান করে তিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন, যা রাষ্ট্রের মর্যাদা ও ভাবমর্যাদার সঙ্গে একেবারেই অসামঞ্জস্যপূর্ণ।তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সাংবিধানিক শালীনতা বজায় রাখা প্রত্যেক দায়িত্বশীল ব্যক্তির কর্তব্য। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সংযত ও পরিমিত বক্তব্য দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতি জনগণের আস্থা অটুট রাখতে রাষ্ট্রপতিকে সংবিধান ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে বক্তব্য প্রদান করতে হবে এবং রাষ্ট্রের মর্যাদা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় আরও সতর্ক থাকতে হবে।এমআর-২
প্রধানমন্ত্রীকে স্বপরিবারে ইফতারের দাওয়াত জামায়াতে ইসলামীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সপরিবারে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইফতার অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী। আন্তরিকতার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী দাওয়াত গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে দাওয়াতপত্র নিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশ করে জামায়াতের প্রতিনিধি দল।সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জামায়াত নেতাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সৌজন্য এ সাক্ষাতে পরস্পর শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী মুঠোফোনে বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াত আমিরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনীতির সব বিতর্কের জায়গা যেন সংসদ হয়। এর সমর্থন জানিয়ে জামায়াত নেতারা বলেন, রাজপথে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন হতেই পারে। তবে অতীতের মতো রাজনীতিতে খারাপ চর্চা যেন না হয়। সরকারকে মূল্যায়নের সময় এখন হয়নি। জাতি অপেক্ষা করছে ভালো কিছুর জন্য। বিরোধী দল ও সরকারি দলের মধ্যে সুন্দর সমন্বয় ও সহংহিতর মধ্য দিয়ে দেশটিকে এগিয়ে নেয়ার আশা প্রকাশ করেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি।এমআর-২
চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত
রাজধানীতে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা
ঢাকার হাজারীবাগ এলাকায় এক স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ময়নাতদন্তের জন্য ওই ছাত্রীর মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে হাজারীবাগ এলাকার হায়দার হোটেলের গলির ভেতরে ওই ছাত্রীর ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। হত্যাকাণ্ডের শিকার ছাত্রী শাহরিয়ার শারমিন বিন্তি রায়েরবাজার হাইস্কুলের ৮ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছিল। তার বাবার নাম বিল্লাল হোসেন। সে হাজারীবাগের হায়দার হোটেলের পাশে একটি ভবনে পরিবারের সঙ্গে থাকত।পুলিশ জানায়, ওই ছাত্রীকে পিঠের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। একপর্যায়ে স্বজনরা উদ্ধার করে, প্রথমে শিকদার মেডিকেলে নিয়ে যায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে এলে জরুরি বিভাগের কবর্ত্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে কী কারণে এমন ঘটনা, সে বিষয়ে পুলিশ কিছু জানাতে পারেনি। এফএস
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পরিচয় পেয়েও সাংবাদিকদের বেধড়ক পিটুনি
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সংবাদকর্মীদের ওপর পুলিশের বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাতে মাদকবিরোধী অভিযানের সংবাদ সরাসরি সম্প্রচার করার সময় বাংলানিউজের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার তোফায়েল আহমেদসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর লাঠিচার্জ করে একদল পুলিশ সদস্য। বারবার নিজেদের পরিচয় দেওয়ার পরও কোনো তোয়াক্কা না করে পুলিশ তাদের বেধড়ক লাঠিপেটা ও শারীরিক নির্যাতন চালায়।সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযানে নামে পুলিশ।জনগুরুত্বপূর্ণ এই অভিযানের দৃশ্য জনসমক্ষে তুলে ধরতে ফেসবুক লাইভ করছিলেন সাংবাদিক তোফায়েল আহমেদসহ অন্যান্য সাংবাদিকরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাইভ চলাকালীন কোনো উসকানি ছাড়াই একদল পুলিশ সদস্য এসে তোফায়েলকে লক্ষ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। তিনি নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে পুলিশ। এ সময় তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং একের পর এক লাঠির আঘাত করা হয়।ঘটনাস্থলে উপস্থিত আজকের পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার কাওসের আহম্মেদ রিপন বলেন, ‘পুলিশ কোনো ধরনের বাছবিচার ছাড়াই সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয়। তোফায়েলকে যখন মারা হচ্ছিল, তখন আমরা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করি। কিন্তু পুলিশ সদস্যরা এতটাই মারমুখী ছিলেন যে, তারা আমাদেরও লাঠিপেটা করে।’পুলিশের পিটুনিতে গুরুতর আহত তোফায়েল আহমেদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে।মাথায় ও পিঠে আঘাতের ফলে তার রক্তক্ষরণ হয়। সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভোঁতা অস্ত্রের (লাঠি) আঘাতে তার শরীরে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের ঝুঁকি রয়েছে।আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন অপেশাদার আচরণে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার বদলে সংবাদকর্মীদের ওপর এমন হামলাকে ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল। এ প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, ‘যেহেতু ভিডিও ফুটেজ আছে, তাই ভিডিও দেখে সাংবাদিক পেটানোর ঘটনায় যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় পুলিশের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিক নেতারা।এদিকে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে রাতেই তীব্র নিন্দার ঝড় ওঠে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের পক্ষ থেকে। সাংবাদিক নেতারা বলেন, রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভের ওপর এমন আক্রমণ গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের শামিল। তারা অবিলম্বে হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের বরখাস্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।অপরাধ দমনের নামে পুলিশের এমন ‘বেপরোয়া’ আচরণ খোদ বাহিনীর ইমেজকে সংকটে ফেলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। জননিরাপত্তার দোহাই দিয়ে রক্ষক যখন ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়, তখন আইনের শাসন নিয়ে বড় প্রশ্ন দেখা দেয়। তাছাড়া অতি উৎসাহী এসব পুলিশ সদস্যদের জন্য সরকারও বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে পারে বলে মত নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের।এবি
রাজধানীতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪
রাজধানীর হাজারীবাগে একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন- শেখ রোমান (৩৫), তার স্ত্রী পিংকি আক্তার (৩২) ও তাদের ছেলে রুহান (৩), ও রোমানের শ্যালক অপু (২৩)। তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করানো হয়েছে।দগ্ধ রুমানের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনায়। তিনি একটি রিয়েল এস্টেট কম্পানিতে চাকরি করেন। পরিবার নিয়ে রায়েরবাজারে ভাড়া বাসায় থাকেন। দগ্ধ রোমানের ভাই মামুন বলেন, পূর্ব রায়েরবাজারের একটি ৬ তলা ভবনের নিচতলায় ভোর ৪টার দিকে রান্না করতে গ্যাসের চুলা জ্বালালে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।এতে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে র্তি করা হয়।বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান বলেন, দগ্ধ ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের মধ্যে শেখ রোমানের শরীরের ৭০ শতাংশ, পিংকি আক্তারের ৭৫ শতাংশ, রুহানের শরীরের ৩৫ ও অপুর শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।এমআর-২
মার্কেট বন্ধ করা সেই চাঁদাবাজ গ্রেপ্তার করে মাইকিং করল পুলিশ
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মার্কেট বন্ধ করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে এক চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।ব্যবসায়ীদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তারের পর তাকে নিয়েই এলাকায় মাইকিং করা হয়। পুলিশ জানায়, কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বরদাশত করা হবে না।এফএস
রাজধানীতে বাস-লেগুনা সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ জনের
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় বাস-লেগুনা সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মীর হাজারীবাগের গুন্ডিগড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহতদের একজন আজিজুল ইসলাম (৪৫)। অপর নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো জানা যায়নি। তার বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে।ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, যাত্রাবাড়ী এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাজু জানান, মীর হাজারীবাগ গুন্ডিগড় এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার একটি সংবাদ পেয়েছি। একটি লেগুন যাত্রী নামাচ্ছিল। এ সময় বাহাদুরশাহ পরিবহনের একটি বাস সামনে থেকে লেগুনাটিকে সজরে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় বাহাদুরশাহ পরিবহন জব্দ ও চালককে আটক করা হয়েছে।এমআর-২
নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে চাচা-ভাতিজাকে কুপিয়ে জখম
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় চাচা ও ভাতিজাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে কলাগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।আহতরা হলেন—লোহাগড়া উপজেলার নওয়াগ্রাম ইউনিয়নের কলাগাছি গ্রামের আহম্মেদ মোল্যার ছেলে মেছের মোল্যা (৩৫) এবং কাদের মোল্যার ছেলে ইয়ামিন মোল্যা (১৬)। বর্তমানে তাঁরা নড়াইল জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।আহত মেছের মোল্যা জানান, শনিবার রাতে তিনি ও তাঁর ভাতিজা ইয়ামিন কলাগাছি বাজার থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে একই গ্রামের শাকিল মোল্যা (২২), ইনামুল মোল্যা (৩৮), তুহিন মোল্যা (৩২), হাসিফ মোল্যা (২৭), আরমান মোল্যা (১৯), রমিন মোল্যা (৩৬) ও কোবাদ শেখসহ (৩৫) আরও কয়েকজন তাঁদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাঁদের কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। মেছের মোল্যা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।আহত ইয়ামিনের বাবা কাদের মোল্যা বলেন, “আলাউদ্দিন মোল্যার নেতৃত্বে সপ্তাহখানেক আগে ওরা আমাদের ৪-৫টি ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেছিল। পরে স্থানীয় মাতুব্বররা সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি মিটিয়ে দিলেও গতকাল রাতে আবারও হত্যার উদ্দেশ্যে আমার ছেলে ও ভাইকে কুপিয়েছে। আমি এই ঘটনায় মামলা করব।”মেছের মোল্যার ভাই উদার মোল্যা অভিযোগ করেন, “আমার ভাই বাজারে ব্যবসা করেন। রাতে বাড়ি ফেরার সময় হামলাকারীরা তাঁদের মারধর করার পাশাপাশি নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে এবং মোটরসাইকেলটি ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে।”এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আলাউদ্দিন মোল্যার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন কেটে দেন।লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন, “এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”এনআই
জামায়াত নেতার মৃত্যুর প্রতিবাদে জীবননগরে বিক্ষোভ, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ এলাকায় বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে জামায়াত নেতার মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রবিবার (১ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে জীবননগর উপজেলা জামায়াতের কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়।মিছিলটি জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইসলামী ব্যাংকের সামনে দিয়ে ঘুরে জীবননগর বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান, নায়েবে আমির সাখাওয়াত হোসেন, জেলা মাজলিসুল মুফাসসিরিনের সভাপতি হাফিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি আবু বক্কর এবং পৌর যুব জামায়াতের সভাপতি আরিফ জোয়ার্দার প্রমুখ। বক্তারা দাবি করেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার না হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও তারা হুঁশিয়ারি দেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুটিয়া গ্রামের জামায়াত সমর্থক কেরামত আলীর ছেলে সোহাগের সঙ্গে হাসাদাহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জসিম উদ্দীনের ছেলে মেহেদীর পূর্ব বিরোধ ছিল। বিষয়টি মীমাংসার লক্ষ্যে শনিবার রাতে হাসাদাহ বাজারে দুই পক্ষের বৈঠকের কথা থাকলেও সন্ধ্যার দিকে কথা-কাটাকাটি থেকে ধাক্কাধাক্কি এবং পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।সংঘর্ষে সুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মৃত ওহাবের ছেলে মফিজুর রহমান (৪৫), তার বড় ভাই হাফিজুর রহমান (৫০), মৃত গোপাল মণ্ডলের ছেলে খায়রুল ইসলাম (৫০) এবং হাপু আহত হন। আহতদের মধ্যে হাফিজুর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে রাত ২টার দিকে তিনি মারা যান।অন্যদিকে সংঘর্ষে হাসাদাহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মেহেদী হাসান (৩৬), তার পিতা জসিম উদ্দিন (৬৫) এবং তৌফিক হোসেন (৪০) আহত হয়েছেন।রবিবার সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে হাফিজুর রহমানের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। বিকেল ৩টায় সুটিয়া গ্রামে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।এ বিষয়ে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখ বলেন, বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে আহত একজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।ইখা
নড়াইলে বাবা-ছেলেসহ চারজন হত্যাকাণ্ডে দুই মামলা, গ্রেফতার ১৩
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নড়াইল সদর উপজেলার সিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের বড়কুলা গ্রামে বাবা-ছেলেসহ চাঞ্চল্যকর চারজন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি দুটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি দুটি হত্যা মামলায় মোট ১২৩ জনের নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।রবিবার (০১ মার্চ) দুপুরে মুঠোফোনে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া মামলার ও গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে নিহত ওসিবুর ফকিরের বাবা ওসমান ফকির বাদী হয়ে ৫৪ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে এ মামলায় এখনো পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেফতার হয়নি।এর আগে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিহত খলিল শেখ, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন ও ভাতিজা ফেরদৌস শেখ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত খলিল শেখের ছেলে রুবেল শেখ (৩২) বাদী হয়ে সিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়েরুজ্জামান খায়েরসহ ৬৯ জনের নাম উল্লেখ করে আরেকটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় ইতোমধ্যে ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল সদর উপজেলার সিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়েরুজ্জামান খায়ের গ্রুপ ও খলিল মোল্লার গ্রুপের মধ্যে এলাকার আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সেহরির পর খায়ের গ্রুপের লোকজন বড়কুলা গ্রামে খলিলের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায়। দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই খলিল গ্রুপের খলিল শেখ, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন ও ভাতিজা ফেরদৌস শেখ নিহত হন। অপরদিকে সংঘর্ষে আহত সাবেক চেয়ারম্যান খায়েরুজ্জামান খায়ের গ্রুপের সদস্য ওসিবুর ফকিরকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।পরদিন মঙ্গলবার নিহত খলিল শেখ, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন ও ভাতিজা ফেরদৌস শেখের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে সিংগাশোলপুর বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে পাশাপাশি দাফন করা হয়। অপরদিকে সাবেক চেয়ারম্যান খায়েরুজ্জামান খায়ের গ্রুপের সদস্য ওসিবুর ফকিরকে তারাপুরে দাফন করা হয়েছে।নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া মুঠোফোনে জানান,“বড়কুলা গ্রামের চার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উভয় পক্ষ থেকে পৃথক দুটি মামলা করেছে। ইতিমধ্যে ১৩ জন নাম উল্লেখ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।”এদিকে হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। গ্রেফতার এড়াতে অনেক পুরুষ গ্রাম ছেড়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।এসআর
১৫ বছর পর রোগীদের খাবার সরবরাহে নতুন ঠিকাদার
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে রোগীদের খাবার সরবরাহে ১৫ বছর পর নতুন ঠিকাদার দায়িত্ব পেয়েছেন। এতদিন পুরাতন ঠিকাদারের মামলার কারণে টেন্ডার বন্ধ ছিল। রবিবার (১ জানুয়ারি) থেকে নতুন ঠিকাদার রোগীদের মাঝে খাবার সরবরাহ করছেন। এখন থেকে রোগী প্রতি ১৭৫ টাকার খাবার পাবেন। এর আগে পাচ্ছিলেন ১২৫ টাকার খাবার। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন, নতুন ঠিকাদার দায়িত্ব পাওয়ায় বর্তমান রেটে উন্নত খাবার পাবেন।জানা গেছে, গত ২০১০-১১ অর্থবছরের পর থেকে হাসপাতালে খাদ্য সরবরাহের টেন্ডার হয়নি। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে আহবান করা টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগে ২০১৪ সালের ১৬ জুন উচ্চ আদালতে মামলা করেছিলেন ঠিকাদার হাফিজুর রহমান শিলু। ফলে আদালতের নির্দেশে খাবারের টেন্ডার বন্ধ ছিল। সেই থেকে একজন ঠিকাদার রোগীদের জন্য খাবার সরবরাহ করে আসছিলেন। আগের ১২৫ টাকা রেটে খাবার সরবরাহ করায় উন্নত খাবার থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন রোগীরা।হাসপাতালের হিসাব রক্ষক ইসরাফিল হোসেন জানান, ২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর উচ্চ আদালত থেকে খাবারের টেন্ডার দেওয়ার জন্য অনুমোদন মেলে। ১ ডিসেম্বর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে খাবারের টেন্ডার প্রকাশ করা হয়। টেন্ডার পেয়েছেন মেসার্স আসলাম এন্টারপ্রাইজ। তারা রবিবার থেকে রোগীদের খাবার সরবরাহ শুরু করেছেন।হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান, মামলায় টেন্ডার কার্যক্রম বন্ধ থাকায় রোগীরা উন্নত খাবার থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন। কেননা ১২৫ টাকায় রোগীদের উন্নত খাবার সরবরাহ করা কঠিন। আদালত থেকে অনুমোদন পেয়ে রোগীদের খাবারের মান বাড়াতে নতুন টেন্ডার আহবান করা হয়। নতুন ঠিকাদার রোগী প্রতি ১৭৫ টাকার খাবার সরবরাহ করবেন। আশা করি তিনি (নতুন ঠিকাদার) রোগীদের ন্যায্য পাওনা বুঝিয়ে দেবেন।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর মামলাটি তুলে নেয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ঠিকাদার হাফিজুর রহমান শিলুকে অনুরোধ করেছিলেন তখনকার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম। তখন উপস্থিত হাসপাতালের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক ডা. হারুন অর রশিদ, সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইসহাক ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক রাশেদ খান। মানবিক কারণে মামলাটি তুলে নেয়ার প্রস্তাব দিলে ঠিকাদার হাফিজুর রহমান সম্মতি দিয়েছিলেন।ইখা
ইরানে যৌথ হামলার প্রতিবাদে ইবি বৈছাআ'র নিন্দা
ইরানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক আগ্রাসনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও কঠোর নিন্দা জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। পাশাপাশি ৫ দফা দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মুখপাত্র সাদীয়া মাহমুদ মীম প্রেরিত আহ্বায়ক এস এম সুইট ও সদস্যসচিব ইয়াশিরুল কবির সৌরভের যৌথ বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ ও কঠোর নিন্দা জানানো হয়।বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব এবং জাতিসংঘ সনদের মৌলিক নীতিমালা উপেক্ষা করে পরিচালিত এই সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক শান্তির জন্য এক গুরুতর হুমকি। একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার ওপর এই ধরনের নগ্ন হামলা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সংলাপ, কূটনীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধই আন্তর্জাতিক সংকট সমাধানের একমাত্র গ্রহণযোগ্য পথ। শক্তি প্রয়োগ ও সামরিক আগ্রাসন কখনো স্থায়ী শান্তি বয়ে আনে না বরং তা নতুন সংঘাত, মানবিক বিপর্যয় ও দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতার জন্ম দেয়। এই হামলার ফলে নিরীহ বেসামরিক মানুষের জীবন, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার মারাত্মকভাবে ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ ঐতিহাসিকভাবেই অন্যায়, শোষণ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকেছে। সেই ধারাবাহিকতায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগ্রামী শিক্ষার্থীরা বিশ্বব্যাপী ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের পক্ষে তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছে।তারা দাবি জানান- এক. যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে অবিলম্বে ইরানের ওপর সকল প্রকার সামরিক আগ্রাসন ও উসকানিমূলক তৎপরতা বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ কূটনৈতিক পথে ফিরে আসতে হবে। দুই. জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে উত্তেজনা নিরসন, যুদ্ধবিরতি নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের বিষয়গুলো নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় আনতে হবে। তিন. মুসলিম দেশসমূহ ও আঞ্চলিক জোটগুলোকে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গ্রহণ এবং আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে এবং চার. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও ত্রাণ সংস্থাগুলোকে সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং জরুরি মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে।ইখা
সীতাকুণ্ড ইকোপার্কে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার চেষ্টা
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক সংলগ্ন জঙ্গল থেকে এক শিশু শিক্ষার্থীকে গলাকাটা ও মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার উদ্দেশ্যে গলা কেটে ফেলে রাখা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে চিকিৎসক ও পুলিশ।রবিবার (১ মার্চ) দুপুর দুইটার দিকে ইকোপার্কের গহীন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। উদ্ধার হওয়া শিশুটির নাম ইরা (৭)। সে উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের মাস্টার পাড়ার নুর ইসলামের কন্যা এবং মসজিদ্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইকোপার্কের ভেতরে সড়কের উন্নয়ন কাজে নিয়োজিত শ্রমিক ও স্থানীয় যুবক রবিউল হাসান ও আরিফুল ইসলাম রনি শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। তাঁরা জানান, পাঁচ কিলোমিটার ওপরের সড়কে স্ক্যাভেটর দিয়ে মাটি কাটার সময় চালক দেখতে পান একটি শিশু গলাকাটা অবস্থায় জঙ্গল থেকে রাস্তার দিকে হেঁটে আসছে। তাৎক্ষণিকভাবে একটি ট্রাকে করে তাকে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলতাব হোসেন জানান, শিশুটির অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। তার শ্বাসনালী কেটে যাওয়ায় সে কথা বলতে পারছে না। তার শরীরের নিচের অংশে কোনো পোশাক ছিল না, যা থেকে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে।এদিকে, যন্ত্রণায় ছটফট করা শিশুটি ইশারায় জানিয়েছে, অপরাধীকে সামনে দেখলে সে চিনতে পারবে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার শরীর ও পোশাক রক্তে ভিজে একাকার হয়ে গিয়েছিল।সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম বলেন, "খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। শিশুটিকে কুমিরা এলাকা থেকে তুলে আনা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। সড়কের কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং অপরাধীকে শনাক্ত করতে অভিযান শুরু হয়েছে।"এনআই
হোমনায় কৃষিজমির মাটি কাটায় দুই ব্যক্তিকে জরিমানা
কুমিল্লার হোমনায় অনুমতি ছাড়া কৃষিজমির মাটি কাটার দায়ে দুই ব্যক্তিকে মোট ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার (১ মার্চ) উপজেলার আসাদপুর ইউনিয়নের খোদেদাউদপুর ও কৃপারামপুর গ্রামে পৃথক অভিযানে এই দণ্ড দেওয়া হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন হোমনা উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহাম্মেদ মোফাচ্ছের।আদালত সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার খোদেদাউদপুর গ্রামে মো. আব্দুর রশিদ সরকারি অনুমতি ছাড়াই কৃষিজমির মাটি কাটছিলেন। এই অপরাধে ‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’-এর ৭(ক) ধারা অনুযায়ী তাঁকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।একই দিনে আসাদপুর ইউনিয়নের কৃপারামপুর গ্রামে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অনুমতি ছাড়া কৃষিজমি থেকে মাটি উত্তোলনের দায়ে রুহুল আমিন নামে আরেক ব্যক্তিকে ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রাকিবুল হাসান ডালিম।নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহাম্মেদ মোফাচ্ছের জানান, ব্যক্তিগত প্রয়োজনে মাটি কাটতে হলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। তিনি আরও বলেন, “অনুমতি ছাড়া কৃষিজমি থেকে মাটি কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ। আবাদি জমি রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”এনআই
সাগর পথে বিদেশ পাড়ির চেষ্টা, ১৫৩ জন উদ্ধার
দেশীয় জলসীমায় দায়িত্বরত বাংলাদেশ কোস্টগার্ড বাহিনীর সদস্যরা আবারও অবৈধ পন্থায় বিদেশে মানব পাচারের অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে।কক্সবাজার টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপ সংলগ্ন গভীর বঙ্গোপসাগর এলাকা থেকে মালয়েশিয়া পাচার করার সময় একটি ফিশিং ট্রলার থেকে নারী,শিশুসহ ১৫৩ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।এসময় উক্ত অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে পাচারকারী চক্রের ১৫ জন সদস্যকে আটক করেছে কোস্টগার্ডের অভিযানিক দল।রবিবার (১ মার্চ ) বিকেল ৪টার দিকে সময়ের কণ্ঠস্বরকে পাচারকারী চক্রের অপচেষ্টা ঠেকানোর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন, কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।তিনি জানান,গোয়েন্দা সদস্যদের তথ্যের ভিত্তিতে কোস্টগার্ড জানতে পারে অবৈধ পন্থায় সাগরপথে মালয়েশিয়ায় পাচার করার উদ্দেশ্যে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ-পশ্চিম সংলগ্ন গভীর সাগরে নোঙর করে রাখা একটি ফিশিং ট্রলারে অবস্থান নিয়েছে।উক্ত সংবাদের তথ্য অনুযায়ী রবিবার রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে কোস্টগার্ড জাহাজ কামরুজ্জামানে দায়িত্বরত চৌকশ সদস্যরা সাগরে বেশ কয়েকটি পয়েন্ট বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালীন সময়ে একটি সন্দেহজনক ফিশিং ট্রলারকে থামানোর জন্য সংকেত দেয়। ট্রলারটি নির্দেশ অমান্য করে পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ-পূর্ব সংলগ্ন সমুদ্র এলাকা থেকে জব্দ করা হয়।এরপর জব্দকৃত ট্রলারটি তল্লাশি করে নারী ও শিশুসহ ১৫৩ জন মালয়েশিয়াগামী ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। এসময় মানব পাচার চক্রের সাথে জড়িত ১৫ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়।উদ্ধারকৃত ভিকটিমদের জিজ্ঞাসাবাদ করে, কোস্টগার্ড জানতে পারে সংঘবদ্ধ দেশে বিদেশে পর্দার অন্তরালে লুকিয়ে থাকা পাচারকারী চক্রের সদস্যরা।সল্প টাকার বিনিময়ে বিদেশে উন্নত জীবনযাপন করার স্বপ্ন,বেশী টাকা বেতনের চাকরি দেওয়ার মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে, উখিয়া-টেকনাফে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা নর-নারী স্থানীয় অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের সদস্যদের টার্গেট করে সাগর পথে মালয়েশিয়া পাঠানোর প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে।উদ্ধারকৃত ভিকটিমদের মধ্যে কে স্থানীয় কে রোহিঙ্গা যাচাই বাছাই শেষ করে পরবর্তী কার্যক্রম শেষ করার জন্য টেকনাফ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হবে। ধৃত ১৫ জন পাচারকারী বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান কোস্টগার্ডের এই কর্মকর্তা।পিএম
নাইক্ষ্যংছড়িতে ২০ হাজার ইয়াবাসহ মহিলা আটক
পার্বত্য বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সোনাইছড়ি এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে প্রায় ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ময়ুং মার্মা নামে এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।রবিবার (১ মার্চ) দুপুরে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ৩নং লামার পাড়ার এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পুলিশ। আটক ময়ুং মার্মা (৪০)একই এলাকার অংশো থোয়াই মার্মার মেয়ে।পুলিশ সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অবস্থান নেয় পুলিশের একটি দল। অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারী একদল পালানোর চেষ্টা করলে ময়ুং মার্মাকে ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার হেফাজত থেকে প্রায় ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত নারী দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকায় ইয়াবা পাচার ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানান পুলিশ।এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল বাতেন মৃধা প্রতিবেদককে বলেন, উদ্ধারকৃত ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে এবং আটক নারী আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে। পলাতক সহযোগী এবং মাদকের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের কে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সোনাইছড়ি এলাকা মাদক কারবারিদের নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আমরা এই এলাকায় বিশেষ নজরদারি ও ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করছি।পিএম
চান্দিনায় মা-মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
কুমিল্লার চান্দিনায় একই ঘরের দুটি কক্ষ থেকে মা ও মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সাত বছরের মেয়েকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যা করেছেন মা।রোববার (১ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চান্দিনা উপজেলার দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়নের সাঁকোজ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— ওই গ্রামের মোজাহিদুল ইসলাম মজুমদারের স্ত্রী ফারহানা আক্তার (৩৩) ও তার মেয়ে ফাছিহা (৭)।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ফারহানা এক ছেলে ও দুই মেয়ের জননী। ছেলে বাবার সঙ্গে ঢাকায় থাকেন। বড় মেয়ে (১০) স্থানীয় একটি মাদরাসায় আবাসিকে থেকে পড়াশোনা করে। ফারহানা ছোট মেয়েকে নিয়ে শাশুড়ি কদরবানুর সঙ্গে বাড়িতে থাকতেন।রোববার সকালে কদরবানু তালিম দিতে বাড়ি থেকে বের হন। দুপুরে ফিরে এসে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করেন। দীর্ঘ সময় সাড়া না পেয়ে আশপাশের লোকজনকে খবর দেন।প্রতিবেশী রাসেল মজুমদার জানান, দরজা-জানালা বন্ধ থাকায় একটি জানালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করা হয়। তখন এক কক্ষে শিশুটির ঝুলন্ত মরদেহ এবং অপর কক্ষে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ দেখা যায়। পরে থানায় খবর দেওয়া হয়।খবর পেয়ে চান্দিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। চান্দিনা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান বলেন, “একই ঘরের দুই কক্ষে মা-মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া গেছে। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা মরদেহ দুটি নামিয়ে রেখেছিলেন। ঘটনাটির প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে জানা যাবে।ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমায়। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করবে বলে আশ্বাস দেন।পিএম
সিরাজদিখানে ইফতার মাহফিলে মুক্তিযোদ্ধা প্রতিমন্ত্রী ইশরাক
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার জামিয়া ইসলামিয়া হালিমা মধুপুর মাদরাসায় ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।রোববার আছরের নামাজের পর তিনি মাদরাসা প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। এ সময় মধুপুরের পীর আব্দুল হামীদের কাছ থেকে তিনি দোয়া চান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক নুরমহল আশরাফী ও পুলিশ সুপার মেনহাজুল ইসলাম।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা ঘোষ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌহিদুল ইসলাম বারি, সিরাজদিখান সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আনোয়ার পারভেজ এবং সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হান্নান।ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আগে মধুপুরের পীর আব্দুল হামীদ মুক্তিযোদ্ধা প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের হাতে ধর্মীয় বইসহ বিভিন্ন উপহার সামগ্রী তুলে দেন।এফএস
কিশোরগঞ্জে যুবদল নেতার ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল, ক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা
কিশোরগঞ্জে এক যুবদল নেতার ইয়াবা সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনাও সৃষ্টি হয়েছে।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়ে যায়। এ নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন স্থানীয় নেতারা। অভিযুক্ত যুবদলের ওই নেতার নাম মো. রায়হান গন্ধী আলী। তিনি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বিন্নাটি ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব বলে জানা গেছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় ৩৭ সেকেন্ডের ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, যুবদল নেতা মো. রায়হান গন্ধী বাফুফে জার্সি পরিহিত একটি ঘরের বসে আছেন। তার বাম হাতে একটি ফয়েল পেপার এবং ডান হাতে একটি গ্যাসলাইট। মুখে চিকন পাইপের মতো কিছু একটি বস্তু দুই ঠোঁট দিয়ে চেপে ধরে ধোঁয়া টানতে দেখা যায় তাকে। ফয়েল পেপারের নিচে গ্যাসলাইটের আগুন দিয়ে উপরে রাখা বস্তুটি হিট করে ধোঁয়া গ্রহণের পুরো প্রক্রিয়াটি ভিডিওতে স্পষ্টভাবে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, তার সঙ্গে আরও কয়েকজন ইয়াবাসেবী ছিলেন। তাদের মধ্যে কেউ একজন ভিডিও ধারণ করেন। পরে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। যুবদল নেতার ভিডিও ফেসবুকে দেখে অনেকেই মন্তব্যের ঘরে লেখেন, অবিলম্বে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হোক।নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা যুবদল এক নেতা বলেন, উপজেলা পর্যায়ের এক নেতার মাদক সেবনের এ ধরনের ভিডিও প্রকাশ্যে এলে দলের সম্মান কোথায় যায়? এ ধরনের নেতাকে দিয়ে দলের কী উপকার হতে পারে? এসব মাদকসেবীদের অবিলম্বে যুবদল থেকে বহিষ্কার ও বিতাড়িত করার দাবি জানান তিনি।এ বিষয়ে অভিযুক্ত যুবদল নেতা মো. রায়হান গন্ধী আলীর ফোনে একাধিক বার ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।এ বিষয় জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বিন্নাটি ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম বলেন, রায়হান গন্ধী খুব ভালো ছেলে।রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য পরিকল্পিতভাবে কেউ এই ভিডিও তৈরি করে ছড়িয়েছে।এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদলের সভাপতি খসরুজ্জমান শরীফ বলেন, বিষয়টি আমি শুনছি, তবে তথ্য প্রমাণ পায়নি খোঁজ নিয়ে দেখছি।এসআর
মুন্সিগঞ্জে দুই ফল ব্যবসায়ীকে জরিমানা
মুন্সিগঞ্জে দুই ফল ব্যবসায়ীকে মোট ৪ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।রোববার (০১ মার্চ) দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত হাটলক্ষ্মীগঞ্জ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন অধিদপ্তরের মুন্সীগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ।অভিযানকালে বিসমিল্লাহ ফলের আড়ত-এ মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক আফজাল হোসেনকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই অপরাধে বিসমিল্লাহ বাণিজ্যালয় নামক অপর একটি ফলের দোকানের মালিক মো. শাহীনকেও ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এছাড়া হাটলক্ষ্মীগঞ্জ এলাকার বিভিন্ন ফলের দোকানে তদারকিমূলক বাজার মনিটরিং করা হয়। এ সময় ফলের মূল্য তালিকা ও ক্রয় রশিদ যাচাই করা হয় এবং ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।অভিযানে সহযোগিতা করেন জেলা স্যানিটারি পরিদর্শক মো. জামাল উদ্দিন মোল্লা এবং মুন্সিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন আনসারের একটি দল।এসআর
নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা, আসামিপক্ষে দাঁড়ালেন না কোনো আইনজীবী
নরসিংদীতে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার আলোচিত মামলায় প্রধান আসামি নূর মোহাম্মদ নূরাসহ গ্রেপ্তার সাত আসামির ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।রবিবার (০১ মার্চ) বেলা ১২ টার দিকে নরসিংদী জেলা দায়রা জজ আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (২য়) মো. মেহেদী হাসানের আদালত এই আদেশ দেন। আদালতে আসামি পক্ষের কোনো আইনজীবী দাঁড়াননি।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাধবদী থানার ওসি (তদন্ত) মো. ওমর কাইয়ুম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।জানা যায় শুক্র ও শনিবার দুদিনে সাত আসামির ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ বেলা সাড়ে ১১টায় নরসিংদী জজ কোর্টের ২য় জুডিশিয়াল আদালতে তোলা হয় গ্রেপ্তারকৃত ৭ আসামিকে। বাদী পক্ষে স্বপ্রণোদিত হয়ে আইনজীবী আদালতে দাঁড়ালেও আসামি পক্ষের কোনো আইনজীবী দাঁড়াননি।এর আগে, ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় শুক্রবার দিনগত রাতে গাজীপুরের মাওনা চৌরাস্তা থেকে নূরা এবং একই সময়ে ময়মনসিংহের গৌরিপুর থেকে হযরত আলীকে গ্রেপ্তার করে নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। বৃহস্পতিবার নিহত কিশোরীর মা ফাহিমা বেগমের দায়ের করা মামলায় এখন পর্যন্ত ৯ আসামির মধ্যে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাধবদী থানার ওসি (তদন্ত) মো. ওমর কাইয়ুম বলেন, ‘মামলার এজাহারের প্রেক্ষিতে ধর্ষণে সরাসরি জড়িত চারজন এবং মীমাংসার নামে বিচার কার্যে সহায়তাকারী সাবেক মেম্বারসহ তিনজনসহ ৭ আসামিকে গ্রেপ্তারের পর ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালত ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। পলাতক বাকী দুই আসামিকেও দ্রুতই গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।’নরসিংদী জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আব্দুল মান্নান ভুইয়া বলেন, ‘আইনজীবী সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ মামলায় কোনো আইনজীবী আসামি পক্ষকে আইনি সহায়তা দেবে না, রাষ্ট্রপক্ষকে সার্বিক সহায়তা করবে। পুলিশ আন্তরিক হয়ে মামলাটির দ্রুত চার্জশিট দিলে ৬ মাসের মধ্যে মামলাটি শেষ করতে পারব বলে আমরা আশাবাদী। এ মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’উল্লেখ্য ২৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার রাতে বাবার কাছ থেকে আমেনাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় প্রধান আসামি নূরা ও তার সহযোগীরা। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মাধবদী থানার কোতালিরচর দড়িকান্দি এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না পেচানো মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।এসআর
মা হারালেন বিমানমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা এমপি'র মমতাময়ী মা এবং সাবেক মন্ত্রী, সাবেক সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট শিল্পপতি, মুন্নু গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মরহুম হারুনার রশিদ খান মুন্নুর সহধর্মিনী হুরন নাহার রশিদ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।রবিবার (০১ মার্চ) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে দুই কন্যা যথাক্রমে আফরোজা খানম রিতা এমপি এবং পারভিন বেগম এবং তিন নাতি, দুই জামাতা, ভাই বোনসহ অনেক আত্মীয়-স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।মরহুমার নামাজে জানাজা রবিবার বাদ আসর মানিকগঞ্জের মুন্নু সিটিতে অবস্থিত মুন্নু মেডিকেল কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।অতঃপর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে স্বামী মরহুম হারুনার রশিদ খান মুন্নুর কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন। তাঁর মৃত্যুতে মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির, মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মঈনুল ইসলাম খান শান্ত, টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি বিএম খোরশেদ, সাধারণ সম্পাদক আশরাফূল আলম লিটনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।এসআর
হিজলায় মেঘনা নদী থেকে পৌনে ২ লাখ টাকার অবৈধ জাল জব্দ
বরিশালের হিজলায় ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মেঘনা নদীতে মৎস্য অধিদপ্তর ও কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে প্রায় ৩৪ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।রবিবার (১ মার্চ) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এই অভিযান চালানো হয়। বিকেলে অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন হিজলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম।তিনি জানান, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রজনন মৌসুমে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরার ওপর সরকারের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা বর্তমানে কার্যকর রয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের দ্বিতীয় দিনে মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা।অভিযান শেষে জব্দকৃত অবৈধ জালগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এই যৌথ অভিযানে নেতৃত্ব দেন কোস্ট গার্ডের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মো. সোহেল রানা এবং সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম। অভিযানে নৌবাহিনীর সদস্যরাও অংশ নেন।উল্লেখ্য, জাটকা রক্ষা ও ইলিশের বংশবিস্তার নির্বিঘ্ন করতে নির্দিষ্ট মেয়াদে দেশের নদ-নদীতে সব ধরনের জাল ফেলা ও মাছ ধরার ওপর এই কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার।এনআই
পাথরঘাটায় পরিত্যক্ত মহিলা মার্কেট দখলের পাঁয়তারা
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার খলিফারহাট বাজারে একটি পরিত্যক্ত সরকারি মহিলা মার্কেট দখলের পাঁয়তারা করছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল। এমনকি মার্কেটটি ভেঙে ফেলার জন্য প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদনও জানিয়েছে তারা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জমির দাতা ও বাজার কমিটির মধ্যে দ্বন্দ্বে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালে স্থানীয় নারীদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে বাজার সংলগ্ন এলাকায় ‘মহিলা মার্কেট’ নির্মাণ করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকার পর সম্প্রতি বাজার কমিটি ও ইউনিয়ন পরিষদ এটি সংস্কারের উদ্যোগ নিলে বাধা হয়ে দাঁড়ায় একটি পক্ষ।চরদুয়ানি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন দ্বন্দ্বের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “পরিত্যক্ত মহিলা মার্কেটটি পুনরায় সচল করার জন্য আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। কিন্তু একটি পক্ষ এটি ভেঙে ফেলার চেষ্টা করায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বাজারের স্বার্থে এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য এই মার্কেটটি চালু হওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন।”খলিফারহাট ব্যবসায়ী বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মৃধা বলেন, “মার্কেটটি সংস্কার করে বরাদ্দ দেওয়ার জন্য আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে আবেদন করেছি। প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদ যৌথভাবে বরাদ্দ দিলেও একটি পক্ষের বাধার কারণে সংস্কার কাজ থেমে আছে। আমাদের দাবি, দ্রুত এটি সংস্কার করে স্থানীয় নারী উদ্যোক্তাদের নামে বরাদ্দ দেওয়া হোক।”মার্কেটের জমির পূর্বের মালিক কাঞ্চন আলী জানান, সাবেক চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে তিনি এই জমিটি মহিলা মার্কেটের জন্য দান করেছিলেন। তবে পরবর্তীতে জমিটি স্থানীয় ব্যবসায়ী কাইয়ুম মাঝির কাছে বিক্রি করেন তিনি।এ বিষয়ে কাইয়ুম মাঝি বলেন, “২০২৩ সালে আমি এই জমিটি কিনেছি। যেহেতু মার্কেটটি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত, তাই এটি ভেঙে ফেলার জন্য ইউএনও বরাবর দরখাস্ত দিয়েছি। এখন অন্য একটি পক্ষ এটি সংস্কার করে চালু করতে চাইছে।”পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইশরাত জাহান বলেন, “খলিফারহাট মহিলা মার্কেটটি বর্তমানে কী অবস্থায় আছে তা খতিয়ে দেখে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”এনআই
সরকারি জমি দখলে লাখ টাকার লেনদেনে কার্যসহকারী, অতিষ্ঠ স্থানীয়রা
বরগুনার পাথরঘাটায় সরকারি জমি দখলে দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্য সহকারী মামুন এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও কোন সমাধান না পাওয়ায় সাধারন মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ সরকারী দপ্তরের এক মামুনেই পাথরঘাটার মানুষ অতিষ্ট হয়ে পরেছে। খোজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের পদ্মা, টেংড়া বাজারের পাশে, নাচনাপাড়া, কাকচিড়া, বাইনচটকি, কালমেঘা, জ্ঞানপাড়া কাঞ্চুরহাট, চরদোয়ানী ইউনিয়নের, মাছের খাল বাজার, বান্ধাঘাটাসহ একাধিক স্থানে হাট-বাজার গড়ে উঠেছে। বেরীবাধের উপরে অনেকেই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। বিভিন্ন স্থানে বেরীবাধের ঢালে ভূমিহীন পরিবারগুলো ঘর তুলে বসবাস করছেন। এসব স্থানগুলোতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পাথরঘাটা অফিসের মামুনকে ম্যানেজ করে বহুতল ভবন ও ছোটবড় অসংখ্য স্থাপনা গড়ে উঠছে। এসব ভবন গুলোর প্রত্যেকটি থেকে মোটা অংকে টাকা দিয়ে পানি উন্নয় বোর্ড অফিসের মামুনকে ম্যানেজ করে কাজ করেছেন বলে জানা গেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভুক্তেভোগীরা জানান, পাথরঘাটা পৌরশহরের ৭ নম্বর ওয়াডে প্লট বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। সেখানে স্থাপনার কাজ করছেন কিছু লোক। তাদের কাছে জানতে চাইলে বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিসের মামুনকে টাকা দিয়েই কাজ করছেন। অপর দিকে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নে নিজলাঠিমা টেংরা বাজারে গ্রামে বেরিবাদের উপর বনয়নের হাজারো চারা গাছ কেটে ঘর উত্তোলন করার। এসব ঘর তোলার অনুমতি দিছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড। ঘর উত্তোলনের সময় বন বিভাগ অনেক বাধা দিলও মামুনের কথা বলে রাতের আধারে ঘর তুলেছে। তারা আরো জানান, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষদের ম্যানেজ করে তারা দোকান ঘর উত্তোলন করছেন। এসব ঘর তুলতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মামুনকে প্রতি ঘরে প্রায় ৩৫ হাজার থেকে শুরু করে লাখ টাকা দিতে হয়েছে। এমন দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। জাহাঙ্গীর হেসেন বলেন, তার কাছে ২ লাখ টাকা চেয়েছে মামুন, তিনি ৫০ কাজার দিতে চাওয়ায় ঘরে উঠতে পারেন নাই। পরে এমাদুল গাজী ২ লাখ টাকা দেয়ার পরে তাকে দিয়ে দিয়েছে। সে এভাবেই সরকারী জমি বিক্রি করে চলছেন। পাথরঘাটা বন বিভাগের সদর বিট কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই বলেন, বন বিভাগের মামুন বিভিন্ন সময় সরকারি জমি টাকার বিনিময় অনেককে দখলে দিয়েছেন, এমনকি আমাদের বনের গাছ কেটেও আর্থিক লেনদেন করেন। বিভিন্ন স্থানে সংরক্ষিত বনায়নের ছোট ছোট চারা গাছ নস্ট করে লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে দোকান তোলার প্লট দিয়েছেন। বিষয়টি সম্পর্কে আমরা আরো আগেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছি।পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম সগীর জানান, সে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে টাকা পয়সা নিয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে ঘর উঠানোর অনুমতি দিয়েছে। তার বিরুদ্ধে অনেক লোকে আমার কাছে বলেছে। অভিযোগের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পাথরঘাটার কার্য সহকারী মো. মামুনের সাথে কথা তার অফিসে গেলে তিনি সংবাদিকদের সাথে কোন কথা বলবেন না বলেই স্থান ত্যাগ করেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরগুনা জেলা নির্বাহী প্রকৌশালী আব্দুল হান্নান বলেন, আমাদের জমি বিভিন্ন জায়গায় দখল হয়ে যাচ্ছে এমন অভিযোগ পাচ্ছি। তবে মামুন যে আমাদের নাম বলে টাকা নিচ্ছে এটা আমাদের জানা নেই। সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।এসআর
আমতলীতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরাতন ভবনের পলেস্তার ধস, আতঙ্কে রোগীরা
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর মূল ভবনের একটি বীমের পলেস্তারা ধসে পড়ায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শনিবার (১ মার্চ) রাতে এ ঘটনা ঘটলে অর্ধশতাধিক রোগী হাসপাতাল ত্যাগ করে বাইরে রাত যাপন করেন।জানা গেছে, ১৯৮৯ সালে স্বাস্থ্য বিভাগ ভবনটি নির্মাণ করে। প্রায় ৩৭ বছর ধরে এই ভবনেই চিকিৎসাসহ সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। শুক্রবারের ভূমিকম্পে ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে ভবনের দ্বিতীয় তলায় একটি বীমের অংশ ভেঙে পলেস্তারা নিচে পড়ে, যা এক রোগীর গায়ে লাগে। এতে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা খেকুয়ানী গ্রামের তানিয়া আক্তার বলেন, “বীম ধসে পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই সবাই বেড ছেড়ে বাইরে চলে যায়। আমিও আমার সন্তানকে নিয়ে বাইরে রাত কাটিয়েছি।ছোট নীলগঞ্জ গ্রামের রোগী মোর্শ্বেদা জানান, “রাতে ভবন থেকে শব্দ শুনে দ্রুত নিচে নেমে যাই। পরে দেখি অন্যরাও বের হয়ে গেছে।” রোগীর স্বজন মো. শাহীন বলেন, “আতঙ্কে সব রোগী বেড ছেড়ে বাইরে চলে যান। কেউ আর সেদিন রাতে ভেতরে ফেরেননি।হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স ও ওয়ার্ড ইনচার্জ মোসাঃ মোর্শ্বেদা বেগম জানান, ভবনের ফাটা অংশ ভেঙে পড়ে। বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ চিন্ময় হাওলাদার বলেন, ভূমিকম্পে পুরাতন ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরেছে। বিষয়টি স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও বরগুনা সিভিল সার্জন কার্যালয়-কে জানানো হয়েছে।বরগুনা সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন সংস্কারের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) অনুমোদন হলে দ্রুত সংস্কার কার্যক্রম শুরু করা হবে।এদিকে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চিকিৎসা কার্যক্রম চালু থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দ্রুত সংস্কার বা বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন রোগী ও স্বজনরা।পিএম
সেতু আছে, নেই সংযোগ সড়ক
মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের পাখিমারা খালের ওপর নির্মিত সেতুটি পাঁচ বছর পার হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় প্রায় ১০ গ্রামের মানুষের যাতায়াতে দেখা দিয়েছে চরম ভোগান্তি। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময় শেষ হলেও সম্পূর্ণ হয়নি সেতুটির নির্মাণকাজ। এদিকে সংযোগ সড়ক না থাকায় বাঁশের মই বেয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের। এতে বিভিন্ন সময়ে ঘটছে দুর্ঘটনা। সেতুটি এখন এলাকাবাসীর কাছে মরার ওপর খরার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণের দাবি স্থানীয়দের।এদিকে, সংযোগ সড়ক না হওয়ায় সেতুটি কোনো কাজে আসছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে সেতুর দুই পাশে বাঁশের মই তৈরি করে কোনোরকমে চলাচলের ব্যবস্থা করেছে। সেতুর এক পাশে রয়েছে বাঁশতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আজিজ ভাট্টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি বাজার, মাদরাসাসহ গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা। সংযোগ সড়ক না থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানে যেতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন বাঁশের মই বেয়ে সেতুতে উঠতে হচ্ছে।স্থানীয়রা জানান, অন্তত ১০টি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ এই সেতুর ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে শিশু, নারী ও বয়স্কদের চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাঁশের মই দুলতে থাকায় প্রায়ই পা পিছলে পড়ে গিয়ে আহত হওয়ার ঘটনা ঘটছে।সুন্দরবন ইউনিয়নের বাসিন্দা শিক্ষক জামাল ফরাজি বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে এ সেতু। তবে সেতু নির্মাণের পাঁচ বছরেও তৈরি হয়নি সেতুর দুইপাশে চলাচলের রাস্তা। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা সেতুটি সংযোগ সড়ক ছাড়া অচল পড়ে আছে। দ্রুত জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তিনি বলেন, আমরা গ্রামবাসী বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।স্থানীয় বাসিন্দা কালাম শিকদার বলেন, সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় আগে। কিন্তু জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত জটিলতার কারণে এখনো সংযোগ সড়ক হয়নি। এতে আমাদের দুর্ভোগের শেষ নেই।জমিলা বেগম নামের আরেক বাসিন্দা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই সেতুটির জন্য কষ্ট করছি। দুই পাশে বাঁশের মই দিয়ে চলাচল করতে হয়। আমার স্বামী মই থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন। অনেকেই পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন। ছোট ছোট বাচ্চারা ভয় নিয়ে এই ঝুঁকিপূর্ণ পথে স্কুলে যাচ্ছে। আমরা দ্রুত রাস্তা নির্মাণের দাবি জানাই।আজিজ ভাট্টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমন হাওলাদার জানায়, মই বেয়ে সেতু পার হতে তার খুব ভয় লাগে। ওপর উঠলে মই দুলতে থাকে।বাঁশতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী তন্নি বলে, স্কুলে যেতে হলে এই ব্রিজটি পার হতে হয়। মইটা অনেক উঁচু, আমাদের খুব ভয় লাগে।স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে মোংলার সুন্দরবন ইউনিয়নের পাখিমারা খালের ওপর নির্মাণকাজ শুরু হয় পাখিমারা সেতুর। সেতুটির নির্মাণকাজ করেছে পটুয়াখালীর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স আবুল কালাম আজাদ। এলজিইডির পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৯০ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটির কাজ শেষ হয় ২০২১ সালে। ছয় কোটি ৩২ লাখ ৭৩ হাজার ৫২২ টাকা ব্যয়ে সেতুর মূল কাঠামো শেষ হলেও দুই পাশের সংযোগ সড়কের নির্মাণকাজ এখনো শুরু হয়নি। এ ব্যাপারে বাগেরহাট স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রকৌশলী মো. মশিউর রহমান বলেন, সেতুটির নির্মাণকাজ করেছে পটুয়াখালীর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স আবুল কালাম আজাদ। জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত জটিলতার কারণে এখনো সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। তবে সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত সমাধান হবে আশা করি।এসআর
গৌরীপুরে ব্রিজের সংযোগ সড়কে মাটির বদলে বালু, স্থানীয়দের ক্ষোভ!
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নে সুরিয়া নদীর ওপর নির্মাণাধীন একটি গার্ডার সেতুর সংযোগ সড়কে মাটির পরিবর্তে বালু ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এমন কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের আশঙ্কা, বালু দিয়ে তৈরি সংযোগ সড়কটি বর্ষার মৌসুমে ধসে গিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাক্কলন মূল্য ৯৭ লক্ষ ৩৮ হাজার ৫৩০ টাকা ব্যায়ে ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের গার্ডার সেতু নির্মাণের কাজটি পেয়েছে মেসার্স বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়কে মাটির বদলে পাশের আবাদি জমি থেকে বালু উত্তোলন করে ভরাট করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল গফুর জানান, “বালু দিয়ে সড়ক করলে বৃষ্টির সময় তা স্রোতে ভেসে যাবে। এতে সরকারের টাকা যেমন নষ্ট হবে, আমাদের ভোগান্তিও বাড়বে।”অন্য এক বাসিন্দা মো. সোহাগ মিয়া জানান, “আমরা জানতাম মাটি দিয়ে ভরাট করা হবে, কিন্তু এখানে বালু দেওয়া হচ্ছে। আমি মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাই যেন তদন্ত করে সঠিক উপায়ে কাজটি শেষ করা হয়।”অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদার সাইফুল ইসলাম বলেন, “লোকাল মাটি দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। আমি বর্তমানে যা পাচ্ছি তাই দিচ্ছি। জমির মালিকের কাছ থেকে বালু ও মাটি কিনে নিয়েছি।”এব্যাপারে কথা হয় (পিআইও) অফিসের উপ সহকারী প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে তিনি জানান, ”বালু ভরাট করে সংযোগ সড়ক স্থাপনের কোনো সুযোগ নেই। নিয়ম অনুযায়ী মাটি দিয়ে ভরাট করতে হবে এবং দুই পাশে গাইড-ওয়াল নির্মাণ করতে হবে।”এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ আলাল উদ্দীনের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আফিয়া আমীন প্পাপা জানান, বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন। “বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”এসআর
ত্রিশালে বইয়ের দোকানে মাদকের আসর, দুইজনের কারাদণ্ড
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১নং গেট সংলগ্ন একটি বইয়ের দোকানে অভিযান চালিয়ে মাদক সেবনের অপরাধে দুই ব্যক্তিকে কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ১১:৪৫ মিনিটে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ত্রিশাল উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত সিদ্দিকী এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। অভিযানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১নং গেটের কাছের একটি বইয়ের দোকানের পেছনের গোপন কক্ষ থেকে মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জামসহ দুইজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেন ওই ঘরটিতে নিয়মিত মাদকের আসর বসত। উপস্থিত স্থানীয় জনগণের সামনেই তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করে। আটককৃতদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দণ্ড প্রদান কর হয়েছে। মোঃ মোশারফ হোসেন (৩৫) তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মোঃ মানিক মিয়া (৩২):তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকী জানান, মাদক নির্মূলে উপজেলা প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান জিরো টলারেন্স নীতিতে অব্যাহত থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো স্পর্শকাতর এলাকার আশেপাশে এ ধরনের অনৈতিক কার্যক্রম কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।এসআর
নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার আসামী গৌরীপুরে গ্রেফতার
দেশজুড়ে আলোচিত নরসিংদীর মাধবদীতে কিশোরীকে ধর্ষণ ও বাবার নিকট থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যার অভিযোগে হযরত আলী নামের এক আসামীকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে।গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সালাহ উদ্দিন করিম।তিনি জানান, অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আসামীর লোকেশান নিশ্চিত হয়ে গৌরীপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় নরসিংদী ডিবি পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে এ আসামীকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, হযরত আলী নরসিংদীর মাধবদীতে ভ্যানচালাতো। ওই এলাকায় গৌরীপুর উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের হাফিজ উদ্দিনের দু’পুত্র গার্মেন্টে চাকুরি করে। চাকুরীর সুবাধে এ হয়রত আলীর সাথে পরিচয় হয়। এ পরিচয়ের সূত্র ধরেই আত্মগোপন করতে এ এলাকায় হযরত আলী আশ্রয় নেয়। গৌরীপুর থানার থানার সাবইন্সপেক্টর মো. জামাল উদ্দিন জানায়, চতুর হযরত আলী আত্মগোপন করতে প্রায় ২০কিলোমিটার দূর সোহাগী এলাকায় ওর ব্যবহৃত সীম ফেলে রেখে আসে। এ ইউনিয়নের ছিলিমপুরের সোহাগবাজার মোড়ে বসে চা’খাওয়ার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। গত বৃহস্পতিবার মাধবদী উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বিলপাড় ও দড়িকান্দির মাঝামাঝি একটি সরিষা খেত থেকে ওই কিশোরীর লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত কিশোরী মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বিলপাড় এলাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকত। তার বাবা টেক্সটাইল কারখানার শ্রমিক।পুলিশ, নিহত কিশোরীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয়ভাবে বখাটে হিসাবে পরিচিত নূরা নামের এক তরুণের সঙ্গে ওই কিশোরীর কথাবার্তা হতো। ১৫ দিন আগে বাসায় ফেরার পথে ওই কিশোরীর মুখ চেপে ধরে নূরার নেতৃত্বে পাঁচ-ছয়জন তরুণ তুলে নিয়ে যায়। তখন তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনার বিচারের জন্য মহিষাশুড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আহমদুল্লাহর শরণাপন্ন হয় কিশোরীর পরিবার। তবে তারা বিচার পাননি। তাদের এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়েছিল।অন্যদিকে সাবেক ইউপি সদস্যের কাছে অভিযোগ করায় ক্ষুব্ধ হয় নূরাসহ অন্য তরুণরা। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার রাতে মেয়েকে খালার বাড়িতে রেখে আসতে যাচ্ছিলেন বাবা। পথে বিলপাড় এলাকায় পৌঁছালে নূরার নেতৃত্বে ছয় তরুণ ওই কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়। রাতভর বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি পরিবারের সদস্যরা। পরে বৃহস্পতিবার সকালে বিলপাড় ও দড়িকান্দি এলাকার মাঝামাঝি একটি সরিষা খেতে ওই কিশোরীর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে মাধবদী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।নিহত কিশোরীর বাবা জানান, নূরার নেতৃত্বে ৫/৬ জন লোক আমার কাছ থেকে মেয়েকে তুলে নিয়ে যায়। পরে আমরা তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও রাতে আর পাইনি। সকালে আমরা জানতে পারি মেয়ের লাশ পড়ে আছে। আমার সন্তানকে যারা হত্যা করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।কিশোরীর বড় ভাই বলেন, ‘মেম্বার সাহেব বলছিল, মীমাংসা কইরা দিব। এছাড়া মীমাংসার পর এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলছিল। আমরা তারে বলছিলাম, ১ তারিখে এলাকা ছেড়ে চলে যাব। বুধবার রাত ৮টার দিকে আব্বা তারে নিয়া খালার বাড়ি যাচ্ছিল। পথে বিলপাড় এলাকা পার হওয়ার সময় তাদের দেখতে পেয়ে এগিয়ে আসে নূরাসহ ছয়জন। পরে তারা আমার বোনকে তুলে নিয়ে যায়। সারাটা রাত তারে খুঁজছি। আজ সকালে সরিষা খেতে তার লাশ পাইলাম।’ঘটনার পর অভিযুক্ত নূরাসহ তরুণরা গা ঢাকা দিয়েছে। কিশোরীর লাশ উদ্ধারের পর সাবেক ইউপি সদস্য আহমদুল্লাহকে এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে না। ফোন বন্ধ রাখায় অভিযোগের ব্যাপারে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি মেয়েটির সঙ্গে নূরার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এটি মেয়েটির পরিবার মেনে নেয়নি। বুধবার তাকে বাবার কাছ থেকে নূরা তুলে নিয়ে গিয়েছিল বলে জেনেছি। পরে সকালে লাশ পাওয়া যায়।এসআর
ফুলপুরে ফিশারির পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষকের স্বপ্ন
ময়মনসিংহের ফুলপুরে ফিশারির পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষক আল আমিনের স্বপ্ন। বৃহস্পতিবার(২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে ফুলপুর উপজেলার ভাইটকান্দি ইউনিয়নের বড়শুনই গ্রামে এক মাছ চাষির খামারের পানি পাশের জমিতে ছেড়ে দেওয়ার ফলে এই ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে।জানা যায়, স্থানীয় মাছ চাষি সারোয়ার গত বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর ফিশারির পানি পাশের ধানক্ষেতে ছেড়ে দেন। এতে পার্শ্ববর্তী জমির কৃষক আল আমিনের ৩৮ শতাংশ জমিতে চাষ করা শসা ও টমেটো ক্ষেত সম্পূর্ণ পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে জমির ফসলগুলো পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে এবং চরম বিপাকে পড়েছেন ওই কৃষক।ভুক্তভোগী আল আমিন জানান, ধারদেনা করে আবাদ করা শসা ও টমেটো ক্ষেতগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় তাঁর প্রায় ৩ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখন পরিবার নিয়ে কীভাবে চলবেন, তা নিয়ে তিনি দিশেহারা।এ বিষয়ে প্রতিকার ও ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ পেতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), মৎস্য কর্মকর্তা ও কৃষি কর্মকর্তার জরুরি হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।এনআই
বিমানের ভাড়া কমাতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া ও টিকিটের মূল্য কমাতে সরকার কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, একসময় রাষ্ট্রীয় সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স একটি ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল। পরবর্তীতে এর আর্থিক ক্ষতির কারণগুলো বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে লাভজনক করার পাশাপাশি বিমান ভাড়া কমানো সম্ভব বলে সরকার মনে করছে।তিনি আরও বলেন, সবার আন্তরিকতা থাকলে বিমানের টিকিট সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনা সম্ভব। সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে।প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের কয়েকটি বিমানবন্দর বর্তমানে বন্ধ রয়েছে, যেগুলো অতীতে বিভিন্ন কারণে কার্যক্রমহীন হয়ে পড়ে। ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী ও বগুড়ার বিমানবন্দর পুনরায় চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে নতুন কোনো বিভাগে বিমানবন্দর স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হলে ময়মনসিংহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।এ সময় সাংবাদিক নাদিম হত্যা মামলার অগ্রগতি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মামলাটির বিচার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সরকার আন্তরিক এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।মতবিনিময় সভায় জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জেলা প্রশাসক মো. ইউসুফ আলী, পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেকসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।ইখা
নীলফামারীতে ভিসা প্রতারণা ও অনলাইন জুয়া চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
নীলফামারীতে অনলাইন ভিসা প্রতারণা ও জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সাত জনকে গ্রেপ্তার করেছে নীলফামারী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রবিবার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মতলুবর রহমান।এ সময় তাদের কাছ থেকে ভিসা প্রতারণায় ব্যবহৃত ১১টি মোবাইল ফোন এবং তিনটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।গ্রেপ্তাররা হলেন, কিশোরগঞ্জ উপজেলার মো. আদর আলী (২৪) ও মো. মনিরুজ্জামান সজীব (২৫), জলঢাকা উপজেলার শাহ মোহাম্মদ বুলেট (২৫), মো. রাকিবুল হাসান লাবিব (১৯) ও মো. সিরাজ উদ্দিন (২৩) এবং নীলফামারী সদর উপজেলার মো. হাসান আল ফিরোজ ছোটন (২৪) ও মো. আহসান হাবিব হাসান (২৪)।ডিবি পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল শনিবার জলঢাকা থানাধীন টেঙ্গনমারী বাজার এলাকায় এক চায়ের দোকানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা মোবাইল ফোনগুলোতে অনলাইন ভিসা প্রতারণা সংক্রান্ত নানা আলামত পাওয়া যায়। এছাড়া ফোনগুলোতে অনলাইন জুয়ার অ্যাপস ও বেটিং অ্যাকাউন্ট লগ-ইন অবস্থায় ছিল বলে জানায় পুলিশ।ডিবি ওসি মো. মতলুবর রহমান বলেন, ‘উদ্ধার করা আলামত যাচাই করে তাদের অনলাইন ভিসা প্রতারণা ও জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।’তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা রুজু করে রবিবার দুপুরে গ্রেপ্তারদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।’এফএস
তারাগঞ্জে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে হামিদুল ইসলাম (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।রবিবার (১ মার্চ) বিকেলে উপজেলার খিয়ারজুম্মা বাজারের বাঙ্গালীপুর নামক স্থানে ‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ অনুযায়ী এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানকালে আইনের ১৫(১) ধারা লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে মাটি কাটার অপরাধে উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের দোয়ালীপাড়া গ্রামের মো. ইদ্রিস আলীর ছেলে মো. হামিদুল ইসলামকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন তারাগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা। অভিযান শেষে তিনি জানান, জনস্বার্থে এবং পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।এনআই
চকলেটের প্রলোভনে শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ, যুবক গ্রেফতার
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে সাত বছরের এক শিশুকে চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে রাকিব ইসলাম (২৯) নামে এক নৈশ প্রহরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত রাকিব দেবীগঞ্জ পৌর শহরের কাচারীপাড়া এলাকার রোস্তম আলীর ছেলে এবং তিনি স্থানীয় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে চুক্তিভিত্তিক নৈশ প্রহরী হিসেবে কর্মরত।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস বন্ধ থাকার সুযোগে রাকিব ওই শিশুকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে অফিসের ভেতরে ডেকে নেন এবং ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এই ঘটনায় আজ রবিবার (১ মার্চ) সকালে ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে দেবীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।অভিযোগ পাওয়ার পরপরই দুপুরে দেবীগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাকিবকে গ্রেপ্তার করে। দেবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কে. এম. মনিরুজ্জামান চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্তকে ইতোমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে আগামীকাল তাকে সংশ্লিষ্ট আদালতে সোপর্দ করা হবে।পিএম
বই নেই, কাজ অসম্পূর্ণ: উদ্বোধনের ৩মাস পরও অচল খানসামা লাইব্রেরি
জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন, ভার্চুয়াল সংযোগ, করতালিতে মুখর সভাকক্ষ সবই হয়েছিল। কিন্তু তিন মাস পেরিয়ে গেলেও লাইব্রেরি চালু হয়নি। বই নেই, কাজ অসম্পূর্ণ। দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার পাবলিক লাইব্রেরি এখন প্রশ্নের মুখে।গত বছরের বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) খানসামা উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। সেদিন বক্তারা আশাবাদ প্রকাশ করেছিলেন, লাইব্রেরি হবে শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মের জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ।তবে বাস্তবতা ভিন্ন। এখনও লাইব্রেরির কিছু কক্ষে রঙের কাজ অসম্পূর্ণ, বৈদ্যুতিক সংযোগ ঝুলে আছে। কিছু জানালা এখনো চূড়ান্ত রঙের বাইরে। বুকশেলফ খালি, পাঠ্যপুস্তক কিংবা রেফারেন্স বই নেই। ফলে ভবনের চারপাশে গৃহীত জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের পরও কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি।স্থানীয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা হতাশ। এক কলেজ শিক্ষার্থী বলেন, “উদ্বোধনের সময় আমরা আশা করেছিলাম, পড়াশোনার জন্য পরিবেশ তৈরি হবে। কিন্তু তিন মাস পরও সবকিছু বন্ধ। পাঠকরা লাইব্রেরিতে যেতে পারছেন না, তাই হতাশা বেড়েছে।স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, লাইব্রেরি শুধুমাত্র একটি ভবন নয়, এটি জ্ঞানের আলো ছড়ানোর কেন্দ্র। খালি তাক আর অসম্পূর্ণ দেয়াল দিয়ে সেই আলো জ্বলে না। তাই তারা দাবি করছেন, দ্রুত অবশিষ্ট কাজ শেষ করা হোক এবং বই সংগ্রহের জন্য আলাদা বরাদ্দ দেওয়া হোক।উপজেলা বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, এই লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জন্য জ্ঞানচর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হতে পারবে। ৫৩ লাখ টাকার এই প্রকল্প যাতে কেবল আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না থাকে, তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের তৎপরতা অপরিহার্য।প্রকল্পের ঠিকাদার বেলাল হোসেন বলেন, “ইউএনও স্যার ফোন করে বলেছেন, এ মাসের মধ্যেই সব কাজ শেষ করতে হবে। আমি দ্রুত কাজ এগিয়ে নিচ্ছি। আশা করি নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে পারব।সরেজমিনে দেখা গেছে, ভবনের ভেতরে নির্মাণ সামগ্রীর চিহ্ন এখনও রয়ে গেছে। কিছু কক্ষে জানালার রঙ কাজ হয়নি। বৈদ্যুতিক সংযোগ অসম্পূর্ণ। ভবনের মূল কাঠামোগত কাজ শেষ হলেও, কার্যক্রম শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় ছোটখাটো কাজগুলো এখনো বাকি।এমন পরিস্থিতিতে খানসামাবাসী মনে করছেন, উদ্বোধন জাঁকজমকপূর্ণ হলেও লাইব্রেরি চালু না হওয়ায় প্রকল্পটি জনমনে বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে। তাদের দাবি, নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করে লাইব্রেরি খোলা হোক এবং বই পৌঁছে যাক, যাতে এটি শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের জন্য কার্যকর একটি জ্ঞানকেন্দ্রে পরিণত হয়।উপজেলা প্রকৌশলী মো. নুরুল ইসলাম বলেন, মূল নির্মাণকাজ প্রায় শেষ। জানালার থাই রঙ এবং ইলেকট্রিকের কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো সম্পন্ন হলেই লাইব্রেরি পুরোপুরি ব্যবহারযোগ্য হবে।তিনি আরও জানান, বই নিয়ে উদ্বেগ করা অযথা। লাইব্রেরির জন্য আলাদা বরাদ্দ প্রয়োজন। নির্মাণ বাজেটের সঙ্গে বই কেনার অর্থ নেইউপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামরুজ্জামান সরকার বলেন, “ঠিকাদারকে ডাকা হয়েছে। আমরা চাই, গুণগত মান ঠিক রেখে কাজ শেষ হোক। তাড়াহুড়া করে নিম্নমানের কাজ গ্রহণ করা হবে না। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য মানসম্মত একটি লাইব্রেরি প্রয়োজন।এ মুহূর্তে খানসামার নজর লাইব্রেরির দরজার দিকে। সবার আশা কবে খুলবে দরজা, কবে ভরে উঠবে খালি তাকগুলো। শিক্ষার্থীদের জন্য এক সময়ের প্রতিশ্রুতির জ্ঞানকেন্দ্র যেন অবশেষে বাস্তবতা হয়।এসআর
স্বামী পরিত্যাক্তা মানসিক ভারসাম্যহীন রেখা রানীর রাত কাঁটে খোলা আকাশের নিচে
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়নের উত্তর চাঁদখানা বগুলাগাড়ী কামার পাড়া গ্রামের স্বামী পরিত্যাক্তা মানসিক ভারসাম্যহীন রেখা রানীর (২০) রাত কাঁটে একটি ঘরের অভাবে খোলা আকাশের নিচে। তার বাবার নাম মৃত তরণি রায় ও মায়ের নাম মৃত পূর্ণিমা রানী রায়।বাবা-মা কেউ বেঁচে নেই তার। এক ভাই ও এক বোন রেখা রানীরা। ভাইয়েরও তেমন কিছু নেই। একটি কোম্পানিতে লেবারের কাজ করে যা পান তাই দিয়ে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে কোনরকম জীবনযাপন করেন। বিয়ের আগে মাথার কোন সমস্যা ছিলো না রেখা রানীর। সে খুব ভালো মেয়ে ছিলো বলে জানান তার গ্রামের নমিতা নামের এক প্রতিবেশি। রেখা রানী অশ্রুভেজা চোখে বলেন, আমার মা-বাবা বেঁচে নেই। স্বামী বেঁচে থেকেও নেই। স্বামী পাগল ছিলো। তার পরিবারের লোকজন আমাকে বিভিন্ন যন্ত্রণা দিয়ে তাদের বাড়ী থেকে বের করে দিয়েছে। আমার যে মেয়েটা ছিলো সেই মেয়েটা ওর বাবার কাছে আছে। আমার ভাই কষ্ট করে জীবনযাপন করে। আমাকে কিভাবে খাওয়াবে? আমার থাকার চালাটা মাটিতে পরে গেছে৷ আমার খাওয়ার কিছু নেই। থাকার ঘর নেই। গোসলের জন্য জায়গা নেই, টিউবওয়েল নেই। কেউ যদি আমার গরীবের এই উপকার করে তাহলে ভগবান তার ভালো করবে। আমি তার জন্য আশির্বাদ করবো ভগবানের কাছে।প্রতিবেশি নমিতা রায় বলেন, 'রেখা বিয়ের আগে খুবই ভালো ছিলো। তার কোন শারীরিক সমস্যা ছিলো না। তার ভাই দেখেশুনে তাকে বিয়ে দিয়েছিলো পাশের এলাকা তারাগঞ্জ বাজারের গোয়ালপাড়াতে। বিয়ের পর তার একটি মেয়ে সন্তান হয়। এরপর রেখা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পরে। ওর দিকে তাকালে খুব খারাপ লাগে। সারাদিন খেয়ে না খেয়ে থাকে। থাকার ঘর নেই। টিউবওয়েল নেই৷ একটি চালা ছিলো সেই চালাটাও ভেঙে মাটিতে পরে আছে। ওর এত কষ্ট চোখের সামনে দেখে মাঝে মাঝে আমি তাকে ডেকে নিয়ে বাড়িতে ভাত খাওয়াই।'আর এক প্রতিবেশি মাহী রায় বলেন, ' আমি ওর বাড়ির পাশ দিয়ে রাস্তায় চলাচল করি। আমি তারাগঞ্জ বাজারের একটি কসমেটিক দোকানে কাজ করি। আমি দেখি রেখা রানী ভাঙা চালাটার কোনে বসে থাকে। এখন দেখছি সেই ভাঙা চালাটাও পরে গেছে মাটিতে। রেখার থাকার ঘর নেই, গোসলের স্থান নেই, টিউবওয়েল নেই, খাবারের ব্যবস্থা নেই। কম বয়সী একটা মেয়ে। বয়স আনুমানিক ২০ বছর হবে। এই অল্প বয়সেই মা-বাবা হারা স্বামী পরিত্যাক্তা মেয়েটার কষ্ট দেখে খুবই খারাপ লাগে। আমি নিজেও অন্যের দোকানে কাজ করে খাই। আমার সাহায্য করার মত তেমন কিছু নেই। কিন্তু সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে এসে সাহায্য করা উচিৎ। কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তানজিমা আনজুম সোহানিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিয়েও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।এসআর
ভঙ্গুর অর্থনীতির কারণে অযথা খরচ বন্ধ করতে হবে: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন
মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, “বিগত সময়গুলোতে মানুষকে দেখানোর জন্য অযথা অর্থ খরচ করা হয়েছে। আমাদের এসব অপচয় বন্ধ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, একটি ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থার মধ্য দিয়ে আমরা সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছি।”রবিবার (১ মার্চ) দুপুরে নাটোরের লালপুরে নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস-এর শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত কমিটির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।চিনিকলের শ্রমিক-কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবির প্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলকে একটি শৃঙ্খলার (সিস্টেম) মধ্যে নিয়ে আসা হবে। সকল অনিয়ম দূর করে আখচাষি, শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয় করে উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই মিলকে আধুনিকায়নে যা যা করা প্রয়োজন, তার সবটুকুই করা হবে।অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের বকেয়া পেনশনের বিষয়ে তিনি বলেন, “অনেকেই এখন পর্যন্ত পেনশনের টাকা পাননি। আমাকে বিষয়টি ঈদের আগে দেখার জন্য বলা হয়েছে। আমি চেষ্টা করব অতি দ্রুত যেন এই পেনশনের টাকা তাঁদের হাতে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা যায়।”উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন বলেন, “বর্তমানে মিলে প্রতিদিন ১৫শ মেট্রিক টন উৎপাদনের ক্ষমতা রয়েছে। প্রযুক্তি উন্নত করে মিলটি নতুন করে ঢেলে সাজালে উৎপাদন আরও বাড়বে এবং আমরা স্বনির্ভর হতে পারব।” তিনি আরও যোগ করেন, মিলের উৎপাদিত মোলাসেস বাইরে বিক্রি না করে যদি নিজস্ব ডিস্টিলারি তৈরিতে ব্যবহার করা যায়, তবে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পাশাপাশি এই প্রতিষ্ঠানটি আরও উন্নত হবে।অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদ হোসেন ভূঁইয়া, লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জুলহাস হোসেন সৌরভ ও লালপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক হামিদুর রহমান বাবু প্রমুখ।শপথ অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী সুগার মিল পরিদর্শন করেন। পরে তিনি বাগাতিপাড়া উপজেলায় পৌঁছালে পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে তাঁকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। এরপর তিনি বাগাতিপাড়া উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন।এনআই
বাঘায় দই ও মিষ্টির দোকানে অনিয়ম এবং সারের দাম বেশি নেওয়ায় জরিমানা
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌর বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।রবিবার (১ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযান পরিচালনা করেন রাজশাহী জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. বিপুল বিশ্বাস।আদালত সূত্রে জানা গেছে, আড়ানী বাজারের ‘পাল মিষ্টান্ন ভাণ্ডার’-এ দইয়ের উৎপাদন ও মেয়াদের তারিখ উল্লেখ না থাকা এবং মিষ্টির মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এছাড়া ‘ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি সার ও কীটনাশকের দোকানে সারের ক্রয়-বিক্রয় রশিদ সংরক্ষণ না করা, টালি খাতায় যথাযথভাবে হিসাব লিপিবদ্ধ না করা এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযান চলাকালে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন।রাজশাহী জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. বিপুল বিশ্বাস জানান, পবিত্র রমজান ও বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকিমূলক অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।এনআই
ঈশ্বরদীতে দাদি-নাতনি খুন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
পাবনার ঈশ্বরদীতে আলোচিত সেই দাদি ও নাতনিকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গতকাল শনিবার হত্যাকাণ্ডের খবর চাউর হওয়ার পর থেকে টানা ২৪ ঘণ্টার অভিযান চালিয়ে আজ রবিবার দুপুরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম মো. শরিফ। তিনি ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের মো. মোফাজ্জলের ছেলে। সম্পর্কে তিনি নিহত দাদি সুফিয়া খাতুনের ভাগ্নে এবং নাতনি জামিলা আক্তারের চাচা হন।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই শরিফ পলাতক ছিলেন। পুলিশ ও ডিবির একটি চৌকস টিম তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরে আসামির দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাতুড়ি, ব্যাইশলি এবং বাঁশের লাঠি উদ্ধার করা হয়েছে।এ বিষয়ে পাবনা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মো. রেজিনুর রহমান বলেন, “এই নির্মম হত্যাকাণ্ড আমাদের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। ঘটনার পর থেকে আমাদের টিম নির্ঘুম অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। এখনো কিছু তদন্ত বাকি থাকায় বিস্তারিত এখনই বলা যাচ্ছে না। বিকেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে (প্রেস ব্রিফিং) হত্যার প্রকৃত কারণ জানানো হবে।”উল্লেখ্য, গত শনিবার সকালে ঈশ্বরদীর ভবানীপুর গ্রাম থেকে দাদি সুফিয়া খাতুন ও তাঁর নাতনি জামিলা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিচারের দাবিতে তীব্র প্রতিবাদ শুরু হয়।এনআই
দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যেই দায়িত্ব নিয়েছি: নাটোরে প্রতিমন্ত্রী পুতুল
মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, বিগত সময় গুলোতে মানুষকে দেখানোর জন্য, শোঅফ করার জন্য অযথা খরচ করা হয়েছে। আমাদেরকে এগুলো বন্ধ করতে হবে। আমাদেরকে মাথায় রাখতে হবে দেশের অর্থনৈতিক ভঙ্গুর অবস্থায় আমরা সরকার পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছি।রবিবার (০১ মার্চ) দুপুরে নাটোরের লালপুরে নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস এর শ্রমিক ইউনিয়নের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের শ্রমিক কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবির প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলকে একটি সিস্টেমে নিয়ে এসে, সকল অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করে আখচাষী, শ্রমিক এবং কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি চমৎকার সমন্বয় করে এই নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের যে প্রোডাকশন ক্ষমতা যে আছে, এই উৎপাদন ক্ষমতাকে আরো বাড়ানোর জন্য এবং একটি আধুনিক সুগার মিল তৈরি করার জন্য যা যা করা প্রয়োজন সবগুলো আমি করব ইনশাআল্লাহ।অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের বকেয়া পেনশনের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের যারা অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীরা আছে তাদের অনেকের এখন পর্যন্ত যে পেনশনের টাকাটা সেটা তাদের কাছে পৌঁছায় নাই। আমাকে বলা হয়েছে ঈদের আগে বিষয়টা দেখার জন্য। আমি চেষ্টা করব ঈদের আগে হোক বা পরে হোক অনতিবিলম্বে যেন এই পেনশনের টাকা তাদের মাঝে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা যায়।তিনি বলেন, সুগার মিলে এখন যে উৎপাদন উৎপাদন ক্ষমতা আছে প্রতিদিন ১৫শ মেট্রিক যদি আমরা এটাকে সিস্টেমে নিয়ে আসতে পারি, প্রযুক্তি উন্নত করতে পারি, যদি আমরা এই সুগার মিল কে নতুন করে ঢেলে সাজাতে পারি তাহলে আমাদের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়তে পারে। উৎপাদন ক্ষমতা বাড়লে আমরা স্বনির্ভর হতে পারি।এসময় উপস্থিত ছিলেন, নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদ হোসেন ভূঁইয়া, লালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুলহাস হোসেন সৌরভ, উপজেলা বিএনপি'র সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুর রহমান বাবু প্রমুখ।এসআর
বগুড়ায় আবাদি জমিতে অবৈধ পুকুর খনন
বগুড়ার শেরপুরে আবাদি জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে অবৈধভাবে পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের খোট্টাপাড়া গ্রামে দিন-রাত পুকুর খনন করায় এবং ডাম্প ট্রাকে মাটি বহনের কারণে গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।সরেজমিনে দেখা যায়, শেরপুর উপজেলা পরিষদ থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে খোট্টাপাড়া গ্রামে গত দুই মাস ধরে প্রায় ১২ বিঘা জমিতে পুকুর খনন চলছে। ভারী ডাম্প ট্রাক চলাচলের কারণে সাধুবাড়ী থেকে ঘোলাগাড়ী পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার পাকা সড়কের পিচ-পাথর উঠে গেছে। এলজিইডি জানায়, ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক মেরামতে অন্তত পৌনে দুই কোটি টাকা প্রয়োজন।স্থানীয়দের অভিযোগ, দিন-রাত ট্রাক চলাচলের শব্দ ও ধুলোয় সাধারণের জীবনযাত্রা বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে। মাটিভর্তি ট্রাকের চাপে একটি কালভার্ট ভেঙে যাওয়ায় বর্ষা মৌসুমে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার আশঙ্কা করছেন তারা। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার মেলেনি বলে স্থানীয় এক যুবক জানান।অভিযুক্ত মৎস্যচাষি মো. মাসুদ দাবি করেন, তিনি নিজের জমিতে মাছ চাষের জন্য পুকুর খনন করছেন এবং প্রশাসন তাকে কোনো প্রকার বাধা দেয়নি। তবে মির্জাপুর ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা স্বপ্না পারভিন জানান, তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন।শেরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, এর আগে অভিযান চালিয়ে দুটি ব্যাটারি জব্দ করা হয়েছিল। নতুন করে লিখিত অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম. আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ জানান, আবাদি জমির শ্রেণি পরিবর্তন করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। অনুমোদনহীন এই কাজের বিরুদ্ধে তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।ইখা
মসজিদের টাকার হিসাবকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সুনামগঞ্জে নিহত ১
মসজিদের টাকার হিসাবকে কেন্দ্র করে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে ফজল মিয়া নামে ১ জন নিহত হয়েছেন।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ছাতকের পুরান নোয়াপুর গ্রামের মসজিদের এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছাতকের ইসলামপুর ইউনিয়নের পুরান নোয়াপুর গ্রামের মসজিদ কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাসুক মিয়া ও ফজল মিয়ার মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই জেড় ধরে দুপুরে মসজিদের টাকার হিসাবকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটির এক প্রযায়ে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন মসজিদের হিসাবকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ফজল মিয়া নিহত হয়েছেন। বর্তমানে গ্রামের পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।এসআর
মৌলভীবাজারে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল আরেক বন্ধুর
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে তারেক মিয়া (১৯) নামের এক কিশোর নিহত হয়েছে।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজনগর উপজেলার ঘরগাঁও গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত তারেক ওই গ্রামের গাজি মিয়ার ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে গ্রামের কয়েকজন কিশোর ঘরগাঁও মাঠে ক্রিকেট খেলায় অংশ নেয়। খেলার এক পর্যায়ে প্রতিবেশী আতিক মিয়ার সঙ্গে তারেকের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একসময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে আতিক ধারালো অস্ত্র দিয়ে তারেকের বুক, হাত ও উরুতে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে সে গুরুতর আহত হয়।পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাজনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন চন্দ্র সরকার বলেন, "ছুরিকাঘাতের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে এমন প্রাণঘাতী সংঘর্ষ সমাজে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। কিশোরদের মধ্যে সহিংসতা রোধে পরিবার ও সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।এনআই
টাংগুয়ার হাওরে পর্যটকবাহী হাউজবোটে অগ্নিকাণ্ড
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার টাংগুয়ার হাওরে পর্যটকবাহী মাছরাঙা নামের একটি হাউজবোটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে হাউজবোটটির বেশ কিছু অংশ পুড়ে গেছে। এ সময় হাউসবোটে কোনো পর্যটক না থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের আনোয়ারপুর বাজারের পূর্ব পাড়ে রক্তি নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।প্রতক্ষ্যদশী ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রক্তি নদীতে নোঙর করে হাউজবোটটির মেরামতের কাজ করছিল মিস্ত্রি ও কর্মচারীরা। হঠাৎ করেই হাউজবোটটির পেছন দিকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আর মুহূর্তের মধ্যেই আগুন দাউদাউ করে ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।টাঙ্গুয়া হাওরের পর্যটকবাহী নৌ সমিতির সভাপতি রব্বানী জানান, মাছরাঙা হাউজবোটটিতে আগুন লাগার পর আনোয়ারপুর বাজারের ব্যবসায়ী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে হাউজবোটটির ভেতরের অধিকাংশ সরঞ্জাম পুড়ে যায়।বালিজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাবুল মিয়া জানান, হাউজবোড লাগা আগুন সবাই মিলে নিভানো হয়েছে। তাহিরপুর থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পরে বলতে পারবো।ইখা
ঢাকা তুরাগে ১১ কোটি টাকা ডাকাতি মামলার আসামী তাহিরপুর থেকে আটক
বহুল আলোচিত ঢাকা তুরাগে সংগঠিত ১১ কোটি টাকা ডাকাতি মামলার মোঃ জনি মিয়া নামে এক আসামীকে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা থেকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার(২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০ টায় উপজেলা উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়ন ট্যাকেরঘাট এলাকা থেকে আটক করা হয়।আটক জনি মিয়া(৩৫) উপজেলা উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের বড়ছড়া গ্রামের মোঃ গনি মিয়ার ছেলে।পুলিশ জানায়, তুরাগ থানার মামলা নং ১০(৩) ২৩, ধারা ৩৯৫/৩৯৭/৪১২/৩৫ পেনাল কোড, এর পলাতক আসামী জনি মিয়া(৩৫) কে অদ্য রাতে টেকেরঘাট অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মোঃ রিপন উদ্দিন সংর্গীয় ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে বড়চড়া এলাকা থেকে ওয়ারেন্ট মূলে গ্রেফতার করে।টেকেরঘাট অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মোঃ রিপন উদ্দিন জানিয়েছেন,আটক জনি মিয়াকে তাহিরপুর থানা সোপর্দ করা হয়েছে।তাহিরপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আমিনুল ইসলাম এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।এবি
ট্যাকেরঘাট খনি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাময়িক বরখাস্ত
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ট্যাকেরঘাট চুনাপাথর খনি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. খায়রুল আলমকে ৬০ দিনের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সিনিয়র শিক্ষক মো. মর্তুজ আলীকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ, আর্থিক হিসাব-নিকাশ সঠিকভাবে উপস্থাপন না করা, কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অনীহা এবং প্রশাসনিক নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগ উঠেছে। অ্যাডহক কমিটির সভাপতি আবু সুফিয়ান টিপু স্বাক্ষরিত একাধিক স্মারক ও নোটিশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। অ্যাডহক কমিটির অভিভাবক সদস্য বাসির আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।অভিভাবক সদস্য বাসির আহমেদ জানান, ২০২২ সালে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ সরকার ‘অটোপাস’ ঘোষণা করলে ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অটোপাসের পর সেই টাকা আর ফেরত দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া এসএসসি টেস্ট পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জরিমানা বাবদ নেওয়া টাকা উত্তীর্ণ হলে ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও, কৃতকার্য ও অকৃতকার্য কোনো শিক্ষার্থীই সেই টাকা ফেরত পায়নি। ওই অর্থ স্কুল ফান্ডে জমা থাকলেও দীর্ঘ সময়েও তা শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং অফিস সময় সংক্রান্ত নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করার অভিযোগও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।কমিটি দাবি করেছে, প্রতিষ্ঠানের গত পাঁচ বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব চাওয়া হলেও তা সন্তোষজনকভাবে দাখিল করা হয়নি। এ বিষয়ে একাধিকবার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেওয়া জবাব সন্তোষজনক ছিল না।সর্বশেষ গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত অ্যাডহক কমিটির সভায় বিষয়টি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২১ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তের মেয়াদ শেষে উপযুক্ত প্রমাণাদিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে; অন্যথায় বিধি অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।এদিকে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সিনিয়র শিক্ষক মো. মর্তুজ আলীকে অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিদ্যালয় কোড ২৭০৫ এবং কলেজ কোড ২৭০২। এ বিষয়ে অধ্যক্ষ খায়রুল আলমের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এনআই
অনলাইন ভোট
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আগস্টের পর কিছু সাধারণ ও নিরীহ লোককে আসামি করা হয়েছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?
আন্তর্জাতিক
সব দেখুন
ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহরে বোমা হামলা, ৪৩ সেনা নিহত
ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর মেহরানের সীমান্তবর্তী একটি রেজিমেন্টের সদর দপ্তরে বোমা হামলায় ৪৩ সেনা নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) ইরাকের সীমান্তবর্তী ওই শহরটিতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে আল-জাজিরা জানিয়েছে, মেহরানে অবস্থিত একটি রেজিমেন্টের সদর দপ্তরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ৪৩ জন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয়েছেন। যাদের বেশিরভাগই সীমান্তরক্ষী। এছাড়াও হামলায় আশপাশের কিছু ভবনও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।প্রাথমিক তদন্তের বরাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের এজেন্টরা এই বোমা হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা মেহের নিউজ।এদিকে চলমান মার্কিন-ইসরায়েল হামলায় ইরানের ৪৮ জন নেতা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফক্স নিউজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, কেউ বিশ্বাসই করতে পারছে না আমাদের সাফল্য; একবারের আঘাতে ৪৮ নেতা চলে গেছেন এবং সবকিছু দ্রুত এগোচ্ছে।সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও বলেন, এই অভিযান শুধুমাত্র মার্কিন স্বার্থের জন্য নয়, বরং পুরো বিশ্বের নিরাপত্তার জন্য করা হচ্ছে।এফএস
ইরানে হামলার জবাব দেয়ার ঘোষণা হেজবুল্লাহর
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাব দেওয়ার কথা জানিয়েছে লেবাননের হেজবুল্লাহ গ্রুপ। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী এই শিয়া মুসলিম সংগঠনটি লেবাননের সবচেয়ে শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং এর পেছনে ইরানের সমর্থন আছে বলে শোনা যায়।এক বিবৃতিতে লেবানন হেজবুল্লাহর মহাসচিব নাইম কাসেম ইরানে হামলার জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলাকে ‘অপরাধের চূড়ান্ত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি।নাইম কাসেম বলেছেন, ‘আল্লাহর নির্দেশনা ও সমর্থনের ওপর আস্থা রেখে আমরা এই আগ্রাসন মোকাবেলায় আমাদের কর্তব্য পালন করব।এফএস
ইরানের নতুন নেতৃত্ব আমার সঙ্গে আলোচনা করতে চায় : ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ইরানের নতুন নেতৃত্ব তার প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করতে চায় এবং তিনি তা করতে পরিকল্পনা করেছেন।দ্য আটলান্টিক ম্যাগাজিনের উদ্ধৃতি অনুযায়ী তিনি বলেন, ‘তারা কথা বলতে চায় এবং আমি কথা বলতে সম্মত হয়েছি, তাই আমি তাদের সঙ্গে কথা বলব।’ট্রাম্প আরো বলেন, ‘তাদের আরো আগেই এটি করা উচিত ছিল। যা করা খুবই বাস্তবসম্মত ও সহজ ছিল, তা তাদের আরো আগেই দেওয়া উচিত ছিল। তারা অনেক দেরি করেছে।’আলোচনা কবে অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেননি।এফএস
ইরানের জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানের একটি জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার দাবি করেছে। আজ রোববার (১ মার্চ) সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে বলেছে, “চাহ বাহার পাইয়ারে ওমান উপসাগরের তলদেশে ডুবছে দ্য জামারান-ক্লাস কোরভেট জাহাজ।”তবে ইরান জাহাজডুবির ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি।এদিকে পারস্য উপসাগরে মোতায়েনরত মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনে মিসাইল হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যার প্রতিশোধে মার্কিন ওই রণতরীতে পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান।রোববার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে ওই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পর পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী।এক বিবৃতিতে বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বলেছে, মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনে চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। ইরানের এই বাহিনী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ‘‘জল এবং স্থল—উভয়ই হবে সন্ত্রাসী আগ্রাসনকারীদের কবরস্থান।’’তবে পারস্য উপসাগরে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার যে দাবি ইরান করেছে, তা নাকচ করে দিয়েছে পেন্টাগন।সূত্র: আলজাজিরাএবি
মার্কিন বিমানবাহী রণতরীতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাল ইরান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর প্রতিশোধমূলক অভিযান শুরু করেছে ইরান। এর অংশ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থান করা মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। খবর আল জাজিরার।স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনে চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। একই সঙ্গে তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, স্থল ও জলভাগ এই সন্ত্রাসী আগ্রাসীদের জন্য ক্রমেই কবরস্থানে পরিণত হবে।উল্লেখ্য যে, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন গত জানুয়ারির শেষ দিক থেকে আরব সাগরে অবস্থান করছিল। এক মার্কিন কর্মকর্তা আল জাজিরাকে বলেছেন, ইরানের ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো বিমানবাহী রণতরীতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়নি। রণতরীর কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি।প্রসঙ্গত, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। মূলত ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করেই এসব হামলা চালানো হয়। এতে খামেনিসহ ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ, খামেনির নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি শামখানি, সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল রাহিম মুসাভি ও বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডার-ইন-চিফ মোহাম্মদ পাকপুর প্রাণ হারান।হামলায় বেসামরিক হতাহতের সংখ্যাও বেড়েছে। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, হামলায় অন্তত ২০১ জন নিহত এবং ৭৪৭ জন আহত হয়েছেন।যৌথ হামলার জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে ইরান।এবি
আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংলাদেশিসহ নিহত ৩
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলার দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে ব্যাপক পাল্টা সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইরান। এই পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) অন্তত তিনজন প্রবাসী নিহত এবং আরও ৫৮ জন আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞাপনইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরায়েল এবং আমিরাতের প্রভাবশালী গণমাধ্যম খালিজ টাইমস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি, একজন পাকিস্তানি এবং একজন নেপালি নাগরিক রয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক জরুরি বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের পক্ষ থেকে ছোড়া মোট ১৬৫টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ১৫২টি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়াও, ইরানের ছোড়া দুটি শক্তিশালী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রকেও মাঝপথে ভূপাতিত করেছে আমিরাতি বাহিনী। তবে বিশাল এই ক্ষেপণাস্ত্র বৃষ্টির কিছু অংশ আবাসিক এলাকায় আঘাত হানায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কেবল ক্ষেপণাস্ত্রই নয়, ইরান থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রোনও উড়ে এসেছে আমিরাতের দিকে। রাডারে মোট ৫৪১টি ইরানি ড্রোন শনাক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে ৫০৬টি ড্রোন আকাশেই প্রতিহত ও ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে। এফএস
ইরানের সঙ্গে সংঘাতে তিন মার্কিন সেনা নিহত, আহত ৫
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে তিন সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এ ছাড়া আরও পাঁচ মার্কিন সেনা গুরুতর আহত হয়েছেন। খবর আল জাজিরার।মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘ইরানে চলমান অভিযানে তিন সেনা নিহত ও বেশ কয়েকজন সেনা সদস্য স্প্লিন্টারের আঘাত এবং মাথায় আঘাত পেয়েছেন। তারা বর্তমানে সুস্থ হয়ে পুনরায় কর্তব্যে ফেরার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন। অভিযান এখনো চলছে এবং আমাদের পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।’বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘পরিস্থিতি বর্তমানে পরিবর্তনশীল। তাই পরিবারের প্রতি সম্মান জানিয়ে আমরা আমাদের নিহত সেনাদের পরিচয়সহ বিস্তারিত তথ্য এখনই প্রকাশ করছি না। নিকটাত্মীয়দের অবহিত করার ২৪ ঘণ্টা পর এসব তথ্য জানানো হবে।’এর আগে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করে, তারা মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনকে লক্ষ্য করে চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। তবে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো রণতরীতে আঘাত হানেনি বলে দাবি করেছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।প্রসঙ্গত, গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। মূলত ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করেই এসব হামলা চালানো হয়। এতে খামেনিসহ ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ, খামেনির নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি শামখানি, সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল রাহিম মুসাভি ও বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডার-ইন-চিফ মোহাম্মদ পাকপুর প্রাণ হারান।হামলায় বেসামরিক হতাহতের সংখ্যাও বেড়েছে। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, হামলায় অন্তত ২০১ জন নিহত এবং ৭৪৭ জন আহত হয়েছেন।যৌথ হামলার জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনার হামলা চালাচ্ছে ইরান।এবি
ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদ নিহত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ নিহত হয়েছেন। ইরানিয়ান লেবার নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম দ্য জেরুসালেম পোস্ট ও চীনা বার্তা সংস্থা সিনহুয়া।ইরানিয়ান লেবার নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, তেহরানের উত্তর-পূর্ব নারনাক এলাকায় আহমাদিনেজাদের বাসভবনে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে এই সাবেক প্রেসিডেন্ট ও তার কয়েকজন দেহরক্ষী প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির পক্ষে জোরালো অবস্থানের কারণে বরাবরই ইসরায়েলের চক্ষুশূল ছিলেন তিনি।২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন আহমাদিনেজাদ। এর আগে তিনি তেহরানের মেয়র ও আরদাবিল প্রদেশের প্রথম গভর্নর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।এর আগে গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। মূলত ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করেই এসব হামলা চালানো হয়। এতে খামেনিসহ ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ, খামেনির নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি শামখানি, সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল রাহিম মুসাভি ও বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডার-ইন-চিফ মোহাম্মদ পাকপুর প্রাণ হারান।হামলায় বেসামরিক হতাহতের সংখ্যাও বেড়েছে। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, হামলায় অন্তত ২০১ জন নিহত এবং ৭৪৭ জন আহত হয়েছেন।যৌথ হামলার জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে ইরান।এবি
ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করল সৌদি আরব
সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রবিবার ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে। দেশটি তেহরানকে তাদের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে হামলা চালানোর অভিযোগ করার এক দিন পর এ পদক্ষেপ এলো।পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইরানের নির্লজ্জ আক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সৌদি আরবে ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে। এ আক্রমণ রাজ্য ও একাধিক ভ্রাতৃদেশকে লক্ষ্য করে ছিল’।এ ঘটনায় ইরানের বিরুদ্ধে কড়া কটাক্ষ ও অভিযোগের প্রেক্ষাপটে রাজ্যটি তার নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করেছে।এবি
ইসরায়েলের বেইত শেমেশে ইরানের হামলা, নিহত ৮
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর পাল্টা আঘাত হেনেছে ইরান। ইসরায়েলের বেইত শেমেশের একটি আবাসিক এলাকায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছে।টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বেইত শেমেশের কয়েকটি ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। সেখানে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে এখন উদ্ধার কাজ চালাচ্ছেন জরুরি সেবা বিভাগের কর্মীরা।এর আগে গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। মূলত ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করেই এসব হামলা চালানো হয়।এতে খামেনিসহ ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ, খামেনির নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি শামখানি, সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল রাহিম মুসাভি ও বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডার-ইন-চিফ মোহাম্মদ পাকপুর প্রাণ হারান।ওই হামলায় বেসামরিক হতাহতের সংখ্যাও বেড়েছে। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট জানায়, হামলায় অন্তত ২০১ জন নিহত এবং ৭৪৭ জন আহত হয়েছেন। যৌথ হামলার জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে ইরান।এমআর-২
খেলা
সব দেখুন- বিশ্বকাপের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা
- নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ
- দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ, দেখে নিন সূচি
- এবার ভিনিসিয়ুসকে ‘বানর’ বলে নিষিদ্ধ হলেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড
- ভারতের লজ্জাজনক হারের পর দ. আফ্রিকাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করা বিজ্ঞাপন উধাও
- দুই ম্যাচ জিতলেও বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়তে পারে ভারত
বিনোদন
সব দেখুন
স্ত্রীর আত্মহত্যা মামলার প্রধান আসামি আলভী ও তিথি
ছোট পর্দার অভিনেতা যাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় এবার মামলা দায়ের করা হয়েছে। আত্মহত্যার প্ররোচনার এই মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে স্বামী যাহের আলভী এবং তার কথিত প্রেমিকা ও সহ-অভিনেত্রী তিথিকে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টায় পল্লবী থানায় মামলাটি রুজু হয়।ইকরার মর্মান্তিক আত্মহত্যার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে নতুন নতুন রহস্যের জন্ম হচ্ছিল। ঘটনার পর থেকে আলভীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে দ্রুত ঢাকায় ছুটে আসেন ইকরার পরিবারের সদস্যরা। এরপর রাতেই ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলাটি দায়ের করেন।পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলায় শুধু আলভী এবং তিথিই নন, তার পরিবারের আরও কয়েকজনের নামও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে অভিনেতার মাকেও আসামি করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।পারিবারিক কলহ, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক এবং দীর্ঘদিনের মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ইকরার স্বজনরা আগে থেকেই আলভীর পরিবারের বিচার দাবি করে আসছিলেন। এবার বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করল। মামলার পরিণতি সম্পর্কে পল্লবী থানার ওসি এ কে এম আলমগীর জাহান জানান, তদন্ত শেষে আদালতে যদি আত্মহত্যার প্ররোচনার বিষয়টি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়, তবে এই মামলায় আসামিদের সর্বোচ্চ দশ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।১৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের এমন মর্মান্তিক পরিণতি এবং এরপর মামলা দায়েরের খবরে বিনোদন অঙ্গনসহ সারা দেশে এখন ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ এরই মধ্যে মামলার তদন্ত এবং আসামিদের আইনি কাঠামোর আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।এসআর
অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর আত্মহত্যা
ছোট পর্দার অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন। একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে অভিনেতার শ্বশুরবাড়ি পরিবার।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।অভিনেতা বর্তমানে নেপালে আছেন। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘কথা বলার মতো অবস্থায় তিনি এখন নেই।’জানা যায়, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকার কারনে গণমাধ্যমে মুখ খুলেননি তিনি। ২০১০ সালে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন ইকরা ও আলভী। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে।এমআর-২
মা ও দুই সন্তান—পরীমণির ছবিতে ভক্তদের ভালোবাসা
ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবসময়ই আলোচনায় থাকেন এই নায়িকা। আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজে দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে একটি ছবি প্রকাশ করেছেন তিনি।প্রকাশিত ছবিতে পরীমণিকে বোরকা পরিহিত অবস্থায় দেখা যায়। দুই সন্তানকে নিয়ে শান্ত ও স্বাভাবিক এক মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করেছেন এই অভিনেত্রী। ছবিটি পোস্ট করে ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “হ্যাপি ফ্রাইডে, মাশাআল্লাহ।”ছবিটি প্রকাশের পর ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে। অনেকেই কমেন্টে ভালোবাসা ও শুভকামনা জানিয়েছেন। কেউ কেউ তার নতুন লুকের প্রশংসাও করেন।কমেন্টে এক ভক্ত লিখেছেন, ‘মাশাল্লাহ মা পরীর দুটো ডানা’। আরেকজন লিখেছেন, ‘পরীমণি মা হিসেবে অতুলনীয়’।উল্লেখ্য, ব্যক্তিজীবন ও ক্যারিয়ারের নানা প্রসঙ্গেই প্রায়শই আলোচনায় থাকেন পরীমণি। সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় এই অভিনেত্রী নিয়মিতই নিজের ও সন্তানদের বিভিন্ন মুহূর্ত ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন।এইচএ
‘এ হলেন আমার স্বামী বিজয় দেবেরাকোন্ডা’, স্বামীকে নিয়ে রাশমিকার পোস্ট
বিয়ের ছবি প্রকাশ্যে আনলেন দক্ষিণ ভারতীয় তারকা জুটি বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। দীর্ঘ সাত বছরের প্রেমের পর অবশেষে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজস্থানের উদয়পুরে তেলুগু রীতিতে বিয়ের পর ভক্তদের সঙ্গে বিয়ের প্রথম ঝলক ভাগ করে নিয়েছে এই নবদম্পতি। ছবিতে এই ‘বিরোশ’ জুটির দক্ষিণী-রাজকীয় সাজ ও আবেগঘন উপস্থিতি ভক্তদের নজর কেড়েছে। বিজয় দেবরাকোন্ডা পরেছেন সাদা ধুতি ও লাল রঙের জমকালো উত্তরীয়, সাথে ছিল সোনার গয়না। অন্যদিকে রাশমিকা বেছে নিয়েছেন লাল টুকটুকে রঙের শাড়ি ও কপালে নজরকাড়া সোনার টায়রা। এছাড়া কুনজর থেকে বাঁচাতে দক্ষিণ ভারতীয় রীতি অনুযায়ী রাশমিকা ও বিজয়- দুজনের গালে আঁকা ছিল একটি কালো তিল।বিয়ের ছবি পোস্ট করে রাশমিকা তার ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘সবাইকে জানাচ্ছি, এ হলেন আমার স্বামী বিজয় দেবেরাকোন্ডা। এই মানুষটি আমাকে সত্যিকারের ভালোবাসার অনুভূতি শিখিয়েছেন। শান্তি কাকে বলে বুঝিয়েছেন। প্রতিদিন তিনি আমাকে বলেছেন, বড় স্বপ্ন দেখা স্বাভাবিক। আমি যা ভাবি, তার চেয়েও বেশি কিছু অর্জনের সামর্থ্য আমার আছে।’রাশমিকা আরও লেখেন, ‘তিনি কখনও আমাকে থামাননি, কেউ দেখছে না, নাচতে হবে না এমনটা ভেবে। তিনি দেখিয়েছেন, বন্ধুদের সঙ্গে ভ্রমণ জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অভিজ্ঞতা। বিশ্বাস করুন, এই মানুষটিকে নিয়ে আমি একটি বই লিখতে পারি।’অন্যদিকে বিয়ের ছবি শেয়ার করে অভিনেতা বিজয় দেবরাকোন্ডাও তার মনের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। লেখেন, আমি বুঝেছি আমার ওকে দরকার। ও পাশে থাকলে মনে হয় আমি যেন ঘরেই আছি। আমি আমার প্রিয় বন্ধুকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়েছি।এর আগে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে বিজয় প্রসঙ্গে কথা উঠলে রাশমিকা এড়িয়ে গেলেও বিয়ের দিনে মনের সব কথা উজাড় করেন তিনি। ২০১৮ সালে ‘গীতা গোবিন্দম’ সিনেমায় অভিনয়ের পর থেকেই তাদের প্রেম নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। ভক্তদের কাছে এই জুটি ‘বিরোশ’ নামে ব্যাপক জনপ্রিয়।তাদের দুই পরিবারের উপস্থিতিতে তেলুগু রীতির পাশাপাশি কনের ঐতিহ্য মেনে কর্ণাটকের কোডাভা রীতিতেও বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে এই নব দম্পতির বিয়ের ছবিগুলো ইন্টারনেটে ভাইরাল।আরএ/এইচএ
অর্থ-বাণিজ্য
সব দেখুন
ভরিতে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা
সবশেষ সমন্বয়ে দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। এবার ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। নতুন এই দাম আজ রোববার থেকে কার্যকর হবে।গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের নতুন দাম জানায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮৫৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।এর আগে, সর্বশেষ ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার ১২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকেই।এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ২২ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১২ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।এইচএ
দেশে সোনার দাম আরও বাড়ল, ভরি ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা
দেশের বাজারে সোনার দাম আরও বেড়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।আজ বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয় ২ হাজার ২১৬ টাকা। তার আগে ২১ ফেব্রুয়ারি বাড়ানো হয় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা। এতে তিন দফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বাড়ানো হলো ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা।এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৩ হাজার ৫৫৭ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ২ লাখ ১৭ হাজার ১২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৯১৫ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৭৭ হাজার ৭০১ টাকা।এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৪১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনান দাম এক হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় এক লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা। আজ সকাল ১০টা ২৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।এবার সোনার দাম বাড়ানোর পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৮৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা বাড়িয়ে ৬ হাজার ৫৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এমআর-২
ফেব্রুয়ারির ২৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২.৭৯ বিলিয়ন ডলার
দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স প্রবাহে সুবাতাস বইছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৫ দিনেই রেকর্ড পরিমাণ ২৭৯ কোটি ২০ লাখ (২.৭৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, মাসজুড়ে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ১৭ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মূলত হুন্ডির পরিবর্তে বৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারের নানা সুযোগ-সুবিধা এবং ব্যাংকগুলোর আকর্ষণীয় অফার প্রবাসীদের উৎসাহিত করছে।পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের জুলাই থেকে চলতি ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ২২২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। বছর ব্যবধানে এই প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ২১ দশমিক ৮০ শতাংশ।এর আগে গত জানুয়ারি মাসেও রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে এক বড় মাইলফলক স্পর্শ করেছিল বাংলাদেশ। জানুয়ারি মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো এক একক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড। এফএস
বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদান করলেন নতুন গভর্নর
বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদান করলেন নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। এ সময় এসময় নতুন গভর্নরকে অভ্যর্থনা জানাতে ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার ও হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গভর্নর ভবনের মূল ফটকে আসেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানের আগে গভর্নর অর্থ মন্ত্রনালয়ে যান, সেখানে কার্যক্রম শেষ করে তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আসেন। প্রজ্ঞাপনের পরদিনই প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রবেশ করেন তিনি।এর আগে, গতকাল বিকেলে আগের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সাথে চুক্তি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার৷ একই সাথে নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানকে চার বছরের চুক্তি করে প্রজ্ঞাপন দেয় সরকার।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১০৭২ (প্রেসিডেন্স অর্ডার নম্বর ১২৭ অব ১৯৭২) এর ১০ (৫) অনুযায়ী মো. মোস্তাকুর রহমান এফসিএমএকে অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে তার যোগদানের তারিখ থেকে চার বছরের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো। নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান হেরা সোয়েটার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন। তবে কর্পোরেট অর্থায়ন, শিল্প ব্যবস্থাপনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন বিষয়ে তার বিশেষ দক্ষতা রয়েছে বলে জানা গেছে।তিনি বিজিএমইএ-র বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ছিলেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের বোর্ড সদস্য ছিলেন। এছাড়া তিনি ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই), রিহ্যাব, এবং আটাব-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পেশাজীবী ও ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্য।মোস্তাকুর রহমান ইনস্টিটিউট অফ কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)-এর একজন ফেলো মেম্বার।এইচএ
দেশের বাজারে আরও এক দফা বেড়েছে স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে আরও এক দফা বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এবার ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। সে হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে গুনতে হবে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা।গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে দুই লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ এক লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা।বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই নতুন দাম দেশের সব জুয়েলারি দোকানে কার্যকর থাকবে। তবে বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত পাঁচ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) ও বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ছয় শতাংশ মজুরি যোগ হবে।গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির পরিমাণে পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।এইচএ
১৬৫ কোটির অস্বাভাবিক লেনদেন, ৩ কর্মকর্তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা
সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের (এসবিএসি) তিন কর্মকর্তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বেনামে ২৩৪টি এফডিআর হিসাব খুলে ১৬৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।অভিযুক্তরা হলেন বিজয়নগর শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মো. ইসলামুল হক (বর্তমানে মিরপুর শাখা), সাবেক এফভিপি খন্দকার নূরে ইমাম ও সাবেক ট্রেইনি সহকারী অফিসার জান্নাতুল মাওয়া সুইটি।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।দুদকের আবেদনে বলা হয়, তিনজনের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন।তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা যাতে দেশত্যাগ করতে না পারেন, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ইমিগ্রেশন বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।এবি
লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার ফলে এক লাফে ১০ শতাংশ দাম বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধাবস্থার প্রেক্ষাপটে বিশ্ববাজারে তেলের দাম হঠাৎ বেড়েছে। রবিবার (১ মার্চ) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড রোববার ওভার-দ্য-কাউন্টার লেনদেনে প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে।বর্তমানে এ দাম ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারে পৌঁছেছে। শুক্রবার এটি ৭৩ ডলারে উঠে জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ অবস্থানে ছিল। সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ফিউচারস লেনদেন বন্ধ রয়েছে।বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যায়, তবে দাম আরো দ্রুত বাড়তে পারে।জ্বালানি বিশ্লেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিআইএসের জ্বালানি ও রিফাইনিং বিভাগের পরিচালক অজয় পারমার বলেন, সামরিক হামলা তেলের দামের পক্ষে সহায়ক হলেও মূল বিষয় হলো হরমুজ প্রণালীর সম্ভাব্য বন্ধ হয়ে যাওয়া।রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের ২০ শতাংশেরও বেশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে হয়। বাণিজ্যিক সূত্র জানিয়েছে, তেহরানের সতর্কবার্তার পর বেশিরভাগ ট্যাংকার মালিক, তেল কম্পানি ও ট্রেডিং হাউস ওই পথ দিয়ে অপরিশোধিত তেল, জ্বালানি ও এলএনজি পরিবহন স্থগিত করেছে।পারমার জানান, প্রণালী দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ থাকলে দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার বা তারও বেশি হতে পারে।অন্যদিকে তেল উৎপাদক জোট ওপেক প্লাস এপ্রিল থেকে প্রতিদিন ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ পরিমাণ বৈশ্বিক চাহিদার তুলনায় খুবই সামান্য (০ দশমিক ২ শতাংশেরও কম)।নরওয়ে-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রেস্টার্ড এনার্জির বিশ্লেষক জর্জে লিওনের মতে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলে বিকল্প পাইপলাইন ব্যবহারের পরও দৈনিক ৮ থেকে ১০ মিলিয়ন ব্যারেল সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে, বাজার চালু হলে দাম প্রায় ৯২ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।এফএস
ভরিতে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা
সবশেষ সমন্বয়ে দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। এবার ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। নতুন এই দাম আজ রোববার থেকে কার্যকর হবে।গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের নতুন দাম জানায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮৫৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।এর আগে, সর্বশেষ ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার ১২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকেই।এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ২২ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১২ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।এইচএ
দেশে সোনার দাম আরও বাড়ল, ভরি ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা
দেশের বাজারে সোনার দাম আরও বেড়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।আজ বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয় ২ হাজার ২১৬ টাকা। তার আগে ২১ ফেব্রুয়ারি বাড়ানো হয় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা। এতে তিন দফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বাড়ানো হলো ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা।এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৩ হাজার ৫৫৭ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ২ লাখ ১৭ হাজার ১২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৯১৫ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৭৭ হাজার ৭০১ টাকা।এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৪১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনান দাম এক হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় এক লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা। আজ সকাল ১০টা ২৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।এবার সোনার দাম বাড়ানোর পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৮৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা বাড়িয়ে ৬ হাজার ৫৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এমআর-২
ফেব্রুয়ারির ২৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২.৭৯ বিলিয়ন ডলার
দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স প্রবাহে সুবাতাস বইছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৫ দিনেই রেকর্ড পরিমাণ ২৭৯ কোটি ২০ লাখ (২.৭৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, মাসজুড়ে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ১৭ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মূলত হুন্ডির পরিবর্তে বৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারের নানা সুযোগ-সুবিধা এবং ব্যাংকগুলোর আকর্ষণীয় অফার প্রবাসীদের উৎসাহিত করছে।পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের জুলাই থেকে চলতি ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ২২২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। বছর ব্যবধানে এই প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ২১ দশমিক ৮০ শতাংশ।এর আগে গত জানুয়ারি মাসেও রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে এক বড় মাইলফলক স্পর্শ করেছিল বাংলাদেশ। জানুয়ারি মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো এক একক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড। এফএস
বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদান করলেন নতুন গভর্নর
বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদান করলেন নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। এ সময় এসময় নতুন গভর্নরকে অভ্যর্থনা জানাতে ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার ও হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গভর্নর ভবনের মূল ফটকে আসেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানের আগে গভর্নর অর্থ মন্ত্রনালয়ে যান, সেখানে কার্যক্রম শেষ করে তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আসেন। প্রজ্ঞাপনের পরদিনই প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রবেশ করেন তিনি।এর আগে, গতকাল বিকেলে আগের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সাথে চুক্তি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার৷ একই সাথে নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানকে চার বছরের চুক্তি করে প্রজ্ঞাপন দেয় সরকার।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১০৭২ (প্রেসিডেন্স অর্ডার নম্বর ১২৭ অব ১৯৭২) এর ১০ (৫) অনুযায়ী মো. মোস্তাকুর রহমান এফসিএমএকে অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে তার যোগদানের তারিখ থেকে চার বছরের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো। নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান হেরা সোয়েটার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন। তবে কর্পোরেট অর্থায়ন, শিল্প ব্যবস্থাপনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন বিষয়ে তার বিশেষ দক্ষতা রয়েছে বলে জানা গেছে।তিনি বিজিএমইএ-র বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ছিলেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের বোর্ড সদস্য ছিলেন। এছাড়া তিনি ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই), রিহ্যাব, এবং আটাব-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পেশাজীবী ও ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্য।মোস্তাকুর রহমান ইনস্টিটিউট অফ কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)-এর একজন ফেলো মেম্বার।এইচএ
দেশের বাজারে আরও এক দফা বেড়েছে স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে আরও এক দফা বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এবার ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। সে হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে গুনতে হবে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা।গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে দুই লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ এক লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা।বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই নতুন দাম দেশের সব জুয়েলারি দোকানে কার্যকর থাকবে। তবে বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত পাঁচ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) ও বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ছয় শতাংশ মজুরি যোগ হবে।গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির পরিমাণে পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।এইচএ
শিক্ষাঙ্গন
সব দেখুন
নরসিংদীতে কিশোরী হত্যা ও দেশব্যাপী ধর্ষণের প্রতিবাদে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ
নরসিংদীতে ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অপহরণের পর হত্যার প্রতিবাদ এবং দেশব্যাপী অব্যাহত নারী ও শিশু নির্যাতনের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিল করেছেন গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।রবিবার (১ মার্চ) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে একটি প্রতিবাদ মিছিল ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘ধর্ষকদের কালো হাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, ধর্ষকদের ফাঁসি চাই’, ‘আমার সোনার বাংলায় ধর্ষকদের ঠাঁই নাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।সমাবেশে অংশ নিয়ে ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষক তানিয়া আহমেদ তন্বী ২০১৬ সালের তনু হত্যাকাণ্ডসহ পূর্ববর্তী আন্দোলনের স্মৃতি তুলে ধরে বলেন, “১০ বছর আগেও নিপীড়নের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামতে হয়েছিল, একই কারণে আজও আমাদের রাস্তায় নামতে হচ্ছে; যা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। নৃশংস অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হওয়ায় এসব লোমহর্ষক ঘটনা থামছে না।”তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আরও বলেন, “দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করে জনগণের সামনে উদাহরণ তৈরি করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায় এবং বারবার আমাদের প্রতিবাদের জন্য রাস্তায় নামতে না হয়।”বিক্ষোভ সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের বিপুল সংখ্যক সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নরসিংদী সদর উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বিলপাড় ও দড়িকান্দীর মাঝামাঝি একটি সরষেখেত থেকে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, পূর্ববর্তী একটি ধর্ষণের ঘটনার বিচার চাওয়ায় কিশোরীকে তার বাবার কাছ থেকে অপহরণ করে নৃসংশভাবে হত্যা করা হয়েছে।এনআই
ইবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ফলাফল ‘ভ্যানিশ’ করার হুমকির অভিযোগ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের শিক্ষক তন্ময় সাহা জয়ের বিরুদ্ধে ইন্টারনাল মার্কিংয়ে বৈষম্য, ফলাফল ‘ভ্যানিশ’ করার ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের ক্লাস বর্জন করেছেন ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা।গত রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষার্থীরা বিভাগীয় সভাপতি বরাবর তিন দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। তাঁদের মূল দাবিগুলো হলো—তন্ময় সাহা জয়কে স্নাতক চতুর্থ বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টার থেকে স্নাতকোত্তরের ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত সকল অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম (ক্লাস, পরীক্ষা, খাতা মূল্যায়ন) থেকে অব্যাহতি দিতে হবে এবং অ্যাকাডেমিক স্বার্থে কোনো জটিলতা সৃষ্টি হলে বিভাগকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, “তন্ময় সাহা জয় আমাদের ক্লাস নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা তাঁর ক্লাস বর্জন করেছি। আমাদের সাথে কোনো ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নেই, তবে অ্যাকাডেমিক স্বার্থ রক্ষায় আমরা আমাদের সিদ্ধান্তে অনড়।”বিভাগীয় সূত্র জানায়, বিষয়টি মীমাংসার জন্য অন্যান্য শিক্ষকরা দফায় দফায় চেষ্টা করলেও শিক্ষার্থীরা তাঁদের দাবির প্রতি অটল রয়েছেন। ফলে আগামী ৩ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য অ্যাকাডেমিক কমিটির মিটিংয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের কোর্সটি অন্য কাউকে দিয়ে সম্পন্ন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শিক্ষক তন্ময় সাহা জয় দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের ওপর আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা এবং আক্রমণাত্মক ভাষায় কথা বলে আসছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী জানান, সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর যাতায়াত সমস্যার কারণে ক্লাস বাতিলের অনুরোধ করা হলে তিনি তা গ্রহণ করেননি। বরং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত না হওয়ায় তিনি ক্লাস বর্জনের নোটিশ দেন এবং সবার উপস্থিতি (অ্যাটেনডেন্স) বাতিল করার হুমকি দেন।অভিযোগের বিষয়ে সহকারী অধ্যাপক তন্ময় সাহা জয় সাংবাদিকদের জানান, তিনি এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করতে ইচ্ছুক নন এবং বিষয়টি বিভাগের সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন।বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রাশিদুজ্জামান বলেন, “আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কোর্সটি অন্য শিক্ষককে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ৩ মার্চ অ্যাকাডেমিক মিটিং অনুষ্ঠিত হবে, সেখানে অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে সার্বিক বিষয়ে কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”এনআই
নরসিংদী ও ঈশ্বরদীতে কিশোরী হত্যার প্রতিবাদে বাকৃবিতে ছাত্র ফ্রন্টের বিক্ষোভ
নরসিংদী ও পাবনার ঈশ্বরদীতে পৃথক ঘটনায় দুই কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শাখা। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল জব্বার মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে দেবদারু সড়ক ও ছাত্রী হল সংলগ্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে। মিছিলটি কে আর মার্কেটে গিয়ে শেষ হয় এবং সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট বাকৃবি শাখার সভাপতি সঞ্জয় রায়ের সভাপতিত্বে এবং সহ-সম্পাদক জাবের ইসলামের সঞ্চালনায় সমাবেশে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।সমাবেশে বক্তারা বলেন, "নরসিংদীতে এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর তার বাবার সামনে থেকে অপহরণ করে পুনরায় ধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনার বিচার চাইতে গেলে স্থানীয় প্রভাবশালীরা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করছেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে এলাকা ছাড়ার চাপ দিচ্ছেন। ক্ষমতা ও রাজনৈতিক প্রভাব অনেক ক্ষেত্রে অপরাধীদের রক্ষাকবচ হয়ে দাঁড়িয়েছে।"বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, ঈশ্বরদীতে আরেক কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার পাশাপাশি তার বৃদ্ধ দাদিকেও নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই দুই ঘটনা প্রমাণ করে যে, দেশে ধর্ষণ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি দীর্ঘদিনের বিচারহীনতার সংস্কৃতির ফল। আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং প্রভাবশালীদের আশ্রয়ে অপরাধীদের পার পেয়ে যাওয়ার প্রবণতাই এমন বর্বরতার পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে।সভাপতির বক্তব্যে সঞ্জয় রায় বলেন, "সরকার পরিবর্তন হলেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মৌলিক কোনো উন্নতি হয়নি। মূল্যবোধের অবক্ষয়, সামাজিক নিরাপত্তার ঘাটতি এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিষ্ক্রিয়তা নারীদের চরম অনিরাপত্তার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণপরিবহন কিংবা গ্রাম-শহর কোথাও নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়।"তিনি আরও বলেন, "ধর্ষণ বিচারহীনতা ও সামাজিক অবক্ষয়ের এক নির্মম বহিঃপ্রকাশ। আমরা অবিলম্বে এসব হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানাচ্ছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে আরও কঠোর আন্দোলনের গড়ে তোলা হবে।"এনআই
অফিস টাইমের বাইরে ফোন করায় শিক্ষার্থীকে সিট বাতিলের হুমকি
“অফিস টাইম ছাড়া আমাকে ফোন করা যাবে না।” অসুস্থ শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেওয়ার পর হল প্রভোস্টের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি এ কথা বলেন, বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। ঘটনাটি ঘটেছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় এর দোলনচাঁপা হলে।বিশ্ববিদ্যালয়ের দোলনচাঁপা হলের ৪০৬ নম্বর কক্ষে সিনিয়র রুমমেটের বিরুদ্ধে জুনিয়র শিক্ষার্থীকে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগ এবং আইন ও বিচার বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে এক হাজার টাকা চুরির অভিযোগ তোলেন ওই সিনিয়র রুমমেট। বিষয়টি নিয়ে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে কক্ষে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় সিএসই বিভাগের এক শিক্ষার্থী শ্বাসকষ্টে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে সহপাঠীরা তাঁকে দ্রুত ত্রিশাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা অক্সিজেন দেওয়ার পর তাঁর জ্ঞান ফেরে।শিক্ষার্থীরা বলেন, ঘটনার সময় হল প্রভোস্ট উম্মে ফারহানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ‘অফিস টাইমের বাইরে ও শুক্র-শনিবার’ ফোন না দিতে বলেন। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তাঁদের দাবি, আবাসিক হলে জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক সহায়তা পাওয়া উচিত ছিল।পরে এ বিষয়ে জানতে চাইলে হল প্রভোস্ট, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক উম্মে ফারহানা সাংবাদিকের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমি অনেক কিছু জানি, যা আপনাদের বলব না। আপনাদের সাংবাদিকগিরি একধরনের ফাতরামি করা ছাড়া কিছুই না। যে শিক্ষার্থী সাংবাদিকের কাছে অভিযোগ করেছে, তাকে আমি খুঁজে বের করব এবং প্রয়োজন হলে তার সিট বাতিল করব।”তিনি আরও বলেন, “হলের হাউস টিউটরদের মাধ্যমে বিষয়গুলো জানানো উচিত ছিল। হাউস টিউটররা আমাকে না জানালে আমি কোনো উড়ো ফোন কলের ভিত্তিতে ত্রিশালে যেতে পারি না। শুক্রবার আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকি না। সরাসরি আমাকে ফোন না করে আগে হাউস টিউটরদের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত ছিল।”উল্লেখ্য নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০৬ অনুযায়ী শিক্ষক-কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে গণ্য। ফলে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া প্রশাসনের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।ঘটনাটি নিয়ে ক্যাম্পাসে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, আবাসিক হলে পারস্পরিক সহাবস্থান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন।এসআর
তথ্য-প্রযুক্তি
সব দেখুন
ছবি-ভিডিও এআই দিয়ে তৈরি কি না, জানবেন যেভাবে
কনটেন্টের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন একটি সুবিধা চালু করেছে গুগল। কারণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে এখন আসল ছবি বা ভিডিও আর এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট আলাদা করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। গুগলের জেমিনি অ্যাপ ব্যবহার করে এখন সহজেই জানা যাবে কোনো ছবি বা ভিডিও গুগলের এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত কি না। এই সুবিধাটি সম্ভব হয়েছে গুগলের বিশেষ ওয়াটারমার্কিং প্রযুক্তি সিনথআইডির মাধ্যমে, যা এআই-তৈরি কনটেন্টের ভেতরে অদৃশ্য ডিজিটাল চিহ্ন সংযুক্ত করে।কীভাবে যাচাই করবেন এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট, ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াটি তুলে ধরা হলো— জেমিনি অ্যাপে প্রবেশ: প্রথমে জেমিনি অ্যাপটি চালু করুন। এই যাচাই সুবিধা বর্তমানে সমর্থিত সব ভাষা ও দেশে চালু রয়েছে। সঠিক ফল পেতে অ্যাপটির সর্বশেষ সংস্করণ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে গুগল। কনটেন্ট আপলোড: যে ছবি বা ভিডিও যাচাই করতে চান, সেটি সরাসরি জেমিনি অ্যাপে আপলোড করুন। ভিডিওর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ এমবি সাইজ এবং ৯০ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ফাইল আপলোড করা যাবে। ফাইল যুক্ত করার প্রক্রিয়াটি সাধারণ মেসেজিং অ্যাপের মতোই সহজ।ফাইল আপলোডের পর জেমিনিকে সরাসরি প্রশ্ন করুন—‘এটি কি গুগল যাচাই দিয়ে তৈরি?’ অথবা ‘এই কনটেন্টটি কি যাচাই -জেনারেটেড?’ স্বাভাবিক ও কথোপকথনের ভঙ্গিতেই প্রশ্ন করা যাবে, কারণ জেমিনি বিভিন্নভাবে করা প্রশ্ন বুঝতে সক্ষম।এরপর জেমিনি আপলোড করা কনটেন্টে সিনথআইডি ওয়াটারমার্ক আছে কি না তা স্ক্যান করে জানাবে। ভিডিওর ক্ষেত্রে অডিও ও ভিজ্যুয়াল উভয় অংশেই এই শনাক্তকরণ করা হয়। প্রয়োজনে জেমিনি নির্দিষ্ট করে জানাবে ভিডিওর কোন অংশে এআই-তৈরি উপাদান রয়েছে।কীভাবে কাজ করে সিনথআইডি:সিনথআইডি প্রযুক্তি এআই দিয়ে কনটেন্ট তৈরির সময়ই তাতে অদৃশ্য ডিজিটাল ওয়াটারমার্ক যুক্ত করে। এটি মানুষের চোখে ধরা পড়ে না, তবে বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করা যায়। এই ওয়াটারমার্ক এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে ক্রপ করা, ফিল্টার দেওয়া, কমপ্রেশন বা ফ্রেমরেট পরিবর্তনের পরও তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়।কনটেন্টের স্বচ্ছতা বাড়ানোর উদ্যোগ: ২০২৩ সালে চালুর পর থেকে গুগল ইতোমধ্যে ২০ বিলিয়নের বেশি এআই-তৈরি কনটেন্টে সিনথআইডি ওয়াটারমার্ক যুক্ত করেছে।এইচএ
বিশ্বজুড়ে বিভ্রাট ইউটিউব এখন স্বাভাবিক, জানা গেল কারণ
হঠাৎ করেই বিশ্বব্যাপী ব্যাপক বিভ্রাটের কবলে পড়েছিল জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। মঙ্গলবার গভীর রাতে কয়েক লাখ ব্যবহারকারী সাইটটিতে প্রবেশ করতে বা ভিডিও দেখতে গিয়ে চরম বিড়ম্বনায় পড়েন। তবে ভোর রাতে আবারও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে বলে জানা গেছে। ইউটিউব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্যাটি এখন সম্পূর্ণ সমাধান করা হয়েছে এবং সব পরিষেবা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।ইন্টারনেট বিভ্রাট পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ডাউনডিটেক্টর-এর তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) রাত ১টার দিকে সমস্যার পরিমাণ চরমে পৌঁছায়। সে সময় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৩ লাখেরও বেশি ব্যবহারকারী ইউটিউবে ঢুকতে না পারার অভিযোগ জানান। বিভ্রাট চলাকালীন অনেক ব্যবহারকারী সাইটটির হোমপেজে গেলে তাদের ‘পরে আবার ফিরে আসার’ বার্তা দেখানো হচ্ছিল।ইউটিউব জানিয়েছে, মূলত তাদের ‘সুপারিশ ব্যবস্থা’ বা রিকমেন্ডেশন সিস্টেমে ত্রুটির কারণেই এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। এর ফলে ইউটিউব অ্যাপ, ইউটিউব মিউজিক, কিডস এবং টিভি—সবগুলো প্ল্যাটফর্মেই ভিডিও প্রদর্শনে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছিল।বিভ্রাট কাটিয়ে ওঠার পর এক বিবৃতিতে ইউটিউব জানায়, ‘আমাদের সুপারিশ ব্যবস্থার সমস্যাটি সমাধান করা হয়েছে। ইউটিউব ডটকমসহ আমাদের সব প্ল্যাটফর্ম ও অ্যাপ এখন স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।’ বার্তা সংস্থা এএফপির সাংবাদিকেরা জিএমটি ভোর ৪টার দিকে সাইটটি ব্যবহার করে দেখেছেন যে এটি পুনরায় সক্রিয় হয়েছে।গুগলের মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। প্রতি মাসে প্রায় ২৫০ কোটিরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী ইউটিউব ব্যবহার করেন। এত বিশাল সংখ্যক ব্যবহারকারীর জীবনে ইউটিউব একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার ফলে কয়েক ঘণ্টার এই বিভ্রাট বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করে।এইচএ
নিজের ফোনেই পাবেন ভোটের ফলাফল
বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ বা স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ভোটের ফলাফল দ্রুত এবং সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ইলেকশন কমিশন (ইসি) সম্প্রতি স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি নামের একটি অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপটি ব্যবহার করে ভোটাররা রিয়েল টাইমে ফলাফল দেখতে পারবেন এবং নির্বাচনি তথ্য সহজে জানতে পারবেন।জেনে নিন কীভাবে ঘরে বসেই এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটের ফলাফল জানতে পারবেন-অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন: অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মে উভয়েই পাওয়া যাবে। গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে ‘Smart Election Management BD’ লিখে সার্চ করে ডাউনলোড করা যাবে। ডাউনলোডের পর ফোনে ইনস্টল করে অ্যাপটি ওপেন করতে হবে।অ্যাকাউন্ট বা লগইন প্রক্রিয়া: সাধারণত ভোটের ফলাফল দেখার জন্য লগইন করতে হয় না। তবে ব্যক্তিগত ভোটার তথ্য বা ইভিএম সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পেতে অ্যাপটি আপনাকে ভোটার আইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে লগইন করতে বলবে। লগইন করলে ভোটের নথি, ভোটার স্ট্যাটাস এবং নির্বাচনী কেন্দ্র সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাবে।ভোটের ফলাফল দেখার ধাপক. নির্বাচন ও কেন্দ্র নির্বাচন: অ্যাপের হোম স্ক্রিনে ‘ইলেকশন রেজাল্টস’ বা ‘ভোটিং রেজাল্টস’ অপশনটি থাকবে। এখানে নির্বাচনের ধরন নির্বাচন করতে হবে (জাতীয় সংসদ, উপজেলা, পৌরসভা, বা ইউনিয়ন নির্বাচন)। এরপর জেলা ও উপজেলা/ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে।খ. কেস্টিং এবং ফলাফল: নির্বাচনি কেন্দ্র অনুযায়ী ভোটের লাইভ আপডেট দেখার সুযোগ থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট গণনার পর ফলাফল সরাসরি অ্যাপে আপলোড হবে। ভোটের ভোটের সংখ্যা, প্রার্থী বা দল অনুযায়ী ভাগফল এবং ভোটের শতাংশ দেখা যাবে।গ. গ্রাফ এবং চার্টের মাধ্যমে উপস্থাপনা: অ্যাপটি ফলাফলকে গ্রাফ বা চার্টে দেখায়, যাতে কোন প্রার্থী বা দলের অবস্থান সহজে বোঝা যায়। লাইভ আপডেটের ফলে ভোটের ধাপ ধাপে অগ্রগতি দেখা যাবে।এইচএ
ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের নিবন্ধন বাতিল করবেন যেভাবে
নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন করতে হলে কিংবা অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দিতে হলে অথবা বিক্রির আগে অবশ্যই মোবাইল ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি)।মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনআইআর)’ সিস্টেমটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হয়েছে। এর আওতায় নেটওয়ার্কে সচল সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়েছে।ফলে এখন থেকে নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন, অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া কিংবা বিক্রির আগে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সঙ্গে যুক্ত হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিল বা অবমুক্ত করতে হবে।এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সিম কেনার সময় ব্যবহৃত এনআইডি বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে। নিবন্ধিত ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এখন থেকে অনুসরণ করতে হবে। নিবন্ধিত মুঠোফোন ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করার উপায়সিটিজেন পোর্টাল (neir.btrc.gov.bd)এনইআইআর পোর্টালে লগ ইন করে ড্যাশবোর্ডে যেতে হবে। তালিকা থেকে ডিভাইস নির্বাচন করতে হবে। ‘ডি-রেজিস্টার’ এ ক্লিক করুন এবং প্রয়োজনীয় বিবরণ দিয়ে ডি-রেজিস্টার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে।ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#)মোবাইলের কল অপশনে যেয়ে ডায়াল করুন *১৬১৬১#। এরপর ডি রেজিষ্ট্রেশন অপশনে ক্লিক করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।তবে ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে গ্রাহক তার ফোনে যে সিমটি ব্যবহার করছেন তা অবশ্যই নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর যুক্ত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হবে।ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে বিটিআরসি’র ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিটিআরসি’র কল সেন্টার (১০০) অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও সহায়তা নেওয়া যাবে।এমআর-২
আইফোন বিক্রিতে নতুন রেকর্ড অ্যাপলের
আইফোন বিক্রিতে নতুন ইতিহাস গড়েছে অ্যাপল। সর্বশেষ প্রান্তিকে আইফোন থেকে আয় হয়েছে ৮৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এটাই আইফোনের ইতিহাসে এক প্রান্তিকে সর্বোচ্চ আয়।২০২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের আয় প্রতিবেদন প্রকাশ করে এ তথ্য জানায় অ্যাপল। সব মিলিয়ে এ সময়ে কোম্পানির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১৪৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১৬ শতাংশ বেশি।অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বলেন, আইফোনের চাহিদা ছিল “অবিশ্বাস্যরকম বেশি”। তার ভাষায়, “এটাই আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী আইফোন লাইনআপ।” তিনি আরও বলেন, জনপ্রিয়তার দিক থেকেও এটি আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।তবে সাফল্যের পেছনে বড় বাধাও ছিল। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নতুন সিরি সংস্করণ চালু হতে দেরি হয়েছে। তারপরও বিক্রি কমেনি।আইফোন ১৭ সিরিজ এতে বড় ভূমিকা রেখেছে। বেস মডেলেই দেওয়া হয়েছে আগে শুধু ‘প্রো’ সংস্করণে থাকা কিছু ফিচার। যেমন- অলওয়েজ-অন ডিসপ্লে। এ ছাড়া রয়েছে বেশি রিফ্রেশ রেটের স্ক্রিন।‘আইফোন এয়ার’ মডেলের বিক্রি প্রত্যাশার চেয়ে কম হয়েছে- এমন গুঞ্জনও ছিল। তবে সেটির প্রভাব মোট বিক্রিতে তেমন পড়েনি বলে ইঙ্গিত মিলেছে।তবে বাড়তি চাহিদার কারণে সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। টিম কুক জানান, আইফোন ১৭–এর উচ্চ চাহিদার কারণে সরবরাহ কিছুটা সীমিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত উন্নত প্রযুক্তির সরবরাহে চাপ রয়েছে।অন্যদিকে অ্যাপলের সেবাভিত্তিক আয়ও বেড়েছে। অ্যাপল মিউজিক, আইক্লাউড, অ্যাপল টিভি প্লাসসহ বিভিন্ন সাবস্ক্রিপশন সেবা থেকে আয় বেড়েছে ১৪ শতাংশ। তবে ম্যাক কম্পিউটার ও ওয়্যারেবল পণ্যের আয় কিছুটা কমেছে।এখন অ্যাপলের বড় লক্ষ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আগামী মাসগুলোতে সিরিতে আনা হবে নতুন এআই সুবিধা। এ কাজে গুগলের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করছে অ্যাপল। গুগলের জেমিনি এআই মডেলের বিশেষ সংস্করণ ব্যবহার করা হবে সিরির উন্নত সংস্করণে।এ ছাড়া একটি এআই স্টার্টআপও কিনছে অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটির নাম কিউ.এআই। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারে এ অধিগ্রহণ হতে যাচ্ছে।এই স্টার্টআপের প্রযুক্তি ভবিষ্যতের ডিভাইসে ব্যবহার হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের পেটেন্টে এমন প্রযুক্তির ইঙ্গিত আছে যা হেডফোন বা চশমায় ব্যবহার করা যাবে। মুখের ত্বকের সূক্ষ্ম নড়াচড়ার মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া সম্ভব হবে—এমন ধারণাও আছে।শুধু তা-ই নয়, ভবিষ্যতে সিরিকে পুরোপুরি এআই চ্যাটবটে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। আইফোন ও ম্যাক ডিভাইসের ভেতরেই থাকবে এই স্মার্ট সহকারী। শোনা যাচ্ছে, সিরির জন্য আলাদা এআইভিত্তিক ওয়েব সার্চ টুলও তৈরি করছে অ্যাপল।এইচএ
কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে দক্ষ করতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। চালু করা হয়েছে একাধিক অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স। এর মধ্যে অনেক কোর্সে বিনামূল্যে অংশ নেওয়া যাচ্ছে। প্রযুক্তি খাতের বড় প্রতিষ্ঠানগুলো কোর্স তৈরিতে যুক্ত রয়েছে। অ্যামাজন, গুগল ও মাইক্রোসফট এ উদ্যোগে সহায়তা করেছে। মোট ১৪টি কোর্স শেষ করলে পাওয়া যাবে ভার্চুয়াল ব্যাজ।কোর্সগুলোতে শেখানো হবে এআই টুল ব্যবহারের মৌলিক কৌশল। যেমন- চ্যাটবটকে কীভাবে কার্যকরভাবে প্রশ্ন করতে হয়? প্রশাসনিক কাজের সহকারী হিসেবে এআই ব্যবহার, দ্রুত নোট লেখা, ইমেইল খসড়া তৈরি ও তথ্য গোছানো।সরকারের লক্ষ্য বড় হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এক কোটি কর্মীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা। এ উদ্যোগকে ১৯৭১ সালে ওপেন ইউনিভার্সিটি চালুর পর সবচেয়ে বড় দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি বলা হচ্ছে।যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তিমন্ত্রী লিজ কেন্ডাল বলেছেন, তাদের লক্ষ্য মানুষ যেন কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে আত্মবিশ্বাসী হয়। পরিবর্তন থামানো যাবে না। তবে পরিবর্তনের ফল কী হবে, তা নীতিনির্ধারণেই ঠিক হয়। ঝুঁকি থেকে মানুষকে সুরক্ষা দিয়ে এআইয়ের সুফল সবার কাছে পৌঁছে দিতে চায় সরকার।তবে সমালোচনাও আছে। ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসি রিসার্চ (আইপিপিআর) বলছে, শুধু চ্যাটবট ব্যবহার শেখালেই হবে না। কর্মীদের দরকার বিশ্লেষণী চিন্তা। সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ও নেতৃত্বগুণ। থাকতে হবে এআই নিরাপদভাবে ব্যবহারের আত্মবিশ্বাস।সংস্থাটির গবেষক রোয়া পাওয়েল বলেন, এআই যুগের দক্ষতা ছোট টেকনিক্যাল কোর্সে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষকে বিস্তৃত দক্ষতায় প্রস্তুত করতে হবে।ব্রিটিশ কম্পিউটার সোসাইটি (বিসিএস)–ও উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে তারা বলছে, দায়িত্ব শুধু কর্মীদের নয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ পর্যায়েও প্রযুক্তি বোঝার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বোর্ড পর্যায়ের সিদ্ধান্ত নির্ধারকদেরও এআই সম্পর্কে জ্ঞান থাকা জরুরি।কোর্সগুলোর সময়সীমা ভিন্ন। কিছু কোর্স ২০ মিনিটের। কিছু আবার কয়েক ঘণ্টার। যুক্তরাজ্যের যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক এতে অংশ নিতে পারবেন।এ উদ্যোগে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে বেশ কয়েকটি বড় সংস্থা। এর মধ্যে আছে এনএইচএস, ব্রিটিশ চেম্বার্স অব কমার্স এবং লোকাল গভর্নমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। তারা তাদের কর্মী ও সদস্যদের অংশ নিতে উৎসাহ দেবে।এইচএ
আইন-আদালত
সব দেখুন
সেনাবাহিনীর আরও ৬ উচ্চ পদে রদবদল
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উচ্চপর্যায়ে আরও ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সেনা সদর থেকে এ–সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। এর আগে রোববার সেনাবাহিনীর উচ্চপর্যায়ে আরও ৮টি পদে রদবদল আনা হয়েছিল।ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের (এনডিসি) কমান্ড্যান্ট লে. জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হককে কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) করা হয়েছে। কিউএমজির দায়িত্ব পালন করা আসা লে. জেনারেল ফয়জুর রহমানের স্থলাভিষিক্ত হবেন লে. জেনারেল শাহীন। লে. জেনারেল ফয়জুরকে এনডিসিতে বদলি করা হয়। এছাড়া সামরিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের (এমআইএসটি) মেজর জেনারেল মো. নাসিম পারভেজের চাকরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। মেজর জেনারেল মোহাম্মদ হোসেন আল মোরশেদকে ১৯ পদাতিক ডিভিশন থেকে সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল (এজি) করা হয়েছে। এছাড়া অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা মেজর জেনারেল মোহাম্মদ হাকিমুজ্জামানকে এমআইএসটির কমান্ড্যান্ট করা হয়। ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কামরুল হাসানকে লজিস্টিক এরিয়ার জিওসি হিসবে বদলি করা হয়।এফএস
প্রবাস
সব দেখুন
আরব আমিরাতে প্রাণ গেল বড়লেখার সালেখের
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে সালেখ উদ্দিন ওরফে আহমদ আলী (৪৮) নামে এক বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্বজনদের দাবি, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তিনি নিহত হয়েছেন। নিহত সালেখ মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা পৌরসভার গাজিটেকা (বাঁশতলা) গ্রামের মৃত সবর আলীর ছেলে। রোববার (১ মার্চ) রাত নয়টায় দেশে থাকা সালেখের স্বজনরা তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সালেখ উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহরে বসবাস করেন। সেখানে তিনি পানির গাড়ি চালাতেন। শনিবার তিনি নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে পানির গাড়ি চালাচ্ছিলেন। ওই দিন সন্ধ্যার সময় মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপনাস্ত্র আজমান শহরে আঘাত হানে। এতে সালেখসহ আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা সালেখকে মৃত ঘোষণা করে। এদিকে সালেখের মৃত্যুর খবরে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারে তার স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। দেশে থাকা সালেখের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী শেলি বেগম রোববার রাত নয়টায় মুঠোফোনে জানান, গতকাল শনিবার থেকেই তারা সালেখের মৃত্যুর খবর শুনছিলেন, তবে নিশ্চিত হতে পারছিলেন না। আজ দুপুরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা সালেখের ভাইয়েরা তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। কীভাবে তিনি মারা গেলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা শুনেছেন ইরানের ছোড়া ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতেই তার মৃত্যু হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা স্বজনরা হাসপাতালে মরদেহ দেখার জন্য যাচ্ছেন।স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শাহজাহান জানান, সালেখের মৃত্যুর খবর তিনি শুনে দুপুরে তাদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নিয়েছেন। ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক।এফএস
লাইফস্টাইল
সব দেখুন
ইফতারিতে বানান মজাদার চিকেন ব্রেড টোস্ট
প্রতিদিন ইফতারে একই খাবার খেলে একঘেয়েমি লাগে। খাবারে স্বাদ আনতে ইফতারে বানিয়ে নিন মজাদার চিকেন ব্রেড টোস্ট। উপকরণ: ব্রেড স্লাইস ৮টি, সেদ্ধ ও কুচি করা মুরগির মাংস ১ কাপ, কাঁচা মরিচ কুচি ২/৩ টি, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, ধনে পাতা ১ চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১/৪ চা চামচ, ব্রেড ক্রাম প্রয়োজন অনুযায়ী, লবণ স্বাদমতো, মেয়নেজ অথবা টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, ডিম ১টি, ভাজার জন্য তেল প্রস্তুত প্রণালি: প্রথমে একটি বাটিতে সেদ্ধ ও কুচি করা মুরগির মাংস, পেঁয়াজ, গোলমরিচ, কাঁচা মরিচ, ধনে পাতা, লবণ, মেয়নেজ অথবা সস একসাথে মিশিয়ে নিন। ব্রেডের এক পাশে সমানভাবে মুরগির মিশ্রণ নিয়ে। ব্রেডের আরেক পাশের স্লাইস দিয়ে ঢেকে হালকা চেপে নিন। অন্য একটি পাত্রে ডিম ফেটে নিন। স্যান্ডউইচটি ডিমে চুবিয়ে ব্রেড ক্রাম দিয়ে কোট করে মাঝারি আঁচে ভাজুন। সোনালি হয়ে এলে গরম গরম পরিবেশন করুন।এইচএ
