ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়ের দুইটি আসনে মোট বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পাওয়ায় ১১ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মো. সায়েমুজ্জামান স্বাক্ষরিত প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফলের ভিত্তিতে এ হিসাব করা হয়েছে।
পঞ্চগড়-১ আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৫০ হাজার ২৫টি। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী এই আসনে জামানত রক্ষার জন্য একজন প্রার্থীকে ন্যূনতম ৪৩ হাজার ৭৫৪ ভোট পেতে হতো। এ আসনে বিএনপি প্রার্থী মুহাম্মদ নওশাদ জমির ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৬৯ ভোট এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির মো. সারজিস আলম শাপলা কলি প্রতীকে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯ ভোট পেয়ে জামানত রক্ষা করেন। অন্যদিকে জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-বাংলাদেশ জাসদের নাজমুল হক প্রধান মোটরগাড়ি প্রতীকে ৩ হাজার ৯ ভোট, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির মো. আব্দুল ওয়াদুদ (বাদশা) একতারা প্রতীকে ১ হাজার ১৮ ভোট, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মো. ফেরদাউস আলম আনারস প্রতীকে ৬৮৩ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের মো. মাহাফুজার রহমান ট্রাক প্রতীকে ৮৩৬ ভোট এবং বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের মো. সিরাজুল ইসলাম টেলিভিশন প্রতীকে ২৬১ ভোট পান।
অপরদিকে পঞ্চগড়-২ আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ৩ লাখ ১৫ হাজার ১৪৯টি। এই আসনে জামানত রক্ষার জন্য একজন প্রার্থীকে ন্যূনতম ৩৯ হাজার ৩৯৪ ভোট পেতে হতো। বিএনপি প্রার্থী ফরহাদ হোসেন আজাদ ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৫০ ভোট এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. সফিউল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ২৮ হাজার ৮৬২ ভোট পেয়ে জামানত রক্ষা করেন। বাকি ছয়জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন সুমন ঘোড়া প্রতীকে ১ হাজার ৮৫৪ ভোট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. আশরাফুল আলম কাস্তে প্রতীকে ৯৩৫ ভোট, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-বাংলাদেশ জাসদের মো. এমরান আল আমিন মোটরগাড়ি প্রতীকে ৯৫৩ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. কামরুল হাসান প্রধান হাতপাখা প্রতীকে ৪ হাজার ৩৯১ ভোট, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির মো. দেলোয়ার হোসেন একতারা প্রতীকে ১ হাজার ৩৫২ ভোট এবং জাতীয় পার্টির মো. লুৎফর রহমান রিপন লাঙ্গল প্রতীকে ২ হাজার ১৫২ ভোট পান।
এফএস