ভোলা-৪ আসনের বিএনপির মনোনিত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন বলেছেন, 'একটি রাজনৈতিক দল পরাজয়ের অবাস পেয়ে নির্বাচনকে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রের আওতায় এনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করার পরিকল্পনা করছেন। এই ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে বাঁচার জন্য গোটা বাংলাদেশের মানুষ আজ দিশেহারা ও হতাশায় নিমজ্জিত। দলটি নিজেদেরকে সৎ দাবী করা অর্থাৎ স্বঘোষিত জান্নাতি দল ১২ ফেব্রুয়ারি জাল ভোট দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এই যদি হয় তাদের সম্পর্কে বাংলাদেশের মানুষের ধারনা, তাহলে তারা কেমন সৎ লোক, আপনারাই সেই সিদ্ধান্ত নিবেন।'
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) চরফ্যাশন সরকারি ট্যাফনাল ব্যারেট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, 'আমরা এমন একটি দলকে প্রতিদ্বন্ধী হিসেবে পেয়েছি যে, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব অবদান ছিলো না বরং তারা বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলো। একাত্তরে একদিকে ছিলো তাদের দাসত্বের শৃঙ্খল, আরেক দিকে ছিলো স্বাধীনতার জন্য মুক্তির সংগ্রাম। এরা দাসত্বের শৃঙ্খলকে সেদিন আলিংগন করেছিলো। শুধু তাই নয়, ওরা আমাদের কম বয়সী মা-বোনদেরকে পাক বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছিলো। মা-বোনদের সম্মান, ইজ্জত ওরা সেদিন নিলামে তুলেছিলো। আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদেরকে পাক বাহিনীর কাছে হত্যা করার জন্য তুলে দিয়েছিলো। ওরা বলে 'সৎ লোকের শাসন চাই, আল্লাহ আইন চাই।' আপনারা যদি আল্লাহ আইন চান তাহলে কৃঞ্ষ নন্দিকে কেন মনোনয়ন দিয়েছিলেন? ওরা বলছে, রোজ আর পূজা সমান।'
তিনি আরও বলেন, 'গত ষোল বছরে ওরা একই চেহারায় আবির্ভুত হয়েছিলো। ফ্যাসিবাদের সাথে একাকার হয়ে রাজনীতি করেছে। একদিকে ছিলো ফ্যাসিবাদকে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করার অপচেষ্টা। অপরদিকে গণতন্ত্রকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করার আকাঙ্খা। যার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ওরা কিন্তু গণতন্ত্রে আকাঙ্খাকে ধারণ করেনি। ওরা ফ্যাসিবাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলো।'
এমআর-২