নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের বটতলা এলাকা থেকে ডেমরা থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কণ্ঠশিল্পী নোবেল গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, এক তরুণীর মামলার প্রেক্ষিতে গ্রেফতার করা হয়েছে নোবেলকে৷ মামলায় ওই তরুণী দাবি করেন, দুই পরিবারের সম্মতিতে তার সঙ্গে নোবেলের বাগদান সম্পন্ন হয়। একপর্যায়ে নোবেলের সঙ্গে দেখা করতে গেলে নিজস্ব স্টুডিওতে তাকে একদিন আটকে রেখে শারীরিক সম্পর্কের চেষ্টা করেন নোবেল। এসময় জোরপূর্বক ওই তরুণীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও তৈরির জন্য তাঁকে প্রচণ্ড চাপ দেওয়া হয়। এছাড়া নোবেলের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১৩ লাখ টাকার বেশি অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগও তার। ভুক্তভোগী তরুণী গত বছরের ১৩ আগস্ট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।
আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআইকে দায়িত্ব দেন। ২০২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পিবিআইয়ের এসআই নুরুজ্জামান আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওই দিনই আদালত নোবেলকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) জারি করেন। মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন- নোবেলের স্ত্রী ইসরাত জাহান প্রিয়া, তার মা নাজমা হোসেন এবং সহকারী মুনেম শাহ সৌমিক।
আদালতের নির্দেশের পর ডেমরা থানা পুলিশ আসামিদের আইনের আওতায় আনতে তৎপরতা শুরু করে। অবশেষে সোমবার নোবেলকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। ডেমরা থানার অপারেশন অফিসার মো. মুরাদ গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা মো. মুরাদ বলেন, আদালত থেকে নোবেলসহ ৪ জনের নামে ওয়ারেন্ট জারি করে পুলিশকে অবহিত করার পর তারা ওয়ারেন্ট তামিল করেছেন। বর্তমানে নোবেলকে আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে। মামলার অন্য আসামিদের বিষয়েও তদন্ত ও তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।
মাইনুল আহসান নোবেলের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক নারী কেলেঙ্কারি ও অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছিল। সবশেষ ২০২৫ সালের ১৯ মে ডেমরা থানার আরেক মামলায় ধর্ষণ ও মারধরের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে কারাগারে বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পাঁচ দিন পর তিনি জামিন পান।
এসআর