২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী
আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি দেশের কৃতী সন্তানদের হাতে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘একুশে পদক ২০২৬’ তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আজম উদ্দীন তালুকদার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই কর্মসূচির তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘একুশে পদক-২০২৬’ প্রদান করবেন। অনুষ্ঠানে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও মন্ত্রিসভার সদস্যগণ, পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত বিশিষ্ট সুধীবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।জাতীয় জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখায় যারা গৌরবোজ্জ্বল অবদান রেখেছেন, তাদের এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির মাধ্যমে সম্মানিত করা হবে।একুশে পদক প্রদানের রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে প্রধানমন্ত্রী ওই দিন বিকেলেই যোগ দেবেন বছরের সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক মিলনমেলা ‘অমর একুশে বইমেলা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। তিনি সশরীরে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। এবি
যেকোনো মূল্যে স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ আইজিপির
যে কোনো মূল্যে স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কেউ চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস বা মাদক সংক্রান্ত অপরাধ করলে দলমত নির্বিশেষে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে পুলিশের সব ইউনিট প্রধান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপারগণের সাথে এক ভার্চুয়াল সভায় এসব কথা বলেন তিনি।আইজিপি বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের কোনো ধরনের তৎপরতা চলতে দেওয়া যাবে না। কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।আইজিপি মহাসড়কে ডাকাতি প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, যেকোন মূল্যে হাইওয়ে ডাকাতি বন্ধ করতে হবে।তিনি হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশকেও মহাসড়কে ডাকাতি প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স প্রান্তে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত আইজিগণ উপস্থিত ছিলেন।এমআর-২
জাতীয়
সব দেখুন
আরও ৭১৩ জুলাইযোদ্ধার গেজেট প্রকাশ
তিনটি ক্যাটাগরিতে আরও ৭১৩ জন জুলাইযোদ্ধার গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। গত ১১, ১৩ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি তিন ধাপে এসব গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।জুলাইযোদ্ধাদের মধ্যে ‘ক’ ক্যাটাগরির অতি গুরুতর আহত ৬ জন, ‘খ’ ক্যাটাগরির গুরুতর আহত ৩৩ জন রয়েছেন। বাকি ৬৭৪ জন ‘গ’ ক্যাটাগরির আহত জুলাইযোদ্ধা।‘গ’ ক্যাটাগরির আহত জুলাইযোদ্ধাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২০১ জন, বরিশাল বিভাগে দুজন, সিলেট বিভাগে ২৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ২৩৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৫৫ জন, রংপুর বিভাগে ৫১ জন ও খুলনা বিভাগে পাঁচজন রয়েছেন।‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের কল্যাণ এবং পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে দেওয়া ক্ষমতাবলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এ ‘জুলাইযোদ্ধা’ গেজেট সরকার প্রকাশ করে বলে গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।এখন তিন শ্রেণিতে জুলাইযোদ্ধার সংখ্যা ১৬ হাজার ছাড়িয়েছে বলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে। ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন আন্দোলনে অংশ নিয়ে নিহত ব্যক্তিদের ‘জুলাই শহীদ’ এবং আহত ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’র মর্যাদা দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।অতি গুরুতর আহতদের ‘ক’ শ্রেণি, গুরুতর আহতদের ‘খ’ শ্রেণি ও সাধারণ আহতদের ‘গ’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকার কয়েক দফায় তিন ক্যাটাগরির জুলাইযোদ্ধাদের তালিকা প্রকাশ করে। পরে মিথ্যা তথ্য দিয়ে তালিকাভুক্ত হওয়া এবং একাধিকবার নাম আসা ১২৮ জন জুলাইযোদ্ধার গেজেট বাতিল করা হয়।আহতদের ক্যাটাগরি অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে সরকার। যারা অতি গুরুতর আহত (ক-শ্রেণি) তারা এককালীন ৫ লাখ টাকা পেয়েছেন এবং প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন। একটি অঙ্গহানি হয়েছে এমন গুরুতর আহত (খ-শ্রেণি) যারা আছেন তারা প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা ভাতা পাচ্ছেন এবং এককালীন ৩ লাখ টাকা পেয়েছেন। গ-শ্রেণির আহতদের এককালীন এক লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তারা প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন। পাশাপাশি তাদের চিকিৎসা বাবদ সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে।এনআই
ঈদের আগে বগুড়া-দিনাজপুরে মিলবে ফ্যামিলি কার্ড
সরকার গঠনের পর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিএনপির অগ্রাধিকার কর্মসূচিতে স্থান পেয়েছে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ। আসন্ন ঈদের আগেই শুরু হচ্ছে এই পাইলট প্রকল্প। যার আওতায় প্রত্যেক সুবিধাভোগীকে মাসে ২ হাজার টাকা করে দেয়া হতে পারে। এতে ৫০ লাখ সুবিধাভোগীর জন্য বছরে সরকারকে গুণতে হবে ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রস্তাবনা নিয়ে ফ্যামিলি কার্ডের কর্মকৌশল তৈরি শুরু হয়েছে। যা চলতি সপ্তাহেই চূড়ান্ত হতে পারে। এছাড়া অর্থের যোগানে বিদ্যমান কিছু সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সঙ্গে নতুন এই উদ্যোগের সমন্বয় করা হতে পারে।ফ্যামিলি কার্ডের জন্য শুরুতে বাছাই করা হয়েছে বগুড়া ও দিনাজপুরের ৮ টি উপজেলাকে। এরমধ্যে পাইলট প্রকল্প শুরু হচ্ছে বগুড়ার গাবতলী ও দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায়। এ ক্ষেত্রে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যরা অগ্রাধিকারভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এজন্য সুবিধাভোগী বাছাইয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সবশেষ খানা জরিপকে আমলে নেয়া হচ্ছে।সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সঙ্গে নতুন এ উদ্যোগের সমন্বয় করা হচ্ছে। যা বাস্তবায়নে বছরে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি থেকে ১ হাজার ২০৩ কোটি টাকা এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভালনারেবল ওম্যান ডেভেলপমেন্ট কর্মসূচি থেকে ২ হাজার ২২৩ কোটি টাকা আসছে। এছাড়াও বয়স্ক ও বিধবা ভাতা, মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি থেকে আরও ২ হাজার ১২১ কোটি টাকা আসতে পারে।এফএস
কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি সমৃদ্ধ হলেই দেশ উন্নত হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু
কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করতে পারলেই বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশে পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সাভারস্থ বিসিএস লাইভস্টক একাডেমি প্রাঙ্গণে নবনিয়োগপ্রাপ্ত ৪৪তম বিসিএস (প্রাণিসম্পদ) ক্যাডার কর্মকর্তাদের পাঁচ দিনব্যাপী অবহিতকরণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিল্পকারখানার বর্জ্য যথাযথ ব্যবস্থাপনা না হওয়ায় দেশের নদ-নদী দূষিত হচ্ছে, যা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। কৃষিভিত্তিক ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন গড়ে তুলতে পারলে একদিকে যেমন অর্থনীতি শক্তিশালী হবে, অন্যদিকে পরিবেশ সুরক্ষাও নিশ্চিত হবে।তিনি বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের আস্থা ও সমর্থন নিয়েই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চান। টুকু বলেন, দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন সময়ে জনগণের প্রত্যাশা ও অনুভূতির বিপরীতে অবস্থান নেওয়ার নজির থাকলেও বিএনপি সবসময় জনগণের সেন্টিমেন্ট ধারণ করে পথ চলেছে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি কখনোই দেশের মানুষের অনুভূতি ও আকাঙ্ক্ষার বিপক্ষে অবস্থান নেয়নি। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক ও অধিকারভিত্তিক আন্দোলনে দলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবসহ মানুষের অধিকার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংঘটিত আন্দোলনগুলোতেও বিএনপির ভূমিকা ছিল দৃশ্যমান। ১৯৯০ সালের গণআন্দোলনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ ২০২৪ সালের গণআন্দোলনেও বিএনপি নেতৃত্ব দিয়েছে।নবনিযুক্ত ক্যাডার কর্মকর্তাদের রাষ্ট্রের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা রাষ্ট্রের কর্মকর্তা। কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়, রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষাই আপনাদের প্রধান দায়িত্ব। তিনি কর্মকর্তাদের উপজেলাসহ মাঠপর্যায়ে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন।প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল আচরণ ও কর্মদক্ষতার পরিচয় দিতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য, উন্নত ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের।অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ প্রশিক্ষণার্থীরা এসময় উপস্থিত উপস্থিত ছিলেন।এসকে/আরআই
২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী
আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি দেশের কৃতী সন্তানদের হাতে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘একুশে পদক ২০২৬’ তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আজম উদ্দীন তালুকদার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই কর্মসূচির তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘একুশে পদক-২০২৬’ প্রদান করবেন। অনুষ্ঠানে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও মন্ত্রিসভার সদস্যগণ, পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত বিশিষ্ট সুধীবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।জাতীয় জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখায় যারা গৌরবোজ্জ্বল অবদান রেখেছেন, তাদের এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির মাধ্যমে সম্মানিত করা হবে।একুশে পদক প্রদানের রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে প্রধানমন্ত্রী ওই দিন বিকেলেই যোগ দেবেন বছরের সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক মিলনমেলা ‘অমর একুশে বইমেলা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। তিনি সশরীরে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। এবি
মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত
প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাই ও সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময়সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ।মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সভায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাই এবং সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে জানানো হয়।সভায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধই দেশের স্বাধীনতার মূল ভিত্তি। মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্যান্য আন্দোলন সংগ্রামকে এক করে দেখা ঠিক হবে না।মুক্তিযুদ্ধের চেতনার রাজনৈতিক অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং চেতনার এত বেশি অপব্যবহার হয়েছে যে, এর ফলে তরুণ প্রজন্ম সঠিক ইতিহাস জানা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।মুক্তিযোদ্ধারা কী অসীম ত্যাগ ও তিতিক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছেন, তা আমাদের নতুন প্রজন্মের অনেকেরই অজানা। তিনি আরও বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে, মুক্তিযুদ্ধই এই রাষ্ট্রের জন্মের মূল ভিত্তি।মতবিনিময়সভায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী, জামুকার সদস্য এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।এবি
সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় পদগুলোতে রদবদল হয়েছে। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সেনাসদর থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান। এর আগে তিনি আর্টডকের জিওসি ছিলেন।সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের বর্তমান প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসানকে রাষ্ট্রদূত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। নতুন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিস হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, এর আগে তিনি ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ছিলেন।এছাড়া মেজর জেনারেল জে এম ইমদাদুল ইসলামকে ৫৫ পদাতিক ডিভিশন থেকে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারে বদলি করা হয়েছে। আবার ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারের কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল ফেরদৌস হাসানকে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি করা হয়েছে।দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে কর্মরত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. হাফিজুর রহমানকে মেজর জেনারেলে পদোন্নতি দিয়ে ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি করা হয়েছে।এমআর-২
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে চাই: প্রণয় ভার্মা
নির্বাচিত নতুন সরকারের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থ ও জনগণের সুবিধাকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলাদেশ-ভারত জনকেন্দ্রিক সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় শেষে এ কথা জানান তিনি।ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘আজকের বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আমি পুনরায় আমাদের অবস্থান তুলে ধরেছি। আমরা বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে আগ্রহী। আমি জানিয়েছি, আমরা পারস্পরিক স্বার্থ ও পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে সব ক্ষেত্রে জনগণকেন্দ্রিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চাই। একটি ইতিবাচক, গঠনমূলক এবং ভবিষ্যতমুখী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে চাই।’তিনি বলেন, ‘আপনারা অবগত আছেন যে, নির্বাচনের পর থেকে আমাদের সঙ্গে বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ে বেশ কিছু যোগাযোগ হয়েছে। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানকে অভিনন্দন বার্তা পাঠান। একই দিনে তারা টেলিফোনে কথা বলেন। পরবর্তীতে ১৭ ফেব্রুয়ারি যখন নতুন সরকার শপথ নেয়, তখন ভারতের লোকসভার স্পিকার ঢাকায় গিয়ে শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং নতুন প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। বৈঠকের সময় লোকসভার স্পিকার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি চিঠি প্রধানমন্ত্রী রহমানের হাতে তুলে দেন।’প্রণয় ভার্মা আরও বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার এবং বহুমাত্রিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছি। আমরা একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠনে আমাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছি।’এমআর-২
যেকোনো মূল্যে স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ আইজিপির
যে কোনো মূল্যে স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কেউ চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস বা মাদক সংক্রান্ত অপরাধ করলে দলমত নির্বিশেষে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে পুলিশের সব ইউনিট প্রধান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপারগণের সাথে এক ভার্চুয়াল সভায় এসব কথা বলেন তিনি।আইজিপি বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের কোনো ধরনের তৎপরতা চলতে দেওয়া যাবে না। কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।আইজিপি মহাসড়কে ডাকাতি প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, যেকোন মূল্যে হাইওয়ে ডাকাতি বন্ধ করতে হবে।তিনি হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশকেও মহাসড়কে ডাকাতি প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স প্রান্তে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত আইজিগণ উপস্থিত ছিলেন।এমআর-২
সর্বশেষ প্রকাশিত
রাজনীতি
সব দেখুন
জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল দাবির বক্তব্য আমার নয়: তনি
জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো স্মারকলিপি সংবাদ সম্মেলনে পাঠের বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন সচেতন নাগরিক সমাজ (সিসিএস)–এর সদস্যসচিব রোবাইয়াত ফাতিমা তনি। তিনি বলেন, সচেতন নাগরিক সমাজ (সিসিএস)–এর আহ্বায়ক নীলা ইসরাফিলের অনুরোধেই জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো স্মারকলিপিটি পাঠ করেছিলেন তিনি।গত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্মারকলিপিটি পাঠ করেন তনি। সে সময় তাকে সংগঠনটির সদস্যসচিব হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় এবং আহ্বায়ক হিসেবে নীলা ইসরাফিলের নাম উল্লেখ করা হয়।তবে রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক লিখিত বিবৃতিতে তনি জানান, নীলা ইসরাফিল ব্যক্তিগত কারণে উপস্থিত থাকতে না পারায় তার সরাসরি অনুরোধে ও স্বাক্ষরিত লিখিত স্মারকলিপি অনুযায়ী তিনি বক্তব্যটি পাঠ করেন।বিবৃতিতে তনি বলেন, স্মারকলিপিটি সম্পূর্ণরূপে নীলা ইসরাফিল ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনের উদ্যোগে প্রস্তুত করা হয়েছে এবং তিনি এর রচয়িতা নন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনো ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো চিঠি দেননি বা অভিযোগ দায়ের করেননি বলেও উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি ছিল সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রদত্ত লিখিত বক্তব্য পাঠের একটি আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন।সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে প্রাণনাশের হুমকিসহ নানা ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন রোবাইয়াত ফাতিমা তনি। তার দাবি, তাকে ও তার পরিবারকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানহানিকর ও কুরুচিপূর্ণ তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, সংগঠিতভাবে অনলাইন বুলিং, ট্রলিং, মিথ্যা তথ্য প্রচার এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও পেশাগত সুনামকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।তনি জানান, যারা তাকে বা তার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানহানিকর তথ্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধেও সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।পাশাপাশি সংগঠিত অনলাইন হয়রানি ও ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় প্রযোজ্য সাইবার আইনসহ অন্যান্য আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি। ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তনি।হুমকিদাতা ও বিরূপ মন্তব্যকারীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজে মতপার্থক্য থাকতে পারে; তবে প্রাণনাশের হুমকি, মানহানি ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এসব কার্যক্রম বন্ধ না হলে সর্বোচ্চ কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।এমআর-২
জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল দাবির বক্তব্য আমার নয়: তনি
জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো স্মারকলিপি সংবাদ সম্মেলনে পাঠের বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন সচেতন নাগরিক সমাজ (সিসিএস)–এর সদস্যসচিব রোবাইয়াত ফাতিমা তনি। তিনি বলেন, সচেতন নাগরিক সমাজ (সিসিএস)–এর আহ্বায়ক নীলা ইসরাফিলের অনুরোধেই জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো স্মারকলিপিটি পাঠ করেছিলেন তিনি।গত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্মারকলিপিটি পাঠ করেন তনি। সে সময় তাকে সংগঠনটির সদস্যসচিব হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় এবং আহ্বায়ক হিসেবে নীলা ইসরাফিলের নাম উল্লেখ করা হয়।তবে রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক লিখিত বিবৃতিতে তনি জানান, নীলা ইসরাফিল ব্যক্তিগত কারণে উপস্থিত থাকতে না পারায় তার সরাসরি অনুরোধে ও স্বাক্ষরিত লিখিত স্মারকলিপি অনুযায়ী তিনি বক্তব্যটি পাঠ করেন।বিবৃতিতে তনি বলেন, স্মারকলিপিটি সম্পূর্ণরূপে নীলা ইসরাফিল ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনের উদ্যোগে প্রস্তুত করা হয়েছে এবং তিনি এর রচয়িতা নন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনো ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো চিঠি দেননি বা অভিযোগ দায়ের করেননি বলেও উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি ছিল সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রদত্ত লিখিত বক্তব্য পাঠের একটি আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন।সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে প্রাণনাশের হুমকিসহ নানা ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন রোবাইয়াত ফাতিমা তনি। তার দাবি, তাকে ও তার পরিবারকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানহানিকর ও কুরুচিপূর্ণ তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, সংগঠিতভাবে অনলাইন বুলিং, ট্রলিং, মিথ্যা তথ্য প্রচার এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও পেশাগত সুনামকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।তনি জানান, যারা তাকে বা তার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানহানিকর তথ্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধেও সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।পাশাপাশি সংগঠিত অনলাইন হয়রানি ও ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় প্রযোজ্য সাইবার আইনসহ অন্যান্য আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি। ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তনি।হুমকিদাতা ও বিরূপ মন্তব্যকারীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজে মতপার্থক্য থাকতে পারে; তবে প্রাণনাশের হুমকি, মানহানি ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এসব কার্যক্রম বন্ধ না হলে সর্বোচ্চ কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।এমআর-২
বিদ্যুৎ মন্ত্রীর বক্তব্য গণআকাঙ্ক্ষাকে অস্বীকারের শামিল: জামায়াত
‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান নিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর দেওয়া বক্তব্য ইতিহাস, ভাষাতত্ত্ব ও গণআকাঙ্ক্ষার বাস্তবতাকে অস্বীকার করার শামিল উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানান।বিবৃতিতে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা সভায় ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান সম্পর্কে মন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা অসঙ্গত। তিনি উল্লেখ করেন, ‘ইনকিলাব’ শব্দটি আরবি উৎসভিত্তিক হলেও উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন, স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রাম এবং গণঅধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে বহু দশক ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ভাষা কোনো সংকীর্ণ গণ্ডিতে আবদ্ধ নয়; বরং জনগণের ব্যবহারে তা সমৃদ্ধ ও বিকশিত হয়।তিনি আরও বলেন, বাংলা ভাষা নিজেই তদ্ভব, তৎসম, আরবি, ফারসি, পর্তুগিজ ও ইংরেজিসহ অসংখ্য ভাষা থেকে শব্দ গ্রহণ করে আজকের এই পরিণত রূপ লাভ করেছে। কোনো শব্দের উৎপত্তিকে কেন্দ্র করে তাকে ‘বাংলাবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া ভাষাবিজ্ঞানের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। ভাষার প্রশ্নে বিভাজন সৃষ্টি করে জাতিকে দ্বিধাবিভক্ত করার অপচেষ্টা কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছে কাম্য নয়।জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর একচেটিয়া স্লোগান নয়; এটি শোষণ, অন্যায় ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক। দেশের ছাত্র-জনতা যখন অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়, তখন তাদের কণ্ঠরোধ করার ভাষাগত যুক্তি দাঁড় করানো গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থী।মন্ত্রী টুকুর মন্তব্যের সূত্র ধরে বিবৃতিতে বলা হয়, মন্ত্রী বলেছেন এই স্লোগান উচ্চারিত হলে তার ‘রক্তক্ষরণ’ হয়। এর বিপরীতে জুবায়ের প্রশ্ন তোলেন, জনগণের অধিকার হরণ, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, টেন্ডারবাজি, ঘুষ-দুর্নীতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের অনিয়ম ও বৈষম্য কেন মন্ত্রীর হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটায় না? প্রকৃতপক্ষে এগুলোই জাতির হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটানোর জন্য যথেষ্ট, কিন্তু মন্ত্রীর মতো লোকদের হৃদয়ে তা পৌঁছায় না।দেশবাসীর প্রত্যাশা তুলে ধরে বিবৃতিতে বলা হয়, জনগণের ন্যায্য প্রতিবাদের ভাষাকে দোষারোপ না করে বরং জনদুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়াই সরকারের দায়িত্ব। জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে, বাংলা ভাষা আমাদের গৌরব ও আত্মপরিচয়ের ভিত্তি। এই ভাষার ভেতরে বহুমাত্রিক শব্দভাণ্ডার ও ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার সমন্বয় রয়েছে।কোনো শব্দ বা স্লোগানকে কেন্দ্র করে জাতিকে বিভক্ত করার চেষ্টা পরিহার করার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত অবিলম্বে মন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। অন্যথায় জনগণই এর যথাযথ জবাব দেবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।এইচএ
সিসিইউতে ভর্তি সেলিমা রহমান
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি হয়েছেন। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টায় হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি।বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।বেগম সেলিমা রহমানের পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে দোয়া চাওয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ যেন দ্রুত তাকে সুস্থ করে তোলেন।এমআর-২
‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’—জামায়াত আমিরের স্ট্যাটাস ভাইরাল
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ফেসবুকে দেওয়া একটি স্ট্যাটাস ভাইরাল হয়েছে।আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে স্ট্যাটাসটি দেন।আমির শফিকুর রহমান লেখেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আগামীর বাংলাদেশ ইনসাফের বাংলাদেশ। ইনকিলাব জিন্দাবাদ।এ প্রতিবেদন লেখার সময় মাত্র এক ঘণ্টায় স্ট্যাটাসটিতে সোয়া এক লাখের বেশি রিয়েক্ট পড়েছে। শেয়ার হয়েছে দুই হাজারের বেশি। একই সময় ১৭ হাজারের বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী পোস্টটিতে মন্তব্য করেন।এর আগে মাতৃভাষা নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় আমরা দায়বদ্ধ।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন তিনি।এইচএ
’বিএনপি সংস্কার পরিষদে শপথ না নিলে ৫ বছর ক্ষমতায় থাকা কঠিন হবে’
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরবঙ্গের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়ার বিষয়ে যে কথা বলেছেন, এ কথাটা বাংলাদেশের মানুষের গণরায়, গণভোটকে তিরস্কার করা হয়েছে। এই একই ভাষ্য যদি বিএনপির হয়, আমরা মনে করবো বিএনপির প্রতি আগামীতে জনগণের এ আস্থা আর থাকবে না। ফলে আগামী ৫ বছর ক্ষমতায় টিকে থাকাটাও তাদের জন্য খুব কঠিন হয়ে পড়বে।আজ শনিবার বিকেলে আশুলিয়ার বগাবাড়িতে নির্বাচন-পরবর্তী সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি ও নেতাকর্মীদের দিক-নির্দেশনা প্রদানের জন্য আয়োজিত সাংগঠনিক সভায় অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। সারজিস আলম বলেন, তারা যদি বলে এই শপথ নেওয়া সংবিধানে নেই, তাহলে তাদের এই ২০২৬ সালের নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে ক্ষমতায় আসাটাওতো সংবিধানের কোথাও নেই। তাহলে ওই নির্বাচনের মাধ্যমে তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়াটাও সংবিধানের কোথাও নেই। তাহলে এই বাংলাদেশে যে জুলাইয়ে যে অভ্যুত্থান হলো, যেই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে প্রত্যেকটা ঘটনা ঘটলো, এই জুলাইয়ের অভ্যুত্থানতো সংবিধানের কোথাও নেই।সাংগঠনিক সভার বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনের আগে উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হিসেবে উত্তরাঞ্চলের প্রত্যেকটি আসনের প্রার্থীদের কাছে আমার যাওয়া উচিত ছিল। অন্তত যে আসনগুলোতে আমাদের প্রার্থী আছে; সেই আসনগুলোতে আমার যাওয়া প্রয়োজন ছিলো। কিন্তু আমি নিজেও প্রার্থী হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। কোথাও হয়তো আমরা জয়ী হয়েছি, কোথাও হতে পারিনি। নির্বাচনে নেতাকর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করেছে, তাদের সঙ্গে দেখা করাটা জরুরি।আয়োজিত সাংগঠনিক সভায় ঢাকা-১৯ আসন থেকে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়া জামায়াতসমর্থিত ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী দিলশানা পারুলসহ এনসিপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।এফএস
শহীদ মিনারে ফুল দিতে বাধা: বিএনপির উদ্দেশে সতর্ক বার্তা রুমিন ফারহানার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের নবনির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সরাইলে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণে বাধার সম্মুখীন হয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে স্থানীয় বিএনপির একাংশের হামলার শিকার হওয়ার পর তিনি এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।রুমিন ফারহানা অভিযোগ করেন, ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে ১২টা ১ মিনিটে তারই সবার আগে ফুল দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিএনপির কিছু নেতাকর্মী তার ও তার সমর্থকদের ওপর রীতিমতো হামলা চালায়। তিনি বলেন, ‘আমাকে একপাশে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়ার মতো অবস্থা তৈরি করা হয়। আমার একজন কর্মীকে রক্তাক্ত করা হয়েছে।’তিনি এই হামলাকে ‘পুরোপুরি পূর্বপরিকল্পিত’ এবং ‘ভয়ংকর হিংস্রতা’ হিসেবে অভিহিত করেন। তার দাবি, নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার কষ্ট থেকে এবং কোটি কোটি টাকার লেনদেনে ব্যর্থ হয়ে গুন্ডা প্রকৃতির লোকেরা এই তাণ্ডব চালিয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আসায় নেতাকর্মীদের আচরণের বিষয়ে সতর্ক করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বিএনপি যদি লোকাল লেভেলে তার নেতাকর্মীদের কন্ট্রোল না করে, তবে এর পরিণতি ভয়াবহ হবে।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘সরকার মাত্রই এসেছে। এখনই যদি দল ও সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় উশৃঙ্খলদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়া হয়, তবে এটি দলের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর হবে।’আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আসার পাল্টা অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে তিনি বলেন, ‘প্রথমত এটি সত্য নয়। আর যদি কেউ যেতও, তার মানে কি এই যে তাকে মারতে হবে? তবে তো এই সরকারের ক্যারেক্টার নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।’এই ঘটনাকে একটি ‘সংঘবদ্ধ আক্রমণ’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি যথাযথ তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি সরকার এখানে কোনো রকম হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে, তবে সরকারকে এর পরিণতি ভোগ করতে হবে।’উল্লেখ্য, এই ঘটনার প্রতিবাদে রুমিন ফারহানার সমর্থকরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এইচএ
বাধার মুখে শহীদ মিনারে ফুল দিতে পারলেন না রুমিন ফারহানা
বাধার মুখে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে পারেননি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। এ ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন তার কর্মী-সমর্থকরা। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে সরাইল উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কর্মী-সমর্থকদের প্রহরায় শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন রুমিন ফারহানা।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে রাত পৌনে ১২টার দিকে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আসেন রুমিন ফারহানা। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা এসে রুমিন ফারহানাকে উদ্দেশ্য করে 'ভুয়া ভুয়া' স্লোগান দিতে থাকেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে রুমিন ফারহানার আনা পুষ্পস্তবকটি ছিঁড়ে ফেলেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পুষ্পস্তবক অর্পণ না করেই শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন তিনি।ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শাহবাজপুর প্রথম গেট এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন রুমিন ফারহানার কর্মী-সমর্থকরা।এ ঘটনার প্রতিবাদে তার কর্মী-সমর্থকরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শাহবাজপুর প্রথম গেট এলাকায় প্রায় এক ঘন্টা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। সড়কের উপর আগুন জ্বালিয়ে এ ঘটনার বিচার দাবি করেন। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা অভিযোগ করে বলেন, “নিয়ম অনুযায়ী আমি প্রথমে শহীদ মিনারে ফুল দিতে যাই। সে সময় বিএনপির কিছু নেতাকর্মী পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।”তিনি বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসে স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে যদি না পারে, তাহলে এর পরিণতি ভয়াবহ হবে। তাই যারা দলের পদ ব্যবহার করে এমন হিংস্রতা করে, তাদের বিষয়ে দলের উচ্চ পর্যায়ে থেকে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তা না হলে শুধু দলের না সরকারেরও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে।” সরাইল উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনিছুল ইসলাম ঠাকুর বলেন, ‘শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার ব্যাপারে আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর বাইরে আমাদের দলীয় কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। খোঁজখবর নিয়ে দেখব আসলে কী হয়েছে।” পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ বলেন, “শহীদ মিনারে দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি এবং স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুরো বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে হাঁস প্রতীকে ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব খেজুরগাছ প্রতীকে পান ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট। রুমিন ফারহানা বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহসম্পাদক ছিলেন। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় তিনি দলীয় পদ হারান।এইচএ
চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত
রাজধানীতে বাস-লেগুনা সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ জনের
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় বাস-লেগুনা সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মীর হাজারীবাগের গুন্ডিগড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহতদের একজন আজিজুল ইসলাম (৪৫)। অপর নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো জানা যায়নি। তার বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে।ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, যাত্রাবাড়ী এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাজু জানান, মীর হাজারীবাগ গুন্ডিগড় এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার একটি সংবাদ পেয়েছি। একটি লেগুন যাত্রী নামাচ্ছিল। এ সময় বাহাদুরশাহ পরিবহনের একটি বাস সামনে থেকে লেগুনাটিকে সজরে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় বাহাদুরশাহ পরিবহন জব্দ ও চালককে আটক করা হয়েছে।এমআর-২
আদাবরে চাঁদা না পেয়ে কারখানায় সশস্ত্র হামলা, গ্রেপ্তার ৩
রাজধানীর আদাবর এলাকায় একটি এমব্রয়ডারি কারখানায় স্থানীয় কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজ চক্রের সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে। এ সময় তারা কয়েকজন শ্রমিককে কুপিয়ে আহত করে। এ ঘটনার পর এমব্রয়ডারি ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে থানা ঘেরাও করেন। পরে এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত রাসেলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার বাকি দুজন হলেন, মারুফ ও হাসান।শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় আদাবরের ১৭ নম্বর রোডে এই ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে দেড় শতাধিক লোক হামলার বিচারের দাবিতে থানা ঘেরাও করেন।স্থানীয়রা জানান, শনিবার সন্ধ্যায় আবির এমব্রয়ডারি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রায়হান জহিরের কারখানায় আকস্মিকভাবে দেশীয় অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাং চক্রের সদস্যরা হামলা চালায়। এ সময় ওই কারখানার কয়েকজন শ্রমিককে কুপিয়ে আহত করা হয় বলে জানিয়েছেন মোস্তাফিজুর রায়হান জহিরের ভাতিজা মারুফ হাসান সুমন। তিনি জানান, রাসেল ওরফে কালা রাসেল নামের স্থানীয় এক কিশোর গ্যাং সদস্য তার চাচার কাছে ঈদ উপলক্ষ্যে চাঁদা দাবি করে। তিনি তা দিতে অস্বীকার করায় সন্ধ্যায় রাসেলের নেতৃত্বে ১০-১২ জন কিশোর গ্যাং সদস্য তাদের কারখানায় হামলা চালায়। এ সময় কারখানার কয়েকজন শ্রমিককে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলছেন, আদাবরের কিশোর গ্যাং লিডার রাসেল ওরফে কালা রাসেলের নেতৃত্বেই আজকের এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। তারা মূলত আদাবরের আরেক কিশোর গ্যাং লিডার রানার অনুসারী হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি ও দখলবাজি করে থাকে। এই রানা আদাবর ও মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন জায়গায় চাঁদার দাবিতে হামলা চালায়। তবে জীবননাশের ভয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাসিন্দারা এসব তথ্য জানান।এদিকে, এই ঘটনার বিচারের দাবিতে রাত সাড়ে ১০টায় আদাবর থানা ঘেরাও করেন এমব্রয়ডারি মালিক ও শ্রমিকরা। তাদের আদাবর থানার সামনের সড়কে দাঁড়িয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। পরবর্তীতে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ বিষয়ে তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আদাবর থানার সামনে আজ শতাধিক লোক জড়ো হয়েছিল। আবির এমব্রয়ডারি কারখানায় একটি ঘটনা ঘটার প্রেক্ষিতে তারা থানার সামনে অবস্থান নেয়। গতকাল ওই কারখানায় শ্রমিকদের বেতন দেওয়ার সময় ১০-১২ জনের একটি সশস্ত্র গ্রুপ চাপাতি নিয়ে হামলা চালায়। এতে বেশ কয়েকজন শ্রমিক আহত হন এবং তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।তিনি আরও জানান, রাসেল ওরফে কালা রাসেলের আদাবর ১৬ নম্বরের বাসায় শ্রমিকরা একত্রিত হয়ে ঘেরাও করলে পুলিশ তার বাবাকে হেফাজতে নেয়। এরপর সেখান থেকে শ্রমিকরা বিচারের দাবিতে থানার সামনে জড়ো হয়। আদিব এমব্রয়ডারির মালিক জহির ইতোমধ্যে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এই ঘটনায় অভিযুক্ত রাসেলসহ তিনজনকেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।এবি
রাজধানীতে তীব্র যানজট, ইফতারের আগে গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে শঙ্কা
পবিত্র রমজান উপলক্ষে সরকারি অফিস, আদালত ও ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনার নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন সময় অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া অফিস-আদালত চলবে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত।রমজানের প্রথম দিন কর্মঘণ্টা শেষ হতেই কর্মস্থল থেকে ঘরমুখী মানুষের চাপে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে দেখা দিয়েছে যানজট।আবার কোথাও কোথাও ধীরগতিতে চলছে যানবাহন। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। ইফতারের আগে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন কিনা- তা নিয়েও শঙ্কা দেখা দিয়েছে অনেকের মনে।বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর শ্যামলী, আসাদগেট, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার এলাকা সরেজমিন ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। এছাড়া রাজধানীর অন্যান্য সড়কেও দীর্ঘ যানজটের তথ্য মিলেছে।এর আগে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা যাওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকে রমজান মাস শুরু হয়েছে। আজ থেকে নতুন সময়ে চলছে সরকারি অফিস-আদালত-ব্যাংক। পুরো রমজান মাস সরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে চলবে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত।এমআর-২
রমজানে নতুন সময়সূচিতে চলবে মেট্রোরেল, নেওয়া যাবে পানি
আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি পবিত্র রমজান মাসের প্রথম দিন থেকে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী চলবে ঢাকার দ্রুতগতির গণপরিবহন মেট্রোরেল। এ সময় ইফতারের জন্য যাত্রীরা সঙ্গে সর্বোচ্চ ২৫০ মিলিলিটার (মিলি) পানির বোতল বহন করতে পারবেন বলে জানিয়েছে মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।ডিএমটিসিএলের পরিচালক (প্রশাসন) এ কে এম খায়রুল আলম স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।নির্দেশনায় বলা হয়, রমজান মাসের অফিস সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রথম রমজান থেকে ঈদুল ফিতরের আগের দিন পর্যন্ত সাপ্তাহিক কর্মদিবসে নতুন নিয়মে মেট্রোরেল চলাচল করবে।সময়সূচি অনুযায়ী উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল অভিমুখে প্রথম ট্রেন ছাড়বে সকাল সাড়ে ৬টায় এবং শেষ ট্রেন রাত সাড়ে ৯টায়। অন্যদিকে মতিঝিল থেকে উত্তরা উত্তর স্টেশনের উদ্দেশ্যে প্রথম ট্রেন ছাড়বে সকাল সোয়া ৭টায় এবং শেষ ট্রেন রাত ১০টা ১০ মিনিটে।উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিলগামী ট্রেনের হেডওয়ে সকাল সাড়ে ৬টা থেকে সকাল ৭টা ১০ মিনিট পর্যন্ত ২০ মিনিট, সকাল ৭টা ১১ মিনিট থেকে সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ১০ মিনিট, সকাল ৭টা ৩১ মিনিট থেকে সকাল ৮টা ১০ মিনিট পর্যন্ত ৮ মিনিট, সকাল ৮টা ১১ মিনিট থেকে সকাল ৯টা ৫৩ মিনিট পর্যন্ত সাড়ে ৫ থেকে ৬ মিনিট, সকাল ৯টা ৫৪ মিনিট থেকে দুপুর ২টা ৫৬ মিনিট পর্যন্ত ৮ মিনিট, দুপুর ২টা ৫৭ মিনিট থেকে বিকাল ৫টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত সাড়ে ৫ থেকে ৬ মিনিট, বিকাল ৫টা ৪২ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিট পর্যন্ত ৮ মিনিট, সন্ধ্যা ৬টা ১৪ মিনিট থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ১০ মিনিট এবং রাত ৯টা ১ মিনিট থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ১৫ মিনিট থাকবে।অন্যদিকে মতিঝিল থেকে উত্তরা উত্তরগামী ট্রেনের হেডওয়ে সকাল ৭টা ১৫ মিনিট থেকে সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ১৫ মিনিট, সকাল ৭টা ৩১ মিনিট থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত ১০ মিনিট, সকাল ৮টা ১ মিনিট থেকে সকাল ৮টা ৪৮ মিনিট পর্যন্ত ৮ মিনিট, সকাল ৮টা ৪৯ মিনিট থেকে সকাল ১০টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত সাড়ে ৫ থেকে ৬ মিনিট, সকাল ১০টা ৩২ মিনিট থেকে দুপুর ৩টা ৩৪ মিনিট পর্যন্ত ৮ মিনিট, দুপুর ৩টা ৩৫ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিট পর্যন্ত সাড়ে ৫ থেকে ৬ মিনিট, সন্ধ্যা ৬টা ২১ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত ৮ মিনিট, সন্ধ্যা ৬টা ৫৩ মিনিট থেকে রাত ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ১০ মিনিট এবং রাত ৯টা ৪১ মিনিট থেকে রাত ১০টা ১০ মিনিট পর্যন্ত ১৫ মিনিট থাকবে।নির্দেশনায় আরও বলা হয়, পবিত্র রমজানে ইফতারের সময় পানি পান করার জন্য প্রত্যেক যাত্রী মেট্রোরেল ও স্টেশন এলাকায় শুধুমাত্র ২৫০ মিলিলিটার পানির বোতল বহন করতে পারবেন। পানি যেন না পড়ে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে এবং ব্যবহৃত বোতল অবশ্যই প্ল্যাটফর্ম, কনকোর্স বা প্রবেশ ও বাহির গেইটে রাখা ডাস্টবিনে ফেলতে হবে। কোনো অবস্থাতেই প্ল্যাটফর্ম, কনকোর্স বা মেট্রোরেলের ভেতরে অন্য কোনো খাবার গ্রহণ করা যাবে না।এছাড়া শনিবার, শুক্রবার ও অন্যান্য সরকারি ছুটির দিনের সময়সূচি অপরিবর্তিত থাকবে।এমআর-২
শপথ গ্রহণ করলেন তারেক রহমানসহ বিএনপির সংসদ সদস্যরা
নতুন সরকারে শপথ নিয়েছেন সংসদ সদস্যরা (এমপি)। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে শপথ কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে শপথ নেন তারেক রহমানসহ বিএনপির এমপিরা।শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে শুরুতে এমপিদের সামনে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান। শপথ নেয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন। সূচি অনুযায়ী, শপথের পর বেলা সাড়ে ১১টায় বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হবে। এরপর বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দফতর বণ্টন ও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বসতে পারে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন।ইখা
মাগুরায় দুর্নীতি ও চাঁদাবাজদের ঠাই হবে না: এমপি মনোয়ার খান
মাগুরা-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান মাগুরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে মাগুরা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে তিনি মতবিনিময় করেন এবং আগামীতে মাগুরার অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।মনোয়ার হোসেন বলেন, আমি মাগুরার উন্নয়নে কাজ করতে চাই। যারা এই জেলায় দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকবে তাদেরকে প্রতিহত করা হবে। মাগুরা জেলায় দুর্নীতি ও চাঁদাবাজের ঠাই হবে না বলে কঠোর হুশিয়ারি করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, জেলায় স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য আমি কাজ করবো। আপনারা আমাকে সহযোগিতা করুন আমি যেন পরিচ্ছন্ন মাগুরা হিসেবে গড়ে তুলতে পারি। এছাড়াও বাজারে কোথাও অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি, মজুতদারি বা কারসাজির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহযোগিতায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনো অসাধু চক্রকে মাগুরার মানুষের কষ্টের কারণ হতে দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষার বিষয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে কোনো ধরনের হামলা বা সহিংসতার ঘটনা ঘটলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ সময় মনোয়ার খানের সঙ্গে জেলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন মাগুরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক, সাংবাদিক শরীফ তেহেরান টুটুল, শাহীন আলম তুহিন, ফয়সাল পারভেজ ও শরীফ স্বাধীন প্রমুখ। মতবিনিময় সভায় মাগুরা প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এসআর
চুয়াডাঙ্গায় দুটি প্রতিষ্ঠানকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান তদারকি অভিযান চালিয়েছেন। এ সময় দু'প্রতিষ্ঠানকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়।জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান জানান, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার দৌলতদিয়াড় ও রেলগেট বাজার এলাকায় রবিবার সকাল সাড়ে ১০ থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত তদারকিমূলক অভিযান পরিচালনা করা হয়।এ সময় বেকারিতে ব্যবহৃত ডালডাতে মরা ইদুর, মেয়াদ উত্তীর্ণ ফ্লেভার ব্যবহার, অগ্রীম বেকারী পণ্য তৈরি করে তারিখ দেওয়ার কারণে মেসার্স মৌসুমী ফুড প্রোডাক্টের স্বত্বাধিকারী মো. সাইদুর রহমানকে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪৩ ও ৫১ ধারায় এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।এ ছাড়া মেয়াদ উত্তীর্ণ পাউরুটি পুনরায় নতুনভাবে প্যাকেটজাত করার কারণে অন্যান্য ফুড প্রোডাক্টের স্বত্বাধিকারী মো. সাইদুল ইসলামকে ৫১ ধারায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং দ্রুততম সময়ে সমস্যাগুলো সমাধান করে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।এছাড়া পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে হোটেল, সেমাই ও মসলার মিল তদরাকি করা হয়।এ সময় মান সম্মত পণ্য বিক্রি, মেয়াদ উত্তীর্ণ ও মানহীন পণ্য বিক্রি না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সজীব পাল, ক্যাব প্রতিনিধি মো. রফিকুল ইসলাম ও জেলা পুলিশের একটা টীম। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।ইখা
রোজায় বেনাপোলে নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, ক্রেতাদের ক্ষোভ
রমজান মাস শুরুর পর থেকে যশোরের সীমান্তবর্তী বেনাপোল বাজারে বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয়সহ ইফতারে ব্যবহৃত বিভিন্ন পণ্যের দাম। বেড়েছে মাছ, মুরগী ও মাংসের দামও। এছাড়া শসা বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১৬০টাকায়। বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় ক্রেতাদের মাঝে চাপা ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এদিকে দ্রব্যমুল্যের দাম ঠিক রাখতে বেনাপোল বাজারে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সতর্ক করা হয়েছে অনেক দোকান মালিককে। রমজানে বাজারে স্বস্তি ফেরাতে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ক্রেতারা আশা করছেন, এই পবিত্র মাসে নিত্যপণ্যের দাম থাকবে সহনীয়।জানা গেছে, রমজান মাস শুরুর পর থেকে ইফতার ও সেহরির বাজার করতে এসে ক্রেতারা ভোগান্তিতে পড়ছেন। চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, ছোলা, খেজুর, চিনি ও বিভিন্ন সবজির দাম কয়েক দিনের ব্যবধানে কয়েকগুন বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো বাজার সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। ক্রেতারা অভিযোগ করেন, রমজানকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে পণ্যের গায়ে নির্ধারিত মূল্য না থাকায় ক্রেতারা সঠিক দাম যাচাই করতে পারছেন না। ফলে একই পণ্যের ভিন্ন ভিন্ন দোকানে ভিন্ন দাম আদায় করা হচ্ছে।শাক-সবজি, মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আগের তুলনায় অনেক বেড়ে গেছে। শসা ৫০ টাকার জায়গায় বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৬০ টাকা কেজি দরে। লেবু এক হালি ১০০ থেকে ১২০ টাকা। ৩০ টাকার বেগুন ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। ৪৫ টাকার কলা এখন বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা। দেশি মুরগী ৬০০ টাকা, সোনালী মুরগি-৩০০ টাকা, বয়লার মুরগি-২২০ টাকা, গরুর মাংস ৮০০ ও খাশির মাংস ১৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।দ্রব্যমুল্যের দাম ঠিক রাখতে গত শনিবার বিকেল ও রবিবার সকালে বেনাপোল বাজারে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সতর্ক করা হয়েছে অনেক দোকান মালিককে। অভিযানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি এবং ক্রয় রশিদ সংরক্ষণ না করার অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদন্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অন্যান্য ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।ক্রেতা রাসেল ইসলাম বলেন, পবিত্র রমজান মাস শুর হওয়ার পর দুঃখজনক হলেও সত্য রোজার বাজার ও ইফতারি সংক্রান্ত সকল জিনিসের দাম প্রচুর বেশি। ক্ষিরার দাম ১০০ টাকার উপরে, শসা ১৪০ টাকা। আগে লেবু কিনতাম হালি ২০ টাকা এখন একটার দাম ২০ টাকা। যে কলা ৪৫ টাকা করে কিনেছি, সেই কলা এখন ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যে যেমন পাচ্ছে তেমন ভাবে দাম বাড়িয়ে দিয়ে আমাদের দুভোর্গের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।আরেক ক্রেতা শহিদুল ইসলাম শাহীন বলেন, আমরা আশা করেছিলাম রমজান মাস উপলক্ষে দ্রব্যমূল্যের দাম সীমিত থাকবে। কিন্তু সীমিত দুরে থাক কয়েকগুর বাড়িয়ে দিয়েছে ব্যবসায়ীরা। বেগুন রমজানের আগে ছিল ৩০ টাকা এখন ১০০ টাকা কেজি, আলু আগে ছিল ৭ কেজি ১০০ টাকা এখন টাকা ঠিক রেখে ৬ কেজি করে দিয়েছে। পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচাঝাল, আদাসহ সব মশলার দাম কেজিতে ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে। গরীব ও মধ্যবর্তী মানুষ কি ভাবে বাঁচবে।সবজি বিক্রেতা সেলিম রহমান বলেন, রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আগের তুলনায় সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। বেগুণের চাহিদা বেশি থাকায় কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে এখন ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে তিনি স্বীকার করেন।কলা বিক্রেতা সবুর হোসেন বলেন, যে কলা আগে কিনেছি ২৫/৩০ টাকা সে কলা এখন কিনছি ৪৫/৫০ টাকায়। আর ৪৫ টাকায় কেনা কলা এখন কিনতে হচ্ছে ৮০/৮৫ টাকায়। চাষীরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের করার কি আছে। তারা দাম বেশি করে বাড়ালেও আমরা মাত্র ৫ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করছি।বেনাপোল বাজার কমিটির সভাপতি আবু তালেব বলেন, বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে আমরা সাথে ছিলাম। বাজারে অনেক অনিয়ম দেখা গেছে। দ্রুত ব্যবসায়ীদের সাথে বসে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনার চেস্টা করবো।নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও শার্শা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) নিয়াজ মাখদুম বলেন, শার্শা উপজেলায় দ্রব্যমূল্য সাধারন মানুষের নাগালের মধ্যে থাকবে। মুদি, মাছ ও মাংসের দোকান সবখানে সতর্ক করা হয়েছে যেন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা হয়। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত মূল্য তালিকা দৃশ্যমান স্থানে টানিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এক মুদি ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আমাদের সাথে বাজার কমিটি পাশাপাশি বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর নেতৃবৃন্দ ছিল। রমজান মাসজুড়ে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।এসআর
শার্শায় পল্লী চিকিৎসক আল আমিন হত্যা: যুবদলের তিন কর্মী আটক
যশোরের শার্শায় পল্লী চিকিৎসক আল আমিন হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে যুবদলের তিন কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের এক দিনের মধ্যে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে তাদের আটক করা হয়।আটক ব্যক্তিরা হলেন—শার্শা উপজেলার দক্ষিণ বুরুজবাগান গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আলাউদ্দিন আলা, একই গ্রামের জামির হোসেনের ছেলে লালন হোসেন এবং আব্দুল কাদেরের ছেলে সেলিম মিয়া।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলাউদ্দিন যুবদলের সক্রিয় কর্মী। অন্য দুজনও সংগঠনটির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী। তাদের বিরুদ্ধে এলাকায় চাদাবাজি ও মাদক ব্যবসার অভিযোগও রয়েছে।এলাকাবাসী জানান, নিহত আল আমিন কিছুদিন আগে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীকে বিয়ে করেন। তিনি প্রথম স্ত্রীকে শার্শার কুলফালা গ্রামে রেখে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে নাভারণ এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। প্রায় তিন মাস আগে এ বিষয়কে কেন্দ্র করে আটক ব্যক্তিরা তাকে মারধর ও টাকা আদায় করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডে তাদের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি স্থানীয়রা।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নাভারণ এলাকার এক ব্যক্তি দাবি করেন, স্থানীয় বিএনপির এক শীর্ষ নেতার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এই তিনজন। আটক হওয়ার পর তাদের ছাড়িয়ে নিতে ওই নেতা থানায় গিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।শার্শা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ আলম বলেন, আল আমিন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে তিনজনকে আটক করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে যশোর আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে।পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা আল আমিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।ইখা
আউট পাস নিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না সেনা সদস্যের
যশোরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় হুমায়ুন কবির রিপন (৪৫) নামে এক সেনা সদস্য নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় চৌগাছা উপজেলার আফরা মোড়ে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত রিপন বাড়িয়ালী গ্রামের জামাল হোসেনের ছেলে। তিনি যশোর সেনানিবাস থেকে আউট পাস নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ির উদ্দেশ্যে ফিরছিলেন। আহত তিনজন হলেন যশোর সদর উপজেলার ভেকুটিয়া গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে হাসান (৪০), লোকমান হোসেনের ছেলে তুহিন (৩৫) ও কামরুল হোসেনের ছেলে রাহুল (২০)। তারা যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জানা গেছে, হুমায়ুন কবির রিপন যশোর সেনানিবাসে সার্জেন্ট পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি আউট পাস নিয়ে পালসার ব্যান্ডের মোটরসাইকেল (যশোর ল-১৫-০৪৯৩) চালিয়ে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে চৌগাছা উপজেলার আফরা মোড়ে পৌঁছালে টিভিএস ব্যান্ডের একটি মোটরসাইকেলের (যশোর হ- ১৯- ৯৯৬৭) সাথে সংঘর্ষ হয়। এসময় ঘটনাস্থলে মারা যান রিপন। অপর মোটরসাইকেলে থাকা তিনজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. বিচিত্র মল্লিক জানান, আহত তিনজনের মধ্যে রাহুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পুরুষ সার্জারী ওয়ার্ডে তাদের চিকিৎসাসেবা চলমান। সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে রিপনের লাশ উদ্ধার করেছেন। এফএস
পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আঙিনায় নবজাতক ফেলে গেলেন স্বজনেরা
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আঙিনায় সদ্য ভূমিষ্ঠ এক ছেলে নবজাতককে ফেলে রেখে গেছে স্বজনেরা। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে হাসপাতালের পাশের প্রাঙ্গণ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।হাসপাতাল সূত্র জানায়, অজ্ঞাতপরিচয় এক পুরুষ ও দুই নারী নবজাতকটিকে হাসপাতালের পাশে রেখে দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। ধারণা করা হচ্ছে, তারাই শিশুটির স্বজন। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় এক ব্যক্তির নজরে বিষয়টি এলে তিনি নবজাতকটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শিশুটিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। পরে অবস্থার অবনতি ও উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সাবরিনা রাব্বি বলেন, "নবজাতকের অবস্থা ভালো নয়। ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম। শিশুটির নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। এ কারণে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।"এদিকে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এক নিঃসন্তান দম্পতি নবজাতকের দায়িত্ব নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তারা বর্তমানে শিশুটির সঙ্গে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অবস্থান করছেন। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফারহানুর রহমান বলেন, "ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। নবজাতকের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।"এনআই
রায়পুরে ছাত্রদলের ন্যায্যমূল্যে সবজি বাজার
পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ন্যায্যমূল্যে সবজি বাজার কর্মসূচি পালন করেছে রায়পুর উপজেলা ছাত্রদল।রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার শহীদ ওসমান চত্বরের পাশে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বল্পমূল্যে সবজি সংগ্রহ করেন।উপজেলা ছাত্রদলের দাবি, বাজারমূল্যের তুলনায় কম দামে টমেটো, বেগুন, আলু, পেঁয়াজ, শসাসহ বিভিন্ন সবজি বিক্রি করা হয়, যাতে নিম্নআয়ের মানুষ উপকৃত হন।কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রায়পুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান হৃদয়, সদস্য সচিব আল নোমান রিপাত, যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান আইনানসহ উপজেলা ছাত্রদলের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।এ সময় নেতারা বলেন, রমজান মাসে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষ কষ্টে আছেন। তাদের কষ্ট লাঘবে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।স্থানীয় ক্রেতা জাহাঙ্গীর আলম জানান, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে ন্যায্যমূল্যে সবজি পেয়ে তারা সন্তুষ্ট। তিনি বলেন, "আমরা ছাত্রদলকে ধন্যবাদ জানাই; এমন উদ্যোগ নিয়মিত হলে সাধারণ মানুষের উপকার হবে।"উল্লেখ্য, রমজানজুড়ে পর্যায়ক্রমে এ ধরনের কর্মসূচি চালু রাখার পরিকল্পনা রয়েছে বলে আয়োজক সূত্রে জানা গেছে।এনআই
আনোয়ারায় গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় বিধবা নারীর মরদেহ উদ্ধার
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় এক বিধবা নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের চুন্নাপাড়া গ্রামের মওলানা আলী আহমেদের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।নিহত নারীর নাম খালেদা বেগম (৫২)। তিনি একই এলাকার মৃত নূর মোহাম্মদের স্ত্রী। খালেদা বেগম তিন মেয়ে ও এক ছেলের জননী। তার দুই মেয়ের বিয়ে হয়েছে, একমাত্র ছেলে প্রবাসে থাকেন এবং ছোট মেয়েটি অবিবাহিত।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার খালেদা বেগম তার ছোট মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে যান। রবিবার ভোরে সেহরি খাওয়ার পর কাউকে কিছু না জানিয়ে তিনি স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসেন। পরে সকালে ছোট মেয়ে মাকে খুঁজতে গিয়ে বাড়ির একতলা দালান ঘরের সিঁড়ির চালের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর শুনে তার প্রবাসী থাকা ছেলেও দেশের পথেও রওনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।এ সময় মেয়েটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হন এবং পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।নিহতের ভাসুরপুত্র মো. খালেক বলেন, ‘লোকমুখে শুনেছি কয়েকজন ব্যক্তি ও এনজিওর কাছ থেকে নেওয়া তার কিছু ঋণ ছিল। তবে কী কারণে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।’আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, 'খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।'ইখা
বাঁশখালীতে যুবদল নেতা আনু হত্যা: বিমানবন্দর থেকে শ্যালক ইসমাইল গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি আমান উল্লাহ আনুকে অপহরণের পর গুম ও হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ইসমাইলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ।শুক্রবার চট্টগ্রাম শাহ্ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণের পরপরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে রোববার। নিহত আমান উল্লাহ আনুর শ্যালক ইসমাইলুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে পালিয়ে ছিলেন এবং আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশে যাতায়াত করতেন।গ্রেপ্তার হওয়া ২৫ বছর বয়সী ইসমাইলুর রহমান ছনুয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আমিরপাড়ার মৃত গোলাম রহমানের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমান উল্লাহ আনুকে অপহরণ ও গুম করার পর মামলার এজাহারভুক্ত দুই নম্বর আসামি ইসমাইলুর রহমান মধ্যপ্রাচ্যের দুবাইয়ে পাড়ি জমান। ২০১৯ সালে দেশ ছাড়ার পর তিনি মাঝেমধ্যেই দেশে আসতেন এবং আবার প্রবাসে ফিরে যেতেন।যেহেতু মামলাটি পার্শ্ববর্তী আনোয়ারা থানায় দায়ের করা হয়েছিল, তাই আসামির এই যাতায়াত ঠেকাতে মামলার বাদী ও নিহত আমান উল্লাহ আনুর বড় বোন মমতাজ বেগম ইমিগ্রেশন পুলিশ বরাবর একটি লিখিত চিঠি দেন। ইসমাইলকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী জানান, দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর ইসমাইলুর রহমান প্রবাস থেকে দেশে ফিরলে ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক হন।ওসি জুনায়েত চৌধুরী আরও জানান, ইমিগ্রেশন পুলিশ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় আসামিকে আনোয়ারা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। তাকে ইতোমধ্যে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং অধিকতর তদন্তের স্বার্থে ইসমাইলুর রহমানের ৫ থেকে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হবে বলে পুলিশ কর্মকর্তা জুনায়েত চৌধুরী উল্লেখ করেন।মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, আমান উল্লাহ আনুকে হত্যার পর লাশ গুমের ঘটনায় ছনুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম. হারুনুর রশীদ এবং তার ছোট ভাই ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর কবিরসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন মমতাজ বেগম। গত ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট চট্টগ্রাম চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলাটি করা হয় এবং আদালত তা আমলে নিয়ে আনোয়ারা থানাকে এফআইআর হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন প্যানেল চেয়ারম্যান আরফাতুল ইসলাম এমরান, পুতু চৌধুরী, ইউনিয়ন মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি আবদুল আজিজ টিপু, আবদুল মোমেন, আবদু সাত্তার, মো. হেলাল উদ্দিন এবং রোজিনা আক্তার। মামলার এজাহারে মমতাজ বেগম উল্লেখ করেছেন, আসামিরা সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং তারা একটি সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্রের সদস্য।এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রাম শহর থেকে বাঁশখালী ফেরার পথে আমান উল্লাহ আনুকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখা হয়। এরপর ১২ ফেব্রুয়ারি আনোয়ারা থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।২০ ফেব্রুয়ারি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে মুক্তিপণ দাবি করা হলেও টাকা দেওয়ার পর আমান উল্লাহ আনুকে ছাড়া হয়নি। এরপর ২০১৯ সালের ৩ মার্চ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাকে ছনুয়া ইউপি চেয়ারম্যান এম. হারুনুর রশীদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে চেয়ারম্যান এম. হারুনুর রশীদের নির্দেশে তাকে হত্যা করে টুকরো টুকরো করে বঙ্গোপসাগরে ফেলে দেওয়া হয়।এর আগে ২০১৯ সালের ৪ মার্চ চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি বরাবর অভিযোগ করে কোনো প্রতিকার না পেয়ে আদালতে মামলা করেছিলেন মমতাজ বেগম। তখন আদালত পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিলেও আসামিদের ভয়ভীতি ও হুমকির কারণে বাদী মমতাজ বেগম তদবির করতে ব্যর্থ হন, ফলে মামলাটি খারিজ হয়ে যায়।মমতাজ বেগম জানান, আসামিরা আওয়ামী লীগের ছত্রচ্ছায়ায় এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল এবং স্থানীয়রা তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলায় সাক্ষী হতেও ভয় পেতেন।মমতাজ বেগম আরও বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন দলের পতনের পর গুম-খুনের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় তিনি ভাই আমান উল্লাহ আনু হত্যার বিচারের আশায় দীর্ঘ সময় পর পুনরায় মামলাটি দায়ের করেছেন।এসআর
মাতামুহুরি নামে নতুন উপজেলার নিরীক্ষা কার্যক্রম চলছে, শিঘ্রই বাস্তবায়নের পথে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পরই নিজ নির্বাচনী এলাকায় দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছেন নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।নতুন সরকার গঠনের পাঁচ দিনের মাথায় তাঁর নির্দেশনায় চকরিয়ায় প্রশাসনিক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে প্রস্তাবিত মাতামুহুরি উপজেলা, উত্তর হারবাং, মালুমঘাট ও পহরচাঁদা নামে তিনটি আলাদা ইউনিয়ন গঠনের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।এ উপলক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, প্রস্তাবিত মাতামুহুরি উপজেলার উদ্যোক্তাবৃন্দ, উত্তর হারবাং, মালুমঘাট ও বরইতলী এলাকার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সাবেক ও বর্তমান চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।সভায় প্রতিনিধিরা বলেন, নির্বাচনের সময় চকরিয়া-পেকুয়াবাসীর কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রশাসনিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নতুন উপজেলা ও ইউনিয়ন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষকে আর দূর-দূরান্তে গিয়ে সেবা নিতে হবে না, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দ্রুত ত্বরান্বিত হবে।সভায় উপস্থিত কক্সবাজার জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ বদরী বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এর নির্দেশনায় নতুন "মাতামুহুরি উপজেলা" সংক্রান্ত ১ম মিটিং চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের একজন উপ-পরিচালক এর উপস্থিতিতে আজকের সভায় ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আশা করছি, নিকার (NICAR) ১ম সভায় মাতামুহুরি উপজেলা সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হবে ইনশাআল্লাহ।চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার বলেন, মাতামুহুরীকে সাংগঠনিক উপজেলা এবং তিনটি পৃথক ইউনিয়ন করার বিষয়ে মন্ত্রী মহোদয় ডিসি স্যারকে নির্দেশনা দিয়েছেন। ডিসি স্যারের নির্দেশে কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রতিনিধিদের নিয়ে প্রাথমিক আলাপ-আলোচনা হয়েছে, যাতে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ উদ্যোগে চকরিয়া-পেকুয়া এলাকায় ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।এসআর
পিস্তল ঠেকিয়ে বিকাশ কর্মীর কাছ থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা ছিনতাই
নারায়ণগঞ্জে ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে বিকাশ কর্মীর ২ লাখ ৯২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বন্দরের লক্ষণখোলার পাতাকাটা স্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।ছিনতাইয়ের শিকার বিকাশ কর্মী রনি (৩৪) বন্দরের নবীগঞ্জ এলাকার মৃত রমজান আলীর ছেলে। রনি বলেন, সকালে বাসা থেকে অফিসে যাবার পথে লক্ষণখোলা পাতাকাটা স্ট্যান্ডে আসামাত্র দুইজন দুর্বৃত্ত পথরোধ করে। একজন আমার বুকে পিস্তল ঠেকিয়ে সঙ্গে থাকা সবকিছু দিয়ে দিতে বলে। এসময় আমার কাছে থাকা ২ লাখ ৯২ হাজার টাকা ছিনিযে নেয়। পরে তারা একটি মোটরসাইকেলে চড়ে পালিয়ে যায়। যাবার সময় কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে।এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্তের পরে বিস্তারিত বলা যাবে। এখনও এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি।এসআর
শোলাকিয়ায় ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাতের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান-এ ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।জেলা প্রশাসক ও শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম মোল্লার সভাপতিত্বে সভায় পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুল হাসান মারুফ সভা পরিচালনা করেন।সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং সুধী সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন। এ সময় ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা, যানবাহন চলাচল, মাঠ প্রস্তুতকরণ, মুসল্লিদের প্রবেশ ও বের হওয়ার ব্যবস্থা, চিকিৎসা সহায়তা এবং সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে আলোচনা হয়।সভা থেকে জানানো হয়, আসন্ন ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।পিএম
মুন্সিগঞ্জে রহস্যজনক রোগে সাড়ে ৬ হাজার কোয়েল পাখির মৃত্যু
চাকরির পেছনে না ছুটে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে কোয়েল পাখির খামার গড়ে তুলেছিলেন সিরাজদিখান উপজেলার তরুণ উদ্যোক্তা সুফিয়ান। কিন্তু এক রাতের ব্যবধানে সেই স্বপ্ন এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের খাসকান্দি গ্রামের মাধ্যচরে অবস্থিত মরিয়ম পোল্ট্রি অ্যান্ড কোয়েল ফার্মে রহস্যজনক এক রোগে শনিবার বিকেল থেকে গতকাল রবিবার পর্যন্ত মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার কোয়েল পাখি।ভুক্তভোগী খামারি সুফিয়ান বালুচর ইউনিয়নের খাসকান্দি গ্রামের চিনি মিয়ার ছেলে। তিনি জানান, আগে ব্রয়লার ও লেয়ার মুরগির খামারে লোকসান হওয়ায় তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। পরে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় প্রায় ৮ হাজার কোয়েল পাখি নিয়ে খামার শুরু করেন।কয়েক মাসের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর পাখিগুলো ডিম দেওয়া শুরু করে। প্রতিদিন ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকার ডিম বিক্রি করে ঋণের কিস্তি পরিশোধের পাশাপাশি সংসার চালাতেন তিনি। এ খামারকে কেন্দ্র করে তার পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি আরও তিনজন শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছিল।সুফিয়ান বলেন, সবকিছু স্বাভাবিকভাবেই চলছিল। কিন্তু গত শনিবার বিকেল থেকে হঠাৎ পাখিগুলো ঝিমিয়ে পড়তে শুরু করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রতি মিনিটে শত শত পাখি মারা যেতে থাকে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত ওষুধ প্রয়োগ করা হলেও কোনো কাজ হয়নি।বর্তমানে খামারের ভেতরে মৃত পাখির স্তূপ পড়ে আছে এবং অবশিষ্ট পাখিগুলোর অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানান তিনি।তিনি আরও জানান, খামারটি গড়ে তুলতে তার বিনিয়োগ ছিল প্রায় ৯ লাখ টাকা। এর বড় একটি অংশ এনজিও ও বিভিন্ন উৎস থেকে নেওয়া ঋণ। একদিনের এই মড়কে তার আনুমানিক সাড়ে ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ঋণের বোঝা ও খামারের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন এই তরুণ উদ্যোক্তা।এ বিষয়ে বালুচর ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আলেক চান সজীব বলেন, পুরো পরিবারটি এই খামারের ওপর নির্ভরশীল ছিল। সুফিয়ানের এমন ক্ষতি সত্যিই মেনে নেওয়া কঠিন।উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শবনম সুলতানা জানান, প্রাথমিকভাবে কোয়েল পাখিগুলোর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ বলা যাচ্ছে না। দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে রোগটি শনাক্ত করা হবে। রিপোর্ট পাওয়ার পরই নিশ্চিতভাবে বলা যাবে কী কারণে পাখিগুলো মারা যাচ্ছে।পিএম
কৃষিজমির মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে সোনারগাঁয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০
সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের কাজহরদী গ্রামে কৃষিজমি থেকে ইটভাটায় মাটি নেওয়াকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসী ও মাটি ব্যবসায়ীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তাদের স্থানীয় হাসপাতাল এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের কাজহরদী গ্রামের বানিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। আহত কবিরের অভিযোগ, হানিফ, মহাসিন, শারজাহান ও শানুর নেতৃত্বে সশস্ত্র লোকজন তাদের ওপর হামলা চালায়। তবে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এ অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।অভিযুক্ত শারজাহান দাবি করেন, প্রথমে গ্রামবাসী তাদের মোটরসাইকেল ও ভেকু (খননযন্ত্র) ভাঙচুর করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজহরদী ও পাশের বন্দর উপজেলার কেওঢালা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একাধিক ইটভাটা পরিচালিত হচ্ছে। ভাটার চাহিদা মেটাতে একটি প্রভাবশালী চক্র রাতের আঁধারে ভেকু দিয়ে আশপাশের কৃষিজমি থেকে মাটি কেটে নিয়ে যায়। এতে ফসলি জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে এবং পার্শ্ববর্তী জমির পাড় ভেঙে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।অভিযোগ রয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে জমির মালিকদের কাছ থেকে মাটি কিনে নেওয়া হলেও অনেক সময় জোরপূর্বক মাটি কেটে নেওয়া হয়। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ বিরাজ করছিল। শনিবার রাতে মাটি কাটার সময় স্থানীয়রা বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এলাকাবাসী প্রতিবাদ কর্মসূচি ও মানববন্ধন পালন করেন।তালতলা ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মারামারির সত্যতা পাওয়া গেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিববুল্লাহ বলেন, এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পিএম
মুন্সিগঞ্জে আ. লীগ কার্যালয়ে তালা দিলেন এনসিপি নেতাকর্মীরা
শ্রীনগর উপজেলার একটি ইউনিয়নে অবস্থিত আওয়ামী লীগ-এর একটি কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।।রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার বীরতারা ইউনিয়নে গিয়ে তারা ওই কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি বীরতারা ইউনিয়নের ওই কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যক্রম পরিচালনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর প্রতিবাদে দুপুরে সিরাজদিখান উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক আলী নেওয়াজের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা সেখানে গিয়ে কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে দেন। এ সময় তারা বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেন এবং কার্যালয়টির সব ধরনের কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ রাখার দাবি জানান।এ বিষয়ে এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক আলী নেওয়াজ বলেন, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের দোসররা আবারও গোপনে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে। আমরা জানতে পেরেছি, বীরতারা ইউনিয়নের এই কার্যালয়টি ব্যবহার করে ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছিল, যার প্রমাণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে পাওয়া গেছে। জনগণের জানমাল রক্ষায় এবং যেকোনো অপতৎপরতা রুখতে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আমরা এই কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডের চেষ্টা করা হলে দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।ঘটনার পর বীরতারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কাউকে এলাকায় পাওয়া যায়নি এবং ফোনেও তাদের বক্তব্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।উল্লেখ্য, শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভাইরাল হওয়া ৩৮ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, একটি অফিসকক্ষের ভেতরে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি টাঙানো হচ্ছে। সেখানে কয়েকজন কিশোর-তরুণকে সঙ্গে নিয়ে এক ব্যক্তিকে দলীয় স্লোগান দিতে দেখা যায়। ভিডিওতে স্লোগানদানকারী ব্যক্তির নাম সাব্বির, তিনি বীরতারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে।ভিডিওটি ইউনিয়নের একটি শাটার লাগানো দোকানের ভেতরে ধারণ করা হলেও ঘটনাটি ঠিক কবে ঘটেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ছবি টাঙানোর পরপরই সাব্বির কয়েকজন কিশোর-তরুণকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় স্লোগান দেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।পিএম
ক্রয়কৃত সম্পত্তি ফিরে পেতে সংবাদ সম্মেলন
ভোলার চরফ্যাশনে ক্রয়কৃত সম্পত্তি সঠিকভাবে বণ্টন না করার অভিযোগ উঠেছে আঃ রহিম গংদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মোহাম্মদ আলী ও তার সন্তানরা।রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় চরফ্যাশনে মোহাম্মদ আলীর নিজস্ব ব্যবসায়িক কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ আলী অভিযোগ করেন, ১৯৯২ সালে তিনি তার ভাই আঃ রহিমের কাছ থেকে জিন্নাগড় মৌজায় এস.এ ৪৫৫ নং খতিয়ান থেকে ২২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে দিয়ারা জরিপের সময় তিনি নিজ নামে রেকর্ড করিয়ে নেন। জমিটি পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে বণ্টন করার কথা থাকলেও আঃ রহিম গং তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করেনি।লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, "আমাদের ন্যায্য অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। আঃ রহিম তার সুবিধা মতো জমি অন্যত্র বিক্রয় করেছেন। একাধিকবার আলোচনার চেষ্টা করেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে চরফ্যাশন আদালত, নৌবাহিনী ও চরফ্যাশন থানায় একাধিক অভিযোগ এবং মামলা দায়ের করেছি।"মোহাম্মদ আলীর সন্তানরা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে তারা স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ সহযোগিতা না করায় তারা গণমাধ্যমের শরণাপন্ন হয়েছেন। তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করার দাবি জানান।এ বিষয়ে আঃ রহিম গংদের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, "মোহাম্মদ আলীর ছেলে নুরনবী বাদী হয়ে আঃ রহিমসহ তিনজনকে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"এনআই
সরকার সারা দেশে খাল খননের পরিকল্পনা নিয়েছে: তথ্য মন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির যে সুফল তা প্রমাণিত। পরবর্তী সময়ে খালগুলো মরে যাওয়ার কারণে কৃষি উৎপাদন যে ব্যাহত হয়েছে তাও প্রমাণিত হয়েছে। ফলে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। এ প্রকল্পের কাজ সম্পন হলে জোয়ার-ভাটার পানি সরাসরি কৃষকের জমিতে পৌঁছে যাবে।রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বেলা এগারোটার দিকে নিজ নির্বাচনী এলাকা বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা কোনো দলীয় সরকার অথবা দলীয় রাষ্ট্র গঠন করবো না। আমরা জনগণের সরকার গঠন করবো।বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলা সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় গৌরনদীর সরিকল ইউনিয়নের কাপলাতলি খালের পূনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্টানে মন্ত্রী আরও বলেছেন, আমলা ও পুলিশকে জনগণর জন্য কাজ করার পরিবেশ তৈরী করে দিতে হবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা গ্রহন করেছে। যা শীঘ্রই আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হবে। তিনি বলেন, শিল্পায়নের কারনে আমাদের বনায়ন কমে যাচ্ছে, সবুজায়ন কমে যাচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে জলবায়ু ও পরিবেশের ওপর। এজন্য আমরা বনায়ন ও সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে খালের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সমন্বিত করার উদ্যোগ নিয়েছি।তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, তারেক রহমানকে ১৭ বছর দেশের বাহিরে রাখা হয়েছে। ১৭ বছর পর তিনি দেশে আসার মাত্র ৫৭ দিনের মধ্যেই জনগণ তাকে প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছেন। জাতির নেতা বানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমতায় আসার আগে যে পরিকল্পনাগুলো হাতে নিয়েছিলেন আমরা ক্ষমতায় আসার পরই সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজে হাত দিয়েছি।গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীমের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, বরিশাল বিএডিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী চঞ্চল কুমার মিস্ত্রি, বিএডিসির বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলা সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ ওয়াহিদ মুরাদ, উপজেলা কৃষি অফিসার সেকেন্দার শেখ, মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল, বরিশাল বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী এসএম আতাই রাব্বি,গৌরনদী বিএডিসির উপসহকারী প্রকৌশলী শাহেদ আহমেদ চৌধুরী প্রমুখ।একইদিন গৌরনদী উপজেলা অডিটোরিয়ামে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের পক্ষ থেকে দলীয় নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের মানুষের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও তার সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দরা অংশগ্রহণ করে তথ্যমন্ত্রীকে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। অপরদিকে ওইদিন বেলা দুইটায় তথ্যমন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন।ইখা
গৌরবের ষোলো বছরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
নানা আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। ১৫ বছরের সাফল্য ও অর্জনের ধারাবাহিকতা অতিক্রম করে গৌরবের ১৬ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে দিবসটি পালন করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার।দিবসটি উপলক্ষে রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম।উদ্বোধন শেষে উপাচার্যের নেতৃত্বে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। রঙিন ব্যানার-ফেস্টুন ও উচ্ছ্বাসে ভরপুর শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাস সংলগ্ন মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় ক্যাম্পাসে এসে শেষ হয়।এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ভবনে বর্ণিল আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়। সন্ধ্যার পর আলোকসজ্জায় সেজে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস, যা দিবসটির আনন্দঘন পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম বলেন, “২০১১ সালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে আমরা ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে চলেছি। আজ পনেরো বছর অতিক্রম করে গৌরবের ষোলোতে পদার্পণ করেছি। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ব্যাপক প্রত্যাশা রয়েছে। প্রত্যাশার তুলনায় প্রাপ্তি এখনও সীমিত হলেও সে লক্ষ্যে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের অঙ্গীকার—এই বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সুন্দর ও মানসম্মত শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করা।”বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। শিক্ষা ও গবেষণায় আরও অগ্রগতি অর্জনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা।ইখা
হাসপাতালে হামলা-ভাঙচুর: মহিপুরে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ
পটুয়াখালীর মহিপুরে কেয়ার মডেল হাসপাতালে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ ঘটনা ঘটে। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিয়ামের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল হাসপাতালে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়।এ সময় হাসপাতালের গ্লাস আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হঠাৎ হামলায় হাসপাতালের রোগী ও স্টাফদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তারা দিকবিদিক ছোটাছুটি করতে থাকেন। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।আহত সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক কামরুল ইসলাম শাওন অভিযোগ করেন, ব্যবসায়িক লেনদেনে দুই হাজার টাকা পাওনাকে কেন্দ্র করে সিয়াম মাহমুদ আকরাম, মো. বাপ্পী, ইসমাইল, রিফাত পারভেজ, আব্দুল্লাহ, সৌরভ, ইমরান, আরিফ, জয়ানালসহ কয়েকজন তার ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। পরে তিনি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে গেলে দ্বিতীয় দফায় হামলার শিকার হন। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন গ্লাস ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।অভিযুক্ত সিয়াম বলেন, নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির জেরে ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি দাবি করেন, ছাত্রদলের সভাপতি রবিউল ও কামরুল তাদের কয়েকজনকে মারধর করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে হাসপাতালে গিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।কেয়ার মডেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুজ্জামান বলেন, “হঠাৎ ১০-১২ জন যুবক হাসপাতালে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। এতে রোগী ও স্টাফরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ বলেন, “বিএনপিতে সন্ত্রাসীদের কোনো স্থান নেই। হাসপাতাল ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শামীম আহমেদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এসআর
তালতলীতে আমন ধান ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগ, বঞ্চিত প্রকৃত কৃষক
বরগুনার তালতলী উপজেলা সরকারি খাদ্যগুদামে আমন মৌসুমে সরকারিভাবে ধান ক্রয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এমতাবস্থায় ক্ষুব্ধ প্রকৃত চাষিরা তালিকা বাতিল করে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রকৃত চাষিদের নিয়ে ফের তালিকা করার দাবি জানিয়েছেন। এছাড়াও ধান ক্রয়ের জন্য সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী প্রচার-প্রচারণা করার কথা থাকলেও তা মানা হয়নি এ কারণে ধান ক্রয়ের বিষয়টি জানেন না অধিকাংশ কৃষক।অভিযোগ রয়েছে, স্বয়ং তালতলী উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক ও সরকারি খাদ্যগুদামের (এলএসডি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাবিলা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়ে উৎকোচ নেওয়ার মাধ্যমে সিন্ডিকেট করে নামমাত্র কৃষক দেখিয়ে প্রকৃত চাষিদের বাদ দিয়ে আমন ধান ক্রয় করেছেন।জানা যায়, উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকারিভাবে ১২৩ মেট্রিক টন ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত সংগ্রহ করা হয়েছে ৯৯৯ মেট্রিকটন। যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ৮ গুন বেশি ক্রয় করা হয়েছে। গত বছরের ২০ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম চলবে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এবছর প্রতি কেজি ধানের মূল্য ৩৪ টাকা নির্ধারণ হয়েছে। প্রতি কেজি ধানের মূল্য ৩৪ টাকা হিসেবে প্রতি মণ ধানের মূল্য ১৩৬০ টাকা। স্থানীয় বাজারে বর্তমানে প্রতি মণ ধানের মূল্য ১০০০ থেকে ১০৫০ টাকা। ধান ক্রয়ের জন্য সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী এলাকায় ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানোর কথা থাকলেও তার ছিটেফোঁটাও দেখা যায়নি। এমনকি সরকারি খাদ্য গুদামের নোটিশ বোর্ড কিংবা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার কার্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে আমন ধান ক্রয় সংক্রান্ত কোন ধরনের নোটিশ দেখা যায়নি। এছাড়াও ধান ক্রয়ে অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালা (৪) এ সংগ্রহযোগ্য খাদ্যশস্যর বিনির্দেশ (এফ.এ.কিউ) নির্দেশনা মানা হয়নি। নীতিমালা অনুযায়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের তালিকা তৈরি এবং লটারির মাধ্যমে ধান বিক্রির জন্য কৃষক নির্বাচন করার কথা থাকলেও খাদ্য কর্মকর্তা এই আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজের ইচ্ছে মতো ধান ক্রয় করেছেন। তিনি মূলতঃ উৎকোচ নেওয়ার মাধ্যমে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ায় জন্য সিন্ডিকেট করে কোনো প্রচারণা চালানো হয়নি বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।আমন মৌসুমে খাদ্য গুদামে ধান বিক্রি করেছেন এমন কয়েকজন কৃষককের সাথে কথা হয়। তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, 'খাদ্য কর্মকর্তা নাবিলাকে টন প্রতি ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা ঘুষ দিয়ে ধান বিক্রি করেছেন। যারা ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তাদের ধান খাদ্য গুদামে বিক্রি করার সুযোগ পায়নি। ঘুষ নিয়ে ধান ক্রয়ের কারণে প্রকৃত চাষিরা তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন।'অভিযোগ অস্বীকার করে তালতলী উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক ও সরকারি খাদ্যগুদামের (এলএসডি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাবিলা বলেন, 'ধান ক্রয়ের ব্যাপারে কৃষি বিভাগের মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা করা হয়েছে এবং আমাদের উপজেলা খাদ্য অফিস থেকে প্রচার করা হচ্ছে।'ধান ক্রয় কমিটির সদস্য ও তালতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু জাফর মোঃ ইলিয়াস বলেন, 'কৃষকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমি প্রায় ১০০ কৃষককে ধান বিক্রির জন্য অনুমোদন দিয়েছি। কিন্তু বাকি ধান কিভাবে ক্রয় করেছে তা আমার জানা নেই। এবিষয়ে খাদ্য বিভাগের লোকজন বলতে পারেন।'তালতলী উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোসাঃ শারমিন জাহান বলেন, 'আমি কোন অনিয়ম দেখিনা আমি কি বক্তব্য দেব? আমার বিভাগীয় প্রধান এবং জেলা প্রধান কমিটি করে দিছে তারা খাদ্য গুদাম পরিদর্শন করে গেছে এর আগে ইউএনও স্যার এলিস্যল্ড স্যারকে দিয়ে পরিদর্শন করেছেন। আমি অনিয়ম এর কোন রিপোর্ট পাইনি বা এসিল্যান্ড স্যার বলেনি।'এ বিষয়ে বরগুনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা কাজী সাইফুদ্দিন বলেন, 'কৃষি কর্মকর্তার অনুমোদন ব্যতীত কোন কৃষককের কাছ থেকে সরকারি খাদ্য গুদামে ধান ক্রয় করার বিধান নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'এসআর
গৌরীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় তরুণ দল নেতা নিহত
ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের গৌরীপুর উপজেলার রামগোপালপুর এলাকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বোকাইনগর ইউনিয়ন তরুণ দলের সভাপতি মুক্তার হোসেন।রবিবার(২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রামগোপালপুর সংলগ্ন ‘গাঙচিল রেস্টুরেন্টে’র সামনে মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মুক্তার হোসেন মোটরসাইকেলযোগে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন। রামগোপালপুর গাঙচিল রেস্টুরেন্টের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী মাইক্রোবাসের সাথে তাঁর মোটরসাইকেলটির সরাসরি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় মুক্তার হোসেন মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন। তবে আঘাত গুরুতর হওয়ায় পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুর্ঘটনাকবলিত মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে।গৌরীপুর থানার ওসি (তদন্ত) সালাহ উদ্দীন করিম জানান, "দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"এনআই
ফুলপুরে যুবককে ছুরিকাঘাত, অবস্থা আশঙ্কাজনক
ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার আমুয়াকান্দা এলাকায় ছুরিকাঘাতের ঘটনায় শুভ নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে আমুয়াকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জেরে একদল যুবক শুভর ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাকে ছুরিকাঘাত করা হলে আশপাশের লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এ ঘটনায় আহতের পিতা সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে আজ ২২ ফেব্রুয়ারি ফুলপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।অভিযুক্তরা হলেন— সারজিত (২২), স্বাধীন (২৮), ইয়ামিন (২৪), রাকিব মিয়া (১৮), জীবন মিয়া (২০) ও সাফিন মিয়া (২০)।এ বিষয়ে অভিযুক্ত স্বাধীন মুঠোফোনে জানান, "আমি তখন নামাজে ছিলাম। এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। মনে হচ্ছে, একটা মহল আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করছে।"এই বিষয়ে আহত শুভর পিতা সাইফুল ইসলাম বলেন, "আমার ছেলে শুভ এখন ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধ করছে। যারা আমার ছেলেকে আহত করেছে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।"ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল হাসান বলেন, "অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"এনআই
ত্রিশালে চাঁদা বৃদ্ধির প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট
ময়মনসিংহের ত্রিশালে সিএনজিচালিত অটোরিকশার চাঁদা বৃদ্ধির প্রতিবাদে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছেন বিক্ষুব্ধ চালকরা। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে ত্রিশাল পৌর সভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইভা ফিলিং স্টেশন এলাকায় এই অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। মাত্র ১০ মিনিটের এই আকস্মিক অবরোধে মহাসড়কের উভয় পাশে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়, যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সকাল ১০টা ২৫ মিনিটের দিকে চালকরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। খবর পেয়ে ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফিরোজ হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টহল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে চালকদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ১০টা ৩৫ মিনিটের দিকে যান চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হয়।আন্দোলনরত চালকদের দাবি, ইতিপূর্বে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ গেট এলাকায় ত্রিশাল-ময়মনসিংহ রুটের অটোরিকশা প্রতি ২০-৩০ টাকা করে চাঁদা নেওয়া হতো। কিন্তু রোববার সকাল থেকে হঠাৎ করেই সেই চাঁদা বাড়িয়ে ৭০ টাকা করা হয়। এছাড়া মাসিক ১ হাজার টাকা নতুন করে কার্যকর করার ঘোষণা দেওয়া হয়।চালকরা আরও জানান, ময়মনসিংহ সদর শ্রমিক নেতা দুকুলের নেতৃত্বে মোঃ রফিক ও মোঃ মদন দীর্ঘদিন ধরে এই টাকা সংগ্রহ করে আসছেন। হঠাৎ অস্বাভাবিক হারে এই 'জোরপূর্বক চাঁদা' বৃদ্ধির প্রতিবাদেই তারা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন। এ বিষয়ে ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফিরোজ হোসেন জানান, "সিএনজি চালকদের সাথে কথা বলে তাদের দাবির বিষয়ে আশ্বস্ত করে অবরোধ প্রত্যাহার করেন। এসআর
ব্রহ্মপুত্রে হত্যার শিকার শিক্ষার্থী শাওনকে গ্রামের বাড়িতে দাফন, দ্রুত বিচারের দাবি
ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে হত্যার শিকার শিক্ষার্থী নুরুল্লাহ শাওনকে (২৬) কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার গ্রামের বাড়িতে জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।শাওন ময়মনসিংহ নগরের আনন্দ মোহন কলেজের রসায়ন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের চর জাকালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবা রফিকুল ইসলাম মারা গেছেন। দুই ভাইয়ের মধ্যে শাওন ছিলেন ছোট।শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তার মরদেহ গ্রামে পৌঁছালে হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্বজন, সহপাঠী ও এলাকাবাসীর কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে চর জাকালিয়া গ্রাম। জানাজার আগে বক্তব্যে স্বজনেরা বলেন, এখনো সব আসামি গ্রেপ্তার হয়নি—এতে তারা হতাশ। অবিলম্বে হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার বিকেলে শাওন ও তার সহপাঠী রিয়াদ ব্রহ্মপুত্র নদের পাশে ঘুরতে যান। সেখানে তারা একদল কিশোর ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন। রিয়াদ পালিয়ে ফিরে আসতে পারলেও শাওন নিখোঁজ হন।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১১টার দিকে ময়মনসিংহ শহরের জয়নুল আবেদিন উদ্যান এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে ভেসে ওঠে শাওনের মরদেহ।এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে শাওনের মা সাহিদা বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ করেন। সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও তিন-চারজনকে আসামি করা হয়। পরে পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে। অভিযুক্তদের সবার বয়স ১৩ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে বলে জানিয়েছে পুলিশ।ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব বলেন, “এ ঘটনায় ইতোমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”ইখা
আগুনরাঙা পলাশে রঙিন ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়ক
সবুজের ভিড়ে হঠাৎ চোখে পড়ে আগুনের শিখার মতো লাল-কমলা ঝলক। দূর থেকে মনে হয়, মহাসড়কের মাঝখানে জ্বলে উঠেছে ফাগুনের আগুন। কাছে গেলে বোঝা যায়, তা আগুন নয়—সারি সারি ফুটে থাকা পলাশ।ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের মাঝের ডিভাইডারে, বিশেষ করে ভালুকা বাসস্ট্যান্ড এলাকা ঘিরে ফুটে থাকা আগুনরাঙা পলাশ এখন পথচারী ও যাত্রীদের প্রধান আকর্ষণ। ভালুকা উপজেলায় প্রায় তিন কিলোমিটারজুড়ে শত শত পলাশগাছে ফুটেছে ফুল। পত্রহীন ডালে থোকা থোকা ফুলের সমারোহ যেন প্রকৃতির নিজস্ব আয়োজন।প্রতি বছর বসন্তের আগমনী বার্তা নিয়ে পলাশ ফোটে। তবে এবার মহাসড়কের ডিভাইডারে একসঙ্গে এত পলাশ ফুটে ওঠায় তৈরি হয়েছে ভিন্ন এক দৃশ্য। দূর থেকে মনে হয়, ব্যস্ত পিচঢালা সড়কের বুক চিরে দাঁড়িয়ে আছে আগুনরাঙা বনানী।গাছের ডালে ডালে ফুলের ফাঁকে কোকিল, শালিকসহ নানা পাখির কলকাকলি পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। পাখিরা এক ডাল থেকে অন্য ডালে উড়ে বেড়াচ্ছে, যোগ করছে বাড়তি সৌন্দর্য।মনোমুগ্ধকর এই দৃশ্য দেখতে দূর-দূরান্ত থেকেও ছুটে আসছেন নানা বয়সী মানুষ। কেউ যাত্রাপথে গাড়ি থামিয়ে ছবি তুলছেন, কেউ বা কুড়িয়ে নিচ্ছেন ঝরে পড়া পাপড়ি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ছে ভালুকার পলাশের ছবি।ভালুকা উপজেলার বাসিন্দা ব্যবসায়ী হাবীব বলেন, আগে দু-একটি পলাশগাছ চোখে পড়ত। পরে প্রায় হারিয়েই গিয়েছিল। এখন মহাসড়কের ডিভাইডারে গাছ লাগানোর ফলে আবার চেনা পলাশ দেখা যাচ্ছে।মহাসড়কের ভালুকা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গাড়ি থামিয়ে ছবি তুলছিলেন এক যাত্রী। তিনি বলেন, পলাশের নাম শুনেছি, কিন্তু কাছ থেকে দেখিনি। আজ এমন দৃশ্য দেখে গাড়ি থামাতেই হলো। সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি।এক সময় গ্রামবাংলার আঁকাবাঁকা পথ, বাগান কিংবা ফাঁকা মাঠের ধারে পলাশের দেখা মিলত। শহরায়ণ ও বৃক্ষনিধনের কারণে সে দৃশ্য অনেকটাই হারিয়ে যায়। এমন প্রেক্ষাপটে মহাসড়কের ডিভাইডারে পলাশ রোপণ যেন ফিরিয়ে এনেছে বসন্তের রং।পাতাঝরা ডালে ফুলেল সাজে দাঁড়িয়ে থাকা পলাশ মনে করিয়ে দেয়—ঋতুরাজ বসন্ত এসে গেছে। ব্যস্ত মহাসড়কের একঘেয়ে দৃশ্যের মাঝেও আগুনরাঙা এই ছোঁয়া পথিকের চোখে স্বস্তি আর মনে আনন্দ জাগায়।ইখা
খানসামায় একমাত্র সন্তানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় তুষার চন্দ্র রায় (২১) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের অতুল মাস্টারপাড়া এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। তিনি ওই এলাকার অরবিন্দু রায় ও চম্পা রানী রায় দম্পতির একমাত্র সন্তান।পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর আনুমানিক সাড়ে পাঁচটা থেকে সকাল সাতটার মধ্যে কোনো এক সময় নিজ ঘরের ভেতরে গলায় ফাঁস দেন তুষার। সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঘরের ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে নামানো হলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত হন স্বজনরা।খবর পেয়ে খানসামা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং প্রাথমিক সুরতহাল সম্পন্ন করে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল বাছেত সরদার। তিনি সাংবাদিকদের জানান, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হতে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং আপাতদৃষ্টিতে সন্দেহজনক কিছু না পাওয়ায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।স্থানীয়রা জানান, তুষার শান্ত ও ভদ্র স্বভাবের ছেলে হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন। হঠাৎ এমন ঘটনায় পরিবার ও প্রতিবেশীদের মধ্যে গভীর শোক নেমে এসেছে। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবা-মা নির্বাক হয়ে পড়েছেন; তাদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। তুষার কী কারণে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন—তা নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।এনআই
বিএনপি নেতার মামলায় বৈষম্যবিরোধী নেতা কারাগারে
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক নেতার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কুড়িগ্রাম চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (রাজারহাট আমলি আদালত) বিচারক মো. মমতাজুল করিম এ আদেশ দেন।কারাগারে পাঠানো ওই নেতার নাম হাসান জিহাদী। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুড়িগ্রাম জেলা কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক। রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম দেবত্তর গ্রামের রাজিকুল ইসলামের ছেলে।জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে হাসান জিহাদী ও তার সমর্থকরা রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. শহিদুল ইসলামের বাড়িতে হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়। এ সময় বসতবাড়ির টিনের বেড়া ভাঙচুর এবং নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার চুরির কথাও উল্লেখ করা হয়। ঘটনার পর শহিদুল ইসলাম রাজারহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ তা মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে।অভিযোগকারী শহিদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের পর থেকেই এলাকায় একটি উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছিল। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে হাসান জিহাদী ও তার সহযোগীরা হঠাৎ আমার বাড়িতে হামলা চালায়। তারা টিনের বেড়া ভাঙচুর করে এবং ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। আমি জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হাসান জিহাদীর সমর্থকেরা। তাদের দাবি, ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে শহিদুল ইসলাম ও তার লোকজন উচ্চ শব্দে গান বাজাচ্ছিলেন। এতে এলাকাবাসী- বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়েন। এ সময় হাসান জিহাদী উচ্চ শব্দে গান বাজাতে নিষেধ করলে উল্টো তার ওপর হামলা চালানো হয়। পরে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নিতে নিজ বাড়ির আসবাবপত্র এলোমেলো করে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা করা হয়েছে।এ বিষয়ে রাজারহাট থানার ওসি আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, জিহাদীসহ প্রায় ১৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন শহিদুল ইসলাম। রোববার হাসান জিহাদী আদালতে আত্মসমর্পণ করলে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।এফএস
গাইবান্ধায় সেপটিক ট্যাংক থেকে স্কুল ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজের পর একটি পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংক থেকে নুরমা খাতুন (১৬) নামের এক স্কুল ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া গ্রামে বাড়ীর পাশে পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহত নুরমা খাতুন ওই গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় তালতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল বলে নিশ্চিত করেছে পরিবার।স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নুরমা খাতুন সকাল থেকে নিখোঁজ ছিল। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাচ্ছিলেন না। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত সেফটি ট্যাংকে তার মরদেহ দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে মরদেহ উদ্ধার করে।গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক সাংবাদিকদের জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।এসআর
ভোটের ১০ দিন পরও দেবীগঞ্জে ঝুলছে পোস্টার বিলবোর্ড
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে এখনো সরানো হয়নি প্রার্থীদের পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন। শহরের বিভিন্ন সড়ক, বিদ্যুতের খুঁটি, গাছ ও দেয়ালে ঝুলতে থাকা এসব প্রচারসামগ্রী নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, এতে যেমন শহরের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে, তেমনি নির্বাচনী আচরণবিধি বাস্তবায়ন নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি পর্যন্ত অসংখ্য পোস্টার এখনো টাঙানো রয়েছে। আঞ্চলিক ও জাতীয় মহাসড়কের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা বড় আকারের বিলবোর্ডও অপসারণ করা হয়নি।নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সব ধরনের প্রচারসামগ্রী সরিয়ে ফেলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন চোখে পড়েনি। নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থীরা নিজ উদ্যোগে এসব সামগ্রী সরিয়ে না নিলে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ পরিচ্ছন্নতার স্বার্থে তা অপসারণ করতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যক্রম দেখা যায়নি।এ প্রসঙ্গে সুজনের দেবীগঞ্জ উপজেলার সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম আকরাম বলেন, নির্বাচন শেষ হলেও এখনো শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পোস্টার ও ব্যানার ঝুলতে দেখা যাচ্ছে। এতে সৌন্দর্যহানি যেমন হচ্ছে, তেমনি পরিবেশের ওপরও প্রভাব পড়ছে। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে আচরণবিধি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন না হলে আইন মানার সংস্কৃতি দুর্বল হয়ে পড়তে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।পিএম
খানসামায় মানবিক সংকট: সহায়তার অপেক্ষায় রমজান আলী ও সাহিদা বেগম
রাত যত গভীর হয়, চারপাশে নেমে আসে নীরবতা। দিনের আড্ডা, রাস্তাঘাটের গুঞ্জন, গ্রামের মানুষজন সব মিলিয়ে স্তব্ধ। কিন্তু দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের ছিট আলোকডিহি গ্রামে ভাঙা টিনের একটি ঘরে তখনও ঘুম আসে না দু’টি ক্লান্ত চোখে। টিনের ফাঁক গলে ঢুকে পড়ে শীতের বাতাস, বর্ষায় টুপটাপ পানি পড়ে মাচার ওপর। ভিজে যায় বিছানা, কেঁপে ওঠে বৃদ্ধ দম্পতির শরীর।এই ঘরেই দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে বসবাস করছেন মো. রমজান আলী ও তার স্ত্রী সাহিদা বেগম। মো. রমজান আলী একসময় দেশের সেবায় আনসার বাহিনীতে কাজ করেছেন। জীবন তাদের অনেক কিছু দিয়েছে কর্তব্য পালন, দেশ সেবা, সম্মান। কিন্তু কর্মজীবন শেষ হওয়ার পর জীবন যেন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া শরীরের কষ্ট, ভাঙা ঘর, অনিশ্চিত খাবার এগুলোর মধ্যেই কাটছে তাদের শেষ বয়স।খামারের মালিক তাহেরা আজিজ মানবিক কারণে তাদের থাকতে দিয়েছেন। তবে ঘরটি বসবাসের জন্য কোনোভাবেই পর্যাপ্ত নয়। বৃষ্টির দিনে পানি ঢোকে, শীতে কাঁপা ঠান্ডা, আর দিনের বাকি সময় ঘরের ফাঁক, ভাঙা মাচা ও ক্ষীণ দেওয়ালই তাদের জীবনযাপনের সাক্ষী। রমজান আলী প্রতিদিন হাতে কোদাল নিয়ে খামারের কাজে নামেন। গরু, মুরগি এবং খামারের নিত্যপরিচ্ছন্নতা এই কাজই এখন তার একমাত্র জীবিকা। তবে মাস শেষে পারিশ্রমিক হিসেবে পান মাত্র এক হাজার টাকা।এই সামান্য আয়ে চিকিৎসা তো দূরের কথা, দু’বেলা খাবারও ঠিকমতো জোটে না। বড় ছেলে শাহাজাহান আলী পাকেরহাট বাজারে ফুটপাতে বাদাম বিক্রি করেন। সারাদিন রোদে পুড়ে ও ধুলো মেখে যা আয় হয়, খরচ বাদে হাতে থাকে মাত্র তিন-চারশ টাকা। ছয় সদস্যের সংসার চালাতে গিয়ে বাবা-মায়ের জন্য আলাদা করে কিছু করার সামর্থ্য নেই তার। অভাব যেন এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়েছে।রমজান আলী কোনো দান বা বিশেষ সুযোগ চান না। তিনি শুধু চাইেন একটুকরো নিরাপদ ঘর, যেখানে বৃষ্টি নামলেও বিছানা ভিজবে না, শীত আসলেও শরীর কাঁপবে না। তিনি কেঁপে ওঠা কণ্ঠে বলেন, ১৬ বছর ধরে এই খামারে আছি। বৃষ্টি হলে পানি পড়ে, শীতে শরীর কাঁপে। আর কিছু চাই না শুধু ঘুমানোর মতো একটি ছাদ চাই।পাশে বসে সাহিদা বেগমের চোখ ভিজে ওঠে। তিনি বলেন, আমাদের নিজের কিছু নেই। মানুষের জায়গায় আছি। এই শেষ বয়সে একটু ভালোভাবে বাঁচতে চাই।খামারের মালিক তাহেরা আজিজ বলেন, “মানবিক কারণে আমরা তাদের এখানে থাকতে দিই। কিন্তু একজন সাবেক আনসার সদস্যের এই জীবন সত্যিই মর্মন্তুদ। তাদের জন্য রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া উচিত।স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, অবিলম্বে এই দম্পতিকে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্প বা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনা হোক। কারণ একটি ঘর শুধু ইট-পাথরের দেয়াল নয় এটি মানুষের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও শান্তির প্রতীক।আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবু খায়ের বলেন, “আমি সম্প্রতি বিষয়টি জানতে পেরেছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে তাদের জন্য একটি ঘরের ব্যবস্থা করা হবে। ইনশাআল্লাহ।উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. তমিজুল ইসলামও জানান, বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে কীভাবে তাদের পুনর্বাসন করা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।রমজান আলী ও সাহিদা বেগমের এই দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রশ্ন জাগে যে মানুষটি একসময় রাষ্ট্রের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করেছেন, তার নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব নয় কি?ভাঙা টিনের নিচে প্রতিদিন জমে থাকে দীর্ঘশ্বাস। শেষ বয়সে শুধু একটি নিরাপদ ঘর এটিই তাদের চাওয়ার শেষ সীমা। বৃষ্টিতে ভিজা, শীতে কাঁপা এই জীবন কতদিন চলবে? সমাজের, রাষ্ট্রের ও স্থানীয় প্রশাসনের নজর কত দ্রুত তাদের কাছে পৌঁছাবে এটাই এখন বড় প্রশ্ন।এসআর
নাটোরে কলেজছাত্রের আত্মহত্যা, সহপাঠীদের মহাসড়ক অবরোধ ও ভাঙচুর
নাটোরের বড়াইগ্রামে এক কলেজছাত্রের আত্মহত্যাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ সহপাঠীরা মহাসড়ক অবরোধ ও কলেজের গেট ভাঙচুর করেছে।রবিবার(২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা উপজেলার বনপাড়া পৌর চত্বরে অবস্থান নেয় এবং প্রায় এক ঘণ্টা নাটোর-পাবনা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। এ সময় তারা বনপাড়া সেন্ট যোসেফস স্কুল অ্যান্ড কলেজের গেটে ভাঙচুর চালায়।জানা যায়, রবিবার সকালে বনপাড়া সেন্ট যোসেফস স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি টেস্ট পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হওয়ায় বাড়ি ফিরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জানালার পর্দার সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে যোসেফস বর্ণ রোজারিও (১৮)। সে বনপাড়া পৌর শহরের কালিকাপুর মহল্লার বিপ্লব রোজারিও’র ছেলে। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে সহপাঠীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে।শিক্ষার্থীদের দাবি, কলেজ কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত টাকা আয়ের লক্ষ্যে ইচ্ছে করে এইচএসসি টেস্ট পরীক্ষায় অসঙ্গতিপূর্ণ ফলাফল প্রকাশ করেছে। শিক্ষার্থীদের ভাষ্যমতে, এই কলেজ থেকে এইচএসসি টেস্ট পরীক্ষায় অংশ নেয় ৫০১ জন; যার মধ্যে পাস করেছে ১০১ জন, ফেল করেছে ৩৮ জন এবং ৩৬২ জনের ফলাফল স্থগিত রাখা হয়েছে। মূলত পুনরায় পরীক্ষা নিয়ে টাকা আদায়ের জন্যই ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট না পড়লে ফেল করিয়ে দেওয়া হয় বলেও দাবি তাদের। ফলাফল জটিলতা নিরসনের জন্য শিক্ষার্থীরা কর্তৃপক্ষকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে।মহাসড়ক অবরোধের ফলে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের তিন দিকে শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে। খবর পেয়ে জেলা বিএনপির সদস্য ও পৌর বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ এম লুৎফর রহমান, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবিএম ইকবাল হোসেন রাজু ও উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জুবায়ের জাহাঙ্গীর, বড়াইগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছালাম ও বনপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সুমন চন্দ্র সাহাসহ পুলিশের একটি টিম এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।এ ব্যাপারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ফাদার ড. শংকর ডমিনিক গমেজ জানান, প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল করানোর জন্য কিছু প্রাতিষ্ঠানিক কৌশল অবলম্বন করা হয়, যার অর্থ টাকা আয় করা নয়। তিনি আরও বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের পড়ার মান অনুযায়ী সার্ভিস ফি নেওয়া হয় না। কোনো বিষয়ে অভিযোগ থাকলে তা অভিভাবকদের সাথে নিয়ে সরাসরি অধ্যক্ষকে বলার পরামর্শ দেন তিনি।এনআই
বেলকুচি-চৌহালীতে এমপির হটলাইন চালু, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি
সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ও জবরদখলের সাথে জড়িত কেউ বিএনপি করতে পারবে না—এমন কঠোর হুঁশিয়ারির পর এবার সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খান আলিম হটলাইন নম্বর চালু করেছেন।রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খান আলিম বলেন, "এলাকার অন্যায়-অপরাধের তথ্যের পাশাপাশি কীভাবে এলাকার উন্নয়ন করা যায়, সে বিষয়ে জনগণের কাছ থেকে পরামর্শ পেতে আমি এ হটলাইন চালু করেছি।" আমিরুল ইসলাম খান আলিম বর্তমানে রাজশাহী বিভাগীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্বে রয়েছেন। এর আগে তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।এদিকে গত শনিবার বিকেলে এনায়েতপুর থানা বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের আয়োজনে কেজি মোড়স্থ দলীয় কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে নতুনভাবে দেশ গঠনে সবাইকে আত্মনিয়োগ করতে হবে। জনতার কাছে কোনো শক্তি প্রদর্শন বা নেতাগিরি দেখানো এবং গোষ্ঠীর প্রভাব বিস্তার করা যাবে না। আমি সবসময় জনগণের পক্ষে থাকব।এমপি আলিম আরও বলেন, "এলাকায় মাদকের ডিলার ও সেবনকারীদের দ্রুত এ ব্যবসা ছাড়তে হবে। কোনো অপরাধী কিংবা মাদক কারবারির বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হবে। এছাড়া আগামীতে জনবিচ্ছিন্ন কাউকে দলীয় কোনো পদ-পদবি দেওয়া হবে না। দোষীদের দলীয়ভাবে বহিষ্কারের পাশাপাশি প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হবে।"এ সময় তিনি মুকুন্দগাতি ও কেজি মোড়ের যানজট নিরসনে এবং তাঁত শিল্পে গ্যাস সংযোগ, যমুনার ভাঙনরোধসহ এনায়েতপুরকে পৌরসভা হিসেবে বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। রাতে তিনি এলাকার সকল অপরাধ ও অন্যায়ের অভিযোগ এবং গঠনমূলক পরামর্শ পেতে আনুষ্ঠানিকভাবে হটলাইন নম্বরটি চালু করেন।অনুষ্ঠানে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির উপদেষ্টা সাইদুল ইসলাম, এনায়েতপুর থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম মাস্টার, সাবেক সদস্য সচিব মঞ্জু সিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক শেখ ও থানা যুবদলের আহ্বায়ক জাহিদ হাসান জহুরুলসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এনআই
উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হটলাইন চালু করলেন সংসদ সদস্য
সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি, মাদক ও জবরদখলের সঙ্গে জড়িত কেউ বিএনপি করতে পারবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খান আলিম হটলাইন নম্বর চালু করেছেন।রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আমিরুল ইসলাম খান আলিম এ ঘোষণা দেন।আমিরুল ইসলাম খান আলিম বলেন, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি, মাদক ও জবরদখল রোধসহ কীভাবে এলাকার উন্নয়ন করা যায় সে বিষয়ে জনতার কাছ থেকে আমি পরামর্শ পেতে এই হটলাইন চালু করেছি।আলিম রাজশাহী বিভাগীয় বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক।শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এনায়েতপুর থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে কেজি মোড়ে দলীয় কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খান আলিম নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে নতুন ভাবে দেশ গঠনে সবাইকে আত্মনিয়োগ করতে হবে। জনতার কাছে কোনো হ্যাডাম বা নেতাগিরি দেখানো এবং গোষ্ঠীর প্রভাব বিস্তার করা যাবে না। আমি জনগণের পক্ষে থাকব।আলিম আরও বলেন, এলাকায় মাদকের ডিলার ও সেবনকারীদের দ্রুত এসব ছাড়তে হবে। কোনো অপরাধী কিংবা মাদককারবারীর বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। জনবিচ্ছিন্ন কাউকে দলীয় পদ-পদবি দেওয়া হবে না। দোষীদের দলীয় ভাবে বহিষ্কারের পাশাপাশি প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হবে।এ সময় জেলা বিএনপির উপদেষ্টা সাইদুল ইসলাম, এনায়েতপুর থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম মাস্টার, সাবেক সদস্য সচিব মঞ্জু সিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক শেখ ও থানা যুবদলের আহ্বায়ক জাহিদ হাসান জহুরুলসহ দলীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।এসআর
ইমাম নিয়োগে দ্বন্দ্বে মসজিদে তালা, মুসুল্লিদের রাস্তায় নামাজ আদায়
সিরাজগঞ্জে ইমাম নিয়োগে জামায়াত ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে মসজিদে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে মুসল্লিরা বাধ্য হয়ে মসজিদের বাইরে খোলা স্থানে রাস্তায় নামাজ আদায় করেন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের পেঁচিবাড়ি জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। দুপুরের দিকে সদর থানা পুলিশ ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ মসজিদ কমিটির উপস্থিতিতে তালা ভেঙে মুসল্লিদের নামাজের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান ইমামের কেরাত অনেকের কাছে পছন্দ না হওয়ায় ১২ ফেব্রুয়ারির পর গ্রামের অধিকাংশ লোকজন তাকে বদলানোর দাবি জানান। গ্রামবাসীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওয়াক্তের নামাজ ওই ইমাম পড়াবেন এবং তারাবির নামাজ অন্য ইমাম দিয়ে পড়ানো হবে—এমন প্রস্তাব করা হয়। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য মসজিদ কমিটির সভাপতি আবুল কালাম মাস্টারকে অনুরোধ করা হলেও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম তাতে রাজি হননি।প্রথম তারাবির আগের দিন সভাপতি জানান, তার কথা কেউ মানছেন না এবং কমিটির পক্ষ থেকে ওই ইমামকেই রাখার পক্ষে মত দেওয়া হয়েছে। তখন গ্রামবাসী নিজেরা অন্য ইমাম এনে তারাবি পড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। যথারীতি নতুন একজন ইমাম নিয়ে মসজিদে গেলে সভাপতির উপস্থিতিতে আলোচনার একপর্যায়ে যুবদল নেতা লিটনকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে জামায়াত সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে মারামারিও হয়। পরবর্তীতে বৈঠকের স্থান নিয়ে মতবিরোধের জেরে কোনো সমাধান আসেনি।শনিবার রাতে গ্রামবাসীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অন্য একজন ইমামের ইমামতিতে মাগরিব ও এশার নামাজ পড়ানো হয়। কিন্তু আজ সকালে ফজরের নামাজ আদায় করতে গিয়ে মুসল্লিরা মসজিদে তালা দেখতে পান। স্থানীয়দের দাবি, জামায়াত সমর্থিত লোকজনই এই তালা মেরেছে।বাগবাটি ইউনিয়ন কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মোকাদ্দেস আলী অভিযোগ করেন, গত ৫ আগস্টের পর এককভাবে জামায়াত সমর্থকরা মসজিদ কমিটি গঠন করে এবং আব্দুল হাই নামে একজনকে ইমাম হিসেবে নিয়োগ দেয়।মসজিদ কমিটির সম্পাদক ও জামায়াত সমর্থক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, "ইমাম আব্দুল হাইয়ের নামাজ নাকি ভালো হয় না, তাই তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আমাদের গ্রামে জামায়াতের কোনো নেতা নেই, আমি নিজেও কোনো পদে নেই; তবে আমরা সমর্থক। মসজিদে কে তালা দিয়েছে তা আমি বলতে পারব না।"এ বিষয়ে বাগবাটি ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মো. ছানোয়ার হোসেন বলেন, "বিষয়টিকে দলীয় তকমা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটি আসলে গ্রামের অভ্যন্তরীণ বিষয়। মসজিদে তালা দেওয়ার ঘটনা নিন্দনীয়। আমি ও বিএনপি নেতারা বসে বিষয়টি মীমাংসা করে নেব।"সদর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক শফিকুর রহমান বলেন, "ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে মুসল্লিরা তালা দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেন। পরে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও মসজিদ কমিটির সহযোগিতায় তালা খুলে নামাজের ব্যবস্থা করি। এ ব্যাপারে সঠিক তথ্য পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"এনআই
বাঘায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু
রাজশাহীর বাঘায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অনুপারভীন বেগম (৩৩) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে গড়গড়ি ইউনিয়নের সরেরহাট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অনুপারভীন বেগম নিজ বাড়িতে অটোভ্যানের বিদ্যুতের সুইচ খুলতে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।নিহত অনুপারভীন বেগম সরেরহাট গ্রামের কাউসার আলীর স্ত্রী।এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে তারা অবগত রয়েছেন এবং অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।এসআর
হবিগঞ্জের বাজার রোজায় হালিপ্রতি লেবুর দাম বেড়েছে ৯০০ শতাংশ
হবিগঞ্জের বিভিন্ন বাজারে রোজার আগের সপ্তাহে লেবুর হালি ছিল কম-বেশি ২০ টাকা। প্রথম রোজার আগের দিন থেকে হঠাৎ লাফিয়ে বাড়ে দাম, যা শনিবার বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকা পর্যন্ত হালি। সে হিসাবে লেবুর দাম হালিপ্রতি বেড়েছে ৯০০ শতাংশ।ইফতারির অন্যতম অনুষঙ্গ লেবুর এমন অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। মনু মিয়া নামে এক ক্রেতা বলেন, “রমজানে লেবু ছাড়া ইফতারি অসম্পূর্ণ মনে হয়। কিন্তু এবার দাম বেশি হওয়ায় লেবু ছাড়াই ইফতারি করতে হচ্ছে।”বিক্রেতা সবুজ মিয়া বলেন, “রোজার আগে লেবুর হালি ২০ থেকে ৪০ টাকা ছিল, বর্তমানে তা ৪০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কোনো কোনো বাজারে মানভেদে দাম আরো বেশি নেওয়া হচ্ছে। সরবরাহ কম, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি ও চাহিদা বেশি হওয়ায় লেবুর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।”লেবুচাষি নূরুল ইসলাম বলেন, “বর্তমানে লেবুর উৎপাদন কম হওয়ায় দামের ঊর্ধ্বগতির একটি কারণ। বর্তমানে এক হাজার লেবু কমপক্ষে ৭ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে সেটা ১১ থেকে ২০ হাজার টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হলে উৎপাদন বাড়বে। তখন দামও কমে যাবে।”কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর হবিগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আকতারুজ্জামান বলেন, “বর্তমানে চাষিরা সেচের মাধ্যমে লেবুর ফলন অব্যাহত রেখেছেন। বৃষ্টি হলে উৎপাদন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম কমবে।”এসআর
ডিসি সারোয়ারকে শোকজ
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সিলেটের গোলাপগঞ্জে গুলির আদেশ প্রদানকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ না করায় সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন আদালত।বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি জানাজানি হয়। এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি সিলেটের আমলি আদালত নম্বর-২ এর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত তালুকদার এ আদেশ দেন।আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট দুপুরে গোলাপগঞ্জ উপজেলার ধারাবহর এলাকার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলছিল। এ সময় পুলিশের গুলিতে তাজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রুলী বেগম গোলাপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর গুলিতে তার স্বামী নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ আনা হয়।পরবর্তীতে মামলার তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে নির্দেশ দেওয়া হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক নূর মোহাম্মদ গত বছরের ২২ এপ্রিল সিলেটের জেলা প্রশাসক এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর শ্রীমঙ্গলের সেক্টর সদর দপ্তরের উপমহাপরিচালকের কাছে পৃথক দুটি আবেদন পাঠান। এতে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে নির্দিষ্ট তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাওয়া হয়।তবে তথ্য না পাওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে বিষয়টি জানান। এর প্রেক্ষিতে গত বছরের ১৫ জুন আদালত জেলা প্রশাসক ও বিজিবির উপমহাপরিচালককে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তার চাহিত তথ্য সরবরাহের আদেশ দেন। এ আদেশের পর বিজিবি তথ্য সরবরাহ করে। অন্যদিকে জেলা প্রশাসনের জুডিশিয়াল মুন্সিখানা শাখা থেকে গোলাপগঞ্জের সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) তদন্তকারী কর্মকর্তার চাহিত তথ্য প্রেরণে নির্দেশ দেওয়া হলেও পরে আর এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। পরে আরও কয়েক দফা আদালত তথ্য চেয়েও পাননি।গত ৮ ফেব্রুয়ারি আদালত জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। ওই দিন এক আদেশে আদালত উল্লেখ করেন, তদন্ত কর্মকর্তাকে কোনো তথ্য সরবরাহ না করায় মামলার তদন্তকাজ বিলম্বিত হচ্ছে। ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট মামলাটি দায়ের হলেও এখনো তদন্ত শেষ হয়নি। ফলে বিচারকাজও শুরু করা যাচ্ছে না। আদালত থেকে আদেশ প্রদান করার দীর্ঘদিন পরও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তার চাওয়া তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ না করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এটা সরাসরি আদালত অবমাননার শামিল।আদালতের নোটিশে বলা হয়, এমন কাজকে আদালতের আদেশ অমান্য ও বিচারকাজে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে গণ্য করে কেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। অথবা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া যাবে না, তা ১৫ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর জন্য জেলা প্রশাসককে বলা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জেলা প্রশাসক কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলম জানান, আদালত শোকজ দিয়েছেন বলে শুনেছি। এ বিষয়ে আদালতে জবাব দেওয়া হবে।এমআর-২
শায়েস্তাগঞ্জে অস্তিত্ব সংকটে জিয়া খাল, পুনঃখননের দাবি
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ ও কৃষি সেচের গুরুত্বপূর্ণ উৎস জিয়া খাল এখন অস্তিত্ব সংকটে। অবৈধ দখল, ময়লা-আবর্জনা ফেলা এবং দীর্ঘদিন খনন না হওয়ায় খালটির স্বাভাবিক পানি প্রবাহ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট দেখা দিচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, খালের দুই তীর ধীরে ধীরে ভরাট হয়ে প্রস্থ কমে গেছে। অনেক স্থানে এটি সরু নালায় পরিণত হয়েছে। বর্জ্য ফেলার কারণে পানিদূষণও বাড়ছে, যা পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত দখলমুক্তকরণ, নিয়মিত খনন এবং কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না হলে খালটি পুরোপুরি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে স্থানীয় জীববৈচিত্র্য ও কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সচেতন মহল খালটি রক্ষায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।স্থানীয়দের ভাষ্য, ১৯৮০ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হবিগঞ্জ সফরকালে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। উপজেলার লেঞ্জাপাড়া, দাউদনগর, নিজগাঁও হয়ে কুতুবেরচক গ্রামের সম্মুখভাগ এবং ঢাকা–সিলেট রেলপথের পাশ দিয়ে খালটি সুতাং নদীর সঙ্গে যুক্ত করা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে এ খাল জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষিজমিতে সেচের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করেছে।শায়েস্তাগঞ্জ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. করম আলী বলেন, একসময় এলাকায় শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানি না থাকায় কৃষকেরা ইরি-বোরো ও অন্যান্য ফসল চাষে বঞ্চিত হতেন। খাল খননের পর কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়।বর্তমানে খালটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টির সময় পানি উপচে জমি প্লাবিত হচ্ছে এবং ফসলের ক্ষতি হচ্ছে বলে জানান স্থানীয় কৃষকেরা। তাঁদের দাবি, খালটি দ্রুত পুনঃখনন করা হলে জলাবদ্ধতা দূর হবে, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য ফিরবে।শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাহিদ হোসেন বলেন, বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে খালটি খননের উদ্যোগ নেওয়া হবে।ইখা
‘আমার সাথে খুবই বাজে আচরণ করেছে’, দিল্লি থেকে মাহাদীর ভিডিও বার্তা
‘এসআই সন্তোষকে পুড়িয়েছি, বানিয়াচং থানা জ্বালিয়েছি’—পুলিশের সামনে এমন বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় আসা হবিগঞ্জের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব মাহাদী হাসান বর্তমানে ভারতের দিল্লিতে অবস্থান করছেন। তার দিল্লি অবস্থান নিয়ে চলছে নানামুখী আলোচনা। এমনকি তাকে দিল্লিতে ইমিগ্রেশনে আটকে রাখা হয়েছে বলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুঞ্জন শুরু হয়।এরই মধ্যে বুধবার সকালে নিজের ফেসবুক পেজ থেকে একটি ভিডিও বার্তা দেন মাহাদী। ভারতের দিল্লি এয়ারপোর্ট থেকে দেওয়া ওই ভিডিও বার্তায় তিনি অভিযোগ করেন, ভারতে তাকে হয়রানি ও হেনস্তা করা হয়েছে। তাকে দুপুর সাড়ে ১২টার ফ্লাইটে দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।পুরো ঘটনার বিষয়ে দেশে ফিরে সংবাদ সম্মেলন করবেন জানিয়ে মাহাদী বলেন, "আমার সাথে অনেকগুলো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। ৪০ মিনিটের মতো আমাকে কাস্টডিতে আটকে রাখা হয়েছিল। আমার সাথে খুবই বাজে আচরণ করা হয়েছে। তারা আমাকে জেলেও দিতে চেয়েছিল। আমি জানি না আমি ঠিক কী অপরাধ করেছি।"মাহাদী আরও বলেন, "আমি তাদের বারবার বলেছি, আমি যদি কোনো বেআইনি কাজ করে থাকি তবে আমার দেশের সঙ্গে কথা বলেন, হাই কমিশন বা সরকারের সাথে কথা বলেন। কিন্তু কেউ আমার কথা শোনেনি।"তিনি আরও জানান, "আমার ১২টা ৪০ মিনিটে ফ্লাইট। আমাকে ইমিগ্রেশন দেওয়া হয়েছে। যারা আমার জন্য দুশ্চিন্তা করেছেন, তাদের ধন্যবাদ। আমি এখন নিরাপদ আছি। তবে একজন পুলিশ আমাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করেছে। তারা বারবার জানতে চাইছিল আমি এসআই সন্তোষকে হত্যা করেছি কি না। তারা আমার মোবাইল ফোনও চেক করেছে। আমি দেশে ফিরে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেব।"জানা যায়, ইউরোপের দেশ ফিনল্যান্ডে যাওয়ার ভিসার আবেদন করতে দিল্লিতে গিয়েছিলেন মাহাদী। মাহাদী হাসান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব। গত জানুয়ারিতে তিনি শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ কর্তৃক আটক এক ব্যক্তিকে ছাড়াতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে আলোচনায় আসেন। এরপর তাকে গ্রেপ্তার করা হলেও আন্দোলনের চাপে ও তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হস্তক্ষেপে তিনি জামিনে মুক্তি পান।এনআই
গোলাপগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
সিলেটের গোলাপগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ফাহাদ হাসান (২৭) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে সিলেট–জকিগঞ্জ সড়কের হিলালপুর এলাকায় স্থানীয়রা রাস্তায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা–পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।নিহত ফাহাদ হাসান বিয়ানীবাজার উপজেলার তিলপাড়া ইউনিয়নের মাঠিজুরা গ্রামের মৃত আব্দুর রউফের একমাত্র ছেলে।গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।দুর্ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।ইখা
অনলাইন ভোট
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজন করা হবে। আপনি কি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?
আন্তর্জাতিক
সব দেখুন
ইরানের সাহস দেখে হতবাক ট্রাম্প
ইরানের সীমান্তের কাছে বিপুল সমরাস্ত্র মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আছে রণতরীর বহরও। এছাড়া হাজার হাজার সৈন্য ও অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানতো আছেই। এখন শুধু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুকুম পেলেই তারা আগ্রাসন চালাবে ইরানে। এই পরিস্থিতিতেও ভীত নয় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দেশ। এখনো নজিরবিহীন জবাব দিয়ে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ধরাশায়ী করার হুঙ্কার দিয়ে যাচ্ছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র। এতে বেশ হতবাক হয়েছেন ট্রাম্প।ইরান এখনো কেন ‘আত্মসমর্পণের’ মাধ্যমে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করতে সম্মত হয়নি, বিষয়টি ভাবাচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। তার বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান। খবর বিবিসির।তিনি বলেন, ‘আমি হতাশ শব্দটি ব্যবহার করতে চাই না, কারণ তিনি (ট্রাম্প) জানেন তার হাতে অনেক বিকল্প আছে। তবে তিনি কৌতূহলী যে কেন তারা এখনো (আমি আত্মসমর্পণ শব্দটি ব্যবহার করতে চাই না) আত্মসমর্পণ করেনি। এতো চাপের মুখেও তারা কেন আমাদের কাছে এসে বলেনি, আমরা অস্ত্র চাই না। তাদের সেই অবস্থানে আনা বেশ কঠিন হয়ে পড়ছে।’ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সামরিক শক্তি মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। দেশটির বিরুদ্ধে কয়েক সপ্তাহব্যাপী সম্ভাব্য বিমান হামলার প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। হামলা হলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানার হুমকি দিয়েছে ইরান।ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি ত্যাগ করতে হবে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধ এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধতা মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।তেহরান বলছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ; তবে আর্থিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে কিছু সীমাবদ্ধতা মেনে নিতে তারা প্রস্তুত। তবে ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থনের মতো অন্যান্য ইস্যুতে আলোচনা করতে প্রস্তুত নয় তারা।উইটকফ বলেন, ‘বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচির জন্য যে মাত্রা প্রয়োজন, তার চেয়েও অনেক বেশি মাত্রায় তারা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে। এটি ৬০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে।’এনআই
ইউরোপীয় নৌ ও বিমান বাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা করল ইরান
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করার পর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইইউভুক্ত সব দেশের নৌ ও বিমান বাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা করেছে ইরান। শনিবার এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সিদ্ধান্ত ‘অবৈধ ও অযৌক্তিক’। তাদের দাবি, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর অন্যতম স্তম্ভ, এবং এটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যা দেয়া জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি। খবর প্রেস টিভির।বিবৃতিতে বলা হয়, পারস্পরিক পদক্ষেপের নীতির ভিত্তিতে এবং ২০১৯ সালে ইরানি পার্লামেন্টে পাস হওয়া আইনের ধারা অনুযায়ী সরকার সমানুপাতিক আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য। ওই আইনে উল্লেখ রয়েছে, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের আইআরজিসি-কে সন্ত্রাসী ঘোষণার সিদ্ধান্ত অনুসরণ বা সমর্থন করবে, তাদের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেয়া হবে।গত বৃহস্পতিবার ইইউ পররাষ্ট্র বিষয়ক পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী তালিকায় যুক্ত করে। এর ফলে ইইউভুক্ত দেশগুলোতে আইআরজিসির সম্ভাব্য সম্পদ জব্দ এবং অর্থনৈতিক লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।এদিকে আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইউরোপের এ সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের ‘হস্তক্ষেপমূলক নীতির’ সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে এ ধরনের পদক্ষেপ তাদের সংকল্প দুর্বল করবে না; বরং জাতীয় ঐক্য ও দেশের নিরাপত্তা রক্ষার দৃঢ়তা আরও বাড়াবে।এবি
বন্দুক ঠেকিয়ে বরের সামনেই নববধূকে অপহরণ প্রাক্তনের
বন্দুক ঠেকিয়ে বরের সামনেই নববধূকে তুলে নিয়ে গেছে প্রাক্তন প্রেমিক। শুনতে অবাক লাগলেও বাস্তবেই ঘটেছে এমন ঘটনা। বিয়ের মণ্ডপ থেকে ফেরার পথেই তুলে নিয়ে যান প্রাক্তন প্রেমিক।রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নবদম্পতি ও স্বজনরা গাড়িতে করে ফিরছিলেন। পথে তারভা রোডের বাদাবান্ধা এলাকায় তিন দুর্বৃত্ত তাদের পথরোধ করে। অভিযোগ, নববধূর প্রাক্তন প্রেমিক আরও দুই সহযোগীকে নিয়ে গাড়ি থামিয়ে বরকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে হুমকি দেয় এবং জোরপূর্বক নববধূকে তুলে নিয়ে পালিয়ে যায়। বর ও তার সঙ্গীরা অসহায় অবস্থায় সেখানেই পড়ে থাকেন।এনডিটিভি জানিয়েছে, এ ঘটনায় পরে বর তারভা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি জানান, বন্দুক দেখিয়ে তাকে আটকে রেখে তার স্ত্রীকে অপহরণ করা হয়েছে।তারভা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অনিতা কিডো বলেন, বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে তিন সন্ত্রাসী তাদের গতিরোধ করে। এ সময় তারা আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখায় এবং কনেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের খুঁজে বের করে ওই নারীকে উদ্ধারের জন্য তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।এসআর
ইসরাইল সফরে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি
ইসরাইল সফরে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০১৭ সালে কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার ইসরাইল সফর করেছিলেন তিনি। প্রায় ৯ বছর পর আগামী বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুইদিনের সরকারি সফরে যাচ্ছেন। খবর আল জাজিরার।সম্প্রতি অধিকৃত পশ্চিম তীরকে ‘রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি’ হিসেবে তেল আবিবের নিবন্ধনের প্রস্তাব অনুমোদনের পর ভারতসহ বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশ ইসরাইলের নিন্দা জানিয়েছিল। আর এর মধ্যেই নরেন্দ্র মোদির তেল আবিরের সফরের বিষয়টি সামনে এল। ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরাইল সরকারের আগ্রাসন সত্ত্বেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও প্রযুক্তিখাতে ভারত ও ইসরাইলের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। যদিও কয়েক দশক ধরে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সমর্থন দিয়ে আসছে নয়াদিল্লি।২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলের হামলার পর থেকে একাধিক পশ্চিমা নেতা নেতানিয়াহুর সাথে ইসরাইলে গিয়ে সাক্ষাৎ করলেও মোদির সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে আখ্যা দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি জেরুজালেমে এক অনুষ্ঠানে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী সপ্তাহে ইসরাইল সফর করবেন। তিনি আরও জানান, ‘আমরা আমাদের জোটকে শক্তিশালী করতে কাজ করছি। আগামী সপ্তাহে আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু নরেন্দ্র মোদি, ভারতের প্রধানমন্ত্রী—একটি বিশাল বৈশ্বিক শক্তির নেতা—ইসরাইল সফর করবেন।’ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সফরে দুই দেশ নিরাপত্তা সহযোগিতা বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করতে পারে বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আগামী কয়েক বছরে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার আর্থিক পরিমাণ প্রায় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির সফর ঘিরে দুই দেশই আনুষ্ঠানিকভাবে খুব বেশি তথ্য প্রকাশ না করলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইসরাইল ভারতকে সর্বাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সরবরাহ করতে সম্মত হয়েছে।এমআর-২
বিয়ের দিনে দুই বোনের আত্মহত্যা
ভারতে নিজেদের বিয়ের দিনে ২ বোনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। একই দিনে দুই বোনের বিয়ে ঠিক করেছিলেন তাদের বাবা-মা।রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি)সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, পুলিশ বলেছে, তারা দুজন বিষাক্ত কোনো কিছু পান করেছেন।শোভা (২৫) এবং ভিমলা (২৩) নামে এ দুই বোনের শনিবার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। শুক্রবার রাতে পুরোদমে তাদের বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল।শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত তাদের বাড়িতে বিয়ের আনন্দ উৎসব হয়। ওই সময় দুই বোন ঘুমাতে যান। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পর তাদের শরীর খারাপ হয়। তখন দ্রুত দুজনকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।পুলিশের এডিসিপি (ওয়েস্ট) রোশান মীনা বলেছেন, বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠান শনিবার শেষ রাত পর্যন্ত হয়েছে। কিন্তু মধ্যরাতে দুই বোন ঘুমাতে চলে যান। ভোর ৪টার দিকে তাদের দুজনের শরীর হঠাৎ করে খারাপ হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।দুজনের মরদেহ পরিবারের সদস্যরা হাসপাতাল থেকে বাড়িতে এনে সৎকারের ব্যবস্থা করেন। তবে ওই সময় থানা থেকে পুলিশ এসে মরদেহগুলো নিয়ে যায় এবং ময়নাতদন্ত করে ফিরিয়ে দিয়ে যায়।প্রাথমিক তদন্তে তাদের দেহে বিষাক্ত প্রদার্থের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ আরও তদন্ত করে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের এ কর্মকর্তা।সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানায়, এই দুই বোনের মামা অভিযোগ করেছেন, তাদের চাচা জোরপূর্বক তাদের বিয়ে দিচ্ছিল। এ নিয়ে মনোমালিন্য চলছিল। সেখান থেকে তারা দুজন এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।এমআর-২
ভারতে ৩২ বিশ্ববিদ্যালয়কে ভুয়া ঘোষণা
ভারতে মোট ৩২টি ভুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ধান পেয়েছে দেশটির ইউনিভার্সিটি গ্রান্ট কমিশন বা ইউজিসি। এর মধ্যে রাজধানী দিল্লিতেই ১২টি রয়েছে। ইউজিসি জানায়, এই ভুয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ডিগ্রি দেয়ার কোনো আইনি অধিকার নেই। খবর এনডিটিভির।ইউজিসি জানিয়েছে, এই প্রতিষ্ঠানগুলো ইউজিসি আইনের অধীনে স্বীকৃত নয়। চাকরি বা পরবর্তী উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এদের দেওয়া ডিগ্রি সম্পূর্ণ অচল। গত দু’বছরে এই ভুয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২০ থেকে বেড়ে ৩২ হয়েছে। ১২টি রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, দিল্লিতে এক ডজনেরও বেশি এমন ভুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলছে। এর মধ্যে উত্তর প্রদেশে ৪টি এবং অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক, কেরালা, মহারাষ্ট্র, পুদুচেরি ও পশ্চিমবঙ্গে ২টি করে ভুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ধান পাওয়া গেছে। এছাড়া রাজস্থান, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, অরুণাচল প্রদেশে ১টি করে ভুয়া বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে বলে জানিয়েছে ইউজিসি। এই চারটি রাজ্যেরই নাম নতুন করে যুক্ত হয়েছে এই তালিকায়। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের চূড়ান্ত সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে কমিশন। সস্তায় বা সহজে ডিগ্রি পাওয়ার লোভে পা দিলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার হতে পারে। ইউজিসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন যাচাই করে তবেই ভর্তির সিদ্ধান্ত নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।এমআর-২
পাকিস্তানের হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ১৭, উপযুক্ত জবাবের হুঁশিয়ারি তালেবানের
আফগানিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নারী শিশুসহ অন্তত ১৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোরের এ হামলায় আরও অনেকে আহত হয়েছেন। হামলার উপযুক্ত জবাব দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তালেবান সরকার।আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগানিস্তান সীমান্তে জঙ্গি আস্তানা লক্ষ্য করে বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। ইসলামাবাদের একটি শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী হামলাসহ সম্প্রতি পাকিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় হামলার জেরে এ অভিযান চালানো হয়।আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পাকিস্তানের হামলার কড়া নিন্দা জানিয়েছে। মন্ত্রণালয় জানায়, সীমান্তবর্তী নাঙ্গারহার এবং পাকতিকা প্রদেশে একটি ধর্মীয় স্কুল এবং আবাসিক বাড়িতে হামলা হয়েছে। এতে নারী ও শিশুসহ অনেকে হতাহত হয়েছে। আফগানিস্তানের একটি সূত্র আল জাজিরাকে জানায়, নাঙ্গারহারে পাকিস্তানের হামলায় কমপক্ষে ১৭ জন নিহত হয়েছেন। পাকিস্তানের হামলার নিন্দা জানিয়ে আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একে আন্তর্জাতিক আইন ও সুপ্রতিবেশী সম্পর্কের নীতির লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে এবং উপযুক্ত জবাব দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, ‘বেসামরিক নাগরিক এবং ধর্মীয় স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানোর জন্য পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে দায়ী করছি। যথাসময়ে এই হামলার পরিমিত এবং উপযুক্ত জবাব দেয়া হবে।’ এর আগে পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এক্সে (সাবেক টুইটার) দেয়া বিবৃতিতে জানায়, দেশটির সামরিক বাহিনী পাকিস্তান তালেবান (টিটিপি) ও তাদের সহযোগীদের সাতটি ক্যাম্প ও আস্তানায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিক নির্ভুল অভিযান পরিচালনা করেছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সীমান্ত অঞ্চলে আইএসের একটি সহযোগী সংগঠনকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় বলছে, ইসলামাবাদসহ উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বাজাউর ও বান্নু জেলায় সাম্প্রতিক হামলাগুলো ‘আফগানিস্তানভিত্তিক সংগঠনের নেতৃত্বে হয়েছে—এমন ‘অকাট্য প্রমাণ’ তাদের কাছে রয়েছে। পাকিস্তান বলেছে, আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো যাতে হামলা চালাতে না পারে, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে তালেবান সরকারকে বারবার আহ্বান জানানো হলেও কাবুল ‘কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেয়নি’। এ বিমান হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে খাইবার পাখতুনখোয়ার বান্নু জেলায় একটি নিরাপত্তা বহরে আত্মঘাতী হামলায় একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেলসহ দুই সেনা নিহত হন। এছাড়া গত সোমবার বাজাউর এলাকায় আরেক আত্মঘাতী হামলায় অস্ত্রধারীদের সহায়তায় বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি নিরাপত্তা পোস্টের দেয়ালে আছড়ে পড়লে ১১ সেনা ও এক শিশু নিহত হয়। পরে কর্তৃপক্ষ জানায়, হামলাকারী আফগান নাগরিক। এর আগে ৬ ফেব্রুয়ারি ইসলামাবাদের তারলাই কালান এলাকার খাদিজাতুল কুবরা মসজিদে জোহরের নামাজের সময় আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ৩১ মুসল্লি নিহত এবং ১৭০ জন আহত হন। ওই হামলার দায় স্বীকার করেছিল আইএস।এমআর-২
ইউক্রেনকে ২ দিনের আল্টিমেটাম স্লোভাকিয়ার
ইউক্রেনকে দুই দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো। তিনি হুঁশিয়ারি বলেন, ইউক্রেন যদি তার ভূখণ্ড দিয়ে রুশ তেলের প্রবাহ পুনরায় শুরু না করে, তাহলে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হবে। খবর আলজাজিরার।শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ফিকো ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে সরাসরি উদ্দেশ্য করে বলেন, সোমবারের মধ্যে সোভিয়েত আমলের ড্রুঝবা পাইপলাইন দিয়ে রুশ অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ পুনরায় শুরু না হলে রাষ্ট্রীয় কোম্পানি এসইপিএসকে ইউক্রেনে জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হবে।ফিকো বলেন, জেলেনস্কি স্লোভাকিয়ার প্রতি দুরভিসন্ধিমূলক আচরণ করছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি পাঁচ বছর মেয়াদি গ্যাস ট্রানজিট চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ইউক্রেন রুশ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়, যার ফলে স্লোভাকিয়ার বছরে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ৫৮৯ মিলিয়ন ডলার) ক্ষতি হচ্ছে।তিনি জেলেনস্কির আচরণকে অগ্রহণযোগ্য বলে বর্ণনা করে বলেন, ইউক্রেনের জন্য সাম্প্রতিক ৯০ বিলিয়ন ইউরোর (প্রায় ১০৫ বিলিয়ন ডলার) সামরিক ঋণে স্লোভাকিয়াকে জড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তিনি একদম সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।ড্রুঝবা পাইপলাইন দিয়ে রুশ তেলের প্রবাহ গত জানুয়ারির শেষের দিকে বন্ধ হয়ে যায়। ইউক্রেন দাবি করে, রুশ ড্রোন হামলায় পাইপলাইনের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরপর থেকে স্লোভাকিয়া ও প্রতিবেশী হাঙ্গেরি কিয়েভের প্রতি ক্রমাগত চাপ বাড়িয়ে চলেছে। দুই দেশই রুশ তেলের ওপর নির্ভরশীল।উল্লেখ্য, রুশ হামলায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ গ্রিড ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্লোভাকিয়া বর্তমানে ইউক্রেনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ সরবরাহকারী। জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞদের মতে, গত মাসে ইউক্রেনের রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ আমদানির ১৮ শতাংশ এসেছে স্লোভাকিয়া থেকে।এই আল্টিমেটামের পর ইউক্রেনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি যুদ্ধকালীন ইউরোপীয় জোটের মধ্যে নতুন ফাটল সৃষ্টির ইঙ্গিত দিচ্ছে।এমআর-২
‘বাইবেল অনুসারে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ওপর ইসরাইলের অধিকার আছে’
ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি বলেছেন, বাইবেলের বর্ণনা অনুযায়ী পুরো মধ্যপ্রাচ্যের বিশাল অংশের ওপর ইসরাইলের অধিকার রয়েছে।তার এই অদ্ভুত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আরব ও মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোতে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। রক্ষণশীল উপস্থাপক টাকার কার্লসনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে হাকাবি এই মন্তব্য করেন। কার্লসন উল্লেখ করেছিলেন যে বাইবেল অনুযায়ী আব্রাহামের বংশধরদের যে ভূমির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তাতে বর্তমানের প্রায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য অন্তর্ভুক্ত। এর জবাবে মাইক হাকাবি বলেন, তারা (ইসরাইল) যদি এর পুরোটা নিয়ে নেয় তবে সেটি ভালোই হবে। তবে তিনি পরে যোগ করেন, ইসরাইল তার সীমানা বাড়াতে চাইছে না, বরং তারা বর্তমান ভূমিতে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়।হাকাবির এই বক্তব্যের পরপরই সৌদি আরব, মিশর, জর্ডান, কুয়েত, ওমান এবং ওআইসি ও আরব লীগের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মন্তব্যকে ‘চরমপন্থী বক্তব্য’ এবং ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের কাছে তাদের অবস্থানের স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেছে। অন্যদিকে, মিশর এই বক্তব্যকে আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়ে জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড বা অন্য কোনো আরব ভূমির ওপর ইসরাইলের কোনো সার্বভৌমত্ব নেই। আরব লীগ সতর্ক করে বলেছে, এ ধরনের ভিত্তিহীন মন্তব্য কেবল মানুষের ধর্মীয় ও জাতীয় আবেগকেই উসকে দেবে।হাকাবি একজন ইভানজেলিকাল খ্রিস্টান এবং তিনি দীর্ঘকাল ধরেই ফিলিস্তিন-ইসরাইল সমস্যার 'দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান' বা টু-স্টেট সলিউশনের বিরোধিতা করে আসছেন। সাক্ষাৎকারে কার্লসন যখন বাইবেলের 'বুক অব জেনেসিস'-এর বরাত দিয়ে নীল নদ থেকে ইউফ্রেটিস পর্যন্ত (যার মধ্যে জর্ডান, সিরিয়া, লেবানন, সৌদি আরব ও ইরাকের বড় অংশ পড়ে) ভূমির কথা বলেন, তখন হাকাবি সহমত পোষণ করেন। প্রসঙ্গত, ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইসরাইলের কোনো স্থায়ী সীমানা নেই এবং যুদ্ধের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে এই সীমানা পরিবর্তিত হয়েছে। ফিলিস্তিনিরা দশকের পর দশক ধরে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবি জানিয়ে আসছে, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বড় একটি অংশ সমর্থন করে।এমআর-২
উত্তেজনার মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই দূরপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র সায়াদ-৩জি নিক্ষেপ করেছে ইরান। বৃহৎ সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করে দেশটি। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী পরিচালিত হরমুজ প্রণালির স্মার্ট কন্ট্রোল শীর্ষক নৌ-মহড়ার সময় যুদ্ধজাহাজ শহিদ সায়াদ শিরাজি থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসির নৌবাহিনী ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে। সায়াদ-৩জি ক্ষেপণাস্ত্রটি সোজাসুজি উৎক্ষেপণযোগ্য এবং এর কার্যকর দূরপাল্লা প্রায় ১৫০ কিলোমিটার।হরমুজ প্রণালিতে অনুষ্ঠিত স্মার্ট কন্ট্রোল মহড়া শুরু হয় গত ১৬ ফেব্রুয়ারি এবং এটি টানা তিন দিন ধরে চলে। এই মহড়ার মধ্য দিয়েই তেহরান সমুদ্রভিত্তিক আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতার জানান দিল বলে অভিমত বিশ্লেষকদের।দেশটির কর্তৃপক্ষের দাবি, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে শহিদ সোলাইমানি শ্রেণির সামরিক জাহাজগুলোর জন্য আঞ্চলিক আকাশ প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এর আগে সায়াদ-৩ ক্ষেপণাস্ত্রের স্থলভিত্তিক সংস্করণ প্রথম পরীক্ষা করা হয় ২৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ওই সংস্করণের দূরপাল্লা ছিল ১২০ কিলোমিটার।এমআর-২
বিনোদন
সব দেখুন
একটি মহল আমাকে টার্গেট করছে: মেহজাবীন
পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। সামাজিক মাধ্যমে বেশ সরব তিনি। নিজের বিভিন্ন মুহূর্ত কখনো ভাগ করে নেন, আবার কখনো নিজের ভালো লাগা-মন্দ লাগার বিষয়গুলোও তুলে ধরেন। এবার সামাজিক মাধ্যমে তিনি দাবি করলেন, একটি মহলের কাছ থেকে ‘টার্গেট’ হচ্ছেন অভিনেত্রী। আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে মেহজাবীন লেখেন, কিছুদিন ধরে আমি লক্ষ্য করছি আমাকে নানা বিষয়ে টার্গেট করা হচ্ছে। আপনারা অনেকেই জানেন, কিছুদিন আগেও একটি মিথ্যা মামলায় আমাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল। বিজ্ঞ আদালত সেই মামলা থেকে আমাকে অব্যাহতি দিয়েছেন, সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমি যখন নতুন করে কাজে মনোনিবেশ করেছি, ঠিক তখনই আবার আমার মানহানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।মেহজাবীন লেখেন, পাশাপাশি আরও উল্লেখ করতে চাই, সাম্প্রতিক সময়ে এআই (Artificial Intelligence) দিয়ে তৈরি ছবি ও ভিডিওর কারণেও আমার মতো অনেক আর্টিস্টদের প্রায়ই বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে; যা একেবারেই কাম্য নয়। নারীরাই আজকাল সহজ টার্গেট হচ্ছে, এর পেছনে কে বা কারা আছে তা আমার জানা নেই।মেহজাবীন উল্লেখ করেন, আমি শুধু আমার কাজেই ফোকাস করতে চাই, আমি চাই আমার কাজ নিয়েই আলোচনা হোক। আশা করি আপনারা সবাই পাশে থাকবেন, ধন্যবাদ। অভিনেত্রীর এই বক্তব্য ঘিরে ভক্ত ও সমালোচকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তার পাশে দাঁড়িয়েছেন, আবার কেউ সাম্প্রতিক অভিযোগগুলোর তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে নানা বিতর্কে জড়িয়ে আলোচনায় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। মাস তিনেক আগে পারিবারিক ব্যবসায় পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে আইনি জটিলতায় পড়েন। তবে পরবর্তীতে আদালত থেকে অব্যাহতি পান অভিনেত্রী।তবে সম্প্রতি যে বিষয় নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত; তা হলো- এক সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ঢাকায় ফেরার পর মদের বোতলসহ আটকা পড়েন মেহজাবীন ও তার স্বামী। যদিও বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি; আর এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই সরাসরি নিজের মানহানির দাবি করলেন অভিনেত্রী। এইচএ
জাতীয় পুরস্কারের স্বচ্ছতা নিয়ে যা বললেন শাকিব খান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রনীতির নতুন দিকনির্দেশনা নিয়ে প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন ঢালিউডের শীর্ষ অভিনেতা শাকিব খান। এক সাক্ষাৎকারে চলচ্চিত্র শিল্পের সংস্কার ও উন্নয়ন নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিচারপ্রক্রিয়ায় পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি ও অস্বচ্ছতা থেকে মুক্ত একটি জবাবদিহিমূলক কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি বাইরের হস্তক্ষেপ ঠেকাতে কঠোর নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন এ অভিনেতা। প্রকৃত মেধাবীদের উৎসাহ দিতে চলচ্চিত্র বাছাই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছ কমিটি গঠন, অনলাইন স্কোরিং পদ্ধতি চালু এবং পাবলিক রিপোর্ট প্রকাশের উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শ দেন শাকিব খান। দেশব্যাপী প্রেক্ষাগৃহ সংকট কাটাতে স্বল্পসুদে ঋণ, করছাড় ও পুনর্গঠন তহবিল গঠনের মাধ্যমে আধুনিক মাল্টিপ্লেক্স নির্মাণের প্রস্তাবও দেন তিনি। নতুন প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণে ভ্যাট ও ট্যাক্স ছাড়, জমি লিজে বিশেষ সুবিধা এবং প্রজেকশন ও সাউন্ড যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্ক কমানোর কথাও উল্লেখ করেন।তার মতে, প্রেক্ষাগৃহকে শুধু সিনেমা প্রদর্শনের স্থান নয়, বরং বহুমুখী সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা উচিত। সেখানে নিয়মিত চলচ্চিত্র উৎসব ও সাংস্কৃতিক আয়োজন হতে পারে। একই সঙ্গে সরকারকে ঝামেলামুক্ত, পেশাদার ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।এইচএ
তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে মনোনয়ন চাইবেন হিরো আলম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে উপনির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতোমধ্যে এ আসন ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এই উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম।এবার আর আমজনতা দলের হয়ে নয়, জামায়াত বা এনসিপির প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চান হিরো আলম। তিনি বলেন, ‘আমাকে মানুষ চেনে। বগুড়া-৬ আসনে আমার বাড়ি। যেহতু এই আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে। তাই আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো। তবে দল থেকে করতে চেষ্টা করছি। সেই হতে পারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অথবা ন্যাশনাল সিটিজেন্স পার্টি (এনসিপি)-র হয়ে।’ ‘জামায়াত ও এনসিপিকে আমার ভালো লাগে। তাই আমি এই দুই দলের কাছে মনোনয়ন চাইবো। আমি আশা করছি দল দুটি; আমাকে প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করবে’, - যোগ করেন আলম।তবে মনোনয়ন না পেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন হিরো আলম। তিনি বলেন, ‘এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের স্বার্থে কাজ করার ইচ্ছা থেকেই আবারও নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অতীতের নির্বাচনী অভিজ্ঞতা থেকেই এবার আরও প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামবো।’রাজনৈতিক অঙ্গনে ভিন্নধর্মী উপস্থিতির কারণে হিরো আলম বরাবরই আলোচনায় থাকেন। ২০২৩ সালে বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে জামানত হারিয়ে ছিলেন হিরো আলম। এই উপনির্বাচনে হিরো আলম বগুড়া-৬ আসনে ৫ হাজার ২৭৪ ভোট পেয়েছেন। এই আসনে জামানত রক্ষার জন্য দরকার ছিল ১১ হাজার ৪৬৮ ভোট।এইচএ
ভোটের কালির কারণে অজু নিয়ে দুশ্চিন্তায় বর্ষা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন চিত্রনায়িকা আফিয়া নুসরাত বর্ষা। তবে ভোট দেওয়ার পাঁচ দিন পরও আঙুলে থাকা কালি এখন তাকে ফেলেছে ভিন্ন এক ভাবনায়। ধর্মীয় অনুশাসন অনুযায়ী অজু ঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়েই সংশয়ে পড়েছেন এই অভিনেত্রী।আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ছবি শেয়ার করে নিজের উদ্বেগের কথা জানান তিনি।বর্ষার পোস্ট করা ছবিতে দেখা যায়, বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলে এখনো স্পষ্ট ভোটের কালির দাগ রয়ে গেছে। পোস্টের ক্যাপশনে বর্ষা লিখেছেন, ‘ভোটের কালি, ভাবছি অজু হচ্ছে নাকি? আজ ৬ দিন।’পোস্টটি প্রকাশের পরপরই মন্তব্যে ভক্তরা নানা মতামত ও পরামর্শ দিতে শুরু করেন। কেউ আশ্বস্ত করেছেন, আবার কেউ দিয়েছেন ধর্মীয় ব্যাখ্যা।এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন এই চিত্রনায়িকা। ভোটকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে একটি ছবি শেয়ার করে তিনি জানান, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি ভোট দিয়েছি। আপনিও ভোট দিন আপনার পছন্দের মানুষকে। আমরা যেন ভালো থাকতে পারি, ইনশাআল্লাহ। এইচএ
অর্থ-বাণিজ্য
সব দেখুন
টানা ২ দফা পতনের পর দাম বেড়েছে স্বর্ণের
টানা ২ দফা পতনের পর দেশের বাজারে ফের স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।এর আগে, সবশেষ ১৮ ফেব্রুয়ারি সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৭৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭১ হাজার ১১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০ টা থেকেই।এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩০ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৮ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১২ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার। স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সঙ্গে এবার বাড়ানো রয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৮২ টাকা।চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৭ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১১ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৭ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।এইচএ
ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন প্রধান বিচারপতির
মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী মহান ভাষা আন্দোলনের বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬টায় তিনি কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার-এ পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, বিচারপতি ফারাহ মাহবুবসহ হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন।পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধান বিচারপতি এবং সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর সম্মান জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় ভাষা আন্দোলনে শহিদদের আত্মত্যাগ ও অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।এর আগে প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর রাত ১২টা ৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় তার সঙ্গে মন্ত্রিসভার সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বিএনপি ও জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।পরবর্তীতে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ১১-দলীয় জোটের নেতারা শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ জোটের সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।এর ধারাবাহিকতায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীসহ আপিল বিভাগের বিচারপতিরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিন বাহিনীর পক্ষে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন ভাষা শহিদদের স্মরণে ফুল দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের মধ্যে এনসিপি, গণঅধিকার পরিষদ, এনডিএম, এবি পার্টি, জাতীয় পার্টি, বিজেপি, জেপি, সিপিবি, বাসদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, জেএসডি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শ্রদ্ধা জানায়। ছাত্রদলের পাশাপাশি ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রফ্রন্ট ও ছাত্রমৈত্রীর নেতাকর্মীরাও শহিদ মিনারে উপস্থিত ছিলেন।বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা জানানো হয়। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকার বিভিন্ন কলেজ এবং জুলাই ঐক্য, প্রথম আলো বন্ধুসভা ও জুলাই মঞ্চ উল্লেখযোগ্য।এছাড়াও কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ভাষা আন্দোলনের বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন সর্বস্তরের মানুষ। শনিবার শ্রদ্ধা জানাতে ভোর থেকেই শহিদ মিনার এলাকায় মানুষের ঢল নামে।এইচএ
রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত পণ্য মজুদ আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত পণ্য মজুদ রয়েছে জানিয়ে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর দাম স্থিতিশীল রাখা। বিশেষ করে রমজান মাসে এ দায়িত্বের গুরুত্ব আরো বেড়ে যায়। আমরা যখন দায়িত্ব নিয়েছি, তখন রোজা সামনে রেখে বিশেষ কিছু করার সুযোগ ছিল না। তবে ইতিবাচক দিক হচ্ছে- আমাদের হাতে যে পরিমাণ খাদ্য মজুত রয়েছে, তা বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য পর্যাপ্ত।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে এসব কথা বলেন তিনি।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা আমি দীর্ঘ নির্বাচনী প্রচারণা ও ইশতেহারে উল্লেখ করেছি। যেসব বিষয় সিলেটবাসীর জীবনমান উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত, সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ করতে চাই। বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আইটি সংশ্লিষ্ট পেশার প্রসার এবং একটি এআই সেন্টার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।তিনি বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে বড় বড় ডিজিটাল স্কিম গ্রহণ করেছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এআই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আমরা যদি পিছিয়ে থাকি, তাহলে বর্তমান বিশ্বে অন্যরা আমাদের প্রতি করুণার দৃষ্টিতে তাকাবে। আমাদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী ৫ বছরে প্রতিটি দিন কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক অবস্থানে এগিয়ে নিতে সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে।এমআর-২
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ ৬৬ হাজার কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। এতে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার।এদিকে চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৮ দিনেই ২ বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই সময়ে মোট ২১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার দেশে এসেছে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জানিয়েছেন, চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৮ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার। যেখানে গত বছরের একই সময়ে দেশে ১৬৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।এর আগে ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৬ দিনে দেশে ১৮০ কোটি ৭০ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। এরমধ্যে শুধু ১৬ ফেব্রুয়ারিতেই এসেছিল ১৫ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। অর্থাৎ, পরের ২ দিনে আরও প্রায় ৩০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।এফএস
রমজানের প্রথম দিনেই চড়া পেঁয়াজের দাম, কেজিতে বাড়ল ১০-১৫ টাকা
পবিত্র রমজান মাসের প্রথম দিনেই রাজধানীর বাজারে অস্থির হয়ে উঠেছে পেঁয়াজের দাম। সরবরাহ সংকট ও চাহিদার অজুহাতে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রমজানের শুরুতেই নিত্যপণ্যের এমন চড়া দামে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে গত কয়েক দিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি পেঁয়াজের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। রমজান মাসের প্রথম দিনেই প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। আকারে একটু ছোট পেঁয়াজ আবার ৫৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। তবে কোনো দোকানেই ৬০ টাকার নিচে ভালো মানের পেঁয়াজ মিলছে না। পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাড়তি চাপের মুখে পড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা।খুচরা বিক্রেতারা জানায়, পাইকারি বাজারে বেশি দামে পেঁয়াজ কিনতে হওয়ায় বাধ্য হয়েই বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। অনেক বিক্রেতা জানান, আগের তুলনায় মোকামে পেঁয়াজের দাম কেজিতে কয়েক দফা বেড়েছে; ফলে খুচরা পর্যায়ে দাম সমন্বয় করা ছাড়া তাদের হাতে বিকল্প নেই। রমজানের প্রভাবও পাইকারি বাজারে দেখা যাচ্ছে।এদিকে মারুফ হোসেন নামে এক ক্রেতা জানান, রমজান এলেই ব্যবসায়ীদের ক্রেতাদের পকেট কাটার ধান্দা থাকে। গত সপ্তাহে আমি ১০০ টাকার নিচে দুই কেজি পেঁয়াজ কিনেছি, আর আজকে দাম চাচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা।রিকশাচালক মো. শুক্কুর আল আমিন বলেন, ভ্যানগাড়ি থেকে দুই দিন আগে ৫০ টাকা কেজি দরে কিনেছি। আমার ছোট পরিবার, সপ্তাহখানেক চলে যাবে। তারপর তো বেশি দামেই কিনতে হবে। রোজার সময় দাম বাড়বে এটা তো জানতামই, ব্যবসায়ীরা রোজা আসলেই দাম বাড়িয়ে দেয়।এমআর-২
সাঈদ আহমেদ এমপি নির্বাচিত হওয়ায় আরিফ সিকদারের ফুলেল শুভেচ্ছা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন (বিআইএ)-এর প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদ সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিআইএ-এর সদস্য এবং এনআরবি ইসলামিক লাইফ ইন্সুরেন্স’র (পিএলসি) পরিচালক আরিফ সিকদার।। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুভেচ্ছা ও সম্মাননা জানান তিনি।শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বিমা খাতের টেকসই উন্নয়নে জনাব সাঈদ আহমেদের দীর্ঘদিনের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং ত্যাগের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে আরিফ সিকদার বলেন, আপনার মতো একজন অভিজ্ঞ এবং প্রতিশ্রুতিশীল ব্যক্তিত্ব জাতীয় সংসদে অন্তর্ভুক্তি কেবল বিমা খাতের জন্যই নয়, বরং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। আরিফ সিকদার আরও বলেন, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বিমা শিল্পের আধুনিকায়ন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আপনি যে অসামান্য অবদান রেখেছেন, তার ধারাবাহিকতা এখন জাতীয় পর্যায়েও প্রতিফলিত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে আরিফ সিকদার আরও বলেন, শরীয়তপুর ১ থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ বিমা খাতের সুবিধা অসুবিধা গুলো সবই জানেন, ফলে আমাদের বিভিন্ন সমস্যা গুলো সংসদে উপস্থাপন করার মতো একজন মানুষ আমরা পেয়েছি। বিশেষ করে বাংলাদেশের আর্থিক সেবা খাতের সংস্কার এবং সাধারণ মানুষের কাছে বিমা সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি সংসদে আমাদের একজন হয়ে কথা বলবেন বলে আমরা মনে করি।অনুষ্ঠান শেষে জনাব সাঈদ আহমেদ তাঁর ওপর আস্থা রাখার জন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং দেশ ও জাতির সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
দেশের বাজারে বাড়েছে রুপার দাম
স্বর্ণের সঙ্গে দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। এবার ভরিতে ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা।আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে রুপার (পিওর সিলভার) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম পড়বে ৭ হাজার ৭০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৮২ টাকা।বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, রুপার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।এর আগে সবশেষ গত ৬ ফেব্রুয়ারি সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। সে সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয় ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয় ৩ হাজার ৯০৭ টাকা। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৮ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১১ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৭ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।এদিকে, ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে একভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩১ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৯ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১২ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।এইচএ
টানা ২ দফা পতনের পর দাম বেড়েছে স্বর্ণের
টানা ২ দফা পতনের পর দেশের বাজারে ফের স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।এর আগে, সবশেষ ১৮ ফেব্রুয়ারি সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৭৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭১ হাজার ১১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০ টা থেকেই।এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩০ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৮ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১২ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার। স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সঙ্গে এবার বাড়ানো রয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৮২ টাকা।চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৭ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১১ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৭ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।এইচএ
ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন প্রধান বিচারপতির
মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী মহান ভাষা আন্দোলনের বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬টায় তিনি কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার-এ পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, বিচারপতি ফারাহ মাহবুবসহ হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন।পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধান বিচারপতি এবং সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর সম্মান জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় ভাষা আন্দোলনে শহিদদের আত্মত্যাগ ও অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।এর আগে প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর রাত ১২টা ৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় তার সঙ্গে মন্ত্রিসভার সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বিএনপি ও জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।পরবর্তীতে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ১১-দলীয় জোটের নেতারা শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ জোটের সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।এর ধারাবাহিকতায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীসহ আপিল বিভাগের বিচারপতিরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিন বাহিনীর পক্ষে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন ভাষা শহিদদের স্মরণে ফুল দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের মধ্যে এনসিপি, গণঅধিকার পরিষদ, এনডিএম, এবি পার্টি, জাতীয় পার্টি, বিজেপি, জেপি, সিপিবি, বাসদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, জেএসডি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শ্রদ্ধা জানায়। ছাত্রদলের পাশাপাশি ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রফ্রন্ট ও ছাত্রমৈত্রীর নেতাকর্মীরাও শহিদ মিনারে উপস্থিত ছিলেন।বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা জানানো হয়। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকার বিভিন্ন কলেজ এবং জুলাই ঐক্য, প্রথম আলো বন্ধুসভা ও জুলাই মঞ্চ উল্লেখযোগ্য।এছাড়াও কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ভাষা আন্দোলনের বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন সর্বস্তরের মানুষ। শনিবার শ্রদ্ধা জানাতে ভোর থেকেই শহিদ মিনার এলাকায় মানুষের ঢল নামে।এইচএ
রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত পণ্য মজুদ আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত পণ্য মজুদ রয়েছে জানিয়ে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর দাম স্থিতিশীল রাখা। বিশেষ করে রমজান মাসে এ দায়িত্বের গুরুত্ব আরো বেড়ে যায়। আমরা যখন দায়িত্ব নিয়েছি, তখন রোজা সামনে রেখে বিশেষ কিছু করার সুযোগ ছিল না। তবে ইতিবাচক দিক হচ্ছে- আমাদের হাতে যে পরিমাণ খাদ্য মজুত রয়েছে, তা বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য পর্যাপ্ত।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে এসব কথা বলেন তিনি।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা আমি দীর্ঘ নির্বাচনী প্রচারণা ও ইশতেহারে উল্লেখ করেছি। যেসব বিষয় সিলেটবাসীর জীবনমান উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত, সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ করতে চাই। বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আইটি সংশ্লিষ্ট পেশার প্রসার এবং একটি এআই সেন্টার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।তিনি বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে বড় বড় ডিজিটাল স্কিম গ্রহণ করেছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এআই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আমরা যদি পিছিয়ে থাকি, তাহলে বর্তমান বিশ্বে অন্যরা আমাদের প্রতি করুণার দৃষ্টিতে তাকাবে। আমাদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী ৫ বছরে প্রতিটি দিন কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক অবস্থানে এগিয়ে নিতে সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে।এমআর-২
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ ৬৬ হাজার কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। এতে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার।এদিকে চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৮ দিনেই ২ বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই সময়ে মোট ২১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার দেশে এসেছে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জানিয়েছেন, চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৮ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার। যেখানে গত বছরের একই সময়ে দেশে ১৬৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।এর আগে ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৬ দিনে দেশে ১৮০ কোটি ৭০ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। এরমধ্যে শুধু ১৬ ফেব্রুয়ারিতেই এসেছিল ১৫ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। অর্থাৎ, পরের ২ দিনে আরও প্রায় ৩০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।এফএস
রমজানের প্রথম দিনেই চড়া পেঁয়াজের দাম, কেজিতে বাড়ল ১০-১৫ টাকা
পবিত্র রমজান মাসের প্রথম দিনেই রাজধানীর বাজারে অস্থির হয়ে উঠেছে পেঁয়াজের দাম। সরবরাহ সংকট ও চাহিদার অজুহাতে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রমজানের শুরুতেই নিত্যপণ্যের এমন চড়া দামে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে গত কয়েক দিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি পেঁয়াজের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। রমজান মাসের প্রথম দিনেই প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। আকারে একটু ছোট পেঁয়াজ আবার ৫৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। তবে কোনো দোকানেই ৬০ টাকার নিচে ভালো মানের পেঁয়াজ মিলছে না। পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাড়তি চাপের মুখে পড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা।খুচরা বিক্রেতারা জানায়, পাইকারি বাজারে বেশি দামে পেঁয়াজ কিনতে হওয়ায় বাধ্য হয়েই বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। অনেক বিক্রেতা জানান, আগের তুলনায় মোকামে পেঁয়াজের দাম কেজিতে কয়েক দফা বেড়েছে; ফলে খুচরা পর্যায়ে দাম সমন্বয় করা ছাড়া তাদের হাতে বিকল্প নেই। রমজানের প্রভাবও পাইকারি বাজারে দেখা যাচ্ছে।এদিকে মারুফ হোসেন নামে এক ক্রেতা জানান, রমজান এলেই ব্যবসায়ীদের ক্রেতাদের পকেট কাটার ধান্দা থাকে। গত সপ্তাহে আমি ১০০ টাকার নিচে দুই কেজি পেঁয়াজ কিনেছি, আর আজকে দাম চাচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা।রিকশাচালক মো. শুক্কুর আল আমিন বলেন, ভ্যানগাড়ি থেকে দুই দিন আগে ৫০ টাকা কেজি দরে কিনেছি। আমার ছোট পরিবার, সপ্তাহখানেক চলে যাবে। তারপর তো বেশি দামেই কিনতে হবে। রোজার সময় দাম বাড়বে এটা তো জানতামই, ব্যবসায়ীরা রোজা আসলেই দাম বাড়িয়ে দেয়।এমআর-২
শিক্ষাঙ্গন
সব দেখুন
শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা পাবেন অনুদান, আবেদন যেভাবে
দেশের সব বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আওতাধীন শিক্ষক-কর্মচারী এবং সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অনুদানের জন্য আবেদন আহ্বান করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ আবেদন শুরু হয়েছে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে। আবেদন চলবে ১৭ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানরা ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান/রেজিস্ট্রারকে মাইগভ প্ল্যাটফর্মে www.mygov.bd রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশনের সময় মোবাইল নম্বরটি ব্যানবেইসের সর্বশেষ বার্ষিক শিক্ষা জরিপ-২০২৫ অনুযায়ী দিতে হবে। রেজিস্ট্রেশন শেষে ইন (EIIN) নম্বর দিয়ে প্রোফাইল যাচাই সম্পন্ন করতে হবে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য অনুদান-দেশের সকল স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (এমপিও ভুক্ত ও নন এমপিও ভুক্ত) তাদের মেরামত, সংস্কার, আসবাবপত্র সংগ্রহ, পাঠাগার স্থাপন, খেলাধুলার সরঞ্জাম সংগ্রহ এবং প্রতিবন্ধীবান্ধব করে তোলার জন্য অনুদানের আবেদন করতে পারবে। আবেদন প্রক্রিয়ায় বিশেষভাবে অনগ্রসর এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য অনুদান-বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা দুরারোগ্য ব্যাধি বা দৈব দুর্ঘটনার জন্য অনুদানের আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র, চিকিৎসা সংক্রান্ত ডাক্তারি সনদ এবং সরকারি হাসপাতালের প্রত্যয়নপত্র সংযুক্ত করতে হবে।শিক্ষার্থীদের জন্য অনুদান-সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা দুরারোগ্য ব্যাধি, দৈব দুর্ঘটনা এবং শিক্ষা গ্রহণে ব্যয়ের জন্য অনুদানের আবেদন করতে পারবেন। দুস্থ, প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ, অসহায়, রোগগ্রস্থ, গরীব, মেধাবী ও অনগ্রসর সম্প্রদায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদ এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র আবশ্যিক। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বিভাগীয় প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র এবং জন্মনিবন্ধন/জাতীয় পরিচয়পত্র সংযুক্ত করতে হবে।আবেদন প্রক্রিয়া- * শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আবেদন প্রধান কর্তৃক করা হবে।* শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীরা আবেদন করতে পারবেন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান/রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে।* অনুদানপ্রাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাংক হিসাব তথ্য এবং এমআইসিআর (MICR) চেক বই এর পিডিএফ কপি সংযুক্ত করতে হবে। শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বরাদ্দকৃত অর্থ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। শর্তাবলী- * শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক-কর্মচারী একবারই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন; পূর্বে সুবিধা পাওয়া ব্যক্তিদের পুনরায় আবেদন করার সুযোগ নেই।* শিক্ষার্থী একটি শিক্ষা জীবনে সর্বোচ্চ ৩ বছর পরপর আবেদন করতে পারবে।* প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর জন্য জেলা/উপজেলা সমাজসেবা অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত ‘প্রতিবন্ধী সনদ’ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক কর্তৃক প্রদত্ত সনদ আবশ্যিক।* অসম্পূর্ণ আবেদন বা হার্ডকপি গ্রহণযোগ্য নয়।* আবেদনের শর্তাবলী অমান্যকারী বা অসুদপায়ী বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারবে। বিস্তারিত শর্তাবলী, নীতিমালা এবং আবেদন সংক্রান্ত সকল তথ্য www.shed.gov.bd- এ পাওয়া যাবে ।এমআর-২
পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন ভিসি নিয়াজ আহমদ খান
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করেন তিনি। উপাচার্যের প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ ফিরোজ বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, উপাচার্য রবিবার সকাল ১০টায় মন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে এসেছেন।এর আগে, সংবাদ সম্মেলন করে ঢাবি উপাচার্য বলেছিলেন, আপৎকালীন পরিস্থিতি দূর হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। আমি এখন মনে করি, দায়িত্ব পালনের পর্বে আমরা একটা ভালো পর্যায়ে এসেছি এবং আমি সরে দাঁড়াতে চাই।তিনি আরও বলেছিলেন, ‘‘এখন এই মুহূর্তে যেন কোনও শূন্যতা না হয়, ধারাবাহিকতায় যেন কোনও অসুবিধায় না পড়ে, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মুথ ট্রানজিশন দরকার। সে জন্য যদি সরকার ও অংশীজনেরা মনে করেন— আরও কিছু সময় এই ধারাবাহিকতার প্রশ্নে, হঠাৎ শূন্যতা যেন না হয়, সেই প্রশ্নে যদি তারা কিছু সময় নিতে চান, আমি সেটি বিবেচনা করতে রাজি আছি।’’এইচএ
শিক্ষকদের বদলি নিয়ে নতুন খবর জানাল মাউশি
স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। গত ২৭ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চবিদ্যালয় শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীনের স্বাক্ষরে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।প্রজ্ঞাপন বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক/শিক্ষিকাগণের বদলির ব্যবস্থা থাকার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হওয়ায় একটি নীতিমালার আওতায় স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার’-এর মাধ্যমে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য নিম্নোক্ত বদলি নীতিমালা ২০২৬’ প্রণয়ন করা হলো।বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের অনলাইন বদলি কার্যক্রম নিয়ে নতুন অগ্রগতি হয়েছে। সে অনুযায়ী চলতি মাস থেকেই শিক্ষকদের তথ্য সংগ্রহ শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে।শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একটি সূত্র জানিয়েছে, বদলি সফটওয়্যারের ডেমো গত সপ্তাহেই চূড়ান্ত হওয়ার কথা ছিল। তবে কিছু কারণে সেটি হয়নি। চলতি সপ্তাহে আবারও ডেমো প্রদর্শনী করা হবে। এরপর চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে বিজ্ঞপ্তি জারি করবে মাউশি।মাউশির এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, বদলি সফটওয়্যারের ডেমো প্রদর্শনীর সভার তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আগামীকাল রোববার সভার তারিখ জানা যেতে পারে। আমরা আশা করছি চলতি সপ্তাহে সফটওয়্যারের চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।জানা গেছে, এনটিআরসিএর সুপারিশে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের আগে বদলির কোনো সুযোগ ছিল না। প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করে তারা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের সুযোগ পেতেন। প্রথম থেকে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি পর্যন্ত ইনডেক্সধারী শিক্ষকরা এ সুযোগ পেলেও চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের আবেদন করার সুযোগ বন্ধ করে দেয়।পরে শিক্ষকদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বদলি চালুর উদ্যোগ নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য একটি বদলি নীতিমালাও প্রণয়ন করা হয়। এফএস
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেশনাল কোর্সে অনার্সে ভর্তি, আবেদন শেষ ২২ ফেব্রুয়ারি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ অনার্স (সম্মান) প্রফেশনাল ভর্তি কার্যক্রমে ভর্তিতে আবেদনের সুযোগ আর দুই দিন। এ শিক্ষাবর্ষের আবেদনের শেষ সময় ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।অনলাইনে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছিল গত ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ বিকেল ৪টা থেকে। আগের সময় অনুযায়ী ৩১ জানুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ছিল আবেদনের শেষ সময়। পরে ২২ দিন বৃদ্ধি করে আবেদনের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। এখন আগ্রহী শিক্ষার্থীরা ২২ ফেব্রুয়ারির মধ্য আবেদন করতে পারবেন।জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগ্রহী প্রার্থীকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম পূরণ করে প্রিন্ট নিতে হবে। ফরমসহ প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ১ হাজার টাকা সংশ্লিষ্ট কলেজে (কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অথবা সরাসরি) ২৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অবশ্যই জমা দিতে হবে।এ ভর্তি কার্যক্রমে আবেদনকারীদের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতিটি কলেজের জন্য আলাদাভাবে কোর্সভিত্তিক মেধাতালিকা প্রণয়ন করা হবে। এ-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটের Prospectus/Important Notice অপশন থেকে জানা যাবে।এইচএ
তথ্য-প্রযুক্তি
সব দেখুন
বিশ্বজুড়ে বিভ্রাট ইউটিউব এখন স্বাভাবিক, জানা গেল কারণ
হঠাৎ করেই বিশ্বব্যাপী ব্যাপক বিভ্রাটের কবলে পড়েছিল জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। মঙ্গলবার গভীর রাতে কয়েক লাখ ব্যবহারকারী সাইটটিতে প্রবেশ করতে বা ভিডিও দেখতে গিয়ে চরম বিড়ম্বনায় পড়েন। তবে ভোর রাতে আবারও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে বলে জানা গেছে। ইউটিউব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্যাটি এখন সম্পূর্ণ সমাধান করা হয়েছে এবং সব পরিষেবা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।ইন্টারনেট বিভ্রাট পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ডাউনডিটেক্টর-এর তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) রাত ১টার দিকে সমস্যার পরিমাণ চরমে পৌঁছায়। সে সময় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৩ লাখেরও বেশি ব্যবহারকারী ইউটিউবে ঢুকতে না পারার অভিযোগ জানান। বিভ্রাট চলাকালীন অনেক ব্যবহারকারী সাইটটির হোমপেজে গেলে তাদের ‘পরে আবার ফিরে আসার’ বার্তা দেখানো হচ্ছিল।ইউটিউব জানিয়েছে, মূলত তাদের ‘সুপারিশ ব্যবস্থা’ বা রিকমেন্ডেশন সিস্টেমে ত্রুটির কারণেই এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। এর ফলে ইউটিউব অ্যাপ, ইউটিউব মিউজিক, কিডস এবং টিভি—সবগুলো প্ল্যাটফর্মেই ভিডিও প্রদর্শনে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছিল।বিভ্রাট কাটিয়ে ওঠার পর এক বিবৃতিতে ইউটিউব জানায়, ‘আমাদের সুপারিশ ব্যবস্থার সমস্যাটি সমাধান করা হয়েছে। ইউটিউব ডটকমসহ আমাদের সব প্ল্যাটফর্ম ও অ্যাপ এখন স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।’ বার্তা সংস্থা এএফপির সাংবাদিকেরা জিএমটি ভোর ৪টার দিকে সাইটটি ব্যবহার করে দেখেছেন যে এটি পুনরায় সক্রিয় হয়েছে।গুগলের মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। প্রতি মাসে প্রায় ২৫০ কোটিরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী ইউটিউব ব্যবহার করেন। এত বিশাল সংখ্যক ব্যবহারকারীর জীবনে ইউটিউব একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার ফলে কয়েক ঘণ্টার এই বিভ্রাট বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করে।এইচএ
নিজের ফোনেই পাবেন ভোটের ফলাফল
বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ বা স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ভোটের ফলাফল দ্রুত এবং সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ইলেকশন কমিশন (ইসি) সম্প্রতি স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি নামের একটি অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপটি ব্যবহার করে ভোটাররা রিয়েল টাইমে ফলাফল দেখতে পারবেন এবং নির্বাচনি তথ্য সহজে জানতে পারবেন।জেনে নিন কীভাবে ঘরে বসেই এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটের ফলাফল জানতে পারবেন-অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন: অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মে উভয়েই পাওয়া যাবে। গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে ‘Smart Election Management BD’ লিখে সার্চ করে ডাউনলোড করা যাবে। ডাউনলোডের পর ফোনে ইনস্টল করে অ্যাপটি ওপেন করতে হবে।অ্যাকাউন্ট বা লগইন প্রক্রিয়া: সাধারণত ভোটের ফলাফল দেখার জন্য লগইন করতে হয় না। তবে ব্যক্তিগত ভোটার তথ্য বা ইভিএম সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পেতে অ্যাপটি আপনাকে ভোটার আইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে লগইন করতে বলবে। লগইন করলে ভোটের নথি, ভোটার স্ট্যাটাস এবং নির্বাচনী কেন্দ্র সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাবে।ভোটের ফলাফল দেখার ধাপক. নির্বাচন ও কেন্দ্র নির্বাচন: অ্যাপের হোম স্ক্রিনে ‘ইলেকশন রেজাল্টস’ বা ‘ভোটিং রেজাল্টস’ অপশনটি থাকবে। এখানে নির্বাচনের ধরন নির্বাচন করতে হবে (জাতীয় সংসদ, উপজেলা, পৌরসভা, বা ইউনিয়ন নির্বাচন)। এরপর জেলা ও উপজেলা/ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে।খ. কেস্টিং এবং ফলাফল: নির্বাচনি কেন্দ্র অনুযায়ী ভোটের লাইভ আপডেট দেখার সুযোগ থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট গণনার পর ফলাফল সরাসরি অ্যাপে আপলোড হবে। ভোটের ভোটের সংখ্যা, প্রার্থী বা দল অনুযায়ী ভাগফল এবং ভোটের শতাংশ দেখা যাবে।গ. গ্রাফ এবং চার্টের মাধ্যমে উপস্থাপনা: অ্যাপটি ফলাফলকে গ্রাফ বা চার্টে দেখায়, যাতে কোন প্রার্থী বা দলের অবস্থান সহজে বোঝা যায়। লাইভ আপডেটের ফলে ভোটের ধাপ ধাপে অগ্রগতি দেখা যাবে।এইচএ
ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের নিবন্ধন বাতিল করবেন যেভাবে
নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন করতে হলে কিংবা অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দিতে হলে অথবা বিক্রির আগে অবশ্যই মোবাইল ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি)।মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনআইআর)’ সিস্টেমটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হয়েছে। এর আওতায় নেটওয়ার্কে সচল সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়েছে।ফলে এখন থেকে নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন, অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া কিংবা বিক্রির আগে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সঙ্গে যুক্ত হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিল বা অবমুক্ত করতে হবে।এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সিম কেনার সময় ব্যবহৃত এনআইডি বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে। নিবন্ধিত ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এখন থেকে অনুসরণ করতে হবে। নিবন্ধিত মুঠোফোন ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করার উপায়সিটিজেন পোর্টাল (neir.btrc.gov.bd)এনইআইআর পোর্টালে লগ ইন করে ড্যাশবোর্ডে যেতে হবে। তালিকা থেকে ডিভাইস নির্বাচন করতে হবে। ‘ডি-রেজিস্টার’ এ ক্লিক করুন এবং প্রয়োজনীয় বিবরণ দিয়ে ডি-রেজিস্টার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে।ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#)মোবাইলের কল অপশনে যেয়ে ডায়াল করুন *১৬১৬১#। এরপর ডি রেজিষ্ট্রেশন অপশনে ক্লিক করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।তবে ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে গ্রাহক তার ফোনে যে সিমটি ব্যবহার করছেন তা অবশ্যই নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর যুক্ত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হবে।ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে বিটিআরসি’র ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিটিআরসি’র কল সেন্টার (১০০) অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও সহায়তা নেওয়া যাবে।এমআর-২
আইফোন বিক্রিতে নতুন রেকর্ড অ্যাপলের
আইফোন বিক্রিতে নতুন ইতিহাস গড়েছে অ্যাপল। সর্বশেষ প্রান্তিকে আইফোন থেকে আয় হয়েছে ৮৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এটাই আইফোনের ইতিহাসে এক প্রান্তিকে সর্বোচ্চ আয়।২০২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের আয় প্রতিবেদন প্রকাশ করে এ তথ্য জানায় অ্যাপল। সব মিলিয়ে এ সময়ে কোম্পানির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১৪৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১৬ শতাংশ বেশি।অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বলেন, আইফোনের চাহিদা ছিল “অবিশ্বাস্যরকম বেশি”। তার ভাষায়, “এটাই আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী আইফোন লাইনআপ।” তিনি আরও বলেন, জনপ্রিয়তার দিক থেকেও এটি আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।তবে সাফল্যের পেছনে বড় বাধাও ছিল। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নতুন সিরি সংস্করণ চালু হতে দেরি হয়েছে। তারপরও বিক্রি কমেনি।আইফোন ১৭ সিরিজ এতে বড় ভূমিকা রেখেছে। বেস মডেলেই দেওয়া হয়েছে আগে শুধু ‘প্রো’ সংস্করণে থাকা কিছু ফিচার। যেমন- অলওয়েজ-অন ডিসপ্লে। এ ছাড়া রয়েছে বেশি রিফ্রেশ রেটের স্ক্রিন।‘আইফোন এয়ার’ মডেলের বিক্রি প্রত্যাশার চেয়ে কম হয়েছে- এমন গুঞ্জনও ছিল। তবে সেটির প্রভাব মোট বিক্রিতে তেমন পড়েনি বলে ইঙ্গিত মিলেছে।তবে বাড়তি চাহিদার কারণে সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। টিম কুক জানান, আইফোন ১৭–এর উচ্চ চাহিদার কারণে সরবরাহ কিছুটা সীমিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত উন্নত প্রযুক্তির সরবরাহে চাপ রয়েছে।অন্যদিকে অ্যাপলের সেবাভিত্তিক আয়ও বেড়েছে। অ্যাপল মিউজিক, আইক্লাউড, অ্যাপল টিভি প্লাসসহ বিভিন্ন সাবস্ক্রিপশন সেবা থেকে আয় বেড়েছে ১৪ শতাংশ। তবে ম্যাক কম্পিউটার ও ওয়্যারেবল পণ্যের আয় কিছুটা কমেছে।এখন অ্যাপলের বড় লক্ষ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আগামী মাসগুলোতে সিরিতে আনা হবে নতুন এআই সুবিধা। এ কাজে গুগলের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করছে অ্যাপল। গুগলের জেমিনি এআই মডেলের বিশেষ সংস্করণ ব্যবহার করা হবে সিরির উন্নত সংস্করণে।এ ছাড়া একটি এআই স্টার্টআপও কিনছে অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটির নাম কিউ.এআই। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারে এ অধিগ্রহণ হতে যাচ্ছে।এই স্টার্টআপের প্রযুক্তি ভবিষ্যতের ডিভাইসে ব্যবহার হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের পেটেন্টে এমন প্রযুক্তির ইঙ্গিত আছে যা হেডফোন বা চশমায় ব্যবহার করা যাবে। মুখের ত্বকের সূক্ষ্ম নড়াচড়ার মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া সম্ভব হবে—এমন ধারণাও আছে।শুধু তা-ই নয়, ভবিষ্যতে সিরিকে পুরোপুরি এআই চ্যাটবটে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। আইফোন ও ম্যাক ডিভাইসের ভেতরেই থাকবে এই স্মার্ট সহকারী। শোনা যাচ্ছে, সিরির জন্য আলাদা এআইভিত্তিক ওয়েব সার্চ টুলও তৈরি করছে অ্যাপল।এইচএ
কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে দক্ষ করতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। চালু করা হয়েছে একাধিক অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স। এর মধ্যে অনেক কোর্সে বিনামূল্যে অংশ নেওয়া যাচ্ছে। প্রযুক্তি খাতের বড় প্রতিষ্ঠানগুলো কোর্স তৈরিতে যুক্ত রয়েছে। অ্যামাজন, গুগল ও মাইক্রোসফট এ উদ্যোগে সহায়তা করেছে। মোট ১৪টি কোর্স শেষ করলে পাওয়া যাবে ভার্চুয়াল ব্যাজ।কোর্সগুলোতে শেখানো হবে এআই টুল ব্যবহারের মৌলিক কৌশল। যেমন- চ্যাটবটকে কীভাবে কার্যকরভাবে প্রশ্ন করতে হয়? প্রশাসনিক কাজের সহকারী হিসেবে এআই ব্যবহার, দ্রুত নোট লেখা, ইমেইল খসড়া তৈরি ও তথ্য গোছানো।সরকারের লক্ষ্য বড় হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এক কোটি কর্মীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা। এ উদ্যোগকে ১৯৭১ সালে ওপেন ইউনিভার্সিটি চালুর পর সবচেয়ে বড় দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি বলা হচ্ছে।যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তিমন্ত্রী লিজ কেন্ডাল বলেছেন, তাদের লক্ষ্য মানুষ যেন কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে আত্মবিশ্বাসী হয়। পরিবর্তন থামানো যাবে না। তবে পরিবর্তনের ফল কী হবে, তা নীতিনির্ধারণেই ঠিক হয়। ঝুঁকি থেকে মানুষকে সুরক্ষা দিয়ে এআইয়ের সুফল সবার কাছে পৌঁছে দিতে চায় সরকার।তবে সমালোচনাও আছে। ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসি রিসার্চ (আইপিপিআর) বলছে, শুধু চ্যাটবট ব্যবহার শেখালেই হবে না। কর্মীদের দরকার বিশ্লেষণী চিন্তা। সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ও নেতৃত্বগুণ। থাকতে হবে এআই নিরাপদভাবে ব্যবহারের আত্মবিশ্বাস।সংস্থাটির গবেষক রোয়া পাওয়েল বলেন, এআই যুগের দক্ষতা ছোট টেকনিক্যাল কোর্সে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষকে বিস্তৃত দক্ষতায় প্রস্তুত করতে হবে।ব্রিটিশ কম্পিউটার সোসাইটি (বিসিএস)–ও উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে তারা বলছে, দায়িত্ব শুধু কর্মীদের নয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ পর্যায়েও প্রযুক্তি বোঝার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বোর্ড পর্যায়ের সিদ্ধান্ত নির্ধারকদেরও এআই সম্পর্কে জ্ঞান থাকা জরুরি।কোর্সগুলোর সময়সীমা ভিন্ন। কিছু কোর্স ২০ মিনিটের। কিছু আবার কয়েক ঘণ্টার। যুক্তরাজ্যের যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক এতে অংশ নিতে পারবেন।এ উদ্যোগে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে বেশ কয়েকটি বড় সংস্থা। এর মধ্যে আছে এনএইচএস, ব্রিটিশ চেম্বার্স অব কমার্স এবং লোকাল গভর্নমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। তারা তাদের কর্মী ও সদস্যদের অংশ নিতে উৎসাহ দেবে।এইচএ
হ্যাকার থেকে রক্ষা পেতে স্ক্যাম অ্যান্ড্রয়েডের ৪টি নতুন স্মার্ট ফিচার
ব্যবহারকারীদের আরও নিরাপদ ও সংযুক্ত রাখতে অ্যান্ড্রয়েডে যুক্ত হলো একগুচ্ছ নতুন ফিচার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় তৈরি এসব সুবিধা প্রতিদিনের যোগাযোগকে করবে আরও সহজ, নিরাপদ ও স্মার্ট। সন্দেহজনক মেসেজ শনাক্ত করা থেকে শুরু করে বন্ধু–পরিবারের লাইভ লোকেশন দেখা কিংবা গাড়ি পার্ক করা অবস্থায় গেম খেলা সবই এখন আরও সহজ অ্যান্ড্রয়েডে। জেনে জেনে নেয়া যাক অ্যান্ড্রয়েডের নতুন ৪টি ফিচার সম্পর্কে। সন্দেহজনক মেসেজে সঙ্গে সঙ্গে সতর্কবার্তা: প্রতারণা থেকে ব্যবহারকারীদের রক্ষা করতে গুগল মেসেজেসে যুক্ত হয়েছে এআই-চালিত স্ক্যাম ডিটেকশন। এই ফিচার সন্দেহজনক কথোপকথনের ধরণ শনাক্ত করে আগেই সতর্ক করে দেবে। অনেক সময় নিরীহ মেসেজ থেকেই ধীরে ধীরে প্রতারণা শুরু হয় এই ফিচার সেই ঝুঁকি চিহ্নিত করে রিয়েল-টাইম সতর্কবার্তা দেবে। প্রয়োজনে এক ক্লিকেই মেসেজ ব্লক ও রিপোর্ট করা যাবে। ভালো খবর হলো, এই প্রক্রিয়া পুরোপুরি ডিভাইসের মধ্যেই সম্পন্ন হয় আপনার ব্যক্তিগত কথোপকথন থাকবে সম্পূর্ণ নিরাপদ।লাইভ লোকেশন শেয়ার করে থাকুন নিশ্চিন্ত: এবার ফাইন্ড মাই ডিভাইস অ্যাপেই বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে লাইভ লোকেশন শেয়ার করা যাবে। কারও সঙ্গে দেখা করার সময় বা প্রিয়জন নিরাপদে বাসায় পৌঁছেছেন কি না সেটা নিশ্চিত করতে এই ফিচার বেশ কাজে আসবে। ম্যাপে সরাসরি দেখা যাবে আপনার পরিচিতদের অবস্থান। কাকে, কত সময়ের জন্য লোকেশন দেখাবেন সবকিছুই থাকবে আপনার নিয়ন্ত্রণে, সঙ্গে থাকবে নিয়মিত রিমাইন্ডার।গাড়ি পার্ক করা অবস্থায় গেমিংয়ের মজা: অ্যান্ড্রয়েড অটোতে যুক্ত হয়েছে নতুন গেমিং সুবিধা। গাড়ি পার্ক করা থাকলে এখন গাড়ির স্ক্রিনেই খেলা যাবে জনপ্রিয় গেমগুলো। অপেক্ষার সময়টুকু আর বিরক্তিকর নয় গেম খেলেই কাটানো যাবে সময়।কেনাকাটায় স্মার্ট সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে ক্রোম: অ্যান্ড্রয়েডে ক্রোম ব্রাউজারে যুক্ত হয়েছে নতুন শপিং ইনসাইট। এখন পণ্যের দামের ইতিহাস, মূল্য কমার নোটিফিকেশন কিংবা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের দাম তুলনা করা যাবে সহজেই। ঠিক সময়ে কেনাকাটা করতে চাইলে ক্রোমের অ্যাড্রেস বারে থাকা “প্রাইস ইস লো” নোটিফিকেশনই হয়ে উঠবে আপনার গাইড।সব মিলিয়ে, অ্যান্ড্রয়েডের এই নতুন ফিচারগুলো শুধু প্রযুক্তিগত আপডেট নয় বরং ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও নিরাপদ, সংযুক্ত ও স্বস্তিদায়ক করে তুলতেই এই উদ্যোগ। প্রযুক্তির সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুবিধার ভারসাম্য রাখতেই অ্যান্ড্রয়েডের এই নতুন পদক্ষেপ।এইচএ
আইন-আদালত
সব দেখুন
আবারও পেছাল সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ
চিত্রনায়ক সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগে তার স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৯ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন ঢাকার একটি আদালত।আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় বিচারক নতুন দিন ধার্য করেন।গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।মামলার আসামিরা হলেন- সামিরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু এবং রেজভি আহমেদ ফরহাদ (১৭)। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে।১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহের মৃত্যুর পর রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়। তবে গত বছর ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এর প্রেক্ষিতে ২১ অক্টোবর সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ৬ সেপ্টেম্বর তার বোন নিলুফার জামান চৌধুরী, বোনের স্বামী কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী এবং তাদের ছেলে শাহরান শাহ সালমানের সঙ্গে দেখা করতে যান। তারা ঘরে গিয়ে দেখেন, সালমান নিথর অবস্থায় শয়নকক্ষে, আর কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাতে-পায়ে তেল মালিশ করছেন। পাশের কক্ষে সামিরার আত্মীয় রুবি বসে ছিলেন। সালমানের মা তাকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য চিৎকার করেন।পথে তারা গলায় দড়ির দাগ এবং নীলচে দাগ দেখতে পান। প্রথমে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল, পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক জানান, সালমান অনেক আগেই মারা গেছেন।এজাহারে উল্লেখ করা হয়, সালমানের বাবা মৃত্যুর আগে ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দরখাস্ত দেন। এতে তিনি রমনা থানার অপমৃত্যু মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন করেন। সালমানের বাবার মৃত্যুর পর মামা মোহাম্মদ আলমগীর বোনের পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করছেন।মামলায় বলা হয়েছে, অভিযুক্তদের কেউ মৃত্যুবরণ করলে প্রমাণ সাপেক্ষে তারা দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন। এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে সালমান শাহকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।এইচএ
প্রবাস
সব দেখুন
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চার জনসহ নিহত ৫
সৌদি আরবের আবহা শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত হয়েছে। এরমধ্যে লক্ষ্মীপুরের দুই শিশুসহ চার সদস্য রয়েছেন।নিহতরা হলেন,- মোহনা (১৩), দেড় বছর বয়সী শিশু সুবাহ, তাদের মা মেহের আফরোজ সুমী (৩০), বাবা মিজানুর রহমান (৪২) ও বাবর (৩০)। একই ঘটনায় এই পরিবারের আরেক কন্যা ফাইজা আক্তার (১১) মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত ৩টা ও বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় এ ঘটনা ঘটে।পরিবারের সদস্য ব্যবসায়ী বাহারুল আলম বলেন, আমার ছোট ভাই মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন থেকে সৌদি আরবের আবহা শহরে হোটেল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। চলতি মাসের ৩ ফেব্রুয়ারি ছোট ভাই মিজানুর রহমান তার স্ত্রী মেহের আফরোজ সুমী, তিন কন্যা মোহনা, ফাইজা ও ছোট মেয়ে সুবাহকে নিয়ে ওমরাহ পালন করতে সৌদি আরবে যান।নিহত মিজানুর রহমানের মামাত ভাই রিফাতুল ইসলাম বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী গ্রামের সৌদি প্রবাসী পারভেজ ভূইয়ার মাধ্যমে আমরা বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি।রামগঞ্জ থানার ওসি ফিরোজ উদ্দীন চৌধুরী বলেন, কিছুক্ষণ আগে আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি। লাশ দেশে আনার ব্যপারে সিদ্ধান্ত হলে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করব।এফএস
লাইফস্টাইল
সব দেখুন
শিশুরা ঘুমের মধ্যে হাসে কেন
শিশু ঘুমের মধ্যে হেসে ওঠাএই দৃশ্য দেখলে যে কারও মন ভরে যায়। অনেকেই মনে করেন, শিশুরা নিশ্চয়ই কোনো মজার স্বপ্ন দেখছে বলেই ঘুমের মধ্যেও হাসে। আবার লোকমুখে প্রচলিত আছে, শিশুর নিষ্পাপ মনেই নাকি এই হাসির রহস্য লুকিয়ে। তবে বিজ্ঞান এ বিষয়ে কী বলছে?গবেষণা বলছে, শিশুরা প্রাপ্তবয়স্কদের মতো স্বপ্ন দেখে কি না, সে বিষয়ে বিজ্ঞানীরা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নন। তবে তারা নিশ্চিত যে শিশুর ঘুম কয়েকটি ধাপে বিভক্ত। এসব ধাপের মধ্যে রয়েছে কোয়ায়েট স্লিপ (শান্ত ঘুম), ইনডিটারমিনেট স্লিপ (মধ্যবর্তী অবস্থা) এবং অ্যাক্টিভ স্লিপ।অ্যাক্টিভ স্লিপ ধাপটিকে প্রাপ্তবয়স্কদের র্যাপিড আই মুভমেন্ট (আরইএম) পর্যায়ের সঙ্গে তুলনা করা হয়। এই পর্যায়েই সাধারণত স্বপ্ন দেখা হয়। তবে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের ঘুমের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। প্রাপ্তবয়স্কদের শরীর এই সময় প্রায় স্থির থাকে, কিন্তু শিশুরা তখন হাত-পা নড়াতে পারে এবং মুখভঙ্গি বদলাতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুরা মূলত এই অ্যাক্টিভ স্লিপ অবস্থাতেই ঘুমের মধ্যে হাসে। এ সময় তারা হাত-পা নাড়ানো, ঠোঁট চোষার মতো ভঙ্গি করা, ভ্রু কুঁচকানো কিংবা হালকা হাসির মতো নানা আচরণ করতে পারে।গবেষকেরা আরও লক্ষ্য করেছেন, অনেক নবজাতক শিশু ঘুমের মধ্যেই এমন জটিল মুখভঙ্গি করে, যা তারা জেগে থাকার সময় তখনো শেখেনি। এ কারণেই অনেক শিশুর জীবনের প্রথম হাসি দেখা যায় ঘুমের মধ্যেই।আগের কিছু গবেষণায় ধারণা দেওয়া হয়েছিল, শিশুর ঘুমের হাসি একটি রিফ্লেক্স বা স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। তবে আধুনিক গবেষণা বলছে, এই হাসির উৎস শিশুর মস্তিষ্কের সেরিব্রাল কর্টেক্স যে অংশ চিন্তা, আবেগ ও অনুভূতির সঙ্গে যুক্ত।বিজ্ঞানীদের মতে, ঘুমের মধ্যে শিশুর এই স্বতঃস্ফূর্ত হাসি মুখের পেশিগুলোকে সক্রিয় ও শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি এটি ধীরে ধীরে শিশুর সামাজিক ও আবেগীয় বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।এইচএ
