ঈদ এলেই চাকরিজীবীরা বোনাস পান। কারও ক্ষেত্রে এই টাকা প্রয়োজনের তুলনায় কম, আবার কারও কাছে কিছুটা বেশি মনে হয়। তবে অনেক সময় দেখা যায়, বোনাস হাতে আসার সঙ্গে সঙ্গেই অতিরিক্ত খরচও বেড়ে যায়। অথচ একটু পরিকল্পনা করে খরচ করলে এই বোনাসের টাকাই সঞ্চয়, বিনিয়োগ এবং জরুরি প্রয়োজন মেটাতে বড় সহায়ক হতে পারে।
এই জন্য বেশ কিছু কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে। যেমন-
১. প্রথমে বাজেট ঠিক করতে হবে: বোনাসের টাকার পুরো অঙ্ক লিখে নিন। কতটা খরচ, কতটা সঞ্চয়- শুরুতেই ভাগ করে রাখলে খরচ নিয়ন্ত্রণে থাকে। আপনি যদি মনে করেন এবার ২০ শতাংশ টাকা জমিয়ে রাখব, তাহলে বোনাস থেকে ওই টাকা সরিয়ে রাখতে পারেন।
২. বড় কেনাকাটার আগে ভাবুন: বোনাসের টাকা পেলে সঙ্গে সঙ্গে বড় কেনাকাটায় যাবেন না। তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত এড়িয়ে চলুন।
৩. একা সিদ্ধান্ত নিবেন না: বোনাসের টাকা কত পেলেন, তা দিয়ে কী করবেন, একা সিদ্ধান্ত নেবেন না। একক সিদ্ধান্তের বদলে পরিবারের চাহিদা শুনে পরিকল্পনা করলে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমে।
৪. নগদ খরচে সীমা: ঈদে ঘোরাঘুরি ও আপ্যায়নে একটি নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দিন। সীমা পেরোলেই খরচ থামান।
৫. ভবিষ্যতে বিনিয়োগ: ব্যবসায় বিনিয়োগ ভবিষ্যতে আয় বাড়াতে পারে। তাই বোনাসের টাকা থেকে কিছু অংশ এমন বিনিয়োগের জন্য ভাবতে পারেন।
৬. খরচের হিসাব রাখুন: কোথায় কত খরচ হলো, লিখে রাখলে পরের বছর আরও সচেতন সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।
৭. জরুরি তহবিল গড়ুন: অপ্রত্যাশিত চিকিৎসা বা চাকরির ঝুঁকির জন্য আলাদা তহবিল করতে পারেন। বোনাসের টাকা আসার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে কিছু টাকা রাখতে পারেন। এতে ভবিষ্যতের চাপ কমবে।
৮. ঋণ পরিশোধে বোনাসের টাকা কাজে লাগান: ঋণ থাকলে তা পরিশোধে বোনাসের টাকা কাজে লাগাতে পারেন।
এইচএ