এইমাত্র
  • আমাদের তো প্রতিদিন কথা হয়, তাহসান প্রসঙ্গে মিথিলা
  • খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে অভিযোগ হাস্যকর বস্তুতে পরিণত করছে: আইনমন্ত্রী
  • প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর অত্যন্ত চমৎকার ও ফলপ্রসূ: কাদের
  • ব্লগার নাজিম হত্যা: মেজর জিয়াসহ ৪ আসামির বিচার শুরু
  • বিরামপুরে কৃষকদের নিয়ে রাসেল ভাইপার সম্পর্কে সচেতনতা সভা
  • চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
  • পানামাকে হারিয়ে উরুগুয়ের কোপা আমেরিকা শুরু
  • কুমিল্লায় মায়ের কুড়ালের আঘাতে মেয়ের মৃত্যুর অভিযোগ
  • কুমিল্লায় ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল আওয়ামী লীগ নেতার
  • আবারো ডিমের বাজারে উত্তাপ শুরু হয়েছে
  • আজ সোমবার, ১০ আষাঢ়, ১৪৩১ | ২৪ জুন, ২০২৪
    চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
    চারদিনের সফরে বেইজিং সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৮ থেকে ১১ ‍জুলাই পর্যন্ত হবে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর।সোমবার (২৪ জুন) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানান, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে এবং বিনিয়োগ আরো বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। চীনের কম্যুনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ জিয়ানশাও-এর সাথে আলোচনায় এই বিষয়গুলো উঠে এসেছে।প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন চীন সফর দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তার এ সফরে ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে কয়েকটি চুক্তি সই হতে পারে। সেসবের প্রস্ততি চলছে বলেও জানা গেছে।এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে গত শুক্রবার (২১ জুন) নয়াদিল্লি যান শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবারের ভারত সফর অত্যন্ত চমৎকার ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি দাবি করেছেন, এবারের সফরে বাংলাদেশের অর্জন অনেক। তিনি জানান, এই সফরে ১০টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে এবং ১৩টি সুনির্দিষ্ট ঘোষণা এসেছে।আরইউ
    ছাগলকাণ্ড: মতিউরসহ পরিবারের সদস্যদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
        জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য মো. মতিউর রহমান, তার প্রথম স্ত্রী নরসিংদীর রায়পুরার উপজেলা চেয়ারম্যান লায়লা কানিজ লাকী ও তাদের ছেলে আহম্মেদ তৌফিকুর রহমান অর্নবের বিদেশে গমনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।   সোমবার (২৪ জুন) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি তাপস কুমার পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কুরবানির ঈদের আগে রাজধানীর একটি এগ্রোফার্ম থেকে মতিউর রহমানের ছেলে ১৫ লাখ টাকার ছাগল কেনার পর শুরু হয় আলোচনা। এরপর একের পর এক তথ্য বেরিয়ে আসে মতিউর রহমানের সম্পদের।  মতিউরের প্রথম স্ত্রী লাকীর সংসারে তৌফিকুর রহমান অর্ণব ও ফারজানা রহমান ইপসিতা নামে দুই সন্তান রয়েছে। অন্যদিকে ছাগলকাণ্ডে ভাইরাল তরুণ মুশফিকুর রহমান (ইফাত) তার দ্বিতীয় স্ত্রী ফেনীর সোনাগাজীর শাম্মী আখতারের গর্ভের সন্তান।লাকী ছিলেন রাজধানীর তিতুমির সরকারি কলেজের বাংলা বিষয়ের সহযোগী অধ্যাপক। শিক্ষকতার পাশাপাশি রায়পুরা উপজেলার মরজালে নিজ এলাকায় প্রায় দেড় একর জমিতে ওয়ান্ডার পার্ক ও ইকো রিসোর্ট নামে একটি বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলেন তিনি।  গত বছর উপজেলা চেয়ারম্যান সাদেকুর রহমান মারা গেলে স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়ে উপনির্বাচনে প্রার্থী হন এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হন।শিক্ষক থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া লাকীর নামে বেনামে রয়েছে অঢেল সম্পদ। তার নির্বাচনি হলফনামা থেকে জানা গেছে, বাৎসরিক আয় বাড়ি-অ্যাপার্টমেন্ট-দোকান ও অন্যান্য ভাড়া থেকে ৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা, কৃষিখাত থেকে ১৮ লাখ টাকা, শেয়ার-সঞ্চয়পত্র-ব্যাংক আমানতের লভ্যাংশ থেকে ৩ লাখ ৮২ হাজার ৫০০ টাকা, উপজেলা চেয়ারম্যানের সম্মানী বাবদ ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৭৫ টাকা, ব্যাংক সুদ থেকে ১ লাখ ১৮ হাজার ৯৩৯ টাকা। বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার জমা রয়েছে ৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।  এমএইচ

    জাতীয়

    সব দেখুন
    তদন্ত ছাড়া কাউকে দুর্নীতিবাজ বলা যাবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
     পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, কয়েকটি গণমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সরকারের প্রতিষ্ঠান ও ব্যাক্তিকে দুর্নীতিবাজ বলছে। তিনি বলেন কোনো তদন্ত ছাড়া কাউকে দুর্নীতিবাজ বলা যাবে না। কোনো প্রতিষ্ঠানকে উদ্দেশ্য করে এমন সংবাদ না প্রকাশের অনুরোধ জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সোমবার (২৪ জুন) আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রেসক্লাবে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।হাছান মাহমুদ বলেন, যারা আওয়ামী লীগ থেকে চলে গেছে তারা রাজনীতি থেকে হারিয়ে গেছে, নয়তো পরিত্যক্ত হয়েছে। আর কখনও ক্ষমতায় যাবে না, এসব বলে ২১ বছর অনেক টিপ্পনির শিকার হয়েছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের চর্চা আছে, বিএনপিসহ অন্য দলে সেই চর্চা নেই।এসময় তিনি বলেন, পত্রিকায় দেখেছি নতুন মহাসচিব খুঁজছে বিএনপি। আরো দেখেছি মির্জা ফখরুল কান্না করছেন। এখন এই কান্না খালেদা জিয়ার জন্য না। তার এই কান্না পদ হারানোর ভয়ে কিনা তা খুঁজে দেখার বিষয় বলে মন্তব্য করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি আরো বলেন, বিশ্ব নেতারা শেখ হাসিনাকে স্বীকৃতি দিচ্ছে বলে বিএনপি ফিউজ হয়ে গেছে। তাই এক কলমের খোচায় সাংগঠনিক পদে বদল হয়ে যায়। অথচ তারা অগণতান্ত্রিক কাজ করে বেড়াচ্ছে। এমএইচ
    এমপি আনার হত্যা: আরেক তদন্ত কর্মকর্তাকে পাবনায় বদলি
    ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তদারকি বিভাগের উপ-কমিশনার আব্দুল আহাদকে পাবনার পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। তিনি তদন্তের জন্য ভারতে যাওয়া ডিবি দলে ছিলেন। রোববার (২৩ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে বদলি করা হয়। এ নিয়ে তদন্ত চলাকালীন দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হলো। এর আগে গত ২ জুন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শহিদুর রহমান রিপনকে বরিশালে বদলি করা হয়। হত্যা মামলার তদন্তের জন্য তিনি নেপালে গিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারত যান সংসদ সদস্য আনার। তিনি পশ্চিমবঙ্গের বরাহনগর থানার মণ্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে ওঠেন। পরদিন ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন আনার। বাড়ি থেকে বেরোনোর পাঁচ দিন পর ১৮ মে বরাহনগর থানায় আনারের নিখোঁজ নিয়ে একটি জিডি করেন বন্ধু গোপাল বিশ্বাস। এরপরও খোঁজ মেলেনি তিনবারের এ সংসদ সদস্যের।  পরে ২২ মে হঠাৎ খবর ছড়ায়, কলকাতার পাশের নিউটাউন এলাকায় সাঞ্জিভা গার্ডেনস নামে একটি বহুতল আবাসিক ভবনের বিইউ ৫৬ নম্বর রুমে সংসদ সদস্য আনার খুন হয়েছেন। ঘরের ভেতর পাওয়া যায় রক্তের ছাপ। তবে ঘরে মেলেনি মরদেহ। এরপর ২৮ মে সন্ধ্যায় সঞ্জিভা গার্ডেনসের সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার করা হয়। তবে এগুলো আনারের কি না সেটা এখনও নিশ্চিত করেনি পুলিশ। তবে এ হত্যা মামলায় গ্রেফতার পাঁচজনের সবাই দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এমএইচ
    ‘অনলাইনে জুয়ার সঙ্গে যুক্ত ৫০ লাখ মানুষ, আসছে সম্মিলিত অভিযান’
    মোবাইল ফোনসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে ৫০ লাখ মানুষ যুক্ত। এই জুয়ার বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে একটি অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।সোমবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মেরি মাসদুপুইয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা জানান।অনলাইন জুয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, অনলাইন জুয়ায় মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে আমাদের বিভিন্ন বয়সের ছেলে-মেয়েরা যুক্ত হয়েছেন। এমনকি অনেক বয়স্ক, রিটায়ার্ড পারসনরাও এর মধ্যে আসছেন। তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে আমরা দেখেছি ৫০ লাখ মানুষ কীভাবে যেন এ অবৈধ জুয়ার সাইটগুলোর সঙ্গে জড়িয়ে গেছেন।তিনি বলেন, আমরা অবৈধ জুয়ার সাইটগুলোকে ব্লক (বন্ধ) করার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি সচেতনতা তৈরি করার চেষ্টা করছি। যাতে সাধারণ মানুষ এ ধরনের কোনো প্রলোভনে পড়ে প্রতারিত না হন, আমাদের দেশের মুদ্রা যাতে বিদেশে পাচার না হয়।এ পর্যন্ত কতগুলো জুয়ার সাইট বন্ধ করা হয়েছে জানতে চাইলে পলক বলেন, আমরা মোট দুই হাজার ৬০০টি জুয়ার সাইট ব্লক করেছি। এখন আমরা মোবাইল অ্যাপগুলো প্রতিনিয়ত ব্লক করছি। এটা চলতে থাকবে।জুয়ার সাইট বন্ধ করছেন, তারা আবার অন্যভাবে খুলছে এ বিষয়ে পলক বলেন, সেটা নিয়ে আমরা যৌথভাবে বসেছিলাম। আমরা ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকম, ন্যাশনাল টেলিকম মনিটরিং সেন্টার, কম্পিউটার কাউন্সিল, বিটিআরসি এবং সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সি- সবাইকে নিয়ে বসেছিলাম। যার যতটুকু সক্ষমতা আছে, পুলিশ এবং ইন্টেলিজেন্স, সবাই মিলে সম্মিলিতভাবে একটা ড্রাইভ দিচ্ছি।আরও উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন প্রযুক্তি প্রয়োগ করে আমরা কন্টিনিউয়াসলি এটা আমরা ব্লক করতে থাকবো। ‌ মিডিয়াসহ বিভিন্ন সোর্সে আমরা যেটা পাচ্ছি, সেটা ব্লক করার চেষ্টা করছি।এমএইচ
    খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে অভিযোগ হাস্যকর বস্তুতে পরিণত করছে: আইনমন্ত্রী
    বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া সুচিকিৎসার বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, যখন এখানকার চিকিৎসকরা মনে করেছেন বাইরে থেকে চিকিৎসক এনে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা করতে হবে, তখন সরকার সেই অনুমতি দিতে কার্পণ্য করেনি। বাংলাদেশে খালেদা জিয়া উন্নত চিকিৎসা পাচ্ছেন না বলে যারা অভিযোগ করছেন, তারা নিজেদের হাস্যকর বস্তুতে পরিণত করছেন।বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় সোমবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে নিজ দফতরে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমি এতটুকু বলবো, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার যে চিকিৎসা প্রয়োজন, তিনি যে হাসপাতালে আছেন, সেই হাসপাতালে চিকিৎসা পাচ্ছেন বলেই তিনি এখন পর্যন্ত সুস্থ আছেন। আনিসুল হক বলেন, তার (খালেদা জিয়া) কয়েকটা অসুখ আছে, যেগুলো সেরে ওঠার মতো না। সেটার চিকিৎসা করে কমিয়ে রাখতে যেটা করা দরকার, সেটা করা হচ্ছে। গতকাল বিকেল ৪টার দিকে তার পেসমেকার লাগানো হয়েছে। সেই পেসমেকারে তিনি এখন যথেষ্ট সুস্থ আছেন।আইনমন্ত্রী আরও বলেন, যখন প্রয়োজন হয়েছে তখন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য বিদেশ থেকে চিকিৎসক নিয়ে আসতে সরকার কার্পণ্য করেনি। তার চিকিৎসার ব্যাপারে সরকারের আন্তরিকতার অভাব থাকলে বিদেশ থেকে চিকিৎসক নিয়ে আসা হতো না।এইচএ
    ব্লগার নাজিম হত্যা: মেজর জিয়াসহ ৪ আসামির বিচার শুরু
    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র ব্লগার নাজিমুদ্দিন সামাদ হত্যা মামলায় আনসার আল ইসলামের সামরিক শাখার প্রধান চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক জিয়াসহ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এরমধ্য দিয়ে আট বছর পর মামলাটির বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমানের আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন না মঞ্জুর করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। একইসঙ্গে আগামী ৬ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করেন আদালত। বিচার শুরু হওয়া অপর আসামিরা হলো– রশিদুন নবী ভূঁইয়া ওরফে টিপু ওরফে রাসেল ওরফে রফিক ওরফে রায়হান , আকরাম হোসেন ও শেখ আব্দুল্লাহ ওরফে জুবায়ের।  এছাড়াও মামলার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় পাঁচ জনকে অব্যাহতির আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন– মো. ওয়ালিউল্লাহ ওরফে ওলি ওরফে তাহেব ওরফে তাহসিন, সাব্বিরুল হক চৌধুরী ওরফে আকাশ ওরফে কনিক, মাওলানা জুনেদ আহাম্মেদ ওরফে সাব্বির ওরফে জুনায়েদ ওরফে তাহের, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন, ও মো. আরাফাত রহমান। সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. গোলাম ছারোয়ার খান জাকির এ সব তথ্য জানান।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৬ এপ্রিল রাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস শেষে পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় মেসে ফেরার পথে লক্ষ্মীবাজারের একরামপুর মোড়ে জঙ্গিরা কুপিয়ে এবং গুলি করে হত্যা করেন ব্লগার নাজিমুদ্দিনকে। এ ঘটনায় পরদিন সূত্রাপুর থানার এসআই মো. নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। ২০২০ সালের ২০ আগস্ট বহিষ্কৃত মেজর সৈয়দ মো. জিয়াউল হক জিয়াসহ ৯ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট।এবি 
    চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
    চারদিনের সফরে বেইজিং সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৮ থেকে ১১ ‍জুলাই পর্যন্ত হবে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর।সোমবার (২৪ জুন) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানান, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে এবং বিনিয়োগ আরো বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। চীনের কম্যুনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ জিয়ানশাও-এর সাথে আলোচনায় এই বিষয়গুলো উঠে এসেছে।প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন চীন সফর দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তার এ সফরে ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে কয়েকটি চুক্তি সই হতে পারে। সেসবের প্রস্ততি চলছে বলেও জানা গেছে।এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে গত শুক্রবার (২১ জুন) নয়াদিল্লি যান শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবারের ভারত সফর অত্যন্ত চমৎকার ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি দাবি করেছেন, এবারের সফরে বাংলাদেশের অর্জন অনেক। তিনি জানান, এই সফরে ১০টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে এবং ১৩টি সুনির্দিষ্ট ঘোষণা এসেছে।আরইউ
    আবারো ডিমের বাজারে উত্তাপ শুরু হয়েছে
    ডিমের বাজারে উত্তাপ যেন কমছে না। গত কয়েক দিন ধরে ডিমের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা শুরু হয়েছে। ফলে ডিমের দাম নিয়ে কোনো সমাধান আসছে না।  এতে দুর্ভোগে পড়েছে নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি ডজন ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ টাকায়। আর পাড়া-মহল্লার মুদি দোকানে প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা। মাত্র কয়েক দিন আগে একই ডিম ডজন বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকায়।এ পরিস্থিতিতে কেবল নিম্নবিত্তই নয়, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তও দিশেহারা হয়ে পড়েছে। সামর্থ্য না থাকায় খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ এখন মাছ-মাংস কিনতে পারছেন না। বস্তুত যারা পুষ্টির জন্য ডিমের ওপর নির্ভরশীল, তারা এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।আজ সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি হালি ডিমের দাম ৫ টাকা বেড়ে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড়বাজার থেকে কিনলে ডিমের ডজন ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা, আর খুচরা দোকানে ১৭০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।মৌচাক বাজারের একজন ডিম বিক্রেতা বলেন, গত একমাস ধরে ডিমের বাজার অস্থির রয়েছে। ফার্মের মুরগির একটি ডিম পাইকারিতে কিনতে হচ্ছে ১৩ টাকারও বেশি দামে। সামান্য লাভে বিক্রি করলেও প্রতি ডজনের দাম ১৫০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে অনেক ডিম ভেঙে যায়। ফলে খুচরায় প্রতি ডজন ১৬৫ টাকার কমে বিক্রি করলে লোকসান হয়।রাজধানীর এক ডিম ব্যবসায়ী বলেন, উৎপাদন খরচ নির্ধারণ না হওয়ায় ডিমের বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে কোনো ধারণা করা যাচ্ছে না। খামারিরা বলছেন, মুরগির খাদ্য ও আনুষঙ্গিক ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিমের দাম বাড়ার ক্ষেত্রে আমাদের কোনো হাত নেই।এদিকে রাজধানীর পাইকারি ডিম বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে ডিমের সরবরাহ কম। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতির মুখে পড়েছেন খামারিরা। অতি গরমে অনেকের খামারে মুরগি মারাও গেছে। যার প্রভাব পড়েছে ডিমের বাজারে।খামারিরা বলছেন, ডিমের বড় ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের কারসাজিতে ডিমের বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়েছে।বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ) জানায়, ডিমের বাজার অস্থির হওয়ার নেপথ্যে রয়েছে রাজধানীর তেজগাঁও ডিম ব্যবসায়ী সমিতির কারসাজি। কারণ, তারাই সারাদেশের ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে।প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, গত ১০ অর্থবছরে দেশে ডিম ও দুধ উৎপাদন বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। এ সময়ে মাংস উৎপাদন বেড়েছে দ্বিগুণের কাছাকাছি। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে দেশে ডিমের উৎপাদন ছিল ১ হাজার ১৭ কোটি, যা এখন বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৩৩৮ কোটি।এবি 
    বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নতুন সেনাপ্রধানের
      রাজধানীর ধানমন্ডিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে নবনিযুক্ত সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। সোমবার (২৪ জুন) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে দোয়া ও মোনাজাত করেন তিনি। এর আগে, শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ সেনা সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।রবিবার (২৩ জুন) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। উল্লেখ্য, জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ১৯৮৫ সালের ২০ ডিসেম্বর ১৩তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। তিনি মিরপুরের ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ এবং যুক্তরাজ্যের জয়েন্ট সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন করেছেন।এ ছাড়া তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘মাস্টার্স অব ডিফেন্স স্টাডিজ’ এবং যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ, ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে ‘মাস্টার্স অব আর্টস’ ইন ডিফেন্স স্টাডিজ ডিগ্রি অর্জন করেন।এমএইচ

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    রাজনীতি

    সব দেখুন
    প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর অত্যন্ত চমৎকার ও ফলপ্রসূ: কাদের
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবারের ভারত সফর অত্যন্ত চমৎকার ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বিএনপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তিনি দাবি জানান, এই সফরে ১০টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে এবং ১৩টি সুনির্দিষ্ট ঘোষণা এসেছে।সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সফল রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সর্বদা দেশ ও জনগণের মর্যাদা এবং স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার পরিচালনা করেন। রাষ্ট্র পরিচালনায় অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্র যে কোনো নীতিতে তার প্রধান বিবেচ্য দেশের জনগণের স্বার্থ ও নিরাপত্তা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফরও এর ব্যতিক্রম নয়। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর ছিল অত্যন্ত চমৎকার, ফলপ্রসূ ও আন্তরিকতাপূর্ণ। এই সফরে দুই দেশের সম্পর্কের অগ্রগতি ও অর্জনগুলো স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। যেখানে ১০টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে এবং ১৩টি সুনির্দিষ্ট ঘোষণা এসেছে।মন্ত্রী বলেন, বিএনপি ও মির্জা ফখরুলরা কখনো বর্তমান সরকারের কোনো প্রকার সফলতা দেখে না। ভারত বাংলাদেশের বৃহৎ প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাংলাদেশের স্বার্থে ভারতের সঙ্গে কৌশলগতভাবে সম্পর্ককে জোরদার করতে হবে। শেখ হাসিনা এই সফরে তারই প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। বিএনপির শাসনামলে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে এক ধরনের অনাস্থা ও অবিশ্বাসের সৃষ্টি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এই আস্থা পুনরায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন। যার ফলে বাংলাদেশি রোগীদের জন্য ভারতের ই-মেডিকেল ভিসা চালুর সিদ্ধান্তে দুই দেশ ঐকমত্য হয়েছে। এতে বাংলাদেশের জনগণের ভোগান্তি কমবে।ওবায়দুল কাদের বলেন, এছাড়া নতুন নতুন রুটে বাস-ট্রেন চালু এবং নতুন উপ-হাইকমিশন খোলার ঘোষণা দুই দেশের মানুষে-মানুষের সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে। তিস্তায় পানি বণ্টন ছিল এই সফরের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে ভারতের কেন্দ্র সরকার ও রাজ্য সরকারের মধ্যে মতদ্বৈধতা রয়েছে। এই সমস্যা থাকার পরও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সুস্পষ্টভাবে তিস্তার পানি সংরক্ষণ প্রকল্প বিষয়ে কারিগরি সহায়তা দল পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন।বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতৃবৃন্দের মুখে দেশের স্বার্থ নিয়ে কথা বড্ড বেমানান। তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে ভারত সফরে গিয়ে গঙ্গার পানি চুক্তির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে ভুলে গিয়েছিল। অথচ জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেই ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি সম্পন্ন করে। এবারের সফরে এই চুক্তি নবায়নের বিষয়টিও উঠে এসেছে।তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সামরিক স্বৈরাচার জিয়াউর রহমানের আমলে ভারত দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ দখল করে নিয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে দুই দেশের সীমানা জটিলতা নিরসনে সীমান্ত ও ছিটমহল বিনিময় চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিসরে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, বিএনপির সময় ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সহায়তা দিতে ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের ঘটনা ঘটেছিল। ভারতীয় সন্ত্রাসীগোষ্ঠীকে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করার সুযোগ দেয়ায় দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কে অনাস্থা দেখা দিয়েছিল। বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় ভারত থেকে বাংলাদেশে পুশব্যাকের মতো ঘটনা ঘটেছিল। বিএনপি তো সেই দল যারা ভারতের নির্বাচনে বিজেপির জয়লাভের পর ভারতীয় দূতাবাসের দরজা খোলার আগেই অভিনন্দন জানাতে মিষ্টি ও ফুল নিয়ে হাজির হয়েছিল।সেতুমন্ত্রী বলেন, পরিতাপের বিষয় যে, তারাই আজ বাংলাদেশে ভারতবর্জন ও ভারতবিদ্বেষী রাজনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে। এটা তাদের চিরাচরিত দ্বিচারিতা ছাড়া আর কিছু নয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরে তার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাই একমাত্র সরকারপ্রধান যিনি যে কোনো দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক দরকষাকষি করে বাংলাদেশের জনগণের মর্যাদাপূর্ণ স্বার্থ সুরক্ষিত করেছেন।বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের ভারতসহ অন্যান্য রাষ্ট্রের সঙ্গে বিরাজমান অমীমাংসিত দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলোর শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।আরইউ
    প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর অত্যন্ত চমৎকার ও ফলপ্রসূ: কাদের
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবারের ভারত সফর অত্যন্ত চমৎকার ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বিএনপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তিনি দাবি জানান, এই সফরে ১০টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে এবং ১৩টি সুনির্দিষ্ট ঘোষণা এসেছে।সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সফল রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সর্বদা দেশ ও জনগণের মর্যাদা এবং স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার পরিচালনা করেন। রাষ্ট্র পরিচালনায় অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্র যে কোনো নীতিতে তার প্রধান বিবেচ্য দেশের জনগণের স্বার্থ ও নিরাপত্তা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফরও এর ব্যতিক্রম নয়। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর ছিল অত্যন্ত চমৎকার, ফলপ্রসূ ও আন্তরিকতাপূর্ণ। এই সফরে দুই দেশের সম্পর্কের অগ্রগতি ও অর্জনগুলো স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। যেখানে ১০টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে এবং ১৩টি সুনির্দিষ্ট ঘোষণা এসেছে।মন্ত্রী বলেন, বিএনপি ও মির্জা ফখরুলরা কখনো বর্তমান সরকারের কোনো প্রকার সফলতা দেখে না। ভারত বাংলাদেশের বৃহৎ প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাংলাদেশের স্বার্থে ভারতের সঙ্গে কৌশলগতভাবে সম্পর্ককে জোরদার করতে হবে। শেখ হাসিনা এই সফরে তারই প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। বিএনপির শাসনামলে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে এক ধরনের অনাস্থা ও অবিশ্বাসের সৃষ্টি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এই আস্থা পুনরায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন। যার ফলে বাংলাদেশি রোগীদের জন্য ভারতের ই-মেডিকেল ভিসা চালুর সিদ্ধান্তে দুই দেশ ঐকমত্য হয়েছে। এতে বাংলাদেশের জনগণের ভোগান্তি কমবে।ওবায়দুল কাদের বলেন, এছাড়া নতুন নতুন রুটে বাস-ট্রেন চালু এবং নতুন উপ-হাইকমিশন খোলার ঘোষণা দুই দেশের মানুষে-মানুষের সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে। তিস্তায় পানি বণ্টন ছিল এই সফরের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে ভারতের কেন্দ্র সরকার ও রাজ্য সরকারের মধ্যে মতদ্বৈধতা রয়েছে। এই সমস্যা থাকার পরও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সুস্পষ্টভাবে তিস্তার পানি সংরক্ষণ প্রকল্প বিষয়ে কারিগরি সহায়তা দল পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন।বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতৃবৃন্দের মুখে দেশের স্বার্থ নিয়ে কথা বড্ড বেমানান। তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে ভারত সফরে গিয়ে গঙ্গার পানি চুক্তির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে ভুলে গিয়েছিল। অথচ জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেই ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি সম্পন্ন করে। এবারের সফরে এই চুক্তি নবায়নের বিষয়টিও উঠে এসেছে।তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সামরিক স্বৈরাচার জিয়াউর রহমানের আমলে ভারত দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ দখল করে নিয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে দুই দেশের সীমানা জটিলতা নিরসনে সীমান্ত ও ছিটমহল বিনিময় চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিসরে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, বিএনপির সময় ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সহায়তা দিতে ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের ঘটনা ঘটেছিল। ভারতীয় সন্ত্রাসীগোষ্ঠীকে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করার সুযোগ দেয়ায় দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কে অনাস্থা দেখা দিয়েছিল। বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় ভারত থেকে বাংলাদেশে পুশব্যাকের মতো ঘটনা ঘটেছিল। বিএনপি তো সেই দল যারা ভারতের নির্বাচনে বিজেপির জয়লাভের পর ভারতীয় দূতাবাসের দরজা খোলার আগেই অভিনন্দন জানাতে মিষ্টি ও ফুল নিয়ে হাজির হয়েছিল।সেতুমন্ত্রী বলেন, পরিতাপের বিষয় যে, তারাই আজ বাংলাদেশে ভারতবর্জন ও ভারতবিদ্বেষী রাজনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে। এটা তাদের চিরাচরিত দ্বিচারিতা ছাড়া আর কিছু নয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরে তার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাই একমাত্র সরকারপ্রধান যিনি যে কোনো দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক দরকষাকষি করে বাংলাদেশের জনগণের মর্যাদাপূর্ণ স্বার্থ সুরক্ষিত করেছেন।বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের ভারতসহ অন্যান্য রাষ্ট্রের সঙ্গে বিরাজমান অমীমাংসিত দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলোর শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।আরইউ
    খালেদা জিয়া জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে: মির্জা ফখরুল
     বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জীবন-মৃত্যুর একেবারে সন্ধিক্ষণে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।আজ রোববার (২৩ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে  বিএনপির উদ্যোগে দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি  কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন।বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে যে ভয়াবহ যে ফ্যাসিস্ট সরকার, তাদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে দীর্ঘকাল ধরে খালোদা জিয়া কারারুদ্ধ রয়েছেন। সম্পূর্ণ একটা মিথ্যা মামলায় তাকে সাজা দিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দেয়ার জন্য তাকে কারাগারে আটক করে রাখা হয়েছে। তাকে বাসায় থাকার সুযোগ দেয়া হলেও পুরোপুরি তিনি অবরুদ্ধ এবং বন্দি আছেন। তিনি বলেন, অবরুদ্ধ অবস্থায় কারাগার থেকে তিনি অসুস্থ হয়েছেন। তার কোনো চিকিৎসা হয়নি। তিনি বারবার অভিযোগ করেছেন। কিন্তু তৎকালীন সরকার সেটা শোনেনি এবং তার সুচিকিৎসা করেনি। পরবর্তীকালে তাকে যখন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে সেখানেও তার কোনো সুচিকিৎসা হয়নি। মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত রাজনৈতিক যে প্রতিহিংসা, সেই কারণে তিনি খালেদা জিয়াকে হত্যা করার উদ্দেশে এবং রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশে তাকে কোনো রকম চিকিৎসা থেকে সুযোগ দেওয়া থেকে বঞ্চিত রেখেছেন।আজকে বিনা চিকিৎসা বেগম খালেদা আজকে মৃত্যু শয্যায় বলে অভিযোগ করেন ফখরুল।এমএইচ
    আমাদের চলার পথে প্রধান বাধা বর্ণচোরা বিএনপি: ওবায়দুল কাদের
    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমাদের চলার পথে প্রধান বাধা বর্ণচোরা বিএনপি। এ অপশক্তিকে প্রতিহত করাই আওয়ামী লীগের আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ। রবিবার আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের দলের জন্মদিনে আমাদের অঙ্গীকার হচ্ছে আমাদের রক্তমূল্যে অর্জিত বিজয়কে সুসংহত করবো। আমাদের চলার পথে প্রধান বাধা বর্ণচোরা বিএনপি। মুক্তিযুদ্ধের নামে এ বর্ণচোরারা ভাঁওতাবাজি করে। সাম্প্রদায়িক ও জঙ্গিবাদী শত্রু আজ আমাদের অভিন্ন শত্রু।’তিনি বলেন, ‘এ অভিন্ন শত্রু বিএনপির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়। আজ আমাদের অঙ্গীকার, আমাদের আজ শপথ এ অপশক্তিকে পরাজিত করতে হবে এবং আমরা আমাদের বিজয়কে সুসংহত করবো। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণ করবো। এটাই আজকের দিনের শপথ।’ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগ এই দেশের বৃহত্তম ও প্রাচীনতম রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। আমরা এক কথায় বলতে পারি, সংগ্রাম, সাফল্য ও সংস্কৃতির বর্ণিল প্রতিভাসের নাম আওয়ামী লীগ। দুটি পর্বে আমাদের এই সংগ্রাম, আন্দোলন, অর্জন উন্নয়নকে যদি ভাগ করি একটি অংশে স্বাধীনতা। স্বাধীনতার অবিসংবাদিত নেতা কেন্দ্রাতীত শক্তি হচ্ছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পলাশীতে যে সূর্য অস্তমিত হয়েছিল ১৯৪৯ সালে সে সূর্য আবার উদিত হয়েছিল। উদিত হয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন, অঙ্গীকার ও শপথকে সামনে রেখে।’তিনি বলেন, ‘জনগণের কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হয়ে প্রতিরোধের দাবানল ছড়িয়ে বিজয় ছিনিয়ে আনার নাম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আমরা মৃত্যুর মিছিলে দাঁড়িয়ে জীবনের জয়গান গাই। আমরা ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে সৃষ্টির পতাকা উড়াই।’এর আগের সকাল ৭টায় আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ধানমন্ডিতে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন শেখ হাসিনা। পরে দলের অন্যান্য নেতারাও শ্রদ্ধা জানান।
    আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা
    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। এই উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।আজ রবিবার সকাল ৭টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। এসময় প্রথমে প্রধানমন্ত্রী ও পরে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান শেখ হাসিনা।প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ইউনিটসহ ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ দলের বিভিন্ন সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরা।আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তীতে সূর্যোদয়ের সময় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।সকাল সাড়ে ১০টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধিদল শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করবে।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ওই দিন ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর দুইটা ১৫ মিনিটে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে।  এরপর দুপুর আড়াইটায় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এ সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করবেন। এ সভায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা, আমন্ত্রিত অতিথিসহ দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন।দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, আওয়ামী লীগের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন উপযোগী কর্মসূচির মাধ্যমে জমকালোভাবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করার জন্য আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের জেলা/মহানগর, উপজেলা/থানা, পৌর/ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড শাখাসহ সব স্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন জন্ম নেয় ‘আওয়ামী মুসলিম লীগ’। ছয় বছরের মাথায় অসাম্প্রদায়িক চেতনায় দলের নাম থেকে বাদ দেয়া হয় ‘মুসলিম’ শব্দটি।তারপর ছেষট্টির ৬ দফা, ’৬৮-এর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ’৬৯- এর গণঅভ্যুত্থান পেরিয়ে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে একাত্তরে সাড়ে ৭ কোটি বাঙালির অধিকার উচ্চারিত হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মাধ্যমে।
    খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় নয়াপল্টনে দোয়া
    বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করে নয়াপল্টন জামে মসজিদে মিলাদ ও বিশেষ দোয়া করা হয়। শনিবার (২২ জুন) বাদ জোহর দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীসহ নেতাকর্মীরা মিলাদ ও দোয়ায় অংশ নেন।দোয়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক   আবদুল খালেক, মাহবুবুল হক নান্নু প্রমুখ।শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় খালেদা জিয়াকে শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।সেখানে সিসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন।  তিনি বলেন, ‘ম্যাডামের জন্য দোয়া করবেন এবং আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাচ্ছি।’৭৯ বছর বয়সী বেগম খালেদা জিয়া আর্থ্রাইটিস, হৃদ্‌রোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন।এর আগে গত বছরের ৯ আগস্ট বেগম খালেদা জিয়াকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তখন পাঁচ মাসের বেশি সময় চিকিৎসা শেষে গত ১১ জানুয়ারি তিনি বাসায় ফেরেন।এর আগেও একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি করে তাকে চিকিৎসা দেয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নিতে দল ও  পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার সরকারের কাছে আবেদন করা হলেও অনুমতি পাওয়া যায়নি। এমন পরিপ্রেক্ষিতে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত বিএনপির চেয়ারপারসনের রক্তনালিতে অস্ত্রোপচার করা হয় গত বছরের ২৭ অক্টোবর।এমএইচ
    জামিনে মুক্তি পেলেন যুবদল নেতা নীরব
    দীর্ঘদিন কারা ভোগের পর জামিনে মুক্তি পেলেন যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব। শুক্রবার (২১ জুন) বিকেল ৩টার দিকে কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। এ সময় কারাফটকে সাইফুল আলম নীরবকে নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে বরণ করেন। যুবদল নেতা আমিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এর আগে গত বছরের ৪ মার্চ পুলিশের ওপর ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই ঘটনায় তেজগাঁও থানায় মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। একাধিক দফায় তাকে রিমান্ডে নেয়া হয়। এছাড়াও নীরবের বিরুদ্ধে ভাঙচুর, পুলিশের ওপর হামলাসহ একাধিক মামলা হয়েছে।
    সরকারের ভুল নীতির খেসারত দিচ্ছে সিলেটবাসী: রিজভী
      ডামি সরকারের লুটেরা নীতির জন্যই সিলেটে এমন বন্যা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, সরকারের ভুল নীতির খেসারত দিতে হচ্ছে সিলেটবাসীকে। নদীতে বাঁধ দিয়ে পানির গতিকে বাধাগ্রস্ত করতেই প্রায়ই এমনটা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।রিজভী বলেন, বৃহত্তর সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহে পানিবন্দি মানুষের কাছে কোনো ত্রাণ পৌঁছায়নি। অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে লাখ-লাখ বন্যা উপদ্রুত মানুষ।পাহাড়ি ঢল ও মেঘ-ভাঙা বৃষ্টিপাতে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজার অঞ্চলে বন্যা ধ্বংসের তাণ্ডব চালাচ্ছে। বহু মানুষ বসতবাড়ি, ক্ষেতখামার প্রচণ্ড ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। তলিয়ে গেছে হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস, ভেসে গেছে পুকুরের মাছ ও ক্ষেতের ফসল।এ সময় দেশের বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বিএনপির এই নেতা বলেন, মানুষকে সীমাহীন দুর্ভোগের মধ্যে ঠেলে দেওয়া যে সরকারের কর্মসূচি সে সরকারের দ্বারা একটি জাতির উন্নতি লাভ কখনোই সম্ভব নয়। আজ সরকারের লুটেরা নীতির জন্যই ভুক্তভোগী জনগণের মর্মভেদী অশ্রুপাতের কারণ।তিনি বলেন, ঈদের আনন্দকেও বাকশালীকরণ করা হয়েছে। ঈদের দিন মানুষ হত্যার উন্মাদনার মধ্য দিয়েই আওয়ামী ক্যাডাররা উৎসব পালন করছে।কোরবানির চামড়া বিক্রি করতে না পেরে অনেকে মাটি পুঁতে রেখেছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, কোরবানির পশুর চামড়া এবার বিক্রি হয়নি।আড়তদাররা কোরবানির চামড়া ফিরিয়ে দিয়েছে। এটাও সিন্ডিকেটবাজদের কারসাজি। গরীবের হককে বঞ্চিত করে একচেটিয়াকরণ করার জন্যই দেশের কোরবানির চামড়া সিন্ডিকেটওয়ালারা কৌশলে মূল্যহীন করেছে। প্রশাসনের নির্ধারিত দামেও চামড়া কেনেননি আড়তদাররা। কোরবানির চামড়া বিক্রি করতে না পেরে অনেকে মাটির নিচে পুঁতে রেখেছে।পাহাড় ধসে রোহিঙ্গা নিহতের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এখন মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। গতকালও পাহাড় ধ্বসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১১ জন মারা গেছে। কিন্তু সরকার তাদের নিজ দেশে ফেরাতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নিতে পারেনি। তাদের নাগরিক হিসেবে নিজ দেশে ফেরাতে মিয়ানমারকে রাজি করাতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু, সহ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন, সহ-সম্পাদক সাইফ আলী খান, নির্বাহী কমিটির সদস্য তারিকুল আলম তেনজিং ও কাজী রফিক প্রমুখ।এমএইচ

    দেশজুড়ে

    সব দেখুন
    কোরবানির বর্জ্য অপসারণে দুই সিটির ১৯ হাজার কর্মী প্রস্তুত

    কোরবানির বর্জ্য অপসারণের কাজে রাজধানী ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন (ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ) এলাকায় সাড়ে ১৯ হাজারের বেশি কর্মী নিয়োজিত থাকবেন। ঈদের দিন বেলা দুইটা থেকে বর্জ্য অপসারণের কাজ শুরু হবে। উত্তর সিটি ৬ ঘণ্টার মধ্যে এবং দক্ষিণ সিটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছে।

    দুই সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটির আওতাধীন এলাকায় বর্জ্য অপসারণে কাজ করবেন ১০ হাজার ২৫৭ জন কর্মী। আর ঢাকা উত্তর সিটির আওতাধীন এলাকায় এ কাজে নিয়োজিত থাকবেন ৯ হাজার ৩৩৭ জন কর্মী।

    দুই সিটির এই ১৯ হাজার কর্মীর মধ্যে ৮ হাজার ৭০০ জনই প্রাইমারি ওয়েস্ট কালেকশন সার্ভিস প্রোভাইডারস (পিডব্লিওসিএসপি) বা ভ্যান সার্ভিসের কর্মী। যাঁরা মূলত টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন এলাকার বাসাবাড়ি থেকে গৃহস্থালির বর্জ্য সংগ্রহ করে থাকেন। এর বাইরে প্রায় ১ হাজার ২০০ কর্মী ওই দিনের জন্য দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে নেওয়া হচ্ছে। বাকি ৯ হাজার ৭০০ কর্মী দুই সিটিতে কাজ করা পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা।

    ঢাকা দক্ষিণ সিটির জনসংযোগ বিভাগ থেকে জানানো হয়, বর্জ্য অপসারণের কাজ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সময় দক্ষিণ সিটির প্রতিটি অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা নিজ নিজ এলাকা থেকে অনলাইনে যুক্ত হবেন। অনলাইনে যুক্ত হবেন ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসও। পরে বেলা ২টায় অপসারণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।

    আর ঢাকা উত্তর সিটির জনসংযোগ বিভাগ থেকে জানানো হয়, মিরপুরের প্যারিস রোড মাঠে কোরবানির জন্য জায়গা নির্ধারিত করা হয়েছে। গোলারটেক মাঠে ঈদের জামাত শেষে ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম ওই মাঠে গিয়ে কোরবানির কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। সেখান থেকে তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শনে যাবেন। পরিদর্শনের সময়ই যেকোনো ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে দুপুরে খাবার খাবেন। শেষে বেলা দুইটার দিকে যেকোনো একটি ওয়ার্ড এলাকা থেকে বর্জ্য অপসারণ কাজের উদ্বোধন করবেন।

    কোরবানির হাট ও পশুর বর্জ্য অপসারণ তদারকিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করা হয়েছে। দক্ষিণ সিটির প্রধান কার্যালয় নগর ভবনের শীতলক্ষ্যা হল থেকে এ নিয়ন্ত্রণকক্ষ পরিচালিত হবে। ঈদের দিন বেলা দুইটা থেকে পরদিন পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে মাঠে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয় করা হবে। এ ছাড়া বর্জ্য যথাসময়ে অপসারণ না হলে বাসিন্দারা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ০১৭০৯৯০০৮৮৮ এবং ০২২২৩৩৮৬০১৪ নম্বরে ফোন করে তথ্য ও অভিযোগ জানতে পারবেন।

    এর বাইরে মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীরা যেখানে-সেখানে অস্থায়ী বিক্রয় কার্যক্রম বন্ধে ছয়জন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োজিত করা হয়েছে। কোরবানির পশুর হাট ও কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কাজ তদারকির জন্য দক্ষিণ সিটি কর্তৃপক্ষ ১০টি দল গঠন করেছে।

    কোরবানির বর্জ্য অপসারণে নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্তৃপক্ষও। বাসিন্দারা বর্জ্য অপসারণ কাজ নিয়ে যেকোনো তথ্য কিংবা অভিযোগ সিটি করপোরেশনের ১৬১০৬ নম্বরে কল করে জানাতে পারবেন। পাশাপাশি ওয়ার্ড ও অঞ্চলভিত্তিক তদারকি দলও গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া মিরপুরের প্যারিস রোড মাঠে পশু কোরবানির জন্য নির্ধারিত করা জায়গায় কোরবানি দিলে প্রণোদনা হিসেবে গরু প্রতি এক হাজার টাকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি। এর বাইরে ৭ নম্বর ওয়ার্ডেও অন্তত ১০০টি পশু একসঙ্গে কোরবানি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    এ বছর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কোরবানির হাটের বর্জ্য ও কোরবানির পশুর বর্জ্য পৃথকভাবে অপসারণ কাজ করবে। কোরবানির বর্জ্য অপসারণে তাদের ৫৬০টি যান-যন্ত্রপাতি নিয়োজিত থাকবে। আর হাটের বর্জ্য অপসারণে ৫৭টি ডাম্প ট্রাক, ১২টি পে-লোডার ও ১১টি টায়ার ডোজার নিয়োজিত করা হবে। আর ঢাকা উত্তর সিটি বিভিন্ন এলাকায় ৫২০টি ভারী যান-যন্ত্রপাতি নিয়োজিত থাকবে। এ ছাড়া দুই সিটিতেই পলিব্যাগ, ব্লিচিং পাউডার, স্যাভলন, টুকরি ও ফিনাইল বিতরণ করা হয়েছে।

    পিএম

    মন্ত্রীর বাসভবনের লিফটে মারধরের শিকার কর্মকর্তা

    মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আব্দুর রহমানের বাসভবনের লিফটে এক কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে আরেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত দুজনই প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে ভুক্তভোগী কর্মকর্তা হলেন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মলয় কুমার শূর এবং অভিযুক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (লিভ, ডেপুটেশন অ্যান্ড ট্রেনিং রিজার্ভ) মো. আজিজুল ইসলাম।

    মলয় কুমার ইতোমধ্যে এ বিষয়ে ডিএমপির শাহবাগ থানায় একটি হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন আজিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

    মামলার এজাহারে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রশাসনিক কাজে রাজধানীর পরীবাগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুর রহমানের বাসায় যান মলয় কুমার। অফিসিয়াল কথাবার্তা সেরে লিফটে করে নিচে নামতেই তার ওপর হামলা করে বসেন আগে থেকে লিফটের সামনে ওঁত পেতে থাকা আজিজুল ইসলাম। এসময় মলয় কুমারের মুখে ও বুকে বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করেন আজিজুল ইসলাম। এতে মলয় কুমার গুরুতর আহত হন। তার শরীর থেকে রক্তক্ষরণ হতে থাকে। পরে ওই ভবনের নিরাপত্তা কর্মীরা এগিয়ে গেলে পালিয়ে যান আজিজ। এরপর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার ওসি মোস্তাজিরুর রহমান বলেন, মলয় কুমার গত বৃহস্পতিবার মামলা দায়ের করেছেন। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। মামলাটি আমরা তদন্ত করছি।

    হামলার সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে ভুক্তভোগী মলয় কুমার শূর জানান, আজিজুল ইসলামকে মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার পরিচালক পদমর্যাদার একটি পদে পদায়ন করে। যেহেতু মলয় কুমার প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন), তাই এ বিষয়ে মন্ত্রীকে তিনি মতামত দিয়েছিলেন। বিভাগীয় মামলায় শাস্তিপ্রাপ্ত অবস্থায় আজিজুলের নতুন পদায়ন হয়। মলয় কুমার আইন অনুযায়ীই কথা বলেছেন। এটা কারও পক্ষে যেতে পারে, বিপক্ষেও যেতে পারে। এ কারণে আজিজুল তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে থাকতে পারেন।

    এদিকে মামলা দায়েরের পর ইতোমধ্যে আজিজুল ইসলামের নতুন পদায়ন বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    এসএফ

    বনানীতে বাসচাপায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর

    রাজধানীর বনানীতে যাত্রীবাহী এক বাসের চাপায় আক্কাস আলী (৫৫) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী প্রাণ হারিয়েছেন।

    শনিবার (১৫ জুন) দুপুর ১২টার দিকে বনানীর ২৭ নম্বর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মোটরসাইকেল আরোহীকে চাপা দিয়ে বাসটি কিছুদূর টেনে নিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মোটরসাইকেল চালকের।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে বনানী থানার ওসি কাজী সাহান হক বলেন, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে একটি মোটরসাইকেল বনানীর ২৭ নম্বর থেকে ইউটার্ন নিয়ে উত্তরার দিকে যাচ্ছিল। হঠাৎ বিনিময় পরিবহনের একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দিয়ে কিছুদূর টেনে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়।

    পরিচয়পত্র দেখে নিহতের নাম আক্কাস আলী বলে জানা গেছে। তার গ্রামের বাড়ি বগুড়া। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।


    এসএফ

    জায়গা না পেয়ে ট্রেনের দরজায় ঝুলে রাজধানী ছাড়ছে মানুষ

    কোরবানি ঈদের বাকি আর মাত্র দুইদিন। স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে এরই মধ্যে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন নগরবাসী। ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে। ট্রেনে জায়গা সংকুলান না হলেও যে কোনো মূল্যে বাড়ি ফিরতে চান সবাই। উপায় না পেয়ে দরজায় ঝুলেও ট্রেনের সঙ্গে স্টেশন ছাড়ছেন অনেকে।

    শনিবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে দেখা যায়, স্টেশনের ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষা করছে পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস। ট্রেন থামার পর যাত্রীরা একে একে আসতে থাকেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই যাত্রীতে পরিপূর্ণ হয়ে যায় বগি। এরপরও আসতে থাকেন যাত্রীরা। বগিতে জায়গা না পেয়ে ট্রেনের টয়লেটের সামনে, দুই বগির মাঝখানে ও দরজায় অবস্থান নেন অনেকেই।

    ট্রেন ছাড়ার কিছুক্ষণ আগে দরজায় ঝুলতে থাকেন অনেকেই। সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে স্টেশন ছেড়ে যায় একতা এক্সপ্রেস। এসময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের দরজায় ঝুলে থাকতে দেখা যায় অনেক যাত্রীকে। কেউ কেউ দরজায় ঝুলে থাকার জায়গাও না পেয়ে নিরাশ হয়ে স্টেশনে অপেক্ষা করতে থাকেন পরের ট্রেনের জন্য।

    এমনই একজন মিনহাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, যদি ঝুলে যাওয়ার একটু জায়গা পেতাম তাও ট্রেনে উঠে পড়তাম। এখন কী করবো ভাবছি, বাড়ি তো যেতেই হবে। আগে তো মানুষ ট্রেনের ছাদে উঠেও বাড়ি যেত। কিন্তু এবার নিরাপত্তাকর্মীরা ট্রেনের ছাদে অবস্থান নেওয়ায় কোনো যাত্রী ছাদে উঠতে পারেননি।

    এসএফ 

    রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২০

    রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ২০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।  


    শুক্রবার (১৪ জুন) সকাল ৬টা থেকে শনিবার (১৫ জুন) সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।


    ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) কে এন রায় নিয়তি জানান, গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে ১ হাজার ৮১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ৫৫৯  গ্রাম হেরোইন ও ১ কেজি ৫৩৫ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়।


    তাদের বিরুদ্ধে ডিএমপির থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    এআই 

    ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে গিয়ে বাঁধা এসেছিল: হুইপ মাশরাফি

    জাতীয় সংসদের হুইপ ও নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে গিয়ে প্রথমে বাঁধা এসেছিল। আজকে প্রধানমন্ত্রী স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার কথা বলেন, তখন কিন্তু বাঁধা আসেনা। আজকে সবাই বিশ্বাস করে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়া সম্ভব। 

    রবিবার (২৩ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে নড়াইল শহরের সুলতান মঞ্চ চত্বরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।


    তিনি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে একমাত্র তরুণ প্রজন্মের যারা নেতৃত্বে আছেন, তাদের মাধ্যমে। তাই আমি আপনাদেরকে আহ্বান জানাবো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে মেনে সামনে কিভাবে এগিয়ে যাওয়া যায়। আপনার গ্রাম-শহরকে আপনি কিভাবে নেতৃত্ব দেবেন, সেই জিনিগুলোকে আপনারা অনুধাবন করবেন।'


    জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. সুবাস চন্দ্র বোসের সভাপতিত্বে এসময় আরও বক্তব্য দেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজামুদ্দিন খান নিলু, সহসভাপতি ও নড়াইল পৌরসভার মেয়র আঞ্জুমান আরা, উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান ভূইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আলমগীর হোসেন আলম, দেবাশীষ কুন্ডু মিটুল প্রমুখ।

    আরইউ


    ভারতে পাচার শিশুসহ ১৩ বাংলাদেশিকে স্বদেশ প্রত্যাবাসন

    ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে ভারতে পাচারের শিকার ১৩ বাংলাদেশি নারী, শিশুকে কারাভোগ শেষে স্বদেশ প্রত্যাবাসনে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে ভারতীয় পুলিশ।

    রবিবার (২৩ জুন) সন্ধ্যায় ভারতের পেট্রাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয়। পরে তাদের বেনাপোল পোর্ট পাঠানো হয়। সেখান থেকে একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের গ্রহণ করবে। 

    ফেরত আসা ১৩জন হলেন- বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জ থানার আমজাদ তালুকদারের ছেলে রফিক তালুকদার (৫৩), একই থানার রফিক তালুকদারের ছেলে মামুন তালুকদার (২৫), একই জেলার মোল্যারহাট উপজেলার সালেক শিকদারের ছেলে নাজমুল শিকদার (৩৮), খুলনা জেলার রুপসা থানার আক্কাস ভ‚ইয়ার ছেলে রাজু ভ‚ইয়া (২৫), একই থানার আব্দুল আজিমের মেয়ে আফসানা আক্তার (২৩), ছেলে আমিন (৬), মেয়ে ফাতিমা (৪), একই থানার নজরুল শেখের ছেলে ওমর ফারুক শেখ (২৬), খুলনা সদর থানার আল আমিন হাওলাদারের মেয়ে মরিয়ম আক্তার (২৩), নড়াইল জেলার কালিয়া থানার আফজাল মোল্লার ছেলে আব্দুন সাত্তার (৫০), খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙা থানার শামছুর শেখের মেয়ে ফাতেমা (২৮), পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানার আল আমিন হাওলাদারের ছেলে মাহীম হাওলাদার (৪) ও ফাহিম হাওলাদার (২)।

    বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আযহারুল ইসলাম জানান, সংসারে অভাব অনটনের সুযোগ নিয়ে ভাল কাজের কথা বলে দালাল চক্র দুই বছর আগে তাদের সীমান্ত পথে ভারতে পাচার করে। পরে তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে ভারতে ফেলে রেখে চলে আসে। এসময় অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে কারাগারে পাঠায়। সেখান থেকে ভারতের মানবাধিকার সংস্থা রেসকিউ ফাউন্ডেশন তাদের ছাড়িয়ে নিজেদের শেল্টার হোমে রাখে। সেখানে দেড় থেকে দুই বছর কারাভোগের পর তারা দেশে ফেরার সুযোগ পায়। কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার জন্য জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামের একটি মানবাধিবার সংস্থার কাছে তুলে দেয়া হবে।

    এইচএ

    চুয়াডাঙ্গায় সমকামী বিয়ের অভিযোগে দুই যুবক আটক

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সমকামী বিয়ের অভিযোগে এনায়েত উল্লাহ (২৫) ও সবুজ হোসেন (২৪) নামের দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। 

    শনিবার (২২ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নে হরিহরনগর থেকে তাদের আটক করা হয়। বরিবার (২৩ জুন) দুপুরের তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

    আটক ওই দুই যুবকের ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে আলোচনা, সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় উঠছে। 

    আটক এনায়েত উল্লাহ উপ‌জেলার হরিহরনগর গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে ও সবুজ হোসেন পার্শ্ববর্তী ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার স্বরুপপুর ইউনিয়নের কুশাডাঙ্গা গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে। এনায়েতুল্লাহর স্ত্রী ও এবং ৩ বছ‌রের মেয়ে আ‌ছে।

    স্থানীয়রা জানান, এনায়েত উল্লাহ একজন বিবাহিত পুরুষ। সংসার জীবনে তার ৩ বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে। এরমধ্যে তিনি কুশাডাঙ্গা গ্রামের সবুজ নামের এক যুবকের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। প্রেমের একপর্যায়ে তারা গত দেড় মাস আগে বিয়ে করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এনায়েতুল্লাহর স্ত্রী রাগ করে বাবার বাড়ির চলে যায়। স্ত্রী চলে যাওয়ার পর এনায়েতুল্লাহ সবুজকে তার নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন। তারা রাতে অবস্থান করছিল। এরপর এনায়েতুল্লাহর স্ত্রী ও তার ভাই এবং গ্রামের মুরুব্বিদের নিয়ে তার শ্বশুর বাড়ি হরিয়াননগরে উপস্থিত হয়। পরে গ্রামবাসীদের সহযোগিতায় দু’জনকে আটক করে থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং এনায়েতুল্লাহ ও সবুজকে তারা আটক করে জীবননগর থানা হেফাজতে নেয় পুলিশ। 

    এনায়েতুল্লাহর স্ত্রী বলেন, প্রায় রাতে আমার স্বামী বাইরে থাকত। আমি বলতাম তুমি কোথায় থাক, তখন তিনি উত্তর দিতেন, আমি যেখানেই থাকি তাতে তোর কী? আমাকে মারধর করত। এই সবুজ নিহা পরিচয়ে আমার স্বামীর সাথে কথা বলত। বিষয়টি আমার শশুরকে জানালে তিনিও ছেলের পক্ষ নেয়। আমার স্বামী আর একটা বিয়ে করেছিল তা পরিবারের সবাই জানত। তবে সে সম্পর্ক যে সবুজের সাথে তা আমি জানতাম না, পরে জানতে পারি। তবে কেউ আমার পাশে ছিল না।

    এছাড়া, কুশাডাঙ্গা গ্রামবাসীরা বলেন, সবুজ পুরুষ হলেও সে মেয়েদের মতো করে চলাফেরা করে। বিভিন্ন বিয়ে বাড়িতে নাচ-গান করে বেড়ায়। এছাড়া কয়েক বছর আগে তার বিয়েও হয়। কিন্তু কিছু মাস পরে তার বউ তার ঘর ছেড়ে চলে যায়। এখন সে নাচ-গান এবং পুরুষদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক করা তার প্রধান কাজ।

    এদিকে হরিয়রনগর গ্রামবাসী জানায়, ঘটনাটি বড় স্পর্শকাতর। কারণ এনায়েতুল্লাহর স্ত্রী ও এবং তিন বছরের সন্তান থাকা সত্ত্বেও কেন একজন পুরুষের সাথে সম্পর্ক করেছে সেটা তাদের জানা নেই। 

    এছাড়া তারা বলেন, সবুজের সাথে সম্পর্কের জের ধরে গত তিন মাস ধরে সে তার স্ত্রীর সাথে খারাপ ব্যবহারসহ মারধরের ঘটনা পর্যন্ত ঘটায়।

    জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম জাবীদ হাসান জানান, ঘটনাটি শোনা মাত্রই জীবননগর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দুই যুবককে আটক করে থানা হেফাজতে নেয়। সেই সাথে দুই যুবককে চুয়াডাঙ্গা বিজ্ঞ জেলা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। 

     এইচএ


    যশোরে সাপের কামড়ে ২ জন হাসপাতালে

    যশোরে বিষধর সাপের কামড়ে দুইজন অসুস্থ হয়েছেন। শনিবার রাতে সদর উপজেলার চাঁচড়া মৎস্য ভবনের পুকুর পাড় ও চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের বাগডাঙ্গায় পৃথক এ ঘটনা ঘটে।

    অসুস্থরা হলেন- চাঁচড়া ডালমিল এলাকার মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী খাদিজা বেগম (৩৫) ও বাগডাঙ্গা গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে আহাদ আলী। তারা যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    খাদিজার স্বজনেরা জানিয়েছেন, খাদিজা চাচড়া মৎস্য ভবনে শ্রমিকের কাজ করেন। রাত সাড়ে ৭টার দিকে কাজ শেষ করে বাড়ির উদ্দেশ্যে ফিরছিলেন। এসময় মৎস্য ভবনের পুকুর পাড়ে আসলে একটি সাপ তার পায়ে কামড় দিয়ে চলে যায়। ঘটনাটি জানার সাথেই খাদিজাকে হাসপাতালে আনা হয়।

    অসুস্থ আরেকজন আহাদ আলীর স্বজনেরা জানিয়েছেন, এশার নামায শেষে রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাড়ি ফিরছিলেন আহাদ। এ সময় রাস্তা থেকে একটি সাপ তার পায়ে কামড় দিয়ে পালিয়ে যায়। আহাদ বাড়ি গিয়ে ঘটনাটি পরিবারের লোকজনকে জানানোর পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শুভাশিষ রায় জানান, কী সাপে কামড় দিয়েছে তা স্বজনেরা জানাতে পারেননি। তবে বিষধর সাপের কামড়ে তারা অসুস্থ বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভর্তির পর তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে।

    চুয়াডাঙ্গায় মাদ্রাসার শিশু ছাত্রকে বলাৎকারের অ‌ভি‌যোগ, শিক্ষক আটক

    চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় হত্যার ভয় দেখিয়ে ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে ওই মাদ্রাসার শিক্ষ‌কের বিরু‌দ্ধে। এ ঘটনায় অ‌ভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুস সালাম‌কে (৩৫) আটক ক‌রে করেছে পুলিশ দি‌য়ে‌ছে এলাকাবাসী।

    শনিবার (২২ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার জেহালা ইউনিয়নের আজিজুর উলুম কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানা লিল্লাহ বোডিং থে‌কে পালা‌নোর সময় ধাওয়া ক‌রে অ‌ভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক‌কে আটক করা হয়।

    আটককৃত আব্দুস সালাম উপজেলার জেহালা ইউনিয়নের আজিজুর উলুম কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানা লিল্লাহ বোডিংয়ের শিক্ষক ও উপজেলার বাড়াদি ইউনিয়নের অনুপনগর গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে।

    শিশুর পরিবারের সদস্যরা জানান, বলাৎকারের শিকার শিশুটিকে দুই বছর আগে উপজেলার জেহালা ইউনিয়নের মুন্সিগঞ্জ এলাকার আজিজুর উলুম কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানা লিল্লাহ বোডিংয়ে হেফজ শেখার জন্য ভর্তি করা হয়। গত ৭ মাস আগে ওই মাদ্রাসায় আব্দুস সালাম শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি বিভিন্ন সময় ওই শিশুকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এরমধ্যে ঈদুল আজহার ছুটি চলে আসে। এসুযোগে (১২ জুন) বুধবার রাতে ওই শিশুকে হত্যার হুমকি দিয়ে মাদ্রাসার এক কোনে তাকে জোরপূর্বক বলাৎকার করে। বিষয়টি কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলার ভয় দেখালে শিশুটি নীরব থাকে।

    শনিবার বিকেলে নিজ বাড়ি থেকে ওই শিশুকে মাদ্রাসায় পাঠানোর চেষ্টা করে পরিবারের সদস্যরা। সে মাদ্রাসা যেতে রাজি হয় না। পরিবারের সদস্যরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে শিশুটি ঘটনাটি তার মাকে খুলে বলে।

    শিশুটির পিতা বলেন, ছেলে ঈদুল আজহার ছুটি মাদ্রাসা থেকে ঘরে এসে জানায়, সে শারীরিকভাবে অসুস্থ এবং তার সারা শরীর ব্যাথা। ব্যাথার কারণ জিজ্ঞাসা করলে প্রথমে সে চুপ থাকে, পরে মাদ্রাসায় যেতে চায় না। তাকে চাপ দিলে বাধ্য হয়ে ঘটনার বিস্তারিত খুলে বলে। শনিবার রাতেই বিষয়টি নিয়ে ওই শিক্ষকের নিকট জানতে গেলে সে দৌড়ে মাঠে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করে। পরে তাকে ধাওয়া করে ধরা হয়। খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা থানা ও মুন্সিগঞ্জ ফাঁড়ি পুলিশ উপস্থিত হলে তাদের নিকট সোর্পদ করা হয়। এ ঘটনায় শিশুর পিতা বাদি হয়ে শ‌নিবার রা‌তেই আলমডাঙ্গা থানায় ধর্ষণ মামলার প্রস্তুতি নি‌চ্ছি‌লেন। 

    আলমডাঙ্গা থানার অ‌ফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ গণি মিয়ার মোবাইলে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

    মুন্সিগঞ্জ ক্যাম্পের টু আইসি এএসআই ইকবাল হোসেন জানান, বলৎকারের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণ মামলার দায়েরের প্রস্ত‌তি চল‌ছে।

    কুমিল্লায় ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল আওয়ামী লীগ নেতার

    কুমিল্লা সদর দক্ষিণে ট্রেনের ধাক্কায় আবদুল মমিন (৫৭) নামের এক আওয়ামী লীগ নেতা মারা গেছেন। সোমবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার শিকারপুর রেললাইন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত মমিন উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং শিকারপুর গ্রামের বাসিন্দা।

    স্থানীয়রা জানায়, প্রতিদিনের মতো সোমবার ভোরেও রেললাইন দিয়ে শারীরিক ব্যায়ামের উদ্দেশ্যে হাঁটতে বের হন মমিন। এসময় অজ্ঞাত একটি ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। স্থানীয়রা মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায়।

    সদর দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম সারওয়ার বলেন, বিষয়টি খুবই মর্মান্তিক। আমরা একজন ত্যাগী আওয়ামী লীগ কর্মীকে হারালাম। তার অকাল মৃত্যুতে আমরা শোকাহত।

    এ বিষয়ে লাকসাম রেলওয়ে ক্রসিং থানার ইনচার্জ মুরাদ উল্লাহ বাহার বলেন, আমি অসুস্থ, ছুটিতে আছি। বিষয়টি শুনেছি।

    আরইউ
    কুমিল্লায় ডাক্তারের ভুল চিকিৎসার শিক্ষার্থীর মৃত্যুর অভিযোগ

    কুমিল্লায় ডাক্তারের ভুল চিকিৎসার মিম আকতার (১৫) নামে এক তরুণীর মৃত্যু হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।


    সোমবার (২৪ জুন) কুমিল্লা নগরীর ঝাউতলার ফেইথ মেডিকেল সার্ভিসে এই ঘটনা ঘটে। 


    নিহত মীম ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার অলুয়া কৃষ্ণপুর এলাকার এলাকার বিল্লাল হোসেনের মেয়ে এবং কংশনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। 


    পরিবারসূত্রে জানা যায়, কোরবানির ঈদের এক সপ্তাহ আগে গলায় টনসিলের ব্যথা নিয়ে মিম তার মায়ের সঙ্গে কুমিল্লা নগরীর ঝাউতলা এলাকার ফেইথ মেডিকেল সার্ভিসেস এন্ড ফিজিওথেরাপি সেন্টারে নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ সার্জন চিকিৎসক মো. জহিরুল হকের কাছে যায়। তারপর চিকিৎসক জহিরুল হকের পরামর্শে গলার কিছু পরীক্ষা করে রিপোর্ট দেখালে তিনি অপারেশনের কথা বলেন।


    সেই অনুযায়ী রোববার (২৩ জুন) বিকেলে মিম তার মা লিপি আক্তারের সঙ্গে টনসিল অপারেশনের জন্য কুমিল্লা নগরীর ঝাউতলা এলাকার ফেইথ মেডিকেল সার্ভিসেস এন্ড ফিজিওথেরাপি সেন্টারে নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ সার্জন চিকিৎসক মো. জহিরুল হকের আসে। তারপর অপারেশনের খরচ বাবদ ১৪ হাজার টাকা লাগবে বলে জানায় ওই চিকিৎসক।


    সন্ধ্যায় সাড়ে সাতটায় চিকিৎসক জহিরুল অপারেশনের জন্য মিমকে একই এলাকার ফেইথ মেডিকেল সার্ভিসেস এন্ড ফিজিওথেরাপি সেন্টারে অপর পাশে অবস্থিত হেলথ্ এন্ড ডক্টরস জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। ওই হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে ঢুকিয়ে অ্যানেসথেসিয়া দেয়ার পরপরই মিমের শারীরিক অবস্থা খারাপের দিকে চলে যায়। ১০ মিনিট পর চিকিৎসক জহিরুল বের হয়ে স্বজনদের বলে মিম হার্ট অ্যাটাক করেছে। তাকে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে নিতে হবে। হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যায় মিম।


    নিহতের চাচাত ভাই শ্রাবণ ইসলাম বলেন, ওটিতে নেওয়ার কিছুক্ষণ পর ডাক্তার এসে বলে আপনাদের মেয়ের অবস্থা ভালো না, তাকে বাড়িতে নিয়ে যান। পরে তারা নিজ খরচে আমাদেরকে মেডিকেলে পাঠাইছে। সেখানে গিয়ে আমাদেরকে ডা. জহির ১৫ হাজার টাকা দিয়ে বলে বাড়িতে চলে যান আপনারা। প্রয়োজনে আরো টাকা দিবে বলেও জানায় ডা. জহির। ইনজেকশন ভুল দেয়ার কারণেই আমার বোন মারা গেছে। 


    মিমের মা লিপি আক্তার বলেন, আমার মেয়ে সুস্থ স্বাভাবিক ছিল। গলায় ছোট একটা টনসিল হয়েছে। অপারেশন থিয়েটারে ঢুকিয়ে ১০ মিনিটের মধ্যে জহির ডাক্তার বের হয়ে বলে আমার মেয়ে হার্ট অ্যাটাক করেছে। তারপর তারাই আমার মেয়েকে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেছে। এর আগে পথে আমার মেয়ে মারা গেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই। সরকারের কাছে, প্রশাসনের কাছে এর বিচার চাই।


    মিমের বাবা বিল্লাল হোসেন বলেন, আমার মেয়ে মারা যাওয়ার পর জহির ডাক্তার আমারে অপারেশনের টাকা ফেরত দিতে চান। আমাকে বলছে আমরা যত টাকা চাই উনি আমাদের টাকা দেবেন। টাকা দিয়ে আমার মেয়ের মৃত্যুর বিষয়টি ধামাচাপা দিতে চাচ্ছেন। আমরা রাজি না হওয়ায় জহির ডাক্তার আমার মেয়ের পরীক্ষার রিপোর্টসহ যাবতীয় কাগজ নিয়ে হাসপাতাল তালা মেরে পালিয়ে গেছেন। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। আমরা থানায় অভিযোগ করবো। সিভিল সার্জন অফিসে অভিযোগ করবো।


    ঘটনার কিছু সময় পরই ফেইথ মেডিকেল সার্ভিসেস এন্ড ফিজিওথেরাপি সেন্টার এবং হেলথ্ এন্ড ডক্টরস জেনারেল হাসপাতালের কর্মকর্তারা হাসপাতালে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে যায়। এই বিষয়ে চিকিৎসক জহিরুল হকের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।


    এই ঘটনা পর ৯৯৯ এ কল পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। নিহত মিমের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে।


    এ বিষয়ে জানতে কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ নাছিমা আকতারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায় নি। 

    আরইউ

    কুমিল্লায় মাইক্রোবাস চাপায় পথচারী নিহত

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার সদর দক্ষিণে মাইক্রোবাস চাপায় মো. মোস্তফা (৫০) নামের এক পথচারী নিহত হয়েছে।

    রবিবার (২৩ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সুয়াগাজী ট্রাফিক চৌমুহনী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোস্তফা পার্শ্ববর্তী চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জয়মঙ্গলপুর গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে। সে পেশায় সিএনজি চালক।


    স্থানীয়রা জানায়, নিহত মোস্তফা তার সিএনজি স্থানীয় একটি গ্যারেজে রেখে মহাসড়ক পার হওয়ার সময় চট্টগ্রামমুখী একটি মাইক্রোবাস তাকে ধাক্কা দেয়। এসময় ঘটনাস্থলেই মোস্তফা নিহত হয়। স্থানীয়রা তার পরিচয় নিশ্চিত করে বাড়িতে নিয়ে যায়। এসময় মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে একটি পিলারে ধাক্কা খায়। পরে দুর্ঘটনাকবলিত মাইক্রোবাসটি ফেলে পালিয়ে যায় চালক।

    সোমবার (২৪ জুন) সকালে ময়নামতি হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইকবাল বাহার বলেন, আমি সকালে জানতে পেরেছি। সাথে সাথেই ফোর্স পাঠিয়েছি। 

    আরইউ

    পাসপোর্ট দালাল চক্রের মূলহতাসহ গ্রেফতার ৫

    কুমিল্লায় পাসপোর্ট বানিয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা করার অভিযোগে দালাল চক্রের মূলহোতা মোঃ ফজল (৪৩) সহ ৫ প্রতারককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

    রবিবার (২৩ জুন) র‍্যাব ১১ সিপিসি ২ এর দেওয়া এক প্রেস রিলিজে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোম্পানী অধিনায়ক মাহমুদুল হাসান। 

    গ্রেফতারকৃত সদস্যরা হলো- দেবিদ্বার উপজেলার জাফরাবাদ এলাকার মৃত রমিজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ ফজল (৪৩), একই একাকার আবদুল লতিফের ছেলে মোঃ ওমর ফারুক (৩৫), কুমিল্লা নগরীর আড়াইউড়া এলাকার মৃত আবদুল আজিজের ছেলে মোঃ আলমগীর হোসেন (৬০), ছোটরা এলাকার মোঃ জামাল মিয়ার ছেলে মোঃ জনি (২২), রাজাপুর এলাকার বিল্লাল হোসেনের ছেলে ফয়সাল আহমেদ (২১)। 

    র‌্যাব-১১ এর কোম্পানি অধিনায়ক মাহমুদুল হাসান জানান, অসংখ্য ভুক্তভোগী দালাল চক্রের সদস্যকে পাসপোর্ট করতে দিয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার পরেও যথাসময়ে পাসপোর্ট পায়নি বলে আমাদের নিকট লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ করেন। এর সূত্র ধরে গোয়েন্দা সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে রবিবার (২৩ জুন) দুপুরে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানার নোয়াপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে পাসপোর্ট দালাল চক্রের মূলহোতাসহ ৫জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৯৭টি ডেলিভারি স্লীপ, ১০টি পাসপোর্ট চালান ও ৩টি মোবাইলসহ পাসপোর্ট সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিপত্র উদ্ধার করা হয়। মূলত, তারা সাধারণ মানুষকে সহজভাবে পাসপোর্ট তৈরি করার নাম করে বিভিন্ন এজেন্টের কাছে নিয়ে আসে। এই এজেন্ট গ্রুপ ভুক্তভোগীদের অনলাইন আবেদন ও ব্যাংক ড্রাফট করে দেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত সময়ে পাসপোর্ট দিবে বলে ডেলিভারী স্লীপ নিজেদের নিকট রেখে দেয় এবং বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে পাসপোর্ট ডেলিভারী করার নির্দিষ্ট তারিখ নিধারণ করে। এভাবেই তাদের কাছে টাকা জমা দিলে তারা বিভিন্নভাবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জালিয়াতি মাধ্যমে প্রস্তুত করে সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে পাসপোর্ট অফিস থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করার ব্যবস্থা করে আসছিল। 

    এ বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রক্রিয়াধীন। 

    এইচএ

    ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীতে ফেরা হলোনা শিশু ইয়ামিনের

    চাঁদপুরের মতলব উত্তরের মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া ইয়ামিন (১১) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। 

    রোববার (২৩ জুন) দুপুরে ছেংগারচর পৌরসভাস্থ ২ নং ওয়ার্ডের শিকিরচর গ্রামে মেঘনা নদীতে এই ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু উত্তর শিকিরচর গ্রামের সুরুজ প্রধানের ছেলে। 

    জানা যায়, ঈদের ছুটিতে বাবা মায়ের সাথে গ্রামে এসেছিলো শিশু ইয়ামিন। রোববার বেলা ১২ টার দিকে মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয় ওই শিশু। দীর্ঘক্ষণ পরেও পানি থেকে না উঠলে স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরে চারিদিকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় দেড় ঘন্টা পর শিশু ইয়ামিনের মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয় স্থানীয়রা। এই ঘটনায় শোকের মাতম চলছে এলাকাজুড়ে।

    ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট

    পরিবার পরিজনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি শেষে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়‌কে বেড়েছে যাত্রী ও যানবাহনে চাপ। সড়কের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা থেকে জোকারচর পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার সড়‌কে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

    ফিটনেসবিহীন যানবাহন বিকল, অতিরিক্ত গাড়ির চাপ, চার লেনের কাজ চলমান থাকায় রোববার (২৩ জুন) ভোর থেকে এ যানজট দেখা দেয়। এতে করে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রী ও চালকদের।

    এদিকে যানজটের কারনে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা উত্তরাঞ্চলগামী যানবাহন এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত একমুখী চলাচল করছে। এছাড়া ঢাকাগামী যানবাহন বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব পার থেকে ভূঞাপুর হয়ে এলেঙ্গা লিংক রোড দিয়ে চলাচল করছে।

    এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মীর মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান জানান, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ ও গাড়ি বিকল হওয়ায় এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর দিকে যানবাহনের সারি রয়েছে। বিকল্প রাস্তায় যানবাহন ঢাকার দিকে যাচ্ছে। আর এলেঙ্গা থেকে উত্তরাঞ্চলের দিকে একমুখী গাড়ি চলাচল করছে। মানুষদের নির্বিঘ্নে গন্তব্যে ফেরাতে নিরলস কাজ করছে পুলিশ।

    টাঙ্গাইলে সিএনজির ধাক্কায় নারীর মৃত্যু

    টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সিএনজি চালিত অটোরিকশার ধাক্কায় এক নারী পথচারীর মৃত্যু হয়েছে। তবে তার পরিচয় জানা যায়নি। 

    শনিবার (২২ জুন) রাত ৯ টার দিকে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের উপজেলার হরিপুর নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু ছালাম মিয়া। 

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের ঘাটাইল উপজেলার হরিপুর বাসস্ট্যান্ডে রাস্তা পাড় হওয়ার সময় সিএনজি চালিত অটোরিকশা ওই নারীকে ধাক্কা দেয়। আহতাবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার ওসি মোহাম্মদ  আবু ছালাম মিয়া জানান, মৃতের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। তার বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর। মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে। পরিচয় পেলে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

    পিএম

    মতিউরের স্ত্রী লাকিও বিপুল সম্পদের মালিক

    ছেলে মুশফিকুর রহমান ইফাতের ছাগলকাণ্ডে ফেঁসে যাচ্ছেন বাবা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (শুল্ক ও আবগারি) ও ভ্যাট আপিল ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট ড. মতিউর রহমান। বেরিয়ে আসছে দেশের বিভিন্ন জায়গায় তাঁর নানারকম সম্পত্তির তথ্য। এর মধ্যে নরসিংদীর রায়পুর, গাজীপুরসহ নানা স্থানে ড. মতিউরের প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ লাকির বিপুল সম্পত্তি নিয়েও চলছে আলোচনা।

    লায়লা কানিজ লাকি ঢাকার সরকারি তিতুমীর কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ছিলেন। শিক্ষকতা পেশা পরিবর্তন করে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে নেতা বনে যান। প্রথমে রায়পুরা উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হন। পরিচিতি লাভ করেন স্থানীয় এমপি রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজুর ঘনিষ্ঠজন হিসেবে। স্থানীয়রা বলছেন, ২০২৩ সালে রায়পুরা উপজেলা পরিষদের উপনির্বাচনে প্রভাবশালী স্বামীর অর্থ খাটিয়ে লাকি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এছাড়া নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও দুর্যোগবিষয়ক সম্পাদকের পদ নেন। সর্বশেষ নরসিংদী জেলা পরিষদ নির্বাচনেও নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।

    চলতি বছর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসন (নরসিংদী গাজীপুর আসন) পেতে দলীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন ফরম জমা দেন। কিন্তু মনোনয়ন পাননি। ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে গত ২৯ মে টেলিফোন প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা ছিল তাঁর।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, রায়পুরার মরজালে ১৩৩ শতাংশ জমির ওপর লাকির নামে গড়ে তোলা হয়েছে আলিশান ওয়ান্ডার পার্ক ও ইকো রিসোর্ট। এছাড়া নিজ এলাকায় গড়েছেন দৃষ্টিনন্দন আলিশান বহুতল লাকি কটেজ। বাড়ির পাশে লায়লা কানিজ লাকি সড়কও রয়েছে।

    এছাড়া গাজীপুরের পূবাইলে লাকির নামে আপন ভূবন নামে বিনোদন পার্ক ও পিকনিক স্পট থেকে শুরু করে রয়েছে বাণিজ্যিক এলাকায় কোটি কোটি টাকার জমি-প্লট। তাছাড়াও নরসিংদী ও ঢাকায় রয়েছে আলিশান বিলাসবহুল বাড়ি। লাকি ও তার সন্তানরা চড়েন দামি ব্রান্ডের গাড়িতে।  সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে জমা দেওয়া হলফনামায় লাকি ২২টি পৃথক পৃথক স্থানে তার সম্পত্তির কথা উল্লেখ করেছেন।

    হলফনামায় স্থাবর সম্পত্তি হিসেবে তিনি রাজউকের ৫ কাঠা জমি, সাভারে ৮.৫ কাটা জমি, গাজীপুরে ৫ কাঠা, পূবাইলে ৬.৬০ শতাংশ ও ২.৯০ শতাংশ জমি, গাজীপুরের খিলখাও এলাকায় ৫ শতাংশ ও ৩৪.৫৫ শতাংশ জমি, বাহাদুরপুরে ২৭ শতাংশ জমি, মেঘডুবীতে ৬.৬০ শতাংশ জমি, নাটোরের সিংড়ায় ১৬৬ শতাংশ জমি দেখিয়েছেন। মরজাল বাসস্ট্যান্ডের পাশে ১৩৩.৫০ শতাংশ জমিতে গড়ে তোলা ওয়ান্ডার ল্যান্ড পার্কের মূল্য দেখিয়েছেন মাত্র ৫৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা। প্রকৃতপক্ষে ওয়ান্ডার ল্যান্ড পার্কে কমপক্ষে ১৫০ একরের বেশি জমি রয়েছে। এসব জমির বেশিভাগই কমদাম দিয়ে দখল করা বলে দাবি স্থানীয়দের।

    লাকি হলফনামায় রায়পুরে ৫.২৫ শতাংশ জমিতে নিজের বিলাসবহুল একতলা ভবনের মূল্য দেখিয়েছেন ১৬ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। পাশে একই জমিতে ৮.৭৫ শতাংশ জমিতে গড়ে তুলেছেন আরেকটি বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স ভবন, যার মূল্য দেখিয়েছেন ৩১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। এছাড়া নরসিংদী ও গাজীপুরের ৯টি স্থানে ২৭৮.৯৩ শতাংশ জমির উল্লেখ করলেও, তার মূল্য উল্লেখ করেননি।

    ব্যাংকে রয়েছে তার ৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। পাশাপাশি রয়েছে বন্ড, স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভূক্ত প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও বিলাসবহুল গাড়ি। এছাড়া ঢাকায় ঠিকানাবিহীন একটি ফ্ল্যাটের মূল্য দেখিয়েছেন ৫৫ লাখ ৫০ হাজার ৪৭৫ টাকা।

    প্রসঙ্গত, ১২ লাখ টাকায় একটি ছাগল কিনে আলোচনায় উঠে এসেছিলেন মুশফিকুর রহমান ইফাত। কোরবানি শেষ হলেও ওই ছাগলকাণ্ড নিয়ে বিতর্ক থামছে না। সামাজিক মাধ্যমে ঘুরছে ছাগল, ইফাত ও তার বাবাকে নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা। ইফাত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস, এক্সসাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিল ট্রাইব্যুনালের সভাপতি ড. মো. মতিউর রহমানের ছেলে। যদিও তা অস্বীকার করেন মতিউর। ইফাতের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্কই নেই বলেও জানিয়েছিলেন। আর ইফাত দাবি করেছিলেন, তিনি কোনো ছাগল কিনেননি।

    তবে অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে মতিউর রহমানই ইফাতের বাবা। ইফাত রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সাদিক এগ্রো থেকে একটি ছাগল ছাড়াও ঢাকার অন্তত সাতটি খামার ও একটি হাট থেকে এ বছর ৭০ লাখ টাকার গরু কিনেছেন। গত বছরও কিনেছেন ৬০ লাখ টাকার পশু। ১৫ লাখ টাকার ছাগল কিনে লাখ টাকা অগ্রিম দিয়ে ছাগল ঘরে না আনা আলোচিত ইফাত পাখি পুষতে পছন্দ করেন। আড়াই লাখ টাকার পাখিও তার ঘরে আছে বলে এক ভিডিওতে ইফাতকে বলতে শোনা গেছে। তাঁর ঘরে মিশরের বাজরিগার পাখি, অস্ট্রেলিয়ার গালা কাকাতুয়াসহ আছে নানা প্রজাতির বেড়ালও।

    এবার কোরবানির ঈদে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সাদিক এগ্রো থেকে ১২ লাখ টাকায় একটি ছাগল কিনে আলোচনায় আসেন ১৯ বছর বয়সী এ তরুণ। কিন্তু ফেসবুকে শুধু একটি ছাগল কেনার ভিডিও ঘুরলেও সমকালের হাতে এসেছে দামি পশু কেনার অর্ধশত ভিডিও এবং ছবি। এসব ভিডিওতে ইফাতকে গরু কিনতে দেখা যাচ্ছে। ভিডিওয়ের সূত্র ধরে ঢাকার আশপাশে ১০টি খামারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ইফাত এ বছর সাতটি খামার থেকে ৭০ লাখ টাকার গরু কিনেছেন। তবে ফেসবুকে বিতর্কের মুখে সাদিক এগ্রো থেকে কেনা ওই ছাগল তিনি আর বাসায় নেননি।

    ছাগল কেনার ঘোষণা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হইচই তৈরির পর অনেকে ইফাতের অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এমন পরিস্থিতিতে ইফাতের বাবা মতিউর রহমানের নাম সামনে আসে। অনেকে তাঁর অঢেল সম্পদের তথ্য দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেন। একজন সরকারি কর্মকর্তার ছেলের ১২ লাখ টাকা দিয়ে কোরবানির পশু কেনার সামর্থ্য হলো কী করে, সেই প্রশ্নও ওঠে।

    এফএস

    কালিহাতী সাব-রেজিস্টারের অফিসে রাতেও উড়ে জাতীয় পতাকা!

    টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা সাব - রেজিস্ট্রার অফিস ভবনে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম অনুসারে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নিয়ম থাকলেও উপজেলা সাব-রেজিস্টারের কার্যালয়ের ভবনে বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাত ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে জাতীয় পতাকা উড়তে দেখা যায়। জাতীয় পতাকা অবমাননার এমন ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্থানীয় সচেতনমহল।

    রাতের আঁধারে জাতীয় পতাকা উড়লেও ওই অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পতাকা নামানোর তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

    এঘটনায় কালিহাতী দলীল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাসুম সরকার জানান, গতকাল  বৃহস্পতিবার (২০ জুন)রাতে একটি ফেইসবুক লাইভের মাধ্যমে কালিহাতী সাব-রেজিস্টারের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন অবস্থায় দেখেছি। এটি একটি জাতীয় পতাকা অবমাননার অংশ। এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।

    এবিষয়ে কালিহাতী সাব রেজিস্ট্রার খায়রুল বাশার পাভেল জানান, বিষয়টি আমি অবগত নই।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহাদাত হুসেইন জানান, একজন গণমাধ্যম কর্মীর মাধ্যমে গতকালই অবগত হওয়ার পর সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আমি কথা বলেছি। তাঁরা আমাকে এঘটনার আর কখনোই পুনরাবৃত্তি ঘটবে না বলে জানিয়েছেন। 

    পিএম

    ভাঙন আতঙ্কে টাঙ্গাইলের সাত গ্রামের মানুষ

    উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে টাঙ্গাইলের সব নদীর পানি ক্রমাগত বাড়ছে। পানি বৃদ্ধির কারণে ইতোমধ্যে জেলার দুই উপজেলার সাতটি গ্রামে ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রমত্ত্বা যমুনার আগ্রাসী রূপে ওই সাতটি গ্রামের মানুষ ভাঙনআতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। 

    শুক্রবার(২১ জুন) বিভিন্ন নদীর পানি ১৮ সেণ্টিমিটার থেকে ৫০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।

    জানাগেছে, যমুনায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলি ইউনিয়নের চরপৌলি গ্রামের অরক্ষিত ১৬২৫ মিটার এলাকা এবং ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের চিতুলিয়াপাড়া, ভালকুটিয়া, কষ্টাপাড়া ও নিকরাইল ইউনিয়নের মাটিকাটা, পাটিতাপাড়া, কোনাবাড়ী সহ বেশ কয়েকটি গ্রামে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে।

    এলাকার স্থানীয়রা জানায়, কয়েকদিন ধরে যমুনায় পানি বাড়ছে। ক্রমাগত পানি বাড়ার কারণে যমুনা যৌবনা হয়ে উন্মত্তরূপ ধারণের অপেক্ষায় রয়েছে। বর্তমানে কিছু কিছু এলাকায় নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। যমুনা আগ্রাসী হলে কারো কিছু করার থাকবেনা- মুহূর্তেই বাড়িঘর-গাছপালা সহ কাঁচা বা পাকা স্থাপনা গ্রাস করে ফেলবে।

    টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চরপৌলি গ্রামের কয়েক ব্যক্তি জানায়, যমুনার ভাঙনে ইতোমধ্যে চরপৌলি গ্রামের অরক্ষিত অর্থাৎ দুইপাশে বাঁধের মাঝখানে খোলা ১৬২৫ মিটার এলাকার ৩৫টি পরিবারের বাড়িঘর ও স্থাপনা নদীগর্ভে চলে গেছে। ভাঙনে স্থানীয় ৩৫ পরিবারের সবাই শেষ সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে। বাড়ি ঘর হারিয়ে কেউ খোলা আকাশের নিচে কেউ অন্যের জমিতে ও বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। ভাঙন কবলিতরা সরকারি-বেসরকারি সাহায্য নয়- তারা যমুনার ওই অংশে বাঁধের কাজ দ্রুত শেষ করার দাবি জানায়।

    অপরদিকে, ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ও নিকরাইল ইউনিয়নের ছয়টি গ্রামে ভাঙন দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে নদীতীরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত বছরের ভাঙনের পর যেটুকু সম্বল বেঁচে ছিল- তাও ভাঙনের আশঙ্কায় আতঙ্কে দিন পার করছে নদীতীরের শ’ শ’ পরিবার। ইতোমধ্যে কিছু কিছু এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে। যমুনা আগ্রাসী রূপ ধারণ করলে সবকিছু তছনছ করে ফেলবে।

    টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, যমুনার বামতীরে কালিহাতী উপজেলার গড়িলাবাড়ী পাথরঘাট থেকে আলীপুর পর্যন্ত ব্লক দিয়ে বেরীবাঁধ নির্মাণ ও নিউ ধলেশ্বরী নদীর অফটেক(মুখ) বাঁধাই করা হয়েছে। অন্যদিকে, নাগরপুর উপজেলা থেকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চরপৌলির দক্ষিণ পর্যন্ত জিওব্যাগ ও ব্লক ফেলে স্থায়ী বাঁধ দেওয়া হয়েছে। মাঝখানে চরপৌলি গ্রামের ১৬২৫ মিটার অংশ অরক্ষিত রয়েছে। বাঁধ না থাকায় ওই অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

    সূত্রমতে, টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি পোড়াবাড়ী পয়েণ্টে ২৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার এক দশমিক ১২ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ধলেশ্বরী নদীর পানি এলাসিন পয়েণ্টে ২৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে এক দশমিক ৪৮ সেন্টিমিটার, বংশাই নদীর পানি কাউলজানী পয়েণ্টে

    ১৮সেন্টিমিটার বেড়ে ৩ দশমিক ৩৯ সেন্টিমিটার, একই নদীর মির্জাপুর পয়েণ্টে  ১৪ সেণ্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে এক দশমিক ৯৩ সেণ্টিমিটার, ফটিকজানী নদীর পানি নলছোপা পয়েণ্টে ৩৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার দুই দশমিক ৮৮ সেন্টিমিটার এবং ঝিনাই নদীর পানি জোকারচর (নিউ ধলেশ্বরী) পয়েণ্টে ৫০ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার শূণ্য দশমিক ৫৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

    নদীতীরের ভাঙন আতঙ্কে থাকা মানুষরা জানায়, গত বর্ষা মৌসুমে ভাঙনরোধে খানুরবাড়ী, চিতুলিয়াপাড়াসহ বিভিন্নস্থানে নামেমাত্র নিম্নমানের জিওব্যাগ ফেলে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এবার সেগুলোও ধসে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা প্রভাব খাটিয়ে নিজ নিজ বাড়ির সামনে জিওব্যাগ ফেলার সুযোগ নেন। দরিদ্র পরিবারের বাড়ির সামনে জিওব্যাগ ফেলা হয় না।

    গত বর্ষায় নদী ভাঙনের শিকার একাধিক ব্যক্তি জানায়, শুকনো মৌসুমে বালু ব্যবসায়ীরা অবৈধভাবে নদীতে জেগে ওঠা চর কেটে ট্রাকযোগে বিক্রি করে থাকে। ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে নতুন নতুন এলাকায় ভাঙন দেখা দেয়। বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা যায় না বা করলেও কোন সুফল পাওয়া যায়না।

    তারা জানায়, গত বছর বন্যায় ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফেলা গাইড বাঁধের জিওব্যাগ বালু ব্যবসায়ীদের আনলোড ড্রেজারগুলোর কারণে ধসে যাচ্ছে। ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পাকা ও আধা-পাকা সড়ক, গাইড বাঁধ বসত-বাড়ি, মসজিদ-মন্দির, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ নানা স্থাপনা ভাঙনের মহুমকিতে রয়েছে।

    পাটিতাপাড়ার ওমেছা বেগম, সুফিয়া আক্তার ও কোরবান আলী জানান, যমুনা নদীতে গত কয়েকদিন ধরে পানি বাড়ছে। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে ভাঙনও দেখা দিয়েছে। কিন্তু ভাঙনরোধে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। গত বছর বসতভিটা ভেঙে যেটুকু থাকার জায়গা ছিল- তাও এবার চোখের সামনে নদী গর্ভে বিলীনের পথে।

    ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মামুনুর রশীদ জানান, কিছুদিন ধরে যমুনায় পানি বাড়তে শুরু করেছে। ভাঙনরোধে উর্ধতন দপ্তরে অবগত করাসহ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হবে।

    টাঙ্গাইল জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, যমুনার ভূঞাপুর অংশে ভাঙনের বিষয়টি ইউএনও’র মাধ্যমে জানতে পেরেছেন। ভাঙন কবলিত এলাকাগুলোর মধ্যে গোবিন্দাসী ও নিকরাইল ইউনিয়নের জন্য একটি প্রকল্প উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওই এলাকায় ইকোনোমিক জোনের কাজ প্রক্রিয়াধীন। ইকোনোমিক জোনের কাজ শুরু করা হলে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ হয়ে যাবে।

    তিনি জানান, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চরপৌলি গ্রামের উত্তর এবং দক্ষিণেরমাঝে ১৬২৫ মিটার অংশ অরক্ষিত রয়েছে। ওই স্থানে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে প্রায় আড়াইশ’ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। আগামি শুকনো মৌসুমে বাঁধের কাজ ধরা হবে।

    পিএম

    সেতু ভেঙে বিয়ের মাইক্রোবাস খালে, ১০ বরযাত্রী নিহত

    বরগুনার আমতলীতে সেতু ভেঙে বরযাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাস খালে পড়ে গেছে। এতে এখন পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন। 

    শনিবার (২২ জুন) দুপুরে আমতলী উপজেলার ৫নং চওয়া ইউনিয়ন এবং ৪নং হলদিয়া ইউনিয়নের মাঝামাঝি হলদিয়া ব্রিজ ভেঙে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সেতু ভেঙে খালে পড়া  মাইক্রোবাসটিতে করে বিয়ের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন লোকজন। এ সময় সেতুটি ভেঙে মাইক্রোবাসটি খালে পড়ে যায়। এতে খালে ডুবে এখন পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। নিখোঁজদের উদ্ধার করতে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা কাজ করছেন। 

    আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সাখাওয়াত হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সেতু ভেঙে মাইক্রোবাস খালে পড়ার ঘটনা শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে ১০টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। মাইক্রোবাসটি এখনও পানির নিচে


    এমএইচ

    ঝালকাঠিতে থানার ভিতরে সাংবাদিকের গায়ে হাত, পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

    ঝালকাঠির নলছিটি থানার অভ্যন্তরে আরিফুর রহমান নামে এক সাংবাদিককে মারধর ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ সদস্যের (কনস্টেবল) বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাতে নলছিটি থানায় এ ঘটনা ঘটে।

    অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য রেজানুন্নবী রাজুকে রাতেই জেলা পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাকে সাময়িক বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করা হয়েছে।

    শুক্রবার (২১ জুন) দুপুরে এই পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আফরুজুল হক টুটুল নিশ্চিত করেছেন।

    ভুক্তভোগী সাংবাদিক আরিফুর রহমান দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার নলছিটির উপজেলা প্রতিনিধি। তিনি এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, পারবারিক কলহের জের ধরে সাংবাদিক আরিফুর রহমানের চাচাতো ভাই শুক্কুর সরদারের বিরুদ্ধে জরুরি সেবা ৯৯৯ ফোন দিয়ে অভিযোগ করেন তার স্ত্রী। খবর পেয়ে নলছিটি থানার এএসআই ও কনস্টেবল রেজানুন্নবী রাজু ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে শুক্কুর সরদার ও তার স্ত্রীকে থানায় নিয়ে যায়। বিষয়টি জানতে পেরে সাংবাদিক আরিফুর রহমান থানায় গিয়ে তার চাচাতো ভাইকে ঘাড় ধাক্কা দেওয়ার ঘটনাটি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) অবহিত করেন। পরে দুই পক্ষের আত্মীয়-স্বজন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে সালিশ-মীমাংসার সিদ্ধান্ত হয়।

    ওসির কক্ষ থেকে বের হওয়ার পর ডিউটি অফিসারের রুমের সামনের বারান্দায় কনস্টেবল রেজানুন্নবী রাজু সাংবাদিক আরিফুর রহমানকে চড়-থাপ্পড় ও কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে। তখন সে বলতে থাকে ‘তোর এত বড় সাহস, তুই থানায় এসে আমার নামে ওসির কাছে নালিশ করো? তোর মতো সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙ্গে দিলেও কিছু হবে না।’

    এরপর কনস্টেবল রেজানুন্নবী রাজু সাংবাদিক আরিফুর রহমানের গলা চেপে ধরেন। একপর্যায়ে সে দৌড়ে ওসির রুমে যাওয়ার চেষ্টা করলে কনস্টেবল রেজানুন্নবী রাজু তাকে গলা ধাক্কা দিয়ে থানা থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য (কনস্টেবল) রেজানুন্নবী রাজুর মুঠোফোনে বার বার কল দিলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

    পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আফরুজুল হক টুটুল জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য রেজানুন্নবী রাজুকে বৃহস্পতিবার রাতেই জেলা পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাকে সাময়িক বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করা হয়েছে। সংবাদকর্মী আরিফুর রহমানের লিখিত অভিযোগ তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    পিএম

    ভোলায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

    ভোলার চরফ্যাসনে ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে  মো. আক্তার তালুকদার (৪০) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়ন ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আক্তার তালুকদার একই ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

    স্বজন ও থানা পুলিশ জানান, কৃষক আক্তার তালুকদার সকালে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মধ্যে গরুর ঘাস কাটতে মাঠে যান। ঘাস কাটার সময় হটাৎ বৃষ্টির সাথে বজ্রপাত ঘটে। সেই বজ্রপাতে কৃষক আক্তার তালুকদার ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে খবর পেয়ে স্বজনরা নিহত কৃষকের লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। 

    শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক বজ্রপাতে নিহতের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

    পিএম

    বরগুনার সার্কিট হাউসে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

    বরগুনায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (১৭ জুন) সকাল ৭ টায় সার্কিট হাউস ঈদগাহ ময়দানে ইমাম মাওলানা মো. সানাউল্লাহর পরিচালনায় জেলার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

    বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম সরোয়ার টুকু, জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, পৌর মেয়র কামরুল আহসান মহারাজ, জেলা পরিষদ প্রশাসক জাহাঙ্গীর কবির সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবীসহ সর্বস্তরের কয়েক হাজার মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে মোনাজাতে মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করা হয়।

    সার্কিট হাউস ঈদগাহ ময়দান ছাড়াও সকাল সাড়ে ৭টায় আবুল হোসেন ঈদগাহ মাঠে ইমাম মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহর পরিচালনায় দ্বিতীয় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত। 

    পাশাপাশি সকাল ৭টায় কড়ইতলা শামসুল হক ঈদগাহ মাঠে এবং সকাল ৯টায় বরগুনা জেলা কারাগারে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    একই সঙ্গে সকালে বরগুনার পাঁচটি উপজেলার মধ্যে আমতলী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ময়দান, পাথরঘাটা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ময়দান, বামনা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ময়দান, বেতাগী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে, বেতাগী ঐতিহ্যবাহী বিবি চিনি শাহী মসজিদ প্রাঙ্গণে ও তালতলী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    পিএম

    নলছিটিতে মাইক্রোবাস ও সিএন‌জি`র মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২


    ঝালকাঠি আঞ্চলিক মহাসড়কের নলছিটি উপজেলার মগড় ইউনিয়নের রায়াপুর এলাকায় শনিবার (১৫জুন) দিবাগত রাত সাড়ে বারোটার দিকে মাইক্রোবাস ও সিএন‌জির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়ে চালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মুরাদ আলী। 


    জানা গেছে, বরিশাল থেকে ঝালকাঠির উদেশ্যে ছেড়ে আসা একটি সিএনজি বরিশাল- ঝালকাঠি আঞ্চলিক মহাসড়কের রায়াপুর নামক স্থানে আসলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে চালক আলামিন ও যাত্রী আলতাফ মুন্সী গুরুতর আহত হন। 


    পরে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক ফারাহ নিঝুম গুল তাদের সড়কে আহত অবস্থায়  দেখে নিজ গাড়িতে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে তাদের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার উত্তমাবাদ এলাকার বাসিন্দা আবদুল হকের পুত্র সিএনজি চালক মো. আলামিন (৩৫) ও পিরোজপুর জেলার দাউদখালি ইউনিয়নের মৃত মফিজ উদ্দিনের পুত্র আলতাফ মুন্সী (৭০)। 


    নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মুরাদ আলী জানান, দুর্ঘটনার শিকার সিএনজি পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। মৃতদেহ বরিশাল শেরেই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

    ভুয়া সৈনিক পরিচয়ে বিয়ে, শ্বশুর বাড়ি শিকলবন্দী জামাই

    ভুয়া সৈনিক পরিচয়ে একাধিক বিয়ে করে অবশেষে শশুড় বাড়ী লোকের হাতে আটক হয়ে শিপন নামে এক যুবক শিকলবন্দী হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার গোয়ালেরচর ইউনিয়নে সভুকুড়া গ্রামে।

    জানা গেছে, ভুয়া সৈনিক শিপন জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার খড়মা গ্রামের মোন্নাফ আলীর ছেলে।

    ভুয়া সৈনিক শিপন মিয়া জানায়, সে সোশ্যাল মিডিয়া "শিপন মিয়া'নামে আইডি খোলে ভুয়া সৈনিক পোশাক ও পরিচয় দিয়ে এক বছর আগে ৩ লাখ টাকা যৌতুক নিয়ে গাইবান্ধা ইউনিয়নের নাপিতের চর বলিদা পাড়া গ্রামের জমির উদ্দিন পাখীর মেয়েকে বিয়ে করে। একইভাবে ৩ মাস পর গত ৮ মাস আগে একই উপজেলার সভুকুড়া গ্রামে দেলোয়ারের মেয়েকে কোর্ট ম্যারেজ করে ২য় বিয়ে করে। পরবর্তীতে মেয়ের বাবা বিষয়টি মেনে নিলে ১০ লাখ টাকা যৌতুক হাতিয়ে নেয়।

    অবশেষ গত শুক্রবার ভুয়া সৈনিক পরিচয়ে একাধিক বিয়ের খবর সভুকুড়া গ্রামের ২য় স্ত্রীর পরিবারের লোকজন জানতে পারে। পরে কৌশলে ভুয়া সৈনিক জামাইকে  শনিবার ডেকে নিয়ে এসে শিক্ষা দিতে শিকলবন্দী অবস্থায় আটক করে। তাকে পাহারায় রয়েছে গ্রাম্য পুলিশ। 

    এইচএ

    ফেসবুকে 'আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়' লিখে যুবকের আত্মহত্যা

    আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়’, সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে এমন পোস্ট লিখে আত্মহত্যা করেছেন এক যুবক। নিহত ওই যুবকের নাম আমিনুল ইসলাম (২৭)। রোববার (২৩ জুন) বিকেল ৩টার দিকে সদর উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের বাদাপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আমিনুল ওই গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হালিমের ছেলে। আমিনুল বেশ কিছুদিন যাবত মানসিক অবসাদে ভুগছিল বলে স্থানীয়রা জানান।

    সুত্রে জানা গেছে, গত প্রায় ৬ থেকে ৭ মাস আগে সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের ইলশা গ্রামের চিন্টুর মেয়ে বিথী আক্তারকে বিয়ে করেন আমিনুল ইসলাম। আমিনুল দীর্ঘদিন বেকার থাকায় তার স্ত্রী বেশিরভাগ সময় বাবার বাড়িতেই থাকতেন। সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের একটি প্রজেক্টে কাজ শুরু করেন আমিনুল। তবে তিনি বেশ কিছুদিন যাবত মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন।

    গত ১৯ জুন ময়মনসিংহের এক চিকিৎসকের তত্বাবধানে কাউন্সিলিং ও ঔষধপত্র সেবন শুরু করেন তিনি। কিন্তু রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে আমিনুল ইসলাম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে নিজ বসতঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেন। তার ফেসবুক পোস্ট দেখে ঘরের স্টিলের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমিনুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এর আগে রোববার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে আমিনুল তার ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টে লিখেন, ‘আমি আমার সঠিক মস্তিষ্কে লিখে জাচ্ছি যে, আজ আমার মৃতুর জন্য কেও দায়ী নয়। এই বিষয়টা নিয়ে যেন কারো প্রতি কোন প্রকার চার্য না করা হয় এবং কাওকে দায়ী না করে হয়। আমিনুল ইসলাম। তার আগে দুপুর ২টা ৮ মিনিটে পোস্ট দিয়ে তিনি লিখেছিলেন, ‘ঝুলে গেলে মানুষ মরে যায়, নাকি বেচে যায় ?’

    এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমদাদুল হক জানান, নিহতের লাশ জেলা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    পিএম

    শেরপুরে নৌকা ডুবে মেডিকেল শিক্ষার্থীসহ নিহত ২

    শেরপুরের ঝিনাইগাতিতে নৌকায় চড়ে বিলের বেড়াতে গিয়ে নৌকা ডুবিতে মারা গেছে রংপুর মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী মোশারফ হোসেন মিল্টন ও তারই বন্ধু আমানুল্লাহ আমান। এছাড়াও পানিতে ডুবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে আরও তিন বন্ধু।

    শুক্রবার (২১ জুন) বিকেলে উপজেলার কান্দুলি গ্রামের বাইলসা বিলের নলাডুবায় নৌকা ডুবির এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো- রংপুর মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও কান্দুলি গ্রামের সোহরাব আলীর ছেলে মোশারফ (২১) হোসেন মিল্টন এবং একই গ্রামের সাদা মিয়ার ছেলে আমানুল্লাহ আমান (১৭)।

    স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বেলা আড়াইটার দিকে কান্দুলি গ্রামের ৮ বন্ধু মিলে ঈদের আনন্দ করতে নৌকা ভাড়া করে বাইলসা বিলের নলাডুবা এলাকায় ঘুরতে যায়। নলাডুবায় গিয়ে আনন্দ করা অবস্থায় নৌকাটি ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। এতে ৮ বন্ধুকে নিয়ে ঘটনাস্থলেই ডুবে যায় নৌকাটি। পরে তাদের চিৎকারে আশপাশের মানুষ ছুটে গিয়ে উদ্ধারে নামেন। তবে ততক্ষণে মেডিকেল শিক্ষার্থী মিল্টন মারা যায়। অপর বন্ধুদের উদ্ধার করে ঝিনাইগাতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় আমানুল্লাহ। অসুস্থ হয়ে পড়ায় অপর তিন বন্ধুকে শেরপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য ৩ বন্ধু সুস্থ রয়েছে।

    স্থানীয় ধানশাইল ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম ও ঝিনাইগাতি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বছির আহমেদ বাদল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    নেত্রকোনায় পাচারকালে ২০০ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ

    নেত্রকোনার সীমান্ত উপজেলা কলমাকান্দায় পাচারকালে ২০০ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ করেছে পুলিশ। 

    বুধবার রাতে গোপন সংবাদের খবরে কলমাকান্দা থানার পুলিশ উপজেলার স্টেডিয়াম সড়ক এলাকা থেকে ২০০ বস্তা চিনিসহ একটি ট্রাক জব্দ করে। তবে পুলিশের আগমন টের পেয়েই ট্রাকের চালক ও হেলপার পালিয়ে যায়।

    পুলিশ জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে খবর আসে একটি ট্রাকে করে ভারত থেকে আনা অবৈধভাবে চিনিগুলো ঢাকার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। পরে টহল পুলিশ ট্রাক থামাতে গেলেই চালক হেলপার গাড়ি স্ট্রার্ট রেখেই পালিয়ে যায়।

    কলমাকান্দা থানার ওসি মোহাম্মদ লুৎফুল হক জানান, জব্দকৃত ১০ মেট্রিক টন চিনি আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকারিভাবে জমা করা হবে। এছাড়া এ ঘটনায় পুলিশ অজ্ঞাতনামা আসামি দিয়ে চোরাচালান মামলা দিয়েছে।

    বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত কৃষক

    নেত্রকোনার মদনে বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে আজিজুল ইসলাম (৫১) নামের এক কৃষক মারা গেছেন। 

    মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকালে জাওলা গ্রামের পেছনের বিলে মাছ ধরার সময় এ ঘটনা ঘটে।  আজিজুল উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের জাওলা গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমানের ছেলে। 

    আজিজুলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাইটাইল ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাফায়াত উল্লাহ রয়েল।

    নিহতের পরিবার, স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাড়ির পেছনে আজিজুল মঙ্গলবার সকালে বিলের মধ্যে টাকজাল দিয়ে মাছ ধরতে যায়। মাছ ধরার এক ফাঁকে বজ্রপাত হলে অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তা পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

    নিহাতের ভাই রাসেল জানান, বড় ভাই বাড়ির পিছনে বিলের মধ্যে টাক ঝাল দিয়ে মাছ ধরতে ছিল। বজ্রপাত হলে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে বাড়ির লোকজন  হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করে।

    মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উজ্জ্বল কান্তি সরকার জানান, জাওলা গ্রামে বজ্রপাতে আজিজুল নামের এক ব্যক্তি মারা গেছে। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ও গণ্যমান্য লোকজনের উপস্থিতিতে বিনা ময়নাতদন্তে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 

    পিএম

    হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু

    পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা আট দিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর সকাল থেকে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। 

    শনিবার (২২ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাহিলি সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জামিল হোসেন চলন্ত। 

    তিনি বলেন, ১৭ জুন পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন হয়, এ উপলক্ষে ১৪ থেকে ২১ জুন পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিলো। চিঠি দিয়ে বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানিয়েছিলাম আমরা। ঈদের ছুটি শেষে ২২ জুন থেকে যথারীতি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

    হিলি পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে পণ্যবাহী একটি ট্রাক ভারত থেকে পণ্য নিয়ে হিলি স্থলবন্দরে প্রবেশ করে। এর মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শরু হয়। আমরা সব সময় কাঁচা পণ্যগুলো দ্রুত খালাশ করে আমদানিকারকদের সহযোগীতা করে থাকি। 

    এমআর

    কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

    টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তা,দুধকুমোর,ধরলা,ব্র ক্ষপুত্র সহ জেলার ১৬টি নদ-নদীর পানি বেড়েই চলছে। শুক্রবার তিস্তা নদীর পানি বিপদ সীমার ৫০ সে. মি. আর ধরলা নদীর পানি ফুলবাড়ি পয়েন্টে ১৫ সে. মি প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে অন্যান্য নদীর পানি বিপদ সীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার ৫টি উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

    কুড়িগ্রাম সদর,নাগেশ্বরী, ভুরুঙ্গামারী, রাজারহাট ও উলিপুর উপজেলা।পানি বন্দী হয়ে পড়েছে ১৫ হাজার মানুষ। পানি বৃদ্ধির সাথে চলছে ব্যাপক ভাঙ্গন। নদ-নদী অববাহিকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বীজতলা, বাদাম ক্ষেত পানির নীচে তলিয়ে রয়েছে ৫দিন থেকে। গ্রামীণ সড়কগুলি পানির নীচে তলিয়ে যাওয়ায় গ্রামীন সড়ক ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। মানুষজন ভেলা ও ডিঙ্গি নৌকায় চলাচল করছে।

    অন্যদিকে টানা বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রাম শহরে অধিকাংশ পাড়া মহল্লা পানিতে তলিয়ে গেছে। আজ ৫দিন থেকে দক্ষিন হাসপাতাল পাড়া,সদর হাসপাতাল সংলগ্ন কয়েকশবাড়ী ঘর তালতলা মুনসীপাড়া স্বাধীন পাড়া এলাকায় ঘরের ভিতরে পানি নিয়ে বসবাস করছে মানুষ। শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা এত দুর্বল এবং দীর্ঘদিন থেকে ড্রেনগুলো পরিষ্কার না করায় এবং ড্রেনের মুখে ময়লা আবর্জনা দিয়ে বন্ধ থাকায় পানি বের হতে পারছে না। সামান্য বৃষ্টিতে জেলা প্রশাসকের অফিস চত্বর জজকোর্ট এলাকা, ফায়ার বিগ্রেড এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়ে।

    বর্তমানে পুরো শহর জলাবদ্ধতার কারণে সারা শহরের মানুষের অসোন্তষের পাশাপাশি চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে। পৌর মেয়রকে বলেও কোন কাজ হচ্ছে না এ কথা জানিয়েছেন একাধিক পৌরবাসী। কুড়িগ্রাম পৌরসবায় দুই লাখেরও বেশী মানুষ বাস করে।  

    জেলা প্রশাসক মোহম্মদ সাইদুর আরিফ জানিয়েছেন এ পর্যন্ত ১শ ৪৪ মে.টন জি আর চাল,১০ লক্ষ ৩৫হাজার টাকা বন্যা কবলিতদের মাঝে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ৪০৪টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ৪টি স্প্রিড বোট,দুটি নৌকা প্রস্তুত রাখা হয়েছে বন্যার্তদের উদ্ধারের জন্য।

    কুড়িগ্রাম-আসনের সংসদ সদস্যা ডাঃ হামিদুল হক খন্দকার বৃহষ্পতিবার যাত্রাপুর , পাঁচগাছি ইউনিয়নের বন্যা কবলিত গ্রাম গুলো পরিদর্শন করেন। পানি বন্দী মানুষকে সহায়তার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন।

    পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘন্টায় ধরলা নদীর পানি ২৫দশমিক ৮৬ সে. মি, দুধকুমার নদীর পানি ২৯ দশমিক ৫৮ সে. মি, ব্রক্ষপুত্র নদের নুন খাওয়া পয়েন্টে ২৫ দশমিক ৩৩ সে. মি আর চিলমারী পয়েন্টে ২২দশমিক ৪৩ সে. মি ও তিস্তা নদীর পানি ২৯ দশমিক ২৫ সে. মি প্রবাহিত হচ্ছিল।

    এফএস

    রংপুরে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত ২

    রংপুরের পীরগঞ্জে দুই যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ১২জন বাসযাত্রী। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাত সোয়া ১০টার দিকে উপজেলার মাদারহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    বড়দরগাহ হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা হানিফ পরিবহনের একটি বাস ওই এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে বেস্টঅন পরিবহনের বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞাত একজন মারা যান। 

    পরে গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিন্টু মিয়া (২৫) নামে আরও এক যাত্রী মারা যান। দুর্ঘটনায় নিহত অজ্ঞাত একজনের পরিচয় জানা যায়নি। তার পরিচয় শনাক্তের পুলিশ কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

    এমআর

    পলাশবাড়ীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ব্যক্তির মৃত্যু

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত রুবেল মিয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

    বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকালে রাজধানী ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। নিহত রুবেল উপজেলার মহদীপুর ইউনিয়নের বুজরুক বিষ্ণুপুর গ্রামের মৃত নজির হোসেনের ছেলে।

    দুপুরে পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজমিরুজ্জামান, রুবেলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন,  নারী ঘটিত একটি বিষয় নিয়ে  ঈদের পরদিন দুপুরে বোর্ড বাজার এলাকায়  দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। তাদের উদ্ধার করে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে মাথায় গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত রুবেলকে রংপুরে রেফার্ড করেন চিকিৎসক। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে মারা যান রুবেল।

    পিএম

    তিস্তায় নৌকাডুবিতে শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ অনেকে

    কুড়িগ্রামের উলিপুরে তিস্তা নদীতে যাত্রীবোঝাই একটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় উপজেলার বজরা ইউনিয়নের খামার দামারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় তিস্তাপাড়ে এই ঘটনাটি ঘটে। 

    এ ঘটনায় আয়শা খাতুন নামের একজন আড়াই বছরের শিশুর মরদেহসহ ১৭ জন জীবিত উদ্ধার করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। এর মধ্যে ৯ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়াও অন্তত আটজন নিখোঁজ আছেন। আয়শা খাতুন খামার দামারহাট গ্রামের আজিজুর রহমানের মেয়ে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উলিপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার আব্বাস আলী। 

    নৌকার যাত্রী কামাল হোসেন, শরীফা বেগম ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বজরা ইউনিয়নের খামার দামারহাট এলাকার জয়নাল আবেদীনের পরিবার ও তার আত্মীয় স্বজন মিলে ২৬ জন একটি নৌকায় তিস্তার ওপারে রংপুর পীরগাছা উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের আলীবাবা থিম পার্ক এলাকায় জয়নাল আবেদীনের ছেলের শ্বশুর বাড়ী থেকে ঈদ পরবর্তী দাওয়াত খেয়ে বাড়ী ফিরছিলেন।

    সন্ধ্যার দিকে খামার দামারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় তিস্তা নদীর প্রবল স্রোতে নৌকাটি উল্টে গিয়ে ডুবে যায়। এ সময় নৌকার যাত্রী কামাল হোসেন, শরীফা বেগমসহ কয়েকজন সাঁতরে তীরে উঠেন এবং কিছু যাত্রীকে স্থানীয় লোকজন নৌকায় করে উদ্ধার করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কর্মী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উদ্ধারে নামেন।

    উলিপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার আব্বাস আলী বলেন, গতরাত ১টা পর্যন্ত আড়াই বছরের একজন শিশুর মরদেহসহ ১৭ জন জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের সবার বাড়ী বজরা ইউনিয়নের চর পশ্চিম বজরা এলাকায়।

    উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম মর্তুজা বলেন, নৌকা ডুবির ঘটনায় উদ্ধারকৃত যাত্রীদের মারফত জানা গেছে তারা নৌকায় ২৬ জন ছিলেন। এ পর্যন্ত নদী থেকে একজন মৃত শিশুসহ ১৭ জন জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য মতে এখনও অন্তত আটজন নিখোঁজ আছে। তবে আমাদের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত আছে।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আতাউর রহমান বলেন, নৌকা ডুবিতে আড়াই বছরের এক শিশু মারা গেছে। স্থানীয়দের নিকট ৭-৮ জন নিখোঁজের কথা শুনেছি। তবে আমরা নিশ্চিত নই।

    খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ। তিনি বলেন, একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে এটা নিশ্চিত। তবে কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন তা এখনও আমরা নিশ্চিত হতে পারি নাই।

    এমআর

    ঈদের রাতে জোড়া খুন: শ্রমিক নেতাসহ চারজনের ৪ দিনের রিমান্ড

    বগুড়ায় জোড়া হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত প্রধান আসামি মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন সম্পাদক সৈয়দ কবির আহম্মেদ মিঠুসহ চারজনের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

    সোমবার দুপুরে বগুড়া অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুপান্ত সাহা এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন।

    রিমান্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সৈয়দ কবির আহমেদ মিঠু (৫০), নিশিন্দারা খাঁপাড়া এলাকার আব্দুল গফুরের ছেলে শেখ রভ (২৬), একই এলাকার পুর্বপড়ার মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে নাঈম হোসেন (২৮) ও সুলতানগঞ্জ আলী সোনার লেনের ইসমাঈল হোসেনের ছেলে আজবিন রিফাত (১৯)।  

    জানা যায়, ঈদের রাতে (১৭ জুন) পূর্ব পরিকল্পনা মতে শহরের নিশিন্দারা এলাকায় পরিচিত জনকে দিয়ে ফোন করে শেখ শরিফ ও রোম্মানকে বাড়ি থেকে ডেকে আনে। এরপর দুইজনকে সামান্য দূরত্বে দুই স্থানে গুলি ও  কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। এ ঘটনায় হোসেন শেখ নামে আরেক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত অবস্থায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ওই সময় ঘটনাস্থল থেকে তিন রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করে পুলিশ। 

    এ ঘটনায় মামলা করা হয়। ওই মামলায় প্রধান আসামি জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ কবির আহমেদ মিঠু, তার ছোট ভাই আওয়ামী লীগ নেতা সার্জিল আহমেদ টিপু, তৃতীয় বর্তমান কাউন্সিলর ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বগুড়া শাখার সাবেক সভাপতি শাহ মেহেদী হাসান হিমু ও তাদের সহযোগী ১৩ জনের নামে ১৪-১৫ জন অজ্ঞাত আসামি করে সদর থানায় জোড়া হত্যা মামলা করেন নিহত শরিফের মা হেনা বেগম।  

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহিনুজ্জামান জানান, শরিফ ও রোম্মান হত্যার প্রধান আসামিসহ গ্রেফতারকৃত চারজনের বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। সোমবার আবেদন শুনানি শেষে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। জোড়া হত্যা মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    এইচএ

    বাবা ডেকেও রেহাই পাইনি মাদ্রাসার ছাত্রী

    জয়পুরহাটে একটি মহিলা মাদ্রাসার ছাত্রীকে জোরপূর্বকভাবে ধর্ষণের দায়ে ওই মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা বিরুদ্ধে। রবিবার (২৩ জুন) বিকেলে শহরের মাছুয়া বাজার এলাকা থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

    গ্রেপ্তার আজিজুল হক ফেন্সি (৫৭) জেলা শহরের বিশ্বাসপাড়ার বাসিন্দা ও হযরত ফাতেমা (র.) কওমি হাফেজিয়া মহিলা মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা বলে জানা গেছে।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, জেলা শহরের কাশিয়াবাড়ির হযরত ফাতেমা (র.) কওমি হাফেজিয়া মহিলা মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির পড়াশুনা করতো নওগাঁর এক শিক্ষার্থী। ঈদের ছুটি হলেও মাদরাসাতে মাসিক বেতন বকেয়ক থাকায় ওই শিক্ষার্থীকে ছুটি দেয়নি প্রতিষ্ঠাতা আজিজুল হক ফেন্সি। ঈদের ছুটির সময়ে ওই শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে ধর্ষণ করেন তিনি। পরে বরিবার মেয়েটি মাদরাসা থেকে পালিয়ে বান্ধবীর বাড়িতে আশ্রয় নেয়। এসময় তার বান্ধবীর পরিবারের সদস্যদের কাছে ধর্ষণের বিষয়টি জানায়। পরে তারা তাৎক্ষণিক ওই ছাত্রীকে জয়পুরহাট থানায় নিয়ে যায়। অভিযোগ পেয়ে আজিজুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

    ভুক্তভোগী ছাত্রী বলেন, মাদ্রাসার মাসিক বেতনের বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে পারেনি পরিবার। এজন্য মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা আজিজুল হক ফেন্সি আমাকে বাড়িতে যেতে দেয়নি। পরে তিনি আমাকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। আমি তাকে বাবা ডেকেও রেহাই পাইনি। একপর্যায়ে রবিবার সেখান থেকে পালিয়ে গিয়ে আমার এক বান্ধবীর বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেই। এ ঘটনার সুস্থ বিচার চাই।

    গ্রেপ্তার আগ মুহূর্তে আজিজুল হক ফেন্সি বলেন, তার ভুল হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

    জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে একটি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আজিজুল হক ফেন্সি নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

    এইচএ


    মহানন্দায় দক্ষিণ এশিয়ার দশম বৃহত্তম রাবার ড্যাম নিমার্ণের কাজ শেষ পযার্য়ে

    দেশের সবচেয়ে বড় ও দক্ষিণ এশিয়ার দশম বৃহত্তম রাবার ড্যাম নিমার্ণ করা হচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। ভারত থেকে প্রবেশ করে পদ্মা নদীর সাথে সংযোগ হওয়া মহানন্দা নদীতে চলছে এর নিমার্ণ কাজ। এরই মধ্যে প্রকল্পটির ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ হওয়ায় যা এখন দৃশ্যমান। কাজ শেষ হলে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে প্রকল্পটি।

    ফারাক্কা বাঁধের বিরুপ প্রভাব, অতিমাত্রায় ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বরেন্দ্র অঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় শুষ্ক মৌসুমে দেখা দিয়েছে চরম পানি সঙ্কট। এ সংঙ্কট কাটিয়ে উঠতে রাবার ড্যাম প্রকল্প হাতে নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

    জেলা শহরের রেহাইচর এলাকায় বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতুর ভাটিতে নিমার্ণ হচ্ছে এই প্রকল্পটি। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নদীর দুইধারসহ বরেন্দ্র অঞ্চলের ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধার পাশাপাশি বছরজুড়ে দেশি মাছ আহরণের পরিমাণ বাড়বে। আর নদীতে পানি থাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বৃদ্ধিতে এলাকার টিউবয়েলগুলোতে সহজেই মিলবে সুপেয় পানি।

    ২০১১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সফরে এসে স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে মহানন্দা নদীতে এই রাবার ড্যাম নিমার্ণের প্রতিশ্রুতি দেন। প্রায় এক দশক পর ২০২১ সালে শুর হয় এ প্রকল্পের কাজ। আর দীর্ঘদিনের সেই দাবি পূরণ হতে যাওয়ায় খুশি চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসী।

    তবে অভিযোগ এই প্রকল্পের কাজ শেষ পযার্য়ে হলেও; এখনও অধিগ্রহণ করা জমির অর্থ বুঝে পাননি জমির মালিকরা। এ নিয়ে নদী পাড়ের জমির মালিকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। টাকা চাইতে গেলে উল্টো ভয়-ভীতি ও হয়রানি এবং মামলার আসামি এখন তারা। এমন অবস্থায় নায্যমূল্য পরিশোধের মাধ্যমে সরকারের এই প্রকল্প বাস্তবায়ন চান এলাকার মানুষ ও অধিগ্রহণের মধ্যে পড়া জমির মালিকরা।

    ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এসএস রহমান গ্রুপের প্রকল্প ম্যানেজার মো. রিপন আলী জানান, রাবার ড্যাম প্রকল্পের ৯৮ শতাংশ কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। জুনেই বুঝিয়ে দেয়া হবে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে।

    পাউবো চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিবার্হী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, ৩৫৩ মিটার দীর্ঘ পরিবেশ বান্ধব এই রাবার ড্যামের নিমার্ণ কাজ শেষ হবে চলতি বছরের জুনে। প্রকল্পটির কাজ শেষ হলে কৃষি ও মাছ চাষে এ অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে। 

    তবে জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই কর্মকতার্ জানান, জেলা প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। দ্রুত বুঝিয়ে দেয়া হবে অধিগ্রহণের টাকাও। 

    আর পরিবেশবিদরা বলছেন, মহানন্দা নদীতে রাবার ড্যাম নিমার্ণে প্রাণ-প্রকৃতি ও পরিবেশের উপর বিরুপ প্রভাব পড়বে। যদিও পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে এটি পরিবেশ বান্ধব। তবে প্রতি দুই-তিন বছর পর পর নদীর ভাটিতে মেইনটেইন্যান্স ড্রেজিং করতে হবে।  

    উল্লেখ্য, সংশোধিত ব্যয়সহ প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪৬ কোটি টাকা।  

    নিখোঁজের ৭ দিন পর কিশোরের খন্ডিত মরদেহ উদ্ধার, আটক ২

    নিখোঁজের সাতদিন পর পাবনার ঈশ্বরদীতে বাক্সের ভেতর থেকে তপু হোসেন (১৫) নামে এক কিশোরের অর্ধগলিত খন্ড বিখন্ড মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

    শনিবার (২২ জুন) বিকাল ৩টার দিকে পৌর শহরের মশুরিয়াপাড়া ক্যাপ্টেন খানের গলির অরন্য ছাত্রাবাসের ৩০৫ নং কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 

    নিহত তপু মশুরিয়াপাড়া এলাকার কাশেম হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় একটি ওয়ার্কশপে (কারখানায়) মিস্ত্রির সহকারি হিসেবে কাজ করতো। 

    এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ মশুরিয়াপাড়া এলাকার তরিকুল ইসলামের ছেলে আলিফ হোসেন (১৬) ও  মনিরুজ্জামান (২২) নামে দু’জনকে আটক করেছে।  

    তপুর চাচাতো ভাই রাজু হোসেন বলেন, গত ১৫ জুন তপু নিখোঁজ হয়। এরপর তপুর মোবাইল থেকে তার বাবা কাশেম হোসেনকে ফোন দিয়ে জানানো হয় তপুকে আটকে রাখা হয়েছে। ১০ হাজার টাকা পাঠালে তাকে ছেড়ে দেয়া হবে। কাশেম হোসেন ওই নম্বরে ১০ হাজার টাকা বিকাশে টাকা পাঠিয়ে দেয়। এরপর থেকে তপুর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। 

    শনিবার বিকাল ৩টার দিকে ছাত্রাবাসের কয়েকজন ছাত্র ঈদ শেষে ছাত্রাবাসে ফিরে ৩০৫ নম্বর কক্ষের সামনে গেলে দুর্গন্ধ বের হয়। এ সময় তারা ছাত্রাবাসের মালিক টিপু হোসনকে ডেকে আনেন। তারা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বাক্সের ভেতর থেকে তপু হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে।

    পাবনা পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সি বলেন, পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত করছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

    পুলিশ সুপার আরো বলেন, ধারণা করা হচ্ছে তপুকে হত্যার পর লাশ কয়েক টুকরা করে বাক্সের মধ্যে রেখেছিল দুর্বৃত্তরা। প্রাথমিকভাবে জড়িত সন্দেহে  দু'জনকে আটক করা হয়েছে। 

    পিএম


    পাবনায় সময় টিভির প্রতিনিধির বাড়িতে বিএনপি কর্মীদের হামলা-ভাংচুর

    ছাগল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাবনায় সময় টেলিভিশনের প্রতিনিধি সবুজ মোল্লার বাড়িতে দুই দফায় হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির কর্মীদের বিরুদ্ধে। 

    শুক্রবার (২১ জুন) সন্ধ্যা ও রাতে ঈশ্বরদী উপজেলার ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সাংবাদিক সবুজ মোল্লার ছোট ভাই ছুরিকাহত হয়েছেন। 

    সাংবাদিক সবুজ মোল্লার অভিযোগ, ঈদের পরদিন তার বাড়ি থেকে একটি ছাগল চুরি করে জয়নাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি। জয়নাল ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক বর্তমানে বিএনপি কর্মী সাগর হোসেন রনির চাচা।

    খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে জানা যায় জয়নাল হোসেন ছাগল চুরি করেছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় তার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি স্বীকার করে বলেন অমুকের বাড়িতে ছাগল আছে নিয়ে আয়। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জয়নাল হোসেন দেখে নেবার হুমকি দিয়ে চলে যায়। 

    সন্ধ্যার পর সাগর হোসেন রনির নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন বিএনপির কর্মী সাংবাদিক সবুজ মোল্লার বাড়িতে হামলা চালায়। এরপর রাত সাড়ে নয়টার দিকে আবারো হামলা ভাংচুর চালায় তারা। এ সময় গোয়ালঘর থেকে একটি গরু লুট করে নিয়ে যায় হামলাকারীরা। তাদের বাধা দিতে গেলে সাংবাদিক সবুজ মোল্লার ছোট ভাই ইমন মোল্লা (২০) কে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় তারা। পরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। 

    এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছে।  অভিযোগ দিলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

    এ বিষয়ে কথা বলার জন্য অভিযুক্ত সাগর হোসেন রনির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। 

    সাপের কামড়ে ১২ জন হাসপাতালে, আতঙ্কে সিলেটবাসী

    দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রাসেল ভাইপার বা চন্দ্রবোড়া সাপ নিয়ে ইতোমধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এদিকে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতিতে গত এক সপ্তাহে সাপের কামড়ে ১২ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।

    সিলেটের কোম্পানিগঞ্জ, গোয়াইঘাট ও জৈন্তাপুর উপজেলাতে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ ছিল। সাপের উপদ্রবও এই তিন উপজেলাতে বেশি বলে জানা গেছে। তবে সিলেটে এখন পর্যন্ত রাসেল ভাইপার সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছেন বলে কোনো রোগী পাওয়া যায়নি।

    ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ১৫ জুন থেকে শনিবার (২২ জুন) দুপুর পর্যন্ত ১২ জন রোগী বিভিন্ন প্রজাতির সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১১ জন রোগীই বিষহীন সাপের কামড়ে আক্রান্ত। তাদের চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    জৈন্তাপুর থেকে একজনকে কোবরা সাপের কামড়ে গুরুতর আহতাবস্থায় ২০ তারিখে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাকে আইসিউতে রাখা হয়েছে বলে জানা যায়।

    এদিকে রাসেল ভাইপারের খবর নিমিষেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ায়, বন্যার্ত এলাকাগুলোতে আতঙ্কে জেঁকে বসেছে। অনেকের ঘরের ভিতরেই পানি রয়ে গেছে, অনেকের ঘর থেকে পানি কেবল নামতে শুরু করেছে, অনেকের গবাদিপশুর খাবার সংগ্রহে পানিতে নামতে হচ্ছে। পানিবন্দি অবস্থায় এই আতঙ্ক তাদের কাছে ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সৌমিত্র চক্রবর্তী বলেন, সিলেটে রাসেল ভাইপার সাপের কামড়ে আক্রান্ত কোনো রোগী এখন পর্যন্ত আমাদের হাসপাতালে আসে নাই। আমাদের সিলেটে রাসেল ভাইপার নাই। এখন পর্যন্ত এই বন্যা পরিস্থিতিতে ১২ জন রোগী আমাদের এখানে এসেছেন। ১১ জনকে চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। অপর একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়, তিনি আইসিউতে রয়েছেন। আমরা আশা করি, তিনিও সুস্থ হয়ে ফিরবেন।

    তিনি সাপ নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে বন্যার্ত গ্রামগঞ্জের সবার উদ্দেশ্যে বলেন, সাপে কামড় দিলে রোগীকে সঙ্গে সঙ্গে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। আমাদের ওসমানী মেডিকেলসহ সিলেটের সবকটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সাপে কামড় রোগীর চিকিৎসা দিতে প্রস্তুত। তাই আতঙ্কিত না হয়ে সাপে কামড় দেওয়া রোগীকে দেশীয় কোনো চিকিৎসা দিতে গিয়ে বিলম্বিত না করে, সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে আসুন।

    সিলেট অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও কমেনি দুর্ভোগ

    বৃষ্টি কমায় উন্নতির পথে সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি। যদিও এখনো সুরমানদীর পাঁচ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়েই প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে এই অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড।

    এদিকে পরিবার নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন আশ্রয়কেন্দ্রের মানুষ। সিলেট শহরে সুরমা নদীর পানি কমে বর্তমানে বিপৎসীমার তিন সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে, অর্থাৎ ১০.৭৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিভিন্ন বাসা বাড়ি থেকে নামতে শুরু করেছে পানি। কিছু এলাকায় পানি কমে যাওয়ায় আশ্রয়কেন্দ্র থেকে অনেক পরিবার বাড়িতে চলে আসছেন।

    তবে সিলেট শহর এলাকার ড্রেন, ছড়া, খাল পরিষ্কার না থাকা এবং এক ড্রেনের সাথে অন্য ড্রেনের সংযোগ না থাকায় পানি নামছে না। ড্রেনের ময়লা উপরে উঠে এসে সৃষ্টি হয়েছে দুর্গন্ধময় পরিবেশের। বিভিন্ন বাসা বাড়িতে জমে আছে ময়লা পানি।

    পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, ১২ ঘণ্টায় সিলেট পয়েন্টে পানি কমেছে ১২ সেন্টিমিটার। এছাড়া, গত ১২ ঘণ্টায় সারি, গোয়াইন, ডাউকির মতো সীমান্ত নদীগুলোর পানি কমেছে ১০ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার। কমেছে কুশিয়ারা নদীর পানিও। তবে এখনও জেলার ৯ লাখেরও বেশি মানুষ পানিবন্দি। প্রায় ৪০০ আশ্রয়কেন্দ্রে ২৫ হাজার মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে।

    এদিকে সুনামগঞ্জেও বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে। বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কমছে নদ-নদী ও হাওরের পানি। গেলো ২৪ ঘণ্টায় বিপৎসীমার নিচে নেমেছে সুরমার পানি। বর্তমানে ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে শহরের বেশিরভাগ সড়ক ও ঘরবাড়ি থেকে নেমে গেছে বন্যার পানি। আশ্রয়কেন্দ্রে ছেড়ে নিজ ঘরে ফিরতে শুরু করেছে মানুষজন।

    এই পরিস্থিতিতে পানিবন্দী মানুষ খাদ্য সংকটে পড়েছেন। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানির অভাব দেখা দিয়েছে। তবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পানিবন্দি মানুষদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

    পিএম

    সিলেটে চিনি ছিনতাইয়ের ঘটনায় পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি গ্রেপ্তার

    সিলেটের বিয়ানীবাজারের বহুল আলোচিত ট্রাকভর্তি চারশ বস্তা চিনি ছিনতাইয়ের ঘটনায় পৌর ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সভাপতি আশরাফুল আলম শাকেলকে (২৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    শুক্রবার (২১ জুন) উপজেলার লাউতা ইউনিয়নের কালাইউরা গ্রামে অভিযান চালিয়ে পুলিশ থাকে গ্রেপ্তার করে।

    গ্রেপ্তারকৃত আশরাফুল আলম শাকেল পৌর এলাকার শ্রীধরা গ্রামের মৃত ছাইফুল আলমের ছেলে। এ নিয়ে শাকেল, তাহমিদসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিয়ানীবাজার থানার ওসি দেবদুলাল ধর।

    তিনি বলেন, চিনি ছিনতাইয়ের ঘটনায় সাকেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে রিমান্ডের আবেদন করে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ট্রাকভর্তি চিনি ছিনতাইয়ের ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার ও অবশিষ্ট ৩২০ বস্তা চিনি উদ্ধারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

    এর আগে এ ঘটনায় গত সোমবার ৮০ বস্তা চিনি ও একটি পিকআপ ভ্যান উদ্ধার এবং গত মঙ্গলবার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তারা হলেন- মো. লিটন মিয়া (২৬) এবং হাসান (২১)।

    প্রসঙ্গত, গত শনিবার (৮ জুন) ভোর ৬টার দিকে সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কের বিয়ানীবাজার অংশের চারখাই লালপুর এলাকায় সরকারি নিলাম থেকে কেনা বদরুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ীর ২৪ লাখ টাকার ৪০০ বস্তা চিনি ও চিনি বহনকারী একটি ট্রাক অস্ত্রের মুখে ছিনিয়ে নিয়ে যায় একদল দুর্বৃত্ত। এরপর থেকে সমগ্র উপজেলাজুড়ে শুরু হয় তোলপাড়। চিনি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় সর্বত্র তোলপাড় শুরু হলেও ঘটনার চারদিন পর ৪শ বস্তা চিনির বৈধ মালিক দাবি করা ব্যবসায়ী বদরুল ইসলাম থানা পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মামলার এজাহারে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৭/৮ জনকে আসামি করা হয়।

    পিএম


    বাকীতে বিড়ি না দেয়ায় সুনামগঞ্জে চুরিকাঘাতে যুবককে হত্যা

    বাকীতে বিড়ি না দেয়ায় চুরিকাঘাতে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা এমরান মিয়া (৩০)নামে এক যুবককে হত্যা করেছে প্রতিবেশী লিটন মিয়া। নিহত এমরান উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের হুসনারঘাট গ্রামের সাজিদ মিয়ার ছেলে।

    শুক্রবার (২১জুন) সকাল ৬ টার দিকে উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের হুসনারঘাট গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। 

    ঘটনার পর ঘাতক লিটন মিয়া(৩৫)পালিয়ে যাবার সময় পাতারগাও ইসলামপুর বাজারে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। সে নিহত এমরানের বাড়ির পাশের বাসিন্দা বিল্লাল মিয়ার ছেলে।

    এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি নাজিম উদ্দীন।

    সরজমিনে গিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে ও নিহতের পিতা জানায়,এমরানের বাড়িতে মোদি দোকানে তেল সাবানসহ বিভিন্ন  মালামাল বিক্রি করা হয়। সকালে ঘাতক লিটন মিয়া এমরানের বাড়িতে গিয়ে বাকীতে বিড়ি চাইলে নিহত এমরানের মা মাজেদা বেগম জানায় তর কাছে আগের বাকীর টাকা পাই তরে বাকীতে বিড়ি দেয়া জাইব না। এই কথা বলার পর ঘাতক লিটন ঝগড়া শুরু করলে বাড়ির ভেতর থেকে এমরান বেড় হয়ে লিটনকে বলে তুই কেন আমার মার সাথে ঝগড়া করতাছস বলার পর পরেই লিটন মিয়া পাশে নিজের বাড়ি থেকে দা ও চুরি এনে দা দিয়ে মাথায় আগাত করে পরে পেয়াজ কাটা ছুরি দিয়ে বুকে আগাত করলে সাথে সাথে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এসময় এমরানের মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে লিটন পালিয়ে যায়। পরে গুরুত্বর আহত এমরানকে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকগন তাকে মৃত ঘোষণা করে। 

    গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ চানঁ মিয়া জানান,লিটন খুবই খারাপ প্রকৃতির লোক,সে এর আগেও এলাকায় অনেককেই আঘাত করেছে। নিহত এমরানের বাবা চোখে দেখে না। তার ছোট ছোট তিনটি মেয়ে রয়েছে। তার স্ত্রী সন্তান সম্ভবা। এই ঘটনার নিহতের পরিবারে শোকে মাতম চলছে।

    নিহত এমরানের বাবা সাজিদ মিয়া জানান, আমার ছেলেকে যে হত্যা করেছে তার ফাঁসি দাবি করছি। যাতে করে আমার মত আর কোনো বাবা এভাবে সন্তানহারা হতে না হয়।

    তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি নাজিম উদ্দীন জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘাতককে আটককে আটক করা হয়েছে। হত্যার ব্যবহৃত দা ও চুরি উদ্ধার করা হয়েছে। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। 

    পিএম

    মৌলভীবাজারে বন্যার পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

    মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় বন্যার পানিতে ডুবে এক শিশু ও এক কিশোর মারা গেছে। বৃহস্পতিবার (২০জুন)  দুপুরে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের শ্যামেরকোনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলো, পশ্চিম শ্যামেরকোনা গ্রামের পচন মিয়ার ছেলে ছাদি মিয়া (৮) ও একই গ্রামের জমির মিয়ার ছেলে হৃদয় মিয়া (১৭)।  

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পচন মিয়ার ছেলে ছাদি মিয়া পানিতে খেলতে গিয়ে একপর্যায়ে সে নিচের দিকে তলিয়ে যায় এ সময় তাকে উদ্ধার করতে হৃদয় মিয়া পানিতে নামলে সেও স্রোতে তলিয়ে যেতে থাকে। পরবর্তীতে সেখানে উপস্থিত লোকজন তাদের উদ্ধার করেন।

    চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আকতার উদ্দিন ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আজ দুপুরে পানিতে খেলতে নেমে সাঁতার না জানার কারণে দুজনই ডুবে যায়। প্রতিবেশীরা এই ঘটনা দেখে দুজনকে পানি থেকে উদ্ধার করে নিজ  বাড়িতে নিয়ে আসে, এবং পরবর্তীতে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্য বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

    এ সময় নিহতদের স্বজনদের মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়, এবং পরবর্তীতে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।

    মৌলভীবাজার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (কে এম নজরুল ইসলাম) জানান, ঘটনার খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষনিক ছুটে যাই, গিয়ে দেখি স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন, সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। জেলায় বন্যায় আক্রান্ত হয়ে আর কোনো মৃত বা আহত রয়েছে কিনা তা জানতে চাইলে বলেন এখন পর্যন্ত এই দুই শিশুর মৃত্যুর খবরই পাওয়া গেছে, পরবর্তীতে এরকম কিছু ঘটলে জানা যাবে।

    উল্লেখ্য গত কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিপাতে মৌলভীবাজারের  কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদী ভেঙ্গে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের শ্যামেরকোনা সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

    এফএস

    অনলাইন ভোট

    আন্তর্জাতিক

    সব দেখুন
    রাশিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় অন্তত ১৫ পুলিশ নিহত
    রাশিয়ার উত্তর ককেশাসের দাগেস্তানে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ জন পুলিশ সদস্যসহ নিহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক।সোমবার (২৪ জুন) কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, রবিবার (২৩ জুন) রাশিয়ার দাগেস্তানের রাজধানী মাখাচকালা ও দেরবেন্ত শহরে সিরিজ হামলা চালায় একদল মুখোশধারী। এ হামলায় ১৫ জনেরও বেশি পুলিশ সদস্য এবং একজন অর্থোডক্স পুরোহিতসহ বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।  এসময় পাল্টা গুলিতে ছয় হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে।রাশিয়ার গণমাধ্যম বলছে, ইহুদিদের একটি উপাসনালয়, দুটি অর্থডোক্স গির্জা ও থানায় হামলা চালানো হয়। গুলির পর উপাসনালয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়। অনেককে জিম্মি করে রাখে বন্দুকধারীরা। খবর পেয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেয় রুশ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।পুলিশ বলছে, আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।আরইউ
    কুয়ালালামপুরে ১০ বাংলাদেশি আটক
    ১৬ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন বিভাগ। আটককৃতদের মধ্যে ১০ জন বাংলাদেশি রয়েছেন।শুক্রবার মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ রাজধানীর তামান মেলাটির একটি শপিং মলের ফুড কোর্টে অভিযান চালিয়ে ১৬ জন অবৈধ অভিবাসী এবং দুই স্থানীয় নাগরিককে আটক করে।আটককৃতদের মধ্যে ১০ জন বাংলাদেশি, ১ ইন্দোনেশিয়া, ১ ভারত , ১ পাকিস্তানি, তিনজন ইন্দোনেশিয়ান মহিলা রয়েছে। আটককৃতদের বয়স ২২ থেকে ৪৫ এর মধ্যে। এছাড়া দুইজন নিয়োগকর্তাকে আটক করা হয়েছে।কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশনের পরিচালক ওয়ান মোহাম্মদ সাউপি ওয়ান ইউসুফ বলেন, অভিযানের সময় ২৩ জন বিদেশি ও সাতজন স্থানীয়দের কাগজপত্র পরীক্ষা করে দেখা গেছে, ফুড কোর্টের প্রায় সব স্টলে অবৈধ অভিবাসীদের নিয়োগ করা হয়েছে।অভিযানের পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট অ্যাক্ট ১৯৬৬ এবং ইমিগ্রেশন রেগুলেশনস ১৯৬৩-এর অধীনে ডকুমেন্টেশন ও তদন্তের জন্য আটককৃতদের কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।ওয়ান মোহাম্মদ সাউপি প্রতিষ্ঠানের মালিক ও নিয়োগকর্তাদের সতর্ক করেছেন। যারা অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দিচ্ছে বা বৈধ নথি ছাড়া তাদের নিয়োগ বা থাকার অনুমতি দিচ্ছে এমন কারো সঙ্গে  ইমিগ্রেশন বিভাগ আপস করবে না বলে জানান তিনি।এমআর
    গাজায় রেড ক্রিসেন্ট দপ্তরের কাছে হামলা, নিহত ২২
       আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব রেড ক্রিসেন্টের (আইআরআইসি) দপ্তরের পাশে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ২২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ৪৫ জন।শুক্রবার (২১ জুন) সন্ধ্যাবেলার ইসরাইলের এই হামলায় আইসিআরসি কার্যালয়ের কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খবর  বিবিসির।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের সবাই ওই কার্যালয় চত্বরের আশপাশে আশ্রয় নিয়েছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় এই গোলা হামলা ঘটেছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে আইআরআইসি। সেই সঙ্গে আরও একবার গাজার বেসামরিক ও মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলোর কার্যালয়ে হামলা থেকে বিরত থাকতে গাজহায় যুদ্ধরত সব পক্ষকে আহ্বানও জানিয়েছে আইআরআইসি।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই কার্যালয় চত্বরের আশপাশে শত শত বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকে আমাদের সহকর্মীও ছিলেন। হতাহতদের রেড ক্রিসেন্ট ফিল্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় নিহত হয়েছেন ২২ জন এবং আহত হয়েছেন আরও ৪৫ জন। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর। এদিকে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) সংক্ষিপ্ত এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, এই হামলা ইসরাইলি সেনাবাহিনী ঘটায়নি। তবে একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ঘটনাটি তদন্ত করছে আইডিএফ।গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলি ভূখণ্ডে হামাস যোদ্ধাদের অতর্কিত হামলার পর ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে আইডিএফ, যা এখনো চলছে। আইডিএফের গত আট মাসের অভিযানে গাজায় নিহত হয়েছেন প্রায় ৩৮ হাজার ফিলিস্তিনি। এই নিহতদের শতকরা ৫৬ ভাগ নারী ও শিশু।এমএইচ
    ভারতে পুলিশের ঠিকানা ভুলে ৬ বছরেরও বেশি জেলবন্দি তিন বাংলাদেশি!
    পুলিশের সামান্য ভুলের কারণে ৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতে কারাগারে বন্দি বাংলাদেশের তিন বাসিন্দা। নূর আলম, আবদুল মুনাফ ও মহম্মদ রিদওয়ান। অবশেষে হাই কোর্টের হস্তক্ষেপে কাটতে চলেছে বন্দিদশা। অবিলম্বে এই তিন বন্দিকে দেশে ফেরানোর বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে উদ্যোগী হয়ে, ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। তাঁদের আশা এবার দেশে ফিরে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। তবে বন্দি অবস্থা থেকে তাঁরা মুক্তি পেলেও যে পুলিশের সামান্য ভুলের কারণে ৬ বছর কারাগারের অন্ধকারে কাটাতে হল এখন সেই পুলিশের শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা। কখনও খেত মজুর, কখনও দিন মজুরের কাজ করে দিন গুজরান হয়। তাও সেটা নিয়মিত নয়। আজ কাজ জোটে, তো দুদিন ঘরে বসে থাকতে হয়। এই রকম আধপেটা খাওয়া পরিবারে যেখানে সংসারই ঠিক মতো চলে না, সেখানে পাসপোর্ট তো বিলাসিতা। তাই অগত্যা কাঁটাতার পেরিয়ে কাজের সন্ধানে বাংলাদেশ থেকে ভারতের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল তিন বন্ধু। জানা গিয়েছে, তিনজনই বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার বাসিন্দা। এদিকে, পেটের দায়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে বেআইনি অনুপ্রবেশই কাল হল। যার জেরে ৬ বছর কারাগারে বন্দি তিন বাংলাদেশি।বিদেশমন্ত্রকের একটি সূত্র বলছে, এই বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের অধিকাংশই এদেশে ভালো জীবিকা এবং উন্নত জীবন যাত্রার খোঁজেই আসেন। বাংলাদেশে কোনও মতে জীবন ধারণ করে যখন আর কোনও উপায় দেখতে পান না, তখনই পেটের দায়ে ভারতে আসতে চান অধিকাংশ মানুষ। এই অবৈধ অনুপ্রবেশের সুযোগ এরাজ্যেই বেশি রয়েছে। প্রথমে বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গ, তার পর এরাজ্য থেকে প্রতিবেশী যে কোনও রাজ্যে কাজ ও মাথাগোঁজার ঠাঁই পাওয়া। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে যাঁরা ধরা পড়ে যান কয়েকমাস তাঁদের ঠিকানা হয় শ্রীঘরে। ঠিক তেমনটাই পরিকল্পনা ছিল নুর, আবদুল ও রিদওয়ানের ক্ষেত্রে। আর যারা বিএসএফের শত নজরদারির ফাঁক গলে বেরিয়ে আসতে পারেন, তাঁরা এদেশের যে কোনও রাজ্যে কাজ পেয়ে যান। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন, ভারত।মামলাকারীর আইনজীবী আফরিন বেগম জানান, “পেটের তাগিদে কাজের সন্ধানে এদেশে পাড়ি দিয়েছিলেন কক্সবাজারের বালুবাসা গ্রামের বাসিন্দা নুর আলম। সঙ্গী ছিলেন, তার অপর দুই বন্ধু কক্সবাজারের ঝিমংখালির বাসিন্দা আবদুল মুনাফ ও মোহাম্মদ রিদওয়ান।” আইনজীবীর দাবি, ২০১৭ সালের মার্চ মাসে তিনজনই পাড়ি দিয়েছিলেন বাংলাদেশ থেকে ভারতের উদ্দেশে। ২৯ মার্চ গভীর রাতে স্বরূপনগর থানা এলাকার কৈজুরী সীমান্ত দিয়ে বেআইনি অনুপ্রবেশের সময় বিএসএফের হাতে ধরা পড়েন। পর দিন ৩০ তারিখ তাঁদের স্বরূপনগর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। আইনজীবীর আরও দাবি, তাঁদের মতো বাংলাদেশিদের সঙ্গে কয়েকজন মায়ানমারের বাসিন্দাও সেদিন ধরা পড়ে ছিল। বসিরহাট আদালতে পুলিশের তরফে ভুলবশত তাঁদেরকে বাংলাদেশির পরিবর্তে মায়ানমারের বাসিন্দা বলে দাবি করা হয়। ওই বছর পুলিশের দেওয়া চার্জশিটেও পুলিশের তরফে একই দাবি করা হয়।মামলার কেস ডায়েরি ও আদালতে জমা দেওয়া পুলিশের তথ্যের ভুলই কাল হল। আদালতে কেন্দ্রের দাবি, ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে মায়ানমারে তাঁদের ঠিকানা খোঁজ করেও কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। যেখানে মায়ানমারের বাসিন্দার জায়গায় তাঁদের ঠিকানা বাংলাদেশ থাকলে ৯৫ দিনের মাথায় তাঁরা দেশে ফিরতে পারতেন, সেখানে তাঁদের দেশ মায়ানমার লেখা থাকায় এপর্যন্ত তাঁদের ঠিকানা হল দমদম সংশোধনাগার। শুধু মাত্র ঠিকানা ভুলের কারণে তাঁরা যে দেশে ফিরতে পারলেন না। ৬ বছর এদেশের কারাগারে বন্দি থাকলেন সে বিষয়ে আদালতকে আশ্বস্ত করে রাজ্য জানিয়েছে, তাদের দেশের ফেরানো যাবতীয় ব্যবস্থা করতে রাজ্য সদর্থক ভূমিকা নেবে।এফএস
    প্রেসিডেন্ট হলে বিদেশি গ্র্যাজুয়েটদের গ্রিন কার্ড দেবেন ট্রাম্প!
    পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে মার্কিন কলেজের বিদেশি গ্রাজুয়েট বা স্নাতকদের গ্রিন কার্ড দেয়ার কথা জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাচনের আগে দেশটির সাবেক এই প্রেসিডেন্টের এমন ঘোষণাকে ‘অপ্রত্যাশিত’ হিসেবেও দেখছেন কেউ কেউ। কারণ অভিবাসন বিষয়ে বরাবরই কঠোর অবস্থানের জন্য পরিচিত ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সিলিকন ভ্যালি টেক ইনভেস্টরদের সঙ্গে এক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে, যুক্তরাষ্ট্রে মেধাবীদের থাকার প্রক্রিয়া সহজ করার প্রতিশ্রুতি দেন ট্রাম্প। বলেন, মার্কিন কোনো কলেজ থেকে স্নাতক সম্পন্নকারীদের অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সুযোগ দেয়া উচিত।  চামাথ পালিহাপিটিয়া, জেসন ক্যালাকানিস, ডেভিড স্যাক্স এবং ডেভিড ফ্রাইডবার্গের হোস্ট করা অল-ইন ওই পডকাস্টে ট্রাম্প আরও বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক যে, আমরা হার্ভার্ড, এমআইটির মতো সেরা প্রতিষ্ঠান থেকে স্নাতক করা বিদেশিদের হারিয়ে ফেলি। ডিপ্লোমার অংশ হিসেবে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বিদেশি স্নাতকদের গ্রিন কার্ড পাওয়া উচিত বলেও মনে করেন ট্রাম্প। যাতে এসব গ্রাজুয়েট যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারে।  একটি গ্রিন কার্ড ব্যক্তিদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস এবং কাজ করার অধিকার দেয়। পাশাপাশি নাগরিকত্ব পাওয়ার পথও খুলে দেয়। এদিকে, নতুন এই প্রস্তাবের মাধ্যমে অভিবাসন ইস্যুতে নিজের কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির পাশাপাশি জনগণের কাছেও তার গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। এমএইচ
    এআই ডাক্তার নিয়ে চালু হলো বিশ্বের প্রথম হাসপাতাল
    চীনে চালু হয়েছে বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) পরিচালিত হাসপাতাল। দেশটির সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এই 'এজেন্ট হাসপাতাল'টি চালু করে।ভার্চুয়াল এ হাসপাতালটিতে ১৪ জন এআই ডাক্তার আছে। চারজন এআই নার্সও রয়েছে। এগুেলোকে বিশেষ লার্জ ল্যাংগুয়েজ মডেলে তৈরি করা হয়েছে।গবেষকদলের মতে, এআই চিকিৎসকরা মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে ১০ হাজার রোগীর চিকিৎসা করতে পারেন, যেটি করতে মানব চিকিৎসকদের কমপক্ষে দুই বছর সময় লাগত। বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত হাসপাতাল চালু হয়েছে চীনে। চীনের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা 'এজেন্ট হাসপাতাল' নামে এআই চালিত নতুন এ ভার্চুয়াল হাসপাতাল চালু করেছেন। এক্সপ্রেস ইউকের তথ্যানুযায়ী, ভার্চুয়াল এ হাসপাতালটিতে ১৪ জন এআই ডাক্তার এবং চারজন এআই নার্স রয়েছে, যাদের সবাইকে বিশেষ লার্জ ল্যাংগুয়েজ মডেল দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।গবেষকদলের মতে, এআই চিকিৎসকরা মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে ১০ হাজার রোগীর চিকিৎসা করার সক্ষমতা রাখেন, যেটি করতে মানব চিকিৎসকদের কমপক্ষে দুই বছর লাগবে।  এজেন্ট হাসপাতালের এআই ডাক্তাররা মার্কিন মেডিকেল লাইসেন্সিং পরীক্ষার মেডকিউএ ডেটাসেটে ৯৩.০৬ শতাংশ প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়েছে। এই উচ্চ নির্ভুলতার হার পরামর্শ দেয় যে এআই ডাক্তাররা চিকিৎসা প্রশ্নগুলো বোঝার এবং উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রে পারদর্শী এবং রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে তাদের সম্ভাব্য কার্যকারিতা প্রমাণ করে।গ্লোবাল টাইমসের এক প্রতিবেদনে এজেন্ট হাসপাতালের রিসার্চ টিম লিডার লিউ ইয়াং বলেন, 'এআই হাসপাতাল চিকিৎসক ও সাধারণ মানুষ উভয়ের জন্যই ব্যাপক উপকার বয়ে আনবে।'এআই হাসপাতালে চিকিৎসা তথ্যের একটি বৃহৎ ডাটাবেজ ব্যবহার করে চমৎকার, ব্যয়সাশ্রয়ী এবং সহজেই অ্যাক্সেসযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা পরিষেবা প্রদান করার ব্যাপক সম্ভাবনা রাখে। লিউ ইয়াং জানান, এআই হাসপাতালটি আসন্ন মহামারি প্রাদুর্ভাবের মতো চিকিৎসা পরিস্থিতির ভবিষ্যদ্বাণীও করতে সক্ষম। স্বাস্থ্যসেবায় ধীরে ধীরে এআই একটি অংশ হয়ে উঠছে। গত বছর যুক্তরাজ্যের এক গবেষণায় দেখা গেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা চালিত চোখের স্ক্যানগুলো মানুষের লক্ষণ দেখা দেওয়ার আগেই পারকিনসন রোগ শনাক্ত করতে পারে। ডং জিয়াহং বলেন, এআই স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সুনির্দিষ্ট এবং দক্ষ করে তোলার সক্ষমতা রাখলেও, এটি রোগীদের প্রতি মানব ডাক্তারদের সহানুভূতি প্রতিস্থাপন করতে পারে না।এমআর
    পুতিনকে কুকুর উপহার দিলেন কিম জং উন
    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে একজোড়া কুকুর উপহার দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। উত্তর কোরিয়ায় সফরে গেলে এই উপহার দেওয়া হয় পুতিনকে। আর দেশটিতে পুতিনের সফর নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে চলছে নানা বিশ্লেষণ। সূত্র: রয়টার্স।সফরের সময় কৌশলগত সামরিক চুক্তির পাশাপাশি পুতিন ও কিম জং উন একে অপরকে দিয়েছেন বেশ কিছু উপহারও।বৃহস্পতিবার (২০ জুন) কোরিয়ার সেন্ট্রাল টেলিভিশনে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, একটি বেড়ার মধ্যে আটকানো কুকুর দুইটির দিকে তাকিয়ে রয়েছেন পুতিন ও কিম। তাছাড়া কিম যখন একটি ঘোড়াকে গাজর খাওয়ান তখন পুতিন এটির মাথায় হাত বুলিয়ে দেন।গতকাল বুধবার (১৯ জুন) সকালের উত্তর কোরিয়া সফরে যান রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বিমানবন্দরে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিলেন কিম জং উন। পরে সেখানে পুতিনকে স্বাগত জানান কিম। ২৪ বছরের মধ্যে উত্তর কোরিয়ায় এটাই পুতিনের প্রথম সফর। ইউক্রেনে হামলার পর থেকে মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরালো হয়েছে। কারণ দুই দেশই পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে লড়ছে।এফএস
    লেবাননে সর্বাত্মক যুদ্ধের ঘোষণা ইসরাইলের, যা বললো হিজবুল্লাহ
    গাজায় আগ্রাসনের মধ্যেই লেবাননের সর্বাত্মক যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইসরাইল। বুধবার (১৯ জুন) ইরান সমর্থিত সংগঠন হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুতে হামলার অনুমোদন দিয়েছে তেল আবিব। এর জবাবে ইসরাইল ও তাদের ‘সহযোগী’ সাইপ্রাসকে হুমকি দিয়েছেন হিজবুল্লাহর মহাসচিব হাসান নাসরাল্লাহ। খবর সিএনএন’র। টানা আটমাসেরও বেশি সময় ধরে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় হামলা চালাচ্ছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। এতে এখন পর্যন্ত ৩৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন আর আহত হয়েছেন ৮৫ হাজারেরও বেশি। গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন শুরুর পরই লেবানন সীমান্তে সংঘাতে জড়িয়েছে হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলি সেনাবাহিনী। দফায় দফায় এ সংঘাতে ইসরাইলের ১৫ সেনা ও ১০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। আর ইসরাইলি হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন হিজবুল্লাহর ৩৪৩ সদস্য। চলমান এই উত্তেজনার মধ্যেই মঙ্গলবার (১৮ জুন) ইসরাইলের তৃতীয় বৃহত্তম হাইফা শহরে হামলার হুমকি দেয় হিজবুল্লাহ। এমনকি তারা একটি পর্যবেক্ষণ ড্রোনও উড়ায়। এর পরপরই হিজবুল্লাহকে ‘ধ্বংস’ করতে লেবাননে সর্বাত্মক যুদ্ধের ঘোষণা দেয় তেল আবিব। এতে অনুমোদন দিয়েছেন আইডিএফের নর্দার্ন কমান্ড মেজর জেনারেল ওরি গর্ডিন ও অপারেশন ডিরেক্টরেটের মেজর জেনারেল ওদেদ বাসিউক।   ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, গত ৭ অক্টোবর ইসরাইল ভূখণ্ডে হামাসের হামলার পর তাদের সীমান্তে হিজবুল্লাহর উপস্থিতি সহ্য করবে না তারা। ইসরাইলের এ হুমকির জবাবে বুধববার এক টেলিভিশন ভাষণে হিজবুল্লাহর মহাসচিব হাসান নাসরাল্লাহ বলেন,  যুদ্ধ শুরু হলে ইসরায়েলের কোনো জায়গাই নিরাপদ রাখা হবে না। হামলা হতে পারে সবখানে।  তিনি আরও বলেন, ‘সাইপ্রাস তাদের সাহায্য করছে। তারা তাদের বিমানবন্দর ও বিভিন্ন ঘাঁটি ব্যবহার করতে দিচ্ছে ইসরাইলকে। তাই তারাও হামলা থেকে রেহাই পাবে না।’এমএইচ
    সৌদিতে মৃত হজযাত্রীর সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়েছে, নিখোঁজ অনেকে
    তীব্র তাপপ্রবাহ ও অসহনীয় গরমে চলতি বছরের হজের শুরু থেকে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৯২২ জন হাজীর। মৃতদের অধিকাংশই মিসরের নাগরিক। এছাড়াও, বহু সংখ্যক হজযাত্রীর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।সৌদির সরকারি প্রশাসন, মক্কার বিভিন্ন হাসপাতাল এবং সৌদির বিভিন্ন দেশের দূতাবাস এই  তথ্য নিশ্চিত করেছে।মক্কার প্রশাসনসূত্রে জানা গেছে, হজের শুরু থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৬০০ মিসরীয় হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। মিসরের বাইরে জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সেনেগাল, তিউনিসিয়া, বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকরাও রয়েছেন মৃত হজযাত্রীদের তালিকায়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এবার হজ করতে মক্কায় গিয়ে মারা গেছেন ৩০ জন বাংলাদেশি।যেসব হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে, তাদের একটি বড় অংশই অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করেছিলেন বলে জানিয়েছে দেশটির প্রশাসন।চলতি বছর হজ শুরু হয়েছে গত ১৪ জুন থেকে। সৌদির আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহ ধরে মক্কার তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। সোমবার মক্কার তাপমাত্রা ছিল ৫১ দশমিক ৮ডিগ্রি সেলসিয়াস।বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৮ লাখ হজযাত্রী এবার হজ করতে সৌদি এসেছেন। বিদেশি হজযাত্রীদের অনেকেই মক্কার তীব্র গরমে অভ্যস্ত নন। তাছাড়া এই হজযাত্রীদের মধ্যে এমন হাজার হাজার যাত্রী রয়েছেন, যারা বিধি মেনে সৌদিতে আসেননি। ফলে প্রখর তাপপ্রবাহ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে যাত্রীদের জন্য যেসব সুবিধা ও পরিষেবা বরাদ্দ করেছে সৌদির সরকার, সেসব তারা পাচ্ছেন না। অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করা এই হজযাত্রীরা এমনকি থাকা, খাওয়া এবং এয়ার কন্ডিশন সুবিধাও পাচ্ছেন না। এছাড়া হজের বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন বহুসংখ্যক যাত্রী। এই গরমে নিরাপদ আশ্রয়ের বাইরে থাকা এই হজযাত্রীদের সবাই বেঁচে আছেন এমন নিশ্চয়তা নেই। তাই সামনের দিনগুলোতে মৃত হজযাত্রীদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
    ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছেন বাইডেন
    যুক্তরাষ্ট্রে আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে পাঁচ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিতে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। অবৈধ অভিবাসী স্বামী-স্ত্রীকে বৈধতার লক্ষ্যে আবেদন করার জন্য একটি ‘প্যারোল ইন প্লেস’ পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে হোয়াইট হাউস।হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, যারা কমপক্ষে ১০ বছর ধরে আমেরিকায় রয়েছেন, তাদের জন্য এই প্রক্রিয়া প্রযোজ্য হবে। একই সঙ্গে বৈধভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার অনুমতি পাবেন তারা। তবে কীভাবে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে তা এখনো পরিষ্কার নয়।হোয়াইট হাউস মঙ্গলবার (১৮ জুন) ঘোষণা করেছে, বাইডেন প্রশাসন আগামী মাসগুলোতে মার্কিন নাগরিকদের নির্দিষ্ট কিছু স্বামী-স্ত্রীকে বৈধতা ছাড়াই স্থায়ী বসবাস এবং এরপর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার অনুমতি দেবে। মার্কিন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মতে, এর সংখ্যা পাঁচ লাখ হতে পারে।  ওবামা প্রশাসন ২০১২ সালে ‘ডেফার্ড অ্যাকশন ফর চাইল্ডহুড অ্যারাইভাল’ বা ‘ডাকা’ ঘোষণা করার পর এটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ত্রাণ কর্মসূচি বলা বিবেচনা করা হচ্ছে। হোয়াইট হাউসের ধারণা, এর মাধ্যমে মার্কিন নাগরিকদের পাঁচ লাখেরও বেশি স্বামী-–স্ত্রী উপকৃত হবেন। এই ছাড়া ২১ বছরের কম বয়সী ৫০ হাজার যুবকও বৈধতা পাবেন। যাঁদের বাবা-মায়ের একজন আমেরিকান নাগরিকের সঙ্গে বিবাহিত। ইমিগ্রেশন অ্যাডভোকেসি গ্রুপগুলোর তথ্য অনুসারে মার্কিন নাগরিকদের প্রায় ১১ লাখ স্বামী-স্ত্রী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাস করছেন। গ্রুপগুলো বলেছে, তাদেরকে নাগরিকত্ব দেয়া হলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে ১৬ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত বরাদ্দ দিতে হবে।বৃহত্তর অভিবাসন সংস্কার প্যাকেজের অংশ হিসাবে লাখ লাখ অবৈধ অভিবাসীর নাগরিকত্ব দেওয়ার ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট বাইডেন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বিবেচনা করছেন। এই বছরের শুরুর দিকে সিনেটে উত্থাপিত একটি পৃথক বিল প্রশাসনের সমর্থন অর্জন লাভ করেছিল। কিন্তু তা পাস করা সম্ভব হয়নি রিপাবলিকানদের কারণে।ইতোমধ্যেই রিপাবলিকানরা অভিযোগ করেছে, প্রেসিডেন্ট তাঁর ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। নভেম্বরে আসন্ন নির্বাচনে এই ধরনের পদক্ষেপ কী প্রভাব ফেলতে পারে, তা স্পষ্ট নয়। তবে তার প্রচারকারীরা আশা করেন, প্যারোল সম্প্রসারণ তাকে অ্যারিজোনা ও নেভাদার মতো সুইং রাজ্যে ভোটের ব্যাপারে সাহায্য করবে।প্রেসিডেন্ট বাইডেন ৪ জুন মঙ্গলবার ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিবাসনের বিষয়ে আরও উদার পদক্ষেপ সামনের সপ্তাহগুলোতে আসতে পারে। গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট বাইডেন দক্ষিণ সীমান্তে অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয়ের ব্যাপারে একটি নির্বাহী আদেশ ঘোষণা করেন। এই নির্বাহী আদেশ এখনো সীমান্তে অবৈধ অভিবাসীদের সীমান্ত ক্রসিংয়ের অনুমতি মেলেনি।এই আদেশ কিছু আইন প্রণেতাদের নিন্দা এবং নাগরিক অধিকার গোষ্ঠীগুলোর কাছ থেকে তাৎক্ষণিক মামলার হুমকিসহ শুধু এটি একটি উদার ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।৪ জুন মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, ‘আজ আমি সীমান্ত সুরক্ষিত করার জন্য আমাদের কী করতে হবে, তা নিয়ে কথা বলেছি। সামনের সপ্তাহগুলোতে আমি কীভাবে আমাদের অভিবাসন ব্যবস্থাকে আরও ন্যায্য এবং আরও ন্যায়সঙ্গত করতে পারি তা নিয়ে কথা বলব।’এ প্রসঙ্গে হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা আগেই বলেছি প্রশাসন নীতিগত বিকল্প পথ খুঁজছে এবং আমরা ভঙ্গুর অভিবাসন ব্যবস্থার সুরাহার জন্য পদক্ষেপ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্যারোল আরও বিস্তৃতভাবে বাইডেন প্রশাসনের মাধ্যমে সিবিপি ওয়ান অ্যাপ ব্যবহার করে পোর্টের মাধ্যমে দিনে ১ হাজার ৫শ’ জনের বেশি এবং সেই সঙ্গে কিউবা, হাইতি, নিকারাগুয়া ও ভেনিজুয়েলার নাগরিকদের জন্য একই প্রক্রিয়ায় মাসে ৩০ হাজার জনকে আসার সুযোগ দেওয়া হবে।’এমআর

    বিনোদন

    সব দেখুন
    আমাদের তো প্রতিদিন কথা হয়, তাহসান প্রসঙ্গে মিথিলা
    একে অপরকে ভালোবেসে বিয়ে করেও সংসার জীবনে স্থায়ী হতে পারেননি শোবিজাঙ্গনের তারকা দম্পতি অভিনেতা তাহসান খান ও অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। ২০০৬ সালে বিয়ের প্রায় ১১ বছরের সংসার জীবনের সমাপ্তি ঘটে ২০১৭ সালে। তাহসানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরে কলকাতার চলচ্চিত্র নির্মাতা সৃজিতের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন মিথিলা। তাও হয়ে গেল পাঁচ বছর। এরপর বিগত বছরগুলোতে কখনো একমঞ্চে, একসঙ্গে দেখা যায়নি একসময়ের জনপ্রিয় এই সাবেক তারকা দম্পতিকে।  তবে সম্প্রতি একটি ওয়েব সিরিজে একসঙ্গে কাজ করেছেন তাহসান-মিথিলা। ‘বাজি’ নামের ওই ওয়েব সিরিজের ট্রেলার মুক্তির দিনে একমঞ্চে হাজির হয়েছিলেন প্রাক্তন এই জুটি। কথা বলেছেন নিজেদের অভিনয় প্রসঙ্গে। প্রশংসা করেছেন একে অন্যের। এরপরই তাহসান-মিথিলাকে নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে ভক্তদের মাঝে। বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হয়েছে অভিনেত্রীর। সম্প্রতি ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিথিলা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন পরে একসঙ্গে কাজ করলেও নিজেদের মাঝে যোগাযোগটা ছিল। সেটাও একমাত্র মেয়ে আয়রার কথা চিন্তা করেই। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের দৈনিক আনন্দবাজারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিথিলা বলেন, ‘২০১৬ সালে পরে আমরা আর কাজ করিনি। ২০১৭ সালে আমাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এত বছর বাদে কাজ করলাম, লোকে আবার অনেক কথা বলতে শুরু করল। কী রকম কথাবার্তা শুনতে হচ্ছে, সেটাও পরিষ্কার করেছেন অভিনেত্রী। মিথিলার কথায়, ‘কী আর? টাকার জন্য মিথিলা-তাহসান একসঙ্গে কাজ করল, অথচ বাচ্চার জন্য একসঙ্গে থাকতে পারল না! লোকে তো জানেই না আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কের কথা। আমরা খুব ভাল আছি। আমাদের যখন বিচ্ছেদ হয়, আয়রার তখন এক বছর বয়স। ওকে নিয়ে সব জায়গায় ঘুরেছি। বাড়ির সাহায্য পেয়েছি। তাহসানের কাছে বাচ্চাকে রেখে বাইরে গিয়েছি। কর্মসূত্রে যখন বাইরে যাচ্ছি, তখনও আমি আয়রাকে সঙ্গে নিয়ে গেলে কাজের জায়গা থেকে ওরা আপত্তি করেনি।’মিথিলা জানান, বিচ্ছেদ হলেও তাহসানের সঙ্গে প্রতিদিনেই কথা হয় তার। অভিনেত্রী বলেন, আফ্রিকায় একটা কথা আছে, ‘একটা বাচ্চাকে বড় করতে পুরো গ্রামের প্রয়োজন’। এটাই সত্যি। আমি বলতে চাইছি, বাচ্চা মানুষ করার ক্ষেত্রে দাদু-ঠাকুরমা, শাশুড়ি, বন্ধু সকলকে দরকার। আমার ঢাকায় চলে যাওয়ার এটাই মূল কারণ ছিল, মেয়েকে পরিবার দেওয়া। দর্শক ভাবছে, ২০১৬-এর পরে ২০২৪-এ মিথিলা আর তাহসানের দেখা হরলো। এটা তো নয়, আমাদের তো প্রতিদিন কথা হয়। ব্যাপারটা এরকম নয় যে বহু বছর পরে দু’জনের দেখা, পিছনে গান বাজছে। মিথিলার কাছে প্রশ্ন করা হয়, বিবাহবিচ্ছেদের পরও সম্পর্ক রাখা কি স্বাভাবিক? জবাবে অভিনেত্রী বলেন, ‘সব সম্পর্কে বন্ধুত্ব নাও থাকতে পারে। কিন্তু সন্তান থাকলে তার স্বার্থ আগে দেখতে হবে। সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য আমার কাছে সবার আগে। এটাই উচিত।’মিথিলা আরও বলেন, ‘আমি আয়রাকে দেখতে পেলাম না। আমি আর তাহসান লড়াই করলাম, এই ইগোর যুদ্ধে তো বাচ্চার ক্ষতি হবে। আমি আর তাহসান চৌদ্দ বছর একসঙ্গে থেকেছি। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমাদের আলাপ। দু’জন দু’জনকে ভালো করে জানি। আয়রা আমাদের দু’জনের কাছে সবার আগে।’ বলেন মিথিলা।এবি 
    জায়েদ খানের সঙ্গে সিনেমায় কাজ করতে চান টয়া
    ঢাকাই সিনেমার আলোচিত-সমালোচিত নায়ক জায়েদ খান। ক্যারিয়ারে ব্যবসাসফল কোনো সিনেমা না থাকলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ চর্চিত এক নাম চিত্রনায়ক জায়েদ খান। কেউ কেউ তো তাঁকে ডিগবাজি নায়ক বলেও সম্বোধন করেন। আবার কেউ কেউ আবার তাকে বাংলাদেশের ফ্লপ তারকার খ্যাতি দিয়েছেন। তার অভিনয়, সংলাপ, নাচ, শারীরিক ভাষা সবকিছু নিয়েই সমালোচনা করেন নেটিজেনরা। তবুও এসবে ভ্রুক্ষেপ নেই এ অভিনেতার। বিভিন্ন কারিশমায় সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।বর্তমানে এই নায়ক দেশের বাইরে নানা স্টেজ শো নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। জায়েদ খানের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে নেটিজেনরা হাসি-ঠাট্টা করেন নিয়মিত। তাই তার সঙ্গে কাজ করতে অনেক শোবিজ তারকার অনীহা, এমনকি তার ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতেও আগ্রহ প্রকাশ করেন না অনেকে। তবে এদিক থেকে ব্যতিক্রম দেখা গেল ছোটপর্দার মডেল ও অভিনেত্রী মুমতাহিনা চৌধুরী টয়াকে। এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে বলেছেন, জায়েদ খানের সঙ্গে তিনি সিনেমায় কাজ করতে চান! টয়া বলেন, ‘দেখুন, সবাই তার ফানি পার্ট সম্পর্কেই জানেন। কিন্তু তার এমনও দিক থাকতে পারে যেটা এখনো কেউ বের করে আনতে পারেনি। একটি ভালো গল্পে তার মতো করে কোনো চরিত্র তৈরি করে একজন ভালো ডিরেক্টর যদি কাজ করেন, তাহলে তিনিও দারুণ করবেন বলে আমার ধারণা। কারণ, তিনি এরইমধ্যে অনেক কাজ করেছেন, অভিজ্ঞতাও অনেক। তাহলে কেন তাকে দিয়ে হবে না? এ ধরনের প্রজেক্টে আমাকে কোনো ভালো চরিত্র দিলে আমি অবশ্যই কাজ করতে চাই।’তিনি আরও বলেন, ‘অভিনয়শিল্পী কিন্তু ভালো গল্প ও চরিত্র খোঁজেন। আমরা কখনোই খুঁজি না যে, কার সঙ্গে কাজ করছি, কে কেমন দেখতে। ওভাবে খুঁজতে গেলে তো কাজই করা কঠিন হয়ে যাবে। আর আমি মনে করি, যাকে যে ধরনের কাজে সুইটেবল মনে হবে তাকে দিয়েই কাজটা করান হোক। এতে করে সবাই কাজ করার সুযোগ পাবে। দর্শকও ভ্যারিয়েশন পেয়ে খুশি হবেন।’এদিকে জায়েদ খান বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থান করছেন। সেখানকার আজমান শহরে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন তিনি। ‘বাংলা কার্নিভাল’ নামে এ অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছেন চিত্রনির্মাতা অনন্য মামুন। অনুষ্ঠান শেষে আজই দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন জায়েদ খান।এবি 
    এবার বিয়ে করলেন নাদিয়া, জানা গেল বরের পরিচয়
    ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সালহা খানম নাদিয়ার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে শুক্রবার (২১ জুন)। পারিবারিক আয়োজনে বিনোদন অঙ্গনের সালমান আরাফাতকে বিয়ে করেছেন তিনি। জানা গেছে, সালমান আরাফাতও বিনোদন অঙ্গনে কাজ করেন। তিনি নাটক ও বিজ্ঞানপচিত্রে নিয়মিত কাজ করেন। বিয়ের পর নাদিয়া তাঁর ফেসবুক প্রোফাইল ও কভার ফটো বদলে ফেলেছেন। সাদা শুভ্র পোশাকে বিয়ের সাজে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেই বিয়ের খবর নিশ্চিত করেছেন নাদিয়া। খবরটি নিশ্চিত করে একাধিক ছবি পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। ছবিতে দুই পরিবারের উপস্থিতি টের পাওয়া গেছে। কিন্তু শোবিজ কিংবা তার কাছের কোনো সহকর্মীকে বিয়ের মঞ্চে দেখা যায়নি।প্রথম ছবিতে বিয়ের মঞ্চে বরের মুখোমুখি বসে থাকতে দেখা যায় নাদিয়াকে। ছবিটির ক্যাপশনে অভিনেত্রী লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ! একইভাবে নাদিয়ার বরও দুজনের ছবিটি শেয়ার করে লিখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ।’ নবদম্পতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা। সেখানে অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণকেও অভিনন্দন জানাতে দেখা যায়। এছাড়াও মডেল অন্তু করিম, অভিনেতা মুকিত জাকারিয়া, অভিনেত্রী শাহনাজ খুশি, মনিরা খান মিঠুসহ শোবিজ অঙ্গনের অনেককেই নাদিয়া ও সালমানকে শুভেচ্ছা জানাতে দেখা যায়। মন্তব্যঘরে পরিচালক চয়নিকা চৌধুরী লিখেছেন, ‘অনেক শুভকামনা।’   সালহা খানম নাদিয়া বিজ্ঞাপন আর নাটকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন। ‘ড্রেসিং টেবিল’, ‘আইসক্রিম’ ও ‘রেডরাম’-এ দেখা গেছে তাকে। এ ছাড়া ওপার বাংলায় কাজ করেছেন ‘সুনেত্রা সুন্দরম’ নামের একটি চলচ্চিত্রে। নাদিয়ার বর সালমান আরাফাতও বিনোদন অঙ্গনে কাজ করেন। তিনি নাটক ও বিজ্ঞানপচিত্রে নিয়মিত কাজ করছেন। সালমান আরাফাতের ফেসবুক থেকে জানা গেছে, তিনি ফরিদপুরের বাসিন্দা। সেখান থেকেই স্কুল কলেজের গণ্ডি পার করে রাজধানীতে পড়াশোনা শেষ করেছেন।এমএইচ 
    ৯ টাকা দেনমোহরের রহস্য ফাঁস করলেন অভিনেত্রী চমক!
    ঈদের পর যেন বিনোদন অঙ্গনে বিয়ের ধুম পড়েছে। কয়েকদিন ধরেই ফেসবুকে বিয়ের ইঙ্গিত দিয়ে যাচ্ছিলেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক। প্রথমে আংটিবদলের ছবি পোস্ট করার পর গায়ে হলুদ পরে বিয়ের খবর নিশ্চিত করেছেন তিনি। মাত্র ৯ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করে সবাইকে চমকেও দিয়েছেন চমক। গত সোমবার (১৭ জুন) লাল পোশাকে আংটিবদলের ছবি পোস্ট করেন অভিনেত্রী। এরপর ফেসবুকে গায়ে হলুদের ছবি শেয়ার করে চমক লিখেছিলেন, ‘আজ কন্যার গায়ে হলুদ, কাল কন্যার বিয়া।’  গত শুক্রবার (২১ জুন) হবু স্বামীর সঙ্গে দুটি ছবি প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘তাহার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ।’সেই ধারাবাহিকতায় এবার চমকের পরনে লাল টুকটুকে শাড়ি আর বরের সাদা পাঞ্জাবিতে দেখা গেছে কোনো এক মাদরাসায়। সেখানেই সাদামাটা আয়োজনে বিয়ে সেরেছেন তারা। জানা গেছে, বিয়েতে মাত্র ৯ টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয়েছে চমকের ইচ্ছাতেই।শনিবার সামাজিক মাধ্যমে চমক লিখেছেন, ‘আমার জন্ম তারিখ ৯, তাই সংখ্যাটি আমার লাকি নাম্বার। সে কারণে মাত্র ৯ টাকা দেনমোহরে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, অর্থ কখনও দাম্পত্য জীবনের ভিত্তি হতে পারে না। আমরা এটাও বিশ্বাস করি, আমাদের ভালোবাসা কিংবা একসঙ্গে থাকার হিসাবটা টাকা দিয়ে কখনও পরিমাপ করা যাবে না।’তিনি আরও লিখেছেন, ‘খুবই সাদামাটাভাবে বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। ভালো মনের মানুষদের নিয়েই এই আয়োজন। মাদরাসার বাচ্চাদের সঙ্গে দারুণভাবে সবকিছু হয়েছে। তাদের সঙ্গে খাবার খেয়েছি আমরা। আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে অসংখ্য ভালোবাসা রইলো।’ সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা গেছে, চমকের হবু বরের নাম আজমান নাসির। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। ব্যবসার পাশাপাশি চমকের সঙ্গে ‘দ্য লাস্ট হানিমুন’ নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি।   ২০১৭ সালে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৭’ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় রানারআপ নির্বাচিত হন চমক। বর্তমানে ছোটপর্দাসহ ওটিটিতে কাজ করছেন চমক।এমএইচ

    অর্থ-বাণিজ্য

    সব দেখুন
    বাংলাদেশকে ৯০ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক
    বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীল প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে নতুন করে ৯০ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক। শুক্রবার (২১ জুন) আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাটির বোর্ড অব এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টরস এই সহায়তার অনুমোদন দিয়েছে।শনিবার (২২ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশের রাজস্ব ও আর্থিক খাতের নীতিমালা জোরদার করতে এবং নগর অবকাঠামো উন্নয়ন ব্যবস্থাপনায় ৯০০ মিলিয়ন (৯০ কোটি) মার্কিন ডলার দেয়া হবে, যাতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়।বাংলাদেশ ও ভুটানে বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি আব্দুলাই সেখ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলে টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন ও সক্ষমতা জোরদার করতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বড় ধরনের সংস্কার বাংলাদেশের জন্য সহায়ক হবে।উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জনে নতুন এই অর্থনৈতিক কার্যক্রম দুটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে—অর্থনৈতিক খাত ও নগর ব্যবস্থাপনা—বাংলাদেশকে সহায়তা করবে, যোগ করেন তিনি। রাজস্ব ও অর্থনৈতিক খাতের সংস্কারে সহায়তা করতে দ্য সেকেন্ড রিকভারি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ডেভেলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট বাংলাদেশকে টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার পাশিপাশি জলবায়ু পরিবর্তনসহ ভবিষ্যতে বিভিন্ন অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলাতে সহায়তা করবে।বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, নতুন এই কর্মসূচি বাণিজ্যিক কর থেকে ভোক্তা ও আয়করের দিকে যাওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সহায়ক হবে। এতে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণে প্রতিযোগিতা বাড়াতে ও প্রস্তুতি নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ বার্নার্ড হ্যাভেন বলেন, যারা আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে আছেন, অর্থনীতিতে তাদের প্রবেশ সহজবোধ্য করতে এবং বিনিয়োগ বাড়াতে বাংলাদেশের জন্য একটি ভালো ও কার্যক্রর অর্থনৈতিক খাত গুরুত্বপূর্ণ। আর্থিক খাতকে শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ একটি নতুন আইনি কাঠামো নিয়েছে এবং বাহ্যিক ভারসাম্যহীনতা দূর করতে সামষ্টিক অর্থনৈতিক সংস্কারেও জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।এমএইচ
    গরুর বিশেষ অঙ্গের চাহিদা বেড়েছে কানাডা, আমেরিকা, জাপানে
    গরুর বিশেষ অঙ্গ রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছেন দেশের তরুণ উদ্যোক্তারা। আমেরিকা, কানাডা, কোরিয়া, চীন ও হংকংসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে এই অঙ্গ। কানাডা, আমেরিকা, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া গরুর পিজলের (পেনিস) চাহিদা বেশ।এসব দেশে এক টন শুকনো পিজলের দাম ২০ হাজার ডলার। মূলত এগুলো দিয়ে তৈরি হয় উন্নত মানের স্যুপ ও সালাদ। যা দেশগুলোতে বেশ জনপ্রিয়। এবার পিজল বা পেনিস সংগ্রহ হবে ১০০ টন।আশরাফ উদ্দিন আকাশ ছাড়াও হাজারীবাগে সড়কের পাশে এবারও বসেছে কিছু দোকান। গরুর পিজল সংগ্রহ করছিলেন তারা। প্রতিটা পেনিস মানভেদে ৬০-১০০ টাকায় সংগ্রহ করছেন তারা। এগুলো সংগ্রহের পর চট্টগ্রামের রপ্তানিকারকের হাতে তুলে দিয়ে ভালো টাকা আয় করেন।তারা জানান, এগুলো সাধারণত মানুষ ফেলে দেয়। কিন্তু আমাদের কাছে দিলে ভালো টাকা পাওয়া যায়। এখন একটা ছাগলের চামড়া কেউ কিনতে চায় না। অথচ গরুর পেনিস ১০০ টাকা দিয়ে আমরা কিনছি। তাই সবাইকে বলবো চামড়ার মতো করেই গরুর পেনিস সংগ্রহ করে আমাদের কাছে বিক্রি করুন। এতে করে বাংলাদেশও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করবে, আমাদেরও কিছু টাকা আয় হবে। এবার পিজলের চাহিদা অনেক।চট্টগ্রামের এমএস সুমন ট্রেডার্সের মালিক মোহাম্মদ সুমন একটি গণমাধ্যমকে জানান, মানুষ এখন অনেক সচেতন। তাই পিজল সংগ্রহ ভালো হচ্ছে। এবার আশা করছি ৫০০ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা আয় হবে। বিদেশে এগুলোর খুব চাহিদা। কানাডা-আমেরিকায় পিজলের চাহিদা রয়েছে। সারাদেশে ১০ হাজার পরিবার এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।তিনি বলেন, এগুলো সংগ্রহ করে আমাদের কাছে বিক্রি করুন।এফএস
    পেঁয়াজ কাঁচা মরিচের দাম চড়া, কমেছে মুরগির দাম
    দুয়ারে করা নাড়ছে কোরবানির ঈদ। ক্রেতা সাধারণের চোখ এখন পশুর হাটের দিকে। সেই সুবাদে দীর্ঘদিন পর স্বস্তির বাতাস মুরগির বাজারে। দুইশ টাকার নিচে নেমে এসেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। তাল মিলিয়ে দাম কমেছে অন্যান্য জাতের মুরগিরও। তবে কোরবানি সামনে রেখে কাঁচাবাজারে ঝাঁজ ছড়াচ্ছে পেঁয়াজ-কাঁচামরিচ। দামে লম্বা লাফ দিয়েছে শশা-টমেটোও।শুক্রবার (১৪ জুন) কারওয়ান বাজার, মিরপুর কাঁচাবাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, কেজিপ্রতি ১৮০-১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার মুরগি। দুদিন আগেও যা বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকার ওপরে। এছাড়া ৩০০-৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনালী জাতের মুরগি। লেয়ার মুরগি লাল ৩০০-৩২০ টাকা, সাদা ২৬০-২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে দেশি মুরগি এখনও বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকার ওপরে।তবে ঈদকে কেন্দ্র করে অস্থির হয়ে উঠেছে কাঁচাবাজার। বিশেষ করে ক্রেতা সাধারণের কপালে ভাঁজ পড়ছে শশা-টমেটোর দাম শুনে। প্রতি কেজি শশার জন্য ২০০ টাকা চাচ্ছেন বিক্রেতারা। টমেটোর কেজি চাওয়া হচ্ছে ১৬০-১৮০ টাকা। এক লাফে ডাবল সেঞ্চুরি হয়েছে কাঁচামরিচের দামেও। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকার বেশি দামে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন পর আবার ১০০ টাকা ছাড়িয়েছে পেঁয়াজের দাম।এ ছাড়া গত সপ্তাহের মতোই ৬০ টাকার নিচে মিলছে না তেমন কোনো সবজিই। প্রতি কেজি লম্বা বেগুন ৬০-৭০ টাকা, গোল বেগুন ৭০-৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০-৮০ টাকা, সাইজভেদে লাউ ৬০-৮০ টাকা, ছোট সাইজের মিষ্টি কুমড়া ১০০-১২০ টাকা, জালি ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। কাঁচা কলা ডজনপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। তবে, করল্লা, পটল, ঢেঁড়শ ও পেঁপের দাম আছে ৪০-৫০ টাকার মধ্যে।মাছের বাজারও আছে আগের সপ্তাহের মতোই। সাইজ ভেদে প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২০০-২৩০ ও পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে রাজধানীর বাজারগুলোতে। চাষের রুই, কাতলা ও মৃগেল মাছের দাম প্রতি কেজি ২৮০ থেকে শুরু করে সাইজ ভেদে ৪০০-৪৫০ টাকা, কই ২৫০-৩০০ টা ও শিং মাছ ৩৫০-৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৬০০ টাকার নিচে মিলছে না পাবদা, টেংরা, কই, বোয়াল, চিতল, আইড়, ইলিশ।তবে আরেক দফা দাম বেড়েছে ডিমের। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে প্রতি ডজন ডিম ১৫০-১৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।এসএফ 
    কোরবানির আগে লবণের দাম চড়া, চামড়া নিয়ে এবারও শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা
    অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এবছর রেকর্ড পরিমাণ লবণ উৎপাদন হয়েছে। কিন্তু কোরবানিতে কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের অপরিহার্য উপাদান লবণের দামে এর কোনো প্রভাব পড়েনি।বরং এক মাসের ব্যবধানে চামড়ায় ব্যবহৃত অপরিশোধিত লবণের ৭৪ কেজির বস্তায় দাম বেড়েছে ১৫০ টাকা পর্যন্ত।  কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিটি কাঁচা চামড়ায় ৯ থেকে ১০ কেজি করে লবণের প্রয়োজন হয়।সে হিসেবে একটি গরুর কাঁচা চামড়া কেনার পর সেটিকে বিক্রির উপযোগী করতে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা খরচ হয়। তাই ট্যানারির বিক্রয় মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে তার প্রভাব পড়বে কাঁচা চামড়া কেনার সময়। এবার চট্টগ্রামে তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ কাঁচা চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছেন আড়তদাররা।  বিসিকে তথ্য বলছে, চলতি মৌসুমে কক্সবাজার জেলার সদর, টেকনাফ, পেকুয়া, মহেশখালী, ঈদগাঁও, চকরিয়া, কুতুবদিয়া ও চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ৬৮ হাজার ৩০০ একর জমিতে লবণ চাষ হয়েছে। গত মে মাস পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছে ২৩ লাখ ৩১ হাজার টন। যা অতীতের সব রেকর্ডকে পেছনে ফেলেছে। কিন্তু লবণের দাম না কমে উল্টো বেড়েছে।লবণের বোট মালিক মো. দিদারুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় বাজারে অপরিশোধিত লবণ এখন মণপ্রতি ৩৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। যা নগরের মাঝির ঘাটে এসে প্রতি বস্তা (৭৪ কেজি) ৮৫০-৮৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  চট্টগ্রামের বৃহত্তর কাঁচা চামড়া আড়তদার সমবায় সমিতির সহ সভাপতি আব্দুল কাদের বলেন, রমজানের আগেও প্রতি বস্তা লবণ কিনেছি ৮৫০ টাকায়। সেই লবণ এখন কিনতে হচ্ছে ৯৭০-৯৮০ টাকা। লবণ কেনার পর পরিবহন-লেবার খরচ মিলিয়ে এখন হাজার টাকা পড়ছে প্রতি বস্তা।  তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার লবণযুক্ত চামড়ার দাম নির্ধারণ করেছে। এখন মৌসুমী ব্যবসায়ী থেকে চামড়া কিনে প্রতি চামড়ায় ৯-১০ কেজি লবণ ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে ৫০০ টাকা খরচ। ঢাকা নেওয়ার পর ট্যানারিতে গ্রেডিং করলে চামড়া দাম কমে যায় ১০০-১২০ টাকা। এখন সব খরচ হিসেব করেই তো চামড়া কিনতে হবে।  ‘চামড়া কেনার সময় প্রশাসনের যে নজরদারি থাকে আমরা বিক্রি করার সময় যদি সেই নজরদারি থাকতো তাহলে আমরা ন্যায্য দাম পেতাম। ’এসএফ
    ঈদের আগে রাত ১০টা পর্যন্ত যেসব জায়গায় খোলা থাকবে ব্যাংক
    ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরী এবং নাটোরের সিংড়া পৌরসভায় কোরবানির পশুর হাটের কাছাকাছি ব্যাংকের শাখা ও উপশাখায় ১৪ জুন থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত তিন দিন রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যাংকিং কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।মঙ্গলবার (১১ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।এতে বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এবং নাটোরের সিংড়া পৌরসভার তত্ত্বাবধানে ও ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত কোরবানির পশুর হাটগুলোতে অধিক সংখ্যক ব্যবসায়ীর সমাগম ঘটে এবং বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থের লেনদেন হয়ে থাকে। ফলে হাটগুলোতে আর্থিক লেনদেনের নিরাপত্তার বিষয়টি অতীব গুরুত্বপূর্ণ।কোরবানির পশুর হাটগুলোর নিকট দূরত্বেই বিভিন্ন ব্যাংক শাখা বা উপশাখা তাদের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। হাটগুলোর নিকটবর্তী এসব ব্যাংক শাখা বা উপশাখা ব্যবহার করে কোরবানির পশু ব্যবসায়ীরা তাদের পশু বিক্রির অর্থ লেনদেনে ব্যাংকের সহায়তা গ্রহণ করতে পারেন। তাছাড়া পশুর হাটে ব্যাংকের অস্থায়ী বুথ খোলা হলে পশু ব্যবসায়ীরা অর্থ লেনদেনে উক্ত বুথের সহায়তা নিতে পারেন।এ পরিস্থিতিতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরী এবং নাটোরের সিংড়া পৌরসভার পশুর হাটগুলোর নিকটবর্তী ব্যাংকের শাখা বা উপশাখাগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থায় আগামী ১৪ জুন থেকে ঈদের আগের দিন রাত ১০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম চলবে। আর পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কোরবানির পশুর হাটে অস্থায়ী বুথ স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শাখা, উপশাখা ও বুথগুলোতে অতিরিক্ত সময়ে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিশেষ ভাতা প্রদানের নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।উল্লেখ্য, এবার ঈদুল আজহা ১৭ জুন (সোমবার) উদযাপিত হবে।এইচএ
    সর্বজনীন পেনশনে নিবন্ধন ৩ লাখ ছাড়িয়েছে
    সর্বজনীন পেনশন স্কিমের কার্যক্রম শুরুর ১০ মাসের মাথায় নিবন্ধন সংখ্যা ৩ লাখ ছাড়িয়েছে। সোমবার (১০ জুন) দুপুর ১২টার দিকে পেনশন স্কিমে নিবন্ধনের সংখ্যা ৩ লাখ ৩ হাজার ১৭৬ জন দেখা যায়।অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শরীফ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন৩ লাখ নিবন্ধনের বিপরীতে সাবস্ক্রিপশন বাবদ মোট ৮৬ কোটি ৬৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫০০ টাকা জমা হয়েছে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।বয়স্ক জনগোষ্ঠীকে একটি টেকসই ও সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে ২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী সর্বজনীন পেনশন স্কিমের শুভ উদ্বোধন করেন।বর্তমানে প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা নামে চারটি স্কিমে নিবন্ধনের সুবিধা চালু রয়েছে। এ চারটি স্কিমের মধ্যে সমতা স্কিমে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৬৪ জন, প্রগতি স্কিমে ২১ হাজার ২৯৪ জন, সুরক্ষা স্কিমে ৫৬ হাজার ৯১৯ জন এবং প্রবাস স্কিমে ৭৯৯ জন নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, এরই মধ্যে ৮৭টি এনজিও প্রগতি স্কিমে নিবন্ধিত হয়ে তাদের কর্মচারীদের অনুকূলে সাবস্ক্রিপশন প্রদান করছে। ৫ম স্কিম হিসেবে ‘প্রত্যয়'’নামে নতুন স্কিম চালু করা হচ্ছে যা সব স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারী যারা ১ জুলাই ২০২৪ থেকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানে নতুন যোগদান করবেন তাদের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলকভাবে কার্যকর হবে।আরইউ
    প্রিমিয়ার ব্যাংকের ৪ কর্মকর্তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা
       তিন হাজার কোটি টাকা ভুয়া ঋণ মঞ্জুর করে অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগে প্রিমিয়ার ব্যাংকের চার কর্মকর্তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন আদালত। রোববার (২৩ জুন) দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমানের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা হলেন- প্রিমিয়ার ব্যাংকের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও নারায়ণগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মো. শহিদ হাসান মল্লিক, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও নারায়ণগঞ্জ শাখার দ্বিতীয় কর্মকর্তা মুশফিকুল আলম, ফরেন এক্সচেঞ্জ ইনচার্জ দীপক কুমার দেবনাথ ও ক্রেডিট ইনচার্জ মোহাম্মদ মেহেদী হাসান সরকার।দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।আবেদনে বলা হয়, দি প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি, নারায়ণগঞ্জ শাখা প্রধান কার্যালয়ের কতিপয় বিভাগের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ব্যাক টু ব্যাক এলসি সুবিধার আড়ালে জাল-জালিয়াতি, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৪৩টি সন্দেহভাজন তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা ভুয়া ঋণ মঞ্জুরপূর্বক আত্মসাতসহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের সম্পৃক্ত ধারায় অপরাধ করার অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তিন সদস্যের অনুসন্ধানকারী টিম গঠন করা হয়েছে। গোপনসূত্রে জানা যায়, অভিযোগসংশ্লিষ্ট নিগ্রোজ ব্যক্তিরা অর্থপাচার ও দেশত্যাগের পরিকল্পনা করছেন। এ কারণে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা একান্ত প্রয়োজন।এমএইচ 
    বাংলাদেশকে ৯০ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক
    বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীল প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে নতুন করে ৯০ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক। শুক্রবার (২১ জুন) আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাটির বোর্ড অব এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টরস এই সহায়তার অনুমোদন দিয়েছে।শনিবার (২২ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশের রাজস্ব ও আর্থিক খাতের নীতিমালা জোরদার করতে এবং নগর অবকাঠামো উন্নয়ন ব্যবস্থাপনায় ৯০০ মিলিয়ন (৯০ কোটি) মার্কিন ডলার দেয়া হবে, যাতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়।বাংলাদেশ ও ভুটানে বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি আব্দুলাই সেখ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলে টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন ও সক্ষমতা জোরদার করতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বড় ধরনের সংস্কার বাংলাদেশের জন্য সহায়ক হবে।উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জনে নতুন এই অর্থনৈতিক কার্যক্রম দুটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে—অর্থনৈতিক খাত ও নগর ব্যবস্থাপনা—বাংলাদেশকে সহায়তা করবে, যোগ করেন তিনি। রাজস্ব ও অর্থনৈতিক খাতের সংস্কারে সহায়তা করতে দ্য সেকেন্ড রিকভারি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ডেভেলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট বাংলাদেশকে টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার পাশিপাশি জলবায়ু পরিবর্তনসহ ভবিষ্যতে বিভিন্ন অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলাতে সহায়তা করবে।বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, নতুন এই কর্মসূচি বাণিজ্যিক কর থেকে ভোক্তা ও আয়করের দিকে যাওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সহায়ক হবে। এতে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণে প্রতিযোগিতা বাড়াতে ও প্রস্তুতি নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ বার্নার্ড হ্যাভেন বলেন, যারা আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে আছেন, অর্থনীতিতে তাদের প্রবেশ সহজবোধ্য করতে এবং বিনিয়োগ বাড়াতে বাংলাদেশের জন্য একটি ভালো ও কার্যক্রর অর্থনৈতিক খাত গুরুত্বপূর্ণ। আর্থিক খাতকে শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ একটি নতুন আইনি কাঠামো নিয়েছে এবং বাহ্যিক ভারসাম্যহীনতা দূর করতে সামষ্টিক অর্থনৈতিক সংস্কারেও জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।এমএইচ
    গরুর বিশেষ অঙ্গের চাহিদা বেড়েছে কানাডা, আমেরিকা, জাপানে
    গরুর বিশেষ অঙ্গ রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছেন দেশের তরুণ উদ্যোক্তারা। আমেরিকা, কানাডা, কোরিয়া, চীন ও হংকংসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে এই অঙ্গ। কানাডা, আমেরিকা, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া গরুর পিজলের (পেনিস) চাহিদা বেশ।এসব দেশে এক টন শুকনো পিজলের দাম ২০ হাজার ডলার। মূলত এগুলো দিয়ে তৈরি হয় উন্নত মানের স্যুপ ও সালাদ। যা দেশগুলোতে বেশ জনপ্রিয়। এবার পিজল বা পেনিস সংগ্রহ হবে ১০০ টন।আশরাফ উদ্দিন আকাশ ছাড়াও হাজারীবাগে সড়কের পাশে এবারও বসেছে কিছু দোকান। গরুর পিজল সংগ্রহ করছিলেন তারা। প্রতিটা পেনিস মানভেদে ৬০-১০০ টাকায় সংগ্রহ করছেন তারা। এগুলো সংগ্রহের পর চট্টগ্রামের রপ্তানিকারকের হাতে তুলে দিয়ে ভালো টাকা আয় করেন।তারা জানান, এগুলো সাধারণত মানুষ ফেলে দেয়। কিন্তু আমাদের কাছে দিলে ভালো টাকা পাওয়া যায়। এখন একটা ছাগলের চামড়া কেউ কিনতে চায় না। অথচ গরুর পেনিস ১০০ টাকা দিয়ে আমরা কিনছি। তাই সবাইকে বলবো চামড়ার মতো করেই গরুর পেনিস সংগ্রহ করে আমাদের কাছে বিক্রি করুন। এতে করে বাংলাদেশও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করবে, আমাদেরও কিছু টাকা আয় হবে। এবার পিজলের চাহিদা অনেক।চট্টগ্রামের এমএস সুমন ট্রেডার্সের মালিক মোহাম্মদ সুমন একটি গণমাধ্যমকে জানান, মানুষ এখন অনেক সচেতন। তাই পিজল সংগ্রহ ভালো হচ্ছে। এবার আশা করছি ৫০০ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা আয় হবে। বিদেশে এগুলোর খুব চাহিদা। কানাডা-আমেরিকায় পিজলের চাহিদা রয়েছে। সারাদেশে ১০ হাজার পরিবার এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।তিনি বলেন, এগুলো সংগ্রহ করে আমাদের কাছে বিক্রি করুন।এফএস
    পেঁয়াজ কাঁচা মরিচের দাম চড়া, কমেছে মুরগির দাম
    দুয়ারে করা নাড়ছে কোরবানির ঈদ। ক্রেতা সাধারণের চোখ এখন পশুর হাটের দিকে। সেই সুবাদে দীর্ঘদিন পর স্বস্তির বাতাস মুরগির বাজারে। দুইশ টাকার নিচে নেমে এসেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। তাল মিলিয়ে দাম কমেছে অন্যান্য জাতের মুরগিরও। তবে কোরবানি সামনে রেখে কাঁচাবাজারে ঝাঁজ ছড়াচ্ছে পেঁয়াজ-কাঁচামরিচ। দামে লম্বা লাফ দিয়েছে শশা-টমেটোও।শুক্রবার (১৪ জুন) কারওয়ান বাজার, মিরপুর কাঁচাবাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, কেজিপ্রতি ১৮০-১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার মুরগি। দুদিন আগেও যা বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকার ওপরে। এছাড়া ৩০০-৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনালী জাতের মুরগি। লেয়ার মুরগি লাল ৩০০-৩২০ টাকা, সাদা ২৬০-২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে দেশি মুরগি এখনও বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকার ওপরে।তবে ঈদকে কেন্দ্র করে অস্থির হয়ে উঠেছে কাঁচাবাজার। বিশেষ করে ক্রেতা সাধারণের কপালে ভাঁজ পড়ছে শশা-টমেটোর দাম শুনে। প্রতি কেজি শশার জন্য ২০০ টাকা চাচ্ছেন বিক্রেতারা। টমেটোর কেজি চাওয়া হচ্ছে ১৬০-১৮০ টাকা। এক লাফে ডাবল সেঞ্চুরি হয়েছে কাঁচামরিচের দামেও। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকার বেশি দামে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন পর আবার ১০০ টাকা ছাড়িয়েছে পেঁয়াজের দাম।এ ছাড়া গত সপ্তাহের মতোই ৬০ টাকার নিচে মিলছে না তেমন কোনো সবজিই। প্রতি কেজি লম্বা বেগুন ৬০-৭০ টাকা, গোল বেগুন ৭০-৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০-৮০ টাকা, সাইজভেদে লাউ ৬০-৮০ টাকা, ছোট সাইজের মিষ্টি কুমড়া ১০০-১২০ টাকা, জালি ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। কাঁচা কলা ডজনপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। তবে, করল্লা, পটল, ঢেঁড়শ ও পেঁপের দাম আছে ৪০-৫০ টাকার মধ্যে।মাছের বাজারও আছে আগের সপ্তাহের মতোই। সাইজ ভেদে প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২০০-২৩০ ও পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে রাজধানীর বাজারগুলোতে। চাষের রুই, কাতলা ও মৃগেল মাছের দাম প্রতি কেজি ২৮০ থেকে শুরু করে সাইজ ভেদে ৪০০-৪৫০ টাকা, কই ২৫০-৩০০ টা ও শিং মাছ ৩৫০-৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৬০০ টাকার নিচে মিলছে না পাবদা, টেংরা, কই, বোয়াল, চিতল, আইড়, ইলিশ।তবে আরেক দফা দাম বেড়েছে ডিমের। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে প্রতি ডজন ডিম ১৫০-১৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।এসএফ 
    কোরবানির আগে লবণের দাম চড়া, চামড়া নিয়ে এবারও শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা
    অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এবছর রেকর্ড পরিমাণ লবণ উৎপাদন হয়েছে। কিন্তু কোরবানিতে কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের অপরিহার্য উপাদান লবণের দামে এর কোনো প্রভাব পড়েনি।বরং এক মাসের ব্যবধানে চামড়ায় ব্যবহৃত অপরিশোধিত লবণের ৭৪ কেজির বস্তায় দাম বেড়েছে ১৫০ টাকা পর্যন্ত।  কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিটি কাঁচা চামড়ায় ৯ থেকে ১০ কেজি করে লবণের প্রয়োজন হয়।সে হিসেবে একটি গরুর কাঁচা চামড়া কেনার পর সেটিকে বিক্রির উপযোগী করতে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা খরচ হয়। তাই ট্যানারির বিক্রয় মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে তার প্রভাব পড়বে কাঁচা চামড়া কেনার সময়। এবার চট্টগ্রামে তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ কাঁচা চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছেন আড়তদাররা।  বিসিকে তথ্য বলছে, চলতি মৌসুমে কক্সবাজার জেলার সদর, টেকনাফ, পেকুয়া, মহেশখালী, ঈদগাঁও, চকরিয়া, কুতুবদিয়া ও চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ৬৮ হাজার ৩০০ একর জমিতে লবণ চাষ হয়েছে। গত মে মাস পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছে ২৩ লাখ ৩১ হাজার টন। যা অতীতের সব রেকর্ডকে পেছনে ফেলেছে। কিন্তু লবণের দাম না কমে উল্টো বেড়েছে।লবণের বোট মালিক মো. দিদারুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় বাজারে অপরিশোধিত লবণ এখন মণপ্রতি ৩৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। যা নগরের মাঝির ঘাটে এসে প্রতি বস্তা (৭৪ কেজি) ৮৫০-৮৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  চট্টগ্রামের বৃহত্তর কাঁচা চামড়া আড়তদার সমবায় সমিতির সহ সভাপতি আব্দুল কাদের বলেন, রমজানের আগেও প্রতি বস্তা লবণ কিনেছি ৮৫০ টাকায়। সেই লবণ এখন কিনতে হচ্ছে ৯৭০-৯৮০ টাকা। লবণ কেনার পর পরিবহন-লেবার খরচ মিলিয়ে এখন হাজার টাকা পড়ছে প্রতি বস্তা।  তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার লবণযুক্ত চামড়ার দাম নির্ধারণ করেছে। এখন মৌসুমী ব্যবসায়ী থেকে চামড়া কিনে প্রতি চামড়ায় ৯-১০ কেজি লবণ ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে ৫০০ টাকা খরচ। ঢাকা নেওয়ার পর ট্যানারিতে গ্রেডিং করলে চামড়া দাম কমে যায় ১০০-১২০ টাকা। এখন সব খরচ হিসেব করেই তো চামড়া কিনতে হবে।  ‘চামড়া কেনার সময় প্রশাসনের যে নজরদারি থাকে আমরা বিক্রি করার সময় যদি সেই নজরদারি থাকতো তাহলে আমরা ন্যায্য দাম পেতাম। ’এসএফ
    ঈদের আগে রাত ১০টা পর্যন্ত যেসব জায়গায় খোলা থাকবে ব্যাংক
    ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরী এবং নাটোরের সিংড়া পৌরসভায় কোরবানির পশুর হাটের কাছাকাছি ব্যাংকের শাখা ও উপশাখায় ১৪ জুন থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত তিন দিন রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যাংকিং কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।মঙ্গলবার (১১ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।এতে বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এবং নাটোরের সিংড়া পৌরসভার তত্ত্বাবধানে ও ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত কোরবানির পশুর হাটগুলোতে অধিক সংখ্যক ব্যবসায়ীর সমাগম ঘটে এবং বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থের লেনদেন হয়ে থাকে। ফলে হাটগুলোতে আর্থিক লেনদেনের নিরাপত্তার বিষয়টি অতীব গুরুত্বপূর্ণ।কোরবানির পশুর হাটগুলোর নিকট দূরত্বেই বিভিন্ন ব্যাংক শাখা বা উপশাখা তাদের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। হাটগুলোর নিকটবর্তী এসব ব্যাংক শাখা বা উপশাখা ব্যবহার করে কোরবানির পশু ব্যবসায়ীরা তাদের পশু বিক্রির অর্থ লেনদেনে ব্যাংকের সহায়তা গ্রহণ করতে পারেন। তাছাড়া পশুর হাটে ব্যাংকের অস্থায়ী বুথ খোলা হলে পশু ব্যবসায়ীরা অর্থ লেনদেনে উক্ত বুথের সহায়তা নিতে পারেন।এ পরিস্থিতিতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরী এবং নাটোরের সিংড়া পৌরসভার পশুর হাটগুলোর নিকটবর্তী ব্যাংকের শাখা বা উপশাখাগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থায় আগামী ১৪ জুন থেকে ঈদের আগের দিন রাত ১০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম চলবে। আর পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কোরবানির পশুর হাটে অস্থায়ী বুথ স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শাখা, উপশাখা ও বুথগুলোতে অতিরিক্ত সময়ে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিশেষ ভাতা প্রদানের নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।উল্লেখ্য, এবার ঈদুল আজহা ১৭ জুন (সোমবার) উদযাপিত হবে।এইচএ

    শিক্ষাঙ্গন

    সব দেখুন
    জিপিএ-৫ পেয়েও কলেজ পায়নি ৮ হাজার শিক্ষার্থী
     একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদনের প্রথম ধাপে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করেছে ‌আন্তঃশিক্ষা বোর্ড। এ ধাপে আবেদন করেও ৪৮ হাজার শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তির সুযোগ পাননি। তাদের মধ্যে রয়েছেন জিপিএ-৫ পাওয়া সাড়ে ৮ হাজার শিক্ষার্থী। এছাড়া দেশের ২২০টি কলেজে ভর্তির জন্য একজন শিক্ষার্থীও আবেদন করেননি। রবিবার (২৩ জুন) রাতে প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সূত্র থেকে জানা যায়, ফলাফলে দেখা গেছে গত ২৬ মে থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত একাদশে ভর্তি হতে অনলাইনে আবেদন করেন ১৩ লাখ ৩৫ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পছন্দের কলেজ পেয়েছেন ১২ লাখ ৮৭ হাজার শিক্ষার্থী। বাকি ৪৮ হাজার শিক্ষার্থী প্রথম ধাপে কোনো পছন্দের কলেজ পাননি। কলেজ না পাওয়াদের মধ্যে জিপিএ-৫ শিক্ষার্থীর সংখ্যা সাড়ে ৮ হাজারের বেশি। আর একজন শিক্ষার্থীও পায়নি এমন কলেজের সংখ্যা ২২০টি।যে কারণে কলেজ পাননি জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা-ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী- একজন শিক্ষার্থী তার এসএসসির ফলাফল ও অনলাইন আবেদনের সময়ে দেয়া পছন্দক্রমের ভিত্তিতে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হন। এক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী ১০টি কলেজ পছন্দক্রমে দিতে পারেন। অনেকে পছন্দের দুই, তিন বা চারটি কলেজ পছন্দক্রমে দিয়েছেন। মূলত তাদের সেই কলেজগুলোতে আসন শূন্য না থাকায়, তারা ভর্তির সুযোগবঞ্চিত হয়েছেন। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার এসব কথা জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের নজর ছিলো দেশের ভালো কলেজগুলোর দিকে। তারা হাতেগোনা কয়েকটি কলেজ পছন্দক্রমে দিয়েছেন। যেখানে সবার আকর্ষণ বেশি। এজন্য সেখানে প্রতিযোগিতাও বেশি ছিলো। আর সেসব কলেজে জিপিএ-৫ প্রাপ্তরাই কেবল সুযোগ পান। অনেক সময় জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্য থেকে নম্বরের হিসাবে সামনের কয়েকজন সুযোগ পান। আর জিপিএ-৫ পেয়েও নম্বর কম থাকায় অনেকে বাদ পড়েছে।তিনি আরো বলেন, কলেজ পছন্দের সময় সব ভালো মানের কলেজকে পছন্দ দিয়েছেন যেমন শিক্ষার্থীরা, তেমনি তাদের উচিত ছিলো তার প্রাপ্ত নম্বরের দিকে নজর রেখে কলেজ পছন্দ দেয়া।কলেজ না পাওয়া শিক্ষার্থীদের বর্তমানে করণীয়-এক্ষেত্রে প্রথম ধাপে আবেদন করে যারা কলেজ পাননি, তাদের জন্য কী করণীয় তাও জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক তপন কুমার সরকার।তিনি বলেন, এসব শিক্ষার্থীদের আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে দ্বিতীয় ধাপে চলে যাবে। এখন শিক্ষার্থীদের শুধু অনলাইন আবেদনে গিয়ে পছন্দক্রমে পরিবর্তন আনতে হবে। পরামর্শ থাকবে, তারা যেনো পছন্দক্রমে নতুন কিছু কলেজ যোগ করেন। তবে কলেজ আসনের কোনো সংকট নেই। সব শিক্ষার্থীই ভর্তি হতে পারবেন।এদিকে প্রথম ধাপে আবেদন করে কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হওয়া শিক্ষার্থীদের দ্রুত কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। প্রথমেই তাদেরকে ৩৩৫ টাকা ফি পরিশোধ করে প্রাথমিকভাবে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে নিশ্চায়ন ‘ফি’ পরিশোধ করতে কারও অসুবিধা হলে সরাসরি বিকাশের মাধ্যমে নিশ্চায়ন ফি দিয়েও নিশ্চায়ন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। কেউ যদি প্রথম ধাপে কাঙ্ক্ষিত কলেজ না পান, সেক্ষেত্রেও তাকে প্রাথমিক নিশ্চায়ন করতে হবে। ২৯ জুন রাত ৮টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক নির্বাচন নিশ্চায়ন করতে পারবেন। এরপর তিনি মাইগ্রেশনের সুযোগ পাবেন। ৪ জুলাই পছন্দক্রম অনুযায়ী প্রথম মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে।দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে আবেদন ও ফল-দ্বিতীয় ধাপের আবেদন প্রক্রিয়া ৩০ জুন শুরু হয়ে চলবে ২ জুলাই রাত ৮টা পর্যন্ত। ৪ জুলাই রাত ৮টায় দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে। ৫ থেকে ৮ জুলাই রাত ৮টা পর্যন্ত দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নিশ্চায়ন প্রক্রিয়া চলবে। এরপর ১২ জুলাই দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে।৯-১০ জুলাই তৃতীয় ধাপে আবেদন শুরু হবে। ১২ জুলাই তৃতীয় ধাপের ফল প্রকাশ এবং ১৩-১৪ জুলাই তৃতীয় ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নিশ্চায়ন করতে হবে। তিন ধাপে নির্বাচিত এবং সফলভাবে নিশ্চায়ন করা শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়া চলবে ১৫ থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত। আর ভর্তি কার্যক্রম শেষে সারাদেশে একযোগে আগামী ৩০ জুলাই শুরু হবে ক্লাস।ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা যায়- সারা দেশে মিশনারি পরিচালিত কলেজগুলোর বাইরে ৭ হাজার ৭৯২টি কলেজে আসন রয়েছে ২৬ লাখ ৪৭ হাজার ১৩৩টি। সেখানে চলতি বছর সব শিক্ষা বোর্ড (সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) মিলিয়ে এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট অংশগ্রহণকারী ছিলো ২০ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১৬ লাখ ৭২ হাজার ১৫৩ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন। সব মিলিয়ে এবার প্রায় ১০ লাখ আসন ফাঁকা থাকবে।এমএইচ
    একাদশে ভর্তিতে প্রথম পর্যায়ের ফল প্রকাশ, জানবেন যেভাবে
    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি আবেদনের প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করেছে ‌আন্তঃশিক্ষাবোর্ড। রোববার (২৩ জুন) রাত ৮টার পর ভর্তি প্রক্রিয়ার জন্য তৈরি করা ওয়েবসাইটে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার।‌ তিনি বলেন, রাত ৮টার পর ওয়েবসাইটে (xiclassadmission.gov.bd) একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এর‌পর আবেদনের সময় দেয়া মোবাইলে ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে ফলাফল জানিয়ে দেয়া হয়েছে।‌ যেসব আবেদনকারী কাঙ্ক্ষিত কলেজ পায়নি তাদের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের‌ চেয়ারম্যান বলেন,‌ প্রথম পর্যায়ে যারা কলেজ পায়নি তাদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে আবেদনের সুযোগ আছে। প্রতি বছরের মতো এবারও আমরা দেখেছি অনেক আবেদনকারী শুধুমাত্র পাঁচটি কলেজ চয়েস দিয়েছে। দেখা গেছে আবেদনকারীর স্কোর, অর্ডার অব চয়েস ও তার র‌্যাংকিং আসেনি। এসব শিক্ষার্থীকেই পুনরায় আবেদন করতে হবে। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সোমবার (২৪ জুন) থেকে মোবাইল ব্যাংকিং চার্জ বাদে রেজিস্ট্রেশন ফি ২২৮ টাকা (ওয়েবসাইটে উল্লেখিত অপারেটরের মাধ্যমে) জমা দিয়ে ভর্তির প্রাথমিক নিশ্চায়ন করতে হবে। তবে পরবর্তীতে মাইগ্রেশন হলে শিক্ষার্থীকে নতুন করে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে না অর্থাৎ কোনো রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হবে না।   জানা গেছে, প্রথম ধাপের আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে গত ১৩ জুন। বাছাই প্রক্রিয়া শেষে ১০ দিন পর রোববার (২৩ জুন) ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ভর্তি নীতিমালার সময়সূচি মেনে অন্যান্য সব কার্যক্রম যথাসময়ে শেষ করা হবে। ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ফল প্রকাশের পর নির্বাচিতদের নিশ্চায়ন করতে হবে। তাদের নিশ্চায়ন প্রক্রিয়া শেষ হলে শূন্য আসনে ৩০ জুন থেকে দ্বিতীয় ধাপে আবেদন শুরু হবে, যা চলবে ২ জুলাই পর্যন্ত। ৪ জুলাই রাত ৮টায় দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে। এরপর টানা চারদিন চলবে দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিতদের নিশ্চায়ন প্রক্রিয়া। ৯ ও ১০ জুলাই তৃতীয় ধাপে আবেদন নেয়া হবে, যার ফল প্রকাশ করা হবে ১২ জুলাই রাত ৮টায়। তিন ধাপে আবেদনের পর ফল প্রকাশ, নিশ্চায়ন ও মাইগ্রেশন শেষে ১৫ জুলাই থেকে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে। চলবে ২৫ জুলাই পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম শেষে আগামী ৩০ জুলাই সারাদেশে একযোগে একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হবে। এর আগে, গত ২৬ মে শুরু হয়ে ১৩ জুন একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপে আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়। চলতি বছর এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১৬ লাখ ৭২ হাজার ১৫৩ জন। সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন আছে ২৫ লাখের মতো।এমএইচ
    শনিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানালো মন্ত্রণালয়
    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গ্রীষ্মকালীন ছুটি সংক্ষিপ্ত করার পর ফিরিয়ে আনা হয়েছে শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি। এখন থেকে শুক্রবারের পাশাপাশি শনিবারও বন্ধ থাকবে স্কুল-কলেজ ও মাদরাসা। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে নেয়া এ সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছেন।এর আগে, তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিখন ঘাটতি দেখা দেয়। এরপর সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করে সরকার। এ নিয়ে সমালোচনা হলে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী আশ্বাস দেন, কলেজ সংযুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়া মাধ্যমিকপর্যায়ের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে শনিবারের বন্ধ পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ঈদুল আজহার পর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শনিবারের ছুটি বহাল করেছে সরকার।  জানা যায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ স্কুল-কলেজ ও মাদরাসায় এখন থেকে শুক্রবারের পাশাপাশি শনিবারও আগের মতো সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।এদিকে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গ্রীষ্মকালীন ছুটি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ২ জুলাইয়ের পরিবর্তে স্কুল-কলেজ-মাদরাসা খুলবে আগামী ২৬ জুন। অর্থাৎ, চলমান ছুটি শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ আগেই খুলে যাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, এবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্লাস কম হয়েছে। আবার শনিবার থেকে সাপ্তাহিক ছুটি চালু হওয়ায় সিলেবাস শেষ করা নিয়ে সমস্যা হতে পারে। তাই ঈদের ছুটি অপরিবর্তিত থাকলেও গরমের ছুটি কমিয়ে দেয়া হলো।এমএইচ
    সিলেট বিভাগের এইচএসসি পরীক্ষা ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত
     বন্যা পরিস্থিতির কারণে সিলেট বিভাগের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। ৩০ জুন থেকে এই পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) শিক্ষা বিভাগ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।   আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার জানান, সিলেট বিভাগে ৯ জুলাই থেকে যে পরীক্ষাগুলো হওয়ার কথা ছিল, সেগুলো যথারীতি হবে। পাশাপাশি স্থগিত পরীক্ষাসমূহের রুটিন শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।   এর আগে গত ৫ জুন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী জানিয়েছিলেন, দেশের যেসব অঞ্চলে বন্যা হবে, সেখানে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত থাকবে।তিনি বলেছিলেন, আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও পানিসীমার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যে অঞ্চলে বন্যা ছড়াবে, শুধু সেখানে পরীক্ষা নেওয়া হবে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সেই পরীক্ষা নেওয়া হবে।   গত ২৯ মে ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে সিলেটে বন্যা দেখা দেয়। ৮ জুনের পর বন্যা পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসে। সর্বশেষ গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে আবার সিলেটে বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে নগরের ২৩টি ওয়ার্ডসহ জেলার ১৩টি উপজেলার ১ হাজার ৫৪৮টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বন্যাকবলিত হয়েছে প্রায় সোয়া আট লাখ মানুষ। এমএইচ

    তথ্য-প্রযুক্তি

    সব দেখুন
    যেভাবে বুঝবেন জি-মেইল হ্যাক হয়েছে, বাঁচতে যা করবেন
    বর্তমান সময়ে জি-মেইল একটি প্রয়োজনীয় বিষয়। নিরাপদে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এটি বহু মানুষ ব্যবহার করে থাকেন। আবার জি-মেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে ইউটিউবসহ বিভিন্ন অনলাইন সেবা গ্রহণ করতে হয়। ফলে এটি হ্যাক হলে ব্যাপক ঝামেলায় পড়তে হয়। অনেকে আবার জি-মেইল হ্যাক হলে বুঝতেই পারেন না এটি হ্যাক হয়েছে কিনা। কীভাবে ই-মেইল অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখা যাবে। সেই সুযোগ গুগলই আপনাকে দিয়েছে। আপনার ই-মেইল কোন কোন ফোন, ডেস্কটপে ব্যবহার হচ্ছে সেটা আপনি সহজেই জানতে পারবেন google.com/devices - এর মাধ্যমে। নিজের জি-মেইল অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে গেলে আগে থেকেই কয়েকটি পদক্ষেপ আপনাকে করতে হবে।অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সেটিংস অপশনে যান। সেখান থেকে Google অপশনে যান এবার Manage your Google account-এ ক্লিক করুন এরপরেই স্ক্রিনে খুঁজে দেখুন Security- বলে একটি বিভাগ পাবেন। তারমধ্যে স্ক্রল করে নেমে দেখুন একটি অপশন রয়েছে Your Device, সেটি ক্লিক করুন তারপরে ক্লিক করুন Manage all devices-অপশনে। এখানেই দেখতে পাবেন কোন কোন ডিভাইসে আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট লগ ইন রয়েছে।যদি এই তালিকায় এমন কোন ফোন, ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ দেখেন যেখানে আপনি লগ ইন করেননি তাহলে সেই নামে ক্লিক করে Sign Out বাটন ক্লিক করে নিন।চলুন দেখে নেয়া যাক কীভাবে এই টুইল ব্যবহার করতে হয়-১. গুগল ক্রোম ব্রাউজারে পাসওয়ার্ড চেকআপ এক্সটেনশন ডাউনলোড করে নিন।২. ডাউনলোড করার পর এই এক্সটেনশন আপনার ব্রাউজারে কোনো লগইন থাকলে তা দেখে নেবে।৩. আপনার ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড গুগল ডেটাবেসের হ্যাক হওয়া ৪০০ কোটি এন্ট্রির সঙ্গে মিল থাকলে সতর্ক করে দেবে এই এক্সটেনশন।৪. কোন কোন ওয়েবসাইট থেকে আপনার পাসওয়ার্ড হ্যাক হয়েছে তাও জানা যাবে।৫. এ ছাড়াও আপনাকে পাসওয়ার্ড বদল করার পরামর্শ দেওয়া হবে। এমনকি কোন কোন সময় আপনার পাসওয়ার্ড প্রকাশ্যে এসেছে তাও জানা যাবে।যখনই কোনো ওয়েবসাইট থেকে লগইন ডেটা ফাঁস হয় তখন এই ওয়েবসাইটে সেই তথ্য আপডেট হয়ে যায়। অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে করণীয়-১. দ্রুত অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন। ২. শুধুমাত্র জিমেইল নয়, যে যে সার্ভিসের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে সেই সব সার্ভিসের অ্যাকাউন্ট পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন।৩. জিমেইলে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। একই পাসওয়ার্ড অন্য কোথাও ব্যবহার করবেন না। ৪. টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করুন। এসএফ
    মেসেঞ্জার ব্যবহারকারীদের জন্য বড় সুখবর!
    বন্ধুবান্ধব কিংবা অফিসের সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মতোই জনপ্রিয় ফেসবুক মেসেঞ্জারও। তবুও প্রতি মুহূর্তে কী করে তাকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা যায়, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করে চলেছে মেটা। এবার জানা গেল, মেসেঞ্জারে এবার আরও একটি নতুন ফিচার নিয়ে এসেছে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা। সোশ্যাল মিডিয়ায় যোগাযোগ করার সবচেয়ে সহজ ও জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে মেসেঞ্জারের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হয়। এবার মেসেঞ্জারে একসঙ্গে ৫ হাজার বন্ধুর সঙ্গে কথা বলার জন্য ‘কমিউনিটিজ’ ফিচার নিয়ে এলো মেটা।এই ফিচারের মাধ্যমে একই ফেসবুক গ্রুপে না থাকলেও মেসেঞ্জার কমিউনিটিজ গ্রুপে যুক্ত হয়ে অন্যদের সঙ্গে চ্যাট করতে পারবেন আপনি। সাধারণ মেসেঞ্জার গ্রুপে মাত্র ২৫০ জন সদস্য যুক্ত করা যায়। তাই ২০২২ সালে ফেসবুক মেসেঞ্জারে কমিউনিটি চ্যাটস চালু করে মেটা।সম্প্রতি অ্যাপে নতুন গ্রুপ চ্যাট ফিচার রোল আউট করেছে সংস্থা। ধীরে ধীরে সব মেসেঞ্জার ইউজারের কাছে পৌঁছে যাবে এই ফিচার। যে কোনো ইউজার এই কমিউনিটি শুরু করতে পারবেন। এই কমিউনিটি পরিচালনা করার জন্য হোয়াটসঅ্যাপের মতো অ্যাডমিন ফিচার চালু করা হয়েছে।  একজন অ্যাডমিন কীভাবে মেসেঞ্জার কমিউনিটি চালাতে পারবেন–* নতুন মেম্বারদের ইনভাইট করতে পারবেন।* কমিউনিটি চ্যাট তৈরি করতে পারবেন।* কমিউনিটি থেকে কাউকে বাদ দিতে পারবেন।* কমিউনিটিতে কোনো চ্যাট ডিলিট করতে পারবেন।* কমিউনিটি থেকে বেরিয়ে যেতে পারবেন।* কোনো কনটেন্টের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করার ক্ষমতা থাকবে।* কমিউনিটি চ্যাট থেকে কোনো কনটেন্ট মুছে ফেলতে পারবেন।প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম টেকক্রাঞ্চ জানায়, এই ফিচারের ফলে অনেকেই লাভবান হতে পারেন। এর মাধ্যমে একসঙ্গে ৫ হাজার মানুষের সঙ্গে মেসেজিং করা যাবে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিবেশীর মধ্যে চ্যাটিংয়ের সুবিধা দিতে ফিচারটি নিয়ে এসেছে মেটা। অর্থাৎ প্রতিবেশীরা গ্রুপ তৈরি করে এলাকার বিভিন্ন অনুষ্ঠান, নিরাপত্তা ব্যবস্থার মতো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারবেন। আবার শিক্ষকরা গ্রুপ তৈরি করে শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে আলোচনা করতে পারে বা ক্লাস সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানাতে শিক্ষার্থীদেরও যুক্ত করে গ্রুপ খুলতে পারেন।  আবার বিশেষ বিষয় আগ্রহী ব্যক্তিরাও এই গ্রুপের মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে একে অপরের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। অনেকটা হোয়াটসঅ্যাপের কমিউনিটি ট্যাবের মতো কাজ করলেও এই দুই ফিচারে পার্থক্য রয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ কমিউনিটিজে যুক্ত হতে ফোন নম্বর প্রয়োজন, আর মেসেঞ্জার কমিউনিটিজে যুক্ত হতে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট প্রয়োজন।তবে ফিচারটি এখনও সবার জন্য চালু করা হয়নি। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন দেশে সব অ্যাকাউন্টে ফিচারটি পাওয়া যাবে। তবে মেটা কমিউনিটিজ ফিচার ব্যবহারের জন্য ব্যবহারকারীদের সতর্ক থাকতে বলেছে। কারণ, এতে ব্যক্তিগত মেসেজ না দেয়াই ভালো। এখানে অনেক অ্যাকাউন্ট যুক্ত থাকবে। তাই চ্যাটিংয়ের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে।সাধারণ গ্রুপ চ্যাটের মতো কোনো কমিউনিটি চ্যাট তৈরি করলে ক্রিয়েটরই গ্রুপের অ্যাডমিন হিসেবে থাকবেন। অ্যাডমিন সদস্য হিসেবে যে কাউকে গ্রুপে যুক্ত করতে পারবেন বা গ্রুপ থেকে বের করতে পারবেন। তবে গ্রুপের সব সদস্য গ্রুপে যুক্ত হওয়ার জন্য অন্যদের আমন্ত্রণ পাঠাতে পারবেন। অ্যাডমিন সদস্যদের যুক্ত হওয়ার বিষয়টি তদারকি করতে পারবেন।তথ্যসূত্র: টেকক্রাঞ্চ
    আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য দুঃসংবাদ!
    পুরোনো মডেলের আইফোন ব্যবহারকারীদের নিজেদের আগামী অপারেটিং সিস্টেম থেকে বাদ দিচ্ছে অ্যাপল।সোমবার (১০ জুন) আইওএস-১৮ অপারেটিং সিস্টেম আনার ঘোষণা দিয়েছে কোম্পানিটি। যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হওয়া অ্যাপলের বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে এ ঘোষণা দেয় নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। খবর জিএসএম অ্যারেনার।আইওএস-১৮ অপারেটিং সিস্টেমে ই-মেইল অ্যাপে ফিল্টার–সুবিধাসহ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে আইমেসেজ ও এসএমএস পাঠানো যাবে। এ ছাড়া এআইভিত্তিক অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স-সুবিধা ও অ্যাপ লক করে রাখারও সুযোগ পাবেন ব্যবহারকারীরা। তবে এই অপারেটিং সিস্টেমটি পুরোনো মডেলের ফোনে ব্যবহার করা যাবে না।অ্যাপল জানিয়েছে, নতুন অপারেটিং সিস্টেমটি আইফোন ১৫, আইফোন ১৫ প্লাস, আইফোন ১৫ প্রো, আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স, আইফোন ১৪, আইফোন ১৪ প্লাস, আইফোন ১৪ প্রো, আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স, আইফোন ১৩, আইফোন ১৩ মিনি, আইফোন ১৩ প্রো, আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স, আইফোন ১২, আইফোন ১২ মিনি, আইফোন ১২ প্রো, আইফোন ১২ প্রো ম্যাক্স, আইফোন ১১, আইফোন ১১ প্রো, আইফোন ১১ প্রো ম্যাক্স, আইফোন এক্সএস, আইফোন এক্সএস ম্যাক্স, আইফোন এক্স আর এবং আইফোন এসই-তে (দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে পরবর্তী সংস্করণ) ব্যবহার করা যাবে।এসএফ
    কি-বোর্ডে অক্ষরগুলো এমন এলোমেলো থাকে কেন?
    আমরা কি-বোর্ডে যে বিন্যাস বা লেআউট ব্যবহার করি, সেটার নাম কোয়ার্টি। কি-বোর্ডে বাঁ হাতের ওপরের দিকের অক্ষরগুলো দেখুন। ইংরেজিতে Q, W, E, R, T ও Y অক্ষর ছয়টি পাশাপাশি পাবেন। এই ছয় অক্ষর এক করেই বিন্যাসটিকে বলা হয় কোয়ার্টি। কেবল কম্পিউটারেই নয়, স্মার্টফোনেও এখন একই বিন্যাসের ভার্চুয়াল কি-বোর্ড ব্যবহার করা হয়।১৮৭৩ সালে রেমিংটন টাইপরাইটারটি প্রথম যেদিন বাজারে ছাড়া হয়, বর্তমানের জীবিত ব্যক্তিদের কেউ তখন জন্মাননি। অথচ ১৪৮ বছর পর আজও আমরা এই বিন্যাস আঁকড়ে পড়ে আছি। আধুনিক কি-বোর্ডে অক্ষরের বিন্যাস বেছে নেওয়া হয়েছে উনিশ শতকের এই যন্ত্র থেকে।তসেই সময় টাইপরাইটারের অক্ষরগুলো এভাবে সাজানোর পেছনে কারণ তো ছিল বটেই! তবে মূল কারণ যে কোনটি, তা নিয়ে দুই ধরনের তত্ত্ব পাওয়া যায়। একটি তত্ত্ব হলো, শুরুতে টাইপরাইটারে অক্ষরগুলো বর্ণানুক্রমিক ছিল। তবে সে সময় কেউ কেউ কি-বোর্ডে এত দ্রুত টাইপ করতেন যে বোতামগুলোর নিচে যুক্ত রড একটি আরেকটিতে আঘাত করত। কখনো কখনো আটকে গিয়ে বন্ধ হয়ে যেত টাইপিং। সেই সমস্যা সমাধানে কোয়ার্টি কি-বোর্ডের প্রচলন করা হয়।কোয়ার্টি বিন্যাসে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অক্ষরগুলো দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়, যেন টাইপ করার সময় নিচের রডগুলো একটির সঙ্গে আরেকটি বাড়ি না খায়। রেমিংটন কি-বোর্ডের জনপ্রিয়তার সঙ্গে জনপ্রিয় হয় কোয়ার্টি কি-বোর্ডও।তবে জাপানি গবেষকদের উদ্ধৃতি দিয়ে ওপরের তত্ত্বটিকে উড়িয়ে দিয়েছেন ‘স্মিথসোনিয়ান’ ম্যাগাজিনের জিমি স্ট্যাম্প। কোয়ার্টি বিন্যাসসহ কি-বোর্ডের পেটেন্ট প্রথম করেন ক্রিস্টোফার শোলস। তবে কেবল তিনিই বিন্যাসটির উদ্ভাবক নন বলে জানিয়েছেন স্ট্যাম্প। বরং টেলিগ্রাফ অপারেটররা মোর্স সংকেতের ইংরেজি প্রতিলিপি তৈরির জন্য টাইপরাইটার ব্যবহার করতেন। তাদের সুবিধার্থে দ্রুত এবং সহজে টাইপ করার জন্য সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হয়ে দাঁড়িয়েছে কোয়ার্টি কি-বোর্ড। অর্থাৎ অনেক গবেষণার পর সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে উদ্ভাবিত হয় কোয়ার্টি।এরপর নতুন ধরনের লেআউট প্রচলনের চেষ্টা যে হয়নি, তা নয়। তবে একে তো কোয়ার্টি কি-বোর্ডে আমরা অভ্যস্ত হয়ে গেছি। দ্বিতীয়ত, একবার শিখে গেলে এটা বেশ সহজও। আর অনেকে তো না দেখেই দিব্যি কি-বোর্ডে ঝড় তুলতে পারেন।সূত্র: দ্য আটলান্টিক, গিজমোডোএসএফ 
    লুকিয়ে অন্য কেউ ব্যবহার করছে না তো আপনার হোয়াটসঅ্যাপ!
     মেটার সবচেয়ে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। বিশ্বের কয়েকশ কোটি মানুষ এই অ্যাপের উপর তাদের ভরসা রাখেন। এই মাধ্যমটি এন্ড টু এন্ড এনক্রিপটেড। ফলে ব্যবহারকারীর চ্যাট ও কল থাকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত। হোয়াটসঅ্যাপ নিজেই দাবি করছে চাইলে তারাও গ্রাহকের মেসেজ পড়তে পারেন না। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে এত নিরাপত্তার পরেও কি হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাক করা যাবে? উত্তর হচ্ছে হ্যা, হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাক হতে পারে। হ্যাকাররা বিভিন্ন উপায়ে হোয়াটসঅ্যাপে প্রবেশ করতে পারে। এই পদ্ধতিগুলোকে সরাসরি হ্যাকিং বলা যাবে না। কিন্তু হ্যাকাররা ব্যবহারকারীদের ধোঁকা দিয়ে অ্যাপটিতে প্রবেশ করতে সফল হয়।যেহেতু হোয়াটসঅ্যাপের বার্তাগুলো ডিভাইসে সংরক্ষণ করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে, যে কেউ অন্য কোনো অ্যাকাউন্ট থেকে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করছে আপনার পুরনো কথোপকথন পড়তে পারবে না। এছাড়াও মনে রাখবেন যে শুধুমাত্র টেক্সটের উত্তর দিয়ে আপনাকে সহজে হ্যাক করা যাবে না।তবে, আপনি যত বেশি হ্যাকারদের সঙ্গে জড়িত থাকবেন। আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার আশঙ্কা ততই থাকবে। হ্যাকাররা আপনাকে কোনো না কোনোভাবে প্রতারণা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা চায় আপনি যেকোনো লিঙ্কে ক্লিক করুন, যাতে আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে যায়।এছাড়া অনেকেই বেশি ফিচার্সের লোভে গোলাপি রঙের হোয়াটসঅ্যাপ লোগোযুক্ত একটি অ্যাপ ডাউনলোড করে থাকেন। এর ফলে হ্যাকারদের দ্বারা তারা খুব সহজেই প্রতারিত হন। অ্যানড্রয়েড মোবাইলে গুগল প্লে-স্টোর এবং অ্যাপল অ্যাপ স্টোর ছাড়া হোয়াটসঅ্যাপ ডাউনলোড করা একদমই উচিত নয়।যেভাবে হ্যাক হয় হোয়াসঅ্যাপপ্রতারণার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে যাচাইকরণ কোড নেয়া। স্পাইওয়্যার ব্যবহার করা হয়। একটি লিঙ্কের মাধ্যমে ম্যালওয়্যার পাঠানো হয়। আপনার ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ক্লোন করে ব্যবহার করা হয়।হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে বুঝবেন যেভাবেহোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে বুঝবেন যেভাবেআপনি এমন বার্তা দেখতে পারেন যা আপনি পাঠাননি। প্রোফাইল ফটো বা নাম পরিবর্তন হতে পারে।বিভিন্ন ডিভাইস থেকে লগইন হতে দেখা যাবে।অপরিচিত নম্বর থেকে কল আসা যাওয়া দেখা যেতে পারে।এমন হলে হোয়াটসঅ্যাপ সুরক্ষিত করবেন যেভাবেএমন হলে হোয়াটসঅ্যাপ সুরক্ষিত করবেন যেভাবেআপনার রেজিস্ট্রেশন কোড বা ভেরিফিকেশন পিন কখনই অন্য কারো সঙ্গে শেয়ার করবেন না।টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন অন করে রাখুন এবং একটি ই-মেইল ঠিকানাও প্রদান করুন। আপনি পিন ভুলে গেলে এটি পুনরুদ্ধারের জন্য উপযোগী হবে। আপনার ফোনে একটি ভয়েসমেইল পাসওয়ার্ড সেট করুন। উপরোক্ত নিয়মকানুন মানলে আপনার হোয়াটসঅ্যাপ থাকবে নিরাপদ। আপনি থাকবেন হ্যাকিং মুক্ত। এসএফ
    ওরিয়ন তারাগুচ্ছে ‘ভবঘুরে’ গ্রহ খুঁজছেন বিজ্ঞানীরা
    ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা ‘ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি (ইএসএ)’-এর তৈরি স্পেস টেলিস্কোপ ‘ইউক্লিড’কে গত বছর মহাকাশে পাঠানো হয়।ওরিয়ন তারাগুচ্ছে মুক্ত ভাসমান গ্রহের খোঁজ সম্প্রতি শুরু করেছে ইউরোপীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইএসএ’র স্পেস টেলিস্কোপ ইউক্লিড।ছায়াপথে সম্ভবত এমন লাখ লাখ ‘ভবঘুরে’ বা মুক্ত-ভাসমান গ্রহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে, যেগুলো ফ্রি ফ্লোটিং প্ল্যানেট বা ‘এফএফপি’ নামেও পরিচিত।এইসব গ্রহ তারায় পরিণত হওয়ার মতো যথেষ্ট বড় নয় এমনকি কোনো তারার মাধ্যাকর্ষণেও আটকে থাকে না এরা। তাই জ্যোতির্বিদদের পক্ষে এদের চিহ্নিত করা বেশ কঠিন কারণ এদের নিজস্ব কোনো আলো নেই। ফলে, কেবল কোনো আলোকিত বস্তুকে অতিক্রম করার সময় এদের দেখা মেলে, তাও ওই বস্তুর আলোয় আলোকিত হওয়ার মাধ্যমে।গত বছর ইউক্লিড স্পেস টেলিস্কোপকে মহাকাশে পাঠিয়েছে ইএসএ।এ টেলিস্কোপটির প্রাথমিক লক্ষ্য মহাবিশ্বের ইতিহাস পর্যবেক্ষণ করা। তবে নতুন এক গবেষণাপত্রে একটি রোমাঞ্চকর পার্শ্ব প্রকল্প ব্যাখ্যা করা হয়েছে, তা হল, ওরিয়ন নক্ষত্রপূঞ্জে এফএফপি খোঁজার বিষয়টি।বিশেষ করে ‘সিগমা ওরিওনিস’ নামে পরিচিত এক সিস্টেমের আশপাশে বিভিন্ন ‘এফএফপি’ খুঁজে দেখছে টেলিস্কোপটি, যা সুপরিচিত ‘ওরিয়ন বেল্ট’-এর পূর্ব দিকে অবস্থিত। এই ‘তারা’ ব্যবস্থায় অন্তত পাঁচটি ভিন্ন তারা আছে, যেগুলো একে অপরের সঙ্গে কোনো না কোনো ভাবে মহাকর্ষীয় বলে আবদ্ধ। আর এতে করে এ ‘ক্লাস্টার বা গুচ্ছ’ গঠিত হয়েছে।এ ধরনের মুক্ত-ভাসমান গ্রহকে ‘ফেইলড স্টার’ হিসাবেও বিবেচনা হয়। কারণ, তারা গঠনের ফিউশন প্রক্রিয়া শুরু করার মতো যথেষ্ট ভর ছিল না এদের কাছে। এমনকি তারা-গঠন সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে এবারই প্রথম এদের সন্ধান মিলল, বিষয়টি এমনও নয়।‘এনজিসি ১৩৩৩’ ও ‘কোলাইডার ৬৯’ নামে পরিচিত দুটি নীহারিকা এমনকি ‘ওরিয়ন নেবুলা’তেও এমন ‘এফএফপি’র খোঁজ মিলেছে। ‘সিগমা ওরিওনিস’-এ এমন গ্রহ খুঁজে পাওয়ার প্রথম ঘটনাও নয় এটি। তবে, এই প্রথম নির্ভুলতার সঙ্গে এদের শনাক্ত করতে পেরেছে ইউক্লিড টেলিস্কোপটি।এ গবেষণার লেখকদের দাবি, এমন মুক্ত ভাসমান গ্রহ ‘সর্বত্র ছড়িয়ে রয়েছে ও এদের সংখ্যাও সম্ভবত অনেক বেশি।এমনকি আগের তুলনায় বেশ কিছু আকারে ছোট এফএফপি’ও খুঁজে পেয়েছেন জোতির্বিদরা। এজন্য তারা ‘ইনিশিয়াল ম্যাস ফাংশন (আইএমএফ)’ নামের একটি অ্যালগরিদম ব্যবহার করেছেন, যেটি নির্দিষ্ট মাত্রায় গঠিত তারার সংখ্যা বর্ণনা করতে সক্ষম।‘এফএফপি’র নিম্ন সীমা সংজ্ঞায়িত করে থাকে ‘আইএমএফ’। যেমন– যদি কোনো একটি বস্তু তারা হওয়ার জন্য যথেষ্ট বড় না হলে তা একটি এফএফপি হয়ে ওঠে।যথেষ্ট ছোট আকারের ‘এফএফপি’র সহায়তা নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে ‘আইএমএফ’র সীমা নির্ধারণের সুযোগ পান জোতির্বিদরা। তবে এখন পর্যন্ত এরা তুলনামূলক কম সংবেদনশীল ডিটেক্টরের নজর এড়িয়ে গেছে।এসএফ

    আইন-আদালত

    সব দেখুন
    ব্লগার নাজিম হত্যা: মেজর জিয়াসহ ৪ আসামির বিচার শুরু
    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র ব্লগার নাজিমুদ্দিন সামাদ হত্যা মামলায় আনসার আল ইসলামের সামরিক শাখার প্রধান চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক জিয়াসহ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এরমধ্য দিয়ে আট বছর পর মামলাটির বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমানের আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন না মঞ্জুর করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। একইসঙ্গে আগামী ৬ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করেন আদালত। বিচার শুরু হওয়া অপর আসামিরা হলো– রশিদুন নবী ভূঁইয়া ওরফে টিপু ওরফে রাসেল ওরফে রফিক ওরফে রায়হান , আকরাম হোসেন ও শেখ আব্দুল্লাহ ওরফে জুবায়ের।  এছাড়াও মামলার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় পাঁচ জনকে অব্যাহতির আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন– মো. ওয়ালিউল্লাহ ওরফে ওলি ওরফে তাহেব ওরফে তাহসিন, সাব্বিরুল হক চৌধুরী ওরফে আকাশ ওরফে কনিক, মাওলানা জুনেদ আহাম্মেদ ওরফে সাব্বির ওরফে জুনায়েদ ওরফে তাহের, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন, ও মো. আরাফাত রহমান। সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. গোলাম ছারোয়ার খান জাকির এ সব তথ্য জানান।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৬ এপ্রিল রাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস শেষে পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় মেসে ফেরার পথে লক্ষ্মীবাজারের একরামপুর মোড়ে জঙ্গিরা কুপিয়ে এবং গুলি করে হত্যা করেন ব্লগার নাজিমুদ্দিনকে। এ ঘটনায় পরদিন সূত্রাপুর থানার এসআই মো. নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। ২০২০ সালের ২০ আগস্ট বহিষ্কৃত মেজর সৈয়দ মো. জিয়াউল হক জিয়াসহ ৯ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট।এবি 

    প্রবাস

    সব দেখুন
    সৌদিতে মৃত হজযাত্রীর সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়েছে, নিখোঁজ অনেকে
    তীব্র তাপপ্রবাহ ও অসহনীয় গরমে চলতি বছরের হজের শুরু থেকে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৯২২ জন হাজীর। মৃতদের অধিকাংশই মিসরের নাগরিক। এছাড়াও, বহু সংখ্যক হজযাত্রীর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।সৌদির সরকারি প্রশাসন, মক্কার বিভিন্ন হাসপাতাল এবং সৌদির বিভিন্ন দেশের দূতাবাস এই  তথ্য নিশ্চিত করেছে।মক্কার প্রশাসনসূত্রে জানা গেছে, হজের শুরু থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৬০০ মিসরীয় হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। মিসরের বাইরে জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সেনেগাল, তিউনিসিয়া, বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকরাও রয়েছেন মৃত হজযাত্রীদের তালিকায়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এবার হজ করতে মক্কায় গিয়ে মারা গেছেন ৩০ জন বাংলাদেশি।যেসব হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে, তাদের একটি বড় অংশই অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করেছিলেন বলে জানিয়েছে দেশটির প্রশাসন।চলতি বছর হজ শুরু হয়েছে গত ১৪ জুন থেকে। সৌদির আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহ ধরে মক্কার তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। সোমবার মক্কার তাপমাত্রা ছিল ৫১ দশমিক ৮ডিগ্রি সেলসিয়াস।বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৮ লাখ হজযাত্রী এবার হজ করতে সৌদি এসেছেন। বিদেশি হজযাত্রীদের অনেকেই মক্কার তীব্র গরমে অভ্যস্ত নন। তাছাড়া এই হজযাত্রীদের মধ্যে এমন হাজার হাজার যাত্রী রয়েছেন, যারা বিধি মেনে সৌদিতে আসেননি। ফলে প্রখর তাপপ্রবাহ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে যাত্রীদের জন্য যেসব সুবিধা ও পরিষেবা বরাদ্দ করেছে সৌদির সরকার, সেসব তারা পাচ্ছেন না। অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করা এই হজযাত্রীরা এমনকি থাকা, খাওয়া এবং এয়ার কন্ডিশন সুবিধাও পাচ্ছেন না। এছাড়া হজের বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন বহুসংখ্যক যাত্রী। এই গরমে নিরাপদ আশ্রয়ের বাইরে থাকা এই হজযাত্রীদের সবাই বেঁচে আছেন এমন নিশ্চয়তা নেই। তাই সামনের দিনগুলোতে মৃত হজযাত্রীদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    লাইফস্টাইল

    সব দেখুন
    গন্ধরাজ চিংড়ির রেসিপি
    ঈদ তো শেষ হয়েছে আরও আগে তবে মাংস খাওয়া চলছে এখন। একটানা মাংস খেয়ে অনেকে আবার বদ হজমের সমস্যায় পরেছেন। তবে এবার একেবারে লাগামহীন খাওয়াদাওয়া থেকে বেরেয়ে পেটের শান্তি ও জিভের স্বাদ বদলে দরকার নতুন কিছু রেসিপি। চলুন জেনে নেওয়া যাক গন্ধরাজ চিংড়ির রেসিপি উপকরণ:১০-১২টি মাঝারি আকারের চিংড়ি খোসা ছাড়ানো এবং শিরাবিহীন১০০ মিলি ফ্রেশ ক্রিম চাবুক১টি বড় পেঁয়াজ কুচি করে কাটা২ চা চামচ আদা টাটকা কুচিগন্ধরাজ লেবুর রস ১ টেবিল চামচ১০-১২ আস্ত কালো গোলমরিচ ভুট্টা১ টেবিল চামচ কালো গোলমরিচ গুঁড়া২ টেবিল চামচ সরিষার তেলচিনি ১ চা চামচলবণ পরিমাণমতো।যেভাবে তৈরি করবেন : পাত্রে আদা বাটা, লেবুর রস ও লবণ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে চিংড়িগুলো মেখে আধাঘণ্টা রেখে দিন। প্যানে তেল গরম করে চিংড়ি গোলাপি হওয়া পর্যন্ত শ্যালো ফ্রাই করে তুলে নিন। প্যানে অবশিষ্ট তেল দিয়ে কালো গোলমরিচ ও পেঁয়াজ দিয়ে নরম হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। বাকি আদা বাটা ও গোলমরিচ গুঁড়া দিয়ে আরো ২-৩ মিনিট ভেজে চিংড়ি দিয়ে আরো ২-৩ মিনিট রান্না করুন।এরপর আঁচ কমিয়ে ক্রিম, অবশিষ্ট লেবুর রস দিয়ে নাড়ুন। এরপর চিনি এবং লবণ ছিটিয়ে ঢেকে আরো ৫ মিনিট রান্না করে গরম গরম পরিবেশন করুন।এবি 

    Loading…