এইমাত্র
  • আজ পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবস
  • মুন্সিগঞ্জে নির্বাচন-পরবর্তী সংঘর্ষে আহত ৮
  • উল্লাপাড়ায় বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িঘর দোকানপাটে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ
  • নীল নদে নৌকাডুবি, ২১ মরদেহ উদ্ধার
  • বিকেলে নির্বাচনোত্তর সংবাদ সম্মেলনে আসছেন তারেক রহমান
  • এই বিজয় তারেক রহমানের প্রতি আস্থার প্রতিফলন : শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট
  • ‘নবনির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ যুক্তরাষ্ট্র’
  • দেশের আকাশে রমজানের চাঁদ দেখার সময় জানা গেল
  • ‘সামগ্রিক ফলকে স্বীকৃতি দিচ্ছি’, বিরোধী দল হিসেবে কাজ করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের
  • আজ পহেলা ফাল্গুন, ভালোবাসার দিনও আজ
  • আজ শনিবার, ১ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    জাতীয়

    ‘জনগণ আর পুরোনো বন্দোবস্তে ফিরে যেতে চায় না’

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:৩৫ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:৩৫ পিএম

    ‘জনগণ আর পুরোনো বন্দোবস্তে ফিরে যেতে চায় না’

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:৩৫ পিএম
    সংগৃহীত ছবি

    জনগণ আর পুরোনো বন্দোবস্তে ফিরে যেতে চায় না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ।


    শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।


    আলী রীয়াজ বলেন, গণভোটে হ্যাঁ ভোটের মাধ্যমে জনগণ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। এই রায় থেকে এটা স্পষ্ট, বাংলাদেশের নাগরিকদের বৃহদাংশ আর পুরোনো ব্যবস্থায় ফিরে যেতে বা স্থিতাবস্থা রাখতে চান না। তারা চান পরিবর্তন, রাষ্ট্রব্যবস্থায় সংস্কার।


    তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার ‘হ্যাঁ’ ভোটে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছেন। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া হিসেব অনুযায়ী গণভোটে ভোট দিয়েছেন ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩ ভোটার, যা মোট ভোটের প্রায় ৬০.৮৪ শতাংশ। এর মধ্যে ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ জন ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন; যা কাস্ট হওয়া মোট ভোটের ৬৮.০৬ শতাংশ। ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬ জন ভোটার; যা কাস্ট হওয়া ভোটের প্রায় ৩১ শতাংশ। লক্ষণীয় যে, ভোটারদের ৬০ শতাংশেরও বেশি গণভোটে অংশ নিয়েছেন; তা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়েও এক শতাংশ বেশি।


    আলী রীয়াজ বলেন, প্রধান উপদেষ্টা গণভোটের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশ্যে বলেছিলেন একটি জাতীয় রূপান্তর কখনোই একক সিদ্ধান্ত বা একক শাসনের মাধ্যমে হবে না। জনগণই রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি, পরিবর্তনের চূড়ান্ত বৈধতা আসে জনগণের সম্মতি থেকেই। তাই দেশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণে জনগণকে সরাসরি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ দেওয়াই হলো গণতান্ত্রিক পথের মূল ভিত্তি। এ লক্ষ্যেই আমরা গণভোটের আয়োজন করেছি, যাতে দেশের ভবিষ্যৎ সংস্কারের দিশা নির্ধারণে জনগণ সরাসরি নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারেন।


    তিনি আরও বলেন, জনগণ তার আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন। সংস্কারের পক্ষে জনরায় এসেছে। গণভোটে দেওয়া জনগণের রায়কে কেবল সংখ্যার বিবেচনায় দেখলেই হবে না। জনগণের এই রায় হচ্ছে ২০২৪ সালের আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন, যারা আহত হয়েছেন, যারা অকুতভয়ে লড়াই করেছেন, তারা আমাদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন, তার স্বীকৃতি।


    এমআর-২

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…