আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে চিহ্নিত করা হয়েছে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র। মানিকগঞ্জ জেলাও এর আওতামুক্ত নয়।
মানিকগঞ্জ-১ আসনটি শিবালয়, ঘিওর ও দৌলতপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে শুধু শিবালয় উপজেলার ৬১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৪টিকে ‘অধিক ঝুঁকিপূর্ণ’ এবং ১৩টিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
শিবালয় থানা পুলিশ সূত্রমতে, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে বিএনপি প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবিরের গ্রামের বাড়ির কেন্দ্র পূর্ব মানিকনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিকীর নিজ গ্রামের কেন্দ্র বরংগাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এছাড়া অধিক ঝুঁকিপূর্ণ তালিকার অন্য কেন্দ্রগুলো হলো— নয়াবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়, উথলী বালিকা বিদ্যালয় (১ ও ২ নম্বর কেন্দ্র), শিবালয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বোয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রিশাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নবগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কেন্দ্রীয় আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিজারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রূপসা ওয়াহেদ আলী উচ্চ বিদ্যালয় (১ ও ২ নম্বর কেন্দ্র), রূপসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং রাওয়ান ইবনে রমজান স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র। এসব কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
অন্যদিকে, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে— আলোকদিয়া আশ্রয় কেন্দ্র ও মধ্যনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আলোকদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (ত্রিসুণ্ডি), টেংগরহাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জমদুয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দাশকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দশচিড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মহাদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (১ ও ২ নম্বর কেন্দ্র), বনগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাড়াগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ঢাকাইজোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এ বিষয়ে শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন জানান, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সকল কেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে। নির্বাচন উপলক্ষে সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি উপজেলায় ১৮৪ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
এনআই