এইমাত্র
  • বাংলাদেশিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলো শিলিগুড়ির হোটেল মালিকরা
  • নেপালে বাস দুর্ঘটনায় ব্রিটিশ নাগরিকসহ নিহত ১৯
  • হাইকোর্টের ২ বিচারপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ
  • ৩ সচিবকে প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন
  • ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ও প্রথম সমকামী প্রধানমন্ত্রী পেল নেদারল্যান্ডস
  • নামি দামি দোকান নয়, ফুটপাতের ইফতারেই ভরসা স্বল্প আয়ের মানুষের
  • নিকলীতে নিখোঁজের ৭ দিন পর ডোবায় মিলল নারীর অর্ধগলিত মরদেহ
  • সিরাজদিখানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এমপির হঠাৎ পরিদর্শন
  • নড়াইলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, বাবা–ছেলেসহ নিহত ৫
  • বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুনরায় কমিশন গঠন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • আজ সোমবার, ১০ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    জাতীয়

    আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৩৭ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৩৭ পিএম

    আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৩৭ পিএম
    সংগৃহীত ছবি

    দেশে আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এ তথ্য জানা যায়। প্রাথমিক কর্মসূচি শুরু হচ্ছে ১৩ জেলার একটি করে ওয়ার্ডে।

    সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় উপজেলা থেকে ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন। কমিটির প্রধান হচ্ছেন প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা।

    এর আগে গত রোববার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত কমিটির সভায় জানানো হয়, শুরুতে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালানোর পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্প্রসারণ করে দেশের ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে সুসংগঠিতভাবে সহায়তা দেয়া হবে। এ লক্ষ্যে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে।

    উপকারভোগী নির্বাচন জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তথ্যের মাধ্যমে করা হলেও, আর্থিক তথ্য না থাকায় নির্বাচিত ওয়ার্ডে সরেজমিন যাচাই-বাছাই করে সুবিধাভোগী চূড়ান্ত করা হবে। পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত চারটি শ্রেণিতে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা জানান, বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে প্রায় ৫০ শতাংশ টার্গেটিং ত্রুটি থাকায় অর্থের অপচয় হচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড চালু হলে একাধিক সুবিধা একীভূত করে এই ত্রুটি কমানো সম্ভব হবে।

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জানান, প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ডে পাঁচজন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বড় পরিবারের ক্ষেত্রে প্রতি পাঁচজনের জন্য আলাদা কার্ড দেওয়া হবে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা পাবেন না, তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্য ভাতা পেতে পারবেন।

    প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ হবে বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাগঞ্জে।

    উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। অনুদানের অর্থ ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। নারীরা খানা প্রধান হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন এবং অন্য ভাতা পাবেন না, তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের সুবিধা থাকবে।

    এমআর-২

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…