এইমাত্র
  • রাশিয়ার ৪ যুদ্ধজাহাজে ভয়াবহ হামলা, হতাহত ১৭
  • কক্সবাজারে ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ যুবদল নেতা আটক
  • এএমআর ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাকৃবিতে ‘ক্লাইমেট-স্মার্ট’ গবেষণা প্রকল্প
  • সৌদি আরব ও ওমানে সখিপুরের দুই প্রবাসীর মৃত্যু
  • ‎রিকশা চালকের ঘুষিতে যুবদল নেতার মৃত্যু
  • পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ: জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে কিশোরগঞ্জে মানববন্ধন
  • মুন্সিগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরির দায়ে দোকানিকে জরিমানা
  • সংবাদ প্রকাশের জেরে বেনাপোলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ
  • সিংড়ায় ইজিবাইক চুরি নিয়ে সংঘর্ষ, গুলিতে আহত ৫
  • সিদ্ধিরগঞ্জে পদ্মা ও মেঘনা অয়েল ডিপোতে তেল সরবরাহ কমায় ট্যাংকলরির দীর্ঘ জট
  • আজ বৃহস্পতিবার, ২১ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    শিক্ষাঙ্গন

    সেই নিহত ইবি শিক্ষিকার শরীরে অন্তত ২০টি আঘাতের চিহ্ন: ময়নাতদন্ত রিপোর্ট

    রবিউল আলম, ইবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৬ পিএম
    রবিউল আলম, ইবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৬ পিএম

    সেই নিহত ইবি শিক্ষিকার শরীরে অন্তত ২০টি আঘাতের চিহ্ন: ময়নাতদন্ত রিপোর্ট

    রবিউল আলম, ইবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৬ পিএম

    কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো কিছু দিয়ে ১৮ থেকে ২০টি আঘাতের চিহ্ন সনাক্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্টে এমন তথ্য উঠে এসেছে বলে নিশ্চিত করেন কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হোসেন ইমাম।

    বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত করা হয়। এরপর পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করে পুলিশ। ময়নাতদন্ত করেন আরএমও হোসেন ইমাম।

    তিনি সাংবাদিকদের জানান, নিহত শিক্ষিকার গলা, বুক, পেট, হাত-পাসহ বিভিন্ন স্থানে ১৮ থেকে ২০টি আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। তাতে মনে হয়েছে, ঘটনার সময় ধস্তাধস্তি হয়েছে। এতে ভিন্ন ভিন্ন স্পটে আঘাত পান।

    আরএমও হোসেন ইমাম বলেন, নিহত শিক্ষকার গলার নিচে সজোরে আঘাত করা হয়েছে। এতে গভীর ক্ষত হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এতেই তার মৃত্যু হয়েছে। বাকি আঘাত গুরুতর ছিল না।

    বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগে নিজ কক্ষে অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেন বিভাগের সাবেক কর্মচারী ফজলুর রহমান। পরে তিনি নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

    এ ঘটনায় আজ সকালে নিহত শিক্ষিকা অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান বাদি হয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় অভিযোগ করেন। অভিযুক্তরা হলেন, কর্মচারী ফজলুর রহমান, সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও সহকারী অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমান।

    এদিকে আজ জোহরের পর কুষ্টিয়া শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে আসমা সাদিয়া রুনার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তার মরদেহ কুষ্টিয়া পৌর গোরস্তানে দাফন করা হয়।

    নিহত সাদিয়া রুনার বাবা জানাজায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সে আমার বড় মেয়ে তার ভুল ত্রুটি হলে তাকে সবাই মাফ করে দেবেন আর দোয়া করবেন আল্লাহ যেন আমার মেয়েকে জান্নাত দান করেন। আসল খুনিদের গ্রেফতার ও সুষ্ঠু বিচার হয় সেই প্রত্যাশা করছি।’

    জানাজায় উপস্থিত হয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ নিহত পরিবারের পাশে সার্বক্ষণিক অভিভাবক রূপে থাকবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এছাড়াও ঘটনাটি সিআইডি পুলিশ সংস্থাও তদন্তে মাঠে কাজ করছেন।

    এসআর

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…