এইমাত্র
  • রাজধানীতে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা
  • রমজানে একদিনে ওমরাহ পালনে নতুন রেকর্ড
  • দেশে ফের শক্তিশালী ভূমিকম্প
  • দেশের রিজার্ভে বড় সুখবর, ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
  • ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান
  • এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ৪ পরিচালককে বদলি
  • ২০২৫ সালে রেকর্ড ১২৯ সাংবাদিক নিহত
  • যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানার ক্ষেপণাস্ত্র বানাচ্ছে ইরান: ট্রাম্প
  • বোমা হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে শ্রীলঙ্কার সাবেক গোয়েন্দা প্রধান গ্রেপ্তার
  • পদত্যাগ করিনি, তবে শুনেছি আমি আর নেই: আহসান এইচ মনসুর
  • আজ বৃহস্পতিবার, ১২ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    ভোলায় শিশু চুরি ঘটনার নাটকীয় মোড়, বাবা-মা পুলিশি হেফাজতে

    মো. সবুজ, ভোলা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩১ পিএম
    মো. সবুজ, ভোলা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩১ পিএম

    ভোলায় শিশু চুরি ঘটনার নাটকীয় মোড়, বাবা-মা পুলিশি হেফাজতে

    মো. সবুজ, ভোলা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩১ পিএম

    ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নে মায়ের কোল থেকে তিন মাসের শিশু চুরির ঘটনা চাঞ্চল্যকর মোড় নিয়েছে। ঢাকাগামী একটি লঞ্চ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তদন্তে উঠে এসেছে—শিশুটিকে চুরি নয়, বরং বিক্রি করে চুরির নাটক সাজিয়েছে শিশুটির মা।

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ভোলা থেকে ছেড়ে যাওয়া ঢাকাগামী এমভি দোয়েল পাখি -১০ লঞ্চ  থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

    এরআগে, সকালে শিশুটির মা সুমাইয়া বেগম দাবী করেন তিনি শিশুটিকে সঙ্গে করে স্থানীয় মালেরহাট বাজারসংলগ্ন একটি ক্লিনিকে গেলে সেখানে বোরকা পরিহিত এক নারী দুইশো টাকার নোট দেখিয়ে কথা বলতে গিয়ে নেশাদ্রব্য প্রয়োগ করে শিশুটিকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম তদন্তে মাঠে নামে।

    শিশু চুরির খবরটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেজবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা ব্যাপক ভাইরাল হয়। এবং ভোলা থেকে ছেড়ে যাওয়া ঢাকাগামী এমভি দোয়েল পাখি -১০ লঞ্চের কয়েকজন যাত্রী জানান শিশুটি ওই লঞ্চে আমেনা বেগম নামের এক নারীর কাছে রয়েছে। পরে খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটিকে উদ্ধার করে।

    আমেনা বেগম নামের ওই নারী জানান, শিশুটির মা সুমাইয়া বেগম তার আপন বোন হয়। একাধিক কন্যা সন্তান থাকায় শিশুটি তিনি (শিশুর মা) লালন পালন  করবেন না জানিয়ে তার কাছে বিক্রি করে দেন। শিশুটিকে তিনি লালন-পালন করার উদ্দেশ্যে নিয়েছেন।

    এদিকে শিশুটি উদ্ধারের পর পুলিশ শিশুটির বাবা আব্দুর রব ও মা সুমাইয়া এবং শিশুটির ফুফু জান্নাত বেগমকে জিজ্ঞেসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে নিয়েছেন। ঠিক কি কারণে নিজ সন্তানকে অন্যাত্রে বিক্রি করে দিয়েছেন সেই বিষয়টি তিনি এখনো স্পষ্ট করে বলছেন না। তবে জিজ্ঞেসাবাদ শেষে পুলিশের পক্ষ থেকে একটি প্রেস ব্রিফিং করে এই ঘটনার বিস্তারিত জানানোর কথা রয়েছে।

    এ বিষয়ে ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহিম বলেন, “ঘটনার পরপরই পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নেমে তদন্ত শুরু করে। পরে বিকেলে শিশুটি ঢাকাগামী লঞ্চে রয়েছে খবর পেয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে শিশুটির বাবা-মা ও ফুফুকে জিজ্ঞেসাবাদ চলছে।

    এফএস

    ট্যাগ :

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    Loading…