রাজনৈতিক কারণে গেল বছরের আগস্টে ৩ ওয়ানডে আর টি টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসেনি ভারত। দ্বিপাক্ষিক সিরিজটি পিছিয়ে এ বছর সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তবে মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেয়ার পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে টাইগারদের ভারতে না যাবার সিদ্ধান্তে যা আবারও অনিশ্চয়তায় মুখে পড়েছে।
তবে বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচনের পর দুই প্রতিবেশি দেশের সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। আগামী সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফরে আসতে ইতিবাচক বার্তাই দিচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)।
এদিকে সাম্প্রতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনে অনিশ্চিয়তা তৈরি হলেও বাংলাদেশের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন বিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি রাজিব শুক্লা।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর রনগিরি প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে হাইভোল্টেজ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের মাঝেই পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি ও আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহর সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন বিসিসিআই সহ সভাপতি রাজিব শুক্লা। সেখান থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের তিনি জানান, সম্ভাব্য সব পথ খুঁজে বাংলাদেশকে পুরো সন্তষ্ট করা হবে।
২০৩১ সালের আগে বাংলাদেশ যে আরও একটি ক্রিকেটের বৈশ্বিক আসরের স্বাগতিক হবে তা আগেই জানিয়েছে আইসিসি ও বিসিবি। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও এ বিষয়ে আন্তরিক। বাংলাদেশের স্বার্থরক্ষায় পাশে থাকতে চায় বিসিসিআই।
এ প্রসঙ্গে রাজিব শুক্লা আরও বলেন, 'বাংলাদেশকে নিয়ে যে আলোচনা হয়েছে, আমরা তাদেরকে একটা বৈশ্বিক আসর আয়োজনের সুযোগ দিব যা আন্তর্জাতিক ইভেন্ট হবে। বাংলাদেশ আমাদের দোস্ত, মিত্র বন্ধু। আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।'
উল্লেখ্য, আইসিসি, পিসিবি ও বিসিসিআইয়ের ত্রিমুখী বৈঠকে ভবিষ্যতে আইসিসি ও এসিসি ইভেন্টগুলোতে যেন কোনো জটিলতা তৈরি না হয়, সে রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয় ।
এবি