এইমাত্র
  • ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান
  • এবার বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক কমাল যুক্তরাষ্ট্র
  • নির্বাচনী প্রচারণার সময় হকারকে টাকা দিলেন শাহরিয়ার কবির
  • ক্ষমতায় গেলে পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে : তারেক রহমান
  • লেবাননে ভবন ধসে ১৪ জন নিহত
  • মরার আগেই ‘মৃত্যুর ঘোষণাপত্র’ এপস্টেইনের
  • আগামী সপ্তাহেই পদত্যাগ করতে পারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
  • ১০ বছরের মধ্যে চাঁদে শহর গড়তে চান মাস্ক
  • ২০৮ আসনে বিএনপি ও জামায়াত জোট জিততে পারে ৪৬টিতে: ইএএসডি'র জরিপ
  • জিয়াউর রহমান না থাকলে জামায়াতে ইসলামীর জন্ম হতো না : রিজভী
  • আজ মঙ্গলবার, ২৬ মাঘ, ১৪৩২ | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    আন্তর্জাতিক

    ১০ বছরের মধ্যে চাঁদে শহর গড়তে চান মাস্ক

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:০৯ পিএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:০৯ পিএম

    ১০ বছরের মধ্যে চাঁদে শহর গড়তে চান মাস্ক

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:০৯ পিএম


    চাঁদে মানুষের স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে শহর গড়ে তুলতে চায় স্পেসএক্স। বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের মালিকানাধীন এই সংস্থা জানিয়েছে, আগামী দশ বছরের মধ্যেই চাঁদের পৃষ্ঠে মানব বসতি তৈরির প্রস্তুতি সম্পন্ন হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর স্বপ্ন দেখালেও আপাতত সেই পরিকল্পনাকে সাময়িকভাবে পিছিয়ে রেখে চাঁদকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে স্পেসএক্স।


    এক্স-এ করা এক পোস্টে মাস্ক বলেন, স্পেসএক্স এখন চাঁদে একটি স্বনির্ভর শহর তৈরির দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। এটি দশ বছরেরও কম সময়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব জানিয়ে তিনি যোগ করেন, গ্রহগুলোর অবস্থানের কারণে মঙ্গলে পৌঁছাতে উৎক্ষেপণের সুযোগ ২৬ মাস পরপর আসে। কিন্তু চাঁদের ক্ষেত্রে প্রায় প্রতি ১০ দিন পরেই উৎক্ষেপণ করা যায়। এই লজিস্টিক সুবিধাই কৌশলগত পরিবর্তনের অন্যতম কারণ বলে ব্যাখ্যা করেন তিনি।


    তবে মঙ্গল অভিযানের স্বপ্ন পুরোপুরি বাতিল করা হয়নি। মাস্ক স্পষ্ট করেছেন, দীর্ঘমেয়াদে মঙ্গল গ্রহে মানব বসতি গড়ে তোলা এখনও স্পেসএক্সের লক্ষ্য। তার মতে, আগামী পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে মঙ্গল অভিযানের প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু করা হতে পারে। যদিও অতীতে মঙ্গলযাত্রার সময়সীমা বারবার পরিবর্তন হওয়ায় সমালোচকদের একাংশ মাস্কের ঘোষণাকে সতর্ক দৃষ্টিতে দেখছেন।


    স্পেসএক্স বর্তমানে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার অন্যতম প্রধান ঠিকাদার। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের চন্দ্র অভিযানে জোর দেয়ার নীতির সঙ্গেও এই নতুন পরিকল্পনার মিল রয়েছে। নাসার আর্টেমিস কর্মসূচির আওতায় ২০২৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে আবার নভোচারীদের চাঁদের পৃষ্ঠে পাঠানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে, যদিও প্রযুক্তিগত কারণে সময়সূচি কয়েকবার পিছিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্পেসএক্সের নির্মীয়মাণ চন্দ্রযানের ল্যান্ডার পুরোপুরি প্রস্তুত না হওয়ায় আরও বিলম্বের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।


    চাঁদে পৌঁছনো ও সেখানে পরিকাঠামো তৈরি করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল প্রকল্প। বিভিন্ন প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়েছে, সরকারি সংস্থাগুলোকে চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছাতে ১০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি খরচ হতে পারে, আর বেসরকারি যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে প্রতিটি আসনের ব্যয় ১০০ মিলিয়ন থেকে ৭৫০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে হতে পারে।


    ১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো ১১ মিশনে নীল আর্মস্ট্রং প্রথম চাঁদে পা রাখেন—সেই ঐতিহাসিক অভিযানের খরচ আজকের মূল্যে প্রায় ২৫০ বিলিয়ন ডলারের সমান ধরা হয়। এই বিপুল ব্যয়ের পরও মাস্কের দাবি, চাঁদের নিকটবর্তী অবস্থান ভবিষ্যতে দ্রুত ও তুলনামূলকভাবে কার্যকর মানব বসতি স্থাপনের পথ খুলে দিতে পারে।


    সূত্র: রয়টার্স


    এবি 

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…