এইমাত্র
  • বাংলাদেশিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলো শিলিগুড়ির হোটেল মালিকরা
  • নেপালে বাস দুর্ঘটনায় ব্রিটিশ নাগরিকসহ নিহত ১৯
  • হাইকোর্টের ২ বিচারপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ
  • ৩ সচিবকে প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন
  • ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ও প্রথম সমকামী প্রধানমন্ত্রী পেল নেদারল্যান্ডস
  • নামি দামি দোকান নয়, ফুটপাতের ইফতারেই ভরসা স্বল্প আয়ের মানুষের
  • নিকলীতে নিখোঁজের ৭ দিন পর ডোবায় মিলল নারীর অর্ধগলিত মরদেহ
  • সিরাজদিখানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এমপির হঠাৎ পরিদর্শন
  • নড়াইলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, বাবা–ছেলেসহ নিহত ৫
  • বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুনরায় কমিশন গঠন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • আজ সোমবার, ১০ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    শিক্ষাঙ্গন

    পাবিপ্রবিতে ছাত্রদল সভাপতির দুই গ্রুপের হাতাহাতি

    মিকাইল হোসাইন, পাবিপ্রবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম
    মিকাইল হোসাইন, পাবিপ্রবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম

    পাবিপ্রবিতে ছাত্রদল সভাপতির দুই গ্রুপের হাতাহাতি

    মিকাইল হোসাইন, পাবিপ্রবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম

    পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদল সভাপতি মুজাহিদ হোসেনের নেতাকর্মীরা দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। 


    এতে একজন আহত হয়েছেন। আহত শিক্ষার্থীর নাম অমিত কবিরাজ। তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ।


    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) সকালে নারীঘটিত বিষয় নিয়ে প্রথমে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অমিত কবিরাজ ও মেহেদীর মধ্যে কথা কাটাকাটির সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে এই বিষয়কে কেন্দ্র করে ছাত্রদল সভাপতির দুই গ্রুপ দুইদিকে বিভক্ত হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকের সামনে দুপুর ১টার দিকে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে।


    এ সময় অমিত কবিরাজের পক্ষ নেয় ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক মো: রুমেল, ফয়সাল, রাসেল এবং অভিযুক্ত মেহেদীর পক্ষ নেয় ইমরান, মেহেদীসহ আরও অনেকে।


    মারামারির এক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদুল হক ও প্রক্টর কামরুজ্জামান খান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। তারপর আহত শিক্ষার্থীকে পাবনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।


    অমিত কবিরাজ জানান, রাজনৈতিক ক্ষমতার বলে মেহেদী আমাকে আঘাত করেছে। সে আমার ওপর মেয়েঘটিত মিথ্যা দোষারোপ করেছে। পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের যে ভাই এসেছেন, তিনি আমার জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক।


    এ সময় অভিযুক্ত মেহেদীর সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।


    পাবনা সদর হাসপাতালের ডাক্তার মো: পলাশ বলেন, এক্স-রেতে আঙুলে ফ্র্যাকচার দেখা গেছে। সেটি প্লাস্টার করলেই হবে।


    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো: কামরুজ্জামান খান বলেন, তারা নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি করেছে। আমি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে গিয়েছিলাম। পরে তাদের মীমাংসা করে দেওয়া হয়েছে।



    এসআর

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…