এইমাত্র
  • ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান
  • এবার বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক কমাল যুক্তরাষ্ট্র
  • নির্বাচনী প্রচারণার সময় হকারকে টাকা দিলেন শাহরিয়ার কবির
  • ক্ষমতায় গেলে পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে : তারেক রহমান
  • লেবাননে ভবন ধসে ১৪ জন নিহত
  • মরার আগেই ‘মৃত্যুর ঘোষণাপত্র’ এপস্টেইনের
  • আগামী সপ্তাহেই পদত্যাগ করতে পারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
  • ১০ বছরের মধ্যে চাঁদে শহর গড়তে চান মাস্ক
  • ২০৮ আসনে বিএনপি ও জামায়াত জোট জিততে পারে ৪৬টিতে: ইএএসডি'র জরিপ
  • জিয়াউর রহমান না থাকলে জামায়াতে ইসলামীর জন্ম হতো না : রিজভী
  • আজ মঙ্গলবার, ২৬ মাঘ, ১৪৩২ | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    নির্বাচনী প্রচারণার সময় হকারকে টাকা দিলেন শাহরিয়ার কবির

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৪৯ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৪৯ পিএম

    নির্বাচনী প্রচারণার সময় হকারকে টাকা দিলেন শাহরিয়ার কবির

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৪৯ পিএম

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ঢাকা-১৫ আসনে নির্বাচনী প্রচারণার সময় একজন হকারকে টাকা দিতে দেখা গেছে ব্যারিস্টার এএসএম শাহরিয়ার কবিরকে। 

    সোমবার (৯) ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়।

    ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তায় পান বিক্রি করেন এমন একজনের সঙ্গে কথা বলছেন শাহরিয়ার কবির। কথা শেষে ওই বিক্রেতাকে এক হাজার টাকার একটি নোট দিয়ে যান।

    ভিডিওতে আরও দেখা যায়, বয়স্ক ওই ব্যক্তির কাছে শাহরিয়ার কবির জানতে চান, ব্যবসা কেমন হচ্ছে, বয়স্ক ব্যক্তি উত্তর দেন মোটামুটি। তখন শাহরিয়ার কবির বলেন, মোটামুটি কেন? উত্তরে ওই ব্যক্তি বলেন, দেশের পরিস্থিতি ভালো না। সবাই ভয়ের মধ্যে আতঙ্ক, কোন সময় কী করে বয়। এক পর্যায়ে শাহরিয়ার কবির বলেন, আমরা মুসলমান। একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কার ক্ষমতা আছে ভালো করার? একইসঙ্গে তিনি জিজ্ঞেস করেন, রিজিকের মালিক কে? আপনার সঙ্গে এই মুহূর্তে আমার দেখা হবে এর মালিক কে? উত্তরে ওই ব্যক্তি বলেন, আল্লাহ। তখন শাহরিয়ার কবির বলেন, তাহলে সে যেটা বলছে তার বাইরে গিয়ে দেশ চললে ভালো হবে? এরপর চলে যাওয়ার সময় তিনি ওই ব্যক্তির হাতে এক হাজার টাকার একটি নোট গুজে দেন।

    এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে শাহরিয়ার কবির বলেন, মানুষের সাহায্য করা বিপদ হয়ে গেলো। দোকানে বাচ্চাদের সাহায্য করাটা (খেলনা কিনতে টাকা দেয়া) বিপদ হলো না কিন্তু গরিব মানুষটাকে সাহায্য করাটা বিপদ হয়ে গেলো।

    গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৭৫ নম্বর অনুচ্ছেদে 'ঘুষ' গ্রহণ ও প্রদানের অপরাধ সম্পর্কে বলা আছে, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো ভোটারকে নির্বাচনে ভোট দিতে উৎসাহিত করার জন্য অথবা ভোট দেওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য সরাসরি বা পরোক্ষভাবে টাকা (ঘুষ) দেন, প্রস্তাব দেন বা প্রতিশ্রুতি দেন, তবে তিনি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন। এটিকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে নিরূপণ করা হয়েছে।

    নির্বাচনী প্রচারণার সময় এভাবে টাকা দেওয়ার মাধ্যমে আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে কিনা জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে অনেকক্ষণ কথা হয়েছে আমার। তিনি বলছিলেন তার সারাদিন বিক্রি হয়নি। আমি মানবিক দিক বিবেচনায় তাকে এক হাজার টাকা দিয়েছি। এটা সব ক্যামেরার সামনেই। এক্ষেত্রে তার কাছে আমি তো ভোট চাইনি। এই ব্যক্তির আগে পরে আমি ছোট ছোট বাচ্চাদেরও খেলার সামগ্রী কিনতে টাকা দিয়েছি। এগুলো সব অনেকগুলো ক্যামেরার সামনেই দিয়েছি।

    তিনি বলেন, আমি বাচ্চাদেরও টাকা দিয়েছিলাম এবং বলেছিলাম যে, তোমরা আবার ভেবো না যে, নির্বচনের জন্য এটা দিচ্ছি। (হকারকে টাকা দেয়া) একই জায়গার ঘটনা। গরিব মানুষেরটা ইস্যু হয়ে গেল আর বাচ্চাদেরটা ইস্যু হলো না!

    এফএস

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…