ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরানের কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ধ্বংস করা হলেও দেশটির এখনও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ব্যাপক সক্ষমতা রয়েছে।
ইসরায়েলের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফি ডেফরিন জানান, ‘‘আমরা ইরানের কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্র ধ্বংস করেছি। ইরানি এসব ব্যবস্থা ইসরায়েলি সীমান্তের জন্য বড় ধরনের হুমকি ছিল।’’
তিনি বলেন, ‘‘আমরা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থায় হামলা অব্যাহত রাখব এবং ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ক্ষমতা কমিয়ে ফেলবো। তবে দেশটির এখনও উল্লেখযোগ্য সক্ষমতা রয়েছে। আমি আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্ভেদ্য নয়।’’
পৃথক এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানায়, গত রাতে পশ্চিম ইরানের ইসফাহানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মজুত, উৎপাদন ও উৎক্ষেপণ স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের (আইএআই) সদরদপ্তর লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে লেবাননের সশস্ত্রগোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। একই সঙ্গে ইসরায়েলের ড্রোন নিয়ন্ত্রণকারী একটি সামরিক ঘাঁটিতেও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।
যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, মনুষ্যবিহীন ড্রোনসহ যুদ্ধের অস্ত্র, স্যাটেলাইট ও মহাকাশ কার্যক্রমের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রতিরক্ষা এবং বেসামরিক পণ্য তৈরি করে ইসরায়েলের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার রাতে ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে ইসরায়েলি সামরিক সরঞ্জামপ্রস্তুতকারক কোম্পানি আইএআইর সদরদপ্তরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ।
এমআর-২